11/05/2025
@ @ #
ভোলায় গাইনি ডাক্তার দেখাতে এসে চরফ্যাশনের এক নারীকে পড়তে হয় চরম বিরম্বনায়। বিষয়টি নিয়ে তার ফেসবুকে দেয়া একটি স্ট্যাটাস ⤵️
আসসালামু আলাইকুম!
আমি আমার গতকালকের একটা ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই। আমি গতকাল ভোলাতে গাইনি ডক্টর *ফয়সাল স্যারকে দেখানোর জন্য গিয়েছিলাম। যেহেতু আমার বাসা থেকে ভোলা যেতে ২ ঘন্টার মতো সময় লাগে আমরা সকালেই যাই। সিরিয়াল লিখিয়ে ডাক্তার দেখাতে আমাদের তারপরও ২:৩০ বেজে যায়। তারপর টেস্ট তো আছেই। যেহেতু, ফয়সাল স্যারের ১০০ জনের মধ্যে ৯৮ জন রোগীই প্রেগন্যান্সির সমস্যা নিয়ে উনাকে দেখায় তাহলে উনার চেম্বারের সামনে অন্তত রোগীরা বসার জন্য বেশ কিছু চেয়ার রাখা উচিত ছিল। যা নেই।। তারপর সিরিয়ালের কোনো নিয়ম নেই।যাকে ইচ্ছে আগে দিয়ে দেয় সিরিয়াল ছাড়া। গেল চেম্বারের সামনের এই ভোগান্তি। শেষে গেলাম ভিতরে। আমি এমন হ য ব র ল এমন অবস্থা মনে হয় আগে দেখি নি। একসাথে এত রোগী কোনো চেম্বারে আর কোথাও কি ডুকায় কিনা আমার জানা নেই।আমি ভিডিও দিয়েছি, দেখবেন। বসার জন্য তিন সিটের একটা শোফা,সেখানে সব রোগী ঢুকিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখে। প্রাইভেসি বলতে কিছু নেই। গেল এটা!
আমি টেস্টের রিপোর্ট নিয়ে রিপোর্ট দেখাতে আসলাম তখন ৩:৪৫ টার মত বাজে। কিন্তু, ডাক্তার নাকি এই ডায়াগনস্টিক এ রিপোর্ট দেখবেন না। এটা ছিলো মোহনা ডায়াগনস্টিক। উনি নাকি রাত ৮ টার পর এশিয়ায় বসবেন, রিপোর্ট ঐখানে গিয়ে দেখাতে হবে। আমরা অনেক রিকোয়েস্ট করতে ছিলাম সামনের লোকটিকে যে আমাদের বাসা চরফ্যাশন এর ঐদিকে আমরা এত রাতে যেতে খুবই সমস্যা হবে আমাদের রিপোর্ট টা দয়া করে দেখিয়ে দিন। কিন্তু না উনি তো ডাক্তার এর চেয়েও বড় ডাক্তার। উনার সাথে কথা ছোঁয়ানোই যায় না। আমরা যারা অসুস্থ হই।ভোলায় ডাক্তার দেখাতে গেলে আরো অসুস্থ হয়ে বাড়ি আসতে হয়। এই ভোগান্তির শেষ কোথায় এবং কিভাবে? এর প্রতিকার কিভাবে সম্ভব?
এত বড় লিখার জন্য দুঃখিত। কিন্তু বিশ্বাস করেন আমার কি পরিমান কষ্ট গেছে তা লিখায় আমি ঠিকমত তুলে ধরতেও পারিনি। প্রেগন্যান্ট একটা মহিলাই বুঝে এই ধরনের ভোগান্তির যন্ত্রনা!!😥