DESH Bangla CARGO Services

DESH Bangla CARGO Services BANGLADESH BASIS CARGO

মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক কার্গো ব্যবসা বন্ধের আশঙ্কামধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক কার্গো ব্যবসা বন্ধের আশঙ্কাচট্টগ্রাম, ০৯ মার্চ- মধ্যপ...
08/03/2016

মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক কার্গো ব্যবসা বন্ধের আশঙ্কা



মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক কার্গো ব্যবসা বন্ধের আশঙ্কা
চট্টগ্রাম, ০৯ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক কার্গো ব্যবসা বন্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। খালাস জটিলতার কারণে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে ব্যাগেজ রুলের আওতায় আনা প্রায় ৬০০ টন পণ্য আটকে থাকার কারণে এ আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এসব পণ্য চারমাস ধরে পড়ে থাকায় একদিকে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।অন্যদিকে প্রায় ৬ কোটি টাকা ডেমারেজ আসার কারণে বিপাকে পড়েছেন প্রবাসী ও পণ্য পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। পণ্যের দামের চেয়ে ডেমারেজ ও শুল্ককর বেশি হওয়ায় এসব পণ্য প্রবাসীরা নিতে পা্রবেন কিনা সে বিষয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক কার্গো ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, কার্গো ব্যবসা বন্ধ থাকার কারণে বেকার হয়েছে প্রায় ৩ হাজার প্রবাসী শ্রমিক। বিমান ভাড়া দিয়ে পণ্য এনে বিপুল পরিমান ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, বিমানবন্দরে শেডের ডেমারেজ মওকুফ না করলে পণ্যগুলো ছাড় করানো সম্ভব হবে না। তাই মানবিক বিষয় বিবেচনা করে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয় সচল রাখতে ডেমারেজ মওকুফের দাবি জানান প্রবাসীরা।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আইনি জটিলতার কারণে গত বছরের নভেম্বর থেকে ব্যাগেজ রুলের আওতায় আনা প্রায় ৬০০ টন পণ্যের খালাস প্রক্রিয়া বন্ধের পর থেকে কার্গো ব্যবসা বন্ধ রয়েছে। এতে ব্যবসায়ী ও প্রবাসী শ্রমিকরা বিপাকে পড়েছেন। অন্যদিকে কমেছে সরকারি রাজস্ব আয়।

চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে ব্যাগেজ রুলের আওতায় আনা পণ্য থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৪২ কোটি ২৯ লাখ ১৬ হাজার টাকা, ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আদায় হয় ৩৭ কোটি ৯৫ লাখ ৯২ হাজার টাকা। বিগত সময়ে প্রতি মাসে গড় রাজস্ব আদায়ের হার ৩ কোটি ৬৪ লাখ ৭৭ হাজার হলেও গত বছরের ডিসেম্বর মাসে কেবল ৬ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।

জানা গেছে, অনেক দেনদরবারের পর নিয়ম মেনে পণ্যগুলো খালাস দিতে চট্টগ্রাম কাস্টমসকে আদেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এরপর থেকে পণ্য খালাস নিচ্ছেন প্রবাসীরা। তবে অতিরিক্ত ডেমারেজ গুনার কারণে অনেকেই পণ্য খালাস নিতে পারছেন না। কারণ পণ্যের মূল্যের চারগুণের বেশি টাকা দিতে হচ্ছে। যা সব প্রবাসীর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। ডেমারেজ মওকুফ চেয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেমনের কাছে আবেদন জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে কার্গো ব্যবসায়ীদের সংগঠন ইউএই কার্গো অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ।


নীতিমালা করা হোক:
সংগঠনের সভাপতি আনোয়ারুল আশরাফ চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই ব্যাগেজ রুলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে ফরওয়াডিং লাইসেন্স নিয়ে কার্গো ব্যবসা চলছে। কিন্তু গত নভেম্বর থেকে হঠাৎ করেই কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এসব পণ্য খালাস প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়।

সুনির্দিষ্ট বাণিজ্যিক ব্যাগেজ নীতিমালা না থাকার কারণে পণ্য খালাস বন্ধ করে দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, নীতিমালা না থাকলে তা প্রণয়ন করা হোক। কিন্তু এটি না হওয়া পর্যন্ত আগের নিয়মেই খালাস দেওয়া দরকার। নীতিমালা তৈরি হলে তা মেনেই আমরা পণ্য আনবো।

রেমিটেন্স প্রদানকারী ও তাদের পরিবারের স্বার্থে সরকারের রাজস্ব আহরণের দিক বিবেচনা করে ব্যাগেজ আমদানির সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়ে শারজা-আজমান কার্গো ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ মুসলেহ উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, আমরা নীতিমালা অনুসরণ করেই পণ্য নিয়ে আসবো।

ডেমারেজ মওকুফের দাবি:
মানবিক দিক বিবেচনা ও রেমিটেন্স প্রদানের ধারা অব্যাহত রাখতে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পড়ে থাকা পণ্যের ডেমারেজ মওকুফের জন্য সংশ্লিষ্ট্ কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি কামনা করেছেন শারজা-আজমান কার্গো ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি আযম তালুকদার।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ১৫ লাখ বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। অধিকাংশই নিম্ন আয়ের। ফলে নিয়মিত দেশে আসতে পারে না। তাই পরিবারের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজনীয় কিছু দ্রব্য পাঠিয়ে থাকেন। কিন্তু গত চারমাস ধরে এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রবাসীদের পরিবার।

চারমাস বিমানবন্দরে আটকে থাকার কারণে বিপুল পরিমাণ ডেমারেজ দিয়ে পণ্য খালাস সম্ভব হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি তা মওকুফের দাবি জানান।

অভিবাসীদের মালামাল বিবেচনায় নিয়ে অর্থদণ্ড ও জরিমানা মওকুফের দাবি জানিয়ে শারজা-আজমান কার্গো ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ মুসলেহ উদ্দিন বলেন, আমরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।

আইন মেনে খালাস দেওয়া হচ্ছে:
ব্যাগেজ রুলের আওতায় আনা কার্গো পণ্য বিমানবন্দরে আটকে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রিজভি আহমেদ বলেন, আইনি জটিলতার কারণে পণ্য গুলোর খালাস প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল।

কার্গো ব্যবসায়ীরা ভুল করে নিয়ে এসেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা চেয়েছি। আইনি কাঠামো ঠিক রেখে আটক পণ্যগুলো খালাস দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আমরা এখন পণ্য খালাস প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

চট্টগ্রাম, ০৯ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক কার্গো ব্যবসা বন্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। খালাস জটিলতার কারণে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন…

18/02/2016

আমিরাত তথা মধ্যপ্রাচ্যের কার্গো ব্যবসায়ীরা মামলা হামলায় বিপর্যস্ত, বেশিরভাগই আত্মগোপনে।

সরকার থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট আদেশ না পাওয়ায় আমিরাত তথা মধ্যপ্রাচ্যের কার্গো ব্যবসায়ীরা মামলা আর হামলায় জর্জরিত। অনেকেই থানা, পুলিশ আর গ্রাহকদের সাথে অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি এড়াতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে আত্মগোপনে রয়েছেন। ব্যবসায়ীরা আমাদের ফোন করে এই পরিস্থিতির বর্ণনা দিচ্ছেন। তারা অন্তত যে হাজার হাজার টন পণ্য বিমান এবং সমুদ্র বন্দরে আটকে আছে তা দ্রæত খালাসের অনুমতি দিয়ে এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। কাস্টমসের এক কর্মকর্তা বলেন, কার্গো ব্যবসায়ী, সিঅ্যান্ডএফ এবং আমরা সরকারের সাথে আলোচনা করে এই পরিস্থিতি উত্তরণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
ব্যাগেজ রুল জটিলতার কারণে কার্গো ফ্লাইটে পণ্য পরিবহন এবং খালাস কার্যক্রমে স্থবিরতা বিরাজ করছে। কাস্টমসের কঠোর নীতিমালায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। ৬ মাস ধরে কার্গোয় আসা পণ্য খালাস প্রায় বন্ধ। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালের পণ্য ধারণক্ষমতা ৪শ টন হলেও এখন সেখানে পড়ে আছে সাড়ে ৬শ টন। এ অবস্থায় এমিরেটস ও ইত্তিহাদ এয়ারওয়েজ শাহ আমানতে কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দিয়েছে। সংকট দ্রæত সমাধান না হলে স্থায়ীভাবে কার্গো ফ্লাইট অপারেশন বন্ধেরও আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। শাহ আমানত বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার রিয়াজুল কবীর জানান, কার্গো ফ্লাইটে আসা পণ্য পরিবহন এবং খালাসে ভাটা পড়েছে। এমিরেটস ও ইত্তেহাদ এয়ারওয়েজ তাদের কার্গো ফ্লাইট পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। অচলাবস্থা নিরসনে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ নেয়া জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে এমিরেটস এয়ারওয়েজের সর্বশেষ কার্গো ফ্লাইটটি এসেছিল গত বছর ১০ নভেম্বর। এরপর ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত সব ফ্লাইট বাতিল করে দিয়েছে এমিরেটস এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। গত ৩ ফেব্রæয়ারি থেকে চলতি মাসের অবশিষ্ট ফ্লাইটও বাতিল করেছে ইত্তিহাদ এয়ারওয়েজ। এ দুটি কার্গো ফ্লাইটের পণ্য পরিবহন ক্ষমতা একশ টন। কিন্তু ব্যাগেজ রুল জটিলতার কারণে পণ্য খালাস বন্ধ থাকায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে এসব ফ্লাইটে পণ্য আসছে মাত্র ৩০-৪০ কেজি। ফলে লোকসানের মুখে পড়ায় এয়ারলাইন্স দুটি শাহ আমানতে ফ্লাইট অপারেশন বন্ধ করে দেয়। জানা গেছে, ব্যাগেজ রুলের আওতায় গৃহস্থালি পণ্য পাঠান মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসীরা। কিন্তু এসব পণ্য ছাড় করাতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কড়াকড়ি আরোপ করায় স্থবিরতা চলে আসে। একই সঙ্গে কার্গো ফ্লাইট আসা বন্ধ করে দেয় সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন। তবে কাস্টমস কমিশনার হোসেন আহমেদ জানিয়েছেন, সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দাবি, ঘরে পৌঁছে দেওয়ার নামে প্রবাসীদের থেকে শুল্কপণ্য বুকিং নেয় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট। কার্গো টার্মিনালে আসার পর গৃহস্থালী সামগ্রী বলে এসব পণ্য শুল্ক ছাড়াই ছাড়িয়ে নিত তারা। ফলে এ খাতে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হতো শুল্ক বিভাগ। কাস্টমসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের যোগসাজশে এ অপতৎপরতা চলছিল। প্রায় নয় মাস আগে দায়িত্ব নেয়ার পর বিষয়টি নজরে আসে কাস্টমস কমিশনার হোসেন আহমদের। তিনি চ্যালেঞ্জ করলে ধরা পড়ে যায় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট চক্রের রাজস্ব ফাঁকির অপকৌশল। এক পর্যায়ে যাত্রীর লাগেজ খুলে দেখেন বিদেশ থেকে আনা পণ্য শুল্কযোগ্য। কার্গো টার্মিনালের এক কর্মকর্তা জানান, চার মাস ধরে পণ্য ডেলিভারি বন্ধ থাকায় যাত্রীদের মালামাল অযতেœ পড়ে থাকলেও দেখার যেন কেউ নেই। অসাধু কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী যাত্রীর লাগেজ থেকে গায়েব করে দিচ্ছে মূল্যবান মালামাল। যে যখন পারে সুযোগ বুঝে লাগেজ কাটা ছেঁড়া করে হাতিয়ে নিচ্ছে পণ্য। মালামাল ছাড়িয়ে নিতে এসে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। সংযুক্ত আরব আমিরাত কার্গো ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহŸায়ক মো. আলম তৌহিদ বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে মালামাল ছাড় না হওয়ায় ফরোয়ার্ডাদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা সম্প্রতি আমিরাতে মামলা করে। গ্রেপ্তার এড়াতে অনেক এজেন্ট দেশে চলে আসতে বাধ্য হন। আর কেউ সে দেশে আত্মগোপন করেছেন। তিনি জানান, নির্দিষ্ট সময়ে মালামাল ছাড় না হওয়া এবং সে দেশে ক্ষুব্ধ প্রবাসীদের মামলার ঘটনায় শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন করে সংকট সৃষ্টি হবে। প্রবাসীদের পাঠানো মালামালের মধ্যে রয়েছে টিনজাত দুধ, কাপড়-চোপড়, চকোলেট, গৃহস্থালি ও পারিবারিক ব্যবহার্য সামগ্রী। দীর্ঘ তিন মাস ধরে মালামাল জমে থাকায় বহু খাদ্য সামগ্রীর মেয়াদ উত্তীর্ণের পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্য নষ্টের উপক্রম হয়েছে। কয়েকদিন আগে সেখানে গিয়ে দেখা গেছে, কার্গো শাখার স্ক্যানিং মেশিন বন্ধ। কার্গো শাখার লোকজন বলেন, আড়াই মাস ধরে তা বন্ধ রয়েছে। বাইরে প্রবাসীদের পাঠানো মালামালের পাহাড় জমেছে। প্রেরিত পণ্য সামগ্রী ছাড় পেতে ধরনা দিচ্ছে কাস্টম কর্মকর্তাদের কাছে এবং সংশিষ্ট দপ্তরগুলোয়। ওমান প্রবাসী মনসুর আলম বলেন, ৪ ডিসেম্বর ২৫০ কেজি ওজনের মালামাল পাঠানো হয় ওমান এয়ারলাইন্সে। আরেক ওমান প্রবাসী মো. বেলাল হোসেন বলেন, ৩ জানুয়ারি পরিবারের ব্যবহার্য ২৩০ কেজি সামগ্রী পাঠান। তারা এখনো এসব পণ্য বিমানবন্দর থেকে ছাড় পাননি। পণ্য ছাড় পেতে প্রবাসী মোহাম্মদ তৈয়ব (এইচ-০৯৭১৬৪০) ২০ জানুয়ারি কাস্টমস কমিশনার বরাবরে আবেদন করেন। এমন বহু আবেদন জমা আছে এ দপ্তরে। সিভিল এভিয়েশন সূত্র জানায়, ২০১৫ সালে কার্গো গুদাম ভাড়া বাবদ সিভিল এভিয়েশন প্রতি মাসে ২ কোটি টাকা করে আয় করে। গত তিন মাসে এ খাতে কোনো আয় নেই। একইভাবে বিমানবন্দরে একটি ফ্লাইট অবতরণ করলে প্রতি ফ্লাইট থেকে সিভিল এভিয়েশন ও বাংলাদেশ বিমান বিভিন্ন চার্জ বাবদ ১৫ লাখ টাকা পায়। প্রতি সপ্তাহে যেখানে ৪টি কার্গো ফ্লাইট অবতরণ করত বর্তমানে তার স্থলে ফ্লাইট আসছে সপ্তাহে কিংবা ১৫ দিনে একটি যার কারণে সব আয় কমেছে। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত সহকারী কাস্টমস কর্মকর্তা রিজভী আহমেদ বলেন, কার্গো শাখায় কেন মালামাল ছাড় দেয়া হচ্ছে না তা আমার জানা নেই। আপনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলুন।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এডিসি মুবিনুল কবির জানান, ‘বিমানবন্দর কার্গো শাখায় মালামাল ছাড় করা বন্ধ রাখা হয়েছে বিষয়টি সঠিক নয়। বৈধভাবে আনা মালামাল ছাড় দেয়া হচ্ছে।’ এ প্রসঙ্গে এমিরেট এবং ইত্তিহাদ কার্গো ফ্লাইটের সহকারী ম্যানেজার (অপারেশন) মোরশেদ আলম বলেন, শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে দুটি কার্গো ফ্লাইট সপ্তাহে দু’দিন করে চার দিন অবতরণ করত। প্রতি ফ্লাইট ৯৫ থেকে ১০০ টন পণ্য নিয়ে আসত। গত কয়েক মাস ধরে প্রবাসীরা পণ্য পাঠানো কমিয়ে দেয়ায় চরম লোকসানের মুখে পড়েছে দুই বিমান। গত দুই মাস ধরে এমিরেট তাদের অপারেশন কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে। ইত্তিহাদ সপ্তাহে দুই দিনের স্থলে এখন একদিন করে ১০০ টন ধারণ ক্ষমতার বিমানে মাত্র ১ থেকে ২ টন মালামাল নিয়ে আসছে। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে কর্মরত সিএন্ডএফ এজেন্ট প্রতিনিধিরা বলেন, প্রবাসীরা আত্মীয়-স্বজনদের কাছে কী পরিমাণ পণ্য সামগ্রী পাঠাতে পারবেন ব্যাগেজ রুলে তা স্পষ্ট করে বলা নেই। বলা আছে ‘যৌক্তিক পরিমাণ’। যার পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি সে তো তুলনামূলকভাবে বেশি পাঠাবেই। কাস্টমস কর্মকর্তারা ঢালাওভাবে মনগড়া আপত্তি না তুলে ব্যাগেজ রুলে পরিমাণটা স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে পারেন। এতে প্রবাসী, এজেন্ট ও প্রবাসীদের আত্মীয়-স্বজন উপকৃত হবেন। সরকারও লাভবান হবে।

13/10/2015

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৬৮ লাখ ভারতীয় রুপি উদ্ধার

চট্টগ্রাম ব্যুরো, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2015-10-13 15:37:33 BdST

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৬৮ লাখের বেশি ভারতীয় রুপি জব্দ করেছে শুল্ক বিভাগ।

মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে বিমানবন্দরের নিউ কার্গো ভিলেজে একটি কার্টনের ভেতরে এসব ভারতীয় রুপি পাওয়া যায় বলে কাস্টমসের সহকারী কমিশনার আবুল কাশেম জানিয়েছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে নিউ কার্গো ভিলেজে গিয়ে মুদ্রাগুলো পাওয়া যায়।

“একটি বড় কার্টনের ভেতর চারটি ছোট কার্টনে এসব ভারতীয় মুদ্রা ছিল। অধিকাংশই একশ রুপির নোট। তবে সব বান্ডেলে সমান সংখ্যক নোট নেই।”

গণনা শেষে আরেক সহকারী কমিশনার আব্দুল মাজেদ জানান, চার কার্টনে মোট ৬৮ লাখ ৬ হাজার ৫০০ রুপি পাওয়া গেছে।

গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের ৮ নম্বর ইয়ার্ডে ২০ ফুট দীর্ঘ একটি কন্টেইনার খুলে চারটি কার্টনে ভারতীয় মুদ্রা পান কাস্টমস ও শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

পরে গণনা করে চারটি কার্টনে মোট দুই কোটি ৭১ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ ভারতীয় রুপির সন্ধান মেলে।

08/10/2015

Air cargo 12 dh.

26/08/2015

চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে আটকে রাখা প্রবাসীদের পন্য ফিরিয়ে দিতে আবুধাবী কার্গো মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরানের কাছে স্মারক লিপি প্রদান করেছেন।
রির্পোট-মুহাম্মদ মোরশেদ আলম, বাংলা ভিশন, আবুধাবী বুর‌্যে প্রধান, সংযুক্ত আরব আমিরাত।
( প্রবাসীদের কষ্টের টাকার পন্য যাতে লুট হয়ে না যায়, ফিরে পেতে সবাই রিপোর্ট টি শেয়ার করুন।)

ঢাকা, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০১৫, ২৪ শ্রাবণ ১৪২২, ২২ শাওয়াল ১৪৩৬শিরোনামদুবাইয়ে কার্গো ব্যবসায়ীদের মাথায় হাতচট্টগ্রাম বিমানবন্দ...
08/08/2015

ঢাকা, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০১৫, ২৪ শ্রাবণ ১৪২২, ২২ শাওয়াল ১৪৩৬

শিরোনাম

দুবাইয়ে কার্গো ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আটকা পড়েছে প্রবাসীদের ১৫০০ টন পণ্য
কামরুল হাসান জনি, ইউএই:

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে কার্গো বিমানে পাঠানো প্রবাসীদের প্রায় ১৫০০ টন পণ্য চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে আটকা পড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রামে পণ্য পাঠানো বন্ধ রেখেছে আমিরাতের প্রায় সব বাংলাদেশি ডোর টু ডোর কার্গো প্রতিষ্ঠান। এতে করে অচল হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীক অনেক কার্গো প্রতিষ্ঠান। টানা দুই মাসেও চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে মাল খালাস না হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত! আটকা পড়া পণ্যের সন্ধানে প্রতিদিন ভিড় করা গ্রহকেদের গাল-মন্দ ও তোপের মুখে যেমন পড়তে হচ্ছে তাদের, তেমনি বেশ কিছু মালামাল নষ্ট ও হারিয়ে যাওয়ার জোরালো অভিযোগ তুলেছেন কার্গো ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘ব্যবসার পলিসি মাথায় রেখে নষ্ট ও হারিয়ে যাওয়া পণ্যের ক্ষতিপূরণ গুণতে হবে কার্গো প্রতিষ্ঠানগুলোকে। এই ক্ষতির পরিমাণ কত হবে তা নিশ্চিতও নই।’ তবে কেউ কেউ বিকল্প পথ হিসেবে জাহাজে পণ্য পাঠালেও মালামাল দেশে পৌঁছতে তিনগুণেরও বেশি সময় লাগছে। বিমানে মালামাল কেজিতে দশ দিরহাম ( দুইশ দশ টাকা) চার্জে দেশে পৌঁছতে সময় লাগতো পনের দিন। কিন্তু জাহাজে প্রতি কেজিতে ছয় দিরহাম ( এক'শ পঁচিশ টাকা) চার্জ এলেও পণ্য পৌঁছতে সময় লাগছে দেড় মাস। রেট কম হলেও জাহাজে সময় বেশি লাগায় পণ্য নষ্ট হবার ঝুঁকি বেশি বললেন ব্যবসায়ীরা।

আফিয়া কার্গো সার্ভিসের পার্টনার মোহাম্মদ মুছা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চট্টগ্রামে সিস্টেম চালু থাকলেও বিমান বন্দর থেকে অনেক মালামাল খালাস না হওয়ায় দুবাই থেকে কেউই মালামাল ছাড়ছে না। এমনকি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে নতুন কোনো পণ্য গ্রহণও করা হচ্ছে না। বলতে পারেন, আপাতত চট্টগ্রামের সাথে কোনো ব্যবসা নেই।

মদিনা কার্গো এলএলসির ম্যানেজার অাশুতোষ পাল জানান, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সঙ্গে ব্যবসা পুরোপুরি বন্ধ। আমরা প্রতি সপ্তাহে দুবাই থেকে ৫-৬ টন করে পণ্য পাঠাতাম। রমজানের পূর্বেই প্রায় ২০ টন মালামাল চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে আটকে পড়ায় নতুন করে পণ্য পাঠানো বন্ধ করে দিই। গত দুই দিনে ১০টন খালাস হলেও বাকি ১০ টন এখানো আটকে আছে বিমান বন্দরে। অনেক মালামাল খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। আবার অনেক পণ্য বাইরে পড়ে থাকতে থাকতে নষ্ট হয়ে গেছে। এসব পণ্যের ক্ষতিপূরণ আমাদেরকে গুণতে হবে।

এদিকে, দুবাই থেকে দেশে পণ্য পাঠিয়ে এখনো স্বজনের কাছে পণ্য সামগ্রী না পৌঁছায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রবাসীরা। মোহাম্মদ ইসমাইল নামের একজন ফেনী প্রবাসী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, রমজানের জন্য জুন মাসে পণ্য সামগ্রী দেশে পাঠালেও কোরবানের ঈদে পাবে কিনা সন্দেহ! দুবাইতে পণ্য সামগ্রী রিসিভ করেছিলো বিডিএস কার্গো। তারা সর্বশেষ রমজানের ঈদের পরে পণ্য সামগ্রী বুঝিয়ে দেয়ার কথা থাকলেও এখনো দেশে পণ্য পায়নি স্বজনরা। এমনিতে দুবাইয়ে অনেক কার্গো প্রতিষ্ঠান চোখে পড়ে। এদের অনেকে বিমানে পণ্য পাঠানো নাম করে গ্রহকের পণ্যে অধিক লাভের আশায় জাহাজে পাঠাচ্ছে। যার কারণে ১৫ দিনের কথা বলে ২/৩ মাস হয়ে গেলোও দেশে মালামাল পাওয়া যায় না।

কাজী তৌহিদুল আলম বলেন, কার্গো সার্ভিসের মালামাল নিয়ে সৃষ্ট নাটকীয় জটিলতার জন্য চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরের সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্মকর্তা ও বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ দায়ী। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের অপসারণ করে যোগ্য, সৎ অফিসার নিয়োগ দেওয়ার জোর দাবি জাানাচ্ছি। যে সকল মালামাল মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে নষ্ট হয়েছে কিংবা হারানো গেছে কর্তৃপক্ষকে তার খেসারত দিতে হবে। অন্যথায় প্রবাসীদের ঘামে ভেজা অথের্র ঋণ শোধ হবেনা।



বিডি-প্রতিদিন/ ০৮ আগস্ট, ২০১৫/ রশিদা

পরবাস
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/probash-potro/2015/08/08/98676 .lJg9ITwn.1UAcUCjI.dpuf

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে কার্গো বিমানে পাঠানো প্রবাসীদের প্রায় ১৫০০ টন পণ্য চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরে

Address

M-5, MUSAFFA
Abu Dhabi

Telephone

+971505485436

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DESH Bangla CARGO Services posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DESH Bangla CARGO Services:

Share