কবির পোল্ট্রি এন্ড হ্যাচারী

  • Home
  • Bangladesh
  • Bogura
  • কবির পোল্ট্রি এন্ড হ্যাচারী

কবির পোল্ট্রি এন্ড হ্যাচারী বিঃদ্রঃ
★★★বগুড়া পোল্ট্রি এন্ড হ্যাচারী আমাদের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

সোনালী মুরগির নামে আসলে কী খাচ্ছি আমরা? 🤔স্বাদের জায়গায় ভেজাল! অথচ দাম একেবারে আসল সোনালীর মতো!বর্তমানে সোনালী মুরগির চা...
03/05/2025

সোনালী মুরগির নামে আসলে কী খাচ্ছি আমরা? 🤔

স্বাদের জায়গায় ভেজাল! অথচ দাম একেবারে আসল সোনালীর মতো!

বর্তমানে সোনালী মুরগির চাহিদা তুঙ্গে। কিন্তু আপনি কি জানেন—বাজারে যেগুলো “সোনালী মুরগি” বলে বিক্রি হচ্ছে, তার বেশিরভাগই আসল সোনালী নয়!



✅ আসল সোনালী মুরগির পরিচয়ঃ

📌 উদ্ভাবক: আব্দুল জলিল (১৯৮৭)
📌 জাত: RIR ও মিশরীয় ফাউমির সংকর
📌 উৎপত্তি: জয়পুরহাট
📌 GI স্বীকৃতি: ২০১৭ সালে

👉 রোগ প্রতিরোধ, স্বাদ ও গুণে দেশীয় মুরগির দারুণ বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয়।



🚨 তাহলে সমস্যা কোথায়?

📉 বাজারে যেগুলো “সোনালী” নামে বিক্রি হচ্ছে—
তা আসলে টাইগার, হাইব্রিড সোনালী বা অন্য জাতের মুরগি।

⚠️ এগুলো দেখতে সোনালীর মতো হলেও—
• দ্রুত বড় হয়
• ওজন বেশি
• কিন্তু স্বাদ কম

ফলে খামারির লাভ হলেও, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আপনি—ক্রেতা!



🗣️ রাজশাহীর এক ব্যবসায়ীর ভাষায়ঃ

“হাইব্রিডগুলো ৪০ দিনের মধ্যেই ১ কেজি হয়ে যায়।
কিন্তু আসল সোনালী ৭০ দিনেও ৬–৭০০ গ্রাম হয় না!”



😟 ক্রেতারা জানেনই না তাঁরা কী কিনছেন!

👨‍🌾 অনেক খামারি বলছেন—
“সোনালী নামেই হাইব্রিড বিক্রি হচ্ছে। স্বাদ কম, কিন্তু দাম আসল সোনালীর মতো!”

📉 লেয়ার মুরগির ডিমের দাম বাড়ায় এখন সবাই সোনালীর বিকল্প খুঁজছে।



🧪 প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মন্তব্য:

“নতুন জাতের তথ্য পেলে আমরা খতিয়ে দেখব।
তবে আমরা চাই, আসল সোনালী যেন বাজারে থাকে।”



🐔 ভেজাল থেকে বাঁচতে করণীয়:

✅ মুরগির জাত ও উৎস সম্পর্কে জেনে কিনুন
✅ সন্দেহ হলে জিজ্ঞেস করুন, যাচাই করুন
✅ যাচাইযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য উৎস থেকেই কিনুন

ভালো স্বাদের খাবার আপনার অধিকার।
ভেজালে না ভুলে, সচেতনতায় জিতুন!

May this blessed occasion fill your life with joy, happiness, and prosperity. Wishing you and your loved ones a very hap...
29/06/2023

May this blessed occasion fill your life with joy, happiness, and prosperity. Wishing you and your loved ones a very happy Eid!

Eid Mubarak ❤️

গরমে পোল্ট্রি খামারের যত্ন নিন:গরমকালে পোল্ট্রি খামারের বিশেষ যত্ন না নিলে কমে যেতে পারে ব্রয়লারের ওজন বৃদ্ধি এবং লেয়া...
08/04/2022

গরমে পোল্ট্রি খামারের যত্ন নিন:

গরমকালে পোল্ট্রি খামারের বিশেষ যত্ন না নিলে কমে যেতে পারে ব্রয়লারের ওজন বৃদ্ধি এবং লেয়ার খামারের ডিম সংখ্যা।

তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও এর প্রভাবঃ
ঘর্মগ্রন্থি না থাকার কারণে মোরগ-মুরগির অতিরিক্ত গরম সহ্য করতে পারে না ফলে উৎপাদন ক্ষমতা ব্যাহত হয়। অতিরিক্ত তাপে এদের পানি গ্রহণ, শ্বাস-প্রশ্বাস, শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে থাইরয়েড গ্রন্থির আকার, রক্তচাপ, নাড়ির স্পন্দন, রক্তে ক্যালসিয়ামের সমতা, খাদ্য গ্রহণ, শরীরের ওজন ও ডিমের উৎপাদন হ্রাস পায়। ১৫ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এদের উৎপাদন সর্বোচ্চ। ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে শতকরা ৪ ভাগ হারে পানি গ্রহণ বৃদ্ধি পায়। ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পর থেকে ডিমের সংখ্যা না কমলেও প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ডিমের ওজন শতকরা এক ভাগ হারে কমে যায়। ২৬.৫ সেলসিয়াস ডিগ্রি তাপমাত্রার পর থেকে মোরগ-মুরগির খাদ্যের রূপান্তর ক্ষমতা হ্রাস পায়। ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে প্রতি ডিগ্রি তাপ বৃদ্ধিতে ২ থেকে ৪ শতাংশ খাবার গ্রহণ কমে যায়। ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মোরগ-মুরগির জন্য অসহনীয় এবং ৩৮ ডিগ্রির পর মৃত্যু হার খুব বৃদ্ধি পায়।

তাপজনিত ধকল প্রতিরোধঃ
খামারের আশেপাশে ছায়াযুক্ত বৃক্ষ রোপণ এবং ঘর পূর্ব-পশ্চিমে হওয়া বাঞ্ছনীয়। তবে আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনায় বায়োসিকিউরিটির কথা চিন্তা করে গাছপালা রোপণের প্রতি অনুৎসাহিত করা হয়ে থাকে। গরমে পোল্ট্রি শেডে প্রত্যক্ষ সূর্যালোক পরা যাবে না। অত্যধিক গরম প্রতিরোধে প্রয়োজনে শেডের ছাদে বা টিনের চালায় দিনে দু’তিন বার পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করতে হবে। টিনের নিচে চাটাই বা হার্ডবোর্ড দিয়ে সিলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক সময় মুরগি যখন হাঁ করে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয় তখন ঘরে সেপ্র মেশিন দিয়ে কুয়াশার মত করে পানি ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে। পানির ড্রিংকার ও ফিডারের সংখ্যা বাড়াতে হবে। ঘন ঘন ড্রিংকারের পানি পাল্টাতে হবে। গরমে বাতাসের আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ার কারণে শেডের মেঝে অনেক সময় স্যাঁতসেঁতে হয়ে লিটার দ্রুত ভিজে যায়। ফলে রোগের আক্রমণও বাড়ে। সেজন্য প্রতিদিন সকালে ব্রয়লার শেডের লিটার উলোট-পালোট করা প্রয়োজন। লিটারে গুঁড়ো চুন ব্যবহার করলে খুব ভালো ফল পাওয়া যায়। শেড থেকে শেডের দূরত্ব ৩০ ফুটের বেশি হলে ভালো হয়। শেডে মোরগ-মুরগির ঘনত্ব বেশি হলে তা কমিয়ে দিতে হবে। বাতাসের অবাধ চলাচল শেডের ভেতরের তাপমাত্রা শীতল রাখতে সাহায্য করবে এবং পোল্ট্রির জন্য ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া গ্যাসমুক্ত রাখবে। শেডে স্টেন্ড ফ্যানের ব্যবস্থা করতে হবে।

খাবার ব্যবস্থাপনাঃ
ঠাণ্ডা ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে হবে। যেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে এদের খাদ্য গ্রহণ কমে যায়, সেহেতু প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ৮ থেকে ১০ ভাগ শক্তি কমিয়ে প্রোটিন, খনিজ লবণ ও ভিটামিন বাড়িয়ে দিতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে ১০-১২ গ্রাম গ্লুকোজ ও মুরগি প্রতি ১০ গ্রাম ভিটামিন সি পানির সঙ্গে মিশিয়ে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়া প্রাকৃতিক বিটেইনে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আছে যা কোষের মধ্যে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে হিট স্ট্রোকের হাত থেকে এরা রক্ষা পায়। গরমে পোল্ট্রির অ্যামাইনো অ্যাসিডের চাহিদা বেড়ে যায়। বিটেইনে মিথাইল মূলক বিদ্যমান, যা মিথিওনিন ও কলিনের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। গরমে প্রয়োজনে একদিনের বাচ্চার জন্য পানিতে আখের গুড়, ভিটামিন-সি অথবা ইলেকট্রোলাইট যুক্ত স্যালাইন পানি দিতে হবে।
শেয়ার করুন

পোল্ট্রি খামার পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখার সহজ কৌশল আমরা অনেকেই জানি না। আমাদের দেশে পোল্ট্রি তথা হাঁস–মুরগির খামার একট...
02/07/2021

পোল্ট্রি খামার পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখার সহজ কৌশল আমরা অনেকেই জানি না। আমাদের দেশে পোল্ট্রি তথা হাঁস–মুরগির খামার একটি লাভজনক পেশা। পোল্ট্রি খামার গড়ে তোলার মাধ্যমে অনেকেই তাদের বেকারত্ব দূর করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। পোল্ট্রি খামার অনেক সময় মারাত্মক রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকে। খামারে রোগের অন্যতম কারণ হল ময়লা ও বিভিন্ন ধরণের জীবাণু।

আসুন জেনে নেই পোল্ট্রি খামার পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখার সহজ কৌশল সম্পর্কে-
নিচে খামার পরিষ্কার ও জীবানুমুক্ত করার ধাপগুলো দেওয়া হলো-

প্রথম ধাপঃ
খামার ভাল করে ঝাড়ু দিতে হবে। মাকড়সার জাল সহ খামারে লেগে থাকা ময়লাগুলো ঘষে ঘষে তুলতেহবে। এবং ময়লা গুলো দুরে গর্ত করে পুতে ফেলতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপঃ
এরপর প্রথমে সাদা পানি দিয়ে খামারটি ভিজিয়ে দিতে হবে। তারপর ডিটারজেন্ট পানিতে মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে পুরা ঘর ভিজিয়ে ৬ ঘন্টা রেখে দিতে হবে। ৬ ঘন্টা পর পুনরায় ডিটারজেন্ট দিয়ে ঘষে খামার পরিষ্কার করতে হবে। এরপর লবন ছিটিয়ে রেখে আধা ঘন্টা পর পানি দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে।

তৃতীয় ধাপঃ
খামার ডিটারজেন্ট পানি দিয়ে পরিষ্কার করার পর পানিগুলো যেই মাটিতে পড়বে সেই মাটি কোদাল দিয়ে ১ থেকে ২ ইঞ্চি তুলে খামার থেকে দূরে ফেলে দিতে হবে। পরে অন্য স্থান থেকে মাটি এনে খামারের নিচে ভরাট করে দিতে হবে। এক্ষেত্রে খামার যদি মাচাতে হয় তবে খামারের নিচে সিমেন্ট আর মাটি দিয়ে প্রলেপ দিতে হবে।

চতুর্থ ধাপঃ
এরপর ডিজইনফেক্টেন্ট দিয়ে পুরো খামার স্প্রে করতে হবে এবং স্প্রের পানি খামারে ২৪ ঘন্টা রেখে দিয়ে শুকাতে হবে। ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি গুলো পভিডন আয়োডিন দিয়ে পরিস্কার করতে হবে।

পঞ্চম ধাপঃ
২৪ ঘন্টা পর একটা লাঠির সামনের অংশে মোটা করে সুতির কাপড় পেঁচিয়ে তাতে কেরোসিন দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে ঘরের মেঝে, তারের নেট ইত্যাদিতে আগুনের ছোঁয়া দিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে খুব সাবধান হতে হবে যেন আগুন লেগে না যায়।

ষষ্ঠ ধাপঃ
এরপর চুন পানিতে গুলিয়ে মেঝেতে প্রলেপ দিতে হবে এবং মাচার নিচে দিয়ে একটা নেট দিতে হবে যাতে মুরগীর লিটার মাটিতে না পড়ে।

সপ্তম ধাপঃ
খামার পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে গেলে কমপক্ষে ৭ দিন রেখে দিতে হবে। তারপর খামারে বাচ্চা তুলতে হবে। এক্ষেত্রে ৭ দিনের মাঝেই খামার পরিষ্কার করা শেষ করতে হবে। আর এক সপ্তাহ পরিষ্কার করে রেখে দিতে হবে। মোট ১৫ দিন পর বাচ্চা খামারে তুলতে হবে।

যেকোনো খামার শুরু করাটা যতসহজ টিকিয়ে রাখাটা ততই কঠিন।এখন খামারিদের একটু লাভ হচ্ছে দেখে যারা অতি উৎসাহিত হয়ে খামার করতে চ...
20/04/2021

যেকোনো খামার শুরু করাটা যতসহজ টিকিয়ে রাখাটা ততই কঠিন।
এখন খামারিদের একটু লাভ হচ্ছে দেখে যারা অতি উৎসাহিত হয়ে খামার করতে চাচ্ছেন তাদেরকে বলবো ভাই, খামার শুরু করা খুবই সহজ কিন্তু একটি খামার শুরু করে সুন্দর ভাবে পরিচালনা করা সেখান থেকে প্রফিট বের করা কয়েক গুন বেশি কষ্টের। তাই লোভে পড়ে কিংবা কারও প্রলোভনে বা হুজুগের বশে বড় আকারে খামার করতে যাবেন না৷ এতে আপনার মঙ্গল হবে। আমার দেখা হুট-হাট করে শুরু করা খামারির প্রায় ৬০/৭০ ভাগই বড় আকারে লস করে ঝড়ে পড়েছে। যদি খামার করতেই চান তাহলে সবার আগে সুন্দর একটি প্ল্যান তৈরী করুন, ট্রেনিং করুন, ছোট আকারে খামার করে অভিজ্ঞতা অর্জন করুন তারপর বড় আকারে করবেন। আপনার পরিচালনার উপর নির্ভর করবে আপনার সফলতা।
অতএব নির্ভুল পরিচালনা করার চেষ্টা করুন।
◘ খামার সব সময় পরিষ্কার রাখার চেস্টা করবেন।
◘ খামারে পরিচর্যাকারী ব্যতীত অন্য পরিচিত বা অপরিচিত কাউকে প্রবেশ করতে না দেওয়াই ভালো।
◘ অবশ্যই খামারের জন্য আলাদা জুতা ব্যবহার করুন।
◘ নিয়মিত খামারের খাদ্য পাএ পানিপাত্র পরিস্কার করুন।
◘ নিয়ম মতো ভ্যাকসিনেশন করবেন, আজ নয় কাল দিবো এটা করবেন না।
◘ খামারে যে কোন অসুখ হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন।
◘ খামারের চিকিৎসার জন্য ফেসবুক, ইউটিউব বা হাতুরে ট্রিটমেন্ট বর্জন করুন ভালো ডি,ভি,এম ডাক্তার দ্বারা পোস্টমর্টেম করে ট্রিটমেন্ট দিন।
◘ এছাড়া ফিডের দাম প্রতি নিয়ত বাড়ছেই, বিকল্প হিসাবে নিজেরা খাবার তৈরী করে খাওয়ানোর ব্যবস্থা পারেন।
◘ সোজা কথা শুরু করলে টিকে থাকার জন্য সব ব্যবস্থা আপনাকেই করতে হবে।

নিজের শরীরের যত্ন নিন, সুস্থ থাকুন।
বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে এবং উদ্যোক্তা হয়ে নিজেকে উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার এখনই সময়।।

এই ক্ষেত্রে আমরা আপনাদের পাশে আছি

দেরি না করে যোগাযোগ করুন

পোল্ট্রি খামারে হিট স্ট্রেস ব্যবস্থাপনাঃ-☞  ঘরের তাপমাত্রা হ্রাস করতে হবেঃ- টিনের উপরে পাটের চট বা বাঁশের পাতলা স্লেটের ...
15/10/2020

পোল্ট্রি খামারে হিট স্ট্রেস ব্যবস্থাপনাঃ-
☞ ঘরের তাপমাত্রা হ্রাস করতে হবেঃ
- টিনের উপরে পাটের চট বা বাঁশের পাতলা স্লেটের মতাে অন্তরক দিতে হবে।
- মাঝে মাঝে টিনের উপরে এবং স্ট্যান্ড ফ্যানের সামনে শীতল জল স্প্রে করতে হবে।
- শেডের চারপাশে যে দিকে দুপুর বেলায় সূর্যের আলাে পরে, প্রায় ৩ ফুট অতিরিক্ত সানশ্যাড ব্যবহার করুন যাতে উক্ত পার্শে গরম না হয়।
- বায়ুচলাচল বাড়ানোঃ স্ট্যান্ড ফ্যান ব্যবহার করুন, সিলিং নয়, সম্ভব হলে সার্কুলেটিং ফ্যান, ছাদের ফ্যান এবং এক্সস্ট ফ্যান ব্যবহার করুন।
- ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ভেজা ছােট পাটের পর্দা ব্যবহার করুন।
☞ ফ্লোর স্পেস বা মেঝের জায়গা বৃদ্ধি করতে হবে ।
☞ ২০-২৫% অতিরিক্ত পানির পাত্র দিতে হবে, দিনে বেশ কয়েকবার শীতল জল দিতে হবে, সম্ভব হলে পানিতে কিছু বরফ দিতে হবে।
☞ অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা আবহাওয়ার সময় পাখিকে খাদ্য খাওয়াতে উৎসাহিত করতে হবে। ভােরে ৬০% এবং বিকাল ৪/৫ টার পরে
৪০ % খাদ্য সরবরাহ করুন। দীর্ঘ সময় ধরে খাদ্য খাওয়ানাে বন্ধ রাখবেন না।
☞ গুড়, ইলেক্ট্রোলাইটস, বিউটেইন, ভিটামিন-ই, সি এবং খাবার সােডা পানিতে খাওয়াতে হবে, তবে অ্যাসিডিফায়ার নয়।
☞ লিটারের ঘনত্ব কমাতে হবে ।
☞ পাখিকে কখনও বিরক্ত করবেন না, কেবল সে ব্যক্তি যে তার যত্ন নেবে নিঃশব্দে ঘরে প্রবেশ করবে।
☞ পাখিকে প্রতি এক ঘণ্টায় হাঁটানাের চেষ্টা করুন যাতে এটি সবর্দা বসে না থাকে, এই প্রক্রিয়াতে পাখির নীচের তাপ নির্মূল হবে।
☞ গুরুতর অবস্থায় মাথা ছাড়াই পাখিকে কয়েক মিনিটের জন্য ঠান্ডা জলে ডুবিয়ে রাখুন এবং গাছের নিচে ছেড়ে দিন।

ঠিকানা: সাবগ্রাম চার মাথা,বগুড়া সদর,বগুড়া।
যোগাযোগ: 01740129962 / 01626179241 / 01858994835
বিঃদ্রঃ আমাদের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে।

01/09/2020

আলহাদুলিল্লাহ,, আমাদের হ্যাচারীর বাচ্চা গুলো ডেলিভারি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত,।

বুকিং চলছে,,, যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে ।।।। 01740129962

বি দ্রঃ (নিচের ভিডিওতে শুধু সোনালী বাচ্চা)

বুকিং চলছে যোগাযোগ করুন।রবিবার এবং বৃহস্পতিবার ডেলিভারি দেওয়া হয়,,👇👇সোনালী(লোকাল, ক্লাসিক,হাইব্রিড)ফাওমীটাইগার বি দ্রঃ...
23/08/2020

বুকিং চলছে যোগাযোগ করুন।
রবিবার এবং বৃহস্পতিবার ডেলিভারি দেওয়া হয়,,👇👇

সোনালী(লোকাল, ক্লাসিক,হাইব্রিড)
ফাওমী
টাইগার
বি দ্রঃ( কোয়েল ও হাঁসের বাচ্চা পাওয়া যায়)

👉👉লোকেশন এবং ফোন নম্বর পেজে দেওয়া আছে। এ ছাড়া ইনবক্স করতে পারেন

আলহাদুলিল্লাহ,, আমাদের পোল্ট্রি হ্যাচারীতে নিয়মিতভাবে (রবিবার ও বৃহস্পতিবার) বাচ্চা উৎপাদন  হচ্ছে ।।                    ...
13/08/2020

আলহাদুলিল্লাহ,, আমাদের পোল্ট্রি হ্যাচারীতে নিয়মিতভাবে (রবিবার ও বৃহস্পতিবার) বাচ্চা উৎপাদন হচ্ছে ।।
বুকিং এর জন্য
# # # #যোগাযোগ করুন # # # # #

👉বি:দ্র আমাদের এখানে পাবেন👇
#সোনালী
#সোনালী ক্লাসিক
#সোনালী হাইব্রিড,)
#ফাঁওমী
#টাইগার
#কালার বার্ড
বিঃদ্রঃকোয়েল এবং হাঁস এর বাচ্চা পাওয়া যায়।

১। খাদ্য পাত্র পানি পাত্র প্রয়োজনের তুলনায় কম বেশি হলে মুরগীর ওজন কম বেশি হবে। দূর্বলরা সবলের ধাক্কা সহ্য করতে পারবেনা ফ...
10/08/2020

১। খাদ্য পাত্র পানি পাত্র প্রয়োজনের তুলনায় কম বেশি হলে মুরগীর ওজন কম বেশি হবে। দূর্বলরা সবলের ধাক্কা সহ্য করতে পারবেনা ফলে তারা আরও দূর্বল হয়ে যাবে।

২। না বুঝে ঔষধ ব্যবহার করলে বা বহু ঔষধ একত্রে মিশালে ঔষধের পাশ্বপ্রতিক্রিয়ায় মুরগী ক্ষতি গ্রস্ত হতে পারে। না বুঝে ঔষধ দেয়ার চেয়ে ঔষধ না দেয়া ভালো।শুধু বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করা ভালো।

৩। ভ্যাক্সিন প্রয়োগ এর ভুল হলে যে ভ্যাক্সিন এ ভুল করবেন ফার্মে ঐরোগ ই হবে।ভ্যাক্সিন চোখে দেয়া কার্যকরী। পানিতে মিশিয়ে ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করলে নানা কারণে তা নষ্ট হতে পারে যা ভাইরাস জনিত রোগের কারণ হতে পারে।

৪। ব্রুডিং এ তাপমাত্রা কম বা বেশি হলে।তাপমাত্রা কম হলে নাভি শুকাবে না,ইনফেকশন হবে,ডানা ঝুলে পড়বে, বাচ্চা কুকাবে,ছোট বড় হবে,মৃত্যুহার বেড়ে যাবে ইত্যাদি। পক্ষান্তরে তাপমাত্রা বেশি হলে বাচ্চা পানিশূন্য হবে,দূর্বল হবে,প্যারালাইসিস হবে,হাপাবে,বড় হলে পেটে পানি আসবে ইত্যাদি।

৫।লিটার ব্যবস্থাপনা ত্রুটির কারনে - ভিজে গেলে, গ্যাস হলে। শ্বাসতন্ত্রের রোগ, এসাইটিস,অরুচি ইত্যাদি হতে পারে।মাচা পদ্ধতিতে মুরগী পালন করার ক্ষেত্রে এই সমস্যা অনেক টা কম।

এছাড়াও নানা কারণে ফার্মের অসুখ বিসুখ হয়ে থাকে।

উন্নত মানের সোনালী(সোনালীর 3টি জাত) এবং ফাওমী মুরগির বাচ্চা,টাইগার বাচ্চা, কোয়েল পাখির বাচ্চা,খাঁকি ক্যামবেল হাঁসের বাচ্...
06/08/2020

উন্নত মানের সোনালী(সোনালীর 3টি জাত) এবং ফাওমী মুরগির বাচ্চা,টাইগার বাচ্চা, কোয়েল পাখির বাচ্চা,খাঁকি ক্যামবেল হাঁসের বাচ্চা পাওয়া যায়।আগ্রহী ক্রেতাগণ আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন👇।

বি:দ্রঃ ( রবিবার ও বৃহষ্পতিবার) আমাদের হ্যাচিং এবং আমাদের নিজস্ব গাড়ীতে যত্নসহকারে ডেলিভারি ম্যান দ্বারা বাচ্চা ডেলিভারি দেওয়া হয়,,, আগ্রহী ক্রেতাগণ আজই বুকিং করুন😊😊😊

24/07/2020

বর্ষাকালীন খামার ব্যবস্থাপনা:-
১। লিটার ব্যবস্থাপনা:- বর্ষাকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান বেশী থাকে এর ফলে লিটার ভিজে যায় অনেক বেশী। ভেজা লিটার থেকে নানা রকম রোগ ব্যাধি দেখা দেয়। অনেক সময় শেডের তলা ভিজে গিয়ে লিটারও ভিজিয়ে দেয়, এসবক্ষেত্রে সাময়িকভাবে ফ্লোরের উপর ত্রিপল বা পলিথিন দিয়ে তার উপর লিটার দিয়ে মুরগী পালন করা যায়। এসময় লিটারে অনেকেই চুন ব্যবহার করেন কিন্তু এটা একটা ভূল কাজ, কারন চুন প্রথমে লিটারের পানি শোষন করে নেয় এবং পরবর্তীতে বাতাসের জলীয়বাষ্প থেকে পানি নিয়ে লিটার আরও বেশী ভিজিয়ে দেয়। এসময় লিটার থেকে জন্মানো রোগ বেড়ে যায়। সুতরাং লিটার ব্যবস্থাপনায় সতর্ক হোন।

২। খাদ্য ব্যবস্থাপনা:- বর্ষাকালে খাবার পাত্রে কম কম করে খাদ্য দিতে হবে। খাদ্য যত বেশী দিবেন সেটা তত বেশী সময় থাকবে। যত বেশী সময় ধরে থাকবে সেটা তত বেশী আদ্রতা শোষন করবে এবং গুনগত মান কমতে থাকবে। খাবার দেয়ার পর বস্তায় খাদ্য থাকলে প্রথমে ভিতরের পলিব্যাগ ভাল মতন বন্ধ করুন এবং পরে বাহিরের ব্যাগ বন্ধ করুন।

৩। পানি ব্যবস্থাপনা:- খাবার পানি অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করতে হবে। এসময় পরিবেশে রোগ জীবাণু বেড়ে যায় এবং পানিবাহিত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বাড়ে।

৪। মুরগী মারা গেলে নিজে ডাক্তারি না করে সরাসরি রেজিস্ট্যার্ড ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

৫। খাদ্যের ব্যাগ সবসময় উচু স্থানে রাখুন। মাটিতে ব্যাগ রাখলে আদ্রতা শোষন করে খাদ্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৬। পর্দা নিচের দিকে সবসময় ১ হাত তুলে রাখুন। বৃষ্টির ছিটা থেকে বাচতে পর্দা উপরে তুলতে পারেন কিন্তু ভূলেও কখনোও একদম বন্ধ করবেন না। উপরে অবশ্যই ১ হাত ফাকা রাখুন।

৭। এখন চারপাশে অতিরিক্ত পানি। রোগজীবাণু পানির মাধ্যমে খুব দ্রুত ছড়ায়। তাই দয়া করে মৃত মুরগী যেখানে সেখানে না ফেলে মাটিতে পুতে ফেলুন।

নিজের শরীরের যত্ন নিন, সুস্থ থাকুন।

Address

Bogura
5800

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কবির পোল্ট্রি এন্ড হ্যাচারী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share