03/05/2025
সোনালী মুরগির নামে আসলে কী খাচ্ছি আমরা? 🤔
স্বাদের জায়গায় ভেজাল! অথচ দাম একেবারে আসল সোনালীর মতো!
বর্তমানে সোনালী মুরগির চাহিদা তুঙ্গে। কিন্তু আপনি কি জানেন—বাজারে যেগুলো “সোনালী মুরগি” বলে বিক্রি হচ্ছে, তার বেশিরভাগই আসল সোনালী নয়!
⸻
✅ আসল সোনালী মুরগির পরিচয়ঃ
📌 উদ্ভাবক: আব্দুল জলিল (১৯৮৭)
📌 জাত: RIR ও মিশরীয় ফাউমির সংকর
📌 উৎপত্তি: জয়পুরহাট
📌 GI স্বীকৃতি: ২০১৭ সালে
👉 রোগ প্রতিরোধ, স্বাদ ও গুণে দেশীয় মুরগির দারুণ বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয়।
⸻
🚨 তাহলে সমস্যা কোথায়?
📉 বাজারে যেগুলো “সোনালী” নামে বিক্রি হচ্ছে—
তা আসলে টাইগার, হাইব্রিড সোনালী বা অন্য জাতের মুরগি।
⚠️ এগুলো দেখতে সোনালীর মতো হলেও—
• দ্রুত বড় হয়
• ওজন বেশি
• কিন্তু স্বাদ কম
ফলে খামারির লাভ হলেও, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আপনি—ক্রেতা!
⸻
🗣️ রাজশাহীর এক ব্যবসায়ীর ভাষায়ঃ
“হাইব্রিডগুলো ৪০ দিনের মধ্যেই ১ কেজি হয়ে যায়।
কিন্তু আসল সোনালী ৭০ দিনেও ৬–৭০০ গ্রাম হয় না!”
⸻
😟 ক্রেতারা জানেনই না তাঁরা কী কিনছেন!
👨🌾 অনেক খামারি বলছেন—
“সোনালী নামেই হাইব্রিড বিক্রি হচ্ছে। স্বাদ কম, কিন্তু দাম আসল সোনালীর মতো!”
📉 লেয়ার মুরগির ডিমের দাম বাড়ায় এখন সবাই সোনালীর বিকল্প খুঁজছে।
⸻
🧪 প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মন্তব্য:
“নতুন জাতের তথ্য পেলে আমরা খতিয়ে দেখব।
তবে আমরা চাই, আসল সোনালী যেন বাজারে থাকে।”
⸻
🐔 ভেজাল থেকে বাঁচতে করণীয়:
✅ মুরগির জাত ও উৎস সম্পর্কে জেনে কিনুন
✅ সন্দেহ হলে জিজ্ঞেস করুন, যাচাই করুন
✅ যাচাইযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য উৎস থেকেই কিনুন
ভালো স্বাদের খাবার আপনার অধিকার।
ভেজালে না ভুলে, সচেতনতায় জিতুন!