আল মদিনা ফার্মেসী, বাইগ্যারটেক

আল মদিনা ফার্মেসী, বাইগ্যারটেক খুচরা ও পাইকারি সূলভ মূল্যে ঔষধ পাওয়া যায়

সমাজের বিশ্রী রূপ জানতে হলে পুরো পোস্টটি পড়বেন।মেয়েটার বিয়ে হয়েছিলো। বছরখানি আগে ডির্ভোস হয়েছে। স্বামী স্ত্রী সেপার...
08/07/2026

সমাজের বিশ্রী রূপ জানতে হলে পুরো পোস্টটি পড়বেন।

মেয়েটার বিয়ে হয়েছিলো। বছরখানি আগে ডির্ভোস হয়েছে। স্বামী স্ত্রী সেপারেট থাকেন।

কিন্তু ৪ মাস ধরে পিরিয়ড হয় না। পরে আল্ট্রাসনো তে দেখা গেলো প্রেগন্যান্ট। কিন্তু উনি তো স্বামীর সাথে থাকে না। তাইলে কিভাবে প্রেগন্যান্ট হলো সেটা তো বুঝতেছেন ই।

রোগীর হাতে দেখলাম ছুরি দিয়ে কাটা দাগ। সাথে যে মেয়ে আসছে সেও মডেল। বুঝলাম যে টালিপাড়ায় আনাগোনা আছে তাদের। হয়তো কোনো পরিচালক/প্রডিউসারের সুখের বলি হয়েছে।

কিন্তু বাচ্চা এবোরশন/নষ্ট করতে চাই। কারণ এটা তো লিগ্যাল বাচ্চা না। সাধারণত এখন ডাক্তার রা এবোরশন সহজে করাইতে চাই না। লাইসেন্স বাতিল হওয়ার ভয় থাকে।

এজন্য লুকায়ে গেছে একটা অলিগলির ক্লিনিকে। গিয়ে এবোরশন করাইছে। কিন্তু এবোরশন ঠিকমতো হয় নাই। কোনো ডাক্তার করছে বলে মনে হচ্ছে না। হতে পারে কোনো আয়া বা এসিস্ট্যান্ট বেশি টাকা খেয়ে করেছে এই কাজ।

বাচ্চার দেহপার্ট ভিতরে রয়ে গেছে। ঐখান থেকে ইনফেকশন হইছে। সেখান থেকে সেপটিক শক। রোগী খারাপ অবস্থায় আমাদের কাছে আসছে। অক্সিজেন লেভেল কমে যাচ্ছিল,প্রেশার কমে যাচ্ছিল। এজন্য তড়িঘড়ি করে ওয়ার্ড থেকে ICU তে পাঠানো হইছে।

রাতে রোগীর অবস্থা আরো খারাপ হওয়ার লাইফ সাপোর্টে দেওয়া হইছে। রোগী জীবন মৃত্যুর চান্স ৫০-৫০.

তারপর রোগীর লোকজনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে আমাদের ম্যাডাম রা MVA পদ্ধতিতে জরায়ুর ভিতরের অংশ ক্লিয়ার করতে চাই। কিন্তু মেয়ের বাবা মা লোকলজ্জায় সামনে আসতেছে না। মেয়ের সাথে বাবা মায়ের সম্পর্ক ভালো না বলেই মনে হলো। পরে মায়ের কাছে থেকে অনুমতি নিয়ে MVA করে দিলো আমাদের ম্যাডাম রা। এখনো রোগী লাইফ সাপোর্টে আছে।এখন বাঁচা মরা সৃষ্টিকর্তার হাতে।

এখন কথা হইলো, মেয়েটা পরকীয়ার বলি হইলো। কিন্তু যে পুরুষ টাও দায়ী,তার কোনো খোজ মিললো না।সে ধরা ছোয়ার বাইরে রয়ে গেলো।সে আবারো কাউকে নিয়ে হয়তো আমোদফূর্তি করতেছে। কেউ হয়তো জানবে ও না কে সেই দুশ্চরিত্র পুরুষ। জরায়ু থাকায় মেয়েটা পড়েছে বিপদে। পড়েছে মৃত্যু ঝুকি তে। যেহেতু ২ জন ই সমান অপরাধী,২ জনের ই শাস্তি পাওয়া উচিত।

আমাদের সমাজে এই পরকীয়া জিনিসটা অনেক বেশি পরিমাণে বাড়ছে ইদানিং।টালিপাড়ায় তো আরো বেশি। যে মেয়ে পরিচালক দের মন জয় করতে পারবে, সে বেশি সুবিধা পাবে ।

এজন্য বোন দের বলবো এই ঘৃণ্য কাজে জড়িয়ে নিজের জীবন নষ্ট করার দরকার নাই।এগুলা করার মাধ্যমে ভালোবাসা প্রকাশ পাই না। মাথায় রাইখেন,সাময়িক উত্তেজনা দীর্ঘ অনুশোচনার কারণ।

ডাঃ মেহেদী হাসান

সম্প্রতি একটি পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিউজে দেখা যায় যে ভা'র'ত সফরে গিয়ে এক ব্রিটিশ নারী এক ভয়াবহ ও বিরল অভিজ্ঞতার মুখোমুখি...
06/07/2026

সম্প্রতি একটি পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিউজে দেখা যায় যে ভা'র'ত সফরে গিয়ে এক ব্রিটিশ নারী এক ভয়াবহ ও বিরল অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানীদেরও চমকে দিয়েছে। ওই নারীর মস্তিষ্কে তল্লাশি চালিয়ে চিকিৎসকেরা ৩৮টি ফিতাকৃমির লার্ভা খুঁজে পান। শুরুতে তীব্র মাথাব্যথা এবং পরবর্তীতে খিঁচুনি ও শারীরিক ভারসাম্যের গুরুতর অবনতি দেখা দিলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিবিড় পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা নিশ্চিত হন যে, তিনি মূলত নিউরোসিস্টাইসারকোসিস নামক একটি মারাত্মক পরজীবী সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন।

​চিকিৎসকদের মতে, ফিতাকৃমির ডিম দ্বারা দূষিত খাবার বা পানি গ্রহণের মাধ্যমে এই সংক্রমণ ঘটে থাকে। সাধারণত কম সেদ্ধ বা কাঁচা শুকরের মাংস কিংবা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি খাবার থেকে এই পরজীবী মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। পাকস্থলী থেকে এই লার্ভাগুলো রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছে যায় এবং সেখানে ছোট ছোট সিস্ট বা থলি তৈরি করে বাসা বাঁধে। এই ঘটনার পর চিকিৎসকেরা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে শক্তিশালী অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক (পরজীবীনাশক) ওষুধ এবং স্টেরয়েড ব্যবহারের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা শুরু করেছেন, যাতে মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা লার্ভাগুলো ধ্বংস করা যায়।

​এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। চিকিৎসকেরা পরামর্শ দিয়েছেন যে, বিশেষ করে ট্রপিক্যাল বা উন্নয়নশীল দেশগুলো ভ্রমণের সময় খাবার ও পানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। সবসময় পুরোপুরি সেদ্ধ ও গরম খাবার খাওয়া, বোতলজাত বা ফুটানো পানি পান করা এবং স্ট্রিট ফুড বা কাঁচা সালাদ খাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সচেতনতা বজায় রাখলে এই ধরনের মারাত্মক ও জীবনঘাতী পরজীবী সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

মাদ্রাসার হুজুর দের একটু ছাত্রদের প্রতি সচেতন হওয়া উচিত।গতকাল একজন আবাসিক মাদ্রাসার ছাত্র আসছে তলপেটের ডানদিকে ব্যথা নি...
20/06/2026

মাদ্রাসার হুজুর দের একটু ছাত্রদের প্রতি সচেতন হওয়া উচিত।

গতকাল একজন আবাসিক মাদ্রাসার ছাত্র আসছে তলপেটের ডানদিকে ব্যথা নিয়ে। ২ দিন ধরে নাকি ব্যথা। প্রথমে এই ব্যাথার কথা হুজুর দের জানালে উনারা পাত্তা দেননি। পরে যখন ব্যথায় আর পেরে উঠতেছে না বাচ্চা টা,তখন রাত ১১ টাই হুজুর কল দিয়ে বাবা মা রে জানাইছে যে ছেলে অসুস্থ।আপনারা আসেন। হাসপাতালে নিয়ে যান

কিন্তু বাচ্চার বাবা মা গ্রামে থাকেন।আসা তো সম্ভব না। এক আত্মীয় ছেলেটাকে হাসপাতালে আনছে।আমাদের ডাক্তার রা কনসারভেটিব দিয়ে টেস্ট এর জন্য পাঠাইছে। আল্ট্রাসনোগ্রাম অরতে দিছে, রিপোর্টে আসছে অ্যাপেন্ডিসাইটিস।

এখন আমরা অপারেশন এর প্রস্তুতি নিচ্ছি।রোগীকে অপারেশন টেবিলে উঠালাম। কাপড় সরালাম। দেখি পুরা গায়ে দাদ হয়ে ভরে আছে। এতো দাদ যে বলার মতো না।

সাধারণত আবাসিক মাদ্রাসার ছাত্ররা আমাদের কাছে আসলে তার ২ টা রোগ মাস্ট থাকবেই। ৯০% বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটা পেয়েছি। সেটা হলো স্ক্যাবিস এবং দাদ। অল্প জায়গার ভিতরে কনজেস্টেড হয়ে অনেক জন বাচ্চা গাদাগাদি করে থাকার ফলে এই রোগ গুলা একজন থেকে অন্যজনে সহজে ছড়ায়ে যায়। আর কাথা বালিশ গুলা নোংরা থাকলে এটা হওয়ার চান্স বাড়ে।

মাদ্রাসার টিচার দের এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। দরকার হলে একদিন সব গুলারে নিয়ে হাসপাতালে যান। চর্ম বিভাগে ১০ টাকার টিকিট কাটিয়ে সবাইকে ফ্রি ট্রীটমেন্ট নিতে সাহায্য করেন।সাথে কাথাআ বালিশ একসাথে রোদে শুকাইতে দেন। তাইলে এই রোগ চলে যাবে।

এখন ফিরে আসি ঐ ছেলের কাছে। যেহেতু আল্ট্রাসনোগ্রাম এ আসছে অ্যাপেন্ডিসাইটিস। আমরা পেট কেটে অপারেশন শুরু করলাম। কিন্তু ভিতরে ঢুকে দেখি ভিন্ন অবস্থা। ভিতরে পচে গেছে,পুজে ভর্তি। একসাথে জটলা পাকায়ে আছে ভিতরে সব।

কিন্তু আল্ট্রাসনো তে এসব কিছুই বলে নি। বলবে কেমনে? করছে তো মেডিকেলের পাশেই তথাকথিত এক ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে। এদের থেকে টেস্ট করলে দেখেছি ম্যাক্সিমাম রিপোর্ট ই উল্টাপাল্টা আসে।

অবস্থা বেগতিক দেখে সিনিয়র ডাক্তার ম্যামকে কল দেওয়া হলো। উনি বাড়ি থেকে এসে অপারেশন এর বাকি কাজ টুকু করলেন। কিন্তু আমাদের কথা ২ দিনের ব্যথায় তো এই অবস্থা হওয়ার কথা না। এরকম পচে গলে যাইতে মিনিমাম ৪/৫ দিন সময় লাগে। তাইলে রোগী ২ দিনের ব্যথা বললো কেনো??

হতে পারে হুজুরের ভয়ে ব্যথার কথা প্রকাশ করেনি।কারণ পেটব্যথা,মাথা ব্যথা করলে যেকোনো স্যার ই পাত্তা দেয় না। তাছাড়া মাদ্রাসা তে কড়াকড়ি ও আছে। বেত্রাঘাত করার কথাও শুনেছি,দেখেছি। এই ভয়ে হয়তো লুকাইছে।

অথবা এটাও হতে পারে সামান্য ব্যথা ভেবে রোগী সহ্য করছে, যতই হোক পুরুষ বলে কথা, ভাবছে ঠিক হয়ে যাবে নে, পুরুষের তো ব্যথায় কাতর হতে নেই, শোকে কান্না করতে নেই, কিন্তু ভিতরে ভিতরে পেটের অবস্থা নাজেহাল হয়ে গেছে।

এখন কথা হলো আল্ট্রাসনোগ্রাম নিয়ে। করাইছে সেই তথাকথিত এক ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে। মাত্র ৫০০ টাকায়। সাধারণত পুরো পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে ১২০০,১৫০০ টাকা লাগে।১০০০ টাকার নিচে করেই না যতোদূর জানি। এখন কম টাকায় আল্ট্রা করায়ে দিছে ভালো কথা। কিন্তু রিপোর্ট দিছে ভুজুং ভাজুং। ক্লিয়ার ভাবে বর্ণণা করে দেই নাই। এতে আমরা কনফিউজ হয়ে গেছি।‌ রোগীর ও ক্ষতি, আমাদের ও কষ্ট। এজন্য টেস্ট করাইলে সবসময় ভালো জায়গা থেকে করাবেন। মাস্ট।

পরে অপারেশন শেষ করলাম। হাই ডোজে এন্টি বায়োটিক শুরু করা হয়েছে। এন্টি বায়োটিক এ কভার হলে তো আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু এই ধরনের অবস্থায় আবারো ইনফেকশন হওয়ার চান্স খুব বেশি থাকে। দরকার পড়লে দ্বিতীয়বার অপারেশন করাও লাগতে পারে। আল্লাহ বাচ্চা টাকে সুস্থ করে দিক। আমীন।

এজন্য তলপেটের ডানদিকে ব্যথা হলে দেরি না করেই ঐদিনেই হাসপাতালে চলে যান। ভালো জায়গা থেকে আল্ট্রাসনোগ্রাম করুন। দরকার হলে অপারেশন করে ফেলুন। তবুও দেরি করে ৮/১০ দিন পর যাইয়েন‌ না। খারাপ অবস্থায় যাওয়ার আগেই ডাক্তারের কাছে যান। সচেতন হন,সুস্থ থাকুন

-ডাঃ মেহেদী হাসান সাগর
এমবিবিএস
মুমেক

লাখ লাখ টাকার মেডিসিন খেয়েও রোগীরা দাউদ রোগ থেকে সুস্থ হচ্ছে না।খুবই খারাপ একটা রোগ।
23/04/2026

লাখ লাখ টাকার মেডিসিন খেয়েও রোগীরা দাউদ রোগ থেকে সুস্থ হচ্ছে না।খুবই খারাপ একটা রোগ।

হাম নিয়ে কিছু কথা বলা দরকার মনে করছি কারণ ইতোমধ্যেই আপনারা অনেকেই দেখেছেন হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছু বাচ্চার মৃ*ত্য...
30/03/2026

হাম নিয়ে কিছু কথা বলা দরকার মনে করছি কারণ ইতোমধ্যেই আপনারা অনেকেই দেখেছেন হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছু বাচ্চার মৃ*ত্যু হয়েছে❗
তাই এই পোস্টটা লিখছি।

শুরুতে হাম চেনা কঠিন। প্রথম ৩-৪ দিন একদম সাধারণ ঠান্ডার মতো মনে হয় — জ্বর, নাক দিয়ে পানি, কাশি, চোখ একটু লাল। এই সময় কেউ হাম সন্দেহ করে না।
কিন্তু একটা জিনিস খুঁজবেন — বাচ্চার মুখের ভেতরে গালের দিকে ছোট সাদা দানা। একটু ভাতের মতো দেখতে। এটাকে বলে Koplik's Spots। এটা দেখলে বুঝবেন হামই হয়েছে, আর কিছু না।
এর ১-২ দিন পরে র‍্যাশ আসে। কান থেকে শুরু হয়, মুখে আসে, তারপর ধীরে ধীরে নিচে নামে। পায়ে যখন পৌঁছায়, তখন জ্বর সবচেয়ে বেশি — ১০৪°F পর্যন্ত উঠতে পারে।
─
এখন সবচেয়ে জরুরি অংশ।
হাম বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৭-১০ দিনে সেরে যায়। কিন্তু কিছু বাচ্চার জটিলতা হয় — এবং সেটা হলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
কোন লক্ষণগুলো দেখলে দেরি করবেন না —

**র‍্যাশ আসার পরেও জ্বর কমছে না বা আবার বাড়ছে — এটা নিউমোনিয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। শ্বাস একটু দ্রুত বা কষ্টের মনে হলে আরও বেশি সন্দেহ।

***বাচ্চা অস্বাভাবিক ঘুমাচ্ছে, ডাকলে সাড়া কম দিচ্ছে, খিঁচুনি হচ্ছে — এটা ব্রেইনে প্রদাহের লক্ষণ হতে পারে। এটা হলে এক মুহূর্ত দেরি না করে হাসপাতাল।

***চোখ অনেক বেশি লাল, আলোতে কষ্ট হচ্ছে বা দেখতে সমস্যা হচ্ছে — চোখের জটিলতা হতে পারে।

**কান থেকে পানি পড়া বা কানে ব্যথা — কানের ইনফেকশন।

**পানি খাচ্ছে না, প্রস্রাব কমে গেছে — পানিশূন্যতা।
এগুলোর যেকোনো একটা দেখলে বাড়িতে বসে থাকবেন না।
───
একটা কথা না বললেই না।
হাম হলে শরীরে একটা অদ্ভুত জিনিস হয় — আগে যেসব রোগ থেকে শরীরের সুরক্ষা তৈরি হয়েছিল, সেই "মেমোরি" মুছে যায়। মানে হাম সেরে যাওয়ার পরেও বাচ্চাটা ২-৩ বছর ধরে অন্য সব রোগের বিরুদ্ধেও দুর্বল থাকে। এটাকে বিজ্ঞানীরা বলছেন Immune Amnesia।
শুধু একটা রোগ না, রোগের দরজা খুলে দেয় হাম।
─
চিকিৎসা প্রসঙ্গে বলি — হামের নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই। Vitamin A দেওয়া হয়, জ্বরের জন্য Paracetamol, আর পর্যাপ্ত পানি ও বিশ্রাম। বাকিটা শরীরকেই লড়তে হয়।
তাই প্রতিরোধের কোন বিকল্প নেই।
─
MMR টিকা —
৯ মাসে একটা, ১৫ মাসে আরেকটা।
সরকারি কেন্দ্রে বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
৯৭% পর্যন্ত কার্যকর।

"টিকায় অটিজম হয়" — এই গল্পটা একটা ভুয়া গবেষণা থেকে ছড়িয়েছিল। সেই গবেষণাটি পরে জাল প্রমাণিত হয়েছে, জার্নাল থেকে প্রত্যাহার হয়েছে, গবেষকের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে। কিন্তু গল্পটা এখনও অনেক জায়গায় ঘুরে বেড়ায়❗
─
আপনার বাচ্চার দুটো ডোজ দেওয়া আছে কি না একটু মিলিয়ে নিন। না থাকলে আজই উদ্যোগ নিন।

ধন্যবাদ মনোযোগ দিয়ে পোস্টটি পড়ার কারণে।

ডা নোবেল

ছবিতে যে ছেলেটিকে দেখছেন তার নাম মূলত Draven Hatfield, যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ভার্জিনিয়িার ১৯ বছর বয়সী এক তরুণ।দিনে প্রায়...
27/12/2025

ছবিতে যে ছেলেটিকে দেখছেন তার নাম মূলত Draven Hatfield, যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ভার্জিনিয়িার ১৯ বছর বয়সী এক তরুণ।

দিনে প্রায় ৪টি ডিসপোজেবল ভ্যাপ শেষ করা এই ছেলেটি ভেবেছিল সে সবার চোখ ফাঁকি দিচ্ছে। কিন্তু নিজের শরীরকে ফাঁকি দিতে পারেনি। হঠাৎ তীব্র বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় তাকে। রিপোর্ট দেখে ডাক্তাররা জানান, তার বাম ফুসফুসটি অকেজো হয়ে চুপসে গেছে (Lung Collapse)।

একবার নয়, পরপর ৪ বার তার ফুসফুস কোলাপ্স করে। শেষমেশ জীবন বাঁচাতে ডাক্তাররা তার ফুসফুসের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ কেটে বাদ দিতে বাধ্য হন (Bullectomy)।

অপারেশনের পর ডাক্তাররা তার হাতে একটি জিপলক ব্যাগ ধরিয়ে দেন। সেই ব্যাগে ছিল তার নিজের ফুসফুসের কেটে ফেলা অংশ। যা দেখতে সুস্থ গোলাপি রঙের নয়, বরং ছিল কুচকুচে কালো! ভ্যাপিংয়ের ধোঁয়া ভেতর থেকে তার ফুসফুসকে এভাবেই শেষ করে দিয়েছিল।

সে বেঁচে ফিরেছে ঠিকই, কিন্তু শরীরের একটি ভাইটাল অংশ হারিয়েছে চিরতরে। তাই ‘কুল সাজার’ জন্য ভ্যাপ ধরে নিজের জীবনটা শেষ করবেন না।

কোষ্ঠকাঠিন্য হলো এমন একটি সমস্যা যেখানে নিয়মিত বা সহজে মলত্যাগ হয় না। সাধারণভাবে বলতে গেলে—সপ্তাহে ৩ বারের কম মলত্যাগ হও...
21/12/2025

কোষ্ঠকাঠিন্য হলো এমন একটি সমস্যা যেখানে নিয়মিত বা সহজে মলত্যাগ হয় না। সাধারণভাবে বলতে গেলে—
সপ্তাহে ৩ বারের কম মলত্যাগ হওয়া
মল খুব শক্ত বা শুকনো হওয়া
মলত্যাগে অতিরিক্ত জোর দিতে হওয়া
পেট পরিষ্কার না হওয়ার অনুভূতি থাকা
এসব লক্ষণ থাকলে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়।
এটি হতে পারে কম পানি পান করা, আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া, দীর্ঘদিন বসে থাকা, অনিয়মিত জীবনযাপন, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা মানসিক চাপের কারণে।
কোষ্ঠকাঠিন্য সাধারণত নিচের কারণগুলোতে হয়—
🍽️ খাদ্যাভ্যাসজনিত কারণ
আঁশযুক্ত খাবার (শাকসবজি, ফল, লাল চাল/আটা) কম খাওয়া
পর্যাপ্ত পানি না পান করা
অতিরিক্ত ফাস্টফুড, তেল–মশলাযুক্ত খাবার খাওয়া
🧍‍♂️ জীবনযাপনজনিত কারণ
শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম না করা
দীর্ঘ সময় বসে থাকা
মলত্যাগের চাপ এলে তা বারবার চেপে রাখা
💊 ওষুধজনিত কারণ
কিছু ব্যথানাশক
আয়রন বা ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট
কিছু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট বা অ্যালার্জির ওষুধ
🧠 মানসিক ও শারীরিক কারণ
মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা বা বিষণ্ণতা
গর্ভাবস্থা
বয়স বৃদ্ধি
থাইরয়েডের সমস্যা বা ডায়াবেটিসের মতো রোগ
🚨 অন্যান্য কারণ
অন্ত্রের গতি কমে যাওয়া

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল মদিনা ফার্মেসী, বাইগ্যারটেক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share