12/03/2026
একটা ভিসা একটা স্টুডেন্ট এর জন্য “সোনার হরিণ”। আর সেই ভিসা পেয়েও বাতিল হবার মতো ইতিহাস কিংবা দুর্ভাগ্য শুধু বাঙালি জাতি হিসেবে আমাদেরই কপালে লিখা ছিল।
এই সব আমাদেরই কুকর্ম আর পাপ এর ফসল। অন্য কেউ দায়ী নয়। অসাধু কিছু এজেন্সি আর কিছু স্টুডেন্ট নামধারী কামলা।
ঘটনা - ন্যাদারল্যান্ড এমবাসী
কারণ- বেনামী কিছু ইউনিভার্সিটি ব্লক একাউন্ট ছাড়াই স্টুডেন্ট এনরোল করেছে আর এম্বাসির নজরে আসায় ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রেখে সবার approve হওয়া ভিসা বাতিল করা হয় আর যাদের ভিসা হয় নাই খালি পাসপোর্ট ফেরত দেয়া হয়।
প্রতি বছর যে পরিমাণ স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে ইউরোপ এ পড়তে আসে তার ৯০ শতাংশ স্টুডেন্ট ভিসার অপব্যবহার করে। স্টুডেন্ট ভিসার নামে তারা শুধু এটাকে ইউরোপে ঢোকার পথ হিসেবে দেখে এর পর যে যেখানেই আসে না কেন সরাসরি ইতালি বা ফ্রান্স কিংবা পর্তুগাল গিয়ে “অবৈধ ভাবে ক্ষেতে খামারে কামলা” দেয় কিংবা “এসাইলাম” দিয়ে বসে থাকে।
অথচ তারা জানে না প্রতি বছর ইমিগ্রেশন থেকে ইউনিভার্সিটির উপর সার্ভে হয় এবং কোন কোন দেশ থেকে কতজন পড়াশুনা করছে, কতজন ভেগে গেছে সব হিসাব করে! পরের সেশনের স্টুডেন্ট এর উপর অঘোষিত ব্যান লাগিয়ে দেয়। যার ফল এদেরকেই ভোগ করতে হয়।
যারা এসব ইনটেনশন নিয়ে স্টাডি ভিসা এপলাই করবেন দয়া করে নিজের দেশ এবং দেশের মানুষের এত বড় ক্ষতি করবেন না। স্টাডি ভিসার বাহিরেও “কামলা” ভিসাও দেয় সেসব দেশ। তাই ক্ষেতে খামারে কাজ করার জন্য “স্টুডেন্ট ভিসা” না “ওয়ার্ক” ভিসা এপলাই করবেন।