30/05/2026
😶 Extroverts পায় Promotion। Introverts পায় শুধু কাজের বোঝা। Kolkata-র এই সত্যিটা কেউ বলে না।
আনন্দবাজার কখনো এই Story ছাপায় না।
এই Story-র কোনো Headline হয় না।
কোনো Breaking News হয় না।
কোনো Protest হয় না।
কিন্তু এই Story প্রতিদিন ঘটে।
Kolkata-র প্রতিটি Office-এ।
প্রতিটি Cubicle-এ।
প্রতিটি চুপ করে থাকা মানুষের ভেতরে। 💔
আমি Subhro-র কথা বলছি।
Jadavpur থেকে Engineering পাস করেছে।
First Class। Gold Medal।
মা-বাবার স্বপ্নের ছেলে।
Salt Lake Sector V-এর একটা IT Company-তে Job পেয়েছিল।
প্রথমদিন Pressed Shirt পরে গিয়েছিল।
টিফিনে মা লুচি-আলুর দম দিয়েছিল।
সে ভেবেছিল — এবার সব ঠিক হয়ে যাবে। 🙏
তিন বছর পরে —
সেই Subhro প্রতিদিন রাত ১১টায় বাড়ি ফেরে।
Kasba-র মেসে একা বসে ঠান্ডা ভাত খায়।
মা Phone করলে বলে — "ভালো আছি।"
Phone রেখে দেয়।
চুপ করে বসে থাকে। 😔
কী হয়েছিল এই তিন বছরে?
Rohit এসেছিল।
Delhi-র ছেলে। Loud। Charming। Confident।
প্রথম দিনেই Boss-এর সাথে Cricket নিয়ে কথা বলল।
Office Politics বুঝতে তার এক সপ্তাহ লাগল।
আর Subhro-র ছয় মাসের Project Research —
Rohit একটা Meeting-এ নিজের বলে Present করল।
Boss হাততালি দিলেন।
"Rohit, you think like a leader."
Subhro সেদিন Lunch Break-এ Maidan-এর দিকে একা হেঁটে গিয়েছিল।
Rabindra Sarobar-এর পাশে বসে ছিল অনেকক্ষণ।
কাউকে বলেনি কেন। 💔
এটা কি শুধু Subhro-র গল্প?
না।
এটা Bongaon-এর Pritam-এর গল্প।
যে Howrah থেকে ঘণ্টাখানেক Train-এ এসে Office করে।
Window Seat-এ বসে Ideas লেখে Notebook-এ।
সেই Ideas কোনোদিন Meeting-এ বলা হয় না।
কারণ কেউ তাকে বলার সুযোগ দেয় না।
এটা Barasat-এর Sreeja-র গল্প।
যে বাড়িতে রান্না করে, বাবার ওষুধ এনে, তারপর Office আসে।
তার Report সবচেয়ে ভালো।
কিন্তু তার Extrovert Manager সেটা নিজের নামে Submit করেছে।
তিনবার। 😶
Ei Beshom Byabostha নিয়ে কেউ কথা বলে না।
Desh Magazine-এ এর কোনো Column নেই।
Ei Samay-এর কোনো Reporter এই Story করে না।
কারণ এই ব্যথার কোনো ছবি নেই।
কোনো Blood নেই।
শুধু আছে একটা মানুষের ধীরে ধীরে ভেতর থেকে ভেঙে পড়া। 💔
দেখুন কীভাবে এই System কাজ করে —
🔇 Meeting-এ Introverts-দের কথা Cut করা হয় — যতক্ষণ না তারা চুপ করে যায়
🎤 তাদের Ideas Steal হয় — জোরে, Confidently, Boss-এর সামনে
🏆 Credit যায় অন্যের কাছে — আর Introvert পায় পরের কাজের Deadline
👻 তাদের Invisible করা হয় — Lunch-এ, After-office Adda-তে, Promotion List-এ
💡 তাদের Talent দেখা যায় না — কারণ তারা Perform করে না, তারা কাজ করে
📢 System Reward করে Volume — Depth-কে না
আর Kolkata-র Manager?
তিনি সব দেখেন।
এবং যে সবচেয়ে জোরে হাসে তাকে Promote করেন। 🎯
রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন —
"নীরব থাকাই সবচেয়ে বড় কথা বলা।"
কিন্তু Corporate Kolkata সেটা বিশ্বাস করে না।
এখানে বিশ্বাস —
Confidence মানেই Competence।
চিৎকার মানেই Vision।
Charm মানেই Leadership।
আর Introverts —
গভীর, মেধাবী, রাত জেগে কাজ করা মানুষগুলো —
এই মিথ্যার নিচে জীবন্ত কবর পাচ্ছে। 😔
আজ রাতে Subhro আবার ঠান্ডা ভাত খাবে।
Sreeja আবার বলবে "ভালো আছি" — মিথ্যে বলবে।
Pritam আবার Notebook-এ Ideas লিখবে যেগুলো কোনোদিন বলা হবে না।
এই Kolkata-র এই মানুষগুলোর জন্য কেউ লেখে না।
আজ আমি লিখলাম। ✍️
তোমাকে বলছি —
তোমার Silence যা তৈরি করেছে
তার জন্য অন্যরা Award পাচ্ছে।
তোমার রাত জাগা তাদের Presentation-এ।
তোমার Ideas তাদের Promotion-এ।
তোমার মায়ের টিফিনের মতো তোমার Care —
সবাই খেয়েছে। কেউ ধন্যবাদ দেয়নি। 💔
👇 Kolkata-র Introverts — একটা 🤍 দাও। Comment-এ Subhro, Sreeja, Pritam-দের কথা লেখো। এই গল্প Share করো — কারণ এই গল্পটা তোমার।
#কলকাতা