Mozumder Brothers

Mozumder Brothers Business

05/06/2025

ভোটে হারাতে জামাত-শিবিরের বি'রুদ্ধে নতুন ষড়'যন্ত্র হচ্ছে? পেছনে কারা? Jamatshibir ...

চাঁদাবাজি
05/06/2025

চাঁদাবাজি

নেতার কোরবানি | পার্টি অফিস ২ | Bangla Funny Video | Family Entertainment bd | Desi Cid | Eid Natok 2025 | Kurbani Natok | Party Office Natok | Party Office ...

05/06/2025

কুরবানির পশুর চামড়ার দাম #এনসিপি #এনসিপির_নেত্রী ...

05/06/2025

"যেখানে ভালোবাসা বয়স ছাপিয়ে যায়"

ভালোবাসা সবসময় নিয়মের ভিতরে চলে না। কখনো কখনো তার পথ একটু ভিন্ন হয়—বয়েসের চিরাচরিত হিসেবনিকেশকে অগ্রাহ্য করে, সমাজের সীমানা মাড়িয়ে, মানুষের কৌতূহলের চশমা ভেদ করে। সেই ভালোবাসা বয়সের পার্থক্যে নয়, বরং আত্মার সংযোগে, শরীরের ভাষা আর মনের গভীর বোঝাপড়ায় গড়ে ওঠে।

এমন অনেক সম্পর্ক দেখা যায় যেখানে একজন বয়সে বেশ বড়—হয়তো অভিজ্ঞতায়, জীবনের ক্লান্তিতে কিছুটা ভারাক্রান্ত, কিন্তু মনে এক টুকরো কাঁচা ছেলেমানুষি লুকিয়ে রেখেছে। আর তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকে এক তরুণ, বা তরুণী—যার বয়স কম, কিন্তু অনুভব গভীর। যে জানে, কখন স্পর্শে শান্তি দিতে হয়, কখন নিঃশব্দে পাশে বসে থাকতে হয়।

তাদের সম্পর্কের ভিতটা কেবল প্রেমের কথায় নয়, বরং শরীরের ভাষায়ও গাঁথা থাকে। তারা জানে, একজন ক্লান্ত শরীরকে কীভাবে জড়িয়ে ধরলে মনের জট খুলে যায়, কিংবা একটি দীর্ঘ আলিঙ্গনে কীভাবে লুকানো কষ্ট গলে পড়ে। এখানে কামনা লজ্জার বিষয় নয়, বরং একপ্রকার সত্যিকারের অনুভব—যেখানে শরীর শুধু শরীর থাকে না, হয়ে ওঠে ভালোবাসা প্রকাশের একমাত্র ভাষা।

একটা বয়সে বড় নারী, হয়তো জীবনের কিছু তিক্ততা বয়ে এনেছেন, হয়তো সম্পর্কের ব্যর্থতা, সংসারের চাপ, কিংবা সমাজের 'এজিং'-এর ভয়। কিন্তু যখন সে ভালোবাসার চোখে নিজের চেয়েও ছোট কারো শরীরী স্পর্শে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করে, তখন তার সমস্ত ক্লান্তি ধুয়ে যায়। সে বুঝতে পারে, বয়স তার শরীরকে ছুঁতে পারে, কিন্তু মনকে নয়।

তেমনি একজন তরুণী, বয়সে ছোট, কিন্তু তার ভেতরে যে যত্নের পরিপক্বতা—একজন পরিণত পুরুষকেও স্তব্ধ করে দেয়। তার ছোট ছোট স্পর্শ, চোখে চোখ রেখে বলা না-বলা কথাগুলো, কিংবা ক্লান্ত দিনে হালকা হাসিতে হারিয়ে ফেলা কষ্টগুলো—সবই এমন এক ভালোবাসার প্রকাশ, যেটা বইয়ে শেখা যায় না, বয়সে নির্ধারিত হয় না।

এই সম্পর্কগুলোতে যৌনতা শুধু শরীরের খিদে নয়, বরং আত্মিক নির্ভরতাও। রাতের ঘুম-ভাঙা চুমু, ভোরের আলোয় নিঃশব্দ আলিঙ্গন, একে অপরের শরীরের চেনা পথ ধরে প্রেমের গভীরতায় হারিয়ে যাওয়া—সবটাই যেন জীবনের এক নরম, অথচ জ্বলন্ত রঙ। তারা জানে, এই সম্পর্কটা সমাজ সহজে নেবে না, কটাক্ষ করবে, প্রশ্ন তুলবে—কিন্তু তারাও জানে, তাদের প্রেম কেবল চোখে দেখা যায় না, তা অনুভব করতে হয়।

এই প্রেম রয়ে যায় রুমের একপাশে রাখা পুরোনো গানের সিডিতে, রাত্রি ৩টার নরম আলোয়, ভেজা বিছানার চাদরে, কিংবা এমনকি কাপড় বদলানোর সময় শিরদাঁড়ার শীতল স্পর্শে। এমন প্রেমে শারীরিক মূহূর্তগুলো পবিত্র হয়ে ওঠে, কারণ তা জোরে নয়—তাতে থাকে সম্মতি, কৌতূহল, এবং ভেতর থেকে দেওয়া নিজেকে।

এই ভালোবাসার নাম অনেকে বুঝতে পারে না, কেউ কেউ এটাকে "লোভ", কেউ বলে "প্রয়োজন"। কিন্তু যারা সত্যিকার অর্থে এমন সম্পর্কে থাকে, তারা জানে—এটা শুধুই প্রেম, গভীর এক প্রেম। এমন প্রেম যা যৌনতাকে অপবিত্র ভাবেনা, বরং সম্মানের জায়গা থেকে দেখে।

শেষমেশ, সম্পর্ক তখনই পূর্ণতা পায়, যখন শরীর আর মনের ভাষা একসঙ্গে কথা বলে। এবং সেই সংলাপে বয়স কোনো বাধা নয়—সেখানে শুধু দরকার বোঝাপড়া, সম্মান, আর এমন এক স্পর্শ যা মুখে বলে না, কিন্তু হৃদয়ে গেঁথে যায়।

✍️ ০৫-০৬-২৫

28/05/2025

তমা'র (Ru..) দুইটি প্রেম
এপ্রিল ২০২৫
আগে জানতাম পুরুষ মানুষ একসঙ্গে দুই বিয়ের সংসার চালিয়ে যায়। কিন্তু মহিলা মানুষও যে একসঙ্গে দুইটা স্বামী আর দুইটা সংসার সুন্দরভাবে চালাতে পারে এটা আমার স্ত্রীকে না দেখলে জানা হতো না। শুনতে অদ্ভুত লাগছে তাইনা? প্রথমদিকে আমারও বিশ্বাস করতে খুব কষ্ট হয়েছে। এমনটা আবার হয় নাকি?
আমার স্ত্রী তমা। আমি আদর করে ডাকি প্রিয়তমা। কিন্তু সে শুধু আমারই প্রিয়তমা নয়। তাকে প্রিয়তমা বলে ডাকবার আরও একজন আছে।

তমা পেশায় একজন চিকিৎসক। বাসা থেকে খানিকটা দূরে একটা ক্লিনিকে চাকরি করছে। পাশাপাশি চেম্বারও করছে অন্য একটা জায়গায়। সাদা এপ্রোন পরে রোজ সকালে ডিউটিতে বেরিয়ে যায় সে। আমি দুই বছর ধরে তাইই জানতাম। কিন্তু সে আসলে ডিউটিতে যায় না। সে যায় তার আরেকটি সংসারে। আরেক জন পুরুষের কাছে।

ওদিকে একইভাবে সারাদিন ওই বাড়িতে সংসার শেষে সন্ধ্যাবেলায় নাইট শিফটের ডিউটির কথা বলে বাসা থেকে বেরোয়। আর আমার বাসায় আসে এমনভাবে যেন সারাদিন কাজ শেষে ক্লান্তশ্রান্ত তমা বাসায় ফিরলো। আমি ওর অপেক্ষায় থাকি। এভাবেই কেটে গেছে আমাদের সংসারের দুইটা বছর।

আমি বুঝিনি কখনও। ভাবিনি তমা এমন কিছু লুকিয়ে রাখতে পারে। আমি তো ছিলাম ওর সবটুকু। অন্তত ওর রোমান্স, আমার প্রতি কেয়ারনেস আর সংসার সামলে নেয়ার দক্ষতা দেখে তা বোঝার উপায় ছিলো না।

ঘটনার শুরু সেদিন, যখন আমার এক বন্ধুর অসুস্থ স্ত্রীকে আমি ওর কাছে নিয়ে যেতে বলি। বন্ধু সেখানে গিয়ে তমাকে না পেয়ে জানায় তমা নাকি এখানে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে বহু আগেই। কথাটা শুনে আমি অনেক্ষণ স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম। কিছু ভাব্বারও অবকাশ ছিলোনা। তমা চাকরি ছেড়ে দিয়েছে অথচ আমাকে জানায় নি! তাহলে এখন কোথায় চাকরি করছে সে?

বিষয়টা তমার কাছেই জানতে চাইলাম। প্রথমে খানিকটা ইতস্তত বোধ করলেও পরে শুষ্ক হাসি দিয়ে বললো, "এখন অন্য একটা জায়গায় জব নিয়েছি।"
"আমাকে তো জানাও নি!"
"জানাই নি? কী বলো! আমার ক্লিনিকের পাশেই। তোমাকে জানিয়েছিলাম। মনে করে দেখো।"

আমি মনে করার চেষ্টা করলাম না। কারণ এটা সে আমাকে জানালে স্পষ্ট মনে থাকতো আমার। তমার সঙ্গে আমার পরিচয় সে যখন ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে সদ্য ঢাকায় এসেছে। চোখে সীমাহীন স্বপ্ন কিন্তু পরিবারের সাপোর্ট নেই। সত্যি বলতে সাপোর্ট করার কেউ ছিলোও না। তমার নিজের বলতে অসুস্থ মা ছাড়া কেউ ছিলো না।

আমি তখন পড়াশোনার পাট চুকিয়ে একটা প্রাইভেট ফার্মে জবে ঢুকেছি। আমাদের পরিচয়টা হয় খুব সাদামাটাভাবেই। তাকে দেখতাম হন্য হয়ে টিউশনি খুঁজতে। আমি বেশ কয়েকটা টিউশনির ব্যবস্থা করে দেই। এরপর আমাদের কথা হতো প্রয়োজনে কিংবা হালকা খোঁজ খবর নেয়ার খাতিরে।

মেয়েটা বড্ড একা, এভাবে লড়ছে। তাই স্বাভাবিক ভাবেই ওর পাশে থেকেছিলাম পুরোটা সময়। মেডিকেল ভর্তির প্রস্তুতিটাও আমিই তাকে নিতে উৎসাহ দেই। কখনো কথা দিয়ে, কখনোবা অর্থ দিয়ে তার পাশে ছিলাম সবসময়। তমা ছিলো মেধাবী, পরিশ্রমী। সেই তমা আমার চোখের সামনে একটু একটু করে বড় হলো।
তার ডাক্তার হওয়া পর্যন্ত আমি কখনো বিয়ের কথা বলিনি। সে যখন পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়ে এলো, জীবনটা গুছিয়ে ফেললো বেশ। তবেই জানালাম এখন বিয়ের উপযুক্ত সময়।

সেই তমা কি এতকিছুর দায় শোধ করার খাতিরেই আমাকে ছেড়ে যেতে পারেনি!

এই শহরে আমার কেউ নেই। বয়স্ক বাবা মা আছেন, তমার কর্মস্থলে প্রথমদিকে যেতাম। একদিন সে ই নিষেধ করলো আমাকে, 'জনাবে এ.., তুমি আমার অফিসে এসো না। তোমাকে দেখলে আমার কাজ করতে ভালো লাগে না। সব ছেড়ে ছুড়ে গৃহিণী হয়ে যেতে ইচ্ছে করে।'

আমি ওর কথাটাকে অত সিরিয়াসলি চিন্তা করিনি। তবে সত্যিই আর কখনো ওর ক্লিনিকে যাইনি। এদিকে সে সেখানকার চাকরিটা ছেড়ে দিয়ে অন্য কোথাও সংসার গুছিয়েছে, তা আমার কল্পনারও বাইরে।

প্রতিদিন সকালে আমি নাস্তা বানাই। তমা খেয়েদেয়ে ডিউটির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়। ডিউটির পর চেম্বার শেষ করে বাসায় ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে যায়। ক্লান্ত মানুষ, ফিরবে বলে আমিই কিছু কাজ গুছিয়ে রাখি। কতবার বলেছি চাকরিটা ছাড়ো নয়তো চেম্বার। সে কোনোটাই ছাড়বে না। এগুলো নাকি তার অস্তিত্ব।

আমার জানা ছিলো না এই অস্তিত্বের সবকিছু ভুলে সে কার সংসারে সারাদিন আলো ছড়ায়।

সেদিন সন্ধ্যায় তমা এসেছিল একটু তাড়াতাড়ি। হাতে ব্যাগ, চোখে চেনা ক্লান্তি। আমি তখন কিচেনে, তমা পেছন থেকে এসে জড়িয়ে ধরলো। বললো, "জনাবে এ..." "আজ একটু বসো তো আমার পাশে। কথা বলতে চাই।"
আমি হাত ধুয়ে এলাম। বসতেই তমা আমার দিকে একরকম ভয় মেশানো চোখে চেয়ে বললো, "জনাবে এ..., তুমি কি কখনও ভেবেছো, ভালোবাসার জন্য মানুষ যেকোনো অন্যায় করতে পারে?"
আমি চুপ করে ওর মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। তমা হঠাৎ কাঁদতে কাঁদতে বললো, "আমি চেয়েছিলাম বলবো সব... কিন্তু সাহস পাইনি। আমি দুটো জীবন বাঁচিয়ে চলেছি, আর এখন তাতে আমিই হারিয়ে যাচ্ছি..."

আমি তমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। তাকে এই প্রথমবার এতটা অসহায়, ভীত দেখাচ্ছিল। গলার স্বর কাঁপছিল, চোখে জল টলমল। আমি কোনো কথা বলিনি। কেবল মাথা নেড়ে বললাম, "তুমি বলো তমা। সব বলো। কি অন্যায় করেছো তুমি?"
তমা একটু সময় নিলো। তারপর ধীরে ধীরে বলল, "আমি তোমার ভালোবাসা আর যত্নের কাছে ঋণী ছিলাম সবসময়। কিন্তু মন থেকে ভালোবাসা বলতে যা বোঝায়, তা কখনো তোমার জন্য অনুভব করিনি। আমাকে তোমার খুব খারাপ মনে হতে পারে। কিন্তু বিশ্বাস করো, আমার কাছে আর কোনো পথ ছিলো না।"
তমা চোখ নামিয়ে ফেলে। আমি নিঃশব্দে ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকি।
ও বললো, "ওর সঙ্গে পরিচয়ের পর থেকেই আমি যেন দেহমনে ওর হয়ে যাই। ওকে ছাড়া আমি কিছু ভাবতে পারতাম না। কিছুদিন রিলেশন ছিলো। কিন্তু ও আমাকে বিয়ে করতে প্রস্তুত ছিলো না। আমাদের ব্রেকআপ হয়ে যায়। তখনই তুমি আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে। আমি কোনোকিছু না ভেবেই তোমার প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেলাম। ভাবলাম জীবনটা তোমার সঙ্গেই সাজাবো।"

তমা খানিকক্ষণ সময় নিয়ে বললো, "তোমার সঙ্গে বিয়ের পরে অনেক চেষ্টা করেছি তোমাকে ভালোবাসার। একদিন একা ছিলাম ক্লিনিকে, ও এসে দেখা করলো। কথার পর কথা। কখন যে আমি ওর প্রতি আবারও দূর্বল হয়ে পড়লাম আর কখন যে আমি আর শুধু তোমার তমা রইলাম না, তা নিজেও বুঝিনি।"

আমি স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকি। তমা বলে যায়, "স্নিগ্ধ একা থাকতো, মা-বাবা নেই। ওর পাশে আমিই ছিলাম সব। কিছুদিন পর ও বলল, তুমি না থাকলে আমি আর বাঁচতে পারবো না। চলো বিয়ে করি। আমার মন গলে গেল। আমি যেকোনো কিছুর বিনিময়ে ওকে পেতে চাইছিলাম। ওর সঙ্গ চাইছিলাম। ও জানেনা আমি বিবাহিতা। আমরা লুকিয়ে বিয়ে করলাম। তুমি তখন কিছুই টের পাওনি। মনে আছে একবার একটা ট্রেনিংয়ের কথা বলে কিছুদিন বাহিরে গিয়েছিলাম? সেটা ছিলো স্নিগ্ধ আর আমার বিয়ের পরবর্তী কয়েকটা দিন। আমি ওর কাছেই ছিলাম। এরপর চাকরিটা ছেড়ে দেই। একসঙ্গে দুইটা সংসার চালিয়ে নেয়ার জন্য এছাড়া আমার কাছে কোনো উপায় ছিলো না। এভাবেই আমি নিজের জীবনের অর্ধেক টুকরো আলাদা করে ফেললাম, আর সেটা তোমার কাছে লুকিয়ে রাখলাম।"

আমি শ্বাস নিতে পারছিলাম না তমার কথা শুনে। এও কি বিশ্বাসযোগ্য? তাই বলে কখনোই আমি তার আচরণে কিছুই টের পাবো না? আমি কি এতটাই অথর্ব আর বোকা?

তমা এবার আমার হাত ধরল। কাঁদতে কাঁদতে বলল,"আমি জানি তুমি ভেঙে পড়বে। কিন্তু আমি এতদিন ধরে চাইছিলাম, একদিন শুধু একজন না, দুইজনকেই সত্যিটা জানিয়ে ফেলি। আমি আর এই দুইখানা মুখে, দুইখানা সংসারে, দুইরকম মানুষ হয়ে বাঁচতে পারছি না।"

আমার বুকটা হালকা করে হুহু করে উঠলো। তমা এখন কাঁদছে। কিন্তু আমি কাঁদতে পারছি না। আমার চোখ যেন পাথর।

তমা কান্না থামিয়ে একটু চুপ করে রইলো। আমি এখনও কোনো শব্দ করিনি। শব্দহীনতা মাঝে মাঝে সবচেয়ে বেশি কথা বলে।
সে উঠে দাঁড়াল, ঘরটায় হেঁটে বেড়ালো একটু। তারপর ধীরে ধীরে বলল, "তুমি জানো, আমি আজও ঠিক বলতে পারি না আমি কারটা বেশি ভালোবাসি। কারণ আমি দুইজনের কাছেই আলাদা রকমভাবে সত্যি ছিলাম। তোমার কাছে আমি ছিলাম একজন প্রিয়তমা স্ত্রী। শান্ত ঘর, সন্ধ্যাবেলার চা, আর তোমার যত্ন। আর রাহাতের কাছে আমি ছিলাম হৃদয় উজাড় করা নারী যাকে সে ভীষণ রকম চায়। আমিও ওকে পেতে মরিয়া হয়ে ছিলাম।"

আমি এবার ধীরে ধীরে বললাম, "তুমি কি কখনও আমাদের কারও সঙ্গে বেঁচে থাকতে চাওনি পুরোপুরি?"
তমা একটু থমকে গেল। বলল, "চেয়েছিলাম। শুরুতে তোমাকেই চেয়েছি। এরপর স্নিগ্ধকে। যখন ওর সঙ্গে খানিকটা মনোমালিন্য হয়, তোমাকেই আপন করতে চেয়েছি। এভাবেই চলেছে এতগুলো দিন। কিন্তু বুঝতে পারিনি ভালোবাসার নামে কখন দুটো জীবন গেঁথে ফেলেছি আমি। এখন কিছু কাটতে গেলে, রক্ত ঝরবেই।"

আমি এবার উঠে দাঁড়ালাম। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকালাম। রাতের আকাশে ঝাপসা লাগছে সব নক্ষত্র। তমা পেছনে এসে দাঁড়াল। বলল, "আমার ইদানীং আর ভালো লাগছে না এই মিথ্যা খেলা। অভিনয় আর ভান ধরতে ধরতে আমি ক্লান্ত। আমি আর পারছি না। তুমি যা ইচ্ছে বলো।"

আমি চুপ করে থাকলাম। কিছুই বলতে পারলাম না। মাথার ভেতরে বাজতে থাকলো পুরোনো সব স্মৃতি। তমার হাসি, আমার রান্নার পছন্দ, একসঙ্গে দেখা সিনেমা, আমার জন্মদিনে ওর পিঠে হাত রেখে বলা "ভালোবাসি"।
আমার মনে হলো, মানুষ শুধু প্রেমে পড়ে না, অভ্যেসেও পড়ে।আর অভ্যেস থেকে মুক্তি পাওয়া অনেক কঠিন। ওর অভ্যাস থেকে আমি কিভাবে নিজেকে মুক্ত করবো?

আমি ধীরে ধীরে সাহস করে বললাম, "তুমি তার কাছে চলে যাও। আমি তোমাকে মুক্ত করে দিলাম।"

তমা অনেক্ষণ চুপ। এই চুপচাপ মুহূর্তের ভেতরেই বুঝি আমাদের সংসারের শেষ সন্ধ্যা নেমে গেছে..
চলবে

গল্প:

ইংরেজিতে কখন, কি বলবেন…………..✪ কারো সাথে পরিচিত হলে- Hello,  Nice to meet you.✪ উৎসাহ দিতে - Good job/Well done – (সাবাশ!...
05/09/2022

ইংরেজিতে কখন, কি বলবেন…………..
✪ কারো সাথে পরিচিত হলে- Hello, Nice to meet you.
✪ উৎসাহ দিতে - Good job/Well done – (সাবাশ!)
✪ কারো কথা বুঝতে পারলে - I see/ I understand/ I got it
✪ কারো কথা বুঝতে না পারলে - Sorry?
✪ গভীরভাবে দু:খ প্রকাশ - I'm extremely sorry, I regret – আমি অনুতপ্ত।
✪ অভিনন্দন জানাতে- Best wishes - (শুভ কামনা)
✪ ধন্যবাদ জানাতে - I am grateful to you – (আমি তোমার প্রতি কৃতজ্ঞ।)
✪ কেউ কুশল জিজ্ঞাসা করলে – I'm extremely well (আমি বেশ ভাল আছি)
✪ কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করা- Excuse Me – শুনুন, Hey, got it? – এই, বুঝতে পেরেছো?
May I have your attention please- আপনি যদি একটু এদিকে নজর দেন।
✪ কাউকে অপেক্ষা করতে বললে - Just a moment/Hang on a moment- (একটু অপেক্ষা করুন)
✪ মতামত প্রকাশ করতে-
In my point of view– আমার দৃষ্টিকোণ থেকে,
As far as I'm concerned – আমার মনে হচ্ছে যে।
✪ বিদায় জানাতে- See you later- (পরে দেখা হবে)
✪ কারো নাম জানতে - Can I have your name? - (আমি কি তোমার নাম জানতে পারি?)
✪ প্রস্তাব দেওয়া- Would you like something to drink? - আপনি কি কিছু পান করবেন?
✪ হতাশা প্রকাশ করা - What a pity - কি দুঃখজনক।
✪ সাহায্য চাওয়া - Could you give me a hand? - তুমি কি আমাকে সাহায্য করতে পারবে?
✪ কারো খোঁজ/খবর নেওয়া - What’s up - কি ব্যপার?, What’s going on – কেমন চলছে?
✪ বিরক্তি প্রকাশ করা- How disgusting/How absurd! (কি বিরক্তিকর/হাস্যকর)
💥 বিশেষ মুল্য ছাড়ে, মাত্র 950 টাকায় পেয়ে যাচ্ছেন 'ঘরে বসে Spoken English' কোর্সটি ➡️
ভর্তি হওয়ার লিংক➡️ https://10ms.io/peL2T2
ইংরেজি কিভাবে শিখবেন তা নিয়ে চিন্তিত?🤔 আজই ভর্তি হয়ে যান "Spoken English" কোর্সে💁‍♂️
সারাজীবন মেয়াদি ( একবার ভর্তি হলে সারাজীবন ব্যবহার করতে পারবেন) এই কোর্স শেষে পাবেন একটি "সার্টিফিকেট" একদম ফ্রি💯
কোর্স মুল্য মাত্র=
এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় একটি কোর্স যেখানে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ লাখের অধিক শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে গিয়েছে। 🔥

স্পোকেন ইংলিশের প্রতিটি বিষয়ে দক্ষতা বাড়ান মুনজেরিন শহীদ এর সাথে স্পোকেন ইংলিশ অনলাইন কোর্সটিতে ভর্তি হয়ে।

23/08/2021
আপনার দৈনন্দিন ব্যবসার আয়-ব্যয়, লাভ-ক্ষতি, পণ্যের মজুদের (স্টক ) হিসাব রাখুন একদম সহজে।আপনার ফ্যাশন হাউস, ডিপার্টমেন্টাল...
18/02/2021

আপনার দৈনন্দিন ব্যবসার আয়-ব্যয়, লাভ-ক্ষতি, পণ্যের মজুদের (স্টক ) হিসাব রাখুন একদম সহজে।

আপনার ফ্যাশন হাউস, ডিপার্টমেন্টাল শপ, ইলেকট্রনিক শপ, ইলেকট্রিক রিপেয়ার শপ,হার্ডওয়ার, রেস্টুরেন্ট ম্যানেজমেন্ট, মোবাইল শপ, ডিলারশিপ ব্যবসা, রিটেল সেল অথবা যেকোন ধরনের খুচরা অথবা পাইকারী ব্যবসার হিসাব নিকাশকে সহজ করতে আমরা আপনাকে দিচ্ছি সম্পূর্ণ অনলাইন সফটওয়্যার |

আপনাদের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের এ সফটওয়্যার দিয়ে যা যা করা যাবে তার কিছু বর্ণনা :

১.ব্যবসায় মুলধন বর্তমানে কত আছে।

২.কত টাকায় ব্যবসা আরম্ভ হয়েছিল।

৩.কত টাকার পণ্য কিনছেন।

৪. কত টাকার পণ্য স্টকে আছে।

৫.প্রতিদিন কত টাকা বিক্রি হচ্ছে।

৬.কত লাভ হচ্ছে দিনে,মাসে,বৎসরে।

৭.খরচ বাদে দৈনিক লাভ ,মাসিক,বাৎসরিক লাভ।

৮.কর্মচারীদের বেতন কত টাকা দিলেন।

৯.ব্যক্তিগত ভাবে কত টাকা খরচ করলেন।

১০.ক্রেতা কোন পণ্য কিনে তা ফেরৎ দিয়েছেন কিনা।

১১.ক্ষতির পরিমাণ কত অথবা ক্রয় পণ্য ফেরৎ হয়েছে কত ।

১২.মালিকের জন্য আলাদা হিশেব,লাভ লস শুধু মালিক জানতে পারবে,কর্মচারীরা শুধু বিক্রি করতে পারবে।

১৩.কর্মচারী পণ্যের প্রকৃত ক্রয় মূল্য দেখতে পারবে না।
১৪.ব্যবসার কোন পণ্য চুরি বা হারানোর কোন সম্ভাবনা নেই।

১৫.ক্রেতা পণ্য কেনার সাথে সাথে ভাউচার তৈরি হবে।এতে ব্যবসায় কোন প্রকার ক্যাশ মেমোর প্রয়োজন নাই।

১৬.এ সফটওয়্যারটি অটোমেটিক পদ্ধতিতে কাজ করে,শুধু ক্রেতার নাম ও পণ্যের নাম লিখলেই এটা নিজে থেকে সকল কাজ করে নিবে।

১৭.প্রতিনি কত টাকা আপ্যায়ন হিসেবে খরচ করছেন।

১৮.এটা ব্যবসার প্রতিটি পণ্যের হিসাব নিবে ফলে মালিকের ব্যবসা স্থলে সব সময় থাকার প্রয়োজন নাই।

১৯.এটা লাভ জনক পণ্যগুলি ব্যবসায় রাখার পরামর্শ দিবে।

২০.বাকীতে বিক্রিত পণ্যের তালিকা ও ক্রেতার নাম আলাদাভাবে প্রকাশ করবে।

২১.মাত্র একটি ক্লিকেই জানতে পারবেন,ব্যবসার আয়,উন্নতি,ক্ষতি,মুলধন,বা ব্যবসার অতীত।

২২.বার কোডের মাধ্যমে আপনি পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।

২৩.স্বল্প খরচে আপনি পস প্রিন্টারে ক্যাম মেমো দিতে পারবেন।

২৪.এতে টাকা যোগ বিয়োগ বা ব্যবসায় ক্যালকুলেটর রাখার প্রয়োজন নাই।

২৫.এ সফ্টওয়্যার টি ব্যবহার করার জন্য তেমন শিক্ষিত হওয়ার প্রয়োজন নাই,সামান্য অক্ষর জ্ঞান থাকলেই হবে।

২৬.মালিক নিজ বাড়ীতে বসে ব্যবসা মনিটরিং করতে পারবে এবং এটি ব্যবসার মোবাইল ফোনে কনফিগারেশন থাকবে।

২৭. আপনার ব্যবসায় এর নতুন ফিচার যুক্ত করতে পারবেন।
২৯.টাকা আদান প্রদানেরর ক্ষেত্রে বিক্রেতা ও ক্রেতার মধ্যে ভুল বশত: বেশী কম হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

৩০.হিসাবের ঝামেলা নাই বলে এতে ঝামেলা মুক্ত থাকতে পারবেন।
৩১.এ সফটওয়্যার দিয়ে ২৩ রকমের হিসাবের আউটপুট দেয়া যাবে।
৩২.ফুকাসিং মিশিন পণ্যের উপর ধরলেই সকল প্রকার বিক্রি ও হিসাব নিকাশ অটোমেটিক্যাললি হয়ে যাবে।

৩৩. কাস্টমারের জন্য আলাদা আলাদা ডিসকাউন্ট প্রাইস করতে পারবেন।

৩৪.এ সফটওয়্যার দিয়ে একটি ব্যবসার পাশাপাশি ৫ থেকে ১৫ টি ব্যবসার হিসাব পরিচালনা করা যাবে।

৩৬.সফটওয়্যারটি খবুই নিরাপদ,বিভিন্ন প্রকার এডমিন বা ইউজার তৈরি করা যায় বলে মোট মূলধন বা লাভ লসের হিসাব আসল মালিক ছাড়া পৃথিবীর কোন লোকের দ্বারা বেরকরা সম্ভব না ।

৩৭.কাগজ পত্রের হিসেবে বিভিন্ন প্রকার ভুল হতে পারে বা এটি অনেকে দেখে ফেলতে পারে,এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে হিসাব করলে কেউ দেখা ত দুরের কথা –একটি টাকাও হারানোবা চুরি, হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।

৩৮.গ্রাহক বা কর্মচারী ট্রেকিং নাম্বার থাকাই কোন গ্রাহক বা কর্মচারী প্রতারণা করতে পারবেনা।

৩৯.কোন সরবরাহ কারীর কাছ থেকে কত টাকার মাল কিনেছেন,এ পর্যন্ত কত টাকার মাল বিক্রি হয়েছে ,কত টাকা লাভ হয়েছে তা জানতে পারবেন।

৪০.একজন কাষ্টমারের কাছে কত টাকার মাল এ পর্যন্ত বিক্রি করেছেন,তার কাছ থেকে কত টাকা লাভ করেছেন দিন মাস বৎসর অনুসারে তা জানতে পারবেন।

৪১.পণ্যে বাজার মূল্য সময়ে সময়ে কমবেশী হলে তার জন্য বিশেষ অপশান আছে।

৪২.আপনার ষ্টকে যত টাকার মাল আছে তা যদি আপনি বিক্রি করেন তাহলে কত টাকা হবে তা জানতে পারবেন।

সম্পূর্ণ cloud-based সফটওয়্যার তাই কোন ধরনের ডাটা নষ্ট হওয়ার কোন চান্স নেই, যেকোন সময় যেকোন জায়গা থেকে ব্যবহার করতে পারবেন, মোবাইল, ল্যাপটপ, ডেক্সটপ সহ সব ডিভাইসে ব্যবহার উপযোগী।
বাংলা এবং ইংরেজি দুই ভাষাতেই সফটওয়্যারটি অপারেট করতে পারবেন।

আপনি শুধু মাল কেনার সময় এট্রি দিবেন এবং মাল বিক্রি করার সময় ওয়ান ক্লিক এনটার চাপবেন-এ দুইটা কাজই করবেন বাকী সব কাজ সফটওয়্যার অটোমেটিক্যাললি করে দিবে।অর্থাৎ ১০ জন লোক ১৫ দিনে যে কাজ করবে এ সফটওয়্যার মাত্র ১ দিনে সে কাজ করে দিবে।হিসেব সঠিক ভাবে সংরক্ষনের জন্য আমরা খুব সল্প মুল্যে আপনাদের জন্য প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী কাস্টমারাইজ সফটওয়্যার প্রভাইড করে থাকি।

আমরা সফটওয়্যারটি আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য 12 ঘণ্টার মধ্যে ডেলিভারি দিয়ে থাকি, যে-কোনো প্রান্ত থেকে অর্ডার দিতে পারবেন। আপনার ব্যবসাকে সহজ এবং স্মার্ট করে তোলার জন্য এখনি অর্ডার করুন।
Payment method: bkash/Rocket/Nagad

Website: diginextit.com
Email: [email protected]
For oder:
Call:: 01843610466
WhatsApp: 01843610466

DigiNext IT Solutions is a Top Digital Marketing Agency in Bangladesh for online marketing, branding, advertising, social media, video marketing, content, design, web, SEO, & PPC and also provide software solutions

Address

Infront Of Hospital Gaite, Beani Bazar
Sylhet

Telephone

+8801730161284

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mozumder Brothers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share