15/09/2018
কার জন্য কেমন?
ফ্রিজ সাধারণত দুই ধরনের হয়— ফ্রস্ট ও নন-ফ্রস্ট।
ফ্রস্ট : এই ফ্রিজ দ্রুত ঠাণ্ডা হয়। গ্রামাঞ্চলে যেখানে টানা ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, সেখানে এই ফ্রিজ কাজে আসবে। তবে এই ফ্রিজ ব্যবহারের সমস্যা হচ্ছে—বরফ সরাতে হয় বারবার।
ফ্রস্ট ফ্রিজের বৈশিষ্ট্য—
১. ডিপে রাখা খাবার জমে যায়
২. খাবার ব্যবহারের আগে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে
৩. ডিপে জমা বরফ মাঝেমধ্যে পরিষ্কার করতে হয়
৪. বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পরও ৫-৬ ঘণ্টা খাবার ভালো থাকে
৫. বিদ্যুৎ খরচ কিছুটা কম
নন-ফ্রস্ট : এই ফ্রিজে ততটা বরফ জমবে না। শহরে ব্যবহারের জন্য ভালো। তুলনামূলক ঝামেলাহীন।
নন-ফ্রস্ট ফ্রিজের বৈশিষ্ট্য—
১. ডিপে কোনো বরফ জমবে না
২. মাংস, মাছ বের করে সঙ্গে সঙ্গেই ধুয়ে ব্যবহার করা যাবে
৩. বিদ্যুৎ চলে গেলে ১ থেকে ২ ঘণ্টা খাবার ভালো থাকবে
৪. বিদ্যুৎ খরচ কিছুটা বেশি।
এখন ফ্রস্ট ও নন-ফ্রস্ট ফ্রিজের পাশাপাশি ‘সেমি ফ্রস্ট’ ফ্রিজও পাওয়া যায়। এই ফ্রিজে হালকা বরফ জমে। খাবারও ভালোভাবে সংরক্ষিত থাকে।
অনেক ফ্রিজারের দেয়ালে এখন লিকুইড ফোম ব্যবহার করা হয়। এতে ভেতরে কোনো ফাঁকা জায়গা না থাকায় অনেকক্ষণ ঠাণ্ডা ধরে রাখতে পারে।