07/07/2026
🇲🇾 মালয়েশিয়ার বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন:
📢 সর্বশেষ আপডেট | ৬ জুলাই ২০২৬
মালয়েশিয়া সরকার বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও “স্বচ্ছ, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল” করতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এই নতুন উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বিদেশি কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অনিয়ম কমানো এবং কর্মী ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করা। এসব সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মানবসম্পদমন্ত্রী R. Ramanan ।
🔹 নতুন ট্রানজিট সেন্টার চালুঃ
✈️ মালয়েশিয়ায় নতুন আসা বিদেশি কর্মীদের প্রথমে সরকারি “ট্রানজিট সেন্টারে” রাখা হবে।
সেখানে—
✅ পরিচয় যাচাই
✅ ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট যাচাই
✅ নিয়োগপত্র ও অন্যান্য নথিপত্র যাচাই
✅ স্বাস্থ্য ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
এরপর সবকিছু সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার পরই কর্মীদের “প্রকৃত নিবন্ধিত নিয়োগকর্তার” কাছে হস্তান্তর করা হবে।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: এটি কোনো “ডিটেনশন (আটক) সেন্টার” নয়; এটি শুধুমাত্র একটি “অস্থায়ী ট্রানজিট ও যাচাই কেন্দ্র”।
🔹 কেন এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে?
👉 বিমানবন্দর ও প্রধান প্রবেশপথের অতিরিক্ত চাপ কমাতে।
👉 বিদেশি কর্মীদের অন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে চলে যাওয়া প্রতিরোধ করতে।
👉 দালালচক্র ও অবৈধ কর্মী স্থানান্তর রোধ করতে।
👉 কর্মীরা যেন নির্ধারিত নিয়োগকর্তার কাছেই কাজে যোগ দেন, তা নিশ্চিত করতে।
🔹 অস্থায়ী আবাসন ব্যবস্থাঃ
প্রাথমিক পর্যায়ে ট্রানজিট সেন্টারে একসঙ্গে প্রায় “১,০০০–২,০০০ জন বিদেশি কর্মীর” থাকার ব্যবস্থা থাকবে। স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের আগ পর্যন্ত অস্থায়ী ভবন ব্যবহার করা হবে।
🔹 One Stop Centre (OSC)-এর কার্যক্রমঃ
📌 বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনার “One Stop Centre (OSC)” এখন থেকে সম্পূর্ণভাবে “মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের” অধীনে পরিচালিত হবে।
📌 সব নিয়োগকর্তাকে “FWCMS-এর eQuota Module” ব্যবহার করে অনলাইনে কোটা আবেদন করতে হবে।
📌 আগের “Case-by-Case Approval” পদ্ধতি বাতিল করা হয়েছে। ফলে পুরো প্রক্রিয়া আরও “স্বচ্ছ, দ্রুত ও ডিজিটাল” হবে।
🔹 নতুন Foreign Worker Management Division
বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ, তদারকি ও নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি “Foreign Worker Management Division” গঠন করা হবে।
🔹 নিয়োগকর্তাদের জন্য কঠোর সতর্কবার্তাঃ
⚖️ কর্মীদের জন্য আইন অনুযায়ী আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
🚨 শ্রম বিভাগ (JTK) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (KDN) যৌথভাবে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।
❌ আবাসন, বেতন বা শ্রম অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
🇧🇩 বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক দিকঃ
এই নতুন ব্যবস্থার ফলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় বৈধ কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এতে কর্মীরা প্রকৃত নিয়োগকর্তার কাছে পৌঁছাতে পারবেন, প্রতারণা ও অনিয়ম কমতে পারে এবং শ্রমিকদের অধিকার আরও ভালোভাবে সুরক্ষিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তবে উল্লেখ্য, বাংলাদেশ থেকে নতুন করে কর্মী নিয়োগ বা কলিং ভিসা সম্পূর্ণভাবে চালুর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো দেওয়া হয়নি।
📢 সর্বশেষ বিদেশগামী চাকরি, ভিসা, শ্রমবাজার ও মালয়েশিয়ার নির্ভরযোগ্য আপডেট পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।
Send a message to learn more