Swapno AMAR

Swapno AMAR Informazioni di contatto, mappa e indicazioni stradali, modulo di contatto, orari di apertura, servizi, valutazioni, foto, video e annunci di Swapno AMAR, Via Casilina, 1759, Rome.

20/11/2024
26/10/2022

#একটু_মনোযোগ_দিয়ে_পড়বেন।

⭐️পা পিছলে পড়ে যাওয়া লজ্জারকথা নয়।
---বরং যথা সময়ে উঠে না দাঁড়ানোই লজ্জার ব্যাপার।
⭐️তর্কে জেতা বুদ্ধিমানের কাজ নয়
---বরং বুদ্ধিমানের কাজ হল তর্কে না জড়ানো।
⭐️তুমি যতটা মূল্যবান ততটা সমালোচনার পাত্র হবে।
⭐️বুদ্ধির সীমা আছে কিন্তু বোকামীর কোন সীমা নেই।
⭐️জ্ঞানী মূর্খকে চিনতে পারে কেননা সে জ্ঞানী।
পক্ষান্তরে মূর্খ জ্ঞানীকে চিনতে পারে না, কেননা সেমূর্খ।
⭐️বন্ধুত্ব একটি ছাতার ন্যায়। বৃষ্টি যতই
প্রবল হয় ছাতার ততই প্রয়োজন হয়।
💥ভুল করা দোষের কথা নয়
👉🏼বরং ভূলের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা দোষণীয়।

25/08/2022

১. আপনার সমস্ত শরীর ভীত যখন আপনি সকালে উঠে চিনি যুক্ত চা কফি পান করছেন।

২. আপনার কিডনি আতঙ্কিত যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

৩. আপনার গলব্লাডার ভীত যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।

৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।

৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত যখন আপনি ভাজাপোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।

৬. ফুসফুস তখন ভীত যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।

৭. লিভার ভীত যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।

৮. হৃদপিন্ড ভীত যখন আপনি বেশি লবন এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।

৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।

১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।

এবং

১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।

আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন এবং তাদের আতঙ্কিত করবেন না।

এই সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রচন্ড ব্যয়বহুল এবং বাজারে সহজে কিনতে পাওয়া যায় না। কোনোটা পাওয়া গেলেও আপনার শরীর সেটাকে সম্ভবত গ্রহণ করবে না। অতএব, নিজের অঙ্গ প্রত্যঙ্গসমূহকে সুস্থ রাখুন।

03/06/2020

ি_ফজিলতপূর্ণ_আমল যা আপনার সারাবছরের_ই
দৈনন্দিন রুটিনে থাকা উচিত :
✪আমলঃ- ১ ★
প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষে "আয়াতুল কুরসি' পাঠ
করুণঃ-
ফজিলতঃ-
"এতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে
পারবেন;
[সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৯৭২]
✪আমলঃ- ২ ★
মাত্র বারো রাকাত; প্রতিদান হল "জান্নাতের মহল"
আম্মাজান আয়েশা (রাযিঃ) হইতে বর্নিত, রাসুলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি
১২ রাকাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ নিয়মিত আদায় করবে
তার জন্য আল্লাহতায়ালা জান্নাতে মহল নির্মান
করবেন।
৪ রাকাত যোহরের পূর্বে, ২ রাকাত যোহরের পর, ২ রাকাত
মাগরিবের পর, ২ রাকাত ইশার পর, ২ রাকাত ফজরের
পূর্বে।
[সুনানে নাসায়ী, তিরমিযী]
✪আমলঃ- ৩ ★
প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুণঃ-
"উচ্চারনঃ-আশহাদু আল্লাহ ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু
লা শারীকা লাহু ওয়াশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু
ওয়ারাসুলূহু'
ফজিলতঃ-
"যে ব্যাক্তি ওযু করার পড় কালিমায়ে শাহাদাত পাঠ
করবে ঐ ব্যাক্তির জন্য জান্নাতের ৮টি দরজা খুলে
দেওয়া হয় এবং যে কোন দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ
করতে পারবে:
[সহিহ মুসলিম, হাদিস নং-২৩৪]
✪আমলঃ- ৪ ★
প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষেঃ-
৩৩ বার সুবহানাল্লাহ,
৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্,
৩৩ বার আল্লাহু আকবার
এবং ১বার এই দোয়াটি পড়া লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু
ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু
ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর পাঠ করে সর্ব মোট
১০০বার পূর্ণ করবে তার সমস্ত গুনাহ মাফ হইয়া যাবে
যদিও তা সমুদ্রের ফেনার সমতুল্য হয় (মুসলিম, মিশকাত
তাহকীক ৯৬৭/৩০৫)
✪আমলঃ- ৫ ★
প্রত্যেক সকাল ও সন্ধ্যায় সাইয়িদুল ইস্তিগফার পড়া।
ক্ষমার শ্রেষ্ঠ দুয়া।
~~~~~
রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে
এই দো‘আ পাঠ করবে, দিনে পাঠ করে রাতে মারা গেলে
কিংবা রাতে পাঠ করে দিনে মারা গেলে, সে
জান্নাতী হবে’।
ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻰْ ﻵ ﺇِﻟﻪَ ﺇﻻَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻰْ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ
ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ، ﺃَﻋُﻮْﺫُﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ، ﺃﺑُﻮْﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻰَّ ﻭَﺃَﺑُﻮْﺀُ ﺑِﺬَﻧْﺒِﻰْ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْﻟِﻰْ،
ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻻَﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮْﺏَ ﺇِﻻَّ ﺃَﻧْﺖَ -
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আনতা রববী লা ইলা-হা ইল্লা
আনতা খলাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুকা ওয়া আনা ‘আলা
‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাত্বা‘তু, আ‘ঊযুবিকা
মিন শাররি মা সানা‘তু। আবুউলাকা বিনি‘মাতিকা
‘আলাইয়া ওয়া আবূউ বি যাম্বী ফাগফিরলী ফা ইন্নাহূ
লা~ ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা।
[সহীহ বুখারী ৬৩০৬]
✪আমলঃ- ৬ ★
সুরা ইখলাস পাঠ করা – ১০ বার, না পারলে ৩ বার।
ফজিলতঃ- আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, জনৈক
ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে রাতে বারবার সুরা আল-ইখলাস
পড়তে শুনেছেন। অতঃপর সকালে মহানবী (সা.)-কে এ
বিষয়টি অবহিত করা হলো। মহানবী (সা.) তখন বলেন, ওই
সত্তার শপথ, যার কুদরতের হাতে আমার জীবন, অবশ্যই এ
সুরা কোরআন মাজিদের এক-তৃতীয়াংশের সমান। (সহিহ
বুখারি : ৫০১৩, আবু দাউদ : ১৪৬১, নাসায়ি : ২/১৭১, মুআত্তা
মালেক : ১/২০৮
✪আমলঃ- ৭ ★
১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
যে ব্যাক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার করে ‘সুবহা-
নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী’ পড়বে।তার গোনাহ মাফ
হইয়া যাইবে,যদিও তা সাগরের ফেনা থেকেও বেশী হয়’।
(বুখারী ও মুসলিম)
✪আমলঃ- ৮ ★
প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ এতে কবরের শাস্তি
থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।
[সহিহ তারগিব,হাকিম ৩৮৩৯]
✪আমলঃ- ৯ ★
সুরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পড়া – রাতে ঘুমানোর
আগে ১ বার (বিঃ দ্রঃ অনেকে মুখস্ত করেন নি। দ্রুত করে
নিবেন। লিখে দিচ্ছি, বাংলা উচ্চারণে। আরবী ফন্ট
অনেকের কাজ করেনা।
"আ-মানার-রাসুলু বিমা- উনজিলা ইলাইহি মির রাব্বিহি
ওয়াল মু’মিনুন। কুল্লুন আমানা বিল্লাহি ওয়া মালা-
ইকাতিহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি, লা নুফার-রিকু
বাইনা আহা’দিম-মির রুসুলিহ। ওয়া 'ক্বলু সামি’না, ওয়া
আতা’ না, গুফরা নাকা, রব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসির।
লা~ ইউ কাল্লিফুল্লাহু নাফসান ইল্লা উস-আ’হা। লাহা
মা কাসাবাত ওয়া আ’লাইহা মাক তাসাবাত। রব্বানা
লা~ তু আখিজনা- ইন্ নাসিনা- আও আখত্বা’না। রাব্বানা
ওয়ালা তাহ’মিল আ’লাইনা ইসরান কামা হা’মালতাহু
আ’লাল্লাজিনা মিন ক্ববলিনা। রব্বানা ওয়ালা
তুহা’ম্মিল না মা-লা~ ত্ব কতালানা বিহ। ওয়া আ’ফু
আ’ন্না, ওয়াগ ফিরলানা, ওয়ার হা’মনা। আনতা
মাওলানা, ফানসুরনা আ’লাল ক্বওমিল কা-ফিরিন"
(এটার ফযিলত তাহাজ্জুদ নামায পড়ার সমতুল্য!!! আর কি
চাই বলুন! এত মর্যাদাপূর্ণ ইবাদাত, না করতে পারলেও
করার সমান সওয়াব হয়ে যাবে এটা পড়লেই!! সুবহান
আল্লাহ্। কতই না বরকতময় এই দুই আয়াত! )
✪আমলঃ- ১০ ★
রাতের_বেলা_একশো_আয়াত_তেলাওয়াত
ফজিলত
তামীম দারী রা.থেকে বর্ণিত , নবী(সা:)বলেছেন,
যে ব্যক্তি একরাতে ১০০টি আয়াত তেলাওয়াত
করবে,সেই ব্যক্তিরর আমলনামায় ঐ রাতের ইবাদত
বন্দেগী ও নফল সলাত এর সোয়াব লিপিবদ্ধ করা হবে।
সূত্র আহমদ:১৬৯৫৮,নাসাঈ কুরবা:১০৫৫৩, ত্বাবারানী:১২৩৮
,সিলসিলাহ সহীহ :৬৪৪
OPTION 1
সুরা ইখলাস (ক্বুলহু আল্লাহ) ২৫ বার পরলে ১০০ আয়াত
পড়া হয়,,
এই ফজিলত পূর্ণ আমল টি করবেনতো??
OPTION 2
১.সূরা মুলক--------------------৩০ আয়াত।
২.সূরা কাহাফ-------------------প্রথম১০আয়াত।
৩.সূরা ফাতিহা-------------------৭আয়াত।
৪.সূরা কাফিরুন-----------------৬আয়াত।
৫.সূরা ইখলাস(৩বার)--------------১২আয়াত।
৬.সূরা ফালাক(৩বার) --------------১৫ আয়াত।
৭.সূরা নাস(৩বার)--------------------১৮আয়াত।
৮.বাকারার শেষ (২আয়াত)--------২ আয়াত।
--------------------------------------------------------------------------
সর্বমোট =১০০আয়াত
✪বি:দ্র: যেকোনো সূরার যেকোনো আয়াত হলেই হবে।
উপরের আয়াত গুলো দেওয়ার কারণ হলো ঐগুলোর
আলাদা কিছু ফজিলতও আছে তাই একসাথে দুই ফজিলত ই
পাওয়া যাবে সেজন্য পিক এর চার্ট টা ফল করা

20/09/2019

নারি ও পুরুষ উভয়ের সলাত আদায়ের সহিহ পদ্ধতি-
____________________________________________
১- বড় পবিত্রতা বা ফরয গোসলের পূর্বে অযু করতে হবে তারপর আর ওজু না ভাঙলে ফরয গোসলের পরে নতুন করে অযু করার দরকার নেই ।(বুখারী হাদীস নং ২৪৮- পৃষ্ঠা ১৩৪)

২- ছোট পবিত্রতা বা অযুর সময় ঘাড় মাসাহ করা যাবে না, মাথা মাসাহ করতে হবে ১বার এবং তার পদ্ধতি হচ্ছে ২হাতকে মাথার সামনে থেকে পিছনে নিয়ে যেতে হবে এবং পিছন থেকে সামনে আনতে হবে তারপর ২তর্জনী আঙ্গুল ২কানের ছিদ্রের মধ্যে দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে এবং তারপর কানের ছিদ্রের উপরের ভাজ তর্জনী আঙ্গুল দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে এবং শেষে ২বৃদ্ধাঙ্গুল দারা ২কানের পিছনে মূছে দিতে হবে। অন্যান্য অঙ্গগুলো ৩বার করে ধুতে হবে এবং হাত ও পায়ের আঙ্গুলগুলোর মধ্যে আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে ভালকরে খিলাল করে পরিষ্কার করতে হবে। মুখে পানি নিয়ে গড়গড়া করতে হবে এবং নাকে পানি নেওয়ার সময় পানি নাকের মধ্যে টেনে নিতে হবে তারপর নাক ঝেরে ফেলতে হবে।(বুখারী হাদীস নং ১৬৪-১৬৫-পৃষ্ঠা ৯৭-৯৮)

৩- স্বলাতে দাড়িয়ে অন্তরে নিয়ত করতে হবে কিন্তু মুখে পড়তে হবে না(কোন ব্যক্তি স্বলাত আদায় করবে বলেই সে স্বলাতে দাড়িয়েছে, এটাই তার নিয়ত। সে যদি স্বলাতের নিয়ত না করতো তবে সে অযুও করতো না এবং স্বলাতেও দাঁড়াতো না আর সবচেয়ে বড় কথা মুখে নিয়ত করার কোন প্রমাণ নেই সুতরাং একাজ বিদয়াত)।(বুখারী ৭৯৩, ৮০৩ -পৃষ্ঠা ৩৮৫, ৩৯০)
ফজর বা যোহর বা আসরের ফরজ সলাত বা সুন্নাত সলাত আদায় করছি মনে মনে এই সংকল্প করে আল্লাহু আকবার দিয়ে সলাত আরম্ভ করবে।

৪- তাকবীরে তাহরীমা অর্থাৎ আল্ল-হু আকবার বলে কাধ বরাবর বা কাঁন বরাবর হাত উঠিয়ে(তবে কাঁন বা কাঁনের লতি স্পর্শ করতে হবে না) বুকে হাত বাধতে হবে।(নাসাঈ ১১০২- পৃষ্ঠা ৩৫৩, বুখারী ৭৩৮, ৭৪০ - পৃষ্ঠা ৩৫৪, ৩৫৭। আবু দাউদ ৭৫৯ - পৃষ্ঠা ৫১০)

৫- স্বলাতের কাতারে একে অন্যের পায়ের সাথে পা এবং কাধের সাথে কাধ মিলীয়ে দাড়াতে হবে অর্থাৎ একে অন্যের মাঝে কোন ফাকা রাখা যাবে না।(বুখারী হাদীস নং ৭২৫ - পৃষ্ঠা ৩৪৯)

৬- স্বলাতে দাড়িয়ে কোন কাজ ইমামের আগে বা ইমামের সাথে সাথে করা যাবে না বরং ইমাম করার পর করতে হবে।(বুখারী হাদীস নং ৬৮৯, ৬৯১ - পৃষ্ঠা ৩৩৩-৩৩৪)

৭- একাকী বা ইমামের পিছনে, সরবে কিরাত বা নিরবে কিরাত সর্বোবস্থায় সবাইকে সূরা ফাতিহা পড়তে হবে।(মুসলিম হাদিস নং ৭৬৪, বুখারী হাদীস নং ৭৫৬ - পৃষ্ঠা ৩৬৭, তিরমিযী ৩১১ – পৃষ্ঠা ২৭৪)

৮- সরবে কিরাতের স্বলাতে সূরা ফাতিহা শেষে ইমামের সাথে জোরে আমীন বলতে হবে এবং নিরবে কিরাতের স্বলাতে সূরা ফাতিহা শেষে নিরবে আমীন বলতে হবে।(বুখারী ৭৮০ - পৃষ্ঠা ৩৭৮)

৯- রুকু করার আগে রফউল ইয়াদাইন করতে হবে(২হাতকে প্রথম তাকবীরে তাহরীমায় উঠানোর মতো কাধ বরাবর বা কাঁন বরাবর ঊঠাতে হবে)।(বুখারী হাদীস ৭৩৫-পৃষ্ঠা ৩৫৩, মুসলিম ৭৪৭ পৃষ্ঠা-৩৭৫)

১০- রুকু করার সময় পিঠ একেবারে সোজা করতে হবে।(বুখারী হাদীস নং ৭৯১, ৭৯৩ - পৃষ্ঠা ৩৮৪-৩৮৫)

১১- রুকু থেকে উঠে রফউল ইয়াদাইন করতে হবে এবং ধীর-স্থিরতার সাথে অবশ্যই সোজা হয়ে দাড়াতে হবে নইলে স্বলাত হবে না।(বুখারী হাদীস নং ৭৩৫,। ৮০০ - পৃষ্ঠা ৩৫৩,। ৩৮৮)

১২- সেজদায় যাওয়ার সময় আগে ২ হাত মাটিতে রাখতে হবে, অবশ্য হাঁটু আগে রাখলেও চলে।(আবু দাউদ ৮৪০ - পৃষ্ঠা ৫৭৯)

১৩- সেজদার সময় ২পা মিলে যাবে, ২হাত মাটীতে কাধ বরাবর বা কাঁন বরাবর থাকবে, আঙ্গুলের মাঝে কোন ফাকা থাকবে না। ২হাতের বাহুকে কুকুরের মতো মাটীতে বিছিয়ে দেওয়া যাবে না এবং হাতকে পেট এবং পা থেকে এতোটা দূরে রাখতে হবে যাতে পেটের নিচ দিয়ে ১টা ছাগলের বাচ্চা যাওয়ার মতো জায়গা থাকে।(বুখারী ৮২২, ৮০৭ – পৃষ্ঠা ৪০০, ৩৯৪, মুসলিম ৯৯৪ – পৃষ্ঠা ৪৬৩, নাসাঈ ১১০২- পৃষ্ঠা ৩৫৩, সহীহ্ ইবনে খুযাইমা)

১৪- রুকু এবং সেজদা ধীর-স্থিরতার সাথে করতে হবে। কাঁকের মতো দ্রুত ঠোকর মারলে স্বলাত হবে না।(বুখারী হাদীস নং ৭৯১, ৭৯৩ - পৃষ্ঠা ৩৮৪-৩৮৫)

১৫- সেজদাতে কপালের সাথে নাকও অবশ্যই মাটীতে রাখতে হবে, নাক উপরে উঠে গেলে হবে না।(বুখারী হাদীস নং ৮১২ - পৃষ্ঠা ৩৯৬, আবু দাউদ ৮৯৪ – পৃষ্ঠা ৩২)

১৬- প্রথম সেজদা থেকে উঠে সোজা হয়ে বসতে হবে এবং এ সময় পঠনীয় যে দোয়া রয়েছে (রব্বিগফিরলি রব্বিগফিরলি) তা অবশ্যই বলতে হবে।(বুখারী হাদীস নং ৮০১ - পৃষ্ঠা ৩৮৮.। আবু দাউদ ৮৫০, ৮৭৪ - পৃষ্ঠা ৫)

১৭- স্বলাতের মধ্যে ১ বা ৩ রাকাতের সময় দ্বিতীয় সেজদা শেষে কিছুসময় বসতে হবে তারপর ২ হাত জমিনের উপর ভর করে উঠতে হবে।(বুখারী হাদীস নং ৮২৪ - পৃষ্ঠা ৪০১)

১৮- স্বলাত যদি ২ রাকাতের বেশী হয় তবে ২য় রাকাতের বৈঠক শেষ করে উঠে আবার রফউল ইয়াদাইন করতে হবে।(বুখারী হাদীস নং ৭৩৯ - পৃষ্ঠা ৩৫৫)

১৯- ২ রাকাতের বেশী স্বলাতের ক্ষেত্রে শেষ বৈঠকে তাওয়াররুক করতে হবে অর্থাৎ ডান পা খাড়া রেখে বাম পাকে ডান পায়ের ভীতরে ঢুকিয়ে নিতম্বের উপর বসতে হবে।(বুখারী হাদীস ৮২৮ – পৃষ্ঠা ৪০৩)

২০- তাশাহুদের বৈঠকে সবসময় তর্জনী আঙ্গুল নাড়াতে হবে এবং চোখ তর্জনী আঙ্গুলের দিকে থাকবে।(মিশকাত ৯১৩ - পৃষ্ঠা ৫৩৯, নাসাঈ ১১৬০, ১১৫৯ - পৃষ্ঠা ৩৭০, মুসলিম ১১৯৬-১১৯৮ – পৃষ্ঠা ৫৫, তিরমিযী ২৯৪, ৩৫৫৭ – পৃষ্ঠা ২৫৭, ৪১৪)

২১- পুরো স্বলাতের সময় চোখ সেজদার জায়গায় রাখতে হবে শুধু তাশাহুদের বৈঠকে চোখ তর্জনী আঙ্গুলের দিকে রাখতে হবে। (বাইহাকী, হাকেম)

২২- সালাম দিয়ে স্বলাত শেষ হয়ে যাবে।(বুখারী হাদীস নং ৮৩৭ - পৃষ্ঠা ৪০৮, মুসলিম ৯৯৭ – পৃষ্ঠা ৪৬৪)

২৩- সলাতের পদ্ধতিতে নারি এবং পুরুষের কোন পার্থক্য নেই, সলাত আদায়ের পদ্ধতি উভয়ের জন্য একই রকম। (বুখারি হাদিস ৬৩১)

(তাওহিদ পাব্লিকেসনের থেকে হাদিসের নাম্বার মিলিয়ে দেখতে পারেন)

22/08/2019

★🔷 ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ, যা অাপনার জীবনকে বদলে দেবে!
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
১। তিন সময়ে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুনঃ
ক) ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত,
খ) আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত এবং
গ) মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত।
২। দুর্গন্ধময় লোকের সাথে বসবেন না। যেমন, যাদের মুখ থেকে সিগারেট কিংবা কাঁচা পেয়াজের গন্ধ আসে এমন লোকের সাথে।
৩। এমন লোকের কাছে ঘুমাবেন না; যারা ঘুমানোর পূর্বে মন্দ কথা বলে ।
৪। বাম হাতে খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত থাকুন।
৫। দাঁতে আটকে থাকা খাবার বের করে খাওয়া পরিহার করুন।
৬। হাতে-পায়ের আঙ্গুল ফোটানো পরিহার করুন।
৭। জুতা পরিধানের পূর্বে দেখে নিন।
৮। নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে তাকাবেন না।
৯। টয়লেটে থুথু ফেলবেন না।
১০। কয়লা দিয়ে দাঁত মাজবেন না।
১১। প্যান্ট বা ট্রাউজার বা পায়জামা বসে ডান পা আগে পরিধান করুন।
১২। ফুঁক দিয়ে খাবার ঠাণ্ডা করবেন না। প্রয়োজনে বাতাস করতে পারেন।
১৩। দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভাঙতে যাবেন না।
১৫। ইকামাহ এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে কথা বলবেন না।
১৬। টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না।
১৭। বন্ধুদের সম্পর্কে গল্প করবেন না। ভালো কিছুও নয়। ভালো বলতে বলতে মুখ দিয়ে শয়তান খারাপ কিছু বের করে দেবে।
১৮। বন্ধুদের জন্য প্রতিকূলতা সৃষ্টি করবেন না।
১৯। চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে তাকাবেন না ।
২০। হাঁটার সময় দম্ভভরে মাটিতে পা ঠুকবেন না ।
২১। বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না।
২২। কখনো মিথ্যা বলবেন না। ঠাট্টা করেও নয়।
২৩। নাকের কাছে নিয়ে খাবারের গন্ধ শুঁকবেন না ।
২৪। স্পষ্ট করে কথা বলুন; যাতে লোকজন সহজে বুঝতে পারে।
২৫। একা ভ্রমণ করবেন না। দুইয়ের অধিক বা সম্ভব হলে দলবেঁধে ভ্রমণ করুন।
২৬। একা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিবেন না, বুদ্ধিসম্পন্ন কারো সাথে পরামর্শ করুন। তবে সিদ্ধান্ত হবে আপনার।
২৭। নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না।
২৮। খাবার নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না। যা পেয়েছেন তাতেই আল্লাহ্ পাকের শুকরিয়া আদায় করুন।
২৯। অহংকার করবেন না। অহংকার একমাত্র আল্লাহ্ পাকের সাজে।
৩০। ভিক্ষুকদের পরিহাস করবেন না।
৩১। মেহমানদের মন থেকে যথাসাধ্য ভালোমতো আপ্যায়ন করুন।
৩২। ভালো কিছুতে সহযোগিতা করুন।
৩৩। দারিদ্র্যের সময়ও ধৈর্যধারণ করুন।
৩৪। নিজের ভুল নিয়ে ভাবুন এবং অনুশোচনা করুন।
৩৫। যারা আপনার প্রতি খারাপ কিছু করে, তাদের সাথেও ভালো আচরণ করুন।
৩৬। যা কিছু আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। 'আলহামদুলিল্লাহ্‌' – আল্লাহ্ যা দিয়েছেন তার জন্য শুকরিয়া আদায় করুন।
৩৭। বেশি ঘুমাবেন না, এতে স্মৃতিশক্তি লোপ পাবে।
৩৮। নিজের ভুলের জন্য দিনে অন্তত ১০০ বার আল্লাহ্ পাকের কাছে অনুতপ্ত হোন।
আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন।
৩৯। অন্ধকারে কিছু খাবেন না।
৪০। মুখ ভর্তি করে খাবেন না। বাচ্চাদেরকেও মুখ ভর্তি করে খেতে দিবেন না।

✅ আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে এগুলো মেনে চলার তৌফিক দিন। আমীন।।।★

★আলহামদুলিল্লাহএ বছর আরাফার দিন হচ্ছে ১০-ই আগস্ট, রোজ শনিবার।আরাফার দিনে সমস্ত দুয়ার মাঝে শ্রেষ্ঠ দুয়া হচ্ছেঃ নবী সাল্লা...
08/08/2019

★আলহামদুলিল্লাহ
এ বছর আরাফার দিন হচ্ছে ১০-ই আগস্ট, রোজ শনিবার।

আরাফার দিনে সমস্ত দুয়ার মাঝে শ্রেষ্ঠ দুয়া হচ্ছেঃ
নবী সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “শ্রেষ্ঠ দুয়া হচ্ছে আরাফাত দিবসের দুয়া। আর আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নবীগণ যেই (দুয়া) বলেছি তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হচ্ছে,
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
অর্থঃ একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
উচ্চারণঃ লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ'দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মূলকু ওয়া লাহুল হা'মদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইং ক্বদীর। [তিরমিযীঃ ৩৫৮৫; হাদীসটি হাসান, সিলসিলা সহীহাঃ ৪/৬]
সুতরাং, আরাফার দিনে উকুফে আরাফার সময়ে আপনারা হাত তুলে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দুয়া করবেন আর তার মাঝে এই দুয়াটা বেশি বেশি বলার চেষ্টা করবেন।
🕋🕋🕋🕋🕋🕋🕋

#১০ আগস্ট রোজ শনিবার ইয়াওমে আরাফা, সবাই ছিয়াম রাখুন।
===========================
কারণ আরাফার দিন ছিয়াম পালন করলে একবছর পূর্বের এবং এক বছর পরের (ছগীরা) গুনাহ সমূহ মাফ করা হবে (মুসলিম, মিশকাত হা/২০৪৪)।

রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আরাফার দিন ব্যতীত অন্য কোন দিন আল্লাহ এত অধিক পরিমাণ লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেন না। ঐদিন তিনি নিকটবর্তী হন। অতঃপর আরাফাহ ময়দানের হাজীদের নিয়ে ফেরেশতাদের নিকট গর্ব করে বলেন, দেখ ঐ লোকেরা কি চায়’? (মুসলিম হা/১৩৪৮; মিশকাত হা/২৫৯৪; ছহীহাহ হা/২৫৫১)।★

08/08/2019

★⚛️ প্রতিদিন এই ৩০টি বিষয় আমাদের মাথায় রাখা উচিতঃ
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
1. বাড়িতে কোনো প্রাণীর ছবি বা নিজেদের ছবি টাঙিয়ে রাখবেন না। পোশাকের ব্যাপারেও সতর্ক থাকবেন।

2. কাবা শরিফ বা মসজিদে নববীর ছবিওয়ালা জায়নামায ব্যবহার করবেন না (পায়ের নিচে পড়ার কারণে)।

3. ইমামকে অনুসরণ করবেন। ইমামের আগে রুকু বা সিজদাহ্ দিবেন না।

4. রাস্তায় চলার সময় জিকির করতে থাকবেন।

5. মানুষকে সালাম দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। পরিচিত কারো সাথে দেখা হলেই মুসাফা (হ্যান্ডশেক) করবেন।

6. বাসা থেকে বের হওয়ার সময় আয়াতুল কুরসী পড়বেন।

7. রিক্সাওয়ালা ও গরিবদের সাথে ভালো ব্যবহার করবেন। সাহায্য করতে না পারলেও হাসিমুখে কথা বলবেন। খারাপ ব্যবহার করবেন না।

8. ছেলেরা মেয়েদের সাথে আর মেয়েরা ছেলেদের সাথে মেলামেশা করবেন না।

9. রাস্তায় মানুষের চলাচলে অসুবিধা হয় এমন কিছু দেখলে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করবেন।

10. বাম হাত দিয়ে পানি পান করবেন না এবং অবশ্যই বসে পান করবেন।

11. বিশেষ করে ছেলেদের বলছি, ভাই তোমরা ফেইসবুকে মেয়েদের সাথে কথা বলা বা প্রেম করার আশায় থেকো না। এই সময়টুকু নিজের কাজে লাগাও। অনেক উন্নতি করতে পারবে।

12. আজকের দিনটা আগের দিনের চেয়ে ভালো কাটানোর চেষ্টা করুন।

13. প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয় শেখার চেষ্টা করুন। জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে থাকুন।

15. কাউকে তুচ্ছজ্ঞান করবেন না। কারো শারীরিক গঠন নিয়ে মন্তব্য করবেন না। হতে পারে ঐ ব্যক্তিই আল্লাহর কাছে আপনার চেয়ে বেশি প্রিয়।

16. আযান শুনলে তার জবাব দেওয়ার চেষ্টা করুন।

17. টাখনুর ওপর কাপড় পড়বেন (ছেলেদের ক্ষেত্রে)।

19. অশ্লীল ভিডিও দেখা থেকে বিরত থাকুন।

21. যেকোনো কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলুন।

23. কোনো কিছুর জন্য মা-বাবার ওপর চাপ সৃষ্টি করবেন না।

25. হঠাৎ করেই রাগ করবেন না। নিজের আয়ত্তে রাখতে শিখুন। সবসময় মাথা ঠান্ডা রেখে বুদ্ধিমানের মতো কাজ করবেন।

24. কারো খারাপ অবস্থা দেখে খুশি হবেন না। কোনো পরিস্থিতিতে অন্যকে নিয়ে হাসাহাসি করবেন না।

25. কাউকে গালি দেবেন না বা মন্দ ভাষায় কথা বলবেন না।

26. সম্ভব হলে প্রতিদিন মানুষকে কিছু দান করুন।

27. গীবত, হিংসা ও অহংকার হতে বেঁচে থাকুন।

28. নিজেকে অন্যের কাছে বড় জাহির করতে যাবেন না।

29. বেশি কথা বলবেন না।অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।

30. সবাইকে ভালো চোখে দেখবেন। কারো ব্যাপারে না জেনেই মন্তব্য করবেন না।কোনো বিষয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বলে বেড়াবেন না। সবাইকে ভালোবাসার ও ভালো রাখার চেষ্টা করুন।

☑️ আল্লাহ-পাক আমাদের সকলকে এগুলো মেনে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন।।।★

Indirizzo

Via Casilina, 1759
Rome
00132

Sito Web

Notifiche

Lasciando la tua email puoi essere il primo a sapere quando Swapno AMAR pubblica notizie e promozioni. Il tuo indirizzo email non verrà utilizzato per nessun altro scopo e potrai annullare l'iscrizione in qualsiasi momento.

Contatta L'azienda

Invia un messaggio a Swapno AMAR:

Condividi