SOYEL securing the future

  • Home
  • SOYEL securing the future

SOYEL securing the future all is your

06/04/2023
" কী অদ্ভূত সমাজ আমাদের "ঘরের বউ"যখন কোন সংসারের কাজ করতে গিয়ে ছোট্র একটা ভুল করে বসে "শ্বাশুড়ী এসে বলে তোমার বাপ মা ক...
24/02/2023

" কী অদ্ভূত সমাজ আমাদের "ঘরের বউ"যখন কোন সংসারের কাজ করতে গিয়ে ছোট্র একটা ভুল করে বসে "শ্বাশুড়ী এসে বলে তোমার বাপ মা কী তোমাকে কিচ্ছু শিখায়নিই..!!!

"আর শাশুড়ির আদরের মেয়েটা কাজ না জানলে ও বলে ও তো ছোট মানুষ ও কি করে করবে কাজ টা..!!
" এই যে ডিয়ার শ্বাশুড়ি মা আপনার মেয়েটা যেমন আদরের ঠিক তেমনি আপনার ঘরের ছেলে টুকটুকে পরী বউ টাও কারো না কারোর বাবা মায়ের আদরের মেয়ে....!!

"শ্বাশুড়ি মা আপনার ঘরের ছেলেটা যখন তার শ্বশুর শ্বাশুড়ি কে সম্মান করে তখন আপনার ছেলের প্রতি সন্দেহ আর হিংসে জম্নায়...!!

"আর আপনার মেয়ের জামাই টা যখন পুতুপুতু করে সেই ছেলেটা লক্ষী জামাই...!!
""উফফ শ্বাশুড়ি আপনি পাড়েন ও বটে..!!
"শ্বাশুড়ি মা আপনি কি কখনো ভেবেছেন যে মেয়েটা তার বাবা মা এর বুক খালি করে আপনার ঘরের ছেলের বউ হয়ে এসে আপন ভেবে আপনাকে মা বলে ডেকেছে কি করে পারেন তাকে খোটা দিতে..!!!
" শ্বাশুড়ি মা ছেলেকে বিয়ে করানোর সময় দুধে আলতা সুন্দরি বউ খোজেন আর এদিকে মাথার চুল সব পাকিয়ে ফেলছেন নিজের কালো মেয়েকে কি করে বিয়ে দিবেন..!!

"" ছেলেকে যৌতুক ছাড়া বিয়ে করাবেন না কিন্তুু মেয়েকে যৌতুক ছাড়া বিয়ে কেউ কি করবে এটা কখনো ভেবেছেন শাশুড়ি মা, হিসাব কষে দেখুন তো লাভ টা কি হচ্ছে..!!
" আপনার মেয়ের হাতে একটু ব্যাথা পেলে আপনার চোখে পানি এসে পড়ে আর ঘরের বউটা সারাদিন কাজ করে হাতে ফুস্কা ফেলে দিছে আর আপনি গিয়ে কি করে বলেন ডং দেখে বাচি না..!!
"
""ছিঃ ছিঃ ছিঃ শ্বাশুড়ি মা এই আপনার ব্যবহার..!!
"শ্বাশুড়ি মানে জানেন তো শ্বাশুড়ি মানে, মা আর মা হয়ে কি করে পাড়েন ঘরের বউ এর সাথে ঝগড়া করতে..!!
" শ্বাশুরী মা আপনি যদি আপনার ঘরের বউকে আদরে রাখেন তাহলে আপনার মেয়েটা ও অন্যের ঘরে আদরে থাকবে এটা কখনো ভেবে ছেন..!!
"ঘরের বউটা যখন বাপের বাড়িতে প্রথম রান্না করছিলো তার বাবা মা তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ছিলো, এবার অপনি দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে ভাবুনতো আপনার ঘরের বউ এর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলে সেই আদরটা আপনার মেয়ের মাথায় গিয়ে লাগবে কিনা,,,

©️

👉লিখাটি ভাল লেগে থাকলে ফেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে বা ইনবক্সে মেসেজ পাঠিয়ে সাথেই থাকবেন ❤️❤️

গল্পটি পড়ার অনুরোধ রইলো, পড়ে দেখো ভালো লাগবে ইনশাআল্লাহ 🥰ঢাকা শহর,  কারো স্বপ্ন পূরণের শহর বা কারো স্বপ্ন ভাঙ্গার শহর,  ...
14/02/2023

গল্পটি পড়ার অনুরোধ রইলো, পড়ে দেখো ভালো লাগবে ইনশাআল্লাহ 🥰
ঢাকা শহর, কারো স্বপ্ন পূরণের শহর বা কারো স্বপ্ন ভাঙ্গার শহর, কাউকে এই শহর দিয়েছে ইচ্ছেদের পূর্ণতা, বা কারো থেকে তাদের ইচ্ছে গুলোকে কেড়ে নিয়ে দিয়েছে শূন্যতা..যদিও দোষ শহরে নাহ, দোষ এই শহরে মানুষ গুলোর,,
আজকে যে গলির কথা বলছি তা ঢাকা শহরের একটি ব্যাস্ত গলির, ভদ্রসমাজের লোকেরা বলে যৌন্যপল্লি বা পতিতালয়... আজকের গল্পটিকে ঘীরে আছে এই পতিতালয়ের এক পতিতা পরি ও এই শহরতলীর কিছু সরল ও কিছু মানুষ রুপি পিচাশ কে নিয়ে ...
গল্পটি শুরু হয় ঢাকা শহর থেকে কয় এক হাজার কিলোমিটার দূরে একটি ছোট শহরের একটি ছোট গ্রাম থেকে, গ্রামটির নাম মায়াতলী এই মায়া তলীতে জন্ম পরির, একরাশ মায়া নিয়ে যেদিন পরি এই পৃথিবীতে আসে, তাকে জন্মদিয়েই তার মা মারা যায়, আর পরিকে তুলে দেয়া হয় তার দাদির কোলে, মায়া কারা মুখ ও অপরুপ সৌন্দর্য দেখে পরির দাদি নাম রাখে পরি.. পরির বাবার অনেক টাকা পয়সা থাকলেও, একটা বাজে অবভ্যাস ও ছিলো তা হলো জুয়া খেলা,, পরির মা মারা যাওয়ার পর এই জুয়ার নেশা আরো বাড়তে থাকে, জুয়া খেলতে খেলতে একদিন সব কিছু জুয়ার দানে হেড়ে যায়, আর এই চিন্তায় পরিরির বাবাও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়, এর কিছু বছর পর ওর দাদিও মারা যায়, আর পরি হয়ে যায় একেবারে একা, তখন পরিকে ওর ছোট চাচা নিয়ে যায় তাদের বাড়িতে, পরির চাচা পরিকে অনেক স্নেহ করতো, তবে তার চাচি বেশ একটা সুবিধার ছিলো নাহ, পরিকে তেমন সয্য করতে পারতো নাহ, সয্য না করাটাই স্বাভাবিক, একজন নারী তার সন্তানকে ছাড়া অন্য কারো সন্তানকে কখনোই পুরোপুরি আপন ভাবতে পারে নাহ.. তো পরি আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে আর তার সৌন্দর্য বাড়তে থাকে, ওই গ্রামের প্রায় সব ছেলেরা ওর জন্য পাগল ছিলো, তাদের মধ্যে সব থেকে বেশি পাগলামি করতো হামিদ, গ্রামের বখাটেদের সর্দার, হামিদ সবসময় পরির পিছন পিছন ঘুরতো, আর অন্য কেউ পরির দিকে তাকালেই তার খবর করে ছাড়তো, একবার একটি ছেলে পরির স্কুল থেকে ফেরার পথে রাস্তা আটকিয়ে পরিকে একটি চিঠি দেয় আর বলে চিঠিটা পড়ে ওকে উত্তর দিতে, আর এই কথা জানতে পারে হামিদ, হামিদ সোজা ওই ছেলেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ৫০০ চিঠি লিখায়, আর সেই চিঠি তে শুধু লেখা থাকে পরি শুধু হামিদের, আর শেষে ছেলেটির হাতও ভেঙ্গে দেয়, এই নিয়ে বিচারও বসে.. তাতে হামিদ থেমে থাকে নাহ, হামিদ পরির পিছন পিছন ঘুরলেও কখনো পরিকে মনের কথা বলার সাহস হয়ে উঠেনি, তবে পরি জানতো যে হামিদ ওকে ভালোবাসে, কিন্তু পরি হামিদকে একটুও পছন্দ করতো নাহ, কারন হামিদ বখাটে ছিলো, সারাদিন ঘুরতো, একে মারতো ওকে ধরে মারতো, কাজ বাজ কিছুই করতো নাহ, তাই পরি হামিদকে পছন্দ করতো নাহ..
কিন্তু হামিদ ঠিকই প্রতিদিন পরির স্কুল যাওয়ার পথে দাঁড়িয়ে থাকতো, স্কুল ছুটির সময় স্কুলের গেটের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতো, পরি বেড় হলে, পরিরি পিছু পিছু বাড়িতে পর্যন্ত এগিয়ে দিতো, যাতে পরিকে কেউ প্রেমের প্রস্তাব দিতে নাহ পারে..পরি এসবে খুব বিরক্ত হতো...
কিছু দিন পর মায়াতলী স্কুলের হেডমাস্টার ও এলাকার মোরোল শামীম হোসেনের বাসায় শহর থেকে একজন লোক এলো শামীম সাহেবের সাথে দেখা করতে, কিন্তু শামীম সাহেব ওই সময় স্কুলে ছিলো বলে লোকটি স্কুলে গেলেন তার সাথে দেখা করতে, শামীম সাহেব লোকটির পরিচয় জানতে চাইলে লোকটি বললো তার নাম জাভেদ রহমান, সে পেশায় একজন ডাক্তার,, তখন শামিম সাহেব তাকে জিজ্ঞেস করলেন আপনি এই গ্রামে কেন? আর আমার সাথে দেখা করার কারন?, জাভেদ বললো আসলে আমি শুনেছি এই গ্রামে কোন ডাক্তার নেই, আর এখান থেকে শহর অনেক দুরে হওয়াতে আর যাতায়াত ব্যাবস্থা তেমন না থাকায় চিকিৎসার অবস্থা খুব খারাপ, তাই আমি চাই এই গ্রামে থেকে এই গ্রামের মানুষের সেবা করতে... শামীম সাহেব বললেন এতো খুব ভালো প্রস্তাব, তো বলেন আমি আপনার জন্য কী করতে পারি? জাভেদ বললো বেশি কিছু করতে হবে নাহ, একটু থাকার জায়গা আর একটা চেম্বারের ব্যাবস্থা করে দিলেই চলবে.. শামীম সাহেব বললেন কোন চিন্তা নেই সব হয়ে যাবে, আপনি আমার বাড়ি গিয়ে রেস্ট নিন আমি দুপুরে আপনার সাথে কথা বলবো, এই বলে তিনি তার পিয়নকে পাঠিয়ে দিলেন জাভেদের সাথে, জাভেদ স্কুল থেকে বের হওয়ার সময় হঠাৎ ক্লাস রুমে চোখ যেতেই দেখে অপরুপ সুন্দরী একটি মেয়েকে, কাজল দেয়া চোখ, মায়াবী মুখ দেখে জাভেদ পুরাই হতভম্ব, এত সুন্দর মানুষ কী করে হয়..
জাভেদ মায়াতলীতে থাকা শুরু করে, গ্রামের মানুষদের চিকিৎসা করতে থাকে, জাভেদের উপর গ্রামের মানুষের ভালোবাসা বাড়তে থাকে, কারন সে বিনা টাকায় সবার চিকিৎসা করতো..
একদিন হঠাৎ পরির চাচা অজ্ঞান হয়ে যায়, তখম পরির চাচাতো ভাই গিয়ে ডাক্তার কে ডেকে নিয়ে আসে,, জাভেদ এসে চেকাপ করে বলে চিন্তার কোন কারন নেই কিছু ঔষধ লিখে দিচ্ছি খেলেই সুস্থ হয়ে যাবে, আর রেস্ট নিতে হবে, আমি আবার কাল এসে দেখে যাবো, জাভেদ উঠে ঘর থেকে বের হতেই দেখে পরিকে, পরিকে দেখে জাভেদের মনে পরে সেদিন স্কুলের ওই মেয়েটির কথা, মনে মনে বলে, আরে এই মেয়েটিকেই তো সেদিন স্কুলে দেখেছিলাম...
পরের দিন আবার জাভেদ পরিদের বাসায় যায় পরির চাচাকে দেখতে, তখন পরির চাচা পরিকে ডাক দিয়ে বলে ডাক্তার সাহেব কে চা নাস্তা দিতে, তখনি জাভেদ পরির নাম জানতে পারে..
পরি নাস্তা দিতে গেলে জাভেদের সাথে একটু চোখাচোখি হয়, তাতে পরিও জাভেদ কে দেখে...
পরিদের স্কুল যাওয়ার পথেই জাভেদের চেম্বার ছিলো, পরি স্কুল যাওয়ার সময় একদিন জাভেদ পরিকে এই পথ দিয়ে যেতে দেখে, এর পর প্রাই জাভেদ ওই সময় চেম্বারের বাইরে দাড়িয়ে থাকতো পরিকে দেখবে বলে, পরিও মাঝে মধ্যে আর চোখে তাকিয়ে দেখতো জাভেদ কে..
এরি মধ্যে মায়াতলীর স্কুল মাঠে বৈশাখী মেলা বসে, পরি ওর চাচার সাথে মেলায় যায়, সেখানে দেখা হয় জাভেদের সাথে, জাভেদ পরির চাচার সাথে কথা বলতে থাকে, তখনি একজন এসে পরির চাচাকে খবর দেয় তাদের খামারে একটা সমস্যা হয়েছে তাকে এখনি যেতে হবে, কিন্তু পরিকে রেখে ওনি কিভাবে যাবে, তখন জাভেদ পরির চাচাকে বলে, আপনি জান পরি আমার সাথে থাক, আর আমি তো আপনাদের বাড়ি চিনি, মেলায় ঘোরা হয়েগেলে পরিকে বাসায় দিয়ে আসবো, পরির চাচা পরিকে জিজ্ঞেস করলো তার কোন সমস্যা আছে কিনা? পরি বললো কোন সমস্যা নেই.. এর পর পরির চাচা পরিকে জাভেদের কাছে রেখে তার খামারে দিকে হাটা দিলো, আর জাভেদ ও পরি একসাথে মেলাতে ঘুরতে লাগলো, আর কথা বলতে লাগলো, ঘুরতে ঘুরতে জাভেদ পরিকে একটি চুরির দোকানে নিয়ে গেলো, সেখান থেকে নীল চুরি কিনে পরিকে দিলো, পরি নিতে চাচ্ছিলো নাহ, তবে জাভেদ জোর করাতে পরি চুরি গুলো নিলো, ওরা দুজন অনেক্ক্ষণ ঘোরা ঘুরি করে বাসায় ফেরার সময় কথায় কথায় জাভেদ তার পরিবার ও তার সম্পর্কে সব বললো যে ওর বাবা মা ছোট বেলায় এক দূর্ঘটনায় মারা যায়, এর পর ও ওর দাদা দাদির কাছে থেকে বড় হয়, আর কয় এক বছর আগে দাদি মারা যায় এর এক বছর পর ওর দাদাও মারা যায়, এখন ওর এই পৃথিবীতে আর কেউ নেই, পরিও ওর সব কথা জাভেদ কে খুলে বলে, তারও চাচা ছাড়া আর কেউ নেই.. এসব বলতে বলতে ওরা বাড়ির সামনে পৌছে যায়, জাভেদ তখন পরিকে বলে কাল বিকালে নদীর পারে আসতে, কিছু জরুরি কথা বলবে...
পরি বুঝতে পারে জাভেদ হয়তো তাকে পছন্দ করতে শুরু করেছে, হয়তো কাল সে তাকে ভালোবাসার কথা বলবে, এসব ভাবতে ভাবতে পরি ঘুমিয়ে যায়, বিকেল বেলা সুন্দর করে সেজেগুজে জাভেদের দেয়া চুড়ি গুলো হাতে দিয়ে নদীর পারে যায়, গিয়ে দেখে জাভেদ আগে থেকেই দাঁড়িয়ে আছে, জাভেদ পরিকে দেখে আজ আরো বেশি মুগ্ধ হয়ে যায়, তার দেয়া চুড়ি গুলো পরির হাতে দেখে অনেক খুশি হয়, জাভেদ পরিকে বলে তোমার হাতটা একটু ধরি, পরি ওর হাত বাড়িয়ে দেয়, পরি অনেক লজ্জা পায়, কারণ এই প্রথম কোন ছেলে ওর হাত ধরেছে, জাভেদ বললো -
জাভেদ - অনেক দিন থেকে একটা কথা বলতে চাই, কিন্তু কথাটা তুমি কিভাবে নিবে
পরি - আপনি নির্দিধায় বলে ফেলুন
জাভেদ যেইনা কথা টা বলতে যাবে, হঠাৎ সেখানে হামিদ এসে হাজির হয়, হামিদ জাভেদ কে পরির হাত ধরা দেখে রেগে গিয়ে জাভেদ কে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে আবার তুলে মারতে শুরু করে, পরি এসব দেখে খুব রেগে যায়, আর হামিদের গালে জোরে একটা থাপ্পড় বসিয়ে দেয়, হামিদ পরিকে বলে তুই আমায় থাপ্পড় মারলি কেন, পরি বলে তুই ডাক্তার সাহেবকে মারলি কেন, ওই ছেলেকে মারছি তো কী হইছে, ওর জন্য এত দরদ কেন তোর, আর ও কে তোর হাত ধরার, আমি তোকে ভালোবাসি পরি, পরি বলে আমি তোকে ভালোবাসি নাহ, তুই ভাবলি কিভাবে তোর মতো বখাটেকে আমি ভালোবাসবো, আর বললি নাহ ওনার প্রতি এতো দরদ কেন, দরদ কারন আমি ওনাকে ভালোবাসি, এই কথা শুনে হামিদ চুপ হয়ে গেলো, আর জাভেদও পুরাই অবাক, পরি আবারো বল্লো আর কখনো যেনো তোকে আমার চোখের সামনে না দেখি, এই বলে পরি, জাভেদের হাত ধরে বাড়ির দিকে হাটা দিলো, আর হামিদ চুপ করে ওদের দুজনের দিকে তাকিয়ে রইলো,
পরের দিন জাভেদ পরির দেখা করে, পরিকে জিজ্ঞেস করে সে কি ওইদিনের কথা গুলো সব সত্যি বলেছিলো, পরি জানায় সে সত্যি জাভেদ কে পছন্দ করে, জাভেদ এটা শুনে খুব খুশি হয়ে যায়, আর বলে পরির চাচাকে বলে সে পরিকে বিয়ে করে ফেলবে, পরিও রাজি হয়,
জাভেদ পরির চাচাকে সব বলে, পরির চাচা রাজি হয়ে যায়, কারন জাভেদ অনেক ভালো ছেলে, আর তার যেহেতু মা বাবা নেই, আর পরিরও মা বাবা নেই, তাই সে বুঝবে পরির কষ্ট, আর পরিকে অনেক সুখেই রাখবে, তাই তিনিও রাজি হয়ে যায়, বিয়ের তারিখ ও ঠিক করে ফেলে...
বিয়ের দিন পরিদের বাসায় যখন উৎসবের আমেজ, তখন হামিদ অন্ধকার একটা ঘরে বসে ভাবছে সে এখন কী করবে, যাকে ছোট বেলা থেকে এত ভালোবাসতো, তাকে কী না হারাতে চলেছে সে, এটা কী করে হয়, নাহ সে এটা হতে দিবে নাহ, সে ভাবে পরিকে ওর বাসা থেকে তুলে নিয়ে আসবে আর ওই ডাক্তারকেও আর পরির সামনে ডাক্তার কে মেরে ফেলবে আর পরিকে জোর করে হলেও বিয়ে করবে সে, একবার বিয়ে হয়ে গেলে পরি ঠিকি সব মেনে নিবে, যেই ভাবা সেই কাজ, হামিদ তার বন্ধুদের পাঠিয়ে ডাক্তার কে উঠিয়ে নিয়ে আসে, আর পরিদের বাসায় গিয়ে পরিকে অজ্ঞান করে সবার চোখের আড়ালে নিয়ে আসে, ইতিমধ্যে সবাই পরি ও জাভেদ কে না পেয়ে খোঁজা খুজি শুরু করে দিয়েছে..
একটা অন্ধকার রুমে জাভেদ কে একটি চেয়ারে হাতপা সহো মুখও বেঁধে রাখা হয়েছে, জাভেদের মুখবাঁধা জন্য কথা বলতে পারছে না, শুধু গোঙানির মতো শব্দ বের হচ্ছে, পাশের চেয়ারে পরি অজ্ঞান অবস্থায় বসে আছে, আর তাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে হামিদ, হামিদ পরির মায়াবী মুখটা দেখছে আর ভাবছে, কি করে একটা মানুষ এত সুন্দর হয় হ্যা? আর আমার পরিটার চোখ দুটি এত সুন্দর কেন? ওর বন্ধ চোখ দেখেই মায়া লাগে, না জানি এই চোখ দিয়ে আমার দিকে তাকালে যে আমার কি হয়ে যেতো, পরি আমার দিকে কখনো ভালো করে তাকায় নাই, ও আমাকে ভিষণ ভয় পায়, পাগলী একটা, আমায় এত ভয় পাওয়ার কী আছে, ও কী জানে নাহ ওকে আমি আমার জীবনের থেকেও বেশি ভালোবাসি, ওর জন্য সব করতে পারি আমি..
হামিদের ভাবনার অবসান ঘটিয়ে হঠাৎ পরি চোখ মেলে তাকায়, আর সামনে হামিদ কে দেখে চমকে উঠে... To be continue.....
গল্পটি ভালো লাগলে একটি ❤️ রিয়েক্ট দিয়েন
২য় পার্ট লাগলে কমেন্ট করে জানান 🙂
ধন্যবাদ 🌹

12/02/2023

#বাংলা_কাহিনী

আমি অধ্যাপক আর আমার স্ত্রী হাইস্কুলের শিক্ষিকা।

সকাল বেলায় আমার গিন্নির মেজাজ আর চায়ের জল এক সংগে ফুটতে থাকে।

আজ হঠাৎ গিন্নির আদেশ হলো - তিতলির (আমার মেয়ের নাম) স্কুল থেকে ডাক এসেছে, তোমাকে যেতেই হবে। অংকের দিদিমণি দেখা করতে চেয়েছেন।

অগত্যা যেতেই হলো।

গিয়ে দেখি, বিশাল একটা হলঘরে চশমা আঁটা অংকের দিদিমণি বসে আছেন।

গম্ভীর গলায় ডাকলেন - অনন্যা পাল। সেই ডাকে অনন্যার মা উঠে দাঁড়ালেন। চললো অনন্যা কোন কোন অংক পারেনি তার বিশ্লেষণ। তার সংগে পাল্লা দিয়ে চললো, বেচারা অনন্যার মায়ের তীব্র আস্ফালন।
- এতগুলো টাকা খরচ করে মাষ্টার রেখেছি। আজ বাড়ি চল, তোর হাত-পা ভাঙব!

পল্লবীর মা আর বাড়ি পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন না। তিনি হলের মধ্যেই পল্লবীর চুলের মুঠি ধরে কয়েকটা চড় মেরে বললেন - আজ তোর বাবা বাড়িতে আসুক। দেখবি ফাঁকি মারার কত মজা!

আর টুম্পার বাবা - টুম্পা তিনটে অংক ভুল করায় তীক্ষ্ণ কন্ঠে বললেন - সামনের তিনদিন টুম্পার খাওয়া বন্ধ !!!

এভাবেই কেটে গেল অনেকটা সময়।
অবশেষে ডাক এলো - তিতলি চ্যাটার্জ্জী, মানে আমার মেয়ে, যার জন্য এখানে আমার আসা।

দিদিমনি বলে চললেন - আপনার মেয়ে তো অর্ধেক অংকই পারেনি!

আমি বললাম
- অর্ধেক অংক তো পেরেছে। আর একটু বড় হলে বাকিটা শিখে নেবে। আপনি টেনশন করবেন না, ম্যাডাম।

- আপনি কনফিডেন্ট?

- নিশ্চিত। আসলে কি জানেন ম্যাডাম, আমি আর তিতলির মা, মাধ্যমিকে দুজনে মিলে অংকে ১০০ তুলতে পারি নি। তবুও আমার অধ্যাপক হওয়া কিম্বা তিতলির মায়ের রাগী দিদিমণি হতে কোন অসুবিধেই হয় নি!

তিতলি খুশী হয়ে বলল --
- বাবা, আজ বিরিয়ানী খাব।

আমি বললাম টুম্পাকেও ডাকিস। ওর বাবা ওকে তিন দিন খেতে দেবে না বলেছে !!!!

বাড়তি চাপ দিয়ে ছেলেমেয়েকে টেনশন দেবেন না। টেনশন নেওয়ার জন্য তো সারা জীবনটা পড়ে রইল ওরা যেদিন নিজে বুঝবে ঠিক শুধরে যাবে।
★লেখা সংগৃহীত

Low price best bike
12/05/2022

Low price best bike

নিজস্ব প্রতিবেদন: গ্রাহকদের ব্যাঙ্ক জালিয়াতদের হাত থেকে বাঁচাতে ATM থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে নিয়মে পরিবর্তন এনেছিল স্টেট...
21/09/2020

নিজস্ব প্রতিবেদন: গ্রাহকদের ব্যাঙ্ক জালিয়াতদের হাত থেকে বাঁচাতে ATM থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে নিয়মে পরিবর্তন এনেছিল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI)। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকেই ATM থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে OTP ভিত্তিক পরিষেবা চালু করে দেশের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক।

ওই নিয়ম অনুযায়ী, রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত SBI ATM থেকে ১০ হাজার বা তার বেশি অঙ্কের টাকা তোলার ক্ষেত্রে গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে লিঙ্ক করা মোবাইল নম্বরে আসা OTP ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়। এই নিয়মই এ বার পরিবর্তন করা হল।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে যে কোনও সময় দেশের যে কোনও প্রান্তের SBI ATM থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রেই OTP ভিত্তিক পরিষেবা চালু করল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI)। এখন থেকে SBI ATM থেকে টাকা তোলার জন্য গ্রাহকদের পিন নম্বরের পাশাপাশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে লিঙ্ক করা মোবাইল নম্বরে আসা OTP দিতে হবে৷ তবেই তোলা যাবে টাকা।

কলকাতাঃ  বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোট! আর তাই ভোটের আগে একেবারে কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েকদিন আগেই ব্র...
21/09/2020

কলকাতাঃ বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোট! আর তাই ভোটের আগে একেবারে কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েকদিন আগেই ব্রাহ্মণদের ভাতা দেওয়া থেকে শুরু করে একগুচ্ছ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুধু তাই নয়, সিভিক ভলেন্টিয়ার থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের জন্যে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার অস্থায়ী তিন হাজার কর্মীর চাকরি নিশ্চিত করল দমকল। দমকল দফতরের অস্থায়ী তিন হাজার কর্মীর ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত চাকরি নিশ্চিত করে দেওয়া হয়েছে।


Home কলকাতা
কলকাতা
অবসরের সময় মিলবে তিন লক্ষ টাকা, স্থায়ী হল কয়েক হাজার কর্মীর চাকরি
By Bengali Desk -September 19, 20200



কলকাতাঃ বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোট! আর তাই ভোটের আগে একেবারে কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েকদিন আগেই ব্রাহ্মণদের ভাতা দেওয়া থেকে শুরু করে একগুচ্ছ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ADVERTISEMENT

Learn More
POWERED BY PLAYSTREAM

পড়ুন আরও- পরীক্ষা ছাড়াই সরাসরি ইন্টারভিউর মাধ্যমে চাকরি, বেতন ১৫ হাজার

শুধু তাই নয়, সিভিক ভলেন্টিয়ার থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের জন্যে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার অস্থায়ী তিন হাজার কর্মীর চাকরি নিশ্চিত করল দমকল। দমকল দফতরের অস্থায়ী তিন হাজার কর্মীর ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত চাকরি নিশ্চিত করে দেওয়া হয়েছে।

পড়ুন আরও- করোনার গ্রাসে মাদুর গ্রাম, শিল্পীরা ধুঁকছে, বন্ধ শিল্প

যার ফলে এবার থেকে আর প্রতিবছর চুক্তি পুনর্নবীকরণের প্রয়োজন হবে না। সরকারের এহেন মানবিক সিদ্ধান্তে উপকৃত হবেন কয়েক হাজার শ্রমিক। আগেই এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন। অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ী করার বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করছে সরকার, জানানো হয় নবান্নের।

এরপরেই দমকল বিভাগের অফিসে এসে বিভাগীয় আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিভিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। পরে সুজিত বসু বলেন, দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। মুখ্যমন্ত্রী সেই দাবি মিটিয়েছেন।

অস্থায়ী ৩০০০ দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারীদের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁদের দৈনিক মজুরি বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের কোনও ছুটি ছিল না। এখন থেকে ১৪ দিন সিএল এবং ১০ দিন সিসিএল পাবেন তাঁরা। ৬০ বছর শেষে অবসরের সময় তিন লক্ষ টাকা দেওয়া হবে।

বর্তমানে আমরা UPI (ইউনিফাইড পেমেন্ট ইন্টারফেস) ট্রানজাকশনে বেশ অভ্যস্থ হয়ে পড়েছি। কিন্তু অনেক সময়েই UPI ট্রানজাকশনে আমাদ...
21/09/2020

বর্তমানে আমরা UPI (ইউনিফাইড পেমেন্ট ইন্টারফেস) ট্রানজাকশনে বেশ অভ্যস্থ হয়ে পড়েছি। কিন্তু অনেক সময়েই UPI ট্রানজাকশনে আমাদের প্রচুর সমস্যায় পড়তে হয়। যেমন গত দু-দিনে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (SBI) গ্রাহকরা থার্ড পার্টি প্ল্যাটফর্ম থেকে অনলাইন ট্রানজাকশনের সময় কিছু সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

এই বিষয়ে আজ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক অর্থাৎ SBI, একটি টুইট পোস্টে গ্রাহকদের জানিয়েছে, তারা UPI প্ল্যাটফর্মে উন্নত অভিজ্ঞতা দিতে কাজ করছে। ফলে গ্রাহকরা অনলাইন ট্রানজাকশনের সময় মুশকিলে পড়তে পারেন। তাই, এই কয়েকদিন UPI ট্রানজাকশনের জন্য গ্রাহকদের SBI Yono বা Yono Lite অ্যাপ্লিকেশন এবং সাধারণ নেট ব্যাঙ্কিং মাধ্যম ব্যবহার করার অনুরোধ করেছে SBI।

ওই টুইট পোস্টে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কটি গ্রাহকদের সাময়িক সমস্যার জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেছে, এবং গ্রাহকদের ধৈর্য রাখতে অনুরোধ করেছে। স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, SBI Yono, Yono Lite বা নেট ব্যাঙ্কিং ট্রানজাকশনে তাদের এই আপগ্রেডেশন প্রক্রিয়ার প্রভাব পড়বেনা।

এছাড়া, গ্রাহকরা চাইলে BHIM SBI Pay নামের ইউপিআই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করতে পারেন। এতে ইউজাররা বিল পরিশোধ থেকে শুরু টাকা ট্রান্সফারসহ বেশ কয়েকটি অনলাইন ব্যাঙ্কিং ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন। অ্যান্ড্রয়েড ইউজাররা প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারেন। এর সাইজ মাত্র ১৮ এমবি।

একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে ইউপিআই সার্ভারের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন এসবিআই গ্রাহকরা। ব্যাঙ্কের নতুন আপগ্রেডেশন কতটা উন্নত পরিষেবা দেয়, সেটাই দেখার। জানিয়ে রাখি, ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI) দ্বারা প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে সবচেয়ে বেশি ইউপিআই-বেসড লেনদেন করেছে।

PAYTM PAYMENT BANK Big Update ❤️
20/09/2020

PAYTM PAYMENT BANK Big Update ❤️

Address

Samantabera

722208

Telephone

+919432841461

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SOYEL securing the future posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to SOYEL securing the future:

  • Want your business to be the top-listed Business?

Share