19/09/2020
বাঙালির রান্নাঘরে অবাধ যাতায়াত শুকনো ফল বা #ড্রাই_ফ্রুটসের। পায়েস থেকে শুরু করে পোলাও কিংবা হালুয়া সবক্ষেত্রেই অবাধ বিচরণ ড্রাই ফ্রুটসের। এছাড়াও পুষ্টিগুণের জন্য ড্রাই ফ্রুটসের চাহিদা বেশ রয়েছে বাজারে। পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, ড্রাই ফ্রুটসে থাকে প্রচুর পুষ্টিগুণ।পুষ্টিবিদদের মতে, #প্রতিদিন_৫০_গ্রাম_ড্রাই_ফ্রুটস_খাওয়া_শরীরের_পক্ষে_ভালো।
👉 #উপাদানঃ
🌾 #কাঠবাদাম/Almond,
🌾 #কাজুবাদাম/Cashews,
🌾 #পেস্তাবাদাম/Pistachio,
🌾 #চিনা_বাদাম/peanuts
🌾 #আখরোট/Walnuts,
🌾 #ত্বীন_ফল/Ficus
🌾 #সাদা_কিসমিস/White raisins
🌾 #কালো_কিসমিস/Black raisins,
🌾 #খেজুর/Dates
🌾 #আলুবোখারা /Prune
🌾 #ভাজা_কাজুবাদাম/Roasted cashews
🌾 #কিউই/kiwi
🌾 #এপিকোট /Apricot
🌾 #সূর্যমুখী_বিচি/sunflower seed
🌾 #মিষ্টিকুমড়া_বিচি/Pumpkin seed
#ড্রাই_ফ্রুটস_যতদিন_ইচ্ছা_সংরক্ষণ_করা_যায়
এটি অনেক মজাদার আর পুষ্টিকরও বটে!!
সরাসরি খেতে পারবেন, ছোট্ট বাচ্চাদের সুজি বা সিরিয়ালের সাথে গুড়ো/ব্লেন্ড করে খাবার করে তুলতে পারেন আরো পুষ্টিকর!!
#প্রেগন্যান্ট_মা ও #যারা_ডায়েট_করছেন তাদের জন্য এটি কিন্তু #সুপারফুড!! কারণ এতে পাবেন প্রচুর পুষ্টি ও ক্যালরি 😀
🚩কিউই : কিউই ফলে ভিটামিন-সি ও পটাশিয়াম থাকায় স্বাস্থের জন্য় খুবই উপকারি। প্রতিদিন যদি ২টি করে কিউই ফল খাওয়া যায় তাহলে অক্সিডেটভ স্ট্রেস হ্রাস পায়। হৃদরোগের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে এই ফল। এছাড়াও কিউইতে ম্য়াগনেশিয়ামের থাকায় হার্ট ভাল রাখতে সাহায্য করে। কিউই ফলে ভিটামিন-সি ও অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
🚩এপিকোট : এপ্রিকটসের সংমিশ্রণে অনেক দরকারী ভিটামিন, স্টার্চ, ট্যানিনস পাশাপাশি তিন ধরণের অ্যাসিড- টারটারিক, ম্যালিক এবং সাইট্রিক রয়েছে। তদ্ব্যতীত, এগুলির মধ্যে কঙ্কালের ব্যবস্থা শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় লবণ এবং খনিজ রয়েছে।
🚩সূর্যমুখী বিচি : মিষ্টি বাদাম জাতীয় এই বীজে রয়েছে প্রচুর স্বাস্থ্য উপাদান। যেমন: খনিজ পদার্থ, ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড। সূর্যমুখীর বীজ শরীরের নানা রোগ সারিয়ে তোলে ও নানাভাবে শরীরকে সুরক্ষিত রাখে।
🚩মিষ্টি কুমড়া বিচি : ১০০ গ্রাম কুমড়ার বিচি থেকে ৫৬০ ক্যালরি পাওয়া যায়, তার মানে ক্ষুধা মেটানোর কাজটা ভালোই পারে এ বস্তু। আর সামান্য এই খাবারে পুষ্টিও গিজগিজ করছে। প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদানের ‘পাওয়ার হাউস’ মিষ্টি কুমড়ার বিচিতে আছে ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম, প্রোটিন ও আয়রনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সব খাদ্য উপাদান।
🚩কাঠবাদাম : কাঠবাদামে আছে ভিটামিন "বি" "ই" ও "ডি", ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস! এছাড়াও রয়েছে প্রচুর মিনারেল।
#স্মৃতিশক্তি_প্রখর_করে_কাঠবাদাম
প্রতিদিন একমুঠো কাঠবাদাম প্রখর করে স্মৃতিশক্তি। কাঠবাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি। যা মস্তিষ্কের কোষগুলোকে উন্নত করতে সহায়তা করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকেই প্রতিদিন কাঠবাদাম খাওয়ার অভ্যাস করলে স্মৃতিশক্তি অনেক বেশি প্রখর হয়।
🚩কাজুবাদাম : কাজুবাদামে আছে ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, পটাসিয়াম, ভিটামিন ই।
🚩পেস্তাবাদাম : এতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি 6, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার ও মিনারেলস।
🚩ত্বীন ফল : বিশ্বের অন্যতম স্বাস্থ্যকর ফল, যার মধ্যে প্রচুর উপকারিতা আছে। ১০০ গ্রাম টাটকা অ্যাপ্রিকট বাস্তবিক শরীরের প্রয়োজনীয় ১২% ভিটামিন সি ও এ-র সাথে ৬% ক্যালসিয়াম দেয়। ‘দিনে একবার অ্যাপ্রিকট খেলে ডাক্তারের দরকার লাগবে না
🚩চিনাবাদাম : অন্য অনেক খাবারের চেয়ে চিনাবাদামের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা বেশি। দৈনিক একমুঠো বা ৩০ গ্রাম বাদাম ওজন কমায়, হৃদ্রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখে, স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ও রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে,কোলেস্টেরল কমায়,ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ ছাড়া এতে বিভিন্ন ভিটামিনজাতীয় পদার্থ যেমন থায়ামিন, রিবোফ্লোবিন, নিয়াসিন, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি-৬ ও ফোলেট রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। পাশাপাশি এতে বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ক্যালসিয়াম, লোহা, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও দস্তা রয়েছে।
🚩আখরোট : এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং আনসাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, ওমেগা থ্রি, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, আয়রন, প্রোটিন, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবার।
কিসমিস : হজমে সাহায্য করে, রক্তশূন্যতা দূর করে, এতে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম যা দাঁত আর হাড় মজবুত করে, দেহে শক্তি সরবরাহ করে: দুর্বলতা দূরীকরণে কিসমিসের জুড়ি মেলা ভার। কিসমিসে রয়েছে চিনি, গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজ, যা তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি সরবরাহ করে।
🚩খেজুর : পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুরে রয়েছে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক।খেজুর একজন সুস্থ মানুষের শরীরে আয়রনের চাহিদার প্রায় ১১ ভাগই পূরণ করে। তাই প্রতিদিন খেতে পারেন খেজুর।সুস্বাদু আর বেশ পরিচিত একটি ফল, যা ফ্রুকটোজ ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। খেজুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতে সাহায্য করে,খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনার স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে।
🚩আলুবোখারা : পটাশিয়ামের উৎস হিসেবে কলার পরেই আছে আলুবোখারা। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে কিংবা হজমের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য উপকারী খাবার এটি।হাড়ের সার্বিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে এবং ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক আলুবোখারা।এতে আরও থাকে ‘অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট’ ও ভিটামিন ‘এ’, যা চোখ ও ত্বকের জন্য উপকারী। শরীরের লৌহের চাহিদা পুরণ করতেও কার্যকর। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে খুব বেশি হলে তিন থেকে চারটি মাঝারি আকারের আলুবোখারা খেতে পারবেন। আর তাতেই এই শুকনা ফল থেকে সর্বোচ্চ উপাকার পাওয়া যাবে।
🚩সাদা কিশমিশ : প্রতি ১০০ গ্রাম কিশমিশে রয়েছে:
এনার্জি ৩০৪ কিলোক্যালরি, কার্বোহাইড্রেট ৭৪.৬ গ্রাম, ডায়েটারি ফাইবার ১.১ গ্রাম, ফ্যাট ০.৩ গ্রাম, প্রোটিন ১.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৮৭ মিলিগ্রাম, আয়রন ৭.৭ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ৭৮ মিলিগ্রাম ও সোডিয়াম ২০.৮ মিলিগ্রাম।
🚩কালো কিশমিশ : . কিসমিসে পর্যাপ্ত পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম আছে। এগুলো অ্যাসিডিটি কমায়, কিডনির পাথর দূর করে ও হৃদরোগর ঝুঁকি কমায়।জ্বর, ঠাণ্ডা ও অন্য সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।চোখের জন্য আদর্শ খাবার। কিসমিস দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। কিসমিসে রয়েছে ভিটামিন-এ ও বিটা ক্যারোটিন। ফ্যাটবিহীন ফাইবারসমৃদ্ধ কিসমিস হজমশক্তি বাড়িয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, আমাদের শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়।ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা কিসমিস খাওয়ার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
#ছোট_বাচ্চাদের_জন্য_ড্রাইফুটস_অনেক_উপকারী...
🔸অ্যানিমিয়ার আশংকা কমায়
🔸এনার্জি জোগায়
🔸রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে
🔸স্ট্রেস কমায়
🔸ডিএনএ-কে বাচায়
🔸চোখ ও হাড়কে সবল করে
🔸কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
🔸মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটায়
♦ ৫০০গ্রাম #ড্রাই_ফ্রুটস - াকা
♦ ১ কেজি #ড্রাই_ফ্রুটস - #২০০০টাকা