ᏰᎯᏒᎨᏕᎯᏝ ᎰᎯᏁᏨᎽ ᏢᎨᎶᎬᎾᏁ ᎰᎯᏒᎷ

ᏰᎯᏒᎨᏕᎯᏝ ᎰᎯᏁᏨᎽ ᏢᎨᎶᎬᎾᏁ ᎰᎯᏒᎷ কবুতরের বিভিন্ন রোগের সঠিক চিকিৎসাই. ? বিদেশী পোষা কবুতর বিক্রেতা

16/06/2024

পবিত্র Eid-Ul-Adha
উপলক্ষে, সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমান ভাই
বোন দের কে জানাই, "Barisal Fancy Pigeon Farm" এর পরিবারের
পক্ষ থেকে সবাইকে আগ্রিম
শুভেচ্ছা অভিন্দন, Eid Mubarak
পবিত্র কুরবানী নিয়ে আসুক প্রতিটি ধর্মপ্রাণ
মুসলমানের জন্য এক কঠিন
আত্মত্যাগের মহিমা ???

12/05/2023

আসালামুআলাইকুম প্রিয় কবুতর প্রেমি ভাই ও বোনেরা, কিছু ফেন্সি কবুতর সেল করবো কারো প্রয়োজন হলে ইনবক্স এ মেসেজ করুন অথবা কল করুন, ঠিকানা বরিশাল সিটি, ০১৭১১১৯৩১৯৯

কবুতর পাখি'কে নিয়মিত সবজি খাওয়ানসবজিতে রয়েছে সব ধরনের ভিটামিন এবং মিনারেলস।কবুতরকে ভিটামিনখাওয়ানোটা খুবই জরুরী। এতেক...
31/08/2022

কবুতর পাখি'কে নিয়মিত সবজি খাওয়ান

সবজিতে রয়েছে সব ধরনের ভিটামিন এবং মিনারেলস।
কবুতরকে ভিটামিন
খাওয়ানোটা খুবই জরুরী। এতে
কবুতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুনে বৃদ্ধি পায়।
তাই ভিটামিন ও মিনারেলস এর
অভাব পূরণের জন্য আমাদের
দেশের প্রেক্ষাপটে সবজি'র
কোনো বিকল্প নেই।
আর এই ভিটামিন কবুতরের
জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় জৈব
পদার্থ থাকে যা পায়রার
শরীরের সঠিক ক্রিয়ার জন্য
অপরিহার্য।
প্রতিকার থেকে প্রতিরোধ
ভালো। কবুতরের নিয়মিত ভিটামিনের অভাব দূর
করার জন্য সবজি সরবরাহ করুন।
অতিরিক্ত ভিটামিনের ঔষধ
খাওয়ালে কবুতরের রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
সবজি কবুতরের শরীরে রোগ
পতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

কাঁচা সবুজপাতা সমন্বিত সবজি, কাঁচা অথবা হলুদ অথবা কমলা রঙের সবজি,
হলুদ কমলা বা সবুজ রঙের সবজি,
হলুদ অথবা সবুজ রঙের ফল।
এগুলো থেকে পাওয়া যাবে ভিটামিন এ, বি, সি, কে এবং বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ইত্যাদি।

❣️লেটুস পাতা
❣️ধনেপাতা
❣️বাধা কপি
❣️গাজর
❣️লাল শাক
❣️পুই শাক
❣️(পেঁপে পাতা-
পেঁপে পাতার ঔষধি গুনঃ
• লিভারের কার্য ক্ষমতা বাড়ে
• হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে
• শরীরকে বিষমুক্ত করে
• কবুতরের ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়
• ম্যালেরিয়া রোগকে প্রতিরোধ করে)
❣️ফুলকপি
❣️পালং শাক
❣️(তেলকুচা পাতা ইত্যাদি-
তেলকুচা পাতার ঔষধি গুনঃ
• রূচি বৃদ্ধিকরণে ভূমিকা
• পাকস্থলির সমস্যা প্রতিরোধে
• পরিপাক ক্ষমতা বৃদ্ধিকরণে
• পরিপাকতন্ত্র সুস্থ রাখতে
• স্থূলতা কমাতে
• অবসন্যতার প্রতিষেধক
• স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষমতা বৃদ্ধিকরণে
• জ্বর ও হাঁপানি প্রতিরোধে
• খাবারের অরুচি
• আমাশয় প্রতিরোধে
• ফোরা প্রতিরোধে কার্যকর)।

কীভাবে সবজি খাওয়াবেনঃ
উপাদান গুলো সংগ্রহ করে সমানুপাতিক হারে
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে
সব ধরনের সবজি একসাথে বেঁধে খাঁচায় ঝুলিয়ে দিতে পারেন। প্রথমে কবুতর খেতে চাইবেনা,পরবর্তীতে অভ্যাস হয়ে যাবে।
কবুতরকে সবজি পরিবেশন করবেন সকালবেলা।
সপ্তাহে ১-২ দিন।

অতিরিক্ত খাওয়াবেন না
এতে করে টয়লেট কিছুটা নরম ও সবুজ হতে পারে কিন্তু ভয়ের কিছু নেই।

Montu Nazmul Vai

Buckwheat কি? কবুতরের পুষ্টি, এর স্বাস্থ্য উপকারিতা ও অপকারিতাBuckwheat কি?বেকওয়াট, একটি শস্য বা এটি একটি ফলের বীজ যা ব...
31/08/2022

Buckwheat কি? কবুতরের পুষ্টি, এর স্বাস্থ্য উপকারিতা ও অপকারিতা

Buckwheat কি?
বেকওয়াট, একটি শস্য বা এটি একটি ফলের বীজ যা বকুইট উদ্ভিদ থেকে আসে, যাকে সাধারণত বীচ গমের উদ্ভিদও বলা হয় এবং এটি রুব্বার সম্পর্কিত। যদিও এটি একটি বীজ, এটি বেশিরভাগই শস্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়। কারণ এটি কম ক্যালোরি এবং জটিল কার্বোহাইড্রেট এবং ফাইবারে প্রচুর। বকওয়েট একটি পুষ্টিকর গ্লুটেন-মুক্ত সিউডোসেরিয়াল।

‌Buckwheat এর অন্তর্গত বহুভুজ উদ্ভিদের পরিবার এবং মূলত ইউরোপের বলকান অঞ্চলে চাষ করা হয়েছিল বলে মনে করা হয়, ধীরে ধীরে দক্ষিণ -পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং তারপর ধীরে ধীরে গত 8,000 বছরে এশীয় মহাদেশ জুড়ে।

ইংরেজীএর অভিধানে Buckwheat এর সংজ্ঞাঃ

অভিধানে প্রথম সংজ্ঞাটি ফাগাপি্রাম প্রজাতির বহুভুজী উদ্ভিদগুলির মধ্যে অন্যতম, যা ইপিসি এ। অক্সুলেনটাম, যা সুগন্ধী সাদা ফুল এবং চাষ করা হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তার বীজের জন্য।

বেকওয়াট, বোটানিকাল নামঃ
ফাগাপরিম অক্সুলেনটম নামে একটি উদ্ভিদ যা তার শস্যের বীজের জন্য চাষ করা হয় এবং এটি একটি কভার ফসল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

পুষ্টিকর মান
এর সুবিধা কবুতরের জন্য কি কি এটা বলে শেষ করা যাবে না
Buckwheat পুষ্টির মান পরিমাণগুলি নিম্নরূপ
করা হলােঃ

জল [ছ] 9.75
শক্তি 343
শক্তি [kJ] 1435
প্রোটিন [g] 13.25
মোট লিপিড (চর্বি) [ছ] 3.4
ছাই [ছ] 2.1
কার্বোহাইড্রেট, পার্থক্য দ্বারা [g] 71.5
ফাইবার, মোট খাদ্যতালিকাগত [g] 10
ক্যালসিয়াম, Ca [mg] 18
আয়রন, Fe [mg] 2.2
ম্যাগনেসিয়াম, এমজি [এমজি] 231
ফসফরাস, পি [মিগ্রা] 347
পটাশিয়াম, কে [মিগ্রা] 460
সোডিয়াম, না [মিগ্রা] 1
দস্তা, Zn [mg] 2.4
তামা, Cu [mg] 1.1
ম্যাঙ্গানিজ, Mn [mg] 1.3
সেলেনিয়াম, সে [µg] 8.3
থিয়ামিন [mg] 0.1
রিবোফ্লাভিন [মিগ্রা] 0.43
নিয়াসিন [মিগ্রা] 7.02
প্যানটোথেনিক অ্যাসিড [এমজি] 1.23
ভিটামিন বি-6 [মিগ্রা] 0.21
ফোলেট, মোট [µg] 30
ফোলেট, খাদ্য [µg] 30
ফোলেট, ডিএফই [µg] 30
ফ্যাটি অ্যাসিড, মোট সম্পৃক্ত [g] 0.74
8: 0 [ছ] 0.04
10: 0 [ছ] 0.02
12: 0 [ছ] 0.01
14: 0 [ছ] 0.03
16: 0 [ছ] 0.45
18: 0 [ছ] 0.05
ফ্যাটি এসিড, মোট মনোঅনস্যাচুরেটেড [g] 1.04
16: 1 [ছ] 0.02
18: 1 [ছ] 0.99
22: 1 [ছ] 0.01
ফ্যাটি অ্যাসিড, মোট বহু -অসম্পৃক্ত [g] 1.04
18: 2 [ছ] 0.96
18: 3 [ছ] 0.08
ট্রিপটোফান [g] 0.19
থ্রেওনিন [g] 0.51
আইসোলিউসিন [g] 0.5
লিউসিন [g] 0.83
লাইসিন [g] 0.67
মেথিওনিন [g] 0.17
সিস্টাইন [ছ] 0.23
ফেনিলালানাইন [g] 0.52
টাইরোসিন [g] 0.24
ভ্যালিন [g] 0.68
আর্জিনিন [g] 0.98
হিস্টিডিন [g] 0.31
অ্যালানাইন [g] 0.75
অ্যাসপার্টিক এসিড [g] 1.13
গ্লুটামিক অ্যাসিড [g] 2.05
গ্লিসিন [g] 1.03
প্রোলিন [g] 0.51
সেরিন [g] 0.69

এতে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন যা লাইসিন সহ আটটি অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিডের সবগুলি সরবরাহ করে, যা সাধারণত শস্যের অভাব হয়। গ্লুটেন-মুক্ত শস্যে দুটি শক্তিশালী ফ্ল্যাভোনয়েডও রয়েছে যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, রুটিন এবং কোয়ারসেটিন হিসাবে কাজ করে।

এটি ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ যেমন রিবোফ্লাভিন (বি 2), নিয়াসিন (বি 3), তামা, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, জিংক এবং ম্যাঙ্গানিজ সমৃদ্ধ।

Buckwheat এর স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ

আসুন বেকওটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলি দেখিঃ

বেকওটের একটি পুষ্টি সমৃদ্ধ, গ্লুটেন-মুক্ত উদ্ভিদ উৎস, যা কবুতরের হার্ড স্ট্রোকের উন্নতি করতে পারে, রক্তচাপ কমাতে পারে,।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অর্থাৎ কবুতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
এটি হজমশক্তি উন্নত করতে এবং ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতেও সাহায্য করতে পারে।
সম্ভাব্য প্রোটিনের সমৃদ্ধ উৎস।
কবুতরের হাঁপানি রোগের আক্রমণ প্রতিরোধ করে।
কবুতরের হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।
অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে কবুতরের মেজাজ বাড়ায়। কবুতরের ত্বকের স্বাস্থ্য এবং পালকের স্বাস্থ্য বৃদ্ধি করে।

বেকওটেএ আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও খনিজ পদার্থ।
কবুতরের কোষ্ঠকাঠিন্য এবং অন্যান্য অন্ত্রের অবস্থার থেকে মুক্তি দিতে সহায়তা করে।

কবুতরের অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি এই খাবার যদি অল্প করে মিশিয়ে দেন তাহলে আলাদা করে ভিটামিন ক্যালসিয়াম খাওয়ানো প্রয়োজন পড়বে না।

অপকারিতাঃ
এর কোনও উল্লেখযােগ্য অসুবিধা নেই, তবে বিপুল পরিমাণে বা অতিরিক্ত এটি ব্যবহার করার সময় নিম্নলিখিত ধরণের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা
যায়:
Buckwheat এর অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে
ত্বকে ফুসকুড়ি এবং প্রদাহ হতে পারে এতে কবুতর
নিজের পালক তুলে ফেলতে পারে
এটা কয়েক বছরের বেশি সংরক্ষণ করলে খাবারের ক্ষয় হয় ও খাদ্যগুণ নষ্ট হয়ে যায়।

নিম্নমানের খারাপ শস্য সংগ্রহ করবেন না ফলে খাদ্যে
বিষক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
আমরা উপরে পড়েছি যে প্রচুর ফাইবার পাওয়া
যায় এবং ডায়েটে অতিরিক্ত ফাইবার পেটের গ্যাস, ক্র্যাম্প এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে
Buckwheat প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে
এবং এর উচ্চ পরিমাণে গ্রহণের ফলে হাইপারক্যালেমিয়া হতে পারে। এটি কবুতরের পেশী
দুর্বলতা, পক্ষাঘাত এবং হার্টের ধড়ফড় হতে পারে। এতে করে কবুতর পানি পান করবে
অতিরিক্ত।

Montu Nazmul

কবুতরের গ্রিট কি এবং কেন খাওয়াতে হয়,সঠিক উপায়ে গ্রিট তৈরির পদ্ধতিKobutor-gritগ্রিট কবুতরের হজম শক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গ...
31/08/2022

কবুতরের গ্রিট কি এবং কেন খাওয়াতে হয়,সঠিক উপায়ে গ্রিট তৈরির পদ্ধতি

Kobutor-grit
গ্রিট কবুতরের হজম শক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বীজ বা শস্যদানার খোলস কবুতরের হজমের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। গ্রিট এই প্রতিবন্ধকতা দূর করে এবং হজমে সাহায্য করে। গ্রিট কবুতরের বহুমুখি উপকার করে থাকে। কবুতররের হজম শক্তি ঠিক রাখা কবুতর সুস্থ রাখার অন্যতম প্রধান শর্ত।

গ্রিট সাধারণত দুই ধরনের মিশ্রণে তৈরী করা হয়ঃ

১) দ্রবণীয়
২) অদ্রবণীয়

দ্রবণীয়ঃ
বিট লবণ,কাঠকয়লা, সুমুদ্রের ফেনা(Cat fish), পোড়া মাটি, ইত্যাদি দ্রবণীয় উপাদান শরীরে হজম হয়ে যাই।

অদ্রবণীয়ঃ
ইটের গুরা(গমের সমান),
(লাইম স্টোন) ইত্যাদি। অদ্রবণীয় উপাদান পড়ে টয়লেটের সাথে বের হয়ে যায়।

সতর্কতাঃ
ইটের গুড়া, কাঠকয়লা, সুমুদ্রের ফেনা(Cat fish), জীবাণু থাকতে পারে, তাই এগুলো মিক্স করার আগে ১/২ ঘণ্টা ভাল করে গরম পানিতে ফুটিয়ে নিতে হবে ।

গ্রিট তৈরির পদ্ধতিঃ
প্রথমে ইটের গুড়া তিন ধরনের চালনি দিয়ে ভাল করে চেলে নিতে হবে। একটি পাত্রে ইটের গুড়া এবং পানি মিশিয়ে চুলার আগুনে এক থেকে দেড় ঘন্টা জাল দিতে হবে। একইভাবে কাঠ কয়লাও পানির সাথে চুলার আগুনে ফুঁটিয়ে নিবেন। এর পর রোদে শুকিয়ে নিতে হবে যাতে কোন ভিজা ভাব না থাকে।

কড়া রোদে শুকানোর পর কাঠকয়লা, সুমুদ্রের ফেনা
(Cat fish), একসাথে ভেঙ্গে মিশাতে হবে। এরপর সেগুলোকে ছোট করে ভেঙ্গে নিতে হবে যাতে গমের মত আকার হয়। পরে পোড়া মাটি, DCP, বিট লবণ মেশাতে হবে।
নিম্নে কোন উপাদান কি পরিমান মেশাতে হবে বর্ণনা করা হলোঃ

পরিমাণঃ
১) চালনি দিয়ে চলার পর ইটের গুড়ো ২০ কেজি।

সুমুদ্রের ফেনা(Cat fish) ১.৫ কেজি(দেড় কেজি)।
২) Dcp ১ কেজি।
(দানাদার USA টা নিবেন)।
৩)পোড়া মাটি ২ কেজি(ঐচ্ছিক বিষয়)।
৪) লাইম স্টোন ৫-৭ কেজি
(অবশ্যই কড়া রোদে ২-৩ দিন শুকিয়ে নিবেন)
৫) বিট লবণ ৫ গ্রাম
৬) কাঠ কয়লা ৪০০ গ্রাম।

পরিমান'টি পছন্দ মত ঠিক করে নিতে পারেন কমবেশি করে।

গ্রিট কিনতে ও পাওয়া যায়।
গ্রিট নিজে তৈরী করে নেয়াই ভালো।
কবুতরকে প্রতিদিন প্রতিবেলা খাবারের পর গ্রিট সরবরাহ করা উচিত। গ্রীট মাঝে মাঝে রোদে শুকাতে দিবেন ( ৫-১০ দিন পর পর ) যাতে পাঙ্গাস বা ছত্রাক না পড়ে।

সতর্কতাঃ
কবুতরকে স্লো পয়জনিং স্যালমোনেলা জীবাণু খাওয়াচ্ছেন নাকি অন্য কিছু

একটি প্রচলিত প্রথা/ধারণা আছে ডিমের খোসা ঝিনুকের গুড়া হাড়ভাঙ্গা গুড়ায় ক্যালসিয়াম থাকে। যেটা কবুতরকে খাওয়ালে কবুতরের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ হয়/ ডিম সুন্দর হয়।

তিনটি পদ্ধতিতে ডিমের খোসা বা ঝিনুকের গুড়া হাড়ের গুড়া কে প্রসেসিং করা হয় কবুতরকে খাওয়ানোর উপযোগী করার জন্য।

প্রথমতঃ
কড়া রোদে শুকিয়ে।
ডিম যখন ভাঙ্গা হয় তখন ডিমের সাদা অংশ অর্থাৎ ক্যালসিয়াম অংশ ডিমের খোসায় লেগে থাকে। ডিম ভাঙার সাথে সাথে ডিমের খোসায় ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে।
ডিমের খোসা যতই কড়া রোদে রাখেননা কেন একটি ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াও মারা যাবে না।

দ্বিতীয়তঃ
গরম পানির মাধ্যমে চুলার আগুনে ফুঁটিয়ে।
ধরে নিলাম চুলার আগুনে জাল দিয়ে সেদ্ধ করে নিয়েছেন অর্থাৎ চুলার আগুনে ফুটন্ত পানিতে ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া মারা গেল।
যেহেতু ডিমের খোসায় খুবই সামান্য সুপ্ত অবস্থায় ক্যালসিয়াম থাকে।
যখন জাল দেওয়া ডিমের খোসা রোদে শুকোতে দিবেন ডিমের খোসায় লেগে থাকা পানি শুকিয়ে যাওয়া মাত্র সাথে সাথে পুনরায় ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ ঘটবে। কারণ ডিমের খোসায় সুপ্ত অবস্থায় ও খোলা অবস্থায় ক্যালসিয়াম থাকে।

তৃতীয়তঃ
পটাশ পানি দিয়ে সিদ্ধ করে।

পটাশ কি খাওয়ার যোগ্য
না পটাশ কখনোই খাওয়ার যোগ্য না। এটা শরীরের বাহিরে চর্ম রোগের জন্য জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
পটাশ এক ধরনের স্লোপয়জনিং
কবুতর যখন পটাশ পানি দিয়ে সেদ্ধ করা ডিমের খোসা ঝিনুকের খোসা বা হাড়ের গুড়া খাবে তখন শরীরের মধ্যে টক্সিন বা বিষ ছড়িয়ে পড়বে এবং ধীরে ধীরে কবুতরের শরীরে তা জমা হতে থাকবে।
কবুতরের ব্রেন এ বা স্নায়ুতন্ত্রে একটা অংশ আছে যে অংশের মাধ্যমে কবুতরের ডানা, পা, ঠোট, গলা এবং পুরো শরীর মুভমেন্ট করে। ব্রেনের সেই অংশের নাম
নিউরো মোটরসাইট।
একটা সময় যখন পর্যাপ্ত পরিমাণে
Neuron এ Toxin ছড়িয়ে পড়বে
তখন ব্রেনের Motor Site ড্যামেজ হয়ে যাবে।
ফলশ্রুতিতে কবুতর যেকোনো সময় Neck paralysis অর্থাৎ গলা বেঁকে যাওয়া বা টাল রোগ হবে।
শুধু তাই না একটি বা দুইটি ডানা প্যারালাইসিস হয়ে যেতে পারে
কবুতরের একটি বা উভয় পা প্যারালাইসিস হয়ে যেতে পারে।

নিয়মিত কবুতরকে ডিমের খোসা খাওয়ালে
অনেক সময় নিজের ডিম ভেঙ্গে ডিমের খোসা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে উঠতে পারে।

ডিমের খোসা, ঝিনুকের গুড়া, হাড়ভাঙ্গা গুড়া'য় যে পরিমাণ ক্যালসিয়াম থাকে তা না খাওয়ালে কবুতর ক্যালসিয়ামের অভাবে ভুকবে না বা এর জন্য কোন রোগ বালাই হবে না।
বরঞ্চ এগুলো নিয়মিত খাওয়ালে কবুতর Neck paralysis
সহ Salmonella রোগেও আক্রান্ত হতে পারে যেমন
চুনা পায়খানা,
সবুজ পায়খানা,
সাথে বমি করতে পারে।
এমনকি কবুতর আপনাকে কোন প্রকার পূর্বাভাস বা লক্ষণ
Syndrome না দিয়েই হুট করে মারা যেতে পারে।
যত ভালো মানের গ্রিট প্রস্তুতকারক হোক না কেন যদি ডিমের খোসা, ঝিনুকের গুড়া, বোন পাউডার বা হাড়ভাঙ্গা থাকে তাহলে উল্লেখিত প্রসেসিং সিস্টেম একই রকম হবে।

কবুতরের ভালো মানের খাবারের দোকানে ডিমের খোসা ঝিনুকের গুড়া ও হাড় ভাঙ্গা গুড়া বাদে কবুতরের গ্রিট তৈরীর জন্য নানারকম উপকরণ পাওয়া যায়। ওগুলো সংগ্রহ করে নিজেই তৈরি করে খাওয়াতে পারেন।

আমার মতে,
কবুতরের দুইটি হৃদযয়
একটি ফ্লাইংজোন
অন্যটি গ্রিট।

কবুতর আমাদের প্রাণের জিনিস ভালোবাসার জিনিস
কবুতরকে ক্যালসিয়ামের নামে কোন প্রকার স্লো পয়জনিং Slow poisoning ও স্যালমোনেলা Salmonella রোগের জীবাণু পরিবেশন করবেন না

Montu Nazmul

বর্ষাতে আপনার কবুতরের জন্য করণীয়লেখক Sir Montu Nazmul বর্ষাই অধিকাংশ কবুতর বিভিন্ন সমস্যায় ভুগে তার মধ্যে অন্যতমঃডাইরি...
31/08/2022

বর্ষাতে আপনার কবুতরের জন্য করণীয়
লেখক Sir Montu Nazmul

বর্ষাই অধিকাংশ কবুতর বিভিন্ন সমস্যায় ভুগে তার মধ্যে অন্যতমঃ
ডাইরিয়া।
চোখে ঠাণ্ডা।
পা অবস বা পেরালাইসিস।
কারন ছাড়া ঝিমানাে।
সর্দি, কাশি ঘরঘর করা,
মুখ হা করে শ্বাস নেয়া, ইত্যাদি। এসব সমস্যা খুবই
সাধারন, আর এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
খেয়াল রাখতে হবে যেন কবুতরের খাদ্দ্যে
পরিমান মত অর্থাৎ 5 থেকে 10 শতাংশ তেলবীজ থাকে,
যেমনঃ তিসি,সরিসা,কুসম ফুলের বিচি,,সূর্যমুখী বিচি ইত্যাদি।
খেয়াল রাখতে হবে খামার যেন শুকনাে থাকে। যদিও এই বর্ষায় এটা কঠিন কাজ, আর এই জন্য প্রয়ােজন হলে বরিক পাউডার ছিটাতে হবে, আর সম্ভব হলে ছােট এক টুকরা কাপড়, পেপার, বা চট দিতে পারেন।
নিয়মিত ক্যালসিয়াম দিতে হবে।
(৪-৫ দিন মাসে,যদি গরম বেড়ে যায় তবে
এর মাত্রা কমিয়ে দিতে হবে বা বন্ধ করে দেয়া যেতে পারে।)
নিয়মিত মাল্টিভিটামিন ও মাল্টি মিনারেলস দিতে হবে।
(৪-৫ দিন মাসে,যদি গরম বেড়ে যায় তবে এর মাত্রা কমিয়ে দিতে হবে বা বন্ধ করে দেয়া যেতে পারে।)

মাসে ২-৩ দিন আলাদা ভাবে রসুন বাঁটা ১ লিটার বিশুদ্ধ পানিতে ১ চামচ মিশিয়ে সাধারন পানির মত কবুতরকে পরিবেশন করতে হবে। এতে কবুতর সালমনেলা মুক্ত থাকবে এবং শরীরও উষ্ণ থাকবে।
যদি কৃমির ঔষধ খাইয়ে থাকেন, তাহলে মধু যােগ
করতে পারেন এর সাথে।
ভিটামিন বি দিন ৩-৪ দিন মাসে
যদি গরম বেড়ে যায় তবে
এর মাত্রা কমিয়ে দিতে হবে, বা বন্ধ করে দেয়া যেতে পারে।)
হোমিও ঔষধ CALCERIA CURB 200 , ৩০-৩৫ ফোটা 1 লিটার বিশুদ্ধ পানির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে মাসে ১—২ বার। (প্রতিরােধ ও সর্দি কাসির জন্য)।
আক্রান্ত ক্ষেত্রে সর্দিকাশির জন্য DULKAMARA 200
4 ফোটা ঔষধ এক চামচ পানির সাথে মিশিয়ে ড্রপার দিয়ে খাইয়ে দিবেন।
দিনে ৩ বার ৪ দিন।
আক্রান্ত ক্ষেত্রে যদি সর্দিকাশির সাথে হালকা শরীর গরম
থাকে হা করে নিঃশ্বাস নেয়, তাহলে RUSH TOX 200
৪-৫ ফোটা এক চামচ পানির সাথে মিশিয়ে ড্রপার দিয়ে খাইয়ে দিবেন।
দিনে ৩ বার ৫-৭ দিন।
সাথে নিচের নিয়মে
পানির বাটিতে স্যালাইন পানি দিয়ে রাখবেন।
1/2 চামচ বিট লবণ
2 চামচ দেশি চিনি
1 চামচ লেবুর রস
1 লিটার ফোটানো বিশুদ্ধ স্বাভাবিক পানির সাথে মিশিয়ে কবুতরকে সাধারণ পানির মতো পরিবেশন করতে হবে। 6 ঘন্টা পর মিশ্রণটি ফেলে দিবেন একটানা 4-5 দিন।

চোখে সমস্যার জন্য যেমনঃ চোখে পেচুটি কাটা
চোখ বন্ধ হয়ে যাওয়া
পানি পড়া ইত্যাদি
যদি পুজ জমে ও চোখ বন্ধ হয়ে যায়। যদি পানি পড়ে ও ফুলে থাকে তাহলে কবুতরের সেনসিটিভিটি টেস্ট করে চিকিৎসা পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।

সর্দিকাশি, ডাইরিয়া ইত্যাদি ভাইরাল সংক্রমণ থেকে হয় তাই অ্যান্টিবায়টিক কোন কাজে আসে না।

সবশেষে বলতে পারি কবুতরের জমানাে খাবার ও
গ্রিটে কোন মতেই যেন ভিজে বা ফাঙ্গাস না ধরে। অতিরিক্ত সাবধানতা হিসেবে কবুতরকে খাবার পরিবেশনের আগে কবুতরের খাবার ফ্রাইপেনে অল্প গরম করে নিবেন। ঠান্ডা করে কবুতরকে পরিবেশন করবেন।

কবুতরকে অবশ্যই চুলার আগুনে পানি ফুটিয়ে বিশুদ্ধ করে তারপর কবুতরকে পরিবেশন করবেন।
অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে কবুতরের খামারে কোন অবস্থাতেই বৃষ্টির পানি প্রবেশ করতে না পারে বা কবুতর না ভিজে।

কবুতরের খামারের সঠিক যত্ন নেন আশাকরি এই বর্ষা অনায়াসে নিশ্চিন্তে পার করতে পারবেন।

Sir Montu Nazmul

ঠান্ডার চিকিৎসা                    1/ Zimax Suspensionবোতলের গায়ে লেখা দেখে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি দিয়ে তৈরি করে নিবেন।...
31/08/2022

ঠান্ডার চিকিৎসা 1/ Zimax Suspension
বোতলের গায়ে লেখা দেখে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি দিয়ে তৈরি করে নিবেন।
প্রথম ঔষধ বোতলের মুখ খোলার পর মেয়াদ সর্বোচ্চ 7 দিন।
দ্বিতীয় ঔষধ বোতলের মুখ খোলার পর মেয়াদ 25 থেকে 30 দিন।
2/ Fexo Syrup
3/ Amodis Syrup
প্রথম ঔষধ 1ML
দ্বিতীয় ঔষধ .5(অর্ধেক এমএল)
তৃতীয় ঔষধ .5(অর্ধেক এমএল)
দুইটি ঔষধ 10 মিলি পানির সাথে মিশিয়ে সিরিঞ্জ দিয়ে খাইয়ে দিবেন(সিরিঞ্জ এর মাথায় বাটারফ্লাই ব্যবহার করবেন, পাওয়া যাবে মানুষের ফার্মেসি)।
সকালে ও রাতে।
7 দিন।

নিজে নিজে খাবার না খেলে
এক চামচ রাইস স্যালাইন ৮০ মিলি পানির সাথে মিশিয়ে চুলার আগুনে জাল দিয়ে সেদ্ধ করে নিবেন।
রাইস স্যালাইন সিরিঞ্জ দিয়ে খাইয়ে দিবেন 3 বেলা।

উল্লেখ্য:
অসুস্থ কবুতরকে ছোলা বুট খাওয়াবেন না এতে হজম করতে পারবে না, ফলে বদহজম হয়ে মারা যাবে।
রাইস স্যালাইন চলাকালীন সময়ে কবুতর সবুজ টয়লেট করে, টয়লেটে পানির পরিমাণ বেশি থাকে (যেকোনো রকম টয়লেট করতে পারে) বমিও করতে পারে। এটা স্বাভাবিক বিষয়। এজন্য অন্য কোন ঔষধ খাওয়ানো যাবে না। ঔষধ কোর্স বন্ধ করা যাবে না।

ঔষধ কোর্স সম্পন্ন হলে লেবু, চিনি, বিট লবণ পানির মিশ্রণ কবুতরের খাচায় সবসময় দিয়ে রাখবেন 6 ঘন্টা পর অবশিষ্ট দ্রবণ ফেলে দিবেন। ছোট ছোট দানাদার খাবার
যেমন খোসাসহ মুগডাল, বাজরা, চার রঙের মিলেট ও ক্যানারিসিড খাবারের বাটিতে দিয়ে রাখবেন সবসময়।
প্রথম এক থেকে দেড় দিন খাবার খাবে না, তারপর অল্প অল্প করে নিজে নিজে খাবার খাবে। যখন স্বাভাবিক খাবার খাবে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে টয়লেট স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

ঔষধ এবং রাইস স্যালাইন পাওয়া যাবে মানুষের ফার্মেসি।

টাল রোগের চিকিৎসা           1/ Neobion Tabletকেচি দিয়ে সমান 6-7 টুকরা করে সকালে ও রাতে এক টুকরা করে খাইয়ে দিবেন হাঁ কর...
31/08/2022

টাল রোগের চিকিৎসা 1/ Neobion Tablet
কেচি দিয়ে সমান 6-7 টুকরা করে সকালে ও রাতে এক টুকরা করে খাইয়ে দিবেন হাঁ করে
খাবারের এক থেকে দেড় ঘন্টা পূর্বে।
3/ Bicozin Tablet
কেচি দিয়ে সমান 4 টুকরা করে সকালে ও রাতে এক টুকরা করে খাইয়ে দিবে না হাঁ করে
4/ Calboplex Tablet
কেচি দিয়ে সমান 7 টুকরা করে
সকালে এক টুকরা
রাতে এক টুকরা হা করে খাইয়ে দিবেন।
ভরা পেটে।
একটানা 15 দিন।

ভালো না হলে তিন দিন ঔষধ বন্ধ রাখবেন। তারপর পুনরায়
একটানা 15 দিন ঔষধ চালিয়ে যাবেন।

ভিটামিন প্রয়োজন পড়লে নিচের যেকোন একটি ঔষধ
Filwel Gold Tablet
অথবা,
Century Forte Tablet
কেচি দিয়ে সমান 4-5 টুকরা করে 3 বেলা এক টুকরা করে খাইয়ে দিবেন হা করে।

কবুতরের কৃমি দমনে নিম পাতা ও কালােজিরার ব্যবহার।প্রথম নিয়মঃউপকরণঃ১) নিম পাতা।২) সমপরিমাণ কালােজিরাতৈরি প্রক্রিয়াঃ নিম ...
31/08/2022

কবুতরের কৃমি দমনে নিম পাতা ও কালােজিরার ব্যবহার।

প্রথম নিয়মঃ
উপকরণঃ
১) নিম পাতা।
২) সমপরিমাণ কালােজিরা
তৈরি প্রক্রিয়াঃ
নিম পাতা ও সমপরিমান
কালােজিরা একত্রে মিহি করে বেটে বা ব্লেন্ডার করতে হবে। খেয়াল রাখবেন মিশ্রণ
যেন নরম না হয়। অতঃপর সেটা হাতের তালুতে নিয়ে ছােট ছােট বল এর আকার
আনতে হবে যেন রৌদ্রে শুখানাের পর
প্রতিটা বল এক একটা ডাবলি বা ট্যাবলেট এর মত
আকার ধারন করে।

খাওয়ানাের নিয়মঃ
প্রতিদিন একটা করে এভাবে তিনদিন
(১টা কবুতর এর জন্য) সকল কবুতরের
জন্য যেমন ; ডিমে রয়েছে বা সাথে বাচ্চা(এক থেকে ১৫ দিনের বয়সের বাচ্চা আছে এমন করে খাওয়ানো যাবে না)
রয়েছে এদের কেউ খাওয়ানাে যাবে।

দ্বিতীয় নিয়মঃ
উপকরণঃ
১) নিমপাতা ৩১/৪১
২) এক লিটার পানি
তৈরি প্রক্রিয়াঃ
এক লিটার পানিতে ৩১/৪১ টি নিমপাতা দিয়ে পানি চুলার আগুনে জাল করতে হবে, পানির রং পরিবর্তন হলে বা নিম পাতা পাকা জলপাই রং ধারণ করলে তা চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

খাওয়ানাের নিয়মঃ
প্রতিটা কবুতর কে ৫ মিলি করে পর পর
তিন দিন।
অথবা সরাসরি পানি হিসেবে কবুতরকে পরিবেশনকরুন।

উল্লেখ্যঃ এতে কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া
নেই,কৃমির ডিম পর্যন্ত বের হয়ে যাবে।
পরবর্তীতে সপ্তাহে একদিন নিম পাতার
পানি কবুতরকে খেতে দিন, ১০/১১ টি
নিমপাতা ১ লিটার পানিতে।

কবুতর জিমিয়ে থাকলে করনিও  👇👇👇                                  1/ Nitazox Suspension3 দিন বোতলের গায়ে লেখা দেখে নির্দিষ...
31/08/2022

কবুতর জিমিয়ে থাকলে করনিও 👇👇👇 1/ Nitazox Suspension
3 দিন
বোতলের গায়ে লেখা দেখে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি দিয়ে তৈরি করে নিবেন।
ঔষধ বোতলের মুখ খোলার পর মেয়াদ সর্বোচ্চ 7 দিন।
2/ Ciprol Suspension
5-6 দিন
প্রথম ঔষধ .5(অর্ধেক এমএল)
দ্বিতীয় ঔষধ 1 ML

দুইটি ঔষধ 10 মিলি পানির সাথে মিশিয়ে সিরিঞ্জ দিয়ে খাইয়ে দিবেন(সিরিঞ্জ এর মাথায় বাটারফ্লাই ব্যবহার করবেন, পাওয়া যাবে মানুষের ফার্মেসি)।
সকালে ও রাতে।

নিজে নিজে খাবার না খেলে
এক চামচ রাইস স্যালাইন ৮০ মিলি পানির সাথে মিশিয়ে চুলার আগুনে জাল দিয়ে সেদ্ধ করে নিবেন।
রাইস স্যালাইন সিরিঞ্জ দিয়ে খাইয়ে দিবেন 3 বেলা।

উল্লেখ্য:
অসুস্থ কবুতরকে ছোলা বুট খাওয়াবেন না এতে হজম করতে পারবে না, ফলে বদহজম হয়ে মারা যাবে।
রাইস স্যালাইন চলাকালীন সময়ে কবুতর সবুজ টয়লেট করে, টয়লেটে পানির পরিমাণ বেশি থাকে (যেকোনো রকম টয়লেট করতে পারে) বমিও করতে পারে। এটা স্বাভাবিক বিষয়। এজন্য অন্য কোন ঔষধ খাওয়ানো যাবে না। ঔষধ কোর্স বন্ধ করা যাবে না।

ঔষধ কোর্স সম্পন্ন হলে লেবু, চিনি, বিট লবণ পানির মিশ্রণ কবুতরের খাচায় সবসময় দিয়ে রাখবেন 6 ঘন্টা পর অবশিষ্ট দ্রবণ ফেলে দিবেন। ছোট ছোট দানাদার খাবার
যেমন খোসাসহ মুগডাল, বাজরা, চার রঙের মিলেট ও ক্যানারিসিড খাবারের বাটিতে দিয়ে রাখবেন সবসময়।
প্রথম এক থেকে দেড় দিন খাবার খাবে না, তারপর অল্প অল্প করে নিজে নিজে খাবার খাবে। যখন স্বাভাবিক খাবার খাবে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে টয়লেট স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

ঔষধ এবং রাইস স্যালাইন পাওয়া যাবে মানুষের ফার্মেসি।

চুনা সবুজ পায়খানার জিম দিয়ে বসে থাকে। 1/ Toza Suspension3 দিন বোতলের গায়ে লেখা দেখে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি দিয়ে তৈরি কর...
31/08/2022

চুনা সবুজ পায়খানার জিম দিয়ে বসে থাকে। 1/ Toza Suspension
3 দিন
বোতলের গায়ে লেখা দেখে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি দিয়ে তৈরি করে নিবেন।
ঔষধ বোতলের মুখ খোলার পর মেয়াদ সর্বোচ্চ 7 দিন(ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে সর্বোচ্চ 10 দিন)।
2/ Ciprol Suspension
5-6 দিন
প্রথম ঔষধ .5(অর্ধেক এমএল)
দ্বিতীয় ঔষধ 1 ML

দুইটি ঔষধ 10 মিলি পানির সাথে মিশিয়ে সিরিঞ্জ দিয়ে খাইয়ে দিবেন(সিরিঞ্জ এর মাথায় বাটারফ্লাই ব্যবহার করবেন, পাওয়া যাবে মানুষের ফার্মেসি)।
সকালে ও রাতে।

নিজে নিজে খাবার না খেলে
এক চামচ রাইস স্যালাইন ৮০ মিলি পানির সাথে মিশিয়ে চুলার আগুনে জাল দিয়ে সেদ্ধ করে নিবেন।
রাইস স্যালাইন সিরিঞ্জ দিয়ে খাইয়ে দিবেন 3 বেলা।

উল্লেখ্য:
অসুস্থ কবুতরকে ছোলা বুট খাওয়াবেন না এতে হজম করতে পারবে না, ফলে বদহজম হয়ে মারা যাবে।
রাইস স্যালাইন চলাকালীন সময়ে কবুতর সবুজ টয়লেট করে, টয়লেটে পানির পরিমাণ বেশি থাকে (যেকোনো রকম টয়লেট করতে পারে) বমিও করতে পারে। এটা স্বাভাবিক বিষয়। এজন্য অন্য কোন ঔষধ খাওয়ানো যাবে না। ঔষধ কোর্স বন্ধ করা যাবে না।

ঔষধ কোর্স সম্পন্ন হলে লেবু, চিনি, বিট লবণ পানির মিশ্রণ কবুতরের খাচায় সবসময় দিয়ে রাখবেন 6 ঘন্টা পর অবশিষ্ট দ্রবণ ফেলে দিবেন। ছোট ছোট দানাদার খাবার
যেমন খোসাসহ মুগডাল, বাজরা, চার রঙের মিলেট ও ক্যানারিসিড খাবারের বাটিতে দিয়ে রাখবেন সবসময়।
প্রথম এক থেকে দেড় দিন খাবার খাবে না, তারপর অল্প অল্প করে নিজে নিজে খাবার খাবে। যখন স্বাভাবিক খাবার খাবে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে টয়লেট স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

ঔষধ এবং রাইস স্যালাইন পাওয়া যাবে মানুষের ফার্মেসি।

মুখের ভিতরে গা অসুস্থ কবুতর দ্রুত খামার থেকেযতটা দূরে সম্ভব খাঁচায় রেখে চিকিৎসা করবেন।  1/ Ancef Forte Suspensionবোতলের...
31/08/2022

মুখের ভিতরে গা অসুস্থ কবুতর দ্রুত খামার থেকে
যতটা দূরে সম্ভব খাঁচায় রেখে চিকিৎসা করবেন।

1/ Ancef Forte Suspension
বোতলের গায়ে লেখা দেখে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি দিয়ে তৈরি করে নিবেন।
প্রথম ঔষধ বোতলের মুখ খোলার পর মেয়াদ সর্বোচ্চ 7 দিন(ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে সর্বোচ্চ 10 দিন)।
দ্বিতীয় ঔষধ বোতলের মুখ খোলার পর মেয়াদ 25 থেকে 30 দিন।
2/ Acitrin Syrup
প্রথম ঔষধ 1.5 ML
দ্বিতীয় ঔষধ .5 ML(অর্ধেক এমএল)
10 মিলি পানির সাথে মিশিয়ে সিরিঞ্জ দিয়ে খাইয়ে দিবেন(সিরিঞ্জ এর মাথায় বাটারফ্লাই ব্যবহার করবেন, পাওয়া যাবে মানুষের ফার্মেসি)।
সকালে ও রাতে।
7 দিন।
Chlormet Eye Ear Drops
এক ফোঁটা করে তিন বেলা চোখে
7 দিন

নিজে নিজে খাবার না খেলে
এক চামচ রাইস স্যালাইন 70 মিলি পানির সাথে মিশিয়ে চুলার আগুনে জাল দিয়ে সেদ্ধ করে নিবেন।
রাইস স্যালাইন সিরিঞ্জ দিয়ে খাইয়ে দিবেন 3 বেলা।

উল্লেখ্য:
অসুস্থ কবুতরকে ছোলা বুট খাওয়াবেন না এতে হজম করতে পারবে না, ফলে বদহজম হয়ে মারা যাবে।
রাইস স্যালাইন চলাকালীন সময়ে কবুতর সবুজ টয়লেট করে, টয়লেটে পানির পরিমাণ বেশি থাকে (যেকোনো রকম টয়লেট করতে পারে) বমিও করতে পারে। এটা স্বাভাবিক বিষয়। এজন্য অন্য কোন ঔষধ খাওয়ানো যাবে না। ঔষধ কোর্স বন্ধ করা যাবে না।

ঔষধ কোর্স সম্পন্ন হলে লেবু, চিনি, বিট লবণ পানির মিশ্রণ কবুতরের খাচায় সবসময় দিয়ে রাখবেন 6 ঘন্টা পর অবশিষ্ট দ্রবণ ফেলে দিবেন। ছোট ছোট দানাদার খাবার
যেমন খোসাসহ মুগডাল, বাজরা, চার রঙের মিলেট ও ক্যানারিসিড খাবারের বাটিতে দিয়ে রাখবেন সবসময়।
প্রথম এক থেকে দেড় দিন খাবার খাবে না, তারপর অল্প অল্প করে নিজে নিজে খাবার খাবে। যখন স্বাভাবিক খাবার খাবে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে টয়লেট স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

ঔষধ এবং রাইস স্যালাইন পাওয়া যাবে মানুষের ফার্মেসি।

Address

West Bagura Road. Munsir Garej. Kabi Jibanananda Das Sarok. Barisal City Bangladesh কবুতরের চিকিৎসা বিষয় পরামর্শ কেন্দ্র" পাশে আছি সাথেই থাকুন ।
Barishal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ᏰᎯᏒᎨᏕᎯᏝ ᎰᎯᏁᏨᎽ ᏢᎨᎶᎬᎾᏁ ᎰᎯᏒᎷ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share