Mahmud Goods

Mahmud Goods ১০০% খাঁটি সরিষার তেল পাওয়া যায় ও যেকো? 100% খাঁটি মানের নিশ্চয়তা

১০০% নিজেদের তৈরি মেশিনে খাঁটি সরিষার তেল খান কোনো প্রকার ক্যামিকেল ছাড়াই।চারদিকে যখন ভেজালে ভরপুর তখনই আমরা চিন্তা করেছ...
19/02/2023

১০০% নিজেদের তৈরি মেশিনে খাঁটি সরিষার তেল খান কোনো প্রকার ক্যামিকেল ছাড়াই।চারদিকে যখন ভেজালে ভরপুর তখনই আমরা চিন্তা করেছি ভিন্ন কিছুর।আপনি আমাদের কাছে পাচ্ছেন প্রতি লিটার তেল মাত্র ২৫০ টাকা করে। এছাড়া ও পাচ্ছেন আপনার বাসায় হোম ডেলিভারি। (শর্ত প্রজোয্য )এছাড়া কোরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে কক্সবাজার সদর এবং চট্টগ্রাম সদরে সিনেমা প্লেস এস.আলম.কাউন্টারে ডেলিভারি পাচ্ছেন মাত্র কয়েকঘন্টায়।অর্ডার করতে অথবা যেকোন প্রয়োজনে ফোন করুন নিচের দেয়া নাম্বারে ০১৮৭৫৮০৬৭৯৮।
আমাদের বর্তমান ঠিকানাঃ চোধুরী রোড বিমান বিল্ডিং এর দক্ষিণ পাশে ব্রিজ সংলগ্ন দোকান , আমিরাবাদ,লোহাগাড়া,চট্টগ্রাম।

27/05/2022

সূরা ৪৭. মুহাম্মাদ
আয়াত নং ১৪

اَفَمَنۡ کَانَ عَلٰی بَیِّنَۃٍ مِّنۡ رَّبِّہٖ کَمَنۡ زُیِّنَ لَہٗ سُوۡٓءُ عَمَلِہٖ وَ اتَّبَعُوۡۤا اَہۡوَآءَہُمۡ ﴿۱۴﴾

অনুবাদঃ
যে ব্যক্তি তার রবের পক্ষ থেকে আগত সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত সে কি তার মত, যার মন্দ আমল তার জন্য চাকচিক্যময় করে দেয়া হয়েছে এবং যারা তাদের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে? -(আল-বায়ান)

যে ব্যক্তি তার প্রতিপালক থেকে আগত সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত সে কি তার মত যার কাছে তার মন্দ কর্ম সুশোভিত করা হয়েছে আর তারা নিজেদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করে। -(তাইসিরুল)

যে ব্যক্তি তার রাব্ব হতে প্রেরিত সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত সে কি তার ন্যায় যার নিকট নিজের মন্দ কাজগুলি শোভন প্রতীয়মান হয় এবং যারা নিজ খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে? -(মুজিবুর রহমান)

তাফসীরে আহসানুল-বায়ান

(১৪) যে ব্যক্তি তার প্রতিপালক হতে (আগত) সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত, সে কি তার মত, যার নিকট নিজের মন্দ কর্মগুলো শোভনীয় প্রতীয়মান হয় এবং যারা নিজেদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করে? [1]

[1] ‘মন্দ কর্ম’ বলতে শিরক ও অবাধ্যতাকে বুঝানো হয়েছে। এর অর্থও তা-ই যা পূর্বে বহু স্থানে উল্লিখিত হয়েছে। আর তা হল, মু’মিন ও কাফের, মুশরিক ও তাওহীদবাদী এবং সৎলোক ও অসৎলোক সমান হতে পারে না। একজনের জন্যে আল্লাহর নিকট রয়েছে উত্তম প্রতিদান এবং জান্নাতের নিয়ামতসমূহ। পক্ষান্তরে অপরজনের জন্য রয়েছে জাহান্নামের ভয়াবহ শাস্তি। পরের আয়াতে উভয়ের পরিণামের কথা বর্ণনা করা হচ্ছে। প্রথমে সেই জান্নাতের বৈশিষ্ট্য ও তার সৌন্দর্যের কথা, যার প্রতিশ্রুতি আল্লাহভীরু পরহেজগার বান্দাদেরকে দেওয়া হয়েছে।

তাফসীরে জাকারিয়া

১৪. যে ব্যক্তি তার রব প্রেরিত সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত, সে কি তার ন্যায় যার কাছে নিজের মন্দ কাজগুলো শোভন করে দেয়া হয়েছে এবং যারা নিজ খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করেছে?

-

- Source: Bangla Hadith Android app

Link: http://www.hadithbd.com/quran/link/?id=4559

22/04/2022
এই রমজানে ভালো তেল খান সুস্থ থাকুন। ভালো খেয়ে গ্যাস্ট্রিক থেকে বেঁচে থাকুন। ১০০% খাঁটি সরিষার তেল, দাম মাত্র প্রতি লিটার...
13/04/2022

এই রমজানে ভালো তেল খান সুস্থ থাকুন।
ভালো খেয়ে গ্যাস্ট্রিক থেকে বেঁচে থাকুন।
১০০% খাঁটি সরিষার তেল,

দাম মাত্র প্রতি লিটার ২৮০ টাকা সর্বোচ্চ ভালো মানের।

আরেকটি ২৫০ টাকা ভালো মানের।

18/03/2022

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট অসচ্ছল সাহাবীগণ এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ধনীরা উঁচু মর্যাদা ও স্থায়ী নেয়ামতের অধিকারী হয়ে গেল। রাসূল বললেন, সেটা কি করে? তারা বললেন, আমরা যেমন সালাত আদায় করি তারাও তা করে, আমরা সাওম পালন করি, তারাও করে, অধিকন্তু তারা সাদাকাহ দেয়। কিন্তু আমরা তা দিতে পারি না। তারা দাসমুক্ত করে আমরা তা পারি না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমাদেরকে কি আমি এমন বস্তু বলে দিব না যা করলে তোমরা অন্যদের প্রতিযোগিতায় অগ্রণী হয়ে যাবে? কেউ তোমাদের থেকে শ্রেষ্ঠ হতে পারবেনা। তবে যদি কেউ তোমাদের মত কাজ করে সেটা ভিন্ন কথা। তোমরা প্রতি সালাতের পরে তেত্রিশ বার করে তাসবীহ, তাকবীর ও তাহমীদ করবে। (সুবহানাল্লাহ, আল্লাহু আকবার ও আলহামদুলিল্লাহ পড়বে)। পরবর্তীতে অসচ্ছল সাহাবাগণ ফিরে এসে বললেন, আমাদের পয়সাওয়ালা ভাইরা আমরা যা করছি তা শুনে ফেলেছে এবং তারাও তা করতে আরম্ভ করেছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, এটা আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা তা দান করেন। [বুখারী: ৮৪৩, মুসলিম: ৫৯৫]

সূরা ৫৭. আল-হাদীদআয়াত নং ১৬اَلَمۡ یَاۡنِ لِلَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اَنۡ تَخۡشَعَ قُلُوۡبُہُمۡ لِذِکۡرِ اللّٰہِ وَ مَا نَزَل...
18/03/2022

সূরা ৫৭. আল-হাদীদ
আয়াত নং ১৬

اَلَمۡ یَاۡنِ لِلَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اَنۡ تَخۡشَعَ قُلُوۡبُہُمۡ لِذِکۡرِ اللّٰہِ وَ مَا نَزَلَ مِنَ الۡحَقِّ ۙ وَ لَا یَکُوۡنُوۡا کَالَّذِیۡنَ اُوۡتُوا الۡکِتٰبَ مِنۡ قَبۡلُ فَطَالَ عَلَیۡہِمُ الۡاَمَدُ فَقَسَتۡ قُلُوۡبُہُمۡ ؕ وَ کَثِیۡرٌ مِّنۡہُمۡ فٰسِقُوۡنَ ﴿۱۶﴾

অনুবাদঃ
যারা ঈমান এনেছে তাদের হৃদয় কি আল্লাহর স্মরণে এবং যে সত্য নাযিল হয়েছে তার কারণে বিগলিত হওয়ার সময় হয়নি ? আর তারা যেন তাদের মত না হয়, যাদেরকে ইতঃপূর্বে কিতাব দেয়া হয়েছিল, তারপর তাদের উপর দিয়ে দীর্ঘকাল অতিক্রান্ত হল, অতঃপর তাদের অন্তরসমূহ কঠিন হয়ে গেল। আর তাদের অধিকাংশই ফাসিক। -(আল-বায়ান)

যারা ঈমান এনেছে তাদের জন্য সে সময় কি এখনও আসেনি যে আল্লাহর স্মরণে আর যে প্রকৃত সত্য অবতীর্ণ হয়েছে তাতে তাদের অন্তর বিগলিত হয়ে যাবে? আর তারা যেন সেই লোকদের মত না হয়ে যায় যাদেরকে পূর্বে কিতাব দেয়া হয়েছিল, অতঃপর তাদের উপর অতিবাহিত হয়ে গেল বহু বহু যুগ আর তাদের অন্তর কঠিন হয়ে পড়ল। তাদের অধিকাংশই পাপাচারী। -(তাইসিরুল)

যারা ঈমান আনে তাদের হৃদয় ভক্তি-বিগলিত হওয়ার সময় কি আসেনি আল্লাহর স্মরণে এবং যে সত্য অবতীর্ণ হয়েছে তাতে? এবং পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল তাদের মত যেন তারা না হয়, বহুকাল অতিক্রান্ত হয়ে গেলে যাদের অন্তঃকরণ কঠিন হয়ে পড়েছিল। তাদের অধিকাংশই সত্যত্যাগী। -(মুজিবুর রহমান)

তাফসীরে আহসানুল-বায়ান

(১৬) যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে তাদের সময় কি আসেনি যে, আল্লাহর স্মরণে এবং যে সত্য অবতীর্ণ হয়েছে তাতে তাদের হৃদয় ভক্তি-বিগলিত হবে?[1] এবং পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছিল তাদের মত তারা হবে না?[2] বহুকাল অতিক্রান্ত হয়ে গেলে যাদের অন্তর কঠিন হয়ে পড়েছিল।[3] আর তাদের অধিকাংশই সত্যত্যাগী। [4]

[1] এই সম্বোধন মু’মিনদেরকে করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য তাদেরকে আল্লাহর স্মরণের দিকে আরো বেশী মনোযোগী করা এবং পবিত্র কুরআন থেকে নির্দেশনা গ্রহণের প্রেরণা দেওয়া। خشوع এর অর্থ নরম অন্তরে আল্লাহর দিকে ঝুঁকে পড়া। حَقّ (সত্য) বলতে কুরআন কারীম।

[2] যেমন ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানরা। অর্থাৎ, তোমরা তাদের মত হয়ে যেয়ো না।

[3] সুতরাং তারা আল্লাহর কিতাবে পরিবর্তন ঘটাল। এর বিনিময়ে দুনিয়ার সামান্য ও তুচ্ছ সম্পদ সঞ্চয় করাকে তারা নিজেদের পেশায় পরিণত করেছিল। তার (কিতাবের) বিধি-বিধানকে তারা পশ্চাতে ফেলে দিয়েছিল। আল্লাহর দ্বীনের ব্যাপারে বড়দের অন্ধ অনুকরণ আরম্ভ করেছিল এবং তাদেরকেই নিজেদের প্রভু বানিয়ে নিয়েছিল। মুসলিমদেরকে সতর্ক করা হচ্ছে যে, তোমরা এ রকম কাজ করো না। নচেৎ তোমাদের অন্তরও শক্ত হয়ে যাবে এবং তার ফলে ঐ কাজগুলো যা তাদের জন্য আল্লাহর অভিশাপের কারণ হয়েছিল, তোমাদেরকেও ভাল লাগবে।

[4] অর্থাৎ, তাদের অন্তর খারাপ ও তাদের কাজ-কর্ম বাতিল। অন্যত্র আল্লাহ বলেন, {فَبِمَا نَقْضِهِم مِّيثَاقَهُمْ لَعنَّاهُمْ وَجَعَلْنَا قُلُوبَهُمْ قَاسِيَةً يُحَرِّفُونَ الْكَلِمَ عَن مَّوَاضِعِهِ وَنَسُواْ حَظًّا مِّمَّا ذُكِّرُوا} (المائدة: ১৩)

তাফসীরে জাকারিয়া

১৬. যারা ঈমান এনেছে তাদের হৃদয় কি আল্লাহর স্মরণে এবং যে সত্য নাযিল হয়েছে তার জন্য বিগলিত হওয়ার সময় আসেনি?(১) আর তারা যেন তাদের মত না হয় যাদেরকে আগে কিতাব দেয়া হয়েছিল—অতঃপর বহু কাল অতিক্রান্ত হওয়ার পর তাদের অন্তরসমূহ কঠিন হয়ে পড়েছিল। আর তাদের অধিকাংশই ফাসিক।

(১) অর্থাৎ মুমিনদের জন্যে কি এখনও সময় আসেনি যে, তাদের অন্তর আল্লাহর যিকর এবং যে সত্য নাযিল করা হয়েছে তৎপ্রতি নম্র ও বিগলিত হবে? (تَخْشَعَ قُلُوبُهُمْ) এর অর্থ অন্তর নরম হওয়া, উপদেশ কবুল করা ও আনুগত্য করা। কুরআনের প্রতি অন্তর বিগলিত হওয়ার অর্থ এর বিধান তথা আদেশ ও নিষেধ পুরোপুরি পালন করার জন্যে প্রস্তুত হওয়া এবং এ ব্যাপারে কোন অলসতা বা দুর্বলতাকে প্রশ্রয় না দেয়া। [সা’দী]। এটা মুমিনদের জন্যে হুশিয়ারি। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত আছে, আল্লাহ তা’আলা কোন কোন মুমিনদের অন্তরে আমলের প্রতি অলসতা ও অনাসক্তি আঁচ করে এই আয়াত নাযিল করেন। ইমাম আমাশ বলেনঃ মদীনায় পৌঁছার পর কিছু অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্য অর্জিত হওয়ায় কোন কোন সাহাবীর কর্মোদ্দীপনায় কিছুটা শৈথিল্য দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে এই আয়াত অবতীর্ণ হয়।

ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর উপরোক্ত বর্ণনায় আরও বলা হয়েছে, এই হুশিয়ারি সংকেত কুরআন অবতরণ শুরু হওয়ার তের বছর পরে নাযিল হয়। ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমাদের ইসলাম গ্রহণের চার বছর পর এই আয়াতের মাধ্যমে আমাদেরকে হুশিয়ার করা হয়। [মুসলিম: ৩০২৭] মোটকথা, এই হুশিয়ারীর সারমর্ম হচ্ছে মুসলিমদেরকে পুরোপুরি নম্রতা ও সৎ কর্মের জন্যে তৎপর থাকার শিক্ষা দেয়া এবং এ কথা ব্যক্ত করা যে, আন্তরিক নমতাই সৎকর্মের ভিত্তি। শাদ্দাদ ইবনে আউস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, মানুষের অন্তর থেকে সর্বপ্রথম নম্রতা উঠিয়ে নেয়া হবে। [তাবারী: ২৭/২২৮]

- Source: Bangla Hadith Android app

Link:

সূরা নং- ৫৭, আল-হাদীদ, আয়াত নং - ১৬ (৫৭:১৬) এর বঙ্গানুবাদ ও তাফসীর | Bengali translation and Tafsir of Surah 57, Al-Hadid, Aya: 16 (57:16)

07/03/2022

সয়াবিন নাকি সরিষা- কোন তেল শরীরের জন্য ভাল



মানুষ সারাক্ষণ দেহের সুস্থতা নিয়ে ভাবে। সুস্বাস্থ্যের জন্য মানুষ নানারকম খাবার খেয়ে থাকে। আর সুস্বাস্থ্যকর খাবার রান্নায় সরিষার তেল সয়াবিন তেল ব্যবহার করা হয়। তবে খাবার রান্নায় সয়াবিন তেলের ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু সুস্বাস্থ্যকর খাবার রান্নায় কোন তেল বেশি ক্ষতিকর তা জানেন না অনেকেই। আসুন জেনে নেয়া যাক সুস্বাস্থ্যে সয়াবিন নাকি সরিষার তেল-

সয়াবিন তেল



পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই রান্নার জন্য কমবেশি যে তেল ব্যবহৃত হয় তা হলো সয়াবিন তেল। সয়াবিনের বীজ থেকে এই তেল সংগ্রহ করা হয়। সয়াবিন তেলে সম্পৃক্ত চর্বি সরিষার তেলের চাইতে বেশি থাকে। তাই সয়াবিন তেল স্বাস্থ্যের জন্যে খুব ভালো নয়। সয়াবিন তেলে মনোস্যাচুরেটেড ও পলিয়নস্যাচুরেটেড চর্বি সরিষার তেলের তুলনায় কম আছে। তাই বলা যায় সয়াবিন তেল হার্টের জন্যে খুব বেশি স্বাস্থ্যকর নয়। সয়াবিন তেলের স্মোকিং পয়েন্ট সরিষার তেলের স্মোকিং পয়েন্ট থেকে কম।

সরিষার তেল



সরিষার তেল স্বাস্থ্যকর সয়াবিন তেল অপেক্ষা কারন সরিষার তেলে ক্যামিকেল প্রসেস করতে হয় না। সয়াবিন তেলে করতে হয়। ঘানি ভাঙ্গা বা কাচ্চি ঘানি সরিষার তেল সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর। ক্যামিকেল প্রসেস করলেই সেটা ভেজাল তেল হয়ে যায় কিন্তু সয়াবিন তেলে করতেই হয় কারন অর্গানিক সয়াবিন তেলের বিশ্রী গন্ধের কারনে সেটা খাওয়া যায় না। আমাদের দেশে যত ধরনের ভোজ্যতেল ব্যবহার হয় তার মধ্যে সবচেয়ে ভালো সরিষার তেল। সয়াবিন তেলে অনেক সময় অসাধু ব্যবসায়ীরা পাম অয়েলসহ বিভিন্ন কিছু মেশায়। অধিক মুনাফার জন্য তারা এ কাজ করে। কিন্তু সরিষার তেলে সে সুযোগ নেই। কারণ সরিষার তেলে এমন কিছু মেশালে ভালোভাবে মিক্সড হয় না। এ কারণে সরিষার তেল তুলনামূলক ভালো। সানফ্লাওয়ার অয়েলের সঙ্গেও অন্য তেল মেশানো যায়। আমাদের দেশে তেল-মসলা বেশি খাওয়া হয়। এ জন্য সয়াবিন তেল ব্যবহার করা হয়। চাইলে সরিষাবাটা তেল দিয়েও রান্না করা যায়। সরিষার তেল সয়াবিন তেলের চেয়ে বরং পরিমাণে কম লাগে। এতে শরীরে ক্যালরি বাড়ার আশঙ্কাও কমে যায়। জানান এই পুষ্টিবিদ।

07/03/2022

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫৫/ ফিতনা সমূহ ও কিয়ামতের নিদর্শনাবলী (كتاب الفتن وأشراط الساعة)
হাদিস নম্বরঃ ৭০০৩


৫. এ উম্মতের পরস্পরে ধ্বংস করার বিবরণ

৭০০৩। ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম দাওরাকী ও হাজ্জাজ ইবনু শাঈর (রহঃ) ... আবূ যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর মিম্বরে আরোহণ করে খুতবা দিলেন। অবশেষে যুহরের সালাতের সময় হল। তিনি মিম্বর হতে অবতরণ করে সালাত আদায় করলেন। এরপর আবার মিম্বরে আরোহণ করতঃ তিনি খুতবা দিলেন। এবার আসরের সালাতের সময় হল। তিনি মিম্বর থেকে অবতরণ করে সালাত আদায় করে পূনরায় মিম্বরে আরোহণ করলেন এবং আমাদেরকে লক্ষ্য করে খুৎবা দিতে দিতে সূর্য অস্তমিত হল। এ খুতবায় তিনি আমাদেরকে যা হয়েছে এবং যা হবে ইত্যাকার বিষয়ে সংবাদ দিলেন। অতঃপর তিনি বলেন, যে ব্যক্তি এ কথাগুলো সর্বাধিক স্মরণ রেখেছেন আমাদের মাঝে এ বিষয়ে তিনি সর্বাধিক জ্ঞাত।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) http://www.hadithbd.com/hadith/link/?id=19326

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)অধ্যায়ঃ ৫৫/ ফিতনা সমূহ ও কিয়ামতের নিদর্শনাবলী (كتاب الفتن وأشراط الساعة)হাদিস নম্বরঃ ৭০০১ ৫. এ...
07/03/2022

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৫৫/ ফিতনা সমূহ ও কিয়ামতের নিদর্শনাবলী (كتاب الفتن وأشراط الساعة)
হাদিস নম্বরঃ ৭০০১


৫. এ উম্মতের পরস্পরে ধ্বংস করার বিবরণ

৭০০১। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (অন্য সনদে) আবূ বকর ইবনু নাফি (রহঃ) ... হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত ঘটমান সমুদয় ফিতনা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন। ফিতনা সংক্রান্ত সমুদয় বিষয় সম্পর্কে আমি তাকে প্রশ্ন করেছি। তবে মদীনাবাসীকে কিসে মদীনা হতে বের করবে এ বিষয়ে আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করিনি।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) | অধ্যায়ঃ ৫৫/ ফিতনা সমূহ ও কিয়ামতের নিদর্শনাবলী (كتاب الفتن وأشراط الساعة) | 55/ The Book of Tribulations and Porten...

27/02/2022

গ্রন্থঃ সহিহ হাদিসে কুদসি
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ হাদিসসমূহ
হাদিস নম্বরঃ ৪৩


গরিবকে সুযোগ দেয়া ও ক্ষমা করার ফযিলত

৪৩. আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “জনৈক ব্যক্তি কোনো কল্যাণ করেনি, সে মানুষকে ঋণ দিত, অতঃপর তার দূতকে বলত: যা সহজ গ্রহণ কর, যা কষ্টের তা ত্যাগ কর ও ছাড় দাও। হয়তো আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে ক্ষমা করবেন। যখন সে মারা গেল, আল্লাহ তাকে বললেন: তুমি কোন কল্যাণ করেছ? সে বলে: না, তবে আমার এক কর্মচারী ছিল, আমি মানুষকে ঋণ দিতাম, যখন আমি তাকে উসুল করার জন্য প্রেরণ করেছি তাকে বলেছি: যা সহজ হয় গ্রহণ কর, যা কষ্টকর ত্যাগ কর ও ক্ষমা কর, হয়তো আল্লাহ তা‘আলা আমাদের ক্ষমা করবেন। আল্লাহ বলবেন: আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম”। [নাসায়ি] হাদিসটি হাসান।

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan) http://www.hadithbd.com/hadith/link/?id=21357

Address

চৌধুরী রোড, বিমান বিল্ডিং এর দক্ষিন পাশে ব্রিজ সংলগ্ন দোকান। আমিরাবাদ, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।
Chittagong
4396

Opening Hours

Monday 08:00 - 22:00
Tuesday 08:00 - 22:00
Wednesday 08:00 - 22:00
Thursday 08:00 - 22:00
Friday 08:00 - 22:00
Saturday 08:00 - 22:00
Sunday 08:00 - 22:00

Telephone

+8801875806798

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahmud Goods posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mahmud Goods:

Share