Astro talk with Priyanka

Call

Astro talk with Priyanka Jyotish Ratna, Astrologer , Numerologist and Vastu Consultant. For Consultation call @ 9830931590

🌞✨ Chhath Puja : A Divine Bond with the Sun ✨🌞Chhath Puja is not just a ritual. It is a celebration of faith, purity, gr...
27/10/2025

🌞✨ Chhath Puja : A Divine Bond with the Sun ✨🌞

Chhath Puja is not just a ritual. It is a celebration of faith, purity, gratitude, and cosmic harmony.
During these holy days, devotees worship Surya Dev and Chhathi Maiya to thank them for sustaining life on Earth and to pray for good health, prosperity, and happiness for their loved ones.

🪷 Significance of Chhath Puja
This sacred festival teaches us the power of:
• Discipline and simplicity
• Gratitude to Mother Nature
• Mental and physical purification
• Balance between the inner self and the universe

🌊 The Four-Day Ritual Process
Day 1: Nahay Khay
Purifying bath and preparing satvik meals to begin the vrat.

Day 2: Kharna
Devotees observe a long fast and break it after moonrise with gur ki kheer and roti.

Day 3: Sandhya Arghya
Worshipping the setting sun at rivers, ponds, or ghats with baskets filled with fruits, thekua, and sugarcane.

Day 4: Usha Arghya
Offering prayers to the rising sun and breaking the 36-hour waterless fast with immense devotion.

🌟 Benefits & Beliefs
✅ Blessings of Surya Dev and Chhathi Maiya
✅ Good health & energy
✅ Prosperity and fulfillment of wishes
✅ Family well-being and protection
✅ Cleansing of aura and inner strength

As the sun dips into the horizon and rises again,
our hearts rise with new hope, new dreams, and divine blessings.

🕉️ May Surya Dev illuminate every life with love and light.
Happy Chhath Puja to all! 🌅🙏💛

Significance of Guru Purnima Guru Purnima is a religious Hindu festival dedicated to offering respect to all the spiritu...
09/07/2025

Significance of Guru Purnima

Guru Purnima is a religious Hindu festival dedicated to offering respect to all the spiritual and academic gurus.

The word guru is derived from the Sanskrit root words, gu and ru. Gu means "darkness" or "ignorance", and ru means "dispeller."Therefore, a guru is the dispeller of darkness or ignorance.

It is also known as Vyasa Purnima, for it marks the birthday of Veda Vyasa, the sage who authored the Mahabharata and compiled the Vedas.

In the yogic tradition, the day is celebrated as the occasion when Shiva became the first guru, as he began the transmission of Yoga, knowledge to the Saptarishis.

Lord Buddha was said to have delivered his first sermon on this day at Sarnath, reflecting the power of this sacred time.

The festival is common to all spiritual traditions, where it is an expression of gratitude toward the teacher by his or her disciples.
An age-old Sanskrit phrase 'Mata Pitah Guru Daivam', says that the first place is reserved for the mother, second for the father, third for Guru and fourth for God. Thus, teachers have been given a higher place than Gods in Hindu tradition.

গুরু পূর্ণিমা ,একটি ঐতিহ্য, যা সমস্ত আধ্যাত্মিক এবং একাডেমিক গুরুদের জন্য উৎসর্গীকৃত, যারা কর্মযোগের উপর ভিত্তি করে বিকশিত বা আলোকিত মানুষ তৈরির মাধ্যমে তাদের জ্ঞান দান করে ।

গুরু' শব্দটি 'গু' এবং 'রু' এই দুটি সংস্কৃত শব্দ দ্বারা গঠিত; 'গু' শব্দের অর্থ "অন্ধকার" / "অজ্ঞতা" এবং 'রু' শব্দের অর্থ "যা অন্ধকারকে দূরীভূত করে"। অর্থ্যাৎ, 'গুরু' শব্দটি দ্বারা এমন ব্যক্তিকে নির্দেশ করা হয় যিনি অন্ধকার দূরীভূত করেন।
এটি ব্যাস পূর্ণিমা নামেও পরিচিত, কারণ এটি ঋষি বেদব্যাসের জন্মদিন চিহ্নিত করে, যিনি মহাভারত রচনা করেছিলেন এবং বেদ সংকলন করেছিলেন।

হিন্দু পুরাণ মতে,পরমেশ্বর শিবের দক্ষিণামূর্তি রূপকে “গুরুমূর্তি” বলা হয়, সপ্ত ঋষি ও ব্রহ্মা-বিষ্ণু সহ সমস্ত দেবতারা এই মাসের পূর্ণিমা তিথিতে মহাদেবের কাছে পরমজ্ঞান লাভ করেন, শিবকে আদিগুরু মানা হয়,তাই এটি গুরু পূর্ণিমা বলেই বিখ্যাত ।

বৌদ্ধ ধর্ম মতে, বোধিজ্ঞান লাভের পরে আষাঢ় মাসের পূর্ণিমায় সারনাথে প্রথম শিষ্যদের উপদেশ দেন গৌতম বুদ্ধ.

একটি শ্লোকের মাধ্যমে গুরুপূর্ণিমাতে শ্রী গুরুকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা যায়:

‘গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণু গুরুর্দেবো মহেশ্বর
গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ’

অর্থাৎ জীবনে গুরুই হলেন ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর। তিনিই আমাদের সৃষ্টি-স্থিতি-লয়ের জ্ঞান বা পরম ব্রহ্মজ্ঞান দান করেন। সেই গুরুর উদ্দেশে প্রণাম জানাই।

゚viralシfypシ゚viralシ

ফলহারিণী কালীপূজার গুরুত্ব ও তাৎপর্য :জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যা তিথিতে ফলহারিণী কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। মানুষ সারা জীবন কর্ম ...
26/05/2025

ফলহারিণী কালীপূজার গুরুত্ব ও তাৎপর্য :

জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যা তিথিতে ফলহারিণী কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। মানুষ সারা জীবন কর্ম করে যান। কিন্তু মনে করা হয়, এই কর্মসমূহের ফল দান করেন দেবী কালিকা।তিনি সমস্ত কিছু শক্তি, জ্ঞান, ইচ্ছা ও কর্মশক্তিরূপে বিরাজিতা। ফলহারিণী কালী পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অনেকগুলি পৌরাণিক গল্প।
ফলহারিণী কালী পুজোয় সকলের বিদ্যা, কর্ম ও সেই সঙ্গে অর্থভাগ্যের উন্নতি ঘটে,সমস্ত বাধা দূর হয়,সাংসারিক জীবনেও সুখশান্তি লাভ হয়।

মা কালী জীবের কর্মফল অনুসারে ফল প্রদান করছেন। তিনিই নিজের মধ্যে সমস্ত কর্মফলকে ধারণ করেন। এই মাতৃরূপা মহাশক্তি প্রসন্না হলে জীবের দুঃখ ও দুর্দশা থেকে মুক্তি মেলে। সেই সঙ্গে শারীরিক, মানসিক, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শক্তি লাভ হয়।

কথিত আছে, রামকৃষ্ণদেব ফলহারিণী কালী পুজোর দিনই স্ত্রী সারদা দেবীকে পুজো করেছিলেন জগৎ কল্যাণের জন্য। এদিন শ্রীমা সারদাকে ষোড়শীরূপে পুজো করেছিলেন বলে আজও রামকৃষ্ণমঠ ও আশ্রমে এই পুজো 'ষোড়শী' পুজো নামে পরিচিত। এছাড়া ১২৮০ বঙ্গাব্দে জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যা তিথিতে তিনি দক্ষিণেশ্বরে আদ্যাশক্তি সগুণরূপের পুজো করেছিলেন। সে জন্যে এইদিনটি অত্যন্ত শুভ ও তাৎপর্যপূর্ণ। শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁর মোক্ষপ্রাপ্তির জন্য বিশেষ নিয়মে পুজো করলেও এই দিনটিতে হিন্দু ধর্মাবলাম্বীরা নানাবিধ মরসুমী ফল দিয়ে কালীর পুজো করে থাকেন।আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল ইত্যাদি রকমারি ফল জ্যৈষ্ঠ মাসে সহজে পাওয়া যায়। ভক্তেরা তাঁদের ইষ্টদেবীকে বিভিন্ন ফল দিয়ে প্রসাদ নিবেদন করে থাকেন।
শাস্ত্রে বলা আছে, 'জীবনেয সর্বস্ব'। যার অর্থাৎ একদিকে ফলহারিণী, সাধকের কর্মফল হরণ করেন। অন্য দিকে কর্মফল হরণ করে ভক্তদের, তাঁদের অভীষ্টফল, মোক্ষফল প্রদান করেন।

ফলহারিণী কালী পুজোর দিন মা কালী স্বয়ং তাঁর সন্তানদের শুভ ফল প্রদান করেন এবং সেই সঙ্গে তাঁদের অশুভ ফলও হরণ করে থাকেন।

আকালীপুর মন্দিরের তাৎপর্য:গুহ্যকালী বা আকালী হিন্দু দেবী কালীর একটি বিশেষ রূপ। দেবীভাগবত পুরাণ মতে, তিনি দেবী শতাক্ষীর শ...
24/01/2024

আকালীপুর মন্দিরের তাৎপর্য:

গুহ্যকালী বা আকালী হিন্দু দেবী কালীর একটি বিশেষ রূপ। দেবীভাগবত পুরাণ মতে, তিনি দেবী শতাক্ষীর শরীর থেকে উৎপন্না অন্যতমা মহাশক্তি।
গুহ্যকালী দ্বিভুজা, সর্পভূষিতা ও খড়্গহস্তা। তাকে সূর্যকালী বা আকালি কালী নামেও অভিহিত করা হয়।পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার রামপুরহাট মহকুমার অন্তঃপাতী আকালীপুর গ্রামে দেবী আকালীর একটি বিখ্যাত মন্দির বিদ্যমান।

মূ্র্তিকল্প:

দেবী গুহ্যকালীর ধ্যানমন্ত্রে তার যে মূর্তিটি বর্ণিত হয়েছে তা নিম্নরূপ: গুহ্যকালীর গাত্রবর্ণ গাঢ় মেঘের ন্যায়; তিনি লোলজিহ্বা ও দ্বিভুজা; গলায় পঞ্চাশটি নরমুণ্ডের মালা; কটিতে ক্ষুদ্র কৃষ্ণবস্ত্র; স্কন্ধে নাগযজ্ঞোপবীত; মস্তকে জটা ও অর্ধচন্দ্র; কর্ণে শবদেহরূপী অলংকার; হাস্যযুক্তা, চতুর্দিকে নাগফণা দ্বারা বেষ্টিতা ও নাগাসনে উপবিষ্টা; বামকঙ্কণে তক্ষক সর্পরাজ ও দক্ষিণকঙ্কণে অনন্ত নাগরাজ; বামে বৎসরূপী শিব; তিনি নবরত্নভূষিতা; নারদাদিঋষিগণ শিবমোহিনী গুহ্যকালীর সেবা করেন; তিনি অট্টহাস্যকারিণী, মহাভীমা ও সাধকের অভিষ্ট ফলপ্রদায়িনী। গুহ্যকালী নিয়মিত শবমাংস ভক্ষণে অভ্যস্তা।

মন্দিরের ইতিহাস:

বীরভূম জেলার আকালীপুর গ্রামে ব্রাহ্মণী নদীর তীরে শ্মশানের পাশে মহারাজা নন্দকুমার একটি গুহ্যকালী মন্দির নির্মাণ করেন।তবে এই বিচিত্র কালীমূর্তিটি তার দ্বারা নির্মিত হয়নি। জনশ্রুতি, পৌরাণিক মগধরাজ জরাসন্ধ এই মূর্তিটি নির্মাণ করেছিলেন। কালক্রমে বিভিন্ন রাজার হাতে পূজিত হওয়ার পর কাশীরাজ চৈত সিংহের রাজ্যের এক কৃষক তার জমিতে মূর্তিটি খুঁজে পান। সংবাদ পেয়ে চৈত সিংহ মন্দির প্রতিষ্ঠা করে দেবী গুহ্যকালিকার প্রতিষ্ঠা করতে চান।
এদিকে ওয়ারেন হেস্টিংসও এই মূর্তির সন্ধান পেয়ে এটিকে লন্ডনের জাদুঘরে প্রেরণে উদ্যোগী হন। মূর্তিটি হেস্টিংসের হাত থেকে রক্ষা করতে, চৈত সিংহ সেটিকে গঙ্গাবক্ষে লুকিয়ে রাখেন। মহারাজা নন্দকুমার স্বপ্নাদেশ পেয়ে সেটিকে কাশী থেকে নিজ জন্মস্থান বীরভূমের ভদ্রপুর গ্রামে নিয়ে আসেন। নন্দকুমার নিজে ছিলেন পরম শাক্ত ও দেবী মহাকালীর ভক্ত। ১৭৭৫ সালের গোড়ায় তিনি মুর্শিদাবাদ-বীরভূমের সীমান্তবর্তী আকালীপুর গ্রামে দেবী গুহ্যকালীর মন্দির নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু ওই বছর জুন মাসে তিনি ইংরেজের হাতে বন্দী হলে, মন্দির নির্মাণে ছেদ পড়ে। ফাঁসির পূর্বে তিনি পুত্র গুরুদাসকে তান্ত্রিক মতে দেবী গুহ্যকালীর প্রতিষ্ঠা সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দিয়ে যান। লোকশ্রুতি, ওই বছর ১৫ জুলাই মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন হয়।

মন্দিরের দক্ষিণে "পঞ্চমুণ্ডী" আসন নামে পরিচিত একটি সিদ্ধাসন রয়েছে। আকালীপুরের দেবী গুহ্যকালীকে ভক্তেরা অতিশয় "জাগ্রত" দেবী মনে করেন। দূর-দূরান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা এই মন্দিরে "মানসিক" করে পূজা দেন।

কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার তাৎপর্য:দুর্গোৎসবের পর শরৎ পূর্ণিমা তিথিতে হয় কোজাগরী লক্ষ্মীর আরাধনা। বাঙালির ঘরে ঘরে এ এক চিরন্ত...
27/10/2023

কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার তাৎপর্য:

দুর্গোৎসবের পর শরৎ পূর্ণিমা তিথিতে হয় কোজাগরী লক্ষ্মীর আরাধনা। বাঙালির ঘরে ঘরে এ এক চিরন্তন প্রার্থনা। এদিন প্রতিটি বাঙালি ঘরেই দেবী লক্ষ্মীর পুজো হয়ে থাকে।

কোজাগরী শব্দের অর্থ -

লক্ষ্মী হলেন ধন সম্পত্তির দেবী। ধন সম্পদের আশায় ঘরে ঘরে লক্ষী দেবী পূজিতা হয়ে থাকেন। কিন্তু কোজাগরী লক্ষীর পুজো হয় কেবল মাত্র আশ্বিন মাসের শেষ পূর্ণিমা তিথিতে। 'কোজাগরী' শব্দটির উৎপত্তি 'কো জাগতী' অর্থাৎ 'কে জেগে আছ' কথাটি থেকে। বলা হয়, 'যার কিছু (সম্পত্তি) নেই সে পাওয়ার আশায় জাগে, আর 'যার আছে (সম্পত্তি) যে না হারানোর আশায় জাগে'। আর সারারাত জেগে লক্ষ্মীর আরাধনা (Worship) করাই এই পুজোর বিশেষ আচার। কথিত আছে, কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমার দিন দেবী রাত্রে খোঁজ নেন - কে জেগে আছেন? এই রাতে যে জেগে অক্ষক্রীড়া (পাশা খেলা) করে, কোজাগরী তাঁকেই ধন-সম্পদ প্রদান করেন।

পূজার সময় -

কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার প্রকৃষ্ট সময় প্রদোষকাল। অর্থাৎ সূর্যাস্ত থেকে দু ঘণ্টা পর্যন্ত যে সময়। যদিও প্রদোষ থেকে নিশীথ অবধি তিথি থাকলেও সেই প্রদোষেই পূজা বিহিত। কিন্তু আগেরদিন রাত্রি থেকে পরদিন প্রদোষ পর্যন্ত তিথি থাকলে পরদিন প্রদোষেই পূজা করা বিধেয়। আবার আগেরদিন রাতে তিথি থাকলেও যদি পরদিন প্রদোষে তিথি না থাকে তাহলে আগেরদিন প্রদোষেই পূজা করা হয়।

দেবীর বিভিন্ন রূপে পূজা -

বিভিন্ন অঞ্চলে বা পরিবারে বিভিন্ন রূপে পূজিত হন। কোথাও লক্ষী মূর্তি, কোথাও আড়ি লক্ষ্মী বা কলার বের, সপ্ততরী, সরায় পটচিত্র, লক্ষ্মীর মুখ সমন্বিত পোড়া মাটির ঘট ইত্যাদি রূপে দেবীর পূজা হয়।

লক্ষ্মীর বীজ মন্ত্র-

ওম শ্রীং হৃীং শ্রীং কমলে কমলালয়ে প্রসীদ প্রসীদ শ্রীং হৃীং শ্রীং ওম মহালক্ষ্মী নমঃ।।

লক্ষ্মীর এই বীজমন্ত্র অত্যন্ত শুভ ফলদায়ী। এই মন্ত্র জপ করলে অর্থ লাভের পথের সমস্ত বাধা দূর করা সম্ভব হয়। পদ্মবীজের মালা দিয়ে এই মন্ত্র জপ করা উচিত।

পূজার আচার -

উল্লেখ্য, খারিফ শস্য ও রবি শস্য ঠিক যে সময় হয় ঠিক সেই সময় বাঙালি হিন্দু মেতে ওঠে লক্ষ্মীর আরাধনায়। তবে পুজোর উপাচারে পরিবর্তন হয় মাস ভেদে। ঘরে ঘরে প্রতি বৃহস্পতিবারে লক্ষ্মীর পাঁচালি (Panchali) পাঠ করে তাঁর আরাধনা করা হয়। উপচারে ফল মিষ্টি ছাড়াও থাকে মোয়া, নাড়ু ইত্যাদি। লক্ষ্মীর আচার অনুষ্ঠানেও দেখা যায় নানা ধরনের তাৎপর্য (Significance)। কোনও কোনও পরিবারে পুজোয় মোট ১৪টি পাত্রে উপচার রাখা হয়। কলাপাতায় টাকা, স্বর্ণ মুদ্রা, ধান, পান, কড়ি, হলুদ ও হরিতকী দিয়ে সাজানো হয় পুজো স্থানটিকে।

ভোগ ও প্রসাদ -

কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার ভোগে অনেক বাড়িতেই জোড়া ইলিশ রাখা হয়। তবে ভোগ হিসাবে খিচুড়ি, লাবড়া থাকা আবশ্যিক। সঙ্গে প্রসাদে ফলমূল তো থাকেই , থাকে নারকেলের নাড়ু, তিলের নাড়ু, ভুশের নাড়ু। এছাড়াও লুচি, পায়েস, মিষ্টির নানা আয়োজন থাকে মা লক্ষ্মীর জন্য। পূর্ববঙ্গীয় রীতিতে এইদিন মাছের পাঁচ পদের রান্না হয়। আবার পশ্চিমবঙ্গীয় রীতিতে এই দিন পুরো নিরামিষ খাওয়া দাওয়া হয় এবং চালের কোনো রান্না করা হয় না।

আগামী 28শে অক্টোবর কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা সুসম্পন্ন হবে।

দশমীর দিনে সিঁদুর খেলার তাৎপর্য ও বিজয়া শব্দ ব্যবহারের কারণ : আজ বিজয়া দশমী। দেবী দুর্গার বিদায়ের পালা। সকলের চোখে-মুখে ...
26/10/2023

দশমীর দিনে সিঁদুর খেলার তাৎপর্য ও বিজয়া শব্দ ব্যবহারের কারণ :

আজ বিজয়া দশমী। দেবী দুর্গার বিদায়ের পালা। সকলের চোখে-মুখে এখন বিষাদের ছাপ। কৈলাসে ফিরবেন দুর্গা। তার আগে অশ্রুসজল চোখে কন্যাসম দুর্গাকে বরণ করে, মিষ্টি মুখ করিয়ে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন বাংলার বধূরা।

সিঁদুর খেলার তাৎপর্য :

বিজয়া দশমীর একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হল সিঁদুর খেলা। হিন্দু বিবাহ রীতিতে সিঁদুরদান একট লৌকিক আচার। স্বামীর মঙ্গলকামনায় সিঁদূর পরেন বিবাহিত মহিলারা। দুর্গা বিবাহিত হওয়ায় তাঁকে সিঁদুর লাগিয়ে, মিষ্টি মুখ করিয়ে বিদায় জানানো হয়।

ভবিষ্য পুরাণ অনুযায়ী সিঁদুর ব্রহ্মের প্রতীক। বিবাহিত মহিলারা সিঁথিতে সিঁদুর পরে পরম ব্রহ্মের সামনে স্বামী ও নিজের মঙ্গল এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেন। ব্রহ্ম সমস্ত দুঃখ কষ্ট দূর করে সুখ দান করেন। তাই দশমীর দিন সিঁদূর দান ও সিঁদূর খেলাকে সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করা হয়।

এ ছাড়াও শ্রীমদ্ভগবতে কাত্যায়নী ব্রত উপলক্ষে গোপীনিদের সিঁদুর খেলার বিবরণ পাওয়া যায়। তবে এটি কৃষ্ণের মঙ্গল কামনার জন্য করা হত।

বিজয়া শব্দ ব্যবহারের কারণ :

দশমী বা বিজয়া দশমীর দিনে দুর্গা পুজোর সমাপ্তি ঘটে। দেবী দুর্গা এদিন কৈলাসে পতিগৃহে প্রস্থান করেন। পুরাণ অনুযায়ী আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের দশমী তিথিতে বাপের বাড়ি ছেড়ে কৈলাসে গমন করেন দুর্গা। কিন্তু এই দশমী কী করে বিজয়া দশমী হল, তার উল্লেখ পাওয়া যাবে নানান পুরাণে।

পুরাণে উল্লিখিত মহিষাসুর বধের কাহিনি অনুযায়ী, ৯ দিন ৯ রাত্রি মহিষাসুরের সঙ্গে যুদ্ধ হয় দশভূজা দুর্গার। দশমীর দিনে মহিষাসুর বধ করেন দুর্গা। অধর্মের ওপর ধর্ম ও অসত্যের ওপর সত্যের জয়ের দিন এটি। সেই জয়কে চিহ্নিত করতেই দশমীর আগে বিজয়া শব্দটি ব্যবহৃত হয়। দশমীর দিনে এই জয়লাভ বলে দিনটিকে বিজয়া দশমী বলা হয়।

মহালয়ার শুভ বা অশুভের তাৎপর্য :পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনালগ্নটি মহালয়া হিসেবে চিহ্নিত। এই সন্ধিক্ষণ মানব জীবনের...
14/10/2023

মহালয়ার শুভ বা অশুভের তাৎপর্য :

পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনালগ্নটি মহালয়া হিসেবে চিহ্নিত। এই সন্ধিক্ষণ মানব জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মহালয়া অর্থাৎ মহান যে আলয়, এই কথাটির ব্যাখ্যা নানা ভাবে করেছেন প্রাজ্ঞজনেরা। যেহেতু মহালয়া থেকেই দেবী দূর্গার আবাহন মুহূর্তটি চিহ্নিত হয়ে যায়, তাই অনেকের মতে দেবী স্বয়ং হলেন এই আলয় বা আশ্রয়। ভিন্নমতে, এই মহান আলয় হল পিতৃলোক। যেহেতু এটি পিতৃপক্ষের অবসান চিহ্নিত করে। ঠিক এর পরদিন থেকে দেবীপক্ষের সূচনা।

পিতৃপক্ষের এক পক্ষকাল পিতৃপুরুষরা মনুষ্যলোকের কাছাকাছি চলে আসে। পুরাণমতে, ব্রহ্মার নির্দেশেই গড়ে ওঠে এই মহামিলনক্ষেত্রটি। এই সময় তাই পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করে মানুষ। শাস্ত্রমতে, হিন্দুদের অবশ্য পালনীয় যে পঞ্চমহাযজ্ঞের বিধান রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হল পিতৃযজ্ঞ অর্থাৎ তর্পণাদি। এই তর্পণ কথার অর্থ হল, যাতে অন্যের তৃপ্তি হয় সেই উদ্দেশ্যে জলদান। তর্পণ তাই শুধু পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যেই নয়, সর্বভূতের উদ্দেশেই করতে হয়।

দেবগণ, ঋষিগণ, পিতৃগণ, নরগণ – ব্রহ্মা হইতে তৃণশিখা পর্যন্ত সমস্ত জগৎ আমা কর্তৃক প্রদত্ত অন্নজলে তৃপ্তিলাভ করুন। এই হল তর্পণের গূঢ় কথা। শাস্ত্র বলে,সমস্ত জগৎ ব্রহ্মময়। তাই জলদান করতে হয় সর্বভূতের উদ্দেশ্যেই। যেহেতু পিতৃপক্ষে পিতৃলোক ও মনুষ্যলোক কাছাকাছি চলে আসে, তাই ধারণা করা হয়, এই সময়কালে যদি পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ অর্থাৎ জলদান করা হয়, তবে তা তাঁদের কাছে সহজে পৌঁছায়। যার মহাপ্রকাশ পিতৃপক্ষের শেষ দিনটিতে অর্থাৎ মহালয়ায়। এই কারণেই পিতৃপক্ষের অবসানে মানুষ তর্পণে রত হন। মহালয়ার এক অর্থ যে পিতৃলোক, তা এই ধারণা থেকেই উঠে এসেছে। একই সঙ্গে পিতৃপক্ষের অবসানে, দেবীপক্ষের সূচনাও যেহেতু চিহ্নিত হয়, তাই মহালয়া অর্থে মা দুর্গাকেই আশ্রয় ধরা হয়। শাস্ত্রে কথিত আছে, এই দিনেই মহিষাসুর বধের দায়িত্ব গ্রহণ করেন দেবী দুর্গা। মহিষাসুরের কবল থেকে দেবগণকে উদ্ধার করার লগ্ন যেহেতু এখান থেকেই সূচিত হচ্ছে, তাই পরমা প্রকৃতি বিশ্বজননীর আশ্রয়ই হল মহান আলয়, এমত মত পোষণ করেন অনেকে।

মহালয়া শুভ না অশুভ, এ নিয়েও তর্ক কম নেই। কেউ কেউ বলে থাকেন, এই দিনটি শুভ নয়। যেহেতু এইদিন পিতৃপুরুষের স্মরণ করা হয়, তাই প্রকৃতপক্ষে এ আসলে শোকের দিন। দিনটিকে সেহেতু শুভ বলে চিহ্নিত করা সঙ্গত নয়। মতান্তরে, হিন্দু শাস্ত্রে যে কোনও শুভ কাজের সূচনাতেই পিতৃপুরুষকে স্মরণ বা তর্পণ করা হয়। যে রীতি হিন্দুর নিত্য পঞ্চমহাযজ্ঞের অন্তর্গত, তাকে অশুভ বলাও বাঞ্ছনীয় নয়। যদি তর্পণের বৃহত্তর অর্থটি ধরতে হয়, তা আসলে ইঙ্গিত দেয় জগৎব্যাপী এক মহামিলনক্ষেত্রের। মিলনের এই মুহূর্ত এবং তার উৎযাপন তাই কোনোভাবেই অশুভ হতে পারে না।

মহালয়া নিয়ে নানা ব্যাখ্যা, নানা মত রয়েছে। শুভ ও অশুভের দ্বন্দ্ব বা তর্কও ব্যক্তিগত প্রেক্ষিতের উপর নির্ভর করে।

🌟🌟Maha Ganapati Dikhsha on the very auspicious day of Ganesha Chaturthi.🌟🌟🔶🔶 Diksha or Initiation is a unique and rare p...
04/10/2023

🌟🌟Maha Ganapati Dikhsha on the very auspicious day of Ganesha Chaturthi.🌟🌟

🔶🔶 Diksha or Initiation is a unique and rare process of making the life of a disciple purer, more enlightened, and more successful.

Guru Dikhsha
•Strengthens the individual at Spiritual, Mental and Physical levels.
•Leads to overall spiritual growth of the person. •Releases the spiritual, physical, mental and emotional blockages of an individual.
• Helps in alleviating bad habits.

On the very auspicious day of Ganesh Chaturthi Maha Ganapati Initiation was taken.

✅Maha Ganapati Dikhsha Mantra:

This mantra celebrates the unique and divine form of God Maha Ganpati and his powers. The Maha Ganapati Mool (root) Mantra, beginning with the incantation of 'Om' evokes positivity, purity, energy and the presence of Lord Ganpati in one's life.

Benefit : Chanting of this mantra invokes Lord Ganesha to remove every obstacle from one's life and helps to achieve wealth, wisdom, good luck, prosperity and success in all the endeavors.

🌟🌟There will be no darkness in life if there is a ray of light of guru's blessings.Thank you Gaurav Tribedi for filling my life with knowledge, inspiration and wisdom.🙏🙏🙏🙏

****For Astrology consultation and prediction call or whatsapp 9830931590****In Astrology, gemstones are recommended acc...
21/09/2023

****For Astrology consultation and prediction call or whatsapp 9830931590****

In Astrology, gemstones are recommended according to the placement of planets in a horoscope.

According to Astrology, Ruby relates to planet Sun. The Sun is the strongest planet in the solar system.The Sun rules our physical health and vitality and determines our self of ego and self-projection in the world.A strong Sun makes a person very energetic and the center of attention.

If the planet Sun gives good results in someone’s horoscope, he or she must wear Ruby Gemstone to increase the power of the planet Sun in their horoscope.

Benefits of Wearing Ruby:

◆As we know, it is the stone of the Sun that signifies courage and power. If a person has the positive effects of the Sun in his or her life then he or she will be optimistic and royal. They will be very confident and get all the success in life.

◆ This stone has a healing effect on the heart as it works with the blood flow. It kills the germs and reduces the infection.

◆It brings wealth, wisdom and health to the people.

◆The wearer can also be safe from enemies and will be self-independent.

◆Wearing ruby gemstone helps in improving the communication and speaking skills of the wearer.

◆Those individuals who are facing professional problems must wear this stone.

◆Lung disease, backbone related issues, and diabetes and hypertension can be handled by wearing ruby stone.

****For Astrology consultation and prediction call or whatsapp 9830931590****

Address

Kolkata

Telephone

+919830931590

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Astro talk with Priyanka posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share