08/02/2023
কিছু হিন্দি গানের অংশবিশেষ দিলাম।
মিলিয়ে দেখুন কি শুনছেন😔
🚫 তুজমে রব দিখতা হ্যায়, ইয়ারা ম্যায় ক্যায়া কারু?
সাজদে সার ঝুকতা হ্যায়, ইয়ারা ম্যায় ক্যায় কারু?
👉অর্থ::: তোমার মাঝে রবকে খুজে পাই আামি, প্রিয়া আমি কি করবো?
সেজদার জন্য মাথা ঝুকে যায়, প্রিয়া আামি কি করবো?
🚫 তুহি মেরি সাব হ্যায়, সুবাহ হ্যায়, তুহি দিন হ্যায় মেরা,
তুহি ম্যারা রব হ্যায়, জাহান হ্যায়, মেরি দুনিয়া.......
👉অর্থ::: তুমি আমার সবকিছু, আমার সুর্যোদয়, তুমি, দিন তুমি… তুমি আমার রব, আমার পৃথিবী, আমার দুনিয়া তুমি…
🚫 খোদা জানে ম্যায় ফিদা হু, খোদা জানে বান গায়া হ্যায় তুম মেরি খোদা।
👉অর্থ::: খোদা জানে আামি তোমার ফিদা, খোদা জানে, তুমি হয়ে গেছো আজ আামারি খোদা।
🚫 তুহি আব মেরা দ্বীন হ্যায়,ঈমান হ্যায়, রব কা শুকরানা।
👉অর্থ::: তুমিই এখন আামার দ্বীন, আামার ঈমান তাই রবকে শুকরিয়া।
🚫 জানে দিল মে কাবছে হে তু,যাবছে মে হু তাবছে হে তু, মুজক মেরে রবকি কসম ,ইয়্যারা রবছে পেহলে হে তু...
👉শেষের লাইনের বাংলা:::আমার রবের কসম,,রবের থেকে প্রথমে তুমি (রবের থেকে তোমার প্রায়োরিটি)
🚫 ভাস্তে জান ভি দুন,ম্যায় গাওয়া ইমান ভি দুন,
কিসমাতন কা লিখা মদ দুন,বাদলে মে ম্যায় তেরে জো খোদা খুদ ভি দে জান্নাতে, সাচ কাহুন ছদ দুন....
👉অর্থ:::কারো জন্যে জীবন দিতে পারবো,নিজের ঈমান ও হারিয়ে ফেলবো,ভাগ্যের লেখাটাও বদলায় নিবে,আল্লাহ যদি তার বদলে জান্নাত ও দেয় তাও ছেড়ে দিবো....
নাউজুবিল্লাহ, নাউজুবিল্লাহ....
এমন গান হাজার হাজার আাছে।
এবার চিন্তা করুন এমন গান শুনলে অন্তরে কি ঈমানের ছিটাফুটা থাকবে???
গান শুনা হারাম। তারপর যদি এই টাইপস গান হয় তা হলো সম্পূর্ণ শিরক। আল্লাহ সব গুনাহ মাফ করবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ মাফ করবেন না যদি একান্তভাবে তওবাহ না করা হয়.....
👉”নিশ্চয়ই আমার উম্মতের মধ্যে এমন ব্যক্তিদের আগমণ ঘটবে, যারা যিনা, রেশম, শরাব এবং বাদ্য-যন্ত্রকে হালাল মনে করবে" (বুখারী শরীফ)
👉রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেন, ঘণ্টি, বাজা, ঘুঙুর হল শয়তানের বাদ্যযন্ত্র।(সহীহ মুসলিম হাদীস:২১১৪)
👉"যারা গান-বাদ্য করে অথবা যাদের ঘরে এগুলোর ব্যবহার হয় তাদের উভয়ের উপরই অভিশাপ" (বায়হাকী)........।
শিরক নিয়ে কিছু কথাঃ
আল্লাহ বলেন,,
নিসন্দেহে আল্লাহ ইচ্ছা করলে যেকোন গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কখনো ক্ষমা করবেন না
(সুরা নিসা :৪৮,১১৬)
নিশ্চয় যে ব্যাক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতকে হারাম করে দেন এবং জাহান্নামকে অবধারিত করে দেন (সুরা মায়িদাহ:৭২)
রাসুল্লাহ (সা) বলেছেন,,
“আমার সামনে জিব্রাঈল আবির্ভূত হলেন। তিনি বললেন, আপনি আপনার উম্মতদের সুসংবাদ দিন, যে ব্যাক্তি আল্লাহর সংঙ্গে কাউকে শরিক না করা অবস্থায় মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
আমি বললাম, যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে? তিনি বললেন: যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে।
[সহিহ বুখারি :১২৩৭,মুসলিম:৯৪]
শিরক হচ্ছে সবচেয়ে বড় ধ্বংসত্মাক বিষয়। শত পাপ করলে ও কিয়ামতের দিন তা ক্ষমার সম্ভবনা আছে কিন্তু শিরকের পাপ ক্ষমার কোন সম্ভবনাই নেই এবং তা নিসন্দেহে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।