21/12/2021
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চীন, ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ।
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ, চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে দেশটিতে ৫.৭ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে।
কোভিডের ধাক্কা কাটিয়ে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার, যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানিতে গতি ফিরেছে। এতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের রপ্তানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে দেশটিতে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে চীন, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়াকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ।
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ, উল্লিখিত সময়ে দেশটিতে পোশাক রপ্তানি করেছে ৫.৭ বিলিয়ন ডলারের, যা গত বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।
অবশ্য দেশটিতে রপ্তানির শীর্ষ দশে থাকা অপর ৬টি দেশের মধ্যে ৪টি দেশের প্রবৃদ্ধির হার বাংলাদেশের চেয়ে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্য আমদানির হিসাব সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান 'দ্য অফিস অফ টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল' (ওটেক্স) প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে পাওয়া গেছে এ তথ্য।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির বিষয়ে আশাবাদী রপ্তানিকারকরাও। নারায়নগঞ্জভিত্তিক পোশাক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এমবি নিটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হাতেম দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, "চীন, ভিয়েতনাম বা ইন্দোনেশিয়ায় বিভিন্ন কারনে উৎপাদন ব্যহত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা বাংলাদেশ মুখী হচ্ছেন। এর ফলে রপ্তানি বাড়ছে। নতুন করে ইনকোয়ারি (পোশাক ক্রয়ের জন্য প্রাথমিক আলোচনা) বাড়ছে। ফলে আগামী মাসগুলোতেও পোশাক রপ্তানি বাড়বে বলে আশা করছি।" মোহাম্মদ হাতেম বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ওটেক্সের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে যুক্তরাষ্ট্র পোশাক আমদানি করেছে ৬৬.৯১ বিলিয়ন ডলারের, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ শতাংশ বেশি। দেশটির বাজারে শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক দেশ চীন। উল্লিখিত সময়ে চীন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করেছে ১৬ বিলিয়ন ডলারের পোশাক।
শীর্ষ ৪ রপ্তানিকারকের মধ্যে বাকী ৩টি দেশ হলো যথাক্রমে ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়া।