Business think

Business think To success your business plan

20/07/2020
09/05/2018

যদি A B C D E F G H I J K L M N O P Q R S T U V W X Y Z = 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 হয়...তাহলে
Hardwork: H+A+R+D+W+O+R+K = 8+1+18+4+23+15+18+11 = 98%
Knowledge:K+N+O+W+L+E+D+G+E=11+14+15+23+12+5+4+7+5 = 96%
Luck: L+U+C+K = 12+21+3+11 = 47%
এদের কোনটাই 100% স্কোর করতে পারেনা। তাহলে কি সেইটা যা 100% স্কোর করতে পারে ??? Money? না !!! Leadership? না!!!
তাহলে?
সব সমস্যারই সমাধান করা সম্ভব যদি আমাদের থাকে একটা পারফেক্ট "ATTITUDE" ! হ্যাঁ, একমাত্র ATTITUDE ই
আমাদের জীবনকে করতে পারে 100% সফল...
A+T+T+I+T+U+D+E = 1+20+20+9+20+21+4+5 = 100%
দৃষ্টিভঙ্গি বদলান জীবন বদলে যাবে। ইনশা আল্লাহ ।

29/04/2018

✪✪ মনে রাখুন কাজে দিবে ✪✪
✪ ২৫ বছর পূর্তিকে বলা হয় রজত জয়ন্তী।
_
✪ ৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয় সূবর্ণ জয়ন্তী।
_
✪ ৬০ বছর পূর্তিকে বলা হয় হীরক জয়ন্তী।
_
✪ ৭৫ বছর পূর্তিকে বলা হয় প্লাটিনাম
জয়ন্তী।
_
✪ ১০০ বছর পূর্তিকে বলা হয় শতবর্ষ
জয়ন্তী।
_
✪ ১৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয় সার্ধশত
জয়ন্তী।

Here are some people who accomplished things late in life.
27/03/2018

Here are some people who accomplished things late in life.

26/03/2018

জ্যাক মা যুব সমাজের জন্য, যারা নিজেরা কিছু একটা করে দেখাতে চায়, তাদের জন্য কয়েকটি উক্তি করেন –

১/ আপনি যদি একটি দরিদ্র ঘরে জন্ম নিয়ে নিজের ৩৫ বছর বয়সেও সেই দরিদ্রই থাকেন তবে দরিদ্র হয়ে থাকাটা আপনার কপালের দোষ নয়, আপনি এটি প্রত্যাশা করেন। কারন আপনি আপনার যুবক বয়সকে কোন কাজে লাগাতে পারেন নি, আপনি সম্পূর্ণ ভাবে সময়টা নষ্ট করে দিয়েছেন।

২/ জীবনে অনেক উপরে উঠতে হলে ২৫ বছর থেকেই শুরু করুন, নিজে পরিকল্পনা করুন, তাই করুন যা আপনি উপভোগ করতে জানেন।

৩/ এগিয়ে যাও তা না হলে ঘরে ফিরে যাও।

৪/ গরীব কারণ আপনার দূরদর্শিতার অভাব।

৫/ আপনার দারিদ্রতা কারণ আপনি আপনার ভীরুতাকে জয় করতে পারেন নি।

৬/ গরীব কারণ আপনি আপনার সর্বোচ্চ ক্ষমতা, ব্যবহার করতে পারেন নি।

৭/ আপনি দরিদ্র তাই সবাই আফসোস করবে কেউই আপনাকে সচ্ছল বানিয়ে দিবেনা।

৮/ নিজের জন্য নিজেকেই এগিয়ে আসতে হবে। চিন্তা করতে হবে, ভাবনার সাথে প্রয়গিক বাস্তবতার সন্নিবেসন ঘটাতে হবে। জ্যাক মা আরো বলেন, অনেকেই হতাশ হয়ে যায়

৯/ তুমি যদি হাল ছেড়ে না দাও তবে এখনো তোমার সুযোগ আছে। হাল ছেড়ে দেওয়াটাই সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।

১০/ আমি নিজেকে সবসময় আনন্দিত রাখতে চেষ্টা করি। কারণ আমি জানি যদি আমি খুশি না থাকি তবে আমার সহকর্মী,অংশীদার ও ক্রেতারাও খুশি থাকবে না।

25/03/2018

নতুন ব্যবসায় পরিচিতি বাড়ানোর সহজ মার্কেটিং কৌশল

উদ্যোক্তাগন সাধারনত শীর্ণ বাজেট ও আক্রমনাত্মক লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে। তাই, জানান দেওয়া, সচেতনতা তৈরি করা অথবা সম্ভাব্য ক্রেতাকে অফার করার সুযোগটি হাতছাড়া করা ঠিক হবে না। এ কথা শুনেই অনেকে সৃজনশীল পদ্ধতি খুজে বেড়াচ্ছেন কিন্তু কাস্টমার মনোযোগ পাওয়ার মতো আক্রমনাত্মক কৌশল পাচ্ছেন না। “পুশ মার্কেটিং” (বিক্রয়কর্মী নিয়োগ, বিজ্ঞাপন এবং কাস্টমারকে পুনরায় কল করা) অনুসরন করার পরিবর্তে, মার্কেটাররা এখন নজর দিচ্ছেন “পুল মার্কেটিং” এ। অর্থাৎ যখন কাস্টমার ক্রয় করতে প্রস্তুত, তখন যেন ব্র্যান্ডকে স্মরণ করতে পারে এমন পজিশন এবং রেপুটেশন বিল্ড করা।

পরিক্ষিত কতোগুলো পন্থা বর্ণনা করা হলো:

১. লাগেজ এবং ব্যাকপ্যাক ট্যাগস

উদ্যোক্তা ব্লগের ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ও পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং এক্সপার্ট লিডা সিট্রয়েন বলেন, আমার এক সহকর্মী সবসময়ই ব্যবসায় সম্পর্কিত ইভেন্ট এ উপস্থিত হন আকর্ষনীয় ও কার্মিক ব্যাকপ্যাক নিয়ে। ব্যাগের সামনের অংশটায় কোম্পানির গুনকীর্তন করা হয়েছে লোগো ও ট্যাগলাইন দিয়ে। এবং কৌশলটি কাজে এসেছে: সে বলে যে, প্রায়ই জনসম্প্রদায় থামিয়ে জিজ্ঞেস করতো তার কোম্পানি কী কাজ করে।

তাই লিডাও এই কাজ করা শুরু করে দিলেন: লাগেজ, পার্স ও অন্যান্য ব্যাগে কোম্পানি লোগো এবং ট্যাগলাইন যুক্ত করলেন। লোকজন প্রায়ই জিজ্ঞেস করে ট্যাগলাইনটির মানে কী এবং সে কোথায় কাজ করে। ফ্রি বিজ্ঞাপন।

২. আইপ্যাড, ল্যাপটপ “স্কিন”

সৃষ্টিশীল মার্কেটাররা যখন অভিভাষন দেয়, নিজেদের ল্যাপটপ ও আইপ্যাড ব্যবহার করে। লক্ষ্য করা যায় যে, দর্শককে প্রদর্শিত ল্যাপটপের পিছনের অংশ এ্যাপল এর বিজ্ঞাপন করে দিচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে বিজ্ঞাপনটি দরকার ছিলো নিজের প্রতিষ্ঠানের জন্য। বিষয়টি মাথায় রেখে অনেকেই ল্যাপটপ এর পিছনের অংশটি কাস্টমাইজ করে নিজের কোম্পানির লোগো সেট করে নেন। কথা বলার সময়ও ফ্রি বিজ্ঞাপন হয়ে গেলো।

লিডা বলেন, আমি কী করি তা জানতে কোন ব্যক্তিই যেন বঞ্চিত না হন, তাই আইপ্যাড ও মোবাইল ফোনেও লোগো এবং ট্যাগলাইন লাগিয়ে দেই। এর ফলে, এয়ারপ্লেন এবং এয়াপোর্টেও জিজ্ঞেস করা হয় ব্যবসায়টি সম্পর্কে। কতো সুন্দর কনভার্সেশন স্টার্টার।

৩. ডেস্কটপ স্ক্রিন

প্রেজেন্টেশন প্রস্তুত করা সময়ে পুন:পুন ল্যাপটপ স্ক্রিনে গমন হয়। পরিবারের সাথে ছুটিতে ঘুরতে যাওয়া ছবি প্রদর্শনের পরিবর্তে লিডা সেট করে রাখেন তার সমসাময়িক কোন বইয়ের কভার পেজ অথবা কোন ক্যাপশন। প্রেজেন্টেশন চলা সময়ে দর্শক সাম্প্রতিক অফার সম্পর্কে অবগত হলো।

৪. সামাজিক মাধ্যম

ফেসবুক, টুইটার এবং ইউটিউব পর্যাপ্ত পরিমান অবকাঠামো এবং পটভূমি তৈরির সুযোগ দিয়ে রেখেছে। সাইটগুলোর মাধ্যমে সবাইকে জানিয়ে দিতে পারবেন আপনি কে এবং কী করেন। এমনকি যদি ব্যক্তিগত ব্যবহারেও সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে অবস্থান করেন, আপনি কী করেন তা বন্ধুদেরকে মনে করিয়ে দেয়ার সুযোগটি কেন হাতছাড়া করবেন? প্রোফাইলের কভার ফটোতে প্রিয় পোষাপ্রানির বদলে কোম্পানির লোগো সংবলিত একটি ছবি ঝুলিয়ে দিন।

৫. সামাজিক অনুষ্ঠান

কমফোর্ট যোন থেকে বেরিয়ে আসা মানে কখনও কখনও বর্তমান নেটওয়ার্কের বাইরে বেড়িয়ে আসাকে উৎসাহিত করে। মিডিয়া ও ডিসিশন মেকাররা জমায়েত হয় এমন হাই-প্রোফাইল ইভেন্ট এ অংশগ্রহন করার মাধ্যমে অর্জন করতে পারেন ফ্রি পাবলিসিটি এবং প্রোফাইলকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবেন যেখানে লক্ষনীয় ও প্রসিদ্ধ ব্যক্তিগন আনাগুনা করেন।

৬. অনলাইন রিভিউ

আপনার স্টোরে কাস্টমারদের প্রদত্ত শুধু নেগেটিভ রেসপন্সকেই উত্তর দেবেন না, বরং সব ধরনের কমেন্ট এর উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবেন। ইতিবাচক কমেন্টের প্রতিউত্তর দেয়া মানে আপনার কাস্টমারদের প্রতি সচেতন এবং মনোযোগ নিয়োগ করছেন। নেতিবাচক রিভিউ এর রিপ্লাই দেয়া মানে কাস্টমারের খারাপ অভিজ্ঞতার জন্য আপনি সমবেদনা অনুভব করছেন এবং উন্নয়নের চেষ্টা করছেন। এটাই মহামার্কেটিং।

৭. ভিডিও

ভিডিও ব্যবহারের মাত্রা নিত্ত বেড়ে চলেছে। ইভোডো এর একটি গবেষনায় পাওয়া যায় যে, ৭৫ শতাংশ অনলাইন ট্রাফিক আসবে ভিডিও থেকে। এর অর্থ এই দাড়ায় যে, প্রচলিত মার্কেটিং এর বদলে এখন নজর দিতে হবে ভিডিও মার্কেটিং এর উপর।

ভিডিও প্রকাশের জনপ্রিয় সাইট ইউটিউব আমন্ত্রন জানায় হাই-কোওয়ালিটি এবং সেল্ফ-মেইড ভিডিও। সফল ব্যবসায়গুলো ভিডিও এর মাধ্যমে দেখাচ্ছে তাদের টিমওয়ার্কগুলো, প্রদর্শন করছে পন্যের বিস্তৃতি।

সর্বোপরি বলা যায় যে, বিক্রয়ের প্রধান মন্ত্রটি ছিলো “সবসময় বিক্রির উপর থাকো”। কিন্তু বর্তমন সময়ে বুদ্ধিমান মার্কেটারগন নজর দেন সুনাম ব্যবস্থাপনার এবং পজিশনিং এর উপর।

24/03/2018

বিশ্বজুড়ে হৈ চৈ ফেলে দেয়া চীনা অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আলীবাবা গ্রুপ এর প্রেসিডেন্ট মা ইউন (Jack Ma) তরুন উদ্যোক্তাদের প্রতি বলেন:

১. তরুন বয়সে ভুল হচ্ছে বড় বিনিয়োগ, প্রতিটি ভুল থেকেই তুমি লাভবান হতে পার

২. ২৪ বছরে পড়াশোনা শেষ কর । পঁচিশের পর থেকে ভুল করতে থাক, ব্যর্থ হও আবার ওঠে দাঁড়াও

৩. জীবনের শুরুতে কাজ শুরু কর ছোট কোম্পানীতে, কাজ শিখতে পারবে । ছোট কোম্পানীতে শিখবে অল্প সময়ে একই সঙ্গে কিভাবে অনেক কাজ করা যায় । বড় কোম্পানীতে কাজ করা মানে বড় মেশিনেরে খুচরা পার্টস হওয়া

৪. কোন্ কোম্পানীতে কাজ করছ তা’ বিষয় নয়, কেমন বসের অধীনে কাজ করছ সেটিই মূখ্য। একজন ভালো বস একেক কর্মীর জীবন পাল্টে দিতে পারে

৫. যে কোন পরিস্থিতিতে পড়ো, জানো, ভ্রমণ করো, অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করো আর আবিষ্কার করো নিজেকে

৬. ত্রিশের পর নিজের দিকে তাকাও । নিজের ভিত্ শক্ত করো

৭. চল্লিশের পর ছুটাছুটি বন্ধ কর । যে কাজটি সবচাইতে ভালো পারো সেটির প্রতিই নজর দাও। এখন আর নতুন কিছু করার চেষ্টা না করাই ভালো। নতুন কিছুতে সফল হতে পারো, কিন্তু ব্যর্থ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি।

৮. পঞ্চাশ বছর থেকে কাজ কর তরুনদের জন্য, কারন এখন তরুনরা যা পারবে তা’ তুমি পারবে না

৯. ষাট বছরের পর নিজের সব গুটিয়ে আনো । সব গুছিয়ে অনো পরবর্তী প্রজন্মের জন্য

১০. সত্তরের পর সব শুধু নিজের জন্য । বিশ্রাম, বিনোদন, নিজের কৃতকর্ম দেখো, খুশি থাকো । (যেকোন পেশাজীবী/কর্মজীবী মানুষের জন্য প্রযোজ্য)।

30/09/2017

ভারতের ছেলেমেয়েরা যখন বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির সিইও হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, এবং হচ্ছে;
Sundar Pichai, CEO of Google
Satya Nadella, CEO of Microsoft
Shantanu Narayen, CEO of Adobe
Francisco D’Souza, CEO of Cognizant
Rajeev Suri, CEO of Nokia
Sanjay Kumar Jha, CEO of Globalfoundries
Dinesh Paliwal, chairman and CEO of Harman International
George Kurien, CEO of NetApp
Indra Nooyi, chairperson and CEO of PepsiCo
Ajay Banga, president and CEO of MasterCard
Piyush Gupta, CEO of DBS Group
Ivan Manuel Menezes, CEO of Diageo
Rakesh Kapoor, CEO of Reckitt Benckise
তখন আমাদের লাখ লাখ ছেলেমেয়েরা ভাবছে,
সরকারি ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার হতে পারলেও জীবন ধন্য (যদিও জানে না ব্যাংকিং তার আসলেই ভালো লাগবে কি লাগবে না)।
স্বপ্ন দেখানোর মানুষের যেমন বড্ড অভাব, স্বপ্ন দেখার মানুষেরও অভাব পড়েছে দেশটাতে।
ফলাফল?
১। সব সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতন ৫৪ হাজার কোটি টাকা (২০১৬ সালে ছিলো ২৪ হাজার কোটি টাকা)। আর ৮-১০ লাখ বিদেশিদের ব্যবসায়ীরা বেতন দিচ্ছে ৭০ হাজার কোটি টাকা!
২। দেশের কয়েকশত প্রতিষ্ঠানের সিইও ভারতীয়! আর আমরা সেখানে তাদের অধীনে দৌড়াদৌড়ি করি।
৩। ভারতীয়দের ১০০ সিইও সারা দুনিয়া থেকে যা আয় করে, আমরা লাখ লাখ শ্রমিক পাঠিয়েও সেই টাকা পাই না।
আমরা কবে বিশ্বের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোর সিইও তৈরি করবো? অন্তত দেশে সিইও মানে হাজার ১০ উঁচু বেতনে বসে থাকা বিদেশিদের জায়গাটা নিতে পারবো?
কবে পারবো?

- খাজা নিজাম উদ্দিন

29/07/2017

কেন সবাইকে দিয়ে বিজনেস হয় না?

কারণ বিজনেস শুরু করার আগেই বেশিরভাগ পোলাপান ৫টা ট্র্যাপে পড়ে যায়
১. প্রেস্টিজ বা আত্মসম্মান কমে যাওয়ার ভয়
২. ইনিশিয়াল ইনভেস্টমেন্টের অভাব
৩. লস খাওয়ার ভয়
৪. আজাইরা প্ল্যানিং
৫. পারফেকশন উইথ ইনকারেক্ট টার্গেট

এই পাঁচটা ট্র্যাপ ডিলিট করে, জোশ নিয়ে নেমে পড়ো। দেখবে বিজনেসের খেলা শুরু হয়ে গেছে।

ঝংকার মাহবুব ভাই।

Address

Banani
Banani Model Town

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Business think posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share