Concrete Building Design & Engineering Lab,Barisal.

Concrete Building Design & Engineering Lab,Barisal. ABOUT OUR FIRM

Concrete Building Design & Engineering Lab is one of the pioneers in Consultancy

31/12/2025

" সব না-পাওয়া থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন বছরে এগিয়ে চলি। আজকের রাত হোক শান্তির, আগামিকাল হোক স্বপ্নপূরণের" ।

♥️🎁Happy New Year-2026 ♥️🎁

16/12/2025

একটা বিল্ডিং প্রজেক্টের কত পার্সেন্ট প্রোগ্রেস কিভাবে হিসাব করবেন?
========================================
একটা বিল্ডিং প্রজেক্টের বিভিন্ন অংশের কোনটির কত পার্সেন্টে মিলে মোট ১০০% হয়, এই তথ্য জানা থাকলে সহজেই আপনার প্রজেক্টের প্রোগ্রেস কত পার্সেন্ট সেটা জানতে পারবেন। এছাড়াও প্রজেক্ট শেষ হতে আরো কত সময় লাগবে কিংবা আরো কত টাকা খরচ হতে পারে ইত্যাদি বিষয় সহজে বের করতে পারবেন।

ধরুন আপনার বিল্ডিং কাজের সম্পূর্ণ স্ট্রাকচারাল কাজ যদি শেষ হয়ে থাকে তাহলে বলা যেতে পারে মোট কাজের ৩৫% শেষ হয়েছে।
কিংবা ধরুন স্ট্রাকচারাল কাজের মধ্যে শুধু ফুটিং ও শর্ট কলাম এর কাজ শেষ হয়েছে তাহলে বলতে পারেন স্ট্রাকচারাল কাজের ২০% শেষ হয়েছে।

এভাবে যেকোন অংশের কাজের শেষে প্রোগ্রেস বের করতে পারবেন

বিস্তারিতঃ
=======
বিল্ডিং এর বিভিন্ন অংশের কোনটি কত পার্সেন্ট কাজ বহন করে:
1. Structure = 35%
2. Brick work = 6%
3. Wood work = 5%
4. Metal work = 2%
5. Plambing and Sanitary = 6%
6. Electrical work = 7%
7. Plaster work = 4%
8. General Floor Tiles work = 6%
9. Toilet & Kit wall Tiles work = 3%
10. Aluminium work = 4%
11. Lift,Generator,Substation=10%
12. Paint work = 3%
13. Others civil work = 6%
14. Utility connection & Bill = 3%
Total = 100%

এবার আসুন স্ট্রাকচার অংশের যে ৩৫% বলা হলো, সেই ৩৫% অংশের মধ্যে আবার বিভিন্ন অংশের কোনটা কত পার্সেন্ট দেখা যাক।
✔️STRUCTURE : 35%
- Footing & Column Padestal = 20%
- Grade Beam, UGWR top Slab = 5%
- GF Column, Stair etc = 4%
- 1st Floor Slab = 9%
- Typical Floor Column (5x3%) = 15%
- 2nd floor slab to roof slab (5x8) = 40%
- Roof top = 7%
TOTAL = 100% (মোট অংশের 35%)

✔️BRICK WORK : 6%
- GF Brick work = 6%
- 1st floor Brick work = 18%
- 2nd floor Brick work = 18%
- 3rd floor Brick work = 18%
- 4th floor Brick work = 18%
- 5th floor Brick work = 18%
-Roof Top Brick work = 4%
TOTAL = 100% (মোট অংশের 6% )

✔️WOOD WORK : 5%
- Door frame = 40%
- Main Door Shutter = 15%
- Partex Door Shutter = 35%
- Cat Door & Accessories = 10%
TOTAL = 100% (মোট অংশের ৫% )

✔️METAL WORK ~ 2%
- Window grill = 55%
- Verandah Railling = 20%

21/11/2025

ফেয়ার ফেস কংক্রিট এর বিস্তারিত
------------------------------------------------------------------------
ফেয়ার ফেস কংক্রিট বলতে ঐ কংক্রিট কে বুঝানো হয়, যেটার ফর্মওয়ার্ক খুলে ফেলার পর সরফেসটা এতটাই মসৃণ হয় যে সেটাকে নতুন করে ফিনিশিং করার জন্য প্লাস্টারের প্রয়োজন পরে না।

সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র উভয় ডিজাইনেই সৌন্দর্য ও দীর্ঘস্থায়িত্বের কথা বিবেচনা করে ম্যাটেরিয়ালসের নানান পরিবর্তন-পরিবর্ধন, সংযোজন-বিয়োজন ও নতুনত্ব যোগ হচ্ছে। তেমনি একটি ম্যাটেরিয়ালস ‘ফেয়ার ফেস প্লাস্টার’। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার ইন্টেরিয়র ও এক্সটেরিয়র উভয় স্থানেই ব্যবহার করা যায়। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার ব্যবহার করলে আর নতুন করে পেইন্ট করতে হয় না। এটি দেখতে সুন্দর এবং দীর্ঘস্থায়ী।

🔹ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কিভাবে তৈরি
ফেয়ার ফেস হচ্ছে, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিমেন্ট বেইজ এক ধরনের প্লাস্টার। এটি মূলত ৬০ শতাংশ সাদা সিমেন্ট ও ৪০ শতাংশ গ্রে সিমেন্ট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোন চিপসের সমন্বয়।

🔹ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজ
ইটের শুকনো দেয়ালে ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের আস্তর লাগাতে হয়। সাধারণ বালু সিমেন্টের আস্তর করার মতোই ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের আস্তর করতে হয়। সাধারণ প্লাস্টার করার পরও ফেয়ার ফেস প্লাস্টার করা যায়। সে ক্ষেত্রে সাধারণ প্লাস্টারকে রাফ করে নিতে হয়।

🔹স্থায়িত্ব
ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের পুরুত্ব ৮ মিলিমিটার। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার দেখতে উজ্জ্বল ছাই রঙা ধরনের। সিমেন্ট বেইজ হওয়ায় এটি অত্যন্ত মসৃণ ও গ্লসি হয়ে থাকে। একবার ব্যবহার করলে সারাজীবন চলে। সাধারণত ২০-৩০ বছরের স্থায়িত্বের গ্যারান্টিতে ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজ করা হয়।

🔹গ্রুভ
ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র উভয় স্থানেই ব্যবহার করা গেলেও এক্সটেরিয়েরই ব্যবহার করা হয় বেশি। ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজ করার সময় ইচ্ছে অনুযায়ী গ্রুভ ব্যবহার করা যায়। সাধারণত প্রতি ২ ফিট পর পর ১-২ ইঞ্চি গ্রুভ ব্যবহার করা হয়। ইচ্ছে করলে এর কম-বেশিও করা যায়।

🔹কিউরিং
ফেয়ার ফেস প্লাস্টার কাজ করার পর তিন থেকে সাত দিন কিউরিং করলে ভালো হয়। আস্তরে চুল ছেঁড়া দাগ হয় না।

🔹বাংলাদেশে কোথায় পাবেন?
বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি দেশের ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের প্রিমিক্স পাউডার পাওয়া যায়।
যেগুলো হচ্ছে দুবাইয়ের কনমিক্স, জার্মানির বিএসএফ, ভারতের ড. ফিক্সিট ও ফসরক।
তবে দুবাইয়ের কনমিক্স কোম্পানি বেশ সুনামের সাথে তাদের কনস্ট্রাকশন কেমিক্যাল বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মার্কেটিং করে আসছে।
টাইলসের বড় শোরুমগুলোতে খোঁজ করলেও ফেয়ার ফেস প্লাস্টার পাওয়া যাবে।

🔹মূল্য
সাধারণত প্রতিবর্গ ফুট ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা মূল্যে কাজ করা যায়। তবে হাইরাইজ বিল্ডিংয়ের বাইরে কাজ করতে স্ক্যাফোল্ডিং( মাচা ) তৈরি করতে হয়। মাচা বাবদ আরো পাঁচ টাকা লাগতে পারে।

দেখতে অত্যন্ত মসৃণ, আভিজাত্য ও অনন্য সুন্দর হওয়ায় বাংলাদেশে এর চাহিদা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। ঢাকা শহরের অভিজাত এলাকায় অনেক বিল্ডিংয়েই ব্যবহৃত ফেয়ার ফেস প্লাস্টার আপনার নজর কাড়বে। এটি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি চলে যুগের পর যুগ।

26/10/2025

বসুন্ধরা এম ব্লকে ছাদ ধসের ঘটনা একটি সতর্কবার্তা বিশেষ করে সকল প্রকৌশলীদের জন্য।

গতরাতে বসুন্ধরাএম ব্লকের রোড ৪৩/এ-তে একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনের ছাদের সেন্টারিং ফেইল করে (Centering Failure) এর কারণে ঢালাই শেষ হবার প্রায় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পর স্ল্যাব ভেঙে পড়ে।

আলহামদুলিল্লাহ কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
তবে এই ঘটনা আমাদের আবারও মনে করিয়ে দিল, সেন্টারিং ও ফর্মওয়ার্ক চেক করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় —
আমাদের দেশে অনেক ব্যক্তিমালিকানাধীন (Private Owner) প্রোজেক্ট, যেখানে কোনো অনুমোদিত প্রকৌশলী (Registered Engineer) নির্মাণ তত্ত্বাবধানে রাখে না।

▫️সম্ভাব্য কারণসমূহঃ-
১। অপর্যাপ্ত সাপোর্ট বা প্রপ (Prop) বসানো।
পর্যাপ্ত স্পেসিং না থাকলে লোড সঠিকভাবে ট্রান্সফার হয় না।
২। নিম্নমানের সেন্টারিং ম্যাটেরিয়াল।
বাঁশ বা কাঠের বীম দুর্বল হলে ঢালাইয়ের লোড নিতে পারে না।
৩। ঢালাইয়ের সময় অতিরিক্ত লোড
কংক্রিট একসাথে বেশি জায়গায় ঢাললে ওজন অসমভাবে পড়তে পারে।
৪। অপর্যাপ্ত ব্রেসিং (Bracing)
পাশের সাপোর্ট দুর্বল হলে হরাইজন্টাল ফোর্সে ফর্মওয়ার্ক দুলে যায়।
৫। ঢালাই পরবর্তী আগাম সেন্টারিং খুলে ফেলা বা কম্পন
ঢালাই শেষে পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে বা আশেপাশে কম্পনের কারণে ধস হতে পারে।

▫️সমাধান ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাঃ-
১। ঢালাইয়ের আগে প্রত্যেক প্রকল্পে Form work Check list ফলো করা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
২। Level, Alignment ও Verticalityচেক করে সাইট ইঞ্জিনিয়ার এর সাইন না পাওয়া পর্যন্ত ঢালাই শুরু করা যাবে না।
৩। সাইট ইঞ্জিনিয়ার ও সুপারভাইজার উভয়কেই Load Calculation & Spacing Chart অনুযায়ী প্রপ বসানোর নির্দেশ দিতে হবে।
৪। ঢালাই চলাকালীন Supervision Team কে প্রতিনিয়ত সেন্টারিং মনিটর করতে হবে।
৫। ঢালাই শেষে অন্তত ২৪–৩৬ ঘণ্টা সেন্টারিং না খুলে রাখা বাধ্যতামূলক।
৬। Quality Control এবং Safety Engineer কে Pre-Pour Inspection Report দিতে হবে।
৭। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের (RAJUK, PWD ইত্যাদি) অনুমোদন ছাড়া কোনো স্ট্রাকচারাল কাজ শুরু না করা উচিত।

শিক্ষণীয় বিষয়:
এই ধরনের ঘটনা শুধু কাঠামোগত ক্ষতি নয় এটি আমাদের প্রকৌশল চর্চার মান নিয়ন্ত্রণের ওপর প্রশ্ন তোলে।
প্রতিটি প্রকল্প ইঞ্জিনিয়ারের দায়িত্ব, ঢালাই শুরু করার আগে“শতভাগ সেন্টারিং ঠিক আছে কিনা চেক দেওয়া”এবং Quality Assuranceনিশ্চিত করা।
একজন প্রকৌশলীর উপস্থিতি মানে শুধু নকশা নয়, বরং নিরাপত্তার নিশ্চয়তা। একটি ছোট ভুল সিদ্ধান্ত বা সামান্য অবহেলা পুরো কাঠামোকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিতে পারে। প্রতিটি মালিক, কন্ট্রাক্টর ও প্রকৌশলীর উচিত সঠিক পেশাদার ইঞ্জিনিয়ারের তত্ত্বাবধানে কাজ শুরু করা এবং সেন্টারিং, ফর্মওয়ার্ক, রডবাইন্ডিং, ও ঢালাইয়ের প্রতিটি ধাপে কোয়ালিটি চেক নিশ্চিত করা।

একজন ইঞ্জিনিয়ারের সঠিক সিদ্ধান্তই পারে
একটি ভবনকে ধস থেকে, আর একটি জীবনকে বিপদ থেকে রক্ষা করতে।

21/07/2025

মাঠে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সামগ্রী পরীক্ষার নিয়মাবলীঃ-
-----------------------------------------------------------------------
🔹পাথর পরীক্ষাঃ-
১। ৩/৪” ডাউন সাইজ ঠিক আছে কিনা
২। ওয়েল গ্রেডেড পরীক্ষা করতে হবে ( অর্থাৎ ৬০% হবে ৩/৪” , ৩০% হবে ১/২” এবং পাই ১০% )
৩। বোল্ডার হইতে পাথর ভাংগা কিনা
৪। সিঙ্গেল থাকবে না বা সিঙ্গেল হইতে ভাংগা হবে না
৫। কাদা মুক্ত পাথর হতে হবে
৬। মরা পাথর থাকবে না (অপেক্ষাকৃত কম হাল্কা পাথর মরা পাথর বলে)
৭। এক ঘনফুট পাথরের ওজন ১৬০ থেকে ১৭০ পাউন্ড হতে হবে ।

🔹বালি পরীক্ষাঃ-
-১। শুকনা বালি এক হাতের তালুতে রেখে অন্য হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুল কয়েক বার ঘসে হাতের বালি ফেলে দেই। যদি হাতের তালুতে বালি লেগে থাকে তাহলে বালিতে মাটির উপস্থিতি বুঝা যায়।
২। কাচের গ্লাসে এক ভাগ বালি ও তিন ভাগ মিশালে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে সব বালি নিচে পরে যায় এবং উপরে স্বচ্ছ পানি থাকে তাহলে বালি ভালো।
৩। বালির স্তুপের উপরে পানি স্প্রে করলে কাদা বা জৈব পদার্থের উপস্থিতি বুঝা যায় ।
৪। প্রথমে ৩% সোডিয়াম হাইড্রো অক্সাইড (৩ গ্রাম সোডিয়াম হাইড্রো অক্সাইড কচের গ্লাসে রেখে পানি দিতে দিতে ১০০ মিলি দাগ পর্যন্ত ) এর সলিউশন ও বালি উত্তমরুপে মিশিয়ে ২৪ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে । যদি পানির রঙ গাড় হলুদ বর্ণ হয় তবে বালিতে জৈব পদার্থের উপস্থিতি আছে বুজতে হবে ।

🔹সিমেন্ট পরীক্ষাঃ-
১। এক মুঠো সিমেন্ট দিয়ে যদি পিন্ড করানো যায় তবে সিমেন্ট ভাল।
২। সিমেন্ট ব্যাগে যদি দুই আঙ্গুল ঢুকালে ঠাণ্ডা অনুভব হয় তাহলে সিমেন্ট ভাল।
৩। এক গ্লাস পানিতে এক মুঠো সিমেন্ট ছেড়ে দেই যদি ডুবে যায় তাহলে সিমেন্ট ভাল ।
৪। এক মুষ্টি সিমেন্ট পানির মধ্যে ধরি , যদি কিছুখন পর গরম অনুভুতি হয় তাহলে সিমেন্ট ভাল।

🔹ইট পরীক্ষাঃ-
১। ভাল ইট ৯-১/২” × ৪-১/২” × ২-৩/৪” আদর্শ সাইজের হবে, (Edge) গুলো তীক্ষ্ণ হবে এবং সমস্ত হবে ।
২। দুইটি ইট পরস্পর আঘাত করলে মেটালিক সাউন্ড হবে।
৩। দুইটি ইটের সাহায্যে টি ( T ) গঠন করে ৫ ফুট উপর হতে সমতল ও শক্ত ভুমির উপর ফেলে দিলে যদি না ভাঙ্গে তবে ইট ভাল। একটি ইট পানিতে ভিজালে উহা তার নিজস্থ ওজনের হায়েস্ট ১৫%-২০% পানি শোষণ করবে , ইটের ন্যূনতম ওজন ৫-৬ পাউন্ড হবে ।

02/05/2025

বিকেলের সূর্যে কি এমন মিশানো হয়, যা দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়।

বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন? এই পোষ্ট অবশ্যয় টাইমলানে রেখে দিন  নির্মাণ কাজে সহযোগী হবে আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথ...
15/04/2025

বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন?
এই পোষ্ট অবশ্যয় টাইমলানে রেখে দিন নির্মাণ কাজে সহযোগী হবে
আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথা গোজার স্থান না হয়। আপনার বাড়ি করতে হবে ভেবে চিন্তে প্রকৌশলীর পরামর্শে। বাড়ি করার পূর্বে মূল শর্ত হলো প্ল্যানিং। প্ল্যান করে বাড়ি করা হলে আপনি আপনার জমির সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবেন ।

বাড়ি করার ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।

* বিভিন্ন রুমের আদর্শ এবং সর্বনিম্ন মাপ
* রুমের অবস্থান
* সৌন্দর্য
* পর্যাপ্ত আলো বাতাস এর সুব্যাবস্থা
* নিরাপত্তা
* ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
* আপনার এলাকার নিয়ম অনুযায়ী কতটুকু জমি ছেড়ে বাড়ি করতে হবে , তার পরিমাণ ।
★★ রুমে মাপ এবং অবস্থানঃ

#বেড_রুম :
বেড রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ১০ ফিট বাই ১২ ফিট।
~অবস্থান : যেদিকে সর্বোচ্চ ন্যাচারাল গিফট পাওয়া যাবে অর্থাৎ পর্যাপ্ত আলো বাতাস যেদিকে পাওয়া যায়। যেনো ব্যালকনি তে বসলেই ভেসে আসে দখিনা বাতাস । তবে সাধারণত একটা বিল্ডিং এর কর্ণার সাইডে বেড রুম দেওয়া হয় । এক বেড রুম থেকে আরেক বেড রুমের দূরত্ব বা অবস্থান এমন হবে যেন সম্পূর্ণ প্রাইভেসি বজায় থাকে। অর্থাৎ এক রুমের থেকে অন্য রুমের ভ্যান্তরীন দৃশ্য সহজেই দৃষ্টি-গোচর হবে না ।
#গেষ্ট_রুম :
গেস্ট রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই নয় ফিট
~অবস্থান : সিঁড়ির কাছাকাছি ।
#ডায়নিং :
ডায়নিং রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই দশ ফিট
~অবস্থান :রান্না ঘরের পাশে হলে ভাল হয় ।
#বাথরুম_টয়লেট :
বাথ রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত
ছয় ফিট বাই চার ফিট ।
~অবস্থান :
কমন বাথরুম হলে সবাই যাতে সহজেই ব্যাবহার করতে পারে এমন স্থানে ।
টয়লেটে অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করবেন । এটা এয়ার ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে টয়লেটের দূর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি আপনার টয়লেট এর ফ্লোর শুকনা রাখবে ।
#কিচেন :
কিচেন রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই সাত ফিট
~অবস্থান :
কিচেনে রান্নার সময় রান্নার গ্যাস বা ধোয়া যেন অন্য রুমে প্রবেশ না করতে পারে ।
রান্না ঘরের পরিবেশ ফ্রেস রাখার জন্য, কিচেনেও এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করা উচিত ।
#ব্যালকনি :
চওড়া তিন ফিটের কম নয় ।
#সিড়ি :
আট ফিট চওড়া হলে ভাল হয় অবস্থান : মেইন রাস্তার পাশে অথবা রাস্তা থেকে সর্বনিম্ন দূরত্বে।

বাড়ি করার ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন আর্কিটেক্ট এর মাধ্যমে বাড়ির প্ল্যান এবং একজন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এর মাধ্যমে বাড়ির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করা উচিত। এছাড়া মোটামুটি এইসব ধারনা গুলো নিয়ে আপনি আর্কিট্যাক্ট ও ইঞ্জিনিয়ার এর সাথেও আপনার চাহিদা শেয়ার করতে পারেন ।
৬/৭ তলা বিল্ডিং এর জন্য প্রয়োজনীয় হিসাব নিকাশ
অবশ্যই আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন। A TO Z
১। আর সি সি (১:২:৪) ইটের খোয়া ৫০% সিলেট বালি,পিকেট = ৮৬০ পিচ,সিলেট বালি = ২২.৫০ ঘনফুট
২। ইটের সোলিং ১০০ বর্গফুট,ইট= ৩০০ পিচ,বালি = ৫ ঘনফুট
৩।৫" ইটের গাথুনী (১:৪) ১০০বর্গফুট, ইট = ৫০০ পিচ
লোকাল বালি = ১৭ ঘনফুট ,সিমেন্ট = ২.৬০ ব্যাগ
৪। ইটের এজিং ১০০ রানিং ফুট ইট = ২৫০ পিচ
৫। আর সি সি (১:১.৫:৩) পাথর, ১০০%সিলেট বালি,পাথর = ৮২ ঘনফুট
সিলেট বালি = ৪১ ঘনফুট,সিমেন্ট = ২১ ব্যাগ
৬। আর সি সি (১:১.৫:৩) পাথর ৫০%,সিলেট বালি ,পাথর = ৮২ ঘনফুট

সিলেট বালি = ২০.৫০ ঘনফুট,লোকাল বালি = ২০.৫০ ঘনফুট সিমেন্ট = ২১ ব্যাগ

# # # #******★
বিল্ডিং যদি জি+৬ সাত তলা হয়- ১০০ ঘনফুট ও বর্গফুট কাজ করতে উল্লেখিত মালামাল সমূহ প্রযোজন হয়। তবে এগুলো আপেক্ষিক একটি ধারণা মাত্র। যে কোন কিছুতে এগুলো পরিবর্তনশীল...
# # # # # # #★★

৭। আর সি সি (১:২:৪) পাথর ৫০% সিলেট বালি,পাথর = ৮৬ ঘনফুট
সিলেট বালি = ২২.৫০ ঘনফুট, লোকাল বালি = ২২.৫০ ঘনফুট ,সিমেন্ট = ১৮ ব্যাগ
৮। ২০ মিমি প্লাষ্টার (১:৩) ১০০ বর্গফুট বালি = ৬.২৫ ঘনফুট সিমেন্ট = ২.৫০ ব্যাগ
৯। বালি ভরাট ১০০ ঘনফুট, বালি = ১৩০ ঘনফুট
লোকাল বালি = ২২.৫০ ঘনফুট, সিমেন্ট = ১৮ ব্যাগ
১০। ১২ মিমি প্লাষ্টার (১:৩) ১০০ বর্গফুট বালি = ৪.৬৯ ঘনফুট সিমেন্ট = ১.২৫ ব্যাগ
১১। ১২ মিমি প্লাষ্টার (১:৪) ১০০ বর্গফুট বালি = ৫.০০ ঘনফুট সিমেন্ট = ১.০০ ব্যাগ
১২। ১০" ইটের গাথুনী (১:৬) ১০০ মনফুট, ইট = ১১৫০ পিচ
লোকাল বালি = ৩৬ ঘনফুট, সিমেন্ট = ৪ ব্যাগ
১৩। হেরিং বন্ড সোলিং ১০০ বর্গফুট ,ইট = ৫০০ পিচ
১৪। আর সি সি (১:২:৪) ইটের খোয়া ১০০% লোকাল বালি,পিকেট = ৮৬০ পিচ
লোকাল বালি = ৪৫.০০ ঘনফুট ,সিমেন্ট = ১৮ ব্যাগ
১৫। আর সি সি (১:৩:৬) ইটের খোয়া ১০০% লোকাল বালি,পিকেট = ১০০ পিচ
লোকাল বালি = ৪৫.০০ মানফুট, সিমেন্ট = ১২ ব্যাগ
১৬। ১২ মিমি প্লাষ্টার (১:৫) ১০০ বর্গফুট বালি = ৫.২১ ঘনফুট সিমেন্ট = ০.৮৩ ব্যাগ
১৭। ১২ মিমি প্লাষ্টার (১:৬) ১০০ বর্গফুট বালি = ৫.৩৬ ঘনফুট সিমেন্ট = ০.৭১ ব্যাগ
১৮। আর সি সি (১:১.৫:৩) ইটের খোয়া ,৫০% সিলেট বালি,সিকেট = ৮২০ পিচ
সিলেট বালি = ২০.৫০ ঘনফুট,লোকাল বালি = ২০.৫০ ঘনফুট সিমেন্ট = ২১ ব্যাগ
১৯। ২০ মিমি প্লাষ্টার (১:৪) ১০০ বর্গফুট বালি = ৭.৫০ ঘনফুট সিমেন্ট = ১.৫০ ব্যাগ
২০। ২০ মিমি প্লাষ্টার (১:৫) ১০০ বর্গফুট বালি = ৭.৮১ ঘনফুট সিমেন্ট = ১.২৫ ব্যাগ
২১। ২০ মিমি প্লাষ্টার (১:৬) ১০০ বর্গফুট বালি = ৮.০০ ঘনফুট সিমেন্ট = ১.০৭ ব্যাগ
২২। ২৫ মিমি প্লাষ্টার (১:৩) ১০০ বর্গফুট, বালি = ৯.৩৭ ঘনফুট সিমেন্ট = ২.৫০ ব্যাগ
২৩। ২৫ মিমি প্লাষ্টার (১:৪) ১০০ বর্গফুট বালি = ১০.০০ ঘনফুট সিমেন্ট = ১.৬০ ব্যাগ
২৪। ২৫ মিমি প্লাষ্টার (১:৫) ১০০ বর্গফুট বালি = ১০.৪২ ঘনফুট সিমেন্ট = ১.৬৭ ব্যাগ
২৫। ২৫ মিমি প্লাষ্টার (১:৬) ১০০ বর্গফুট বালি = ১০.৭১ মালফুটি ,সিমেন্ট= ১.৪৩ ব্যাগ
২৬। নিট সিমেন্ট ফিনিশিং ১০০ বর্গফুটসিমেন্ট = ০.৫০ ব্যাগ
ভুলত্রুটি মার্জনীয়,
ধন্যবাদ

SPT টেস্ট ও বিয়ারিং ক্যাপাসিটি নির্নয় বিস্তারিতঃStandard Pe*******on Test (SPT) কি?গতিশীল অথবা স্থীর লোড প্রয়োগের মাধ্যম...
02/04/2025

SPT টেস্ট ও বিয়ারিং ক্যাপাসিটি নির্নয় বিস্তারিতঃ

Standard Pe*******on Test (SPT) কি?

গতিশীল অথবা স্থীর লোড প্রয়োগের মাধ্যমে মাটির পেনিট্রেশন প্রতিবন্ধকতা পরিমাপ করতে যে পরীক্ষা করা হয় তাকে Pe*******on Test বলে। সাধারণত বালি মাটির
ভারবহন ক্ষমতা নির্ণয়ের জন্য যে পরীক্ষা করা হয় তাকে Standard Pe*******on Test (আদর্শ পেনিট্রেশন পরীক্ষা) বলে।

কেন করা হয় ??
===========
মাটির পেনিট্রেশন প্রতিবন্ধকতা পরিমাপ এবং বালি মাটির ভারবহন ক্ষমতা নির্ণয়ের জন্য Standard Pe*******on Test করা হয়।

Standard Pe*******on Test পদ্ধতি
=========================
এ পরীক্ষার জন্য পেনিট্রোমিটার নামক স্পিলিট ব্যারেল নমুনা সংগ্রাহক ব্যবহার করা হয়। একটি 50 mm বাহিরের এবং 35 mm
ভিতরের ব্যাস বিশিষ্ট ফাঁপা স্টীল পাইপকে স্পিলিট ব্যারেল বা স্পিলিট স্পুন নমুনা সংগ্রাহক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর দৈর্ঘ্য 60 cm এর কম নয়।
প্রথমে মাটিতে 55 mm থেকে 150 mm ব্যাস বিশিষ্ট একটি গর্ত করা হয় এবং ড্রিল রডের সাথে স্পিলিট ব্যারেল নমুনা সংগ্রাহকটি যুক্ত করে গর্তের নিচের প্রান্তে স্থাপন করা
হয়। তারপর 65 kg ওজনের হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে নমুনা সংগ্রাহকটিকে মাটির অভ্যন্তরে কমপক্ষে 60 cm প্রবেশ করানো হয়। হাতুড়িকে 75 cm উপর হতে মিনিটে 30
বার হয়। প্রথম 15 cm প্রবেশ করাতে আঘাতের সংখ্যা হিসাব করা হয় না। বাকি 30 cm প্রবেশ করাতে আঘাতের সংখ্যা হিসাব করা হয়। এ 30 cm প্রবেশ করাতে আঘাতের
সংখ্যাকে পেনিট্রেশন রেজিস্ট্যান্স (Pe*******on Resistance) বলে। একে N দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

SPT value এর Correction করার কারণঃ
===========================
সূক্ষ্ম বালি বা পলিযুক্ত বালি মাটি পানি তলের নিচে অবস্থিত হলে Pe*******on Resistance বেশি পাওয়া যায়। টারজাগী এবং
পেক বলেছেন, যদি Pe*******on Resistance এর মান 15 এর বেশি হয় তবে নিম্নের সূত্রের সাহায্যে একটি সমতুল্য পেনিট্রেশন রেজিস্ট্যান্স এর মান নির্ণয় করা হয়।
সমতুল্য পেনিট্রেশন রেজিস্ট্যান্স, Ne = 15+½(N-15)

SPT থেকে বিয়ারিং ক্যাপাসিটি নির্ণয়ঃ
=======================

এস.পি.টি বা স্ট্যান্ডার্ড পেনিট্রেশন টেষ্ট থেকে মাটির বিয়ারিং ক্যাপাসিটি নির্ণয় করা যায়।

’s সুত্র:

ফুটিং এর চওড়া চার ফুট বা এর চেয়ে কম হলে
Qa = (N/4) *K

ফুটিং এর চওড়া চার ফুটের বেশি হলে
Qa = (N/6)[(B+1)/B]2*K

’ সুত্র:

চওড়া চার ফুটের কম হলে
Qa = (N/2.5) * K

ফুটিং এর চওড়া চার ফুটের বেশি হলে
Qa = (N/4)[(B+1)/B]2* K
Qa: এলাওয়াবল বিয়ারিং ক্যাপাসিটি (কিলো পাউন্ড / স্কয়ারফুট )[ kips/ft2]
N: ফুটিং এর তলার এস.পি.টি সংখ্যা
B: ফুটিং এর চওড়া (ফুট হিসাবে)
K = 1 + 0.33(D/B) ≤1.33
D: মাটির উপরিভাগ থেকে ফুটিং এর তলার দুরত্ব বা গভীরতা (ফুট হিসাবে)

উদাহরণ-০১: এস.পি.টি নম্বর ১০, ফুটিং এর চওড়া তিন ফুট এবং ফুটিং এর তলা মাটির উপরিভাগ থেকে দুই ফুট নিচে আছে। তাহলে বিয়ারিং কত ?
উত্তর:
Meryerhof's অনুসারে
K = 1+0.33(D/B) = 1+0.33*(2/3) = 1.22
Qa = (N/4) * K = (10 /4) *1.22 = 3.05 kips/ft2
Bowles’ অনুসারে:
Qa = (N/2.5) * K = (10 /2.5) *1.22 = 4.88 kips/ft2
এখান থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে কমটা নেয়াই ভাল, সুতরাং ক্যাপাসিটি 3.05 kips/ft2

উদাহরণ-০২: এস.পি.টি নম্বর ২০, ফুটিং এর চওড়া আট ফুট এবং ফুটিং এর তলা মাটির উপরিভাগ থেকে চার ফুট নিচে আছে। তাহলে বিয়ারিং কত ?
Meryerhof's অনুসারে
K = 1+0.33(D/B) = 1+0.33*(4/8) = 1.17
Qa = (N/6)[(B+1)/B]^2 * K = (20/6)[(8+1)/8]^2 *1.17 = 4.94 kips/ft2
Bowles’ অনুসারে:
Qa = (N/4)[(B+1)/B]^2 * K = (20/4)[(8+1)/8]^2 *1.17 = 7.40 kips/ft

এখান থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে কমটা নেয়াই ভাল, সুতরাং ক্যাপাসিটি 4.94 kips/ft2

লেখাটা অনেক দামী সম্পদ হবে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কাছে ।
(টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখুন-যেকোন সময় কাজে আসতে পারে)

Address

Nobogram Road
Barishal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Concrete Building Design & Engineering Lab,Barisal. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Concrete Building Design & Engineering Lab,Barisal.:

Share