ANC Associates

ANC Associates Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ANC Associates, Consulting Agency, Chittagong.

20/08/2025

✍️✍️✍️✍️এক-তৃতীয়াংশ কর দাতার ফাইল কখনো অডিট না হওয়া করদাতা নির্বাচনের নীতি: গভীর বিশ্লেষণ

১️⃣ করদাতাদের জন্য ঝুঁকি

🔹 অভ্যাসগত ঝুঁকি:
যারা দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত রিটার্ন দাখিল করেছেন কিন্তু কখনও অডিটের মুখোমুখি হননি, তাদের কাছে অডিট হতে পারে হঠাৎ এক ধরনের “শক”। অনেক সময় তারা মনে করেন নিয়মিত রিটার্ন জমা দিলেই কর্তৃপক্ষ সন্তুষ্ট থাকবে। কিন্তু অডিটে গেলে ছোটখাটো ভুলও ধরা পড়তে পারে।

🔹 রেকর্ড ঘাটতি:
বাংলাদেশে এখনো অনেক করদাতা হিসাব-নিকাশ ও আর্থিক কাগজপত্র সঠিকভাবে সংরক্ষণ করেন না। যেমন—

ইনভয়েস বা ভ্যাট চালান ঠিকভাবে রাখা হয় না।

ব্যাংক লেনদেনের সঙ্গে রিটার্নের অমিল দেখা যায়।

সম্পদ-দায় বিবরণীতে ফাঁকফোকর থাকে।
এসব ক্ষেত্রে করদাতা নিজের অজ্ঞতা বা গাফিলতির কারণে সমস্যায় পড়তে পারেন।

🔹 জরিমানার ঝুঁকি:
কর আইন অনুযায়ী ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্যও জরিমানা আরোপ হতে পারে। যেমন—

আংশিক আয় গোপন রাখা

খরচ বেশি দেখানো

কর চালান সংরক্ষণে ঘাটতি
এগুলো অডিটে ধরা পড়লে অতিরিক্ত কর, সুদ ও জরিমানা দিতে হতে পারে।

🔹 সময় ও খরচ:
অডিট প্রক্রিয়া শুধু মানসিক চাপই নয়, বরং অর্থনৈতিক চাপও তৈরি করতে পারে। করদাতাকে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, ট্যাক্স আইনজীবী বা কনসালট্যান্ট নিয়োগ দিতে হতে পারে, যা অতিরিক্ত খরচ যোগ করে।

---

২️⃣ করদাতাদের জন্য সুযোগ

🔹 আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির সুযোগ:
যদি প্রথমবার অডিট সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়, কর প্রশাসনের কাছে করদাতার বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক বেড়ে যায়। ভবিষ্যতে করদাতার সঙ্গে কর কর্তৃপক্ষের সম্পর্ক আরও স্বচ্ছ ও সহজ হয়।

🔹 সঠিক কর পরিকল্পনা:
অডিট অনেক সময় আয়-ব্যয় ও সম্পদের বাস্তব চিত্র প্রকাশ করে। ফলে করদাতা বুঝতে পারেন কোথায় তিনি ভুল করছেন, কোথায় কর বাঁচানোর সুযোগ আছে।

🔹 ট্যাক্স রিফান্ড পাওয়ার সম্ভাবনা:
অনেক করদাতা আসলে নিয়মিত কর পরিশোধ করেন কিন্তু অসচেতনভাবে বেশি পরিমাণ কর জমা দেন। অডিটে এসব ধরা পড়লে রিফান্ডের সুযোগ তৈরি হয়।

🔹 কর-সচেতনতা বৃদ্ধি:
একবার অডিট হলে করদাতা পরবর্তী সময়ে হিসাব-নিকাশে আরও সতর্ক হন। এতে সুশৃঙ্খল কর সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।

---

৩️⃣ করদাতাদের করণীয়

1. সময়মতো রিটার্ন দাখিল করা – বিলম্ব করলে জরিমানার ঝুঁকি বাড়ে।

2. নথি সংরক্ষণে অভ্যাস তৈরি করা – ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সম্পদ কাগজপত্র, খরচের ইনভয়েস সব আলাদা ফাইলে রাখা।

3. কর প্রদানের প্রমাণপত্র ফাইল করা – প্রতিটি কর চালান বা ট্রেজারি রসিদ সংরক্ষণ করা।

4. পেশাদার পরামর্শ নেওয়া – অভিজ্ঞ ট্যাক্স আইনজীবী/CA থাকলে অডিট প্রক্রিয়া সহজ হয়।

5. ডিজিটাল আর্কাইভ রাখা – সফট কপি সংরক্ষণ করলে প্রয়োজনে দ্রুত জমা দেওয়া যায়।

---

৪️⃣ কর আইনজীবীদের করণীয়

ক্লায়েন্টদের অডিট প্রস্তুতিতে চেকলিস্ট দেওয়া।

অতীত রিটার্ন ও হিসাব বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করা।

কর আইনের ধারা অনুযায়ী জরিমানার ঝুঁকি ব্যাখ্যা করা।

করদাতার হয়ে অডিটে প্রতিনিধিত্ব করা ও সঠিক উত্তর প্রস্তুত করা।

কর শিক্ষা ও সচেতনতা কর্মশালা আয়োজন করা।

---

৫️⃣ কর কর্মকর্তাদের (NBR/কর সার্কেল) করণীয়

স্বচ্ছ অডিট বাছাই: Random + Rule-Based নির্বাচন যেন রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাবমুক্ত থাকে।

অযথা হয়রানি না করা: শুধুমাত্র দলিল-ভিত্তিক প্রশ্ন করা, ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা চাপিয়ে না দেওয়া।

সময়মতো অডিট সম্পন্ন: দীর্ঘসূত্রতা যেন করদাতাকে অনিশ্চয়তায় না ফেলে।

পেশাদার মনোভাব বজায় রাখা: এতে করদাতার আস্থা বাড়বে এবং কর প্রশাসনের ভাবমূর্তি উন্নত হবে।

---

✅ সারসংক্ষেপ

এই নতুন নীতি কর প্রশাসনের জন্য রাজস্ব বৃদ্ধি ও কর শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উপায়, আবার করদাতাদের জন্য পরীক্ষা ও সুযোগ দুটোই।
যারা স্বচ্ছ হিসাব রাখেন, তাদের জন্য এটি আস্থার জায়গা; আর যারা অসঙ্গতিতে অভ্যস্ত, তাদের জন্য এটি ঝুঁকির ক্ষেত্র।

আশা করি সকলে উপকৃত হবেন।
18/08/2025

আশা করি সকলে উপকৃত হবেন।

Please be careful.
13/08/2025

Please be careful.

রিটার্ন জমা দেয়ার নতুন সময়সূচি:
11/08/2025

রিটার্ন জমা দেয়ার নতুন সময়সূচি:

যারা না বুঝে রিটার্ন জমা দিতে যাচ্ছেন তাদের সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। বি:দ্র: যে কোন ধরনের সহায়তায় আমরা আছি আপ...
10/08/2025

যারা না বুঝে রিটার্ন জমা দিতে যাচ্ছেন তাদের সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।
বি:দ্র: যে কোন ধরনের সহায়তায় আমরা আছি আপনার পাশে।

09/08/2025

⛔ ই-রিটার্ন ফাইলিংয়ে অসচেতনতার কারণে জরিমানা সংক্রান্ত সতর্কবার্তা ⛔

বর্তমান পরিস্থিতি:
বেশিরভাগ কম্পিউটার দোকানে যারা ই-রিটার্ন ফাইলিংয়ের কাজ করেন, তাদের অনেকেরই আয়কর আইনের সঠিক জ্ঞান নেই। ফলে তারা করদাতাদের:

- আয় (যেমন: ব্যবসার আয়, বেতন, ভাড়া আয়)
- সম্পদ (যেমন: জমি, ফ্ল্যাট, গাড়ি)
- দায় (যেমন: ব্যাংক লোন, পাওনাদারের টাকা)

এই তথ্যগুলো সঠিকভাবে ইনপুট করেন না বা গুরুত্ব সহকারে নেন না।

🔴 পরিণতি
এমনটি হলে আয়কর আইনের ধারা ২৭২ অনুযায়ী অটোমেটিক জরিমানা আরোপিত হবে। কারণ:

1. অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য - দেওয়াকে কর ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা হিসেবে গণ্য করা হয়।
2. কর কর্তৃপক্ষ এটিকে ইচ্ছাকৃত গোপন বা অসততা বলে বিবেচনা করতে পারেন।

🏮 জরিমানা কীভাবে হিসাব হয়?

- প্রথমবার ভুল করলে: সাধারণত ১০% জরিমানা + সংশোধিত কর দিতে হবে। বারবার ভুল করলে: জরিমানার পরিমাণ বাড়তে পারে, এমনকি অতিরিক্ত জরিমানা বা তদন্ত ও হতে পারে।

🟢 সমাধান:
১. দক্ষ কাউকে দিয়ে করান: আয়কর বিশেষজ্ঞ দিয়ে রিটার্ন ফাইল করান।

২. ডকুমেন্ট ঠিক রাখুন: আয়, সম্পদ ও দায়ের হিসাব আগে থেকে গুছিয়ে রাখুন।

🔴 সতর্কতা:
"ই-রিটার্ন ফাইলিংয়ের সময় সামান্য অসতর্কতাও বড় জরিমানার কারণ হতে পারে। সঠিক তথ্য দিন, ঝামেলা এড়ান।"

**কর ফাঁকি নয়, সঠিকভাবে কর দিন—দেশের উন্নয়নে অংশ নিন।**

িটার্ন_ফাইলিংয়ে_অসচেতনতার #অনলাইনে_আয়কর_রিটার #রিটার্ন_দাখিল_না_কয়ায়_জরিমানা

03/11/2024

সম্মানিত করদাতা,
আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে যেটা জানা দরকার
নোট:
১) অপ্রদর্শিত সম্পদ থাকলে সেটা জানতে পারলে কিংবা ধরা খেলে ৯৩ বা করদাতার জন্মলগ্ন টিন খোলার তারিখ হতে ফাইল অডিট হবে।

২) আয় গোপন করলে সেটা জানতে পারলে DCT বিগত ছয় বছরের ফাইল অডিট করবে।

৩) স্বাভাবিক ভাবে যে কোন ফাইল জমা দিবার ন্যূনতম ২ বছরের মধ্যে অডিট হতে পারে ( IF DCT Want )

এইবার জেনে নিন

✅জনপ্রিয় ই-রিটার্ন এবং বাস্তবতা:

➡️ ই-রিটার্ন:

ই-রিটার্ন তৈরি করার উদ্দেশ্য হলো আয়কর রিটার্ন দাখিল পদ্ধতি সহজ করা এবং জন ভোগান্তি কমানো সাথে আপনার অর্জিত আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য সঠিকভাবে অনলাইন মাধ্যমে উপস্থাপন করা।

কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে অনেকে অনলাইন জিরো রিটার্ন নাম দিয়ে নানানভাবে করদাতাকে প্রতারিত করছেন। আবার অনেক সময় করদাতারা ডকুমেন্টস এর ঝামেলা এবং কম খরচ চিন্তা করে জিরো রিটার্নের প্রতি ধাবিত হচ্ছেন।

✅অনলাইন রিটার্ন দাখিল করার মাধ্যমে আপনি কিন্তু অনলাইনে ঘোষণা দিয়েছেন আপনার কি আছে আর কি নেই! এতে করে আপনার অপ্রদর্শিত কোন আয়, সম্পদ বা দায় এমন কিছু থাকলে জাতীয় রাজস্ববোর্ড এর জালে তা সহজেই ধরা পড়বে এবং অনলাইন নির্ভর অডিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সহজ হবে। সর্বোপরি গতানুগতিক অডিট প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে অনলাইন নির্ভর অডিট প্রক্রিয়ায় যেতে পারবে জাতীয় রাজস্ববোর্ড।

✅বাস্তবতা:

➡️কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে আপনার নামে জায়গা, ফ্ল্যাট, গাড়ি, বাড়ি, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক ব্যালেন্স আছে যা আপনার অনলাইন রিটার্নে অপ্রদর্শিত রেখেছেন। আপনি অনলাইনে জিরো রিটার্ন নামক এক আজগুবি রিটার্ন দাখিল করেছেন। এতে করে আপনার অর্জিত সব সম্পদ অপ্রদর্শিত হয়ে গেলো। যা আপনার বৈধ উপায়ে কেনা ছিলো, তাকে নিজেই অবৈধ করে দিলেন। জিরো নাম শুনে সব বাদ দিয়ে দিলেন। তার মানে হচ্ছে আপনি নিজের বিপদ নিজেই ডেকে এনেছেন। আপনার বৈধ সম্পদকে অপ্রদর্শিত সম্পদ করে দিয়েছেন।

➡️কারণ বর্তমানে জাতীয় রাজস্ববোর্ডের সাথে এনআইডি সার্ভার, ব্যাংক, বিআরটিএ, সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর, বিনিয়োগ বোর্ডসহ প্রায় সার্ভারের সাথে যুক্ত আছে।

➡️আপনার ফাইল অডিটে পড়লে আপনার অপ্রদর্শিত সম্পদ এবং আয়ের উপর আপনাকে অতিরিক্ত কর, সুদ ও জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।

তাই, জেনে বুঝে সকল তথ্য উপাত্ত এর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সাথে নিয়ে আপনার অনলাইন বা অফলাইন আয়কর রিটার্ন সাবমিট করুন। অনাকাঙ্ক্ষিত কর, সুদ ও জরিমানা এড়িয়ে চলুন।

কপিড

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিঁপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।সে...
20/09/2023

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিঁপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।

সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।

ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।

কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত।

তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।

কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। … সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে।

সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।

কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।

আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।

নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।

সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।

সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।

কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।

পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।

পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।

পরের সপ্তাহেই বেশ কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো। বলুন তো, কে সর্বপ্রথম চাকরি হারাল?

ওই হতভাগ্য পিঁপড়া। কারণ, পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল, ‘এই কর্মীর মোটিভেশনের ব্যাপক অভাব রয়েছে এবং সর্বদাই নেতিবাচক আচরণ করছে, যা অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট করছে।

সংগৃহীত......!!

28/06/2023

আয়কর রিটার্ন দেবার জন্য যে সব কাগজ প্রয়োজন তা হলোঃ
১) আয়কর রিটার্ন ফরম পূরণ।
২) ১ কপি ছবি (৪ বছর পর প্রতি ৫ তম বছরে)।
৩) চাকুরিজীবী হলে বেতন বিবরনী।
৪) ডিপিএস, সঞ্চয়পত্র, বীমা, শেয়ার/ ডিভেঞ্চার এবং অন্য কোথাও অর্থ গচ্ছিত থাকলে (সরকার অনুমোদিত) তার ডকুমেন্ট। গত অর্থ বছরে মোট বিনিয়োগ।
৪) ব্যাংক বিবরনী।
৫) জমি জমা থাকলে তার বিবরনী।
৬) মোটর সাইকেল ব্যতিত অন্য কোনো ভারী যান থাকলে ডকুমেন্ট। (এই ক্ষেত্রে জীপ ও মাইক্রবাস)
৭) অগ্রিম কর বা উৎসে কর কাটলে তার ডকুমেন্ট যেমনঃ সঞ্চয় পত্র হতে প্রাপ্ত লাভ এর কর, উহার ডকুমেন্ট।
৮) ব্যাংক লোন/আর্থিক প্রতিষ্ঠান থাকলে তার ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
৯) রিটার্ন এর প্রাপ্তি স্বীকার পত্র (গত বছর)।
সঞ্চয়পত্রের মুনাফার আয় ৮২ সি ধারায় আয়। মুনাফা প্রদানের সময় যে ৫% বা ১০% উৎসে কর কেটে রাখে ওটাই চূড়ান্ত। নতুন করে কোনো অবস্থাতেই আর কোনো কর দিতে হবে না, সে মুনাফার পরিমান যাই হোক না কেনো। তবে কত টাকা মুনাফা পেয়েছেন ও কত টাকা উৎসে কর কর্তন হয়েছে তা রিটার্নে উল্লেখ করতে হবে। সঞ্চয়পত্রের মুনাফা (৫% বা ১০% কর্তনের পর প্রাপ্ত টাকা) সম্পূর্ণ করমুক্ত আয়। কারণ উৎসে অগ্রিম কর কেটে নিয়েছে।
৮) চালান/ পে অডার/ ব্যাংক ড্রাফট/ ক্রস চেক (আপনার সার্কেল অনুযায়ী)।
৯) TIN এর ফটোকপি।
১০) NID এর ফটোকপি।
১১) ৫ লাখ টাকার উপরে টাকা লেনদেন করলে ব্যাংক চেনেলের মাধ্যমে করতে হবে, তার ডকুমেন্ট।
১২) ব্যাংক লোন থাকলে উহার ডকুমেন্ট।

আয়কর বিবরণী দাখিল এবং করমামলা সংক্রান্ত সেবা নিতে যোগাযোগ করুন...

ANC ASSOCIATE
01818-478181
01812-723288

সময় বাড়লো ১ মাস।
30/11/2022

সময় বাড়লো ১ মাস।

11/06/2022
রিটার্ন দাখিলের তারিখ ২রা জানুয়ারী, ২০২২ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যোগাযোগঃ ০১৭০৯-২১০১৮০, ০১৮১২-৭২৩২৮৮।
22/12/2021

রিটার্ন দাখিলের তারিখ ২রা জানুয়ারী, ২০২২ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যোগাযোগঃ ০১৭০৯-২১০১৮০, ০১৮১২-৭২৩২৮৮।

Address

Chittagong

Telephone

+8801672989472

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ANC Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ANC Associates:

Share