10/07/2025
মায়ের পরকীয়ার মেয়ে ময়না খুন
বিপদে ইমাম-মুয়াজ্জিন
মা ও চাচার অনৈতিক কাজ দেখে যাওয়ায় শিশু ময়নাকে (১১) হত্যা করা হয়। দুইজনকে উলঙ্গ দেখে যান ময়না। মা প্রথমে কান কাটেন। পরে দেওয়ালের সঙ্গে মাথায় আঘাত করেন। তাতেও তার মৃত্যু না হওয়ায় চাচা গোপনাঙ্গে রড ঢুকিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে ফাঁসাতে তার লাশ মসজিদের ছাদে রেখে আসেন।
কতইনা নির্মম হত্যাকাণ্ড! ছাপাইনবাব গঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার
শাহবাজপুরে ঘটে যাওয়া শিশু ময়না হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি কোন দুর্ঘটনা নয়,বরং একটি ভয়াবহ পারিবারিক অপরাধ এবং আলেমদের প্রতি রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের দৃষ্টান্ত।
গত তিনদিন আগে স্থানীয় একটি মসজিদের ছাদ থেকে ময়নার নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকেই সন্দেহ ভাজন হিসেবে গ্রেফতার করা হয় মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জিনকে। নির্দোষ হয়েও তাঁদের বিরুদ্ধে হত্যার মামলা দিয়ে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। সমাজের একশ্রেণি ও কিছু গণমাধ্যম এই আলেমদের ‘হত্যাকারী ও ধর্ষক’ আখ্যা দিয়ে মানহানিকর প্রচার শুরু করে। তবে আজ তদন্তে উঠে এসেছে এক লোমহর্ষক সত্য। জানা গেছে, ময়নার বাবা দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকেন। এই সুযোগে তার মা নিজের দেবর অর্থাৎ ময়নার চাচার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনার দিন দুপুরে ছোট্ট ময়না হঠাৎই ওই নিষিদ্ধ সম্পর্কের সাক্ষী হয়ে পড়ে। মেয়ে যাতে কাউকে কিছু না বলে, সেই ভয়ে প্রথমে মা তার কান কেটে দেয় এবং দেয়ালে আছাড় দিয়ে আঘাত করে। কিন্তু তাতেও মৃত্যু না হওয়ায়, চাচা পৈশাচিক কায়দায় ময়নাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
পরবর্তীতে এই ভয়াবহ অপরাধ ধামাচাপা দিতে লাশ গোপনে মসজিদের ছাদে রেখে আসা হয়, যেন দায় চাপানো যায় মসজিদের নিরীহ ইমাম মোয়াজ্জিনের ওপর।
ডিএনএ রিপোর্টে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে, ইমাম ও মোয়াজ্জিন এই অপরাধে সম্পূর্ণ নির্দোষ। তবুও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁদের প্রতি কোন সদয় আচরণ দেখা যায়নি। বরং, ধর্মীয় পোশাক ও আলেম পরিচয়ের কারণে তাদেরকে সন্দেহ করে হাজতে প্রেরণ করা হয় এবং আদালতের মাধ্যমে তিনদিনের রিমান্ডও মঞ্জুর করা হয়।
প্রিয় বাংলাদেশে আমাদের এটাই কি ন্যায়বিচার? তাহলে পরকীয়ার
একটি স্নিগ্ধ প্রাণ হারানোর ঘটনায় প্রকৃত অপরাধী গ্রেপ্তার না হয়ে কেন নিরীহ ও নিরপরাধ আলেমদের এইভাবে হয়রানি ও কষ্ট করতে হলো? এ দেশে টাকার বিনিময়ে কি না হয়! এটাও একটি প্রমান। বাংলাদেশে অপরাধ ও পাপ কমবেনা বরং বাড়বে। Facebook coffee