MD Monir Hossain

MD Monir Hossain Loan Banking Service

We are a trusted consultancy firm in getting any customer loan and provide full support to the customer by preparing all necessary valid documents i.e. how a customer can get a loan very easily Personal/Payday Loan, Personal SME without a businessman's mortgage All types of loans are facilitated including loans, business loans of a businessman (CC, HIPO, Term, LC, LTR), project loans, mortgage loans, home loans, flat loans...

15/08/2024

১৯৭১ সালে ৩০ লাখ মানুষ শহিদ হয়। হাতে গোনা কিছু মানুষের নাম আর গল্প ছাড়া আমরা বাকিদের বিষয়ে, তাদের পরিবারের বিষয়ে আর কিছুই জানি না। ২৪ শের গণ-অভ্যুত্থানের শত শত শহিদের অজানা গল্পের মধ্যে একটি গল্প আমার খুব কাছেরই।

১৭ই জুলাই

দেশের অবস্থা দেখে একজন ছাএী এবং নাগরিক হিসেবে খুব রাগ হচ্ছিল। বাসায় শরীর থাকলেও মনটা আন্দোলনে ছিল। অনুমতি ছাড়া যেতে পারছিলাম না এমন না কিন্তু আমার মা ডিফিউজ ওফ মটর নিউরন রোগে আক্রান্ত যাদের দেখলে প্যারালাসিস রোগির মত মনে হয়। ওনাকে দেখাশুনা করতে একজন লোক প্রয়োজন হয়, ওনার সকল দেখা শুনা আমিই করে থাকি। আমার মা আমাদের যেতে বলেছিল আন্দোলনে অংশ নিতে এবং নিজেও হুইল চেয়ারে বসে যেতে চাচ্ছিল কিন্তু বিভিন্ন কারনে আটকে যাচ্ছিলাম। আমার বড় ২ ভাইয়ের কেউ ছাএ না। আমার ছোট ভাইয়া বলছিল আমি তো ছাএ না, কিছু দিন পর দেশের সকল মানুষ অংশ নিবে তখন আমিও যাব। বড় ভাইয়া ট্রাভেল এজেন্সিতে কাজ করত। ভাইয়া বাসায় চুপচাপই ছিল। আমার আন্দোলনের পাগলামি দেখে ধমক দিয়ে মাকে বলে আমি আর ছোট ভাইয়া যেন বাসার বাহিরে না যাই, বাহিরে নাকি গুলি করা হচ্ছে আন্দোলনকারীদের উপর। আমার ছোট ভাইয়া দোকানে গিয়েছিল, বড় ভাইয়া তার পিছনে দোকান তার পর বাসায় আসে। ছোট বেলায় বড়রা যেমন বাসা থেকে স্কুল, স্কুল থেকে বাসায় নিয়ে যেত অনেকটা তেমন ছিল বিষয়টা।
যেহেতু ৩১শে জুলাই বাসা পালটানোর কথা ছিল তাই ভাইয়া বাসা নিয়ে চিন্তা করতে বলে। বাসা ভাইয়া পছন্দ করে ঠিক করে রেখেছিল।

১৮ই জুলাই

রাতে খাবার দিতে গিয়ে বড় ভাইয়ার রুমে গিয়ে দেখি ভাইয়া আন্দোলনের ভিডিও দেখছে আর ছাএদের বলছে আর শক্ত হতে।
আমি দেখে বলি এভাবে ভিডিও দেখে কোন লাভ নেই, দেশের সকল মানুষকে এ আন্দোলনে অংশ নিতে হবে না হলে মনে হয় না কিছু হবে।
বড় ভাইয়া হঠাৎ করে বলল মিউ তোমাকে একটা কথা বলি কাউকে বলতে পারবে না।
আমি বললাম কি? বল আমাকে, আমি বলব না।
বড় ভাইয়া আমাকে বলল, আমি না একদিন আন্দোলনে গিয়েছিলাম।
আমি শুনে খুব খুশি হয়ে বললাম ভালো করেছে, কিন্তু ভাইয়া আমার না হঠাৎ মনের ভিতর কেমন অস্থির লাগছে তোমার কথা শুনে, তোমার আর যাওয়া লাগবে না। ভাইয়া হেসে বিষয়টা কাটিয়ে দেয়।
রাতে লুকিয়ে বিস্কিট খাচছিলাম কিন্তু ভাইয়ার কাছে ধরা পরে যাই, ভাগ বসায় আমার বিস্কিটে।

১৯ জুলাই

সকাল থেকেই মন কেমন করছিল, মাকে বলার পরও মা বলে কিছু না এমনি। ২ ভাই ঘরে। দুপুরে বড় ভাইয়া বাসা থেকে বের হয়, দরজাটা আমিই আটকাই। বিকাল ৫ টায় মোবাইলে গল্প পড়ছিলাম।
হঠাৎ ভাইয়ার এক বন্ধু ফোন দিলো, কল ধরতেই বলল, আপু আন্দোলনে তোমার ভাইয়ের পেটে গুলি লেগেছে। তোমার ভাইয়াকে ঢাকা মেডিকেল এ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
সাথে সাথে মাকে বললাম এ বিষয়ে, কোথায় গুলি লেগেছে?
আমি বললাম পায়ে। তার পর রেডি হয়ে রওনা হলাম শাহাবাগের দিকে। কিন্তু ২/৩ বার চেষ্টা করার পরও আমি যেতে পারিনি কারন আন্দোলনের শিখা মাএ জলা শুরু করেছিল। অনেকের কাছেই গেলাম যাতে আমাকে শাহাবাগ নিয়ে যায় কিন্তু কেউ যেতে ইচ্ছুক ছিল না।
ভাইয়ার বন্ধুরা বলল, আমার ভাইয়ার নাকি ৫ ব্যাগ রক্ত লাগবে, তারা চেষ্টা করছে,আমি যদি কিছু সাহায্য করতে পারি তাহলে ভাল হত। ভাইয়ার বন্ধুরা ২ ব্যাগ রক্ত যোগার করল, ২ ব্যাগ রক্ত আমার এক বন্ধু দিতে রাজি হয় কিন্ত রক্ত আমাকে ওর থেকে কালেক্ট করে নিয়ে আসতে হবে, ও হাসপাতালে যাবে না। ভেবেছিলাম যেতে পারলে আমি নিজেই ১ ব্যাগ দিব, কিন্তু কোন ভাবেই যেতে পারলাম না।

রাত ১০ টার পর ভাইয়ার এক বন্ধু বলছিল আপু তুমি শক্ত থেকো, আমি একটা কথা বলি, তোমার ভাইয়া মনে হয় আর নেই।
কথাটা শুনে ২ সেকেন্ড চুপ থেকে আমি বললাম ডাক্তার কি বলেছে?
ভাইয়ার বন্ধু বলে ডাক্তার বলছে ৯৯% সম্ভাবনা মনির অলরেডি মারা গেছে।
আমি উত্তর দেই বাকি ১% বেচে ফেরার চান্স এখনো আছে?
ভাইয়ার বন্ধুরা বলে ডাক্তাররা সাপোর্ট এ রেখেছে,
আমি বলি, ডাক্তারদের চেষ্টা করতে দাও, বাকিটা আল্লাহর কাছে ছেড়ে দাও।
ভাইয়ার বন্ধু বলে, আল্লাহর কাছে ওর জন্য দোয়া কর।
বাসায় কাউকে কিছু বললাম না, সারা রাত নামাজ পড়লাম, দোয়া করলাম।

রাত ২.৩০ মিনিটে ভাইয়ার বন্ধুরা আমাকে নিতে আসল। কারন রোগী পরিচয়ের কোন প্রমাণ না থাকায় হাসপাতাল বাকি সমস্যা করছে, তাই বাধ্য হয়ে তাদের আসতেই হল। রাস্তায় ভাবছিলাম একবার ও সুস্থ হোক তার পর খুব মার খাবে আমার হাতে।

ভোর রাত ৩.৩০ এর দিকে হাসপাতালে পৌছালাম। এমারজেন্সিতে ঢুকে দেখি বড় ভাইয়া শুয়ে আছে। ডাক্তার আমার পরিচয় চায়। আমি বলি আমি রোগীর ছোট বোন।
ডাক্তার বলেন, আপনার ভাই আর নেই, সে মৃত।
আমি ডাক্তারকে অনেক অনুরোধ করি যেন তারা আর একবার দেখে আমার ভাইকে বাচানোর কোন পথ আছে কিনা। আমার অনুরোধে তারা শেষে রাজিও হয়। কিন্তু ফলাফল ব্ল্যাংক ছিল।
ডাক্তাররা বলল আপনার ভাইকে বাচানোর চেষ্টা আমি ছাড়া আরও ৩ জন ডাক্তার করেছে কিন্তু সকলেই ওনাকে মৃত বলেছে। আসলে আপনার ভাই হাসপাতালের এমারজেন্সিতে ঢুকানোর সাথে সাথেই মারা যায়, কিন্তু তার পর ও আমরা লাইফ সাপোর্ট এ রেখে চেষ্টা করেছি যদি আল্লাহ ছাড় দেন।
হাসপাতালের বাহিরে কিছুক্ষণ দাড়িয়ে ভাবছিলাম সবাইকে কিভাবে জানাবো। তার পরও মাকে কল করে বলে দিলাম ভাইয়া আর নেই। পরে ভেতরে গেলাম ভাইয়ের কাগজপত্রের কাজ শেষ করলাম।
ভাইয়ার কাছে গেলাম, হাত ধরলাম, খুব শক্ত হয়ে গেছে, একদম ঠান্ডা বরফের মত। কিছুক্ষণ হাত ধরেই দাড়িয়ে ছিলাম সেখানে।
তার পর দেখলাম তাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, জিজ্ঞেস করলাম কোথায়?
হাসপাতালের লোক বলল ময়না তদন্ত করতে হবে। আমি রাজি ছিলাম না। চেষ্টা করলাম আটকাবার, চাচ্ছিলাম সুস্থ ভাবে শেষ কাজ করি।
কিন্তু আমাকে তার মৃত্যু সনদের একটি কপি দিয়ে বলে শাহাবাগ থানা আর যেই থানায় তোমরা থাকো সেখান থেকে ওসি বা এসআই এর একটি সাইন আনবে অথবা একটি লিখিত কাগজ আনবে যেখানে লেখা থাকবে তোমার ভাই তাদের থানায় থাকে,সে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক।
কাগজটা নিয়ে বাসায় আসি। ভাইয়ার বন্ধুরাও ক্লান্ত ছিল তাই চলে যায়। আমি বাসায় আসার পর কাগজ নিয়ে থানায় যাওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু কারফিউ চলায় সমস্যা হচ্ছিল। তারপর ও ৪/৫ বার যাওয়ার চেষ্টা করি কিন্তু থানায় ঢুকতেই দেয়নি, বরং রাবার গুলি সুট করে।
রাতে ১১ টায় আবার চেষ্টা করলাম হলো না। খুব বাজে ভাষা ব্যবহার করতে থাকে থানার লোকজন। পরের দিন গেলাম কাউন্সিলরের কাছে রিকমেন্ডেশন চাইতে কিন্তু সে ৩ দিন ধরে ঘুমাচ্ছিল। আরো অনেকের কাছে গেলাম কেউ সাইন করতে রাজি না।

রাত ১২ থেকে ১ টা থানায় অপেক্ষা করলাম কিন্তু কোন লাভ হল না। অনেক মানুষের কাছে সাহায্য চাই, কোন লাভ হয়নি। পরিচিত এক আপুর ছোট ভাই থানার এসআই, তার সাথে কথা বললাম, আমাকে বলল আপু আপনার ভাই অন্য কোন দিন গুলিবিদ্ধ হত আপনি চেষ্টা করতে পারতেন কিন্তু কোটের রায়ের আগের দিন হওয়ায় ঝামেলা হয়েছে। এখন আপনাকে ভাইয়ার ময়নাতদন্ত ছাড়া ভাইয়াকে দিবে না। আর ময়নাতদন্ত করলেও এমুহূর্তে সম্ভব নয়। আপনাকে ২ দিন আরো অপেক্ষা করতেই হবে। তাই রায়ের জন্য অপেক্ষা করলাম।

২১ জুলাই

দুপুরে রায় দিল। তারপর থানায় যাই। কিন্তু থানা থেকে আমাকে বলা হয়, ভাটারা থানায় তো গুলির শব্দ ও হয়নি মানুষ মরবে কিভাবে, আর আমাদের সব গুলি স্টকে আছে, কোন গুলি মিসিং না, ভাটারা থানায় ০% মানুষ মারা গেছে।

আসার সময় অন্য এক পুলিশ বলে পরিস্থিতি শান্ত হলে কাজ হবে। পরে ঝালকাঠির এক পরিচিত অফিসার এর রিকমেন্ডেশন এ শাহবাগ থানার থেকে সাইন নেই। সেই দিনই ময়নাতদন্ত শেষ করে আমার ভাইকে দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু দিল না। অবশ্য হাসপাতালে যারা এগুলোর লিখিত কাজ করছিল তারা খুব ভালো আচরণ করেন। পরের দিন দিবে বলল। বাসায় আসলাম,

ভেবেছিলাম এখানেই মাটি দিব, কিন্তু কোন কবরস্থাননে মাটি হবে না, কারন আমার ভাই আন্দোলনকারী। এক ভাইয়া বলেছিলেন উনি সাহায্য করবেন এখানে মাটি দিতে কি ন্তু আওয়ামী লীগের লোক যদি কবর ভেঙে ফেলে? তাই এখানে আর দেওয়া হল না।

পরের দিন ভাইয়াকে আনতে গেলাম, দুপুর লাগলো ভাইয়াকে পেতে। তারপর আনলাম ভাটারাতে। তারপর মাকে সাথে নিয়ে চলে গেলাম গ্রামের দিকে রাজাপুর, ঝালকাঠি। নিজেদের কবরস্থানে ২৪ জুলাই দাদুভাইয়ের পাশে মাটি দিলাম ভাইকে।

এসবের মধ্যেও খুব পবলেম হয়, হাসপাতালে যখন ১ম যাই সেনাবাহিনীর লোক বন্দুকে গুলি ভরে তাক করে কিন্তু সমস্যার কথা বলতেই অন্য রাস্তা দেখিয়ে দেয়,
হাসপাতালে শত শত লাশের ভিরে খুজতে হয় আমার ভাইকে, কারন নিয়ম অনুযায়ী নিজেরই নিজ দায়িত্বে লাশ খুজে বের করতে হবে, সিরিয়াল অনুযায়ী লাশ থাকে না, প্রায় ৩ ঘন্টা ধরে ৭টি লাশ ঘর খুজতে হয় আমার, ভাইয়ার দেহ পাওয়ার পর বার বার সবাই ছবি তুলতে বলছিল কিন্তু আমি পারছিলাম না পরে হাসপাতালের এক লোক ছবি তুলে দেয়।
রাস্তায় আগুন, ভাংচুর এ সবের সাথেই চলতে হয়েছে,
টাকার কিছু সমস্যা ছিল কিন্তু ভাইয়ার বন্ধুরা, আমার কিছু বন্ধুরা অনেক সাহায্য করে। কিছু বন্ধু মানসিক সাপোর্ট ও দেয়।

এইপুরো সময়টা চিন্তা করছিলাম আমার ভাইয়ের জায়গায় যদি আমি থাকতাম তাহলে হয়তো ভাইয়া সব কাজ খুব সহজেই করে ফেলতো, আমার জন্য মৃত্যুর পরও ভাইয়াকে যেই কষ্ট অনুভব হয়েছে, সেটা আমার ভাই আমাকে পেতে দিত না। নিজের উপর খুব রাগ হচ্ছিল।

ভাইয়ার বন্ধুদের জিজ্ঞাসা করি কি হয়েছিল সেই দিন।
তারা উত্তর দেয়, আমরা তো বাসায় ছিলাম তোমার বড় ভাইয়া ফোন করে বলে, তোদের কি লজ্জা নেই? তোদের চোখের সামনে আমাদের ছোট ভাইবোনকে গুলি করে মেরে ফেলতেছে আর তোরা ঘরে বসে, ছোট ভাইবোনদের ভবিষ্যৎ যদি ঠিক করতে চাস আর দেশের জন্য ভালোবাসা থাকে তাহলে আন্দোলনে আয়।

আমরা আন্দোলনে যাওয়ার পর তোমার ভাই ছাএের সামনে গিয়ে দাড়ায় এর জন্যই তো গুলি লেগেছে।
গুলি লাগার পর তোমার ভাই ১মে বলছিল আমি কি বাঁচব? আমরা সবাই বলেছিলাম বাঁচবে।

হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত কথা বলেছে।
আমি ভাইয়ার বন্ধুদের জিজ্ঞেসা করি কি বলেছিল?
ভাইয়ার বন্ধুরা মিলে বলে, ভাইয়া বলেছিল বন্ধু আজরাইল এসে গেছে আমাকে নিতে, আমি আর বাঁচব না, তোদের মনে যদি কোন কষ্ট দেই তাহলে ক্ষমা করে দিস, আল্লাহ যাতে আমার মার দিকে তাকিয়ে আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়, জীবনে ১টাই আফসোস রয়ে গেল যে অসুস্থ মা, আর আমার আপন ২টা ছোট ভাইবোনের কোন ভবিষ্যৎ করে দিয়ে যেতে পারলাম না।

কিন্তুু শান্তি ও লাগছে এই ভেবে অতিতে আমি আমার ভবিষ্যতের জন্য কিছুই করতে পারিনি কিন্তু আজকে দেশের অগনিত ছোট ভাইবোনের ভবিষ্যতের জন্য আর দেশের জন্য নিজের জীবন দিতেছি, আমার ছোট ভাইবোনের জন্য কিছু না করতে পারলেও দেশের সকল ভাইবোনের জন্য আমি এই মাটিতে রক্ত দিয়ে যাচ্ছি, আল্লাহ কাছে দোয়া সে যাতে এদের বিজয় মিছিল বের করতে সাহায্য করে।
আরো অনেক শহিদ ভাইবোন আছে যাদের গল্প আমরা জানি না।

আমার ভাই দেশের ভবিষ্যতেরকথা চিন্তা করেছে কিন্তু তার পরিবারের কথা ভাবল না। এটা নিয়ে আর কষ্ট নেই কারন ভাইয়া দেশের জন্য, দেশের জনগণের জন্য শহিদ হয়েছে। হয়তোবা সময়ের সাথে সবাই সব কিছু ভুলে যাবে, বছরে একদিন শেক পালন করবে, আরো অনেক শহিদের গল্প শহিদ নামের পিছনে হারিয়ে যাবে।

সবাই বলে এটা ছাএ আন্দোলন কিন্তু এটা ছিল গণঅভ্যুত্থান।

গল্প রচয়িতা
মনির হোসাইন।
আমার আপন বড় ভাইয়া।

সেয়ার করে সবাইকে জানান, এটা ওর অধিকার একজন শহিদ হিসেবে, আর আমার বিনিত আবেদন।

I have reached 700 followers! Thank you for your continued support. I could not have done it without each of you. 🙏🤗🎉
19/03/2024

I have reached 700 followers! Thank you for your continued support. I could not have done it without each of you. 🙏🤗🎉

10/11/2023
29/07/2023

Urgent job vacancy for reception...
location. Natun Bazar, 100Ft Road, Madani Avenue, Vatara, Baridhara, Dhaka 1212
Phn: 01682426555

★পারসোনাল লোন ★বিজনেস লোন★মরগেজ লোন★কার লোন★হোম লোন★প্রজেক্ট লোন★ফ্লাট লোন$ ৫ লক্ষ টাকা হতে, সর্বোচ্চ লোন ব্যবস্থা করে দ...
20/09/2022

★পারসোনাল লোন

★বিজনেস লোন

★মরগেজ লোন

★কার লোন

★হোম লোন

★প্রজেক্ট লোন

★ফ্লাট লোন

$ ৫ লক্ষ টাকা হতে, সর্বোচ্চ লোন ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় ।

আমরা যে কোন কাস্টমারের লোন পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিশ্বস্ত কনসালটেন্সি ফার্ম হিসাবে গ্রাহকের পক্ষে সকল প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজ পত্র প্রস্তুত সহ সার্বিক সহযোগিতা করে থাকি অথাৎ একজন গ্রাহক কিভাবে খুব সহজে লোন পেতে পারে এই বেপারে সার্বিক সহযোগিতা করে থাকি ।

Mohashin Consultancy Service Limited
বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন অথবা কল করুন ।
ফোন :01617751421, 01851530836 WhatsApp

02/09/2022

আমরা যে কোন কাস্টমারের লোন পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিশ্বস্ত কনসালটেন্সি ফার্ম হিসাবে গ্রাহকের পক্ষে সকল প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজ পত্র প্রস্তুত সহ সার্বিক সহযোগিতা করে থাকি অথাৎ একজন গ্রাহক কিভাবে খুব সহজে লোন পেতে পারে এই বেপারে সার্বিক সহযোগিতা করে থাকি ।

★পারসোনাল লোন

★বিজনেস লোন

★মরগেজ লোন

★কার লোন

★হোম লোন

★প্রজেক্ট লোন

★ফ্লাট লোন

৫ লক্ষ টাকা হতে, সর্বোচ্চ লোন ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় ।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন অথবা কল করুন ।
ফোন :01617751421, 01851530836 WhatsApp

আমরা যেকোন কাস্টমারের লোন পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিশ্বস্ত কনসালটেন্সি ফার্ম হিসাবে গ্রাহকের পক্ষে সকল প্রয়োজনীয় বৈধ কাগ...
28/08/2022

আমরা যেকোন কাস্টমারের লোন পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিশ্বস্ত কনসালটেন্সি ফার্ম হিসাবে গ্রাহকের পক্ষে সকল প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজ পত্র প্রস্তুত সহ সার্বিক সহযোগিতা করে থাকি অথাৎ একজন গ্রাহক কিভাবে খুব সহজে লোন পেতে পারে এই বেপারে সার্বিক সহযোগিতা করে থাকি ব্যক্তিগত/বেতন ঋণ, একজন ব্যবসায়ীর মর্গেজ ছাড়া ব্যক্তিগত SME ঋণ, একজন ব্যাবসায়ীর ব্যাবসায়ীক ঋণ (CC, HIPO, Term, LC, LTR), Project ঋণ, মর্গেজ ঋণ, হোম ঋণ, ফ্লাট ঋণ সহ সব ধরনের ঋণ সুবিধা করে দেয়া হয়।।।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন অথবা কল করুন।
Mohashin Consultancy Service Limited
ফোন : 01851530836 WhatsApp

Address

Gulshan
Banani Model Town
1213

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD Monir Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MD Monir Hossain:

Share