Gazi TAX Associate BD

Gazi TAX Associate BD Gazi Mahbubur Rahman Uzzal
Advocate & Income Tax Lawyer
Bangladesh Supreme Court (High Court Division)
Cell- 01717426098

কম্পিউটার দোকানে গিয়ে না বুঝে রিটার্ন/ ভুলভাল রিটার্ন কিংবা জিরো রিটার্ন অত্যন্ত বিপদজনক। গ্যাঁড়াকলে পড়লে বুঝবেন কত ধানে...
24/09/2025

কম্পিউটার দোকানে গিয়ে না বুঝে রিটার্ন/ ভুলভাল রিটার্ন কিংবা জিরো রিটার্ন অত্যন্ত বিপদজনক। গ্যাঁড়াকলে পড়লে বুঝবেন কত ধানে কত চাল।

 # #ফৌজদারী মামলা কত প্রকার ওকি কি? # #সাধারন মানুষের বিচার চাওয়া ওবিচারপাওয়ার অধিকারএকটি সাংবিধানিকঅধিকার।আজকে আমরা ফৌজ...
26/02/2022

# #ফৌজদারী মামলা কত প্রকার ও
কি কি? # #

সাধারন মানুষের বিচার চাওয়া ও
বিচার
পাওয়ার অধিকার
একটি সাংবিধানিক
অধিকার।
আজকে আমরা ফৌজদারী মামলা কত
প্রকার ও কি কি বিষয়
নিয়ে আলোচনা করবো,
যে বিষয়গুলো যারা মামলা বা আইনের
সাথে সংশ্লিষ্ট হয়তো সবাই জানে।
কিন্তু অনেক সাধারন মানুষের
হয়তো বিষয়গুলো জানা নাও
থাকতে পারে। তাদের জন্যই মূলত: এই
লেখা। ধরা যাক, আপনার খুব কাছের
মানুষকে কেউ মারধর করলো,
কারো টাকা আত্মসাত হলো,
কারো ঘরে ঢুকে ভাংচুর
করা হলো বা কেউ খুন হলো এখন খুব
স্বাভাবিকভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ
ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে এই অপরাধের
বিচার চাইবে।এখন
স্বাভাবিকভাবেই
প্রশ্ন উঠতে পারে, এইরকম
ঘটনা ঘটলে সে প্রথম কোথায়
গিয়ে তার অভিযোগ জানাবে।
উত্তরটা খুবই সহজ। সে প্রথমে থানায়
গিয়ে অভিযোগ দিবে। আচ্ছা কোন
কারনে থানা কতৃপক্ষ
মামলা নিলনা তখন কি তার বিচার
চাওয়ার পথ রুদ্ধ হবে? অবশ্যই না।
সেক্ষেত্রে সংক্ষুদ্ধ
ব্যক্তি যে থানায়
বসবাস করে সে থানার
দায়িত্বপ্রাপ্ত
ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে নালিশ
জানাতে পারে। ম্যাজিষ্ট্রেট
নালিশ
পাওয়ার পর
কি করতে পারে তা নিয়ে পরে আলোচনা করবো।
এইক্ষেত্রে তাহলে আমরা দুইটি জায়গা পেলাম
অভিযোগ জানানোর। এইবার
দেখা যাক,
মামলা গুলো কিভাবে কত
প্রকারে ভাগ হতে পারে। তার
আগে একটু
বলে নিই, অপরাধের ভিন্নতার উপর
নির্ভর করে মামলার ভিন্ন প্রকারভেদ
হতে পারে। আমাদের
দন্ডবিধিতে যে অপরাধের
কথা বলা আছে সে অপরাধগুলো দুই
প্রকার- ১) আমলযোগ্য অপরাধ ২)
আমল অযোগ্য অপরাধ। প্রায় সবাই
জানে, যে সকল অপরাধের জন্য
আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের
কোন গ্রেপ্তারী পরোয়ানার
প্রয়োজন
হয়না সেগুলো হলো আমলযোগ্য
অপরাধ। আর যে অপরাধের
ক্ষেত্রে আসামীকে গ্রেপ্তার
করতে গ্রেপ্তারী পরোয়ানার
প্রয়োজন হয়
সেগুলো হলো আমলের অযোগ্য
অপরাধ।সাধারণত বড় বড়
অপরাধগুলো আমলযোগ্য এবং ছোট
ছোট অপরাধগুলো আমলঅযোগ্য
অপরাধ হিসাবে আইনে বর্ণিত আছে।
ধরা যাক, কেউ আপনার ছোট
ভাইকে চর-থাপ্পড়, কিল ঘুষি দিল
তাহলে সেটা দন্ডবিধির ৩২৩ ধারার
অপরাধ। যার শাস্তি ১ বছর কারাদন্ড
অথবা ১০০০
টাকা জরিমানা অথবা উভয়ই। এই
অপরাধ একটি আমলঅযোগ্য অপরাধ।
আবার ধরা যাক, কেউ
তাকে ছুরি দিয়ে শরীরে আঘাত
করলো।
তাহলে এটি ৩২৪ ধারার অপরাধ। যার
শাস্তি ৩ বছর কারাদন্ড ও
জরিমানা অথবা উভয়ই।
তাহলে এটা আরো বড় অপরাধ বিধায়
এই অপরাধ আমলযোগ্য অপরাধ।
একইভাবে ছুরি দিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত
হওয়ার পর যদি গুরুতর জখম হয় (চোখ,
কান বা শরীরের কোন
স্থায়ী অঙ্গহানি হয়)
তবে তা হবে ৩২৫
ধারার অপরাধ যার শাস্তি ৭ বছরের
কারাদন্ড ও জরিমানা। এটিও
আমলযোগ্য অপরাধ। এর পর যদি হয়
হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত
তাহলে শাস্তি আরো বাড়বে।
বা এইরুপ
আঘাতের দরুন যদি মারা যায়
তাহলে ৩০২ ধারার অপরাধ।
এইখানে ৩২৩ ধারা ভিন্ন পরের সব
ধারার অপরাধ আমলযোগ্য অপরাধ।
এখন বলছি এই বিষয়ে কেন
এতো আলোচনা করছি। কারণ
আপনি যখন থানায় আপনার অভিযোগ
নিয়ে যাবেন
সেক্ষেত্রে থানা কতৃপক্ষ
দুইটা কাজ করতে পারে ধারার উপর
নির্ভর করে। তাহলো -
১) এজাহার (FIR) হিসাবে রুজু অথবা ২)
সাধারণ ডায়েরী (General Diary)
হিসাবে অন্তর্ভুক্তি।
এইক্ষেত্রে যে সকল
অপরাধগুলো আমলযোগ্য অপরাধ
সেগুলো এজাহার হিসাবে রুজু করে।
আর
আমলঅযোগ্য অপরাধগুলো সাধারণ
ডায়েরী হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে।
এইবার দেখা যাক, থানায় এজাহার
বা ডায়েরী রুজু হওযার পর
কিভাবে তা মামলায় পরিনত হয়।
কোন
অভিযোগ এজাহার হিসাবে রুজু
হওয়ার
পর থানা কতৃপক্ষ নিজেরাই তদন্ত শুরু
করতে পারে। কিন্তু আমলঅযোগ্য
অপরাধের বিষয়ে ডায়েরী হওয়ার পর
তা তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের
অনুমতি লাগে।
একটা মামলা এজাহার
হিসাবে রুজু হওয়ার পর থানা কতৃপক্ষ
এজাহারের কপি সংশ্লিষ্ট
ম্যাজিষ্ট্রেট
আদালতে পাঠিয়ে দেয়।
সেখানে থানা কতৃপক্ষের
মামলা একটি রেজিষ্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত
করা হয়। যে রেজিষ্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত
করা হয় তার নাম General Registrar
(সংক্ষেপে G.R)। আর একটা নম্বর
দেওয়া হয়। তখন থেকেই এই
মামলাটা G.R মামলা হিসাবেই
পরিচিত
হয়। এই মামলায়
তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগের
সত্যতা পেলে চার্জশীট দাখিল
করে।
অন্যদিকে সাধারণ
ডায়েরী বিষয়ে তদন্ত করার জন্য
ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট
অনুমতি পাওয়ার
পর তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি ঘটনার
সত্যতা পায় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেটের
কাছে একটা রিপোর্ট দাখিল করে।
তার
নাম প্রসিকিউশন রিপোর্ট।
ম্যাজিষ্ট্রেট এই রিপোর্ট গ্রহন করার
পর
তা মামলা হিসাবে আলাদা একটা রেজিষ্ট্রারে অন্তর্ভূক্ত
করা হয়। এইটার নাম Non-General
Registrar (সংক্ষেপে Non G.R)।
মামলাগুলো Non G.R
মামলা হিসাবে আদালতে পরিচালিত
হয়।
তাহলে থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ
থেকে আমরা দুই ধরনের
মামলা পেলাম।
১) জি.আর.মামলা (G.R. Case বা FIR
Case)
২) নন জি.আর.মামলা (N.G.R. Case
বা Non FIR Case) অপরদিকে কোন
কারণে থানা কতৃপক্ষ যদি আপনার
মামলা নিতে না চায়
তাহলে আগেই
বলেছি চিন্তা করার কিছু নেই।
আপনি সরাসরি আদালতে চলে যাবেন।
আপনার থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত
ম্যাজিষ্ট্রেটের
কাছে গিয়ে মৌখিকভাবে নালিশ
দিতে পারেন বা লিখিতভাবেও
দিতে পারেন।
মৌখিকভাবে দিলেও
ম্যাজিষ্ট্রেট আপনার নালিশ গ্রহণ
করতে বাধ্য। তবে যেহেতু
আপনি বিচার
চান তাই আপনার
নালিশটি সুন্দরভাবে গুছিয়ে লিখে আদালতের
কাছে উপস্থাপন করায় শ্রেয়। এর জন্য
পড়াশুনা জানা ভাল একজন
আইনজীবীর শরনাপন্ন হওয়ায় ভাল।
আপনার
নালিশটি আপনি ম্যাজিষ্ট্রেটের
কাছে উপস্থাপন করার পর
ম্যাজিষ্ট্রেট আপনার
জবানবন্দী নিবে। চাইলে আপনার
সাক্ষীদের ও
জবানবন্দী নিতে পারে।
এর ম্যাজিষ্ট্রেট
যে আদেশগুলো দিতে পারে তা হলো-
ক) ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আপনার
অভিযোগের সত্যতা বিষয়ে সন্তুষ্ট হয়
তাহলে সরাসরি মামলা গ্রহণ
করে আসামীদের বিরুদ্ধে সমন
দিতে পারে বা গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করতে পারে।
কিন্তু ম্যাজিষ্ট্রেট যদি ঘটনার
সত্যতা বিষয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট
হতে না পারে তাহলে সেক্ষত্রে
খ) অপর কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে
বা কোন পুলিশ অফিসারকে বা অন্য
যেকোন ব্যক্তিকে আপনার
অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত
করে একটি রিপোর্ট দেওয়ার জন্য
বলতে পারে। এইক্ষেত্রে তদন্তকরার
পর উল্রেখিত ব্যক্তিরা যদি তদন্ত
রিপোর্ট দেয়
এবং রিপোর্টে যদি ঘটনার
সত্যতা থাকার
কথা লেখা থাকে তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট
রিপোর্ট পাওয়ার
সাথে সাথে আপনার
মামলা আমলে নিয়ে আসামীদেরকে সমন
দিতে পারে বা তাদের
বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করতে পারে।
উপেরর দুইটি ক্ষেত্রে ম্যাজিষ্ট্রেট
মামলাটি গ্রহণ করে সমন বা ওয়ারেন্ট
দেওয়ার
সাথে সাথে মামলাটি নালিশী মামলা (Complaint
Case) হিসাবে আদালতে অন্তর্ভুক্ত
হবে। আর
তা নালিশী মামলা বা Complaint Case
হিসাবে পরিচালিত
হবে এবং সকলের
কাছে পরিচিত হবে। উপরেরর ক) ও খ)
অনুচ্ছেদে আদেশের বাইরেও
আরেকটি আদেশ
দিতে পারে সেটা হলো ম্যাজিষ্ট্রেটের
কাছে যদি মনে হয় মামলার বিষয়ে খুব
গভীরভাবে তদন্ত করা দরকার
বা যেখানে কেউ অপহরন হলে দ্রুত
উদ্ধারের বিষয় থাকে সাধারনত সেই
সকলক্ষেত্রে –
গ) অভিযোগটি থানায়
পাঠিয়ে ও.সি কে নির্দেশ
দিতে পারে আপনার
মামলাটি এজাহার
হিসাবে রুজু করার জন্য ।
এইক্ষেত্রে এজাহার হিসাবে রুজু
করার
নির্দেশ দিলে ইতিপূর্বে থানায়
দায়েরকৃত এজাহারেরর
মাধ্যমে জি.আর.
মামলা হওয়ার যে পদ্বতি উল্লেখ
করেছি সেই পদ্বতি অনুসর করা হবে।
আর মামলাটি জি.আর.
মামলা হিসাবে গণ্য হবে।
তাহলে উৎপত্তিগতভাবে আমরা তিন
ধরনের ফৌজদারী মামলা পেলাম-
১) জি.আর.মামলা (G.R. Case বা FIR
Case)
২) নন জি.আর.মামলা (N.G.R. Case
বা Non FIR Case)
৩) নালিশী মামলা বা Complaint Case
(C.R. Case) তবে জানার
সুবিধার্তে বলে রাখি এই
মামলাগুলোর
মধ্যে কোন মামলা যদি দায়রা জজ
আদালত কতৃক বা বিশেষ ট্রাইবুন্যাল
কতৃক বা নারী শিশু আদালত কতৃক
বিচার্য হয় তখন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত
থেকে মামলাগুলো বদলী হওয়ার পর
ভিন্ন ভিন্ন নম্বর ও নামে পরিচিত হয়।
যেমন দায়রা আদালতের মামলা –
দায়রা মামলা বা S.T. Case (Session
Trial Case), বিশেষ ট্রাইবু্যনালের
মামলা-বিশেষ ট্রাইবু্নাল বা Special
Tribunal Case বা নারী ও শিশু
নির্যাতন ট্রাইবু্নালের মামলা-
নারী ও
শিশু মামলা নামে পরিচিত হয়। সেই
সাথে আরেকটি বিষয় না বললে ভূল
বুঝার অবকাশ
থাকবে সেটা হলো নারী ও শিশু
নির্যাতনের
মামলা ম্যাজিষ্ট্রেটের
কাছে দায়ের করা যায় না। হয়
থানায়,
না হয় সরাসরি ট্রাইবু্নালে দায়ের
করতে হয়। তবে থানায় দায়েরকৃত
মামলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের
মাধ্যমেই বদলী হয়। এইক্ষেত্রে আবার
বলে রাখি- বদলী হওয়ার পর
যে নামেই
মামলাগুলো পরিচিত হোক না কেন
উৎপত্তিগতভাবে ফৌজদারী মামলা কিন্তু
তিন প্রকার,

25/02/2022

** ফৌজদারী মামলা কত প্রকার ও
কি কি? **
সাধারন মানুষের বিচার চাওয়া ও
বিচার
পাওয়ার অধিকার
একটি সাংবিধানিক
অধিকার।
আজকে আমরা ফৌজদারী মামলা কত
প্রকার ও কি কি বিষয়
নিয়ে আলোচনা করবো,
যে বিষয়গুলো যারা মামলা বা আইনের
সাথে সংশ্লিষ্ট হয়তো সবাই জানে।
কিন্তু অনেক সাধারন মানুষের
হয়তো বিষয়গুলো জানা নাও
থাকতে পারে। তাদের জন্যই মূলত: এই
লেখা। ধরা যাক, আপনার খুব কাছের
মানুষকে কেউ মারধর করলো,
কারো টাকা আত্মসাত হলো,
কারো ঘরে ঢুকে ভাংচুর
করা হলো বা কেউ খুন হলো এখন খুব
স্বাভাবিকভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ
ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে এই অপরাধের
বিচার চাইবে।এখন
স্বাভাবিকভাবেই
প্রশ্ন উঠতে পারে, এইরকম
ঘটনা ঘটলে সে প্রথম কোথায়
গিয়ে তার অভিযোগ জানাবে।
উত্তরটা খুবই সহজ। সে প্রথমে থানায়
গিয়ে অভিযোগ দিবে। আচ্ছা কোন
কারনে থানা কতৃপক্ষ
মামলা নিলনা তখন কি তার বিচার
চাওয়ার পথ রুদ্ধ হবে? অবশ্যই না।
সেক্ষেত্রে সংক্ষুদ্ধ
ব্যক্তি যে থানায়
বসবাস করে সে থানার
দায়িত্বপ্রাপ্ত
ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে নালিশ
জানাতে পারে। ম্যাজিষ্ট্রেট
নালিশ
পাওয়ার পর
কি করতে পারে তা নিয়ে পরে আলোচনা করবো।
এইক্ষেত্রে তাহলে আমরা দুইটি জায়গা পেলাম
অভিযোগ জানানোর। এইবার
দেখা যাক,
মামলা গুলো কিভাবে কত
প্রকারে ভাগ হতে পারে। তার
আগে একটু
বলে নিই, অপরাধের ভিন্নতার উপর
নির্ভর করে মামলার ভিন্ন প্রকারভেদ
হতে পারে। আমাদের
দন্ডবিধিতে যে অপরাধের
কথা বলা আছে সে অপরাধগুলো দুই
প্রকার- ১) আমলযোগ্য অপরাধ ২)
আমল অযোগ্য অপরাধ। প্রায় সবাই
জানে, যে সকল অপরাধের জন্য
আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের
কোন গ্রেপ্তারী পরোয়ানার
প্রয়োজন
হয়না সেগুলো হলো আমলযোগ্য
অপরাধ। আর যে অপরাধের
ক্ষেত্রে আসামীকে গ্রেপ্তার
করতে গ্রেপ্তারী পরোয়ানার
প্রয়োজন হয়
সেগুলো হলো আমলের অযোগ্য
অপরাধ।সাধারণত বড় বড়
অপরাধগুলো আমলযোগ্য এবং ছোট
ছোট অপরাধগুলো আমলঅযোগ্য
অপরাধ হিসাবে আইনে বর্ণিত আছে।
ধরা যাক, কেউ আপনার ছোট
ভাইকে চর-থাপ্পড়, কিল ঘুষি দিল
তাহলে সেটা দন্ডবিধির ৩২৩ ধারার
অপরাধ। যার শাস্তি ১ বছর কারাদন্ড
অথবা ১০০০
টাকা জরিমানা অথবা উভয়ই। এই
অপরাধ একটি আমলঅযোগ্য অপরাধ।
আবার ধরা যাক, কেউ
তাকে ছুরি দিয়ে শরীরে আঘাত
করলো।
তাহলে এটি ৩২৪ ধারার অপরাধ। যার
শাস্তি ৩ বছর কারাদন্ড ও
জরিমানা অথবা উভয়ই।
তাহলে এটা আরো বড় অপরাধ বিধায়
এই অপরাধ আমলযোগ্য অপরাধ।
একইভাবে ছুরি দিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত
হওয়ার পর যদি গুরুতর জখম হয় (চোখ,
কান বা শরীরের কোন
স্থায়ী অঙ্গহানি হয়)
তবে তা হবে ৩২৫
ধারার অপরাধ যার শাস্তি ৭ বছরের
কারাদন্ড ও জরিমানা। এটিও
আমলযোগ্য অপরাধ। এর পর যদি হয়
হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত
তাহলে শাস্তি আরো বাড়বে।
বা এইরুপ
আঘাতের দরুন যদি মারা যায়
তাহলে ৩০২ ধারার অপরাধ।
এইখানে ৩২৩ ধারা ভিন্ন পরের সব
ধারার অপরাধ আমলযোগ্য অপরাধ।
এখন বলছি এই বিষয়ে কেন
এতো আলোচনা করছি। কারণ
আপনি যখন থানায় আপনার অভিযোগ
নিয়ে যাবেন
সেক্ষেত্রে থানা কতৃপক্ষ
দুইটা কাজ করতে পারে ধারার উপর
নির্ভর করে। তাহলো -
১) এজাহার (FIR) হিসাবে রুজু অথবা ২)
সাধারণ ডায়েরী (General Diary)
হিসাবে অন্তর্ভুক্তি।
এইক্ষেত্রে যে সকল
অপরাধগুলো আমলযোগ্য অপরাধ
সেগুলো এজাহার হিসাবে রুজু করে।
আর
আমলঅযোগ্য অপরাধগুলো সাধারণ
ডায়েরী হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে।
এইবার দেখা যাক, থানায় এজাহার
বা ডায়েরী রুজু হওযার পর
কিভাবে তা মামলায় পরিনত হয়।
কোন
অভিযোগ এজাহার হিসাবে রুজু
হওয়ার
পর থানা কতৃপক্ষ নিজেরাই তদন্ত শুরু
করতে পারে। কিন্তু আমলঅযোগ্য
অপরাধের বিষয়ে ডায়েরী হওয়ার পর
তা তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের
অনুমতি লাগে।
একটা মামলা এজাহার
হিসাবে রুজু হওয়ার পর থানা কতৃপক্ষ
এজাহারের কপি সংশ্লিষ্ট
ম্যাজিষ্ট্রেট
আদালতে পাঠিয়ে দেয়।
সেখানে থানা কতৃপক্ষের
মামলা একটি রেজিষ্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত
করা হয়। যে রেজিষ্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত
করা হয় তার নাম General Registrar
(সংক্ষেপে G.R)। আর একটা নম্বর
দেওয়া হয়। তখন থেকেই এই
মামলাটা G.R মামলা হিসাবেই
পরিচিত
হয়। এই মামলায়
তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগের
সত্যতা পেলে চার্জশীট দাখিল
করে।
অন্যদিকে সাধারণ
ডায়েরী বিষয়ে তদন্ত করার জন্য
ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট
অনুমতি পাওয়ার
পর তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি ঘটনার
সত্যতা পায় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেটের
কাছে একটা রিপোর্ট দাখিল করে।
তার
নাম প্রসিকিউশন রিপোর্ট।
ম্যাজিষ্ট্রেট এই রিপোর্ট গ্রহন করার
পর
তা মামলা হিসাবে আলাদা একটা রেজিষ্ট্রারে অন্তর্ভূক্ত
করা হয়। এইটার নাম Non-General
Registrar (সংক্ষেপে Non G.R)।
মামলাগুলো Non G.R
মামলা হিসাবে আদালতে পরিচালিত
হয়।
তাহলে থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ
থেকে আমরা দুই ধরনের
মামলা পেলাম।
১) জি.আর.মামলা (G.R. Case বা FIR
Case)
২) নন জি.আর.মামলা (N.G.R. Case
বা Non FIR Case) অপরদিকে কোন
কারণে থানা কতৃপক্ষ যদি আপনার
মামলা নিতে না চায়
তাহলে আগেই
বলেছি চিন্তা করার কিছু নেই।
আপনি সরাসরি আদালতে চলে যাবেন।
আপনার থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত
ম্যাজিষ্ট্রেটের
কাছে গিয়ে মৌখিকভাবে নালিশ
দিতে পারেন বা লিখিতভাবেও
দিতে পারেন।
মৌখিকভাবে দিলেও
ম্যাজিষ্ট্রেট আপনার নালিশ গ্রহণ
করতে বাধ্য। তবে যেহেতু
আপনি বিচার
চান তাই আপনার
নালিশটি সুন্দরভাবে গুছিয়ে লিখে আদালতের
কাছে উপস্থাপন করায় শ্রেয়। এর জন্য
পড়াশুনা জানা ভাল একজন
আইনজীবীর শরনাপন্ন হওয়ায় ভাল।
আপনার
নালিশটি আপনি ম্যাজিষ্ট্রেটের
কাছে উপস্থাপন করার পর
ম্যাজিষ্ট্রেট আপনার
জবানবন্দী নিবে। চাইলে আপনার
সাক্ষীদের ও
জবানবন্দী নিতে পারে।
এর ম্যাজিষ্ট্রেট
যে আদেশগুলো দিতে পারে তা হলো-
ক) ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আপনার
অভিযোগের সত্যতা বিষয়ে সন্তুষ্ট হয়
তাহলে সরাসরি মামলা গ্রহণ
করে আসামীদের বিরুদ্ধে সমন
দিতে পারে বা গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করতে পারে।
কিন্তু ম্যাজিষ্ট্রেট যদি ঘটনার
সত্যতা বিষয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট
হতে না পারে তাহলে সেক্ষত্রে
খ) অপর কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে
বা কোন পুলিশ অফিসারকে বা অন্য
যেকোন ব্যক্তিকে আপনার
অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত
করে একটি রিপোর্ট দেওয়ার জন্য
বলতে পারে। এইক্ষেত্রে তদন্তকরার
পর উল্রেখিত ব্যক্তিরা যদি তদন্ত
রিপোর্ট দেয়
এবং রিপোর্টে যদি ঘটনার
সত্যতা থাকার
কথা লেখা থাকে তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট
রিপোর্ট পাওয়ার
সাথে সাথে আপনার
মামলা আমলে নিয়ে আসামীদেরকে সমন
দিতে পারে বা তাদের
বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করতে পারে।
উপেরর দুইটি ক্ষেত্রে ম্যাজিষ্ট্রেট
মামলাটি গ্রহণ করে সমন বা ওয়ারেন্ট
দেওয়ার
সাথে সাথে মামলাটি নালিশী মামলা (Complaint
Case) হিসাবে আদালতে অন্তর্ভুক্ত
হবে। আর
তা নালিশী মামলা বা Complaint Case
হিসাবে পরিচালিত
হবে এবং সকলের
কাছে পরিচিত হবে। উপরেরর ক) ও খ)
অনুচ্ছেদে আদেশের বাইরেও
আরেকটি আদেশ
দিতে পারে সেটা হলো ম্যাজিষ্ট্রেটের
কাছে যদি মনে হয় মামলার বিষয়ে খুব
গভীরভাবে তদন্ত করা দরকার
বা যেখানে কেউ অপহরন হলে দ্রুত
উদ্ধারের বিষয় থাকে সাধারনত সেই
সকলক্ষেত্রে –
গ) অভিযোগটি থানায়
পাঠিয়ে ও.সি কে নির্দেশ
দিতে পারে আপনার
মামলাটি এজাহার
হিসাবে রুজু করার জন্য ।
এইক্ষেত্রে এজাহার হিসাবে রুজু
করার
নির্দেশ দিলে ইতিপূর্বে থানায়
দায়েরকৃত এজাহারেরর
মাধ্যমে জি.আর.
মামলা হওয়ার যে পদ্বতি উল্লেখ
করেছি সেই পদ্বতি অনুসর করা হবে।
আর মামলাটি জি.আর.
মামলা হিসাবে গণ্য হবে।
তাহলে উৎপত্তিগতভাবে আমরা তিন
ধরনের ফৌজদারী মামলা পেলাম-
১) জি.আর.মামলা (G.R. Case বা FIR
Case)
২) নন জি.আর.মামলা (N.G.R. Case
বা Non FIR Case)
৩) নালিশী মামলা বা Complaint Case
(C.R. Case) তবে জানার
সুবিধার্তে বলে রাখি এই
মামলাগুলোর
মধ্যে কোন মামলা যদি দায়রা জজ
আদালত কতৃক বা বিশেষ ট্রাইবুন্যাল
কতৃক বা নারী শিশু আদালত কতৃক
বিচার্য হয় তখন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত
থেকে মামলাগুলো বদলী হওয়ার পর
ভিন্ন ভিন্ন নম্বর ও নামে পরিচিত হয়।
যেমন দায়রা আদালতের মামলা –
দায়রা মামলা বা S.T. Case (Session
Trial Case), বিশেষ ট্রাইবু্যনালের
মামলা-বিশেষ ট্রাইবু্নাল বা Special
Tribunal Case বা নারী ও শিশু
নির্যাতন ট্রাইবু্নালের মামলা-
নারী ও
শিশু মামলা নামে পরিচিত হয়। সেই
সাথে আরেকটি বিষয় না বললে ভূল
বুঝার অবকাশ
থাকবে সেটা হলো নারী ও শিশু
নির্যাতনের
মামলা ম্যাজিষ্ট্রেটের
কাছে দায়ের করা যায় না। হয়
থানায়,
না হয় সরাসরি ট্রাইবু্নালে দায়ের
করতে হয়। তবে থানায় দায়েরকৃত
মামলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের
মাধ্যমেই বদলী হয়। এইক্ষেত্রে আবার
বলে রাখি- বদলী হওয়ার পর
যে নামেই
মামলাগুলো পরিচিত হোক না কেন
উৎপত্তিগতভাবে ফৌজদারী মামলা কিন্তু
তিন প্রকার,

01/01/2021

An excellent legal education challenges students to push beyond the confines of the curriculum & develop the skills necessary to become successful lawyers.

Address

Chittagong
4000

Telephone

01821317417

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gazi TAX Associate BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Gazi TAX Associate BD:

Share