Sazzad Hossain33

Sazzad Hossain33 Dubai

31/01/2026

দুবাই, আল গুরাইর সেন্টার,

সংগৃহীত কনকনে শীতে ভোরের সকালে বহদ্দারহাট মোড়ে  বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা যুবকটি প্রেমিকার জন্য নয়!  পরিবারের দায়িত্বশ...
09/01/2026

সংগৃহীত
কনকনে শীতে ভোরের সকালে বহদ্দারহাট মোড়ে বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা যুবকটি প্রেমিকার জন্য নয়! পরিবারের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য একজন প্যাসেঞ্জারের জন্য অপেক্ষা করছে! যে কিনা বাইক নিয়ে বের হয়েছেন ভোর ৬ টায়!

একজন বাইক চালক ভাইকে কৌতুহলবশত জিজ্ঞাসা করলাম কনকনে শীতে এত সকালে কেন বের হলেন? কথা বলে জানতে পারলাম সে বিবিএ / এমবিএ কমপ্লিট করেছে ! কিন্তু উপযুক্ত চাকরি পাচ্ছে না!

আফসোস লাগলো! যে শিক্ষা অর্জন করতে এত সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হয় সে শিক্ষা যদি কর্ম জীবনে কাজে না আসে তাহলে কিসের জন্য এই শিক্ষা? শুধু কি সময় কাটানোর জন্য এই শিক্ষা?

বিজ্ঞানমনস্ক এবং উৎপাদনশীল কারিগরি শিক্ষা দরকার!যে শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে পৃথিবীকে থাক লাগিয়েছে চীন! চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উন্নয়ন আবিষ্কার প্রতিযোগিতা করছে বিশ্ব। আর আমরা সময় ব্যয় করছি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে প্রতিপক্ষকে প্রতিরোধ করতে! কোন পথে হাঁটছে প্রিয় বাংলাদেশ...? আমার সীমিত জ্ঞানে মাথায় আসেনা কিন্তু আপনারাই ভালো জানবেন।

সেই বাইক চালক শরীফ জানিয়েছেন, তার তিন বোন এক ভাই। এক বোন মাস্টার্স কমপ্লিট করেছে বিয়ে হয়নি এখনো! অপর দুই বোনকে নতুন করে স্কুলে পুনঃ ভর্তি করাতে হবে! তাই তার অনেক টাকার প্রয়োজন।

সে পরিবারের বড় সন্তান বাবা-মা অসুস্থ। পরিবারের খাদ্যের যোগান এর চেয়ে ওষুধের ব্যায় অনেক বেশি! কথাগুলো বলতে বলতে তার চোখে জল এসে গেল! তার চোখে জল দেখে আমার চোখেও জল এসে গেল!

কথার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে
শরিফের কিছু কথা আমার হৃদয়কে নাড়া দিয়েছে! আমিও চোখের জল ধরে রাখতে পারেনি! তার দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনে পকেটে কিছু টাকা ছিলো তা তার হাতে জোর করে তুলে দিতে পেরে কি আনন্দ লাগছে তা বলে বোঝাতে পারবো না। এরকম হয়তো হাজারো যুবক নীরবে কাঁদছে।

আফসোস আমার প্রিয় বাংলাদেশের হাজারো যুবকের আজ রঙিন স্বপ্ন শহরের দূষিত পরিবেশে দিন দিন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে!

এরকম হাজারো উচ্চ শিক্ষিত বেকার যুবকের জন্য উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান দরকার। বাংলাদেশকে বদলাতে হলে দেশের উচ্চ শিক্ষিত নারী-পুরুষকে কাজে লাগাতে হবে।

এজন্য ভূমিকা রাখতে পারে রাষ্ট্র! বাইক চালকদের হয়রানি না করে ব্যাটারি চালিত রিকশা গুলো বন্ধ করুন। শহর সুন্দর হবে এবং গ্রাম সমৃদ্ধ হবে কৃষি শিল্পে। একটা টেকসই উন্নয়ন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য আমাদের চিন্তা করতে হবে।
এদেশে একজন মাহাথির মোহাম্মদ দরকার।
এদেশে একজন নেলসন ম্যান্ডেলা দরকার।
এদেশে একজন মাদার তেরেসা দরকার।
একই সাথে এদেশে একজন দেশপ্রেমিক শক্তিশালী সাহসী শাসকও দরকার।

- নাজিম উদ্দিন চৌধুরীকে এ্যানেল সংবর্ধনা
বহদ্দারহাট ৮ জানুয়ারী।
সংগৃহীত

هل سبق لك أن رأيت هذا المشهد الغريب في نيوزيلندا من قبل؟أثناء القيادة على طول طريق كاردرونا فالي في منطقة أوتاجو في نيوز...
07/01/2026

هل سبق لك أن رأيت هذا المشهد الغريب في نيوزيلندا من قبل؟

أثناء القيادة على طول طريق كاردرونا فالي في منطقة أوتاجو في نيوزيلندا، ستصادف فجأة مشهدًا غريبًا - آلاف الملابس الداخلية الملونة (الصدرية) معلقة على سياج سلكي يمتد لأميال. هذا هو أحد أغرب المراكز السياحية في العالم، "سياج الصدرية في كاردرونا". ومع ذلك، وراء هذا المشهد المضحك تاريخ طويل وهدف نبيل.

(1998-1999) بدأت هذه العادة الغريبة بين عيد الميلاد عام 1998 ورأس السنة الجديدة عام 1999. ذات صباح، رأى السكان المحليون فجأة أربع صدريات معلقة على سياج سلكي على جانب الطريق. لا توجد معلومات محددة حول من فعل ذلك. ومع ذلك، تقول الأسطورة أن مجموعة من النساء علقنها هناك على سبيل المزاح في طريق عودتهن من حفلة رأس السنة الجديدة.بدأت على سبيل المزاح، لكنها سرعان ما لفتت انتباه السياح.بحلول فبراير 1999، تجاوز عدد الصدريات 60. جعل السياح من عادة ترك ملابسهم الداخلية هناك أثناء مرورهم بهذا الطريق في نيوزيلندا.

لم يتقبل الجميع الأمر بسهولة. اعتبرها الكثيرون "شوكة في العين" وتم قطع جميع الصدريات عدة مرات في جنح الليل، ولكن المثير للدهشة أنه في كل مرة تم تنظيفها، احتج عامة الناس بوضع المزيد من الصدريات بحماس مضاعف في غضون أيام قليلة.منذ عام 2015، اتخذ هذا المكان منعطفًا خاصًا. يطلق عليه الآن رسميًا اسم "برادرونا" (Bradrona). لم يعد مجرد مكان للترفيه، بل أصبح منصة كبيرة للتوعية بسرطان الثدي. هل تعتقد أننا بحاجة إلى مثل هذه المبادرة التوعوية في بلدنا؟

يوجد بجوار السياج صندوق تبرعات حيث يمكن للسياح التبرع بالمال كما يحلو لهم. يتم التبرع بهذا المال الذي يتم جمعه لمؤسسة سرطان الثدي في نيوزيلندا كل عام.

إذا كنت تخطط للذهاب من كوينزتاون إلى واناكا، فلا تنسَ التوقف في كاردرونا فالي على طول الطريق. سيضيف هذا المشهد الملون والغريب في أحضان الجبال بعدًا مختلفًا لتجربة سفرك.

كم تبقى لنرى، كم تبقى لنتعلم، كم تبقى لنتعرف.

- ضياء ريحان 😃
সংগৃহীত

07/01/2026
সংগৃহীত খাবার টেবিলে বসে মার দিকে তাকিয়ে চোখে ইশারা করলাম আমার কথাটা বাবাকে বলতে। মা ভয়ে ভয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে বললো, রাক...
07/01/2026

সংগৃহীত
খাবার টেবিলে বসে মার দিকে তাকিয়ে চোখে ইশারা করলাম আমার কথাটা বাবাকে বলতে। মা ভয়ে ভয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে বললো, রাকিব ১০ হাজার টাকা চেয়েছিলো। ওর বন্ধু বান্ধবরা মিলে কয়েকদিনের জন্য কক্সবাজার যাবে সেজন্য!
বাবা আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
-কবে যাবি?
আমি বললাম,
-- এই তো ৫ দিন পর যাবো!
বাবা নিচের দিকে তাকিয়ে খেতে খেতে বললো,
- তাহলে এক কাজ কর ৩ দিন দোকানে একটু সময় দে। আমি ৩ দিনের জন্য এক জায়গায় যাবো। এসে তোকে টাকাটা দেই!
আমি খুশিতে হাসতে হাসতে বললাম,
-- ঠিক আছে বাবা!

পরদিন সকালে দোকানে গেলাম। আমাদের ছোটখাটো একটা কাপড়ের দোকান আছে। মাঝে মাঝে আমি দোকানে আসলেও কখনো দোকানে বসা হয় নি। আজকেই প্রথম দোকানে বসলাম। দোকানে দুইটা কর্মচারী আছে ওরা সব আমায় বুঝিয়ে দিচ্ছে। আমার কাজ হলো কোন কাপড়ে কত টাকা লাভ হয়েছে সেটা লিখে রাখা আর মাঝে মাঝে কাস্টমারদের কাপড় দেখানো...

একটা কাস্টমারকে ২০ টার মত শার্ট দেখানোর পর কাস্টমারটা বললো,
~ না ভাই পছন্দ হয় নি।
আমি অবাক হয়ে বললাম,
-- এত গুলোর মাঝেও পছন্দ হয় নি?
উনি বললেন,
- না।

মুখটা গোমড়া করে যখন শার্ট গুলো যখন ঠিক করছিলাম তখন কর্মচারী ছেলেটা হেসে বললো,
~ভাইয়া, মুখ গোমড়া করে থাকলে হবে না। সব সময় মিষ্টি হেসে কাস্টমারের সাথে কথা বলতে হবে।

কিছুক্ষণ পর একটা ছেলে এসে বললো, কিছু নতুন ডিজাইনের প্যান্ট দেখাতে। আমি দোকানের কিছু ভালো মডেলের প্যান্ট দেখালাম। একটা প্যান্ট পছন্দ করলো। প্যান্টের কিনা মূল্য ছিলো ১২০০ টাকা। আমি ছেলেটার কাছে চাইলাম ১৫০০ টাকা। ছেলেটা প্যান্টা উল্টে পাল্টে আবার দেখে বললো,
~৩০০ টাকা দিবেন?
কথাটা শুনে মেজাজটা খারাপ হয়ে গেলো। দাঁতের সাথে দাঁত চেপে নিজের রাগটা কন্ট্রোল করে মুখে মিষ্টি হাসি এনে বললাম,
-- না ভাইয়া, এত কম দামে হবে না।

কিছুক্ষণ পর এক মহিলা এসে ১ ঘন্টা ধরে দোকানের সমস্ত কাপড় চোপড় উল্টে পাল্টে দেখে ২টা কাপড় পছন্দ করে বললো,
~আমার স্বামী ৩দিন পর বেতন পাবে তখন এই দুইটা কাপড় নিবো।
রাগে সারাটা শরীর কাঁপছিলো। তারপরও কিছু বলতে পারছিলাম না কারণ কাস্টমার বলে কথা। নিজের রাগ বুকের ভিতর জমাট রেখে মুচকি হেসে বললাম,
-- আন্টি, যেদিন আংকেল বেতন পাবে সেদিন আংকেল কে নিয়ে না হয় আসবেন!!

এক ছেলে মনে হয় তার গার্লফ্রেন্ডকে সাথে নিয়ে দোকানে এসেছে। কর্মচারী ছেলে গুলো যে কাপড় গুলোই দেখায় সেগুলো দেখেই বলে আরো ভালো মানের কাপড় দেখাতে। অবশেষে কর্মচারী ছেলেটা বললো,
~এর চেয়ে ভালো মানের কাপড় আমাদের দোকানে নেই।
ছেলেটা মুখে বিরক্তির ভাব এনে বললো,
- দূর যা, শুধু শুধু এমন একটা ফকিন্নি দোকানে সময় নষ্ট করলাম!

না আর সহ্য করা যায় না। ছেলেটাকে বললাম,
-- ভাই, আপনি বড়লোকের পোলা তাহলে বসুন্ধরা শপিংমল, যমুনা ফিউচার পার্ক এই গুলো বাদ দিয়ে শুধু শুধু কেন এই সব সাধারণ শপিংমলে ঘুরাঘুরি করছেন?

আমাদের যখন কথা কাটাকাটি হচ্ছিলো তখন কর্মচারী ছেলেটা ঐ ছেলার কাছে মাফ চেয়ে আমাকে বললো,
~ভাইয়া এমন করলে তো ব্যবসা হবে না। প্রতিদিন কত মানুষের কত রকম কথা শুনতে হবে। আপনি আজ প্রথম এসেছেন তাই কিছু জানেন না!

দিন শেষে হিসাব করে দেখি সব খরচ বাদ দিয়ে লাভ হয়েছে ৮২০ টাকা!

আমি ৩দিন দোকান দেখাশুনা করি। এই তিন দিনে আয় হয় ৪০২০টাকা। আর এই ৩দিনে যে পরিমাণ কষ্ট হয়েছে মনে হয় না আমি আমার জীবনে এত কষ্ট করেছি!

রাতে নিজের রুমে বসে যখন ফোন টিপছি তখন বাবা এসে বললো,
-এই নে তোর ১০ হাজার টাকা।
আমি বাবার দিকে তাকিয়ে বললাম,
-- কিসের ১০ হাজার টাকা?
বাবা অবাক হয়ে বললো,
- তুই না কক্সবাজার যাবি বন্ধুদের সাথে?
আমি বাবার চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম,
--বাবা আমি আগে বুঝতাম না টাকা ইনকাম করতে কতটা কষ্ট হয় তাই তোমার কাছে এতকিছু আবদার করতাম। আমি এই ৩ দিনে খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছি টাকা ইনকাম করার কষ্টটা। যে আমি ৩ দিনে ৫ হাজার টাকায় ইনকাম করতে পারলাম না সেই আমি কি না ২ দিনের জন্য ১০ হাজার টাকা কিভাবে আবদার করি। এত টাকা খরচ করা আমাদের মত নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অপচয় বাদে কিছুই না!

আমার কথা শুনে বাবা কিছুটা রেগে গিয়ে বললো,
- তোকে এত পন্ডিতগিরি করতে হবে না। বন্ধুরা সবাই যাচ্ছে তুইও যা। সমুদ্রের বিশালতা দেখলে তোর খুব ভালো লাগবে।

আমি বাবার হাত ধরে বললাম,
-- বিশালতা দেখতে সমুদ্রে যেতে হয় না। বাবার চোখের দিকে তাকালেই বিশালতা দেখা যায়। যে বাবারা হাজার কষ্টের পরেও সন্তানের মুখে হাসি ফোটায়!

খাবার টেবিলে বসে যখন খাচ্ছি তখন বাবাকে বললাম,
-- বাবা, দোকানে ২জন কর্মচারী রাখার কোন দরকার নেই। আজ থেকে আমি দোকানে বসবো।

বাবা আমার কথার কোন উত্তর দিলো না। শুধু মাকে বললো,
- তারকারি তে এত ঝাল দিয়েছো কেন? ঝালে চোখে মুখে পানি চলে এসেছে!

আমি জানি তারকারিতে ঝাল হয় নি। বাবা চোখের পানি লুকানোর জন্য মিথ্যা কথা বলছে।
আসলে বাবারা এইরকমই! কখনো নিজেদের কষ্ট আমাদের বুঝতে দেয় না 😥

♥️ Love you বাবা-মা ♥️

হানিফ'স কালেকশন সংগৃহীত



13/12/2025

দুবাই সিম ইত্তিছালাত মেইন অফিস

I've just reached 2K followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each and every one ...
11/12/2025

I've just reached 2K followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each and every one of you. 🙏🤗🎉

11/12/2025

#ডুবাই
আল গুরাইর সেন্টার

Address

Dubai

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sazzad Hossain33 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share