Ummah Computer's

Ummah Computer's আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
“Ummah Computer's” পরিবারে আপনাকে স্বাগতম।

12/12/2024
দলিলের কিছু সংক্ষিপ্ত শব্দের পূর্ণরূপ
09/12/2024

দলিলের কিছু সংক্ষিপ্ত শব্দের পূর্ণরূপ

09/11/2024

রেকর্ড বা জমা খারিজ ও নামজারি (mutation):

✅'নামজারি (mutation)' বলতে-কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন বৈধ পন্থায় ভূমি/জমির মালিকানা অর্জন করলে সরকারি রেকর্ড সংশোধন করে তার নামে রেকর্ড আপটুডেট (হালনাগাদ) করাকেই নামজারি বলা হয়।

✅ 'জমা খারিজ’: যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।

✅এছাড়াও কোন রেকর্ডীয় মালিকের মৃত্যুতে তার নামের পরিবর্তে ঐখতিয়ানেই তার নাম কর্তন দিয়ে মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশদের নাম বসিয়ে রেকর্ড হালনাগাদ করাকে নামজারি /mutation বলা হয়। এছাড়াও রেকর্ডীয় মালিকের জমি বিক্রি বা অন্যকোন কারনে হস্তান্তর হলে হস্তান্তরগ্রহীতার নামে রেকর্ড হালকরণ করাও নামজারি।

✅কোন ব্যক্তির নামজারি সম্পন্ন হলে তাকে একটি নামজারি খতিয়ান দেয়া হয়, যেখানে তার অর্জিত জমির একখানি সংক্ষিপ্ত হিসাব বিবরণী উল্লেখ থাকে। উক্ত হিসাব বিবরণী অর্থাৎ খতিয়ানে মালিকের নাম, কোন মৌজা, মৌজার নম্বর (জে এল নম্বর), জরিপের দাগ নম্বর, দাগে জমির পরিমান, একাধিক মালিক হলে তাদের নির্ধারিত হিস্যা ও প্রতি বছরের ধার্যকৃত খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে।

✅STATE ACQUISITION AND TENANCY ACT, 1950 অনুসারে নামজারিকে আমরা তিন ভাগে ভাগ করতে পারি যা ১১৬,১১৭ এবং ১৪৩ ধারায় আলোকপাত করা হয়েছে।

✅নিম্নে নামজারি এর প্রকারভেদ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছেঃ-

১। নামজারি
২। জমা খারিজ ও নামজারি
৩। জমা একত্রীকরণ
৪। নামজারির গুরুত্ব

✅১। শুধুমাত্র কোন দলিলের মাধ্যমে অর্জিত মালিকানার ভিত্তিতে অথবা ওয়ারিশ হিসেবে পিতা-মাতার জমিতে দখলসূত্রে থাকলেই সরকারি রেকর্ডে উক্ত ভূমিতে তাঁর মালিকানা নিশ্চিত হয় না। কোন ভূমিতে বৈধ ওয়ারিশ বা ক্রয়সূত্রে মালিক হবার পর পূর্বের মালিকের নাম হতে নাম কেটে বর্তমান মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হয়, তাহলেই তার মালিকানা সরকার কর্তৃক নিশ্চিত হয়। আর এটিই হল নামজারি পদ্ধতি। এটি না করলে নতুন দলিল তৈরি করে যে-কেউ নামজারি করে নিতে পারে।

✅২। আপনি যদি ওয়ারিশ হিসাবে বা ক্রয়সূত্রে কোন জমির মালিক হন কিন্তু নামজারি না করান, তবে আপনার অজান্তে কোনভাবে এক/একাধিক দলিল সম্পাদন করে কোন স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি আপনার আগে নামজারি করে ফেলতে পারে। তাতে আপনি পরবর্তীতে নামজারি করতে গেলে। স্বাভাবিকভাবেই সমস্যায় পড়বেন। বাস্তবক্ষেত্রে জটিলতা আরো বাড়তে দেখা গেছে যখন উক্ত স্বার্থানেষী ব্যক্তি অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির নিকট ঐ জমি ইতোমধ্যে বিক্রয় করে ফেলেছে। বর্তমানে এরকম ঘটনা অহরহ ঘটছে। এসব ক্ষেত্রে নানারকম মামলা মোকদ্দমার সৃষ্টি হয়ে থাকে যা দীর্ঘদিন যাবৎ অর্থ, সময় ও মানুষে-মানুষে সম্পর্কের অবনতি ঘটায়।

✅৩। সাধারণভাবে ক্রেতাদের ধারণা, দলিল সম্পাদন হলেই কাজ শেষ। নামজারির দরকার কী? এটি অত্যন্ত ভুল ধারণা। দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে শুধুমাত্র মালিকানা হস্তান্তর হয়, সরকারের খাতায় মালিক হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়া যায় না।

✅৪। রেজিস্ট্রেশন দপ্তরটি আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি অফিস। সকল প্রকার দলিল সম্পাদন, রেজিস্ট্রিকরণ উক্ত দপ্তরের কাজ। দলিল রেজিস্ট্রিকরণের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত যিনি বিক্রেতা তিনি আদৌ উক্ত জমির মালিক হিসাবে সরকারের রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত আছেন কী না তার কোন রেকর্ড জেলা রেজিস্টার বা সাব-রেজিস্টারের দপ্তরে নেই। ফলে ভুলবশত: একই জমির এক বা একাধিক দলিলের মাধ্যমে বিক্রয়ের ঘটনা ঘটে। অপরদিকে ভূমি অফিসগুলি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন যার কাছে সরকারের কাছে রেকর্ডভুক্ত মালিকদের নাম, পূর্ববর্তী নামজারিকৃত মালিকদের নাম, নথিসহ বিস্তর তথ্য থাকে। ফলে একবার নামজারি করাতে সক্ষম হলে একই জমির একাধিকবার বিক্রয় হলেও মূল মালিকের আর ক্ষতিগ্রস্ত বা হয়রানী হবার সম্ভাবনা কম থাকে।

✅৫। নামজারি আবেদনের (application) মাধ্যমে আবেদনকারি যে স্বত্বলিপি অর্জন করেন, যাকে প্রচলিত ভাষায় আমরা 'খতিয়ান' বলে থাকি, এর মাধ্যমে তার উক্ত জমিতে মালিকানা স্বত্ব প্রমাণে নিশ্চয়তা লাভ করেন যা অন্য কোন দালিলিক মাধ্যমে লাভ করেন না।

✅৬। নামজারি করা না থাকলে শুধু একাধিক বিক্রয়ের আশঙ্কাই বিদ্যমান থাকেনা, পরবর্তীতে আপনার অর্জিত সম্পত্তিতে দখলে থাকলেও পরবর্তীতে আপনার অবর্তমানে আপনার উত্তরাধিকারগণ উক্ত সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবার আশঙ্কা থাকে।

✅৭। যে কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ঋণ নিতে গেলে জমি বন্ধকের ক্ষেত্রে খতিয়ান ছাড়া আবেদন গ্রহণ করা হয় না।

✅৮। ওয়ারিশনমূলে প্রাপ্ত জমির মালিকরা যদি নামজারি না করান তাহলে তাদের মধ্যে বিশেষত: নারী অংশীদারগণ এবং ভবিষ্যতে তাদের ওয়ারিশগণদের মধ্যে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি হয়। এ জন্য ওয়ারিশগণ সমঝোতার মাধ্যমে প্রথমেই নামজারি সম্পন্ন করে রাখলে পরবর্তীতে অনেক জটিলতা পরিহার করা সম্ভব হয়।

✅নামজারি করতে যা যা প্রয়োজন

1. মূল দলিল বা দলিলের সার্টিফাইড কপি বা দলিলের ফটোকপি
2. আইডি কার্ড (NID), অথবা জন্মসনদ এন্ড ছবি (২ কপি)
3. জমির খতিয়ান আরএস (RS), এসএ (SA)
4. বিএস (BS) খতিয়ান লাগবে
5. আরএস (RS) খতিয়ান হতে বর্তমান মালিক পর্যন্ত বায়া অথবা রেফেরেন্স দলিলের ফটোকপি
6. পৈত্রিক সম্পত্তি নামজারির জন্য ওয়ারিশসনদ বা বণ্টননামা দলিল লাগবে
7. সব ডকুমেন্ট দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে (আপনার খরিদা সম্পত্তি / ওয়ারিশান সম্পত্তি যদি আর এস থেকে বর্তমান/ হাল রেকর্ড পর্যন্ত সকল কাগজপত্র স্বচ্ছ এবং স্বাভাবিক থাকে তাহলে আপনি নিজেই অনলাইন এ জমা দিয়ে হাজিরায় উপস্থিত হয়ে এই টাকার মধ্যে নিজেই করতে পারবেন। (অনলাইন খরচ, হাজিরায় উপস্থিত হতে গাড়ি ভাড়া, আনুষাঙ্গিক)

✅নামজারীর প্রয়োজনীয় ফি

১। আবেদনের সাথে কোর্ট ফি-২০ (বিশ) টাকা,
২। নোটিশ জারী ফি- ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা,
৩। রেকর্ড সংশোধন বা হালকরণ ফি- ১০০০ (এক হাজার) টাকা
৪। প্রতি কপি নামজারি খতিয়ান (Khatian) সরবরাহ বাবদ- ১০০ (একশত) টাকা।
৫। মোট ১১৭০ টাকা।

(বিঃদ্রঃ আবেদন পত্রের কোর্ট ফি ছাড়া বাকিগুলো ডিসিআর এর মাধ্যমে আদায় করা হবে।)

09/11/2024

🚻🚻 ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন। তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন করবেন না।
১) ওয়ারিশ সনদ পত্র।
২) পারিবারিক ভাগবন্টন রেজিষ্ট্রেশন দলিল
৩) নামজারি, খতিয়ান। তারপর অন্যান্য কিছু বিষয় দেখতে হবে।

যেমন: বিক্রেতা যে সূত্রে মালিক হলো, তার পূর্বের মালিক কোন সূত্রে মালিক তার দলিল খতিয়ান কপি যাচাই বাছাই করে নিবে।

এই তিনিটি ডকুমেন্ট যার কাছে না থাকবে তার দখলে থাকুক বা পারিবারিক মৌখিক বন্টন হউক আপনি ক্রয় করবেন না। অনেকেই মৃত পিতা মাতার নামের সম্পত্তি অন্যান্য ভাইবোন ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে বিক্রি করে দেয়,,,কেউ কেউ যতটুকু অংশ পাবে তার বেশি বিক্রি করে ফেলে,,, কেউ কেউ আছেন ভালো পজিশনের জমি বিক্রি করে দেন। কেউ কেউ আছেন ওয়ারিশদের অংশও বিক্রি করে ফেলেন। কেউ কেউ আছেন পারিবারিক মৌখিকভাবে ভাগের অংশ বিক্রি করেন।

মৌখিক ভাগ কোনো দলিল নয়। মৌলিক বন্টনের কোনো মূল্য নেই। মৌখিক কথার দাম নেই। এক লোক দীর্ঘ বছর ধরে পারিবারিক মৌখিক ভাগ করা জমি ভোগদখল করে আসছে,,, জমিটার মূল্য অন্যান্য জমির চেয়ে অনেক বেশি,,, বেশি দাম হওয়াতে তারই এক ভাই জমিটির অংশ দাবি করল,,, সবাই যতই বলে মৌখিক ভাগের কথা, ভাই তা মানতে রাজি নয়,,, ভাই বলছে মৌখিক ভাগ মানিনা, পুনরায় ভাগবন্টন করতে হবে।

তারা মৌখিক ভাগ না করে পারিবারিক বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করে নিলে ভাই কখোই দাবী করলে তা আইন সম্মত হতো না। তাই বন্টননামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়ারিশ সনদ, বন্টননামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল, যার আছে তার সম্পত্তিতে কখনোই কোনো ওয়ারিশ ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করতে পারবেনা। ওয়ারিশ সনদ পত্রটি প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশ সম্পত্তির মালিক। বন্টননামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশের সম্মত্তিতে বন্টননামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করা হয়। আবার দেখতে হবে ওয়ারিশ সনদ সঠিক কি না, প্রত্যেক ওয়ারিশের নাম সঠিকভাবে উল্লেখ্য আছে কি না,,, বন্টননামা রেজিষ্ট্রেশন দলিলে প্রত্যেক ওয়ারিশের স্বাক্ষর নাম, ঠিকানা সঠিকভাবে উল্লেখ্য কি না।

অনেকেই বোনের অংশ না দিয়ে, বিক্রি করে দেন, যিনি ক্রয় করেন সেই লোক বিপদে পড়ে। কারণ ক্রেতা বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত ছিল বিক্রেতা কোন সূত্রে সম্পত্তির মালিক, সেসব ডোকোমেন্ট দেখা উচিত ছিল। পৈতৃক সম্পত্তি হলে বা ওয়ারিশ সম্পত্তি হল।
এই রখম আরও আইনি পরামর্শ পেতে পেইজে ফলো দিয়ে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকতে পারেন।➡️পিতা_বা_মাতার_আগে_পুত্র_বা_কন্যার_মৃত্যু ➡️নাতি_নাতনীরা #শ্বশুরের #পুত্র #পুত্রবধূ ➡️আরেকটি_কনফিউশন
এই রখম আরও আইনি পরামর্শ পেতে পেইজে ফলো দিয়ে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকতে পারেন।পিতা_বা_মাতার_আগে_পুত্র_বা_কন্যার_মৃত্যু #নাতি_নাতনীরা #শ্বশুরের #পুত্র #পুত্রবধূ #আরেকটি_কনফিউশনেকটি_কনফিউশন

দলিল ৯ প্রকার ১। সাপ কবলা দলিল২। দানপত্র দলিল৩। হেবা দলিল৪। হেবা বিল এওয়াজ দলিল ৫। এওয়াজ দলিল ৬। বন্টনামা দলিল ৭। ওসিয...
07/11/2024

দলিল ৯ প্রকার
১। সাপ কবলা দলিল
২। দানপত্র দলিল
৩। হেবা দলিল
৪। হেবা বিল এওয়াজ দলিল
৫। এওয়াজ দলিল
৬। বন্টনামা দলিল
৭। ওসিয়াতনামা দলিল
৮। উইল দলিল
৯। নাদাবী দলিল

জমি রেকর্ড বা নামজারির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন। যা যা লাগবে :*জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি অথবা মূল কপি *এস...
03/11/2024

জমি রেকর্ড বা নামজারির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন। যা যা লাগবে :
*জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি অথবা মূল কপি
*এস এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান বা যে খতিয়ান থেকে ৷ দলিল হয়েছে সেটার কপি
*ওয়ারিশ সনদ এর কপি যদি ওয়ারিশের সম্পত্তি হয়
*ছবি যদি জন্ম নিবন্ধন দিয়ে নামজারি হয়
*বায়া দলিল এর কপি যদি প্রয়োজন হয়
*মোবাইল নাম্বার
*এন আই ডি জাতীয় পরিচয় পত্র
*কর বা খাজনা রশিদ

স্থানঃ উজিরপুর আলহাজ্ব বিএন খান কলেজ এর সামনে উম্মা কম্পিউটারস।

19/10/2024

নামজারি কি?

কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন বৈধ পন্থায় জমির মালিকানা অর্জন করলে রেকর্ড সংশোধন করে তার নামে রেকর্ড হালনাগাদ করাকেই নামজারি বলা হয়। কোন কারনে জমি হস্তান্তর হলে খতিয়ানের পুরানো মালিকের নাম বাদ দিয়ে নতুন মালিকের নাম প্রতিস্থাপন করানোকে মিউটেশন বা নামজারি বলে।

07/10/2024

তুমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
আবেদন শুরু ০৬/১০/২০২৪ শেষ তারিখ : ২৭/১০/২০২৪ ইং

05/06/2024

যারা ডিগ্রিতে আবেদন করতে চান আগামী ৫ জুন, ২০২৪ থেকে ৩০ জুন, ২০২৪ তারিখের মধ্যে আবেদন করুন।

ডাচবাংলা ব্যাংক ২০২৪ এসএসসি পরিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ
16/05/2024

ডাচবাংলা ব্যাংক ২০২৪ এসএসসি পরিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ

Address

BN Khan College Wazirpur
Barishal
8220

Telephone

+8801619499983

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ummah Computer's posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ummah Computer's:

Share