Sultana&mizan's family

Sultana&mizan's family help other

Made by me
12/04/2026

Made by me

Ireland Nice place
11/04/2026

Ireland Nice place

20/12/2025

আশেপাশের মানুষ সবাই আপন হয় না।

03/09/2025

Good morning

02/09/2025

Kemon acen sobai ?

27/05/2025

আলহামদুলিল্লাহ! সৌদি আরবে জিলহজের চাঁদ দেখা গিয়েছে। আগামীকাল ২৮শে মে— জিলহজের প্রথম দিন। ৫ই জুন, বৃহস্পতিবার— পবিত্র হজ তথা আরাফাত দিবস এবং ৬ই জুন, জুমাবার— ঈদুল আযহা।

আল্লাহ তাআলা সকল হাজিকে হজ্জে মাবরুর নসিব করুন।

15/05/2025

(২)
আল্লাহ বলেন, হে নবী! ওদের বলো, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে পাপের জন্য ক্ষমা চাও, ভুলের জন্য অনুশোচনা/তওবা করে তাঁর কাছে ফিরে আসো। তিনি ইহকালে নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তোমাদের সুখী জীবন উপভোগ করতে দিবেন। আর পরকালীন জীবনে অনুগ্রহ পাওয়ার যোগ্য প্রত্যেককে নিজ নিজ অবদান অনুসারে অনুগ্রহে ভূষিত করবেন।” সূরা:হুদ;২-৩।

তওবাকারীর জন্য ফেরেশতাদের প্রার্থনা-“আরশ বহনকারী এবং এর নিকটবর্তী ফেরেশতারা সবসময়ই তাদের প্রতিপালক আল্লাহর সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে, তারা তাঁকে বিশ্বাস করে এবং সকল বিশ্বাসীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। বলে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! তোমার রহমত ও জ্ঞান সব কিছুকে পরিব্যপ্ত করে রয়েছে। অতএব, যারা তওবা করে ও তোমার পথ অনুসরণ করে, তুমি তাদের ক্ষমা করো। জাহান্নামের আগুণ থেকে তুমি তাদের রক্ষা করো।

হে আমাদের প্রতিপালক! তোমার প্রতিশ্রুতি মোতাবেক বিশ্বাসীদের স্থায়ী জান্নাতে দাখিল করো। তাদের পিতা-মাতা,পতি-পত্নিও সন্তানদের মধ্যে যারা সৎকর্মশীল হবে তাদেরকেও তাদের সাথে জান্নাতে দাখিল করো। তুমি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি তাদের অন্যায় করা থেকে বিরত রাখো। যাদের তুমি অন্যায় থেকে রক্ষা করবে তাদেরকেই তো সেদিন তুমি অনুগ্রহ করবে। আর এটাই মহাসাফল্য।” সূরা:মুমিন;৭-৯।

আল্লাহর নবী‎ (ﷺ) বলেছেন, বনী ইসরাঈলের মাঝে এমন এক ব্যক্তি ছিলো যে, নিরানব্বইটি মানুষ হত্যা করেছিলো। অতঃপর বের হয়ে একজন পাদরীকে জিজ্ঞেস করল, আমার তওবা কবুল হবার আশা আছে কি?
পাদরী বললো, না। তখন সে পাদরীকেও হত্যা করলো।

অতঃপর পুনরায় সে জিজ্ঞাসাবাদ করতে লাগলো। তখন এক ব্যক্তি তাকে বললো, তুমি অমুক স্থানে চলে যাও। সে রওয়ানা হলো এবং পথিমধ্যে তার মৃত্যু এসে গেলো। সে তার বক্ষদেশ দ্বারা সে স্থানটির দিকে ঘুরে গেলো। মৃত্যুর পর রহমত ও আযাবের ফেরেশতামন্ডলী তার রূহকে নিয়ে বাদানুবাদে লিপ্ত হলেন।

আল্লাহ্‌ সামনের ভূমিকে আদেশ করলেন, তুমি মৃত ব্যক্তির নিকটবর্তী হয়ে যাও। এবং পশ্চাতে ফেলে স্থানকে (যেখানে হত্যাকান্ড ঘটেছিলো) আদেশ দিলেন, তুমি দূরে সরে যাও। অতঃপর ফেরেশতাদের উভয় দলকে নির্দেশ দিলেন- তোমারা এখান থেকে উভয় দিকের দূরত্ব পরিমাপ করো। পরিমাপ করা হল, দেখা গেলো যে, মৃত লোকটি সামনের দিকে এক বিঘত বেশি এগিয়ে আছে। কাজেই তাকে ক্ষমা করা হলো। বোখারী:৩৪৭০।
سبحان ! الله الحمدلله !! الله اكبر !!!

শয়তান মানুষকে যেভাবে তওবা ইসতেগফার দূরে সরিয়ে রাখে-
🍃 তোমার অনেক গুনাহ হয়ে গেছে, এখন আর ভালো হওয়ার চেষ্টা করে লাভ নেই, আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করবেন না। এভাবে শয়তান ভ্রান্ত পথিকদের আল্লাহর ক্ষমা এবং রহমত সম্পর্কে নিরাশ করে ধ্বংসের শেষ সীমানায় নিয়ে যায়। আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া অনেক বড় গুনাহ। আল্লাহর গুনাহ মাফকারী গফুর (গুনাহ মাফকারী) গাফফার (ক্রমাগত/পুনঃপুনঃ) আফুউন (পাপ মোচনকারী)। নামত অস্বীকার করার মাধ্যমে ভয়াবহ গুনাহের দিকে বান্দা ধাবিত হয় ।

🍃 তুমি আর এমন বড় কি পাপ করেছো, আল্লাহ দয়ালু এই সব এমনিতেই ক্ষমা করে দিবেন, ক্ষমা চাইতে হবে না। দুনিয়ার জীবন উপভোগ করে নাও, একবারে শেষে ক্ষমা চেয়ে নিলেই হবে। এভাবে শয়তান কুটকৌশল করে বান্দাকে ভুলের সমুদ্রে ডুবিয়ে দিতে চায় শেষে ক্ষমা চাওয়ার, তওবা করার কথা সামনে এনে।

এভাবে পাপী বান্দা ভুলে যায় সেই মহাসত্যকে -
মৃত্যু এসে যে কোন সময় হানা দিতে পারে, যে কোন সময় বেজে উঠতে পারে জীবনের শেষ ঘন্টা। তওবা করে আল্লাহর ক্ষমা নিয়ে পরিশুদ্ধ হওয়ার মহাসুযোগ অবহেলা করে গুনাহগার হিসেবে নিজেকে ভয়াবহ শাস্তির যোগ্য করে আল্লাহর কাছে ফিরে যায়। আফসোস!

জীবনের অগুণিত পাপের ভয়াবহ পরিণতি থেকে বাঁচার শেষ এবং উত্তম চেষ্টাটুকু করতে এক মুহূর্ত দেরী নয়, এই মুহূর্তেই তওবা করতে হবে, কারণ মৃত্যুর ফেরেশতা কাউকে এক মুহূর্ত সময়ও বাড়িয়ে দিবে না বা তওবা করার জন্য অপেক্ষা করবে না।

ওযু শেষ করে কালিমা শাহাদাত একবার পড়া -

أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَـهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ.

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া আর কোন মাবূদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সা. তাঁর বান্দা ও রাসূল।
রসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন “যে ব্যক্তি পূর্ণভাবে ওযু করবে এবং কালিমা শাহাদাত পাঠ করবে, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজাই খুলে দেয়া হবে। সে যেটা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে”। মুসলিম, মিশকাত;২৮৯, তিরমিযী;৫৫, নাসাঈ;১৪৮,ইবনে মাযাহ;৪৭০, আবু দাউদ;১৬৯, আহমদ;১৬৯১২)।

তারপর এই কালেমা পাঠ করা-

اَللَّهُمَّ اجْعَلْنِيْ مِنَ التَّوَّابِيْنَ وَاجْعَلْنِيْ مِنَ الْمُتَطَهِّرِيْنَ

আল্লা-হুম্মাজ আ’লনী মিনাত তাওয়্যাবীনা ওয়াজ আ’লনী মিনাল মুতা-ত্বাহহিরীন।

হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তওবাকারী ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করো। তিরমিযী ১/৭৯।

ওযু শেষ করে তৃতীয় এই কালেমাটি পড়া সুন্নত-
ফযিলত: রসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি অযু করার পর নীচের কালেমাটি পড়বে ফেরেশতারা এই কালেমাগুলি একটি কাগজে লিখে উহার উপর মোহর লাগিয়ে দেয় যা কেয়ামত পর্যন্ত আর খোলা হয় না। অর্থাৎ উহার সওয়াব আখেরাতের জন্য জমা করিয়া রাখা হয় হইবে। (মোস্তাদরাকে হাকেম)।

سُبْحانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتوبُ إِلَيْكَ

হে আল্লাহ! আপনার প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আমি আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট তওবা করছি। নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, পৃ. ১৭৩।

উল্লেখ্য, এই দোয়াকে “বৈঠক খতমের দোয়া” বলা হয়। কারণ, এই দোয়া যেকোন নামায, কুরআন তেলাওয়াত, যিকির, দ্বীনি মজলিস শেষে উঠার সময় পড়া সুন্নত।

এই দোয়াটা পড়লে সেই বৈঠকে কোন ভুল করলে বা ভুল কিছু বলে ফেললে তার কাফফারা হয়ে যাবে। সুতরাং, বৈঠক শেষে এই দোয়াটা পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উত্তম।

হাফিয ইবনুল কাইয়িম (রহ:) বলেন, ‘আমি শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ্ (রহ:কে বললাম, কিছু আলেম জিজ্ঞাসা করেছেন—বান্দার জন্য ইস্তিগফার অধিক উপকারী নাকি তাসবিহ পাঠ? জবাবে তিনি বলেন, ‘‘যদি কাপড় নির্মল ও স্বচ্ছ হয়, তাহলে সেটার জন্য আতর, সুগন্ধি বা গোলাপের পানি অধিক উপকারী; আর যদি কাপড় ময়লাযুক্ত হয়, তাহলে সেটার জন্য সাবান ও গরম পানি অধিক উপকারী। অতএব, তাসবিহ হলো নেক লোকদের জন্য সুগন্ধিস্বরূপ আর ইস্তিগফার হলো পাপীদের জন্য সাবানস্বরূপ।’’ ইবনুল কায়্যিম, আল ওয়াবিলুস সাইয়িব।

চলুন, তওবাহ করি -

رَبَّنَا تَقَبَّلۡ مِنَّا ؕ اِنَّکَ اَنۡتَ السَّمِیۡعُ الۡعَلِیۡمُ

وَتُبۡ عَلَیۡنَا ۚ اِنَّکَ اَنۡتَ التَّوَّابُ الرَّحِیۡمُ

হে পরওয়ারদেগার! আমাদের থেকে কবুল করো। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ। আমাদের ক্ষমা করো/তওবা কবুল করো। নিশ্চয় তুমি তওবা কবুলকারী। দয়ালু। আমিন।সূরাঃবাকারা;১২৭,১২৮।

ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻰُّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡُ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ

আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, তিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছে তাওবাহ্ করি। আমিন।

🌳রাতে ঘুমাবার আগে ওযু করে নিয়ে বিছানায় শুয়ে যে ব্যক্তি উপরের কালেমা পড়বে আল্লাহপাক সেই ব্যক্তিকে ক্ষমা করবেন যদি সে জিহাদের ময়দান থেকেও পালিয়ে আসে। আবু দাউদ।

Really nice
13/05/2025

Really nice

12/05/2025

দুয়া কবুলের কিছু খাস জায়গা রয়েছে।
আমি আজ ১৮ টি উল্লেখ করব ইন শা আল্লাহ

১) সেজদায় দুয়া।(নাসায়ী ১০৪৫)

২) আরাফাতের ময়দানে দুয়া।(তিরমীযি ৩৫৮৫)

৩) আযানের পর দুয়া।(তিরমীযি ২১০)

৪) আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময় দুয়া।(আহমাদ ১৪৬৮৯)মুসলিম ৬৬৮)

৫) বৃষ্টি যখন পড়ে তখন দুয়া ।(আবু দাউদ ২৫৪০)

৬) শেষ রাতের দুয়া,তাহাজ্জুদ সময় (বুখারী ১১৪৫)

৭) লাইলাতুল কদর এর দুয়া।(বুখারী ও মুসলিম)

৮) জুম্মার দিনে দুয়া,,যা আছরের পর থেকে মাগ্রিবের আগে অল্প সময়

৯) মুসাফির ব্যক্তির দুয়া (সফর অবস্থায়)।(তিরমীযি ৩৪৪৮)

১০) রোজাদার ব্যক্তির দুয়া (রোজা অবস্থায়)।(ইবনে মাজাহ ১৭৫২)

১১) জমজমের পানি পান করার পর দুয়া।(ইবনে মাজাহ ৩০৬২,আহমদ ৩/৩৫৭)

১২) ফরয স্বলাতের শেষ অংশে দুয়া।(রিয়াদুস স্বালেহিন ১৫০৮,তিরমিযি ৩৪৯৯)

১৩) বাবা তার সন্তানের জন্য দুয়া (নেক দুয়া বা বদ দুয়া)
((তিরমীযি ৩৪৪৮))

১৪) নেককার সন্তানের দুয়া তার বাবা মায়ের জন্য তাদের মৃত্যুর পর ( আবু দাউদ ২৮৮০)

১৫) বিপদগ্রস্ত অসহায় ব্যক্তির দুআ (সূরা নামাল ৬২,৫৭ ও সূরা ইসরার ৬৭ নাম্বারর আয়াত)

১৬) হজ্জের স্থানসমূহে দুয়া (যেমন: আরাফা, মুজদালিফা, মিনা...)(ইবনে মাজাহ২৮৯২)

১৭) হাজ্জীর দুয়া ও উমরাহকারীর দুয়া।(ইবনে মাজাহ২৮৯৩)

১৮) জালিমের বিরুদ্ধে মাজলুম ব্যক্তির দুয়া।(জামে আত তিরমীযি ৩৪৪৮)

আল্লাহ আমাদের বেশি করে দুয়া করার তউফিক দান করুন। আমিন।

02/05/2025

সদকায়ে জারিয়ার কথা আমরা সবাই জানি, যার সওয়াব দানকারী তার মৃত্যুর পরও পেতে থাকবে। আর গুনাহে জারিয়া হল কোন মানুষ যদি এমন গুনাহ করে যা তার মৃত্যুর পরেও চলমান থাকে, তাহলে কবরে শুয়েও তার আমলনামায় গুনাহ লেখা হতে থাকবে।
___________________________________
মহান আল্লাহর বাণীঃ
وَ نَکۡتُبُ مَا قَدَّمُوۡا وَ اٰثَارَہُمۡ
"আর আমি লিখে রাখি; যা তারা আগে পাঠিয়ে দেয় আর যা পেছনে ছেড়ে যায়।" সূরা ইয়া সীনঃ ১
"যা তারা আগে পাঠিয়ে দেয়" (مَا قَدَّمُوْا) - এর দ্বারা ঐ সকল আমল বা কৃতকর্মকে বুঝানো হয়েছে, যা মানুষ নিজের জীবনে বেচে থাকা অবস্থায় করে থাকে।
আর (آثَارَهُمْ) "যা পেছনে ছেড়ে যায়" - এর দ্বারা ঐ সকল ভাল ও মন্দ আমলের কথা বুঝানো হয়েছে, যা সে পৃথিবীতে ছেড়ে যায় এবং তার মৃত্যুর পর তার দেখানো পথে মানুষ সেই আমল করতে থাকে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যক্তি ইসলামে কোন ভালো রীতি (বা কর্ম) চালু করে, তার জন্য রয়েছে তার সওয়াব (প্রতিদান) এবং যারা ঐ রীতির অনুকরণে সেই আমল করে তাদের সমান সওয়াব। এতে তাদের কারও সওয়াব এতটুকু কমান হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলামে কোন মন্দ রীতি (বা কর্মের) সূচনা করে, তার জন্য রয়েছে তার পাপ এবং যারা ঐ রীতির অনুকরণে সেই আমল (বা কর্ম) করবে। তাদের সমপরিমাণ পাপ ও। এতে তাদের কারও পাপ এতটুকু পরিমাণ হ্রাস করা হয় না।" সহীহ মুসলিমঃ ১০১৭)
___________________________________
আল্লাহ আমাদেরকে সকল গুনাহ থেকে বাচিয়ে রাখুন। আমিন।

30/04/2025

আনাস (রাযিঃ) এর সানাদে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

তোমাদের মধ্যে কেউ যেন বিপদে পড়ার কারণে মৃত্যু আকাঙ্খা না করে। তবে মৃত্যু তার কামনা হয় তাহলে সে যেন বলে- "হে আল্লাহ! আপনি আমাকে জীবিত রাখুন যতক্ষণ পর্যন্ত আমার হায়াত আমার জন্য কল্যাণকর হয়। আর যদি আমার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর হয়, তবে আমাকে মৃত্যু দিয়ে দিন।" (সহীহ মুসলিমঃ ৬৭০৭)

31/10/2024

হ্যালোইন উৎসব-এর অন্ধকার ইতিহাস এবং তা হারাম হওয়ার দশ কারণ:

প্রতি বছর পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে ৩১ অক্টোবর খুব উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালিত হচ্ছে হ্যালোইন উৎসব। এটিকে ‘ভূত উৎসব’ও বলা হয়। কিন্তু বিশ্বায়নের এই যুগে তা মুসলিম বিশ্বেও ছড়িয়ে পড়ছে এবং ক্রমান্বয়ে তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেমনটি ছড়িয়ে পড়েছে ভ্যালেন্টাইন্স ডে, থার্টি ফাস্ট নাইট, খৃ ষ্টানদের ক্রিসমাস ডে (বড় দিন), হিন্দুদের দেওয়ালী বা হোলি উৎসব, বৌদ্ধদের সাকরাইন বা ঘুড়ি উৎসব ইত্যাদি। এগুলো ছাড়াও বিভিন্ন অপসংস্কৃতি ও হিন্দুয়ানী পূজা উৎসবে লিপ্ত হচ্ছে অজ্ঞ মুসলিম সমাজ। আল্লাহ মুসলিমদেরকে হেফাজত করুন। আমিন।

যাহোক, আমরা এখানে সংক্ষেপে আলোচনা করব, হ্যালোইন-এর ইতিহাস এবং ইসলামের দৃষ্টিতে তা পালন করার বিধান সম্পর্কে। وبالله التوفيق

❑ হ্যালোইন উৎসবের অন্ধকার ইতিহাস:

"হ্যালোইন" বা "হ্যালোউইন" শব্দের অর্থ "শোধিত সন্ধ্যা" বা "পবিত্র সন্ধ্যা"। মূলত: এই উৎসবটি এক অন্ধকারাচ্ছন্ন কুসংস্কার এবং ইসলাম বিরোধী ভ্রান্ত বিশ্বাসের সাথে সম্পৃক্ত:

গবেষকদের মতে, হ্যালোইনের রাত নিয়ে অনেক ধরনের মিথ বা পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। যেমন:

◈ ক. বলা হয়, প্রায় ২০০০ বছর আগে বর্তমান আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও উত্তর ফ্রান্সে বসবাস করতো কেল্টিক জাতি। তাদের ধারণা ছিল, অক্টোবরের শেষ দিনের রাত সবচেয়ে খারাপ। যে রাতে সব প্রেতাত্মা ও অতৃপ্ত আত্মারা মানুষের ক্ষতি করতে পারে। আর তাই কেল্টিক জাতির সদস্যরা এই রাতে বিভিন্ন ধরনের ভূতের মুখোশ ও কাপড় পড়তো।
তারা নির্ঘুম রাত কাটাতে আগুন জ্বালিয়ে মুখোশ পরে বৃত্তাকারে একসঙ্গে ঘুরতো ও মন্ত্র জপতো। আর সময়ের পরিক্রমায় কেল্টিক জাতির ‘সাহ-উইন’ উৎসবই বর্তমানে ‘হ্যালোইন’ উৎসব হিসেবে পালিত হচ্ছে।

◈ খ. কারো কারো মতে, এই রাতে দেবতা সামান সব মৃত আত্মাদের পৃথিবীতে আহ্বান জানান। উড়ন্ত ঝাড়ুতে করে হ্যালোইন ডাইনি উড়ে বেড়ায় আকাশ জুড়ে। কখনো বা তিনি কড়া নাড়েন বিভিন্ন বাড়ির দরজায়। [jagonews24]

◈ গ. উইকিপিডিয়া বাংলায় বলা হয়েছে, আইরিশ, যুক্তরাজ্য, ওয়েলস সম্প্রদায়ের লোকেরা বিশ্বাস করতো যে প্রত্যেক নতুন বছরের আগের রাতে (৩১শে অক্টোবর) সাহেইন, মৃত্যুর দেবতা, আঁধারের রাজ পুত্র, সব মৃত আত্মা ডাক দেয়। এই দিন মহাশূন্য এবং সময়ের সমস্ত আইনকানুন মনে হয় স্থগিত করা হয় এবং জীবিতদের বিশ্ব যোগদান করতে মৃত আত্মাদের অনুমোদন করে। তারা আরও বিশ্বাস করতো যে মৃত্যুর কারণে তারা অমর যুবক হয়ে একটি জমিতে বসবাস করতো এবং আনন্দে ডাকা হতো "Tir nan Oge"। মাঝে মাঝে বিশ্বাস করতো যে স্কটল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড অঞ্চলের ছোট পাহাড়ে কখনো কখনো মৃতরা পরীদের সাথে থাকে। একটি লোককাহিনী থেকে বর্ণিত আছে যে সমস্ত মৃত ব্যক্তিরা ৩১শে অক্টোবর রাত্রিতে জীবিতদের বিশ্বে আসে আগামী বছরের নতুন দেহ নেওয়ার জন্য। এজন্য গ্রামবাসীরা এই খারাপ আত্মাদের থেকে বাঁচার জন্য ব্যবস্থা নেয়।” [উইকিপিডিয়া]

◈ ঘ. Banginews-এ বলা হয়েছে, আইরিশ ও স্কটিশ লোকসাহিত্যে হ্যালোইনকে বলা হয়েছে, সুপারন্যাচারাল এনকাউন্টারস হিসেবে। ঐ সময়ের মানুষের বিশ্বাস ছিল যে, সামারের শেষ, শীতের শুরুতে হ্যালোইন সন্ধ্যায় সমস্ত মৃত আত্মীয়-স্বজনের আত্মারা নেমে আসে এই পৃথিবীর বুকে।

◈ ঙ. উক্ত সোর্সে আরও বলা হয়েছে, "অষ্টম শতাব্দীতে পোপ গ্রেগরীয় ১লা নভেম্বরকে ‘অল সেইন্টস ডে’ ঘোষণা করেন এবং আগের সন্ধ্যা মানে ৩১শে অক্টোবরকে ‘অল- হ্যালোস-ইভ’ বা হ্যালুইন নামে অভিহিত করেন।

মানুষের অন্ধ বিশ্বাস ছিল, অল-হ্যালোস-ইভ-এ প্রেতাত্মারা নেমে আসে। তারা আসে মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে। আর তাই এই প্রেতাত্মাদেরকে প্রতিহত করার জন্য জীবিত স্বজনদের সকলে একসাথে জড়ো হয়ে আগুন জ্বালিয়ে নানা ভঙ্গিতে নৃত্য করতো এবং মৃত স্বজনের রূপ ধরে আসা ভুতকে পালটা ভয় দেখাতো।” [Banginews]

এখনকার হ্যালোইন-এর রীতিনীতি কেল্টিক ভাষী দেশগুলোর লোকজ রীতিনীতি ও বিশ্বাস দ্বারা প্রভাবিত বলে ধারণা করা হয়; সেসব দেশের কয়েকটি প্যাগান বা পৌত্তলিক ধর্মাবলম্বী আর অন্যান্যগুলো কেলটিক খ্রি স্টধর্ম অবলম্বন করে থাকে। [উইকিপিডিয়া]

❑ কথিত হ্যালোইন বা ভূত উৎসব পালন করা মুসলিমদের জন্য হারাম। নিম্নে এর দশটি কারণ উল্লেখ করা হল:

✪ ১. এটি বিধর্মীদের উৎসব। আর ইসলামে অন্য ধর্মের ধর্মীয় উৎসব পালন করা বা তাতে অংশ গ্রহণ করা হারাম। কেননা তা তাদের সাদৃশ্য গ্রহণের নামান্তর। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ

“যে ব্যক্তি অন্য সম্প্রদায়ের (বিধর্মীদের) সাদৃশ্য অবলম্বন করে সে তাদেরই দলভুক্ত।” [সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং-৪০৩১, সহীহুল জামে-আলবানি, হা/২৮৩১

✪ ২. এটি অমুসলিমদের পৌত্তলিকতা ও জাহেলিয়াত পূর্ণ বিশ্বাস ও অপসংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ ছাড়া কিছু নয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

لَتَتَّبِعُنَّ سَنَنَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ شِبْرًا بِشِبْرٍ وَذِرَاعًا بِذِرَاعٍ حَتَّى لَوْ دَخَلُوا فِي جُحْرِ ضَبٍّ لاَتَّبَعْتُمُوهُمْ ‏"‏ ‏.‏ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ آلْيَهُودَ وَالنَّصَارَى قَالَ ‏"‏ فَمَنْ

"তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তীদের নীতি-পদ্ধতি পুরোপুরিভাবে অনুসরণ করবে, বিঘতে বিঘতে ও হাতে হাতে, এমনকি তারা যদি তিনি যব (গুইসাপ সদৃশ মরুভূমিতে থাকা এক প্রকার হালাল প্রাণী) গর্তে প্রবেশ করে থাকে তাহলেও তোমরা তাদের অনুসরণ করবে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, পূর্ববর্তী উম্মত বলতে তো ই হুদি ও খ্রি ষ্টানরাই উদ্দেশ্য? তিনি বললেন, তবে আর কারা?"
[সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), অধ্যায়: ৪৯/ ইলম, পরিচ্ছেদ: ৩. ইহিদি ও খৃষ্টানদের রীতি-নীতি অনুসরণ]

✪ ৩. ইসলামের ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা ছাড়া জাতীয়ভাবে অন্য কোনও উৎসব পালন করা বৈধ নয়। আনাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় আগমন করলে দেখলেন, মদিনা বাসীরা দুটি ঈদ (উৎসব) পালন করছে। তা দেখে তিনি বললেন,

إِنَّ اللهَ قَدْ أَبْدَلَكُمْ بِهِمَا خَيْرًا مِنْهُمَا يَوْمَ الأَضْحَى وَيَوْمَ الْفِطْرِ

“আল্লাহ তাআলা ওই দুই দিনের পরিবর্তে তোমাদেরকে দুটি উত্তম দিন প্রদান করেছেন: ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহার দিন।” [আবু দাউদ ১১৩৬, নাসাঈ ১৫৫-সহিহ]

✪ ৪. মানুষ আল্লাহর সুন্দরতম সৃষ্টি। কিন্তু এই কথিত উৎসবে মানুষ বীভৎস মুখোশ ও ভীতিকর পোশাক-পরিচ্ছদে সেজে আল্লাহর সৃষ্টিকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে থাকে।

✪ ৫. এটি মানুষের অসুস্থ মানসিকতা ও বিকৃত রুচির বহিঃপ্রকাশ ছাড়া কিছু নয়।

✪ ৬. এটি কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও ভ্রান্ত বিশ্বাসের নাম। (যা তার ইতিহাস থেকে স্পষ্ট)

✪ ৭. কুসংস্কারাচ্ছন্ন এই কথিত উৎসবের নামে রাত-বিরেতে জন-উপদ্রব সৃষ্টি এবং মানুষকে ভয়-ভীতি দেখানো হয়-যা ইসলামে নিষিদ্ধ। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
لا يَحِلُّ لمسلمٍ أن يُرَوِّعَ مسلمًا
“কোনও মুসলিমকে ভয় দেখানো বৈধ নয়।” [সহিহুল জামে-লিল আলবানি, হা/৭৬৫৮]

✪ ৮. অনেক গবেষকের মতে, এই উৎসব মূলত: শয়তান পূজা এবং শয়তানকে খুশি করার উদ্দেশ্যে করা হয়। আর আদতেই এ ধরণের কার্যক্রমে শয়তান খুশি হয়।

✪ ৯. এ জাতীয় উৎসবে অংশ গ্রহণ করা ঈমানি দুর্বলতা, ইসলামের মূল প্রাণশক্তি তাওহিদ বা একত্ববাদের বিশ্বাসে ফাটল এবং দীন এবং ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতির ব্যাপারে অজ্ঞতার প্রমাণ।

✪ ১০. মৃত্যুর পর আত্মা পূনরায় ফিরে আসার বিশ্বাস ইসলাম পরিপন্থী। কথিত আধুনিক সভ্যতার দাবীদার, ‘বিজ্ঞান মনস্ক’ ও ‘মুক্তমনা’রা কীভাবে এসব কুসংস্কার ও ভুত-প্রেত বিশ্বাস করে তা সত্যি অবাক করার মত।

সুতরাং কোন ইমানদারের জন্য হ্যালোইন নামক পৌত্তলিক ও শয়তানি উৎসবে অংশ গ্রহণ কিংবা এ উপলক্ষে কোনও ধরণের আয়োজন-অনুষ্ঠান করা জায়েজ নাই।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম জাতিকে তাদের নিজস্ব সভ্যতা-সাংস্কৃতি এবং শেকড়ের সাথে সম্পৃক্ত থাকার তাওফিক দান করুন এবং তাদেরকে সবধরণের কুসংস্কার, বিজাতীয় অন্ধ অনুকরণ ও শয়তানের পথ অনুসরণ থেকে রক্ষা করুন। আমিন।
▬▬▬ ◈❥◈▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স, মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদি আরব

Indirizzo

Busto Arsizio
Varese

Sito Web

Notifiche

Lasciando la tua email puoi essere il primo a sapere quando Sultana&mizan's family pubblica notizie e promozioni. Il tuo indirizzo email non verrà utilizzato per nessun altro scopo e potrai annullare l'iscrizione in qualsiasi momento.

Condividi