সর্বহারা

Call Contact the business

সর্বহারা NR First Fire Topup Center

18/06/2026

বনী ইসরাঈলের এক অত্যন্ত সুন্দরী পতিতা ছিল। তার রূপ ছিল অতুলনীয়। সে ১০০ দিনারের কমে কারো কাছে নিজেকে সমর্পণ করত না। একদিন এক আবেদ (ইবাদতকারী) তাকে দেখলেন এবং তার রূপে মুগ্ধ হয়ে গেলেন।

আবেদ তার মুগ্ধতা কিছুতেই কাটাতে পারলেন না। তিনি কঠোর পরিশ্রম করতে শুরু করলেন। তিনি নিজের হাতে কাজ করে এবং বিভিন্ন কষ্টসাধ্য উপায়ে অর্থ উপার্জন করে অবশেষে ১০০ দিনার জমা করলেন।

এরপর তিনি সেই নারীর দরজায় গিয়ে বললেন, "আমি তোমাকে দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। তাই আমি বহু কষ্ট করে কাজ করে এই ১০০ দিনার জোগাড় করেছি শুধু তোমাকে পাওয়ার জন্য।"

নারীটি তাকে ভেতরে আসার অনুমতি দিল। তার ঘরে একটি সোনার তৈরি পালঙ্ক ছিল। নারীটি পালঙ্কে বসে সাজগোজ করে আবেদকে ডাকল, "এসো।"

আবেদ যখন তার কাছে গেলেন এবং পাপের জন্য প্রস্তুত হলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে তার অন্তরে আল্লাহর ভয় ঢুকে গেল। আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর কথা (কিয়ামতের বিচার) মনে পড়ে তার শরীর ভয়ে কাঁপতে শুরু করল।

আবেদ বললেন, "আমাকে ছেড়ে দাও! আমি চলে যেতে চাই। এই ১০০ দিনার তোমারই থাক, আমার লাগবে না।"

নারীটি অবাক হয়ে বলল, "তোমার কী হলো? তুমিই তো বললে আমাকে দেখে মুগ্ধ হয়েছিলে এবং এত কষ্ট করে টাকা জমিয়েছিলে। এখন যখন আমাকে পাওয়ার সুযোগ পেলে, তখন এমন করছ কেন?"

আবেদ বললেন, "আমার আল্লাহর ভয় হচ্ছে। তার সামনে আমাকে দাঁড়াতে হবে, এই ভয়ে আমি কাঁপছি। কিছুক্ষণ আগেও তুমি আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় ছিলে, কিন্তু এখন আল্লাহর ভয়ে তুমি আমার কাছে সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছ।"

আবেদ কাঁদতে কাঁদতে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। তার এই অবস্থা দেখে নারীর মনেও বড় ধাক্কা লাগল।

সে ভাবল, "এই লোকটা সারা জীবন আল্লাহর ইবাদত করেছে। একবার পাপ করতে এসে আল্লাহর ভয়ে এভাবে পালিয়ে গেল। আর আমি সারা জীবন পাপে ডুবে আছি, আমার কি আল্লাহর ভয় নেই?"

সে সাথে সাথে তওবা করল এবং প্রতিজ্ঞা করল, "আমি আর এই খারাপ কাজ করব না। আমি ওই আবেদের খোঁজ করব এবং তাকে বিয়ে করে পূতপবিত্র জীবন কাটাব।"

নারীটি সব ছেড়ে দিয়ে আবেদের খোঁজে বের হলো। অবশেষে সে আবেদের গ্রামে পৌঁছাল এবং নিজের পরিচয় দিল।

আবেদ যখন শুনলেন সেই নারী তার কাছে এসেছে, তখন তিনি ভয়ে এবং আগের কথা মনে করে এমন এক চিৎকার দিলেন যে সাথে সাথেই তার প্রাণ বেরিয়ে গেল (ইন্তেকাল করলেন)।

নারীটি তখন খুব কাঁদল। সে লোকদের জিজ্ঞেস করল, "এই আবেদের কি কোনো আত্মীয় বা ভাই আছে?" লোকেরা জানাল তার

একজন পিতা তার মেয়েকে আইফোন উপহার দিলো। দ্বিতীয় দিন পিতা কন্যাকে জিজ্ঞাসা করলো আইফোন পাওয়ার পর সর্বপ্রথম তুমি কি করেছো...
14/06/2026

একজন পিতা তার মেয়েকে আইফোন উপহার দিলো। দ্বিতীয় দিন পিতা কন্যাকে জিজ্ঞাসা করলো আইফোন পাওয়ার পর সর্বপ্রথম তুমি কি করেছো ??

মেয়ে : আমি স্ক্রীন গার্ড আর কভার অর্ডার দিয়েছি।

পিতা : এটা করার জন্য তোমাকে কি কেউ বাধ্য করেছে ?

মেয়ে : না কেউ করেনি।

পিতা : তোমার এমন লাগে না, যে তুমি আইফোন নির্মাতা কে অপমান করছো ?

মেয়ে : না.. আইফোন নির্মাতা থেকে স্বয়ং কভার ও স্ক্রীন গার্ড লাগানোর জন্য উপদেশ দিয়েছে।

পিতা : ও তাহলে আইফোন অনেক খা'রা'প দেখাবে তবুও তুমি ওর জন্য কভার কিনেছ ?

মেয়ে : না বরং খা'রা'প না হওয়ার জন্য কভার অর্ডার দিয়েছি।

পিতা : কভার লাগানোয় কি ওর সৌন্দর্য কমে যাবে না ?

মেয়ে : না.. কভার লাগানোর পর আরো সুন্দর দেখাবে ।

পিতা মেয়ের দিকে স্নেহের নজরে তাকিয়ে বলল, মা আইফোন এর থেকেও দামি তোমার শরীর। এই ঘরের আর আমাদের সম্মান তুমি, তোমার শরীরকে কাপড়ে কভার করলে তোমার সৌন্দর্য আরো বেড়ে যাবে।

মেয়ের কাছে এই প্রশ্নের কোন উত্তর ছিল না, শুধু চোখ থেকে নির্ঝরে অশ্রু বেরিয়ে যাওয়া ছাড়া।

নারীদের দেহ আড়াল করলে সৌন্দর্য কমে না, বরং প্রদর্শন করলে কমে।

লেখা : সংগৃহীত

12/06/2026

সময় নিয়ে জিকির গুলো করবেন অনেক ফজিলত পাবেন! (ইনশা'আল্লাহ)
১.সুবহানাল্লহ। (سُبْحَانَ اللّٰهِ)
২.আলহামদুলিল্লাহ। (اَلْحَمْدُ لِلَّهِ)
৩.লা ইলাহা ইল্লাল্লহ। (لَا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ)
৪.আল্লহু আকবার । (اَللّٰهُ أَكْبَرُ)
৫.আস্তাগফিরুল্লাহ । (أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ)
৬.আল্লহুম্মাগফিরলি। (اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي)
৭.ইয়া রব্বিগফিরলি। ( يَا رَبِّ اغْفِرْ لِي)
৮.আল্লহুম্মা আজিরনি মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ)
৯.লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
(لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ)
১০.লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ জলিমীন।
(لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ)
১১.লা ইলাহা ইল্লাল্লহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللّٰهِ ﷺ
১২.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযুবিকা মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ)
১৩.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আ'ফিয়াহ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ)
১৪. রব্বি ইন্নি জলামতু নাফসী ফাগফিরলি।
(رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي)
১৫.আল্লহুম্মা হাসিবনী হিসাবাই ইয়াসীর।
(اَللّٰهُمَّ حَاسِبْنِي حِسَابًا يَسِيرًا)
১৬.ইয়া মুক্বল্লিবাল ক্বুলুব, সাব্বিত ক্বলবী আ'লা দীনিক।
(يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ)
১৭.আসতাগফিরুল্ল-হাল্লাযি লা-ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বইয়ুম ওয়াতুবু ইলাইহি।
(أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ)
১৮.আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদা-দ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ)
১৯.হাসবুনাল্লহ ওয়া নি'মাল ওয়াকিল।
(حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ)
২০.আল্লহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ সাঃ।
( اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ)
২১.আল্লহুম্মারযুকনি শাহাদাতাং ফি সাবিলিক, ওয়ায'আ'ল মাওতি ফি বালাদি রসুলিকা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ।
(اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ وَاجْعَلْ
مَوْتِي فِي بَلَدِ رَسُولِكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ)
২২.রব্বি ইন্নি লিমা আংযালতা ইলাইয়্যা মিন খইরিং ফাক্বির।
(رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِير)
২৩.রব্বানাগ-ফিরলি ওয়ালি ওয়ালিদাইয়্যা ওয়ালিল মুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াক্বুমুল হিসাব।’
(-رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ)
২৪. রব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়‍্যাতিনা ক্বুররতা আ'য়ুনিউ ওয়াজ'আলনা লিলমুত্তাক্বীনা ইমামা।
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
২৫.আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আ'ফওয়া ওয়াল 'আ-ফিইয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরহ্'
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
২৬.রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাহ, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়াক্বীনা আজাবান্নার
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً ، وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةٌ ، وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
২৭.ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বইয়ুম বিরহমাতিকা আস্তাগিস
يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْتُ
২৮. রব্বির হাম-হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরা”
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَـمَا رَبَّـيَانِـي صَغِيرًا
২৯.রব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন।"
رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ
অনবরত এই সমস্ত জিকির গুলোর মাধ্যমে নিজের আমলনামা ভারী করে নিন (ইনশা'আল্লহ)
নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালার স্মরণেই অন্তর সমূহ প্রশান্তি লাভ করে। [সূরা রাদ-২৮]

ট্রেনের জানালা দিয়ে অপলক তাকিয়ে থাকা এই লোকটা আমার আব্বু।প্রতিবার ছুটি থেকে ঢাকায় ফেরার সময় আব্বু আমাকে বিদায় দেন,অটো তে...
07/06/2026

ট্রেনের জানালা দিয়ে অপলক তাকিয়ে থাকা এই লোকটা আমার আব্বু।

প্রতিবার ছুটি থেকে ঢাকায় ফেরার সময় আব্বু আমাকে বিদায় দেন,অটো তে তুলে দিয়ে অটো ভাড়া দিয়ে দেন,অটো যতক্ষণ না দৃষ্টির আড়ালে যাচ্ছে,ততক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন।

আজকে প্রথম বার উনি সেটা পারেন নাই।
বছরের এই সময়টায় আব্বুর প্রচুর ব্যস্ততা থাকে।সকাল থেকে রাত অবধি আব্বু ব্যবসার কাজে মারাত্মক ব্যস্ত থাকেন।সারাদিন এতই দৌড়াদৌড়ি করেন,আর সারারাত এতই দুশ্চিন্তা করেন যে ষাটের কাছাকাছি গিয়েও প্রায় এভারগ্রিন থাকা আমার আব্বুর বয়স হুট করে বছর দশেক বেড়ে যায়,ওজন কমে যায়,শরীরের রঙ পুড়ে যায়।আব্বুর জন্য আমার তখন খুব,খুব মায়া হয়।

আজকে সকালেও আব্বু ব্যস্ত ছিলেন।সকাল সকাল বের হয়ে বাসা থেকে বেশ দূরে একটা জায়গায় গেছিলেন। আম্মুকে কল করে জানালেন,"ছেলেটাকে বিদায় দিতে পারলাম না।তুমি ওকে ভালোমতো যাইতে বলিয়ো।"

আমি আম্মুকে বললাম,"এ আর এমন কি আম্মু!এখন তো বড় হইছি,কোনো সমস্যা নাই"
আম্মু বললেন,"আব্বু-আম্মুর কাছে কেউ কোনোদিন বড় হয় বাবা?"

আম্মু মন ভারী করে আমাকে বিদায় দিলেন।
এটা প্রতিবারের স্বাভাবিক দৃশ্য।আমি মনে মনে দোয়া করে রওয়ানা দিলাম।

কিছুদূর যেতেই আবিষ্কার করলাম,আমার মন বেশ খারাপ।বাসা ছাড়লে খারাপ লাগা স্বাভাবিক।কিন্তু এবার বেশিই খারাপ লাগছে।আমি অটোতে বেশি একদিকে আনমনে তাকিয়ে বুঝার চেষ্টা করলাম,এত মন খারাপ হওয়ার কারণ টা আসলে কি!

খুঁজে পেলাম না।
শুধু মনে হলো,আব্বু নিশ্চয়ই এখন অনেক আফসোস করতেছেন।আমার সাথে দেখা করতে পারেন নাই-এটা ভেবে উনি আজকে ঠিকমতো খাইতে পারবেন না,রাতে আম্মুর পাশে শুয়ে ছটফট করবেন আর আম্মুকে বলবেন-"ফরিদা,ছেলেটা গেল,দেখা করতে পারলাম না!ঠিকমতো গেলো কিনা!একা একা লাগেজ নিয়ে ট্রেনে উঠবে,এত ভীড়ে কত কষ্ট হবে ছেলেটার।"
এরপর আব্বু ফোঁসফোঁস করে কাঁদবেন।
আমি জানি,এটাই হবে।কারণ আমার আব্বু তার সন্তানদের ব্যাপারে মারাত্মক, মারাত্মক ইমোশনাল।

এসব ভেবে মনটা আরও দমে গেল।আমি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ঝাপসা চোখ মুছে নিলাম।

স্টেশনে পৌছাতে আর মিনিট দুয়েক বাকি।আব্বুর কল আসলো।
"হ্যালো,আব্বু..."
-"আব্বু,তুমি স্টেশনের কোনকদিকে দাঁড়াইছো?"আব্বু দ্রুত জিজ্ঞাসা করলেন।
আমি বললাম,"আব্বু, আমি তো এখনো পৌছাইনি।একটু সময় লাগবে।কেন আব্বু?"

আব্বু বললেন,"আমি স্টেশনে দাঁড়ায়ে আছি।তুমি সাবধানে আসো,আমি ওয়েইট করতেছি।"

আমি অবাক হয়ে গেলাম।এই সময়ের মধ্যেই আব্বু নিজেকে সামলে রাখতে পারেন নাই।এতদূর থেকে বাইক ছুটিয়ে আমার আগে স্টেশনে চলে এসেছেন স্রেফ এই অনুশোচনা থেকে বাঁচার জন্য যে তিনি আমাকে বিদায় দিতে পারেন নাই!
Is that how much it takes to be a father!
Maybe...maybe..!

স্টেশনে পৌছালাম।অটো তখনো থামেনি।তবে আব্বু অনেক দূর থেকে আমার অটো লক্ষ্য করে ছুটে আসলেন।অটো থামার সাথে সাথে আগে আমার লাগেজ টান দিলেন।

আমি জানি,আব্বু যতদিন দাঁড়াতে পারবেন,ততদিন আমার লাগেজ উনার হাতছাড়া হতে দিবেন না,আমাকে নিতে দিবেন না।

এরপর...আব্বুকে নিয়ে প্ল্যাটফর্মে গেলাম,ট্রেনে ঈদের ভীড় ঠেলে ভেতরে ঢুকলাম।আমার সিটে বসার পর অপোজিটে জানালার দিকে তাকিয়ে দেখলাম আব্বু পলকহীন ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন।আব্বুর চোখ ছলছল করছে।

ট্রেন ছেড়ে দিল।ধীরে ধীরে এগোতে থাকলো।সাথে জানালার পাশে এগোতে থাকলেন আমার আব্বু।আব্বুর পায়ে গুরুতর আঘাত পাওয়ার পর জোরে হাটতে কষ্ট হয়।
সেই পা নিয়েই আব্বু ট্রেনের সাথে সাথে হাটছেন দেখে আমার ভেতরটা হাহাকার করে উঠলো- এই ভালোবাসার ঋণ আমি কিভাবে শোধ করবো আব্বু?

আমি জানি,স্টেশন থেকে বের হওয়ার পর আব্বু মনের অজান্তেই চোখ মুছবেন।তার এক ফোঁটা অশ্রুর দাম আমি কিভাবে দিব?

আমাদের বাবা রা একটা অদ্ভুত জাতি।
আমি মাঝেমধ্যে ভাবি,এইযে আমি এখন কতশত স্বপ্ন দেখি,আমার বাবাও নিশ্চিয়ই আমার বয়সে এমন হাজারটা স্বপ্ন দেখতো।আমি জানিনা তার সেই স্বপ্ন গুলো পূরণ হয়েছে কিনা।কিন্তু কেমন এক অবলীলায় তিনি আমার স্বপ্নকে নিজের স্বপ্ন বানিয়ে ফেলেছেন,নিজের সর্বস্ব বিসর্জন দিয়ে সন্তানদেরকেই নিজের সবকিছু ভেবে নিয়েছেন,সন্তানের চাওয়াকে নিজের চাওয়া আর সন্তানের পাওয়াকে নিজের পাওয়া বানিয়েছেন।
এই ত্যাগের বিনিময়ে কিভাবে দেয়া যায়?

জানি না।
শুধু দোয়া করি,আল্লাহ যেন আমাদের বাবাদের সকল নেক ইচ্ছা পূরণ করেন,তাদের কবুল করে নেন।

রব্বীরহাম হুমা কামা রব্বাইয়ানী সগিরা..

দুজনে মিলে গল্প করছে। বিবি হঠাৎ মনে পড়ে গেছে ভঙ্গিতে বলে উঠল!*- বান্ধবীর বিয়েতে কী উপহার দেয়া যায়, বলো তো?- তুমি কি চাও,...
06/06/2026

দুজনে মিলে গল্প করছে। বিবি হঠাৎ মনে পড়ে গেছে ভঙ্গিতে বলে উঠল!*

- বান্ধবীর বিয়েতে কী উপহার দেয়া যায়, বলো তো?
- তুমি কি চাও, তোমার বান্ধবী বিয়ের আসরে সবচেয়ে সুন্দরী হয়ে থাকুক?

- আবশ্যই চাই, সেজন্যই তোমার কাছে জানতে চাইলাম, তাকে কী দেয়া যায়?
- উমম, সবচেয়ে ভালো হয়, তুমি বিয়েতে না গেলে।

- কী বলছ তুমি?
- তুমি গেলে তার সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যাবে।

- যাহ! মিথ্যে কথা!
বিবি খুশিতে ডগমগ হয়ে রান্নাবান্নার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। মুখে সেই যে মুচকি হাসি ফুটেছে, আর ছাড়াছাড়ি নেই। ওদিকে মিয়ার মুখেও মিচকে হাসি। পা নাচাতে নাচাতে বাসি পত্রিকা পড়ছে আর ভাবছে, ‘ঈদের সময়, পকেট খালি। আল্লাহ! এত সহজেই নিস্তার মিলে গেলো..?’

— উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ

ঘটনা'টি শুরু করার আগে একবার দুরুদ শরীফ পড়ে নিন: সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।​সেই রাতটি ছিল পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে ভ...
25/05/2026

ঘটনা'টি শুরু করার আগে একবার দুরুদ শরীফ পড়ে নিন: সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

​সেই রাতটি ছিল পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ এবং ত্যাগের রাত। চারিদিকে কাফেরদের তলোয়ারের ঝনঝনানি, আর তার মাঝেই নবীজি (সা.) ও তাঁর পরম বন্ধু আবু বকর (রা.) আশ্রয় নিলেন অন্ধকার 'সাওর' গুহায়।

​গুহার ভেতরটা ছিল অগোছালো আর গর্তে ভরা। নিজের পরনের চাদর ছিঁড়ে ছিঁড়ে প্রতিটি গর্ত বন্ধ করলেন আবু বকর (রা.)। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না— একটি গর্ত তখনো খোলা! কাপড় শেষ, কিন্তু নবীজির জীবনের ঝুঁকি তো শেষ হয়নি।

​অতঃপর যা ঘটল, তা শুনলে আপনার গায়ের পশম দাঁড়িয়ে যাবে!

​ক্লান্ত নবীজি (সা.) আবু বকর (রা.)-এর কোলে মাথা রেখে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। ঠিক তখনই সেই খোলা গর্ত দিয়ে একটি বিষধর সাপ উঁকি দিল। আবু বকর (রা.) দেখলেন, পা সরালেই সাপটি তাঁর প্রিয় নবীকে দংশন করতে পারে। মুহূর্তের সিদ্ধান্তে তিনি নিজের পা দিয়েই সেই গর্তটি চেপে ধরলেন।

​সাপটি বারবার তাঁর পায়ে বিষাক্ত ছোবল দিতে লাগল। বিষের তীব্র যন্ত্রণায় তাঁর শরীর নীল হয়ে আসছিল, কলিজা ফেটে যাচ্ছিল ব্যথায়। কিন্তু সুবহানাল্লাহ! যেন নবীজি (ﷺ)- এর ঘুমে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে”, এই ভয়ে তিনি একটুও নড়লেন না, উফ শব্দটিও করলেন না!

​কিন্তু ভালোবাসা কি আর লুকিয়ে রাখা যায়?
তীব্র যন্ত্রণায় আবু বকর (রা.)-এর চোখ থেকে গড়িয়ে পড়া এক ফোঁটা তপ্ত অশ্রু নবীজির গালে পড়ল। নবীজি জেগে উঠলেন এবং অবাক হয়ে দেখলেন তাঁর বন্ধুর করুণ দশা।

​নবীজি (সা.) বললেন, "হে আবু বকর! কী হয়েছে তোমার?" আবু বকর (রা.) ব্যথায় নীল হওয়া মুখ নিয়ে হাসলেন আর বললেন, "ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমার কিছু হয়নি, শুধু একটি সাপ কামড় দিয়েছে।"

​নবীজি (সা.) তাঁর মোবারক থুতু লাগিয়ে দিলেন আর মুহূর্তেই বিষের জ্বালা পানি হয়ে গেল।

​শিক্ষা: আজ আমরা সামান্য বিপদে পড়লে ইবাদত ছেড়ে দিই, আর সাহাবীরা জীবনের বিনিময়ে ইসলামকে ভালোবেসেছেন। নবীপ্রেমের এর চেয়ে বড় উদাহরণ আর কী হতে পারে?

​আপনি কি আবু বকর (রা.)-এর মতো নবীজিকে ভালোবাসেন? ভালো লাগলে 'আল্লাহু আকবার' লিখে শেয়ার করুন। আপনার একটি শেয়ার হয়তো কারো ঈমান জাগিয়ে তুলবে।

Nur Islam

25/05/2026

ভালোবাসা লুকিয়ে রাখতে নেই😊।

25/05/2026

ইয়া রব🤲

একদিন হঠাৎ স্ত্রী স্বামীকে বললেন,“মোবাইলটা দাও তো!”বেচারা স্বামী এমন কাঁপতে কাঁপতে মোবাইল দিল, যেন আদালতে শেষ সাক্ষ্য দি...
25/05/2026

একদিন হঠাৎ স্ত্রী স্বামীকে বললেন,
“মোবাইলটা দাও তো!”

বেচারা স্বামী এমন কাঁপতে কাঁপতে মোবাইল দিল, যেন আদালতে শেষ সাক্ষ্য দিতে এসেছে!

স্ত্রী শুরু করলেন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত। কললিস্ট, মেসেজ, হোয়াটসঅ্যাপ, গ্যালারি… এমনকি মনে হলো একটু পর ক্যালকুলেটরও চেক করবেন!

সব খুঁজেও যখন কিছুই সন্দেহজনক পেলেন না, তখন নম্বরগুলো দেখতে লাগলেন।

হঠাৎ চোখে পড়ল নতুন একটা নাম,“আখতার”।

স্ত্রীর ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সাথে সাথে সক্রিয়! তিনি চোখ ছোট করে বললেন,“এই আখতার কে?”

স্বামী তো ঘামতে শুরু করল! কাঁপা গলায় বলল,“ও… ওটা মামা আখতারের নম্বর!”

স্ত্রী সন্দেহভরা কণ্ঠে বললেন,“আগে তো এই নম্বর ছিল না?”

স্বামী বলল,
“মামা নতুন মোবাইল নিয়েছেন, তাই এখন সেভ করেছি…”

কিন্তু স্ত্রী কি আর এত সহজে বিশ্বাস করেন! সাথে সাথেই নম্বরে কল দিলেন।

ফোন রিসিভ হতেই ওপাশ থেকে এক মহিলার কণ্ঠ,“হ্যালো!!”

স্ত্রীও গম্ভীর গলায়,“হ্যালো!!”

এরপর ফোন কেটে দিলেন।

তারপর যা হওয়ার তাই হলো! 😶

হাতে যা পেলেন—বেলন, খুন্তি, বালিশ, চেয়ার, বাসন… সবকিছুই স্বামীর উপর “ভালোবাসা” হিসেবে বর্ষণ করলেন!

অবশেষে আহত স্বামী হাসপাতালে পৌঁছাল।

গিয়ে দেখে, মামা আখতারও ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় শুয়ে আছেন! 😳

স্বামী অবাক হয়ে বলল, “মামা! আপনার আবার কী হলো?”

মামা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “তোমার ফোন থেকে এক মহিলা ‘হ্যালো’ বলল, তারপর ফোন কেটে দিল…”

“তারপর তোমার মামিও ঠিক তোমার বউয়ের মতোই ভালোবাসা দেখিয়েছে!”

কী বুঝলেন?

সন্দেহ সম্পর্ক নষ্ট করে, আর না বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া বিপদ ডেকে আনে। বিশ্বাস ও যাচাই—দুটোই জরুরি! 😊

Salman Farsi
---- উর্দূ থেকে অনূদিত

23/05/2026

ছোট বাচ্চাদের বদনজর থেকে রক্ষার দোয়া।

Address

Sylhet

Opening Hours

Monday 09:00 - 12:00
Tuesday 09:00 - 12:00
Wednesday 09:00 - 12:00
Thursday 09:00 - 12:00
Friday 09:00 - 12:00
Saturday 09:00 - 12:00
Sunday 09:00 - 12:00

Telephone

+8801866506062

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সর্বহারা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সর্বহারা:

Shortcuts

Share