Friend and Public club

Friend and Public club This page is vary nice Hallo I,am imteaj sabbir

16/01/2019

Some of my favorite Jewelry retouch🥰😍🤩😘

My work jewelry retouch
19/11/2018

My work jewelry retouch

Ae mase 2 ta new retouch kolam
04/02/2018

Ae mase 2 ta new retouch kolam

দোজখের ছোট ইন্ধন যেন আমি না হই-বেহেশতি বালকের নিদর্শনহযরত বাহলুল রাহ. বণর্না করেন, বসরার পথে আমি কয়েকজন যুবকের সাক্ষাৎ প...
13/10/2017

দোজখের ছোট ইন্ধন যেন আমি না হই-বেহেশতি বালকের নিদর্শন

হযরত বাহলুল রাহ. বণর্না করেন, বসরার পথে আমি কয়েকজন যুবকের সাক্ষাৎ পেলাম যারা আখরোট এবং বাদাম নিয়ে খেলা করছিল । সামান্য দূরে এক যুবককে দেখতে পেলাম । সে তাদের খেলা দেখছিল আর কাঁদছিল । আমি ভাবলাম , এই ছেলে হয়তো ঐ ছেলেদের কাছে আখরোট এবংবাদাম দেখে কাঁদছে । আমি তাকে বললাম, হে ছেলে কাঁদছ কেন ? আমি তোমাকে বাদাম ও আখরোট কিনে দিব ।
তুমি তা খেতে পারবে । আমার কথা শুনে ছেলেটি মাথা তুলে আমার দিকে তাকাল এবং বলল, হে নির্বোধ , আমি খেলাধুলার জন্য সৃষ্টি হইনি ? আমি বললাম , হে সাহেবজাদা, তাহলে কি জন্য সৃষ্টি হয়েছ ? সে বলল , আল্লাহর ইবাদতের জন্য । আমি বললাম এটা তুমি কোথা হতে জানতে পারলে ?

আল্লাহ্ তোমার জীবনে বরকত দান করুন । সে বলল, আল্লাহ্ তাআলা বলেছেন :অর্থ : তোমরা কি ধারণা করেছ যে , আমি তোমাদেরকে অযথা সৃষ্টি করেছি , আর তোমরা আমার নিকট প্রত্যার্বতন করবে না । ( সূরা মুমিনূন : ১১৫)আমি বললাম , হে সাহেবজাদা ! তোমাকে তো বুদ্ধিমান মনে হয় । আমাকি কিছু নসিহত কর । সে বলল, দুনিয়া খুবই ক্ষণস্থায়ী । দুনিয়া চিরকাল কারো জন্য থাকবে না । মানুষও দুনিয়ায় মরণহীন থাকবে না । দুনিয়ার জীবন আর মৃত্যু মানুষের জন্য এমন , যেন দুটি ঘোড়া দ্রুতগতিতে একের পর এক এগিয়ে আসছে । হে দুনিয়া প্রেমিকগণ !
তোমরা দুনিয়া পরিত্যাগ কর এবং পরকালের সফরের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ কর ।হযরত বাহলুল রাহ. বলেন , এই কথা বলে সেই যুবক আসমানের দিকে তাকাতে লাগল এবং হাতে কি যেন ইশারা করে কাঁদতে লাগল । তার দুই গন্ড বেয়ে মুক্তার মতো অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগল তখন সে একটি ব্যথা ভরা কবিতা পাঠ করল । কবিতা পাঠ করে সে বেহুশ হয়ে পড়ে গেল।আমি তার মাথা আমার কোলে উঠিয়ে নিলাম এবং আমার জামার আস্তিন দ্বারা তার চেহারার ধুলো পরিষ্কার করলাম । কিছুক্ষণ পর তার হুঁশ ফিরে এলো , আমি বললাম , সাহেবজাদা ! তোমার কি হয়েছিল ? তুমি তো এখনও নিষ্পাপ । কোন গোনাহই তোমার নামে লেখা হয়নি । সে বলল, হে বাহলুল ! আমাকে ছেড়ে দাও । আমি আমার মা’কে দেখেছি তিনি যতক্ষণ পযর্ন্ত বড় বড় লাকড়ির সঙ্গে ছোট ছেট খড় – কুটো না দিতেন ততক্ষণ পযর্ন্ত আগুন উত্তপ্ত হতো না । আমি ভয় করি , দোজখের ছোট ইন্ধন যেন আমি না হই ।হযরত বাহলুল রাহ. বলেন , আমি বললাম , সাহেবজাদা ! তুমি বড় বুদ্ধিমান ও হুশিয়ার। আমাকে আরো কিছু নছীহত কর । সে বলল, আফসোস ! আমি গাফলতের মধ্যে রয়েছি , অথচ মৃত্যু আমার পিছু ধাওয়া করছে । আজ না হোক কাল তো অবশ্যই মরতে হবে । দুনিয়াতে নিজের শরীরকে উন্নতমানের পোশাক – পরিচ্ছদ দ্বারা সাজ্জিত করে কি লাভ ? মৃত্যুর পর তো এই দেহ গলে মাটি হয়ে যাবে । কবরে মাটির চাদর এবং মাটির বিছানা থাকবে । মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই সৌন্দর্য নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে । হাড় গোস্তের সামান্য চিহ্নও থাকবে না । জীবনের কতটা কাল অতিবাহিত হয়ে গেল , কিন্তু তারপরও কোন কিছুই অর্জিত হলো না ।জীবনের দীর্ঘ সফরের কোন পাথেয়ই আমার নেই । আমি আমার হাকীম ও মালিকের সামনে গোনাহর বোঝা নিয়ে কি ভাবে দাঁড়াব ?দুনিয়াতে হাজার পর্দার মাঝ থেকে তাঁর নাফরমানী করেছি , কিন্তু কেয়ামতের দিন সেসব গোনাহ ‘আলেমুল গায়েবে’র সামনে প্রকাশ হয়ে পড়বে ।তিনি ইচ্ছে করলেই শাস্তি দিতে পারেন ।
আল্লাহ্ তাআলা খুবই দয়ালু ।হযরত বাহলুল রাহ. বলেন , ঐ ছেলে যখন তার কথা শেষ করে চুপ হয়ে গেল , তখন আমি বেহুঁশ হয়ে পড়ে গেলাম । তখন সেই ছেলেটি চলে গেল । পরে আমার হুঁশ ফিরে এলে আমি তাকে ছেলেদের মধ্যে তালাশ করে কোথাও খুজে পেলাম না । সেই ছেলেদের অবস্থা জিজ্ঞেস করলে তারা বলল, , তুমি তাকে চিন না ? সে হলো , হযরত হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আবু তালেব ( রাযিঃ) এর বংশধর ।

20/07/2017

দু’আ কবুলের গল্প
বৃদ্ধ মানুষটি হতভম্ব হয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন মসজিদের সামনে!

এত রাতে কোন মানুষজনের ঘরে গিয়ে তাঁদের কষ্টের কারণ হতে চান নি তিনি। সেকারণেই চেয়েছিলেন মসজিদেই কাটিয়ে দিবেন রাতটুকু। নফল নামাজ আর কিছুটা ঘুমিয়ে দিব্যি রাত কাটিয়ে দেয়া যেত।

কিন্তু বাধ সাধলেন মসজিদের খাদেম। কোন এক অজানা কারণে তাঁকে পছন্দ করলেন না খাদেম। স্রেফ মানা করে দিলেন খাদেম– মসজিদে রাত কাটানো যাবে না। মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে খাদেম সাহেব সেই কথাটি-ই বেশ উঁচু গলায় কথা বলে দিলেন বৃদ্ধকে।

মরমে মরে গেলেন বৃদ্ধ মানুষটি। মসজিদ লাগোয়া রুটির দোকানে মধ্য বয়স্ক একজন বিশাল তন্দুরে রুটি বানাচ্ছেন। খাদেমের চড়া গলা তাঁর কানে পর্যন্ত গেল। রুটি বানানো বন্ধ রেখে মধ্যবয়স্ক মানুষটি ধীর পায়ে এগিয়ে গেলেন ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা বৃদ্ধ মানুষটির কাছে।

– আসসালামু আলাইকুম। পথিক বুঝি আপনি? আপনার আপত্তি না থাকলে আজকের রাত আমার সাথে কাটিয়ে দিতে পারেন আপনি। আমি ওপাশের দোকানে রুটি বানাই, একটু কষ্ট হয়তো হবে আপনার।
খুব খুশি হলেন বৃদ্ধ মানুষটি। রুটি বানানো লোকটির সাথে গিয়ে তার ঘরে উঠলেন। বৃদ্ধের শোয়ার আয়োজন করে দিয়ে আবার রুটি বানাতে লেগে গেলেন মানুষটি। বিছানায় আধশোয়া বৃদ্ধ খেয়াল করছিলেন- কাজের ফাঁকে ফাঁকে কি যেন পড়ছেন তাঁকে আশ্রয় দেয়া মানুষটি।

বৃদ্ধ জিজ্ঞেস করলেন,

– কিছু মনে না করলে আপনাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি ভাই? রুটি বানাতে বানাতে আপনি কিছু পড়ছেন মনে হচ্ছে। দয়া করে বলবেন কি পড়ছেন?
– তেমন কিছু না, ইস্তিগফার (মহান আল্লাহ পাকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা) করছি।
– এই যে কাজের ফাঁকেও একটানা ইস্তিগফার করছেন, কোন লাভ কি হয়েছে আপনার?
– জ্বী জনাব। আলহামদুলিল্লাহ, আমার মনে হয় এই ইস্তিগফারের কল্যাণেই মহান আল্লাহ এখন পর্যন্ত আমার যাবতীয় দোআ কবুল করেছেন; শুধু একটি দোআ ছাড়া।
– আপনার কোন দোআটি কবুল করেন নি আল্লাহ পাক?
– আমাদের এখান থেকে অনেক দুরে আল্লাহর প্রিয় এক বান্দা থাকেন। জ্ঞান-গরিমা-মেধা-যুক্তি সবকিছুতেই আল্লাহ পাকের রহমতপ্রাপ্তদের একজন তিনি। আমার খুব শখ – একবার যদি তাঁর সাথে দেখা করতে যেতে পারতাম। কিছুটা সময় যদি কাটাতে পারতাম সেই জ্ঞানী বান্দার সাথে। আল্লাহ পাক আমার এই প্রার্থনাটি-ই শুধু কবুল করেন নি এখনও। নিশ্চয়ই কবুল করবেন তিনি। আমার কোন গুনাহের কারণে হয়তো এখনো কবুল হচ্ছে না।

বৃদ্ধ মানুষটির চোখ ভারী হয়ে এলো কান্নায়। ধরা গলায় কান্না চেপে জিজ্ঞেস করলেন তিনি,

– আপনি কি আহমদ ইবনে হাম্বলের কথা বলছেন ভাই?
– জ্বী জনাব। আমি শায়খুল ইসলাম, জগত বিখ্যাত মুজতাহিদ ও মুহাদ্দীস ইমাম আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল এর কথাই বলছি। আল্লাহ তা’আলা তাঁর প্রতি অবিরাম রহমত বর্ষণ করুক।

বৃদ্ধ মানুষটি এবার উঠে এসে পাশে দাঁড়ালেন-

“সেই পবিত্র স্বত্তার কসম- যাঁর হাতে আমার প্রাণ! আপনার ইস্তিগফার আল্লাহ পাক শুধু কবুল-ই করে নি, উপরন্তু আমাকে এই দূর দেশে, অচিন শহরে, মধ্য রাতে – আপনার ঘর পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন। আমি-ই মহান আল্লাহ তাআ’লার সেই অধম বান্দা – আহমাদ ইবনে হাম্বল!”

“….আমি মহান আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি যিনি ব্যতীত আর কোন উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক। আমি অনুতপ্ত হৃদয়ে তাঁর দিকে ফিরে যাচ্ছি।”

[সুত্রঃ মানাকিব আল ইমাম আহমাদ]

26/02/2017

একটি আসাধারন ঘটনা
এক
ব্যক্তি জঙ্গলে হাটছিলেন। হঠাৎ দেখলেন
এক সিংহ তার পিছু নিয়েছে। তিনি প্রাণভয়ে দৌড়াতে লাগলেন। কিছুদূর
গিয়ে একটি পানিহীন কুয়া দেখতে পেলেন।
তিনি চোখ বন্ধ করে দিলেন ঝাঁপ।
পড়তে পড়তে তিনি একটি ঝুলন্ত
দড়ি দেখেতা খপ করে ধরে ফেললেন। এবং ঐ


অবস্থায় ঝুলে রইলেন।উপরে চেয়ে দেখলেন কুয়ার মুখে সিংহটি তাকে খাওয়ার অপেক্ষায়
দাঁড়িয়ে আছে। নিচে চেয়ে দেখলেন বিশাল এক
সাপ তার নিচে নামার অপেক্ষায় চেয়ে আছে।
বিপদের উপর আরো বিপদ
হিসেবে দেখতে পেলেন একটি সাদা আর
একটি কালো ইঁদুর তার দড়িটি কামড়ে ছিড়ে ফেলতে চাইছে। এমন
হিমশিম অবস্থায় কি করবেন যখন
তিনি বুঝতে পারছিলেন না, তখন হঠাৎ তার
সামনে কুয়ার
সাথে লাগোয়া গাছে একটা মৌচাক
দেখতে পেলেন। তিনি কি মনে করে সেই মৌচাকের মধুতে আঙ্গুল
ডুবিয়ে তা চেটে দেখলেন। সেই মধুর
মিষ্টতা এতই বেশি ছিল যে তিনি কিছু
মুহূর্তেরজন্য উপরের গর্জনরত সিংহ, নিচের
হাঁ করে থাকা সাপ, আর দড়ি কাঁটা ইঁদুরদের
কথা ভুলে গেলেন। ফলে তার বিপদ অবিশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়ালো। এই
সিংহটি হচ্ছে আমাদের মৃত্যু,
যে সর্বক্ষণআমাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।সেই
সাপটি হচ্ছেকবর। যা আমাদের অপেক্ষায়
আছে। দড়িটি হচ্ছে আমাদের জীবন,
যাকে আশ্রয় করেই বেঁচে থাকা। সাদা ইঁদুর হল দিন, আর কালো ইঁদুর হল রাত, যারা প্রতিনিয়ত
ধীরে ধীরে আমাদেজীবনের আয়ু
কমিয়ে দিয়ে আমাদের মৃত্যুর
দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আর সেই মৌচাকহল
দুনিয়া। যার সামান্য মিষ্টতা পরখ
করে দেখতে গেলেও আমাদের এই চতুর্মুখি ভয়ানক বিপদের
কথা ভুলে যাওয়াটা বাধ্য।তাই
আমাদেরসচেতন হওয়া জরুরী।
আল্লাহ আমাদের সকলকে বোঝার তৌফিক দান করুন আমিন!!

জুমার দিনের ইতিহাস গুরুত্ব ও ফজিলতজুমার দিনের ইতিহাসইসলামি শরিয়তের বিধানে জুমার দিনের মাহাত্ম্য সীমাহীন। এই দিন মানব জাত...
23/09/2016

জুমার দিনের ইতিহাস গুরুত্ব ও ফজিলত

জুমার দিনের ইতিহাস

ইসলামি শরিয়তের বিধানে জুমার দিনের মাহাত্ম্য সীমাহীন। এই দিন মানব জাতির আদি পিতা হজরত আদম আ. এর দেহের বিভিন্ন অংশ সংযোজিত বা জমা করা হয়েছিল বলেই দিনটির নাম জুমা রাখা হয়েছে। জুমার দিনকে আল্লাহপাক সীমাহীন বরকত দ্বারা সমৃদ্ধ করেছেন। এটি সপ্তাহের সেরা দিন। হাদিস শরিফের বর্ণনা অনুযায়ী এই বরকতময় দিনটি আল্লাহপাক বিশেষভাবে উম্মতে মুহাম্মদিকে সা. দান করেছেন।

নবী করিম সা. ইরশাদ করেন, সর্বাপেক্ষা উত্তম ও বরকতময় দিন হচ্ছে জুমার দিন। এই পবিত্র দিনে হজরত আদম আ. কে সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং এই দিনে তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়। (মুসলিম শরিফ)

জুমার দিনের গুরুত্ব

►► শুক্রবার দিনে প্রথম মানুষ হযরত আদম(আ) কে সৃষ্টি করা হয়েছে।।
►► এই দিনে হযরত আদম(আ) বেহেশতে স্থান দেয়া হয়েছে।।
►► এই দিনেই হযরত আদম(আ) পৃথিবীতে অবতরণ করেন।।
►► সপ্তাহের সাতটি দিনের মাঝে শুক্রবারই সে দিন যেদিন হযরত আদম(আ) মৃত্যুবরণ করেছিলেন।।
►► শুক্রবার দু’আ কবুলেরওদিন, তবে দুয়ায় নিষিদ্ধ/হারাম কিছু চাওয়া যাবে না।।
►► কিয়ামত ১০ ই মুহাররম শুক্রবারে হবে।

জুমার নামাজের ফজিলত

আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. বলেন, ‘জুমার দিনে মসজিদের দরজায় ফেরেশতারা দাঁড়িয়ে যান; পর্যায়ক্রমে লেখতে থাকেন প্রথমে আগমনকারীদের ফজিলত। সর্বপ্রথম আগমনকারী একটি উট কুরবানি করার সওয়াব লাভ করেন, পরের জন গরু, তারপরের জন দুম্বা, তারপরের জন মুরগি এবং তারপরের জন ডিম কুরবানি দেয়ার সওয়াব লাভ করেন। অতপর ইমাম যখন মিম্বারে আসেন, তখন তারা খাতা গুটিয়ে রেখে মনযোগ দিয়ে খুৎবা শুনেন। (বুখারি : ৮৭৬, মিশকাত : ১৩৮৪)

হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ(সঃ) বলেন,
“যদি কেউ যথাযথভাবে ওযু (পবিত্রতা অর্জন) করল, এরপর জুমার নামাযে আসলো, মনোযোগের সাথে খুতবা শুনলো এবং নীরবতা পালন করে, তার ঐ শুক্রবার এবং পরবর্তী শুক্রবারের মধ্যবর্তী সকল ছোটোখাট গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়াহবে, সাথে অতিরিক্ত আরো তিনটি দিনেরও।” (মুসলিম শরিফ)
(সুবহানাল্লাহ)
আল্লাহ আমাদের জানার এবং বুঝার তৌফিক দান করুন।। আমীন।।

জিলহজ্জ প্রথম দশদিনের ফযীলত।আল্লাহ তা‌’আলার অশেষ মেহেরবানী যে, তিনি নেককার বান্দাদের জন্য এমন কিছু মৌসুম করে দিয়েছেন, য...
07/09/2016

জিলহজ্জ প্রথম দশদিনের ফযীলত।

আল্লাহ তা‌’আলার অশেষ মেহেরবানী যে, তিনি নেককার বান্দাদের জন্য এমন কিছু মৌসুম করে দিয়েছেন, যেখানে তারা প্রচুর নেক আমল করার সুযোগ পায়, যা তাদের দীর্ঘ জীবনে বারবার আসে আর যায়। এসব মৌসুমের সব চেয়ে বড় ও মহত্বপূর্ণ হচ্ছে জিলহজ মাসের প্রথম দশদিন।

জিলহজ মাসের ফযীলত সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসের কতক দলীল :

১. আল্লাহ তা‌’আলা বলেন :
﴿ وَالْفَجْرِ، وَلَيَالٍ عَشْرٍ ﴾ [الفجر:1-2]

কসম ভোরবেলার। কসম দশ রাতের। (সূরা ফাজর : ১-২) ইবনে কাসীর রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন : এর দ্বারা উদ্দেশ্য জিলহজ মাসের দশ দিন।

২. আল্লাহ তা‌আলা বলেন :
﴿ وَيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ فِي أَيَّامٍ مَّعْلُومَاتٍ ﴾ [الحج:28]

তারা যেন নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহর নাম স্মরণ করে। (হজ : ২৮) ইবনে আব্বাস বলেছেন : অর্থাৎ জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন।

৩. ইবনে আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ দিনগুলোর তুলনায় কোনো আমল-ই অন্য কোন সময় উত্তম নয় । তারা বলল : জিহাদও না ? তিনি বললেন : জিহাদও না, তবে যে ব্যক্তি নিজের জানের শঙ্কা ও সম্পদ নিয়ে বের হয়েছে, অতঃপর কিছু নিয়েই ফিরে আসেনি। (বুখারী)

৪. ইবনে ওমর রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর নিকট কোন দিন প্রিয় নয়, আর না তাতে আমল করা, এ দশ দিনের তুলনায়। সুতরাং তাতে তোমরা বেশী করে তাহলীল, তাকবীর ও তাহমীদ পাঠ কর। (তাবারানী ফীল মুজামিল কাবীর)

৫. সাঈদ ইবনে জুবায়ের রাহিমাহুল্লাহর অভ্যাস ছিল, যিনি পূর্বে বর্ণিত ইবনে আব্বাসের হাদীস বর্ণনা করেছেন : যখন জিলহজ মাসের দশ দিন প্রবেশ করত, তখন তিনি খুব মুজাহাদা করতেন, যেন তার উপর তিনি শক্তি হারিয়ে ফেলবেন। (দারামী, হাসান সনদে)

৬. ইবনে হাজার রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন : জিলহজ মাসের দশ দিনের ফযীলতের তাৎপর্যের ক্ষেত্রে যা স্পষ্ট, তা হচ্ছে এখানে মূল ইবাদাতগুলোর সমন্বয় ঘটেছে। অর্থাৎ সালাত, সিয়াম, সাদকা ও হজ, যা অন্যান্য সময় আদায় করা হয় না। (ফাতহুল বারী)

৭. উলামায়ে কেরাম বলেছেন : জিলহজ মাসের দশদিন সর্বোত্তম দিন, আর রমযান মাসের দশ রাত, সব চেয়ে উত্তম রাত।

এ দিনগুলোতে যেসব আমল করা মুস্তাহাব :

১. সালাত : ফরয সালাতগুলো দ্রুত সম্পাদন করা, বেশী বেশী নফল আদায় করা। যেহেতু এগুলোই আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করার সর্বোত্তম মাধ্যম। সাওবান রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শোনেছি : তুমি বেশী বেশী সেজদা কর, কারণ তুমি এমন কোন সেজদা কর না, যার কারণে আল্লাহ তোমার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন না এবং তোমরা গুনা ক্ষমা করেন না। (মুসলি) এটা সব সময়ের জন্য প্রযোজ্য।

২. সিয়াম : যেহেতু অন্যান্য নেক আমলের মধ্যে সিয়ামও অন্যতম, তাই এ দিনগুলোতে খুব যত্নের সাথে সিয়াম পালন করা। হুনাইদা বিন খালেদ তার স্ত্রী থেকে, সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জনৈক স্ত্রী থেকে বর্ণনা করেন : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিলহজ মাসের নয় তারিখ, আশুরার দিন ও প্রত্যেক মাসের তিন দিন রোজা পালন করতেন। (ইমাম আহমদ. আবূদাউদ ও নাসায়ী) ইমাম নববী জিলহজ মাসের শেষ দশ দিনের ব্যাপারে বলেছেন, এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ মুস্তাহাব।

৩. তাকবীর, তাহলীল ও তাহমীদ : পূর্বে ইবনে ওমরের হাদীসে বর্ণিত হয়েছে : তাতে রয়েছে, তোমরা বেশী বেশী তাকবীর, তাহলীল ও তাহমীদ পড়। ইমাম বুখারী রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, ইবনে ওমর ও আবূহুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহুমা এ দশ দিন তাকবীর বলতে বলতে বাজারের জন্য বের হতেন, মানুষরাও তাদের দেখে দেখে তাকবীর বলত। তিনি আরো বলেছেন, ইবনে ওমর মিনায় তার তাবুতে তাকবীর বলতেন, মসজিদের লোকেরা তা শুনত, অতঃপর তারা তাকবীর বলত এবং বাজারের লোকেরাও, এক পর্যায়ে পুরো মিনা তাকবীর ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠত।

ইবনে ওমর রাদিআল্লাহু আনহু এ দিনগুলোতে মিনায় তাকবীর বলতেন, প্রত্যেক সালাতের পর, বিছানায়, তাঁবুতে, মজলিসে ও চলার পথে। স্বশব্দে তাকবীর বলা মুস্তাহাব। যেহেতু ওমর, ইবনে ওমর ও আবূহুরায়রা স্বব্দে তাকবীর বলেছেন।

মুসলমান হিসেবে আমাদের উচিত, এ সুন্নতগুলো জীবিত করা, যা বর্তমান যুগে প্রায় পরিত্যক্ত এবং ভুলে যাওয়ার উমক্রম হয়েছে, এমনকি নেককার লোকদের থেকেও, অথচ আমাদের পূর্বপুরুষগণ এমন ছিলেন না।

৪. আরাফার দিন রোজা : হাজী ছাড়া অন্যদের জন্য আরাফার দিনের রোজা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত, তিনি আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে বলেছেন : আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী, ইহা পূর্ববর্তী এক বছর ও পরবর্তী এক বছরের গুনার কাফ্ফারা হবে। (মুসলিম)

৫. নহরের দিন তথা দশই জিলহজের ফযীলত : এ দিনগুলোর ব্যাপারে অনেক মুসলমানই গাফেল, অথচ অনেক আলেমদের নিকট নিঃশর্তভাবে এ দিনগুলো উত্তম, এমনকি আরাফার দিন থেকেও। ইবনুল কাইয়ূম রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন : আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম দিন, নহরের দিন। আর তাই হজ্জে আকবারের দিন। যেমন সুনানে আবূদাউদে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় দিন হলো নহরের দিন, অতঃপর মিনায় অবস্থানের দিন। অর্থাৎ এগারোতম দিন। কেউ কেউ বলেছেন : আরাফার দিন তার থেকে উত্তম। কারণ, সে দিনের সিয়াম দুই বছরের গুনার কাফ্ফারা। আল্লাহ আরাফার দিন যে পরিমাণ লোক জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেন, তা অন্য কোন দিন করেন না। আরো এ জন্যও যে, আল্লাহ তাআলা সে দিন বান্দার নিকটবর্তী হন এবং আরাফায় অবস্থানকারীদের নিয়ে ফেরেশতাদের সাথে গর্ব করেন। তবে প্রথম বক্তব্যই সঠিক : কারণ, হাদীস তারই প্রমাণ বহন করে, এর বিরোধী কিছু নেই। যাই হোক, উত্তম হয় আরাফার দিন নয় মিনার দিন, হাজী বা বাড়িতে অবস্থানকারী সবার উচিত সে দিনের ফযীলত অর্জন করা এবং তার মুর্হূতগুলো থেকে উপকৃত হওয়া।

Address

Barishal
8200

Telephone

01920155947

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Friend and Public club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Friend and Public club:

Share