Hridaybd.com

Hridaybd.com হৃদয় বিডি আপনার প্রয়োজনের সাথী

29/12/2019

দরিয়াদৌলত ইউনিয়ন প্রবাসীদের জন্য সু খবর Western Union MTCN এর মাধ্যমে টাকা পাঠান ঘরে বসেই টাকা বুঝে নিন। বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন।

28/12/2019

love story

Hriday

Once a girl and a boy were introduced to the ninth grade of the school. The girl and the boy are good friends. If they do not see each other, do not sit at their reading table. It was his regular routine to see who these two were. And the boy knew each other's names and even called him a friend after studying in the same class. Yet they did not call names. They used to talk on the phone after reading.

They talk regularly and become very dear to all the school teachers, spending their time well thus their eight months have passed. What happened then?

Want to know more facts? Please comment

27/10/2019

ইংরেজি শব্দের কিছু উচ্চারণ বিধি:
শব্দের মধ্য Tথাকলে "T" এর পর U হলে "T" এর উচ্চারণ "চ" হবে। যেমন:- Future (ফিউচার), Century (সেনচুরী), Mixture, Fixture. - শব্দের মধ্য "D" এর পর G হলে "D" এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Knowledge (নলেজ), Judge ( জজ), Bridge, Coleridge. - K এর পর n হলে K এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Know (নো), Knee (নী), Knife (নাইফ), Knowledge (নলেজ)। - G এর পর A, O, U থাকলে G এর উচ্চারণ"গ" হয়। যেমন:- Garden (গার্ডেন), Good (গুড), Guide (গাইড)। - S এর পর H হলে S এর সর্বদা "শ" হয়। যেমন:- Bangladesh (বাংলাদেশ), Bush, Cash. - W এর পর h/r হলে W এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Write (রাইট), Wrong (রং), Who (হু), Wh- question এর সব। - T এর পর io হলে "T" এর উচ্চারণ "শ" হয়। যেমন National (ন্যাশনাল)। - i/u এর পর gh হলে gh এর উচ্চারণ হয় না, যদি হয় "ফ" এর মত হবে। যেমন:- Eight (এইট), Right (রাইট), High (হাই), Enough (এনাফ), Cough (কফ)। - ng একত্রে হলে ং"এর উচ্চারণ হয়। যেমন:- Bangladesh (বাংলাদেশ)। - শব্দের শেষে e থাকলে "e" এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Name (নেইম), Come (কাম), Take (টেক)। - G যখন কোন শব্দে gm বা gn রুপে ব্যবহৃত হয় তখন G এর উচ্চারণ Silent হয়। প্রথমে যদি G থাকে এবং তারপরেই যদি "N" থাকে তবে G silent থাকে। Example: 1.Sign (সাইন) - চিহ্ন। 2.Campaign (ক্যামপেন) - প্রচার। 3.Reign (রেইন) - শাসন। 4.Design (ডিজাইন) - নকশা। 5.Resign (রিজাইন) - পদত্যাগ। - C-এর উচ্চারণ কখন 'ক' আর কখন 'স' হবে ? Rule (1): C-এর পরে যদি A, L, O, R, U হয় তাহলে তার উচ্চারণ 'ক' হয়। কিছু সহজ উদাহরণ পড়ে মিলিয়ে দেখুন:- Can (v, ক্যান্) - পারা। Class (n, ক্লাস্) - শ্রেণি। Colour (n, কালার্) - রং। Cup (n, কাপ্) - পেয়ালা। Crime (n, ক্রাইম্) - দুর্নীতি। - Rule (2): C-এর পরে যদি I, E, Y থাকে তাহলে তার উচ্চারণ 'স' হবে। দেখে নিই কিছু সহজ উদাহরণ:- Center (n, সেন্টার্) - কেন্দ্র। Ceiling (n, সিলিং) - ভেতরের দিকের ছাদ। Cinema (n, সিনেমা) - প্রেক্ষাগৃহ। Cyclist (n, সাইক্লিস্ট্) - সাইকেল চালক।
,
পরবর্তিতে পড়তে চাইলে শেয়ার করে এখনি নিজের টাইমলাইনে রাখুন।

18/09/2019

বড় বোনের অবহেলা 😭

---------------------
আপু ১০টা টাকা দে তো।
- কেন?
- স্কুল যামু।
- টাকা নাই এখন যা।
- এমন করস কেন আপু দে না প্লিজ।
- বলছি না, নাই এখন ঘ্যানর ঘ্যানর করিস না তো।
- আপু দিবি কিনা? ( ঠাস)
- এই নে দিলাম, হয়ছে এখন?
- উহুঁ উহুঁ। ..
কাদতেঁ কাদতেঁ বেরিয়ে গেলো ঘর থেকে শুভ।
এই হলো নুসরাত আর ওর ভাই।
নুসরাত পড়ে ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে আর শুভ পড়ে ক্লাস ফাইভে।
শুভ সব সময় ওর আপুর সাথে মেলামেশার চেষ্টা করে কিন্তু ওর আপু ওর সাথে এমন ব্যবহার করে।
দুজনে সাপ বেজির মতো,,
শুভ ওর আপুর কাছে থাকতে চাইলেও ওর আপু ওকে ঝামেলা মনে করে দূরে রাখে।
স্কুলে যাওয়ার সময়, শুভ ভাবলো আপু তো আমার স্কুলের সামনে দিয়েই কলেজে যায়।
আমার স্কুলের সামনে দিয়েই কলেজে যাওয়ার রাস্তা, তাই আমি আপুর সাথে যাব।
শুভ ওর আপুর ঘরে গিয়ে দেখে ওর আপু রেডি
হয়ে গেছে কলেজে যাবার জন্য।
- আপু আপু আমাকে সঙ্গে নিয়ে যা।
- একা যেতে পারিস না।
- এতো গাড়ির মধ্যে একা যেতে ভয় লাগে তোর সাথে যাব।
- আচ্ছা নিয়ে যাব, রাস্তায় বেরিয়ে এটা ওটা বাহানা ধরবি তো,
সকালের মতো আরেক টা দিবো।
- আচ্ছা চুপ করে থাকবো।
তারপর শুভ আর নুসরাত বেরিয়ে পড়ে।
দুজনে চুপচাপ রাস্তা দিয়ে হাটছে।
তবুও ওদের মাঝে প্রায় ১ হাত ফাকা জায়গা
বিরাজ করছে।
শুভর অনেক ইচ্ছে করছে আপুর হাতটা ধরে রাস্তায় চলতে কিন্তু শুভ ১ হাত ফাক দিয়ে যাচ্ছে।
আর আপুর কাছে যেতে ভয় পাচ্ছে,
যদি মাইর দেয়!
ওর আপু তো ওকে একটুও ভালবাসে না।
সবসময় মারধোর করে।
তাই এখন শুভর মনে সবসময় এক ভয় কাজ করে,
সেটা হলো আপুর কাছে যাওয়া যাবে না,
নয়তো মার খেতে হবে।
তখন শুভ বলে,,,
- আপু একটু কোলে নে না।
- কিইইইই?? ( চোখ বড় বড় করে রাগি লুক
নিয়ে তাকালো শুভর দিকে)
- না,,, কিছু বলি নাই।
শুভ ভয় পেয়ে আরও একটু দূরে সরে যায়।
তারপর শুভ ওর স্কুলে চলে যায় আর ওর আপু
একটু শান্তি পায়।
মনে মনে বলতে থাকে আপদ গেছে। এরপর সারাদিন শুভ স্কুলে আর নুসরাত কলেজে কাটায়।
এভাবেই দিন চলছে দুজনের।
শুভ পাচ্ছে শুধু ওর আপুর অবহেলা।
কোনো সময় একটু ভালবেসে আদর করেনি ওকে।
সবসময় বকাঝকা আর মেরেই সময় কাটায়
বাড়িতে ওর আপু।
বিকেল ৪ টার ছুটি হয় শুভর স্কুল।
ওর বাসার আশেপাশে ওর কোনো বন্ধু নেই।
তাই স্কুল ছুটি হওয়ার পর শুভ একা একা মেইন
রোডের ধার দিয়ে ধীরে ধীরে হাটতে হাটতে বাসার
দিকে অগ্রসর হয়।
রাস্তায় দিয়ে যাওয়ার সময় শুভ দেখে একটা মেয়ে একটা ছেলেকে নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছে।
ছেলেটি মেয়েটার কোলে ছিলো,
বিশেষ করে মেয়েটার ছোট ভাই হবে হয়তো।
রাস্তা পাড় হওয়ার পরই দুজনে আবার একসাথে চলতে লাগলো।
শুভ তখন ভাবে, ইসসসস এমন করে যদি আমার
আপু আমাকে আদর করতো ভালবাসতো তাহলে
ও অনেক সুখী হতো।
আর কিছু চাইতো না ওর আপুর কাছে।
এটুকুই যথেষ্ট ছিলো শুভর কাছে।
কিন্তু এটা নুসরাত বুঝতো না,
যে ওর ভাই কি চায়।
শুভ শুধু ওর কাছে একটু আদর চায় কিন্তু নুসরাত শুভকে অবহেলা ছাড়া কোনো দিন কিছু দেয়নি।
.
এসব ভাবতে ভাবতে বাসায় চলে আসে শুভ।
আর ওর আপু তো আগেই এসেছে,,কারণ স্কুল
থেকে কলেজ আগে ছুটি হয়।
এসে ফ্রেস হয়ে দেখে আম্মু বাসায় নেই।
-আপু আম্মু কই গেছে?
- পাশের বাসায়।
- খেতে দে।
- আমার কাজ আছে, ভাত বেড়ে খা।
- ধ্যাত, ভাল্লাগেনা,, কোনো কিছু করতেই
বললেই সবসময় বলস তুই নিজে কর।
এমন করস কেন আপু?
- উফফফ, কি করি এটাকে নিয়ে!!
আচ্ছা বস দিচ্ছি।
-( শুভ খুশি মনে তাড়াতাড়ি বসে পড়লো)
- এই নে খা।
- আপু তুই খেয়েছিস?
- তোর সেটা নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে না,,
চুপচাপ খা।
- ( শুভ মুখ কালো করে খাওয়া শুরু করলো)

কিছুক্ষণ পর নুসরাত ওর ঘরে চলে গেল।
আর শুভ ভাতের প্লেট হাতে নিয়ে আবার নুসরাতের পেছন পেছন চললো।
ঘরে গিয়ে,,
- আপু তুই মনে হয় খাসনি,,এই ধর হা কর আমি
খাইয়ে দিচ্ছি।
( এ কান্ড দেখে নুসরাত খুব রেগে গেল)
-ওই হারামজাদা তোরে কে এতো দরদ দেখাতে বলছে হ্যাঁ, যা ভাগ এখান থেকে। এরকম ভাবে বলার জন্য শুভর চোখটা ছলছল
করে উঠলো জলে,
শুভ মন খারাপ করে চলে গেল ঘর থেকে।
অর্ধেক প্লেট ভাত খেয়ে আর বাকিটুকু না খেয়েই নিজের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লো শুভ।
বাচ্চা পোলাপাইন।
এখনো ভালবাসা শব্দের অর্থ জানে না।
তবুও আজ খুব কষ্ট হচ্ছে ওর,
কেন ওর আপু ওকে একটুও আদর করে না।
একটুও ভালবাসে না!
খুব কান্না পাচ্ছে শুভর।
তাই আজ শুভ শুয়ে শুয়ে নীরবে কেদে যাচ্ছে।
সে কান্না ওর আপুর কানে যাচ্ছে না।
নুসরাত শুনতে পাচ্ছে না ওর ছোট্ট ভাইয়ের কষ্ট মাখা কান্না।
হয়তো কোনো দিন শুনতেও পাবে না। তারপরের দিন বিকেলে শুভ স্কুল থেকে এসে
তাড়াহুড়ো করে ওর আপুর কাছে গেল,
- আপু আপু বড়ই খাবি?
দ্যাখ কি মিষ্টি!!!!
- কই পাইছস?
- আমাদের স্কুলের সামনে মেইন রোডের ধারে যে বড় বড়ই গাছ ওটা থেকে পারছি ।
- গাছে উঠতে পারিস?
- হ্যাঁ, পারি।
- আচ্ছা রেখে যা।
তারপর শুভ বড় বড় কয়েক টা বড়ই ওর আপুর
বিছানায় রেখে খুশি মনে ফুটবল নিয়ে বাইরে খেলতে গেল।
খুশি হওয়ার কারণ টা হলো - আজ
ওর আপু ওর উপর না রাগ করে ও যেগুলো দিছে সেগুলো রেখে দিছে তাই শুভ আজ অনেক
খুশি।
শুভ কতক্ষন ফুটবল নিয়ে গড়াগড়ি করে আবার মন খারাপ করে বাসায় চলে আসলো। এবার মন
খারাপ হলো গিয়ে,
ওর এখানে কোনো খেলার সাথী নেই।
শুভ একা একদম একা।
কেউ নেই এখন শুভর পাশে।
কিছুক্ষণ পর ভাবলো,
আমি তো আজ আপুকে খুশি দেখেছি,
বড়ই দিছি বলে আপু খুব খুশি হইছে তাই আপুকে বলি আমার সাথে খেলতে।
ঘরে গিয়ে শুভ দেখে ওর আপু রিমোট নিয়ে টিভি দেখছে,
- আপু শোন।
- কি?
- আমার সাথে বাইরে চল না একটু।
- ক্যা?
-ফুটবল খেলবো।
- তো খেল। আমি কি করবো?
- তুই তো জানিস এখানে তুই ছাড়া
আমার খেলার সাথী আর কেউ নেই,,
চল না আপু একটু খেলি।
- চুপ করে ঘরে গিয়ে বসে থাক যা এখান থেকে। যত্তোসব।
শুভ চলে গেল সেখান থেকে।
আর নুসরাত টিভি দেখতে লাগলো।
কিছুক্ষণ পর শুভ দেখে ওর আপু বাথরুমে গেল।
তাই দৌড়ে আপুর ঘরে গিয়ে আপুর গোপাল
ভাঁড়ের হাসির বইটা নিয়ে নিজের ঘরে চলে এলো শুভ।তার কিছুক্ষণ পরেই শুভ ওর আপুর চিল্লাচিল্লি শুনতে পেল।
- শুভ এই শুভ।
- কি হইছে আপু?( অনেক ভয় নিয়ে বললো)
- আমার ঘরে ঢুকেছিলি?
- হ্যাঁ, আপু।
- বই কে নিছে?
- আমি।
- নিছস কেন?
- একা ভালো লাগছে না, তাই পড়ার জন্য নিয়েছি।
- ( ঠাস)
- আরেক বার যদি তুই আমার ঘরে আমার
অনুমতি ছাড়া ঢুকেছিস তো তোর পা কেটে
ফেলবো।
- আচ্ছা আপু আর যাব না কোনো দিন ( কেঁদে দিয়ে বললো শুভ)
- যা এখন।
আর ভুলেও কোনো দিন আমার জিনিসের ভেতর হাত দিবি না।
নয়লে ফল খারাপ হয়বো।
- আচ্ছা ঠিক আছে।
এই বলে দৌড়ে চলে গিয়ে নিজের ঘরে এসে খুব জোরে জোরে কাদতেঁ লাগলো শুভ।
এ কান্না শুনেও ওর প্রতি একটুও মায়া জন্মালো না ওর আপুর।
কাছে এসে একবারের জন্যও নুসরাত আদর করে বললো না, কাঁদিস না ভাই,আর মারবো না।
শুভর মা বাবা এগুলো সব দেখে,
শুধু শুভর মা ওর আপুকে মাঝেমধ্যে একটু এ বিষয় নিয়ে বকতো,
কেন ও এমন করে শুভর সাথে কিন্তু এর
বেশী কিছু বলতো না।
কি দোষ করেছিল শুভ।
কোন পাপের শাস্তি দিচ্ছে আজ ওর আপু।
কেন ওকে এতো কষ্ট দেয়।
কোন অপরাধের জন্য নুসরাত শুভ কে একটুও ভালবাসে না।
একটুও আদর করে না।কিসের জন্য ছোট ভাইকে একটু
কাছে টেনে নেয় না।
সবসময় কেন এতো অবহেলা করে??
এভাবে চলছে দিন। কয়েক মাস পর...
নুসরাত কলেজে গেছে আর শুভ স্কুলে গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার।
হাফ টাইম।
তাই শুভ ভাবছে আজ আসার সময় আপুর সাথে আসবে।
কলেজে প্রায় নুসরাতের সব বান্ধবীরা
জানে নুসরাত কেমন।
ও ওর ভাইয়ের সাথে কেমন ব্যবহার করে।
কলেজ ক্যান্টিনে বসে আছে নুসরাত, নীলা আর মায়া।
- নুসরাত তুই তোর ভাইকে আমার কাছে দিয়ে দে। (মায়া)
- কেন?
- তোর ভাইটা অনেক কিউট,,
খুব আদর করতে ইচ্ছে করে ওকে,,
কিন্তু তোর তো শুভ দু চোখের বিষ,,
তাই বলছি ওকে আমার কাছে দিয়ে দে। (মায়া)
- ঠিকই বলছিস, নুসরাত তুই আর কষ্ট দিস না
ওকে,, না হয় আমাদের কাছে দিয়ে দে।
অনেক হ্যাপি রাখবো। ( নীলা)
- তুই তো তোর ভাইকে একটুও ভালোবাসিস না।
তোর ভাইকে ভালবাসার ভার টা না হয় আমাদের দে ( মায়া)
- কি বলছিস এসব( নুসরাত)
- ভুল কি বললাম রে? ( নীলা)
নুসরাত এখন বসে বসে একটা কথাই ভাবছে,,,
চোখের বিষ!
শুভ কি আমার সত্যিই চোখের বিষ?
যার জন্য ওকে একটুও ভালবাসি না।
সবসময় আমার পিছনে তো শুধু আমার কাছ
থেকে একটু সময় পাওয়ার জন্য ঘুরঘুর করে।
কিন্তু আমি মাইর দেই।
এটা কি ঠিক হচ্ছে।
আমি কি করছি এসব ওর সাথে??
এখন শুধু নুসরাতের বিবেক থেকে এই সব কথা
আসছে।
এতদিন যদি আমার শুভ কে না বকে না মেরে আদর করতাম,
ভালবাসতাম,
তাহলে তো ওর জীবনটাই পাল্টে যেতো।
আর একা থাকতে হতো না।
ভালো একটা সঙ্গী পেতো ও।
কিন্তু এ আমি কি করছি? ছিঃ।
কোনো বোন তার ভাইয়ের সাথে এমন করতে
পারে?
আমি কি করে করলাম?
এসব ভাবতে ভাবতে কলেজে ছুটি হয়ে গেল।
আজ নুসরাত একা একা হেটে বাড়ি আসছে।
আর ভাবছে, ভাইটাকে আজ সাথে করে দুজন
একসাথে বাসায় যাব।
কলেজ গেটের বাইরে বেরুতেই এক ১০ বছরের বাচ্চা মেয়ে নুসরাতের হাত ধরলো,
মেয়েটার কাপড় চোপড় দেখে বোঝা গেল কোনো বস্তির হবে হয়তো।
- আফা আফা দশটা ট্যাহা দিবেন?
- কি করবি?
- আমার দু বছরের ছোট ভাইটা না কাল সন্ধ্যা
বেলা থিকা কিছু খাইয়া পারে নাই,
ঘরে কিচ্ছু নাই।
- তুই খাইছোস?
- আফা আমার খাওয়ার দরকার নাই,
আমার ভাইয়ে খাইলেই আমার খাওয়া হইয়া যাইবো।
এই পিচ্চি মেয়েটার এ কথা শুনে আজ নুসরাতের চোখ দিয়ে টপটপ করে জল পড়ছে।
ব্যাগ থেকে একশত টাকার নোট বের করে সেই মেয়েটার হাতে দিল নুসরাত।
- আফা এতো ট্যাহা লাগবো না,
মাত্র দশ ট্যাহা হইলেই ভাইয়ের লিগা একটা রুটি কিনা পারুম।
- এত গুলোই নে, সমস্যা নাই, তুই আর তোর ভাই
হোটেলে গিয়ে আজ পেট ভরে খাবি।
- আচ্ছা আফা ঠিক আছে, যাই এহন।
এই বলে মেয়েটা খুশি হয়ে চলে গেল।
আর নুসরাত এক পা দু পা করে সামনে এগোচ্ছে। নুসরাতের পা চলতে চায় না এখন।
খুব কান্না পাচ্ছে এখন নুসরাতের।
যে ভাই ওর পিছনে দশটা টাকার জন্য হাত পাচ্ছে ওর কাছে,
সেই ভাইকে ও মেরে তাড়িয়ে দিছে।
কিন্তু এই মেয়েটাকে দেখো, এতো পিচ্চি একটা মেয়ে,নিজে খাক বা না খাক,
তা নিয়ে ওর কোনো খেয়াল নেই,
ওর ছোট্ট ভাইটা যেন শুধু একটু খেতে পায় সেজন্য অন্যের কাছে হাত পাতছে।
আর আমি, আমার নিজের রক্তের ভাই,
ওর সাথে কি ব্যবহারটাই না করছি।
সবসময় খারাপ ব্যবহার আর অবহেলা করছি।
জানি না ও কোনো দিন আমাকে ক্ষমা করবো কিনা তবুও আজ আমি প্রতিজ্ঞা করছি এরপর আর কোনো দিন আমার ভাইয়ের সাথে এমন করব না,
খুব আদর করবো ওকে।
অনেক ভালবাসবো।
এসব ভাবতে ভাবতে প্রাইমারী স্কুলের সামনে এসে পরে নুসরাত।
এসেই দেখে স্কুলের সামনে মেইন রোডের পাশে বড়ই গাছের নিচে অনেক মানুষের ভীড়।
আর ভেতর থেকে কার যেন কান্নার আওয়াজ আসছে। কি হলো আবার ওখানে।
কত্তো ভীড়।
নুসরাত একজনকে ডাক দিল,,
- এইযে ভাই শুনুন।
- কি হয়ছে?
- ওখানে এতো ভীড় কিসের?
- আর বলবেন না, একটা বাচ্চা ছেলে স্কুল ছুটির পর বড়ই গাছে উঠছিল বড়ই পারতে।
কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত ছেলেটা গাছ থেকে পড়ে যায়,
পড়ছে তো পড়ছে একেবারে পিচ ঢালা রোডের মাঝে। বাচ্চা ছেলে,
আঘাত সয্য করবার পারে নাই।
ওখানেই মারা গেছে।
আর কোথা থেকে যেন ওর মা আসে তারপর নিজের ছেলেকে জড়িয়ে ধরে কান্না কাটি করতেছে।
- ওহ্,, আচ্ছা আপনি যান।
লোকটা চলে গেল।
নুসরাত ভাবছে, আবার কোন মার কপাল পুড়লো?
এখনই মার কোল খালি হয়ে গেল।
ইসসসস, দেখতে হচ্ছে, বিষয় টা।
আস্তে আস্তে ভীড় ঠেলে ভেতরে যেতে লাগলো নুসরাত। একটু ভেতরে যেতেই দেখতে পেল,
এক মহিলা বিপরীত মুখী হয়ে সেই ছেলেটাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে কাঁদছে।
লাল রক্তে ভিজে গেছে রাস্তার সাইড।
রক্তের ঢল বয়ে গেছে ছেলেটার মাথা থেকে।
সেই অভাগা মা কে দেখার জন্য নুসরাত আরও সামনে যেতে থাকে।
এতো অল্প বয়সে যে মার কোল খালি হয় তাকে তো একটু দেখতেই হবে তাই না!!!!
অনেক কষ্টে ভীড় ঠেলে মহিলার সামনে যায়
নুসরাত।
নুসরাত মাথা তুলে মহিলার দিকে তাকাতেই
নুসরাতের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে।
এটা কাকে দেখছে নুসরাত??
নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না।
যে মহিলাটা চিৎকার করে কাঁদছে সেটা আর কেউ না, স্বয়ং নুসরাতের মা।
তবে কি ওনার কোলে ওই রক্ত মাখা ছেলেটা আমার ভাই??
না।
আর ভাবতে পারছে না নুসরাত।
চারদিক অন্ধকার হয়ে আসছে নুসরাতের।
সেখানেই মাথা ঘুরে পড়ে যায় নুসরাত।
এক নিমিষেই সব শেষ হয়ে গেল।
৬ ঘন্টা পর নুসরাতের জ্ঞান ফিরে।
জ্ঞান ফিরে নুসরাত দেখে সে তার বাড়িতে
বাসার সামনে আশে পাশের অনেক মানুষ।
নুসরাতের পাশে বসে আছে ওর মা,
তিনি এক ভাবে কেদে চলছেন।
আর নুসরাতের সামনে কাফনের কাপড় জড়ানো এক ছেলেকে শুইয়ে রাখা হয়েছে।
সামনে রাখা নাকে তুলো গুঁজে দেওয়া লাশটাকে জড়িয়ে ধরে এক বিসাদ আত্ম চিৎকারে ভেঙে পড়ে নুসরাত।
আর নানা আবোলতাবোল বকতে থাকে নুসরাত।
ওই ভাই উঠ, উঠ না ভাই।
দ্যাখ তোর আপু এসেছে তোর কাছে।
ওই ভাই আপু বলে ডাক না। প্লিজ ভাই।
তোকে আর মারবো না রে ভাই,
খুব আদর করবো এরপর।
-উঠ ভাই।
এসব বলে আরও জোরে জোরে কাদতেঁ থাকে নুসরাত।
তবুও আর শুভ উঠে না।
আজ শুভ শুনতে পাচ্ছে না ওর আপুর কান্নার আওয়াজ।
কি করে শুনবে?
ওর দেহে যে আর প্রাণটা নেই।
একদিন শুভ ওর আপুর জন্য কাঁদছে কিন্তু ওর আপু শুনতে পায়নি।
তবে আজ কেন শুভ ওর আপুর কান্না শুনতে পাবে,
না ফেরার দেশ থেকে।!
শুভ মরে গেছে আজ অনেক দিন হলো,
এখন শুধু নুসরাত প্রতিদিন ওর ভাইয়ের স্কুল ব্যাগ টা জড়িয়ে ধরে আকাশের দিকে তাকিয়ে চোখের জল ফেলে।
আর ভাবে,,ভাই রে তুই আমাকে ক্ষমা না করেই দূরে চলে গেলি।
আমি যে সারাজীবন তোর কাছে অপরাধী হয়ে থাকবো রে ভাই।
কবে ফিরবি তুই আমার কাছে??
নুসরাত এখন প্রতিদিন বিকেলে অপেক্ষা করে ওর ভাইয়ের জন্য,
ওর ভাই কখন স্কুল থেকে ফিরে এসে বলবো, আপু খেতে দে।
তারপর কখন শুভ ওর মুখের কাছে প্লেট নিয়ে বলবো _ আপু নে হা কর, আমি খাইয়ে দেই।
কিন্তু শুভ আর আসে না।
নুসরাত গভীর আগ্রহ
নিয়ে শুভর পথ চেয়ে বসে থাকে তবুও সেই আসে না।
এখন কেউ নুসরাত কে বলে না - আপু চল না
ফুটবল খেলি,
তুই ছাড়া যে আমার কোনো সঙ্গী নেই।
এখন কেউ বলে না - আপু তোর জন্য বড়ই আনছি, খাবি?
দ্যাখ কি মিষ্টি!!
এসব ভাবতেই নুসরাত ঢুকরে কেঁদে উঠে।
তবুও আজ ওর কান্না শুভর কানে পৌঁছায় না।

10/09/2019

__স্বামী তার স্ত্রীকে ইশারা করে বললো,
পানি খাবো,
___স্ত্রী পানি নিয়ে এসে দেখেন, স্বামী আপন
মনে সিগারেট খাচ্ছে, স্ত্রীর চোখে হঠাৎই জল
চলে এলো।
___সিগারেট খাওয়ার মাঝখানেই
পানিটা পান করলো,
স্ত্রীকে বলল কান্না করছো কেন?
___স্ত্রী বললো, তোমার কাছে আমার একটা
জিনিস চাওয়ার আছে।
___স্বামী মুচকি হেসে জবাব দিলো, তোমার
একটা চাওয়া নয় হাজারো চাওয়া পূর্ণ করবো,
বলো কি চাওয়া তোমার,
___স্ত্রী বললো, পৃথিবীর কোন জাগতিক সম্পদ
আমার লাগবে না, তোমার মূল্যবান সময়ের
একমাস চাই, সেই মাসে শুধু আমার কথামতো
চলবে,
___স্বামী বললো এটা আবার কোনো চাওয়া
নাকি, আচ্ছা ঠিক আছে আমি রাজি, এবার
একটু হাসো,
___স্ত্রী বললো একমাস পর বলতে পারবো হাসিটা
আমার জন্য কবুল হয়েছে কিনা।
___স্বামী স্ত্রীর কথা বলার সময় আসরের আযান
হয়ে গেছে,
___স্ত্রী স্বামীকে ওযু করতে বলে অন্য রুমে চলে
গেলো, ফিরে আসলেন শশুড়ের সাদা একটা
পান্জাবি, আর আতরের বোতলটি নিয়ে,
স্বামীর গায়ে পান্জাবিটা পড়িয়ে
অনেকখানি আতর লাগিয়ে, মসজিদের দিকে
ইশারা করে বললো, মসজিদে যাও।
___স্বামী মসজিদে না গিয়ে রাস্তার পাশের
দোকানে গিয়ে আড্ডা দেয়, আর জামায়াত
শেষ হলে ঘরে ফিরে আসে, এমন ভাবে ৫ দিন
চলার পর,
___স্বামী ভাবলেন এভাবে মিথ্যা বলা
সম্ভব নয়, আর সব কিছু গায়ে দিয়ে চোরের
মতো রাস্তায় থাকাটা কষ্ট, তারচেয়ে ভাল
হবে মসজিদে গেলে।
___স্বামী আজ রাস্তায় নয়, মসজিদের মধ্যেই
প্রবেশ করলো, অনেক মানুষই তার দিকে অবাক
নয়নে তাকালো, সবাই কেমন জানি হতগম্ভ যে
ছেলেটা বখাটেদের ওস্তাদ, সে কিনা
মসজিদে।
___স্ত্রী আজ খেয়াল করলো স্বামী কেমন জানি
আনমনা, তাই জিজ্ঞেস করলো কি হয়েছে?
___স্বামী বললো, আজ আমি সাকসেস হয়েছি,
স্ত্রী বললো কোন বিষয়ে, স্বামী বললো অন্য
এক বিষয়ে,।।।
___স্বামী সব কিছু গুছিয়েছে সেভ করবেন, স্ত্রী
বাধা দিয়ে বললো একমাস তো আমার, তাহলে
নিজের ইচ্ছেমত কেন সেভ হবে, আমি চাই
তোমার সুন্দর দাঁড়ি থাক, স্বামী বিরক্ত বোধ
করলো, তারপর ও শুনলো, যেহেতু কথা
দিয়েছে
___আগে দুদিন পরপর সেভ না করলেই সে কি
চুলকানি, অথচ আজ ১৫ দিন সেভ করিনা, কিন্তু
একটু ও চুলকায়নি, যেন নিজের অজান্তে মুখ
দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ্ বের হয়ে গেল।
___স্ত্রী কখনোই স্বামীকে সিগারেট খেতে
দেয়না, স্বামী ভাবে একমাস তো তাই ঘরের
মধ্যে না খেয়ে বাহিরে খাব, কিন্তু সেটাও
আর বেশি দিন হলোনা,
___২০দিন পর নিজেই সিগারেট ছেড়ে দিলেন,
আগে টেনশন হলে সিগারেট, এখন টেনশন হলে
নামাজে দাঁড়িয়ে যাবো, নয়তো তাসবীহ পাঠ
করবো।
___আজ ৩০ দিন পূর্ণ হলো,
স্ত্রী প্রতিদিনের ফজরের নামাজের মতো
ডাকলেন না স্বামী কে, কিন্তু অভ্যাস বড়ই
ভয়ানক জিনিস, আগের মতোই স্বামী মসজিদে
চলে গেল, স্ত্রী আল্লাহর শুকরিয়া আদায়
করলেন,
___স্বামী নামাজ পড়ে এসে বললো, আজ আমি
তোমার কাছে একটা জিনিস চাই,
___স্ত্রী বললো, তোমার চাওয়াটা বলতে পারো,
___স্বামী বললো, আমার একমাস নয়, আল্লাহ
সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাকে যতদিন হায়াত
দেন, ততটা দিনই তোমার, তুমি কি এটা
নিবেনা???
___স্ত্রী মাথা নেড়ে হ্যাঁ বললো,
___স্বামী খুব খুশি হলো, স্ত্রীরও মনের ইচ্ছা পূর্ণ
হলো,
___সেদিনের বাকিটা হাসি আজ তৃপ্তি সহকারে
হাসলেন।
___জানি বেশীর ভাগ ছেলেরা নেশা করে,
কিন্তু বোনেরা আপনারা ধর্য্য হারা না হয়ে
একটু চেষ্টা করুন তাকে পাল্টানোর।
____দেখো বোন।
যেটা বাবা মা পরিবর্তন করতে
পারে না সেটা কিন্তু আপনাকে দিয়েই
সম্ভব!!!
ভুল কিছু বলে থাকলে মাফ করবেন 🙏🙏

01/09/2019

একটা মেয়ে যখন কাউকে ভালোবাসে,সবকিছু উজাড় করে দিয়েই ভালোবাসে।একটা সম্পর্কে যেমন মেয়েটার রাগ অভিমান বেশি থাকে, সন্দেহ বেশি থাকে, তেমন ভালোবাসাটাও বেশি থাকে !!👌💘
সমস্যাটা হয় তখনই, যখন সেই তীব্র ভালোবাসাটাকে 'দুর্বলতা' ভেবে কেউ ওটার সুযোগ নেয় কিংবা তাকে আঘাত করে। তার তীব্র ভালোবাসার মূল্য না দিয়ে তুমি তাকে আঘাত করলে, তাকে অবহেলা করলে কিংবা তাকে ছেড়ে চলে গেলে, সে সারাজীবন তোমার অপেক্ষায় বসে থাকবে না !!
সে হয়তো এক দিন কাঁদবে, দুই দিন কাঁদবে, এক সপ্তাহ কষ্ট পাবে, এক মাস নির্ঘুম রাত কাটাবে, বারবার তোমার জীবনে ফেরত আসতে চাইবে, কিংবা দুয়েকবার সুইসাইড করার চেষ্টাও চালাতে পারে, তুমি যদি দূর থেকে ভাবতে থাকোঃ
আরেহ যত যাই করি, শেষে তো মেয়েটা আমার কাছেই ফেরত আসবে !!
তুমি বিশাল ভুল করছো, লিখে রাখো কথাটা !!
সে সারাজীবন তোমার জন্য কাঁদবে না, একদিন সে আবেগের উর্ধ্বে গিয়ে উপলব্ধি করবে সবকিছু, সেদিন সে হাতের তালু দিয়ে আলতো করে নিজের চোখের পানিটুকু মুছে তোমার দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে সামনের দিকে তাকাবে, বিশ্বাস করো, সে আর একটাবারের জন্যও পেছন ফিরে তাকাবে না !!

'বোকা মেয়ে' , 'আবেগী মেয়ে' ভেবে যার দুর্বলতাকে আঘাত করে আজ তুমি মজা পাচ্ছো, একদিন তার জন্যই তোমার ভয়াবহ কষ্ট হবে, আজকে যে বারবার তোমার দরজায় কড়া নাড়ছে, কিন্তু তুমি বারবার তাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছো, একদিন এই তুমিই তার দরজায় গিয়ে অসহায়ের মত কড়া নাড়বে, কিন্তু দরজার ওপাশের মানুষটা তোমাকে চিনবে না !!

এই তুমিই একদিন দু' হাত তুলে প্রার্থনা করে বোকা মেয়েটাকে ফেরত চাইবে, বোকা মেয়েটা আর ফেরত আসবে না, তোমার কাছে শুধু ফেরত আসবে তোমারই করা অবহেলা আর নিষ্ঠুরতা..!!

আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই ক্যাম্পেইনের আওতায়, গ্রাহকেরা প্রতি আড়াই হাজার টাকা বা তার বেশি ক্যাশ-ইন করলে ...
29/08/2019

আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই ক্যাম্পেইনের আওতায়, গ্রাহকেরা প্রতি আড়াই হাজার টাকা বা তার বেশি ক্যাশ-ইন করলে এবং পরবর্তীতে প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিলে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত টাকা আয় করতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার নগদের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, 'লাখপতি ক্যাম্পেইন' এর সময় একজন গ্রাহকের প্রাপ্ত আয় তার অ্যাকাউন্টে ৭২ ঘণ্টা পর পৌঁছে যাবে। নগদ গ্রাহকদের জন্য প্রতি ২ হাজার ৫০০ টাকা বা তার বেশি ক্যাশ-ইন করলেই এই সুযোগ থাকছে। নতুন রেজিস্ট্রেশন করেও এই ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য গ্রাহকেরা নগদের গ্রাহক সেবা নম্বরে (০৯৬০৯৬১৬১৬৭ বা ১৬১৬৭) যোগাযোগ করতে পারবেন। এছাড়া ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে নগদের ওয়েবসাইট ও অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে।

গ্রাহক নিবন্ধনে ঝামেলাহীন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে চলতি বছরের ২৬ মার্চ থেকে ডিজিটাল কেওয়াইসি নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করেছে নগদ। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গ্রাহককে নগদ উদ্যোক্তার কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র ও সিমসহ মোবাইল ফোন নিয়ে আসতে হবে।

গ্রাহকের ছবি ও পরিচয়পত্রের তথ্য নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। কেওয়াইসি আবেদনপত্রের নির্দিষ্ট ঘর স্বয়ংক্রিয় স্ক্যানিং প্রক্রিয়ায় পরিচয়পত্রের তথ্য থেকে পূরণ হবে। এক্ষেত্রে প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে ২ মিনিটেরও কম সময়ে।

18/08/2019

গনিতের_পরিমাপ_সম্পর্কে_কিছুতথ্যঃ
✎ 1 ফুট = 12 ইঞ্চি
✎ 1 গজ = 3 ফুট
✎ 1 মাইল = ১৭৬০ গজ
✎ 1 মাইল ≈ 1.61 কিলোমিটার
✎ 1 ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার
✎ 1মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
✎ 1 ফুট = 0.3048 মিটার
✎ 1 মিটার = 1,000 মিলিমিটার
✎ 1 মিটার = 100 সেন্টিমিটার
✎ 1 কিলোমিটার = 1,000 মিটার
✎ 1 কিলোমিটার ≈ 0.62 মাইল
:
#ক্ষেত্রঃ
✎ 1 বর্গ ফুট = 144 বর্গ ইঞ্চি
✎ 1 বর্গ গজ = 9 বর্গ ফুট
✎ 1 একর = 43560 বর্গ ফুট
:
#আয়তনঃ
✎ 1 লিটার ≈ 0.264 গ্যালন
✎ 1 ঘন ফুট = 1.728 ঘন ইঞ্চি
✎ 1 ঘন গজ = 27 ঘন ফুট
:
#ওজনঃ
✎ 1 আউন্স ≈ 28.350 গ্রাম
✎ 1 cvDÛ= 16 আউন্স
✎ 1 cvDÛ ≈ 453.592 গ্রাম
✎ 1 গ্রামের এর্কসহস্রাংশ = 0.001গ্রাম
✎ 1 কিলোগ্রাম = 1,000 গ্রাম... শিমুল
✎ 1 কিলোগ্রাম ≈ 2.2 পাউন্ড
✎ 1 টন = 2,200
#গনিতের_পরিমাপ_সম্পর্কে_কিছুতথ্যঃ
✎ 1 ফুট = 12 ইঞ্চি
✎ 1 গজ = 3 ফুট
✎ 1 মাইল = ১৭৬০ গজ
✎ 1 মাইল ≈ 1.61 কিলোমিটার
✎ 1 ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার
✎ 1মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
✎ 1 ফুট = 0.3048 মিটার
✎ 1 মিটার = 1,000 মিলিমিটার
✎ 1 মিটার = 100 সেন্টিমিটার
✎ 1 কিলোমিটার = 1,000 মিটার
✎ 1 কিলোমিটার ≈ 0.62 মাইল
#ক্ষেত্রঃ
✎ 1 বর্গ ফুট = 144 বর্গ ইঞ্চি
✎ 1 বর্গ গজ = 9 বর্গ ফুট
✎ 1 একর = 43560 বর্গ ফুট
#আয়তনঃ
✎ 1 লিটার ≈ 0.264 গ্যালন
✎ 1 ঘন ফুট = 1.728 ঘন ইঞ্চি
✎ 1 ঘন গজ = 27 ঘন ফুট
#ওজনঃ
✎ 1 আউন্স ≈ 28.350 গ্রাম
✎ 1 cvDÛ= 16 আউন্স
✎ 1 cvDÛ ≈ 453.592 গ্রাম
✎ 1 গ্রামের এর্কসহস্রাংশ = 0.001গ্রাম
✎ 1 কিলোগ্রাম = 1,000 গ্রাম
✎ 1 কিলোগ্রাম ≈ 2.2 পাউন্ড
✎ 1 টন = 2,200 পাউন্ড🌷বিদ্রঃ-অবশ্য পোষ্ট ভালো লাগলে শেয়ার করে রাখবেন। হাতের লাগালে থাকবে।

18/08/2019

এক নজরে জ্যামিতির সকল সংজ্ঞা।

❑ সূক্ষ্মকোণ (Acute angle) : এক সমকোণ (90°) অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষকোণ বলে।
❑ সমকোণ (Right angle) : একটি সরল রেখার উপর অন্য একটি লম্ব টানলে এবং লম্বের দু’পাশে অবস্থিত ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সমান হলে, প্রতিটি কোণকে সমকোণ বলে। এক সমকোণ=90°
❑ স্থূলকোণ (Obtuse angle) : এক সমকোণ অপেক্ষা বড় বিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে সথূলকোণ বলে।
❑ প্রবৃদ্ধকোণ (Reflex angle) : দুই সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু চার সমকোণ
অপেক্ষা ছোট কোণকে প্রবদ্ধ কোণ বলে। অর্থাৎ 360° > x 180° হলে x একটি প্রবৃদ্ধ
কোণ।
❑ সরলকোণ (Straight angle) : দু’টি সরল রেখাপরস্পর সম্পর্ণ বিপরীত দিকে গমন করলে রেখাটির দু’পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে সরলকোণ বলে। সরলকোণ
দুই সমকোণের সমান বা 180°
❑ বিপ্রতীপকোণ (Vertically Opposite angle ) : দু’টি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে যে চারটি কোণ উৎপন্ন হয় এদের যেকোণ একটিকেতার বিপরীত কোণের
বিপ্রতীপ কোণ বলে।
❑ সম্পূরককোণ(Supplementary angle ) : দু’টি কোণের সমষ্টি 180° বা দুইসমকোণ হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।
❑ পূরককোণ (Complementary angle) : দু’টি কোণের সমষ্টি এক সমকোণ বা 90° হলেএকটিকেঅপরটির পূরক কোণ বলে।
❑ একাস্তরকোণ: দু’টি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীত পাশে সমান্তরাল রেখা যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে একান্তর কোণ বলে। একান্তর কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।
❑ অনুরূপকোণ: দু’টি সমান্তরাল সরল রেখাকে অপর একটি সরল রেখা ছেদ করলে ছেদকের একই পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তকে অনুরূপ কোণ বলে। অনুরূপ কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।
❑ সন্নিহিতকোণ: যদি দু’টি কোণের একটি সাধারণ বাহু থাকে তবে একটি কোণের অপর কোণের সন্নিহিত কোণ বলে।
❑ ত্রিভূজ (Triangle): তিনটি সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে ত্রিভূজ বলে।
❑ সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ (Acute angle triangle ) : যে ত্রিভূজের তিনটি কোণই এক সমকোণ(90° ) এর ছোট তাকে সূক্ষ্মকোণী ত্রিভূজ বলে।
❑ সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ (Obtuse angled triangle) : যে ত্রিভূজের একটি কোণ সথূলকোণ বা এক সমকোণ অপেক্ষা বড় তাকে সথূলকোণী ত্রিভূজ বলে। কোণ
ত্রিভূজের একের অধিক সথূলকোণ থাকতে পারে না।
❑ সমকোণী ত্রিভূজ (Right angled triangle) : যে ত্রিভূজের একটি কোণ সমকোণ
তাকে সমকোণী ত্রিভূজ বলে। কোন ত্রিভূজে একটির অধিক সমকোণ থাকতে পারে না। সমকোণী ত্রিভূজের সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভূজ এবং সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের একটিকে ভূমি এবং অপরটিকে লম্ব বলা হয়।
❑ লম্বকেন্দ্র
ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষ থেকে বিপরীত বাহুগুলির উপর তিনটি লম্ব সমবিন্দুগামী, এবং বিন্দুটির নাম লম্বকেন্দ্র(orthocenter)
❑ পরিবৃত্ত: তিনটি শীর্ষবিন্দু যোগ করে যেমন একটিমাত্র ত্রিভুজ হয় তেমনি তিনটি বিন্দু (শীর্ষ)গামী বৃত্তও একটিই, এর নাম পরিবৃত্ত।
❑ পরিকেন্দ্র: পরিবৃত্তের কেন্দ্র (যে বিন্দু ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় থেকে সমদূরত্বে স্থিত)।
❑ চতুর্ভুজ: চারটি রেখাংশ দিয়ে সীমাবদ্ধ সরলরৈখিক ক্ষেত্রের সীমারেখাকে চতুর্ভুজ বলে।
বিকল্প সংজ্ঞা: চারটি রেখাংশ দিয়ে আবদ্ধ চিত্রকে চতুর্ভুজ বলে।
❑ কর্ণঃ চতুর্ভুজের বিপরীত শীর্ষ বিন্দুগুলোর দিয়ে তৈরি রেখাংশকে কর্ণ বলে। চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয়ের সমষ্টি তার পরিসীমার চেয়ে কম।
❑ চতুর্ভুজের বৈশিষ্ট্যঃ চারটি বাহু, চারটি কোন, অন্তর্বর্তী চারটি কোনের সমষ্টি ৩৬০°।
❑ সামান্তরিক: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং বিপরীত কোণগুলো সমান (কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়) , তাকে সামান্তরিক বলে।
❑ আয়ত: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ, তাকে আয়ত বলে।
❑ বর্গক্ষেত্র: বর্গক্ষেত্র বলতে ৪টি সমান বাহু বা ভূজ বিশিষ্ট বহুভূজ, তথা চতুর্ভূজকে বোঝায়, যার প্রত্যেকটি অন্তঃস্থ কোণ এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রীর সমান।
❑ রম্বসঃ রম্বস এক ধরনের সামান্তরিক যার সবগুলি বাহু সমান কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়।
❑ ট্রাপিজিয়ামঃ যে চতুর্ভুজ এর দুইটি বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান।
❑ বহুভুজ
(কারনঃ সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ বক্র রেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ সীমাবদ্ধ নয়)
যদি বহুভুজের সবগুলি বাহু ও কোণ সমান হয়, তবে সেটিকে সুষম বহুভুজ বলে।
বিপ্রতীপ কোণঃ কোন কোণের বাহুদ্বয়ের বিপরীত রশ্মি যে কোণ তৈরি করে, তা ঐ কোণের বিপ্রতীপ কোণ বলে ।
❑ গোলকঃ দুইটি পরস্পর বিপরীত রশ্মি তাদের সাধারণ প্রান্ত বিন্দুতে যে কোণ উৎপন্ন করে, তাকে সরল কোণ বলে ।
❑ প্রবৃদ্ধকোণঃ দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধকোণ বলে ।
❑ সমান্তরাল রেখাঃ একই সমতলে অবস্থিত দুটি সরল রেখা একে অপরকে ছেদ না করলে, তাদেরকে সমান্তরাল সরল রেখা বলে ।
❑ ছেদকঃ যে সরলরেখা দুই বা ততোধিক সরলরেখাকে ছেদ করে, তাকে ছেদক বলে ।
❑ অন্তঃকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের কোণত্রয়ের সমদ্বিখন্ডকগুলো

Address

Dariadaulat, Bancharampur
Brahmanbaria
3420

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hridaybd.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hridaybd.com:

Share