31/08/2026
CSR proposal নিয়ে কাজ করতে গিয়ে একটা বিষয় বারবার চোখে পড়ে—অনেক ভালো উদ্যোগও শুধু বাজেটের উপস্থাপনার কারণে দুর্বল হয়ে যায়।
বিশেষ করে Cost Per Beneficiary-এর হিসাবটা অনেকেই ঠিকভাবে দেখান না।
সহজ করে বলি। ধরুন, দুইটা NGO একই ৫ লাখ টাকার জন্য আবেদন করল।
প্রথম NGO ৫ লাখ টাকা দিয়ে ৫০ জনকে সেবা দেবে।
হিসাব করলে জনপ্রতি খরচ দাঁড়ায় ১০,০০০ টাকা।
অন্য NGO একই ৫ লাখ টাকা দিয়ে ৫০০ জন মানুষের কাছে সরাসরি সেবা পৌঁছাবে।
এখানে জনপ্রতি খরচ ১,০০০ টাকা।
একজন CSR donor তখন স্বাভাবিকভাবেই জানতে চাইবেন—একই পরিমাণ অর্থ খরচ করে কোন প্রকল্পে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব?
কিন্তু এখানেই একটা ভুল আমরা অনেক সময় করি।
শুধু “কম খরচে বেশি মানুষ” দেখালেই proposal শক্তিশালী হয়ে যায় না। কাজের মান, beneficiary-এর প্রকৃত প্রয়োজন, intervention-এর ধরন এবং প্রত্যাশিত ফলাফল—সবকিছুরই গুরুত্ব আছে।
তাই বাজেট বানানোর সময় আমি মনে করি অন্তত ৩টা বিষয় পরিষ্কার রাখা দরকার।
১. Direct আর Indirect beneficiary আলাদা রাখুন।
কতজন সরাসরি সেবা পাচ্ছেন এবং কতজন পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন—দুটো আলাদা করে দেখানো ভালো।
২. Administrative cost-এর যৌক্তিকতা দেখান।
অফিস বা management-এর প্রয়োজনীয় খরচ অবশ্যই থাকবে। কিন্তু বাজেটের বড় অংশ যদি মূল কার্যক্রমের বাইরে চলে যায়, donor-এর প্রশ্ন আসাটাই স্বাভাবিক।
৩. জনপ্রতি খরচের একটা যুক্তি রাখুন।
আপনি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, livelihood বা skill development—যে sector-এই কাজ করেন না কেন, আপনার Cost Per Beneficiary কেন এই পরিমাণ, সেটা proposal দেখেই যেন বোঝা যায়।
শেষ পর্যন্ত CSR donor শুধু এই হিসাবটা দেখতে চান না যে—
“আপনি কত টাকা চাইছেন?” তারা এটাও দেখতে চান— “এই টাকায় বাস্তবে কতটা পরিবর্তন তৈরি হবে?”
ভালো proposal-এর ক্ষেত্রে এই দুইটা প্রশ্নের উত্তরই পরিষ্কার থাকা দরকার। -সম্রাট চট্টোপাধ্যায়