18/02/2026
কোনরকম চুক্তি ছাড়া ১৭ই ফেব্রুয়ারীর ইরান-আমেরিকা আলোচনা শেষ হলো। পরমাণু কর্মসূচী নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত হলো না। মধ্যপ্রাচ্যের টেনশন বাড়লো। ওরা জানে ইরান মাথানত করবে না। সেজন্য আলোচনার নামে প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। এসব স্টোরি আমরা বুঝি!
শুরু হয়েছে ১৭ তারিখ থেকে চাইনিজ লিপ ইয়ার। এখন সকল প্রকার ফিজিক্যাল ট্রেড বন্ধ চায়নাতে। যোগানের বিপরীতে চাহিদা না থাকলে দাম কমবে এটাই স্বাভাবিক তবে অনলাইন ট্রেড চলমান। এখন মার্কেট সর্বোচ্চ ভোলাটাইল হবে। প্যানিক করা যাবে না। আন্তর্জাতিক বাজারে রূপার দাম কমে গেলেও লাভ নাই। দেশের ব্যবসায়ীরা বেশি দামে কিনেছে বিধায় সস্তায় বিক্রি করবে না।
এতরকম নেগেটিভ খবরের ভেতর ট্যারিফ নিয়ে ২০ তারিখ মার্কিন কোর্ট নেগেটিভ কোন সিদ্ধান্ত দিবে মনে হয় না যেখানে মার্কিন স্বার্থ নষ্ট হয়। ফেডারেল গভ: বলছে ট্যারিফ বসানো নিয়ে ট্রাম্পের নীতি যতি আইন সমর্থিত হয় তাহলে বাজার উঠবে, কোর্ট নেগেটিভ সিদ্ধান্ত দিলে দাম কমবে। প্রশ্ন হলো কতদিনের জন্য কমবে?
চাইনিজ লিপ ইয়ারের পর বাজার একটু নিচে যায় অনেকবার বলেছি। কিন্তু ইরান টেনশনের কারণে বিনিয়োগকারীরা কি বসে থাকবে নাকি সোনা-রূপা কেনা শুরু করবে?
মার্কেট চরম অনিশ্চয়তার ভেতর প্রবেশ করলো। ২ দিনের ভেতর জানা যাবে। যদিও পূর্ব ইতিহাস অনুযায়ী মার্চ বুলিশ। কিন্তু ইতিহাস বদলায় ও নতুন নিয়ম লেখা হয়। তাই পূর্ব ডাটা দেখে আগেই লাফিয়ে পরা যাবে না। ত্রিমুখী অনিশ্চয়তায় ২১ তারিখ পর্যন্ত ওয়েট করাই ভালো।
আমার এনালাইসিস বলছে মার্কেট বুলিশ! তবুও অপেক্ষা করি যাক ---- এতে অনেক প্রশ্নের জবাব পাবো।