15/12/2014
ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের
জন্মবার্ষিকী ভালোবাসা ও উৎসাহ-
উদ্দীপনায় উদযাপন
ডেসটিনি রিপোর্ট
যথাযথ আনুষ্ঠানিকতা থাকলেও ছিল
না বর্ণাঢ্য আয়োজন। আয়োজনের
বাড়াবাড়ি না থাকলেও ছিল অসীম
ভালোবাসা। আর এই ভালোবাসা ও উৎসাহ-
উদ্দীপনা নিয়েই দেশের প্রথম ও
সবচেয়ে বড় মাল্টিলেভেল
মার্কেটিং (এমএলএম)
কোম্পানি ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর ১৪তম
জন্মবার্ষিকীর দোয়া মাহফিল করলেন
বিনিয়োগকারী ও ক্রেতা-পরিবেশকরা।
গতকাল রোববার রাজধানীর
বিজয়নগরে মাহতাব সেন্টারে ডেসটিনি সেলস
অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের হলরুমে এ
জন্মদিন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জন্মদিন উপলক্ষে হলরুমটিকে সাজানো হয়
নানা রঙের বেলুন ও কাগজের বাহারি ফুল-
লতাপাতা দিয়ে। হলরুমে স্থাপিত জন্মদিনের
মূল মঞ্চের পেছনের ব্যানারে লাগানো ছিল
'ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর ১৪তম
জন্মবার্ষিকী ও দোয়া মাহফিল'। দুপুর ৩টায়
যখন জন্মদিনের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়
ততক্ষণে হলরুম ভরে গেছে ভালোবাসায়
দীপ্ত বিনিয়োগকারী ও ক্রেতা-পরিবেশকদ
ের উচ্ছ্বাসে। অনুষ্ঠান শুরু হতে না হতেই
উপস্থিত বিনিয়োগকারী ও ক্রেতা-
পরিবেশকদের দ্বিগুণেরও
বেশি দাঁড়িয়ে থাকেন হলরুমের বাইরে।
বিনিয়োগকারী ও ক্রেতা-পরিবেশকদের
স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ডেসটিনি-২০০০
লিঃ-এর জন্মদিন ক্রমেই এক বিশেষ
অনুষ্ঠানের পরিপূর্ণতা লাভ করে।
ডেসটিনি-২০০০ লিঃ ২০০০ সালের ১৪
ডিসেম্বর জয়েন্ট স্টক অব কোম্পানিজ
থেকে নিবন্ধন পায়। ২০০১ সালের ৫
জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে কোম্পানির
যাত্রা শুরু হয়। ডেসটিনি-২০০০
লিঃ স্বচ্ছতা, ব্যবসায়িক দক্ষতা ও সুনামের
জন্য অল্পদিনেই দেশের মানুষের মন জয়
করে একটি বড় গ্রুপ অব
কোম্পানিতে পরিণত হয়। শুধু তাই নয়,
এসময় ডেসটিনি-২০০০ লিঃ দেশের
গ-ি পেরিয়ে বিদেশেও বিশেষ পরিচিতি লাভ
করে। কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য
দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন ডেসটিনি গ্রুপের
কোম্পানি সেক্রেটারি মোহাম্মদ মিজানুর
রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ রাজীব
মিত্র, ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল ইসলাম,
আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফিরোজ আলম টিপু
এবং ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর কাস্টমার
সার্ভিসের জেনারেল ম্যানেজার মাহবুবুর
রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন
ট্রিপল ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ ও
ডেসটিনি গ্রুপের অপারেশন ডিরেক্টর
সিরাজাম মুনির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন
ডেসটিনি সেলস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের
(ডিএসটিসি) সেন্ট্রাল এক্সিকিউটিভ
ট্রেনার তোফাজ্জল হোসেন মানিক।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিএসটিসির
সেন্ট্রাল এক্সিকিউটিভ ট্রেনার শামীম
চৌধুরী। এছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন
পিএসডি মো. আবুল হাছান আজাদ, মো.
মোহসীন, ইঞ্জিনিয়ার নাজিমউদ্দিন জুয়েল
ও মো. আব্দুর রহিম।
পরে জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত
দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন
পিএসডি শাহজালাল আনসারী।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডেসটিনি গ্রুপের
কোম্পানি সেক্রেটারি মিজানুর রহমান
ডেসটিনি গ্রুপের বিনিয়োগকারী ও ক্রেতা-
পরিবেশকদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের
নিরাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই,
ডেসটিনি-২০০০ লিঃ-এর
আগামী জন্মবার্ষিকীর আগেই কোম্পানির
দুই প্রাণপুরুষকে আইনি প্রক্রিয়ার
মাধ্যমে মুক্ত
করে নিয়ে আসবো ইনশাল্লাহ।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় রাজীব মিত্র
বলেন, কোম্পানির মঙ্গলের জন্য
আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।
ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল ইসলাম বলেন,
ডেসটিনি-২০০০
লিঃ থেকে যে ডিস্ট্রিবিউটররা অন্য
কোম্পানিতে গিয়েছেন, তারা কেউই
পেশাগতভাবে সফলতা অর্জন
করতে পারেননি। আব্দুল্লাহ আল মামুন
বলেন, এমএলএম করলে ডেসটিনিতেই করব,
না হলে বাংলাদেশে আর কোনোদিন
এমএলএম করব না। ফিরোজ আলম টিপু
বলেন, দেরিতে হলেও আমাদের
কোম্পানি কামব্যাক করবে ইনশাল্লাহ।
জন্মবার্ষিকীর
আলোচনাসভা শেষে সভাপতির বক্তৃতায়
ট্রিপল ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ ও
ডেসটিনি গ্রুপের অপারেশন ডিরেক্টর
সিরাজাম মুনির বলেন, একটি কুচক্রী মহল
ডেসটিনির সম্পদ লুটেপুটে খাওয়ার
ষড়যন্ত্র করছে। এ ষড়যন্ত্রকারীরা শুধু
ডেসটিনির শত্রু নয়, এরা সরকারেরও শত্রু।
ডেসটিনির সঙ্গে যুক্ত ৪৫ লাখ
ডিস্ট্রিবিউটর ও তাদের পরিবার-পরিজন
এবং ডেসটিনি গ্রুপের বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৩ হাজার কর্মকর্তা-
কর্মচারীসহ প্রায় ২ কোটি মানুষকে রক্ষার
জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আকুল আবেদন
জানান তিনি।
copied by-danik destiny