Jobair

Jobair নিশি প্রহরের আলিঙ্গন

23/08/2025

Mujhe ishq hai usse
Yeh usko pata hai,

Mai nahi reh sakta uske bina
yeh bhi usko pata hai,

Kya kahu mai uski
khamoshiyon ke baare me,

Sab pata hote huwe bhi
Aaj kal wo shakhs laapta hai..!!

23/08/2025

''Nazar chahti hai de-daar karna,
Dil chahta hai pyaar karna''

''Kya bataoon is Dil ka aalam,
Neseeb me likha hai intezar karna''...!

23/08/2025

Ek raat ek baat likhunga
Khud ko daag aur tujhe
Chaand likhunga,

Mujhe pata hai tu mujhe
Nahi milegi

Phir bhi teri khubsurati par
Ek kitaab likhunga.

27/07/2025

"অসমাপ্ত"
শীতের সকালে কুয়াশা ভেজা পথে,
তুমি চলছো—আলোক রশ্মি সেজে।
পেছনে ব্যাগ আর চোখে যে ধরা,
ছিলো এক স্বপ্নের—অচেনা সাড়া।
তুমি ছিলে মধুর, মুখের মিঠে ভাষা,
হাসি ছিলো তোমার বাঁশির প্রভা।
চোখে ছিলো দীপ্তি, মুখে সংযম,
প্রাণে তুলেছিলে সহস্রতম।
আমি ছিলাম নীরব নদীর ন্যায়,
লুকিয়ে দেখতাম জোনাকির বেশে।
বলতামনা কিছু, শুধু চেয়ে থাকি,
তোমার ছায়া গাঁথি, কাব্যে লিখি।

ভেসে বেড়াও প্রতিটি ছন্দের সারিতে
আমার হৃদয় জ্বললো দীপ্তি-জ্যোতিতে।
তারপর কেটে গেলো সময়ের ধারা,
প্রহর শেষে মিললো না তো ইশারা।
দিয়েছি পত্র শিতের দিনে ,
ভেবেছিলাম ফিরবে বসন্তের সাথে।
তুমি আসলে না আমার সাথে,
বসন্ত এলো চলেও গেল রয়েগেল,
অবহেলিত কিছু স্বপ্ন গড়ার ইচ্ছে।
বসন্ত বলে ওহে ব্যর্তপ্রেমিক,
পারলিনা স্মৃতি জন্মাতে
দুঃখ গুলো নিয়ে গেলাম সাক্ষী হয়ে।

তবু যে ভালোবাসা মরে না বৃষ্টিতে,
বুকের ভিতর সে বাজে কবির সুরে।
নির্ঘুম রজনি কেটেছি তোমাকে ভেবে,
ফিরবে কি সেই ঘুম তুমি এলে।
আজও মনে হয়—তুমি যদি আসো,
পূর্ণ হবে আমার নির্ঘুম রজনি,
হৃদয় ফিরে পাবে তার দীপ্তিময় শিখা।
আসবে যদি আমার জীবনে
হারাতে দিবো না চিরদিনে।

— জুবাইর

19/07/2025

”ছায়া হয়ে থাকা কিছু আলাপের গল্প”

সব কথা শব্দ চায় না, আবার সব শব্দের বুকেই বাসা বাঁধে না কথা। মানুষের অন্তরালয়ে কিছু বেদনা থাকে, যেগুলো শুধুই অনুভব হয়, বলা যায় না। সেই অনুভবেরা যেন মুখবিহীন আত্মা—ভাসে মনের অন্তঃসলিলে, অথচ কণ্ঠের কিনারায় এসে হারিয়ে যায়। কারণ প্রতিটি হৃদয়ের গভীরে লুকিয়ে থাকে এক অনুচ্চারিত ভূমিকা, যা সমাজের চোখরাঙানি আর পরিবারের দৃষ্টি এড়িয়ে প্রকাশিত হতে চায়—ছদ্মবেশে, ছায়ার মতো।

কত না কথা বুকের ঘরে লুকিয়ে রাখে মানুষ—কিছু আশা, কিছু অপমান, কিছু অশ্রু, কিছু ভালোবাসা। মুখে বলা চলে না, চোখে বলা চলে না, তাই হয়তো কলম হয়ে ওঠে সেই নীরব মুখপাত্র। গল্পের ছায়ায় মানুষ নিজের রূপ হারিয়ে অন্য চরিত্র হয়ে ওঠে, আর কবিতার ছন্দে নিজের হাহাকারকে ঢেকে দেয় রূপকের আঁচলে। যেভাবে শীতল শিশিরবিন্দু গ্রীষ্মের বিকেলের তপ্ত মাটি ছুঁয়ে মিলিয়ে যায়—ঠিক তেমনি, কিছু না বলা কথা গল্পে মিলিয়ে যায়, নিজেকে গোপন করে।

নিজের যন্ত্রণাকে ঢেকে ফেলে কেউ রূপকথার রাজকুমারীতে, কেউ বা হারিয়ে যাওয়া যাত্রীতে। ছন্দের মধ্যে হারিয়ে যায় জীবনের চিত্র। শব্দগুলো তখন আর শুধুই শব্দ নয়, তারা হয়ে ওঠে অশ্রুপাতের অনুনাদ, হৃদয়ের আর্তনাদ। কবিতা তখন হয়ে ওঠে মনখোলা আকাশ—যেখানে মেঘের ভেতরে লুকিয়ে থাকে মনের কান্না, আর গল্প হয় তপ্ত রোদ্দুরে গড়া ছায়া—যেখানে নিজের দহন কেউ টের পায় না।

এই ছদ্মবেশী আত্মপ্রকাশ এক শিল্প—এ যেন নিজেকে নিজের হাতেই রক্ষা করা। এ পথে নেই কোনো প্রশ্নের কামান, নেই সমাজের বিষাক্ত দৃষ্টি, নেই আত্মমর্যাদার ঝুঁকি। বরং এখানে রয়েছে নিজেকে বুঝে নেওয়ার এক প্রশান্ত সুযোগ—যেখানে যন্ত্রণাও সৌন্দর্য হয়ে ওঠে, আর নীরবতাও এক ভাষার রূপ নেয়।

যে ব্যক্তি নিজের কষ্টকে লুকিয়ে রেখে কল্পনার জালে বুনে চলে গল্প, অথবা ছন্দের নদীতে ভাসিয়ে দেয় হৃদয়ের ব্যথা—সে দুর্বল নয়, বরং এক সাহসী শিল্পী। তার আত্মপ্রকাশ হয় মৌন, কিন্তু গভীর। সমাজের গণ্ডির ভেতরে দাঁড়িয়ে সে একান্ত নিজের জগৎ নির্মাণ করে, যেখানে সে পাঠকও, লেখকও—আলোও, আর ছায়াও।

তাই কেউ যদি কোনো গল্পে নিজেকে খুঁজে পান, কোনো কবিতায় হৃদয়টা ধ্বনিত হতে শোনেন—জেনে নিও, কেউ একজন তার না-বলা কথাগুলোকে ছায়া দিয়ে বলেছে। তার মুখ নেই, নাম নেই, তবু সে আছে—প্রত্যেক কবিতার পেছনে, প্রতিটি গল্পের ছায়ায়।

—জুবাইর

19/07/2025

"বহুরূপীর বিভ্রম"

যেখানে সম্পর্কের মূল দাঁড়িয়ে থাকে স্বার্থের কাঁধে, সেখানে ভালোবাসা কেবলই এক নিঃস্ব মরীচিকা। কিছু মানুষ আছেন, যাদের জন্য হৃদ্যতা এক ধোঁকা, আর আপনতা শুধুই এক ছলনা। তারা সামনের হাসিতে বিশ্বাস জাগায়, আর পেছনের ছুরিতে বিশ্বাস ভেঙে ফেলে।

তারা আত্মসম্মানে আঘাত করে নির্দ্বিধায়, জ্ঞানপটে নিজেদের শ্রেষ্ঠ ভাবতে গিয়ে অন্যের ভাবনাকেই অস্বীকার করে। এই শ্রেণী মানুষের মুখোশে থাকে কোমলতা, আর অন্তরে জমে থাকে বিষধর হিংসা।

আমি সেই বিষাক্ত বৃত্তের বাইরে থাকতে শিখেছি। আমি জানি, মানুষ হবার মানে কী—সম্মান দেওয়া, মর্যাদা বোঝা, এবং নিজের আত্মসম্মানকে অটুট রাখা। আমি তুলনা করি না, কারণ মলিনতার সঙ্গে নিজেকে জড়ালে পরিচ্ছন্নতা থাকে না।

তাই অনুরোধ করি —চিনে নাও বহুরূপী মানুষকে, যারা ভালোবাসার নামে বিষ ছড়ায়। তাদের থেকে দূরে থাকাই সত্যিকারের আত্মরক্ষা।

—জুবাইর

27/06/2025

''অন্তিম আবাহন''
—স্বপরিচিত আলিঙ্গন

অন্তিম চূড়ায় গোধূলির শেষে
ছুয়ে যায় পর্বত্যের রক্তিম চূড়া,
গোধূলি এসে নিঃশব্দে ঘেঁসে।
আলো ছড়ায় প্রণয়ের ন্যায়,
মনে বলে তার আলিঙ্গন হতো।
জুড়ায়তো হৃদয়, দগ্ধ প্রেমশিখা,
তবুও যায় আলো, রেখে তার ক্ষতিকা।
চাহি তারে আমি, পলকে নির্ভয়ে,
নিঃসংকোচে ডাকি, নিঃশব্দ আবয়ে।
আবারো ফিরি গোধূলির তরে,
দিনের শেষে, আলোর ঘোরে।
যতদিন চূড়া রক্তিম থাকিবে,
নিয়মে হৃদয় তারেই ডাকিবে।

—জুবাইর

26/06/2025

মহা মায়া
— এক অনন্ত অপেক্ষা

মহা মায়া!
কবে তুমি এসে দাঁড়াবে আমার দ্বারে?
আমি নই আকাশ-পাতালের বিস্তার,
তবুও কেন এই অন্তরে জাগে কম্পনে ভার—
নয়নের গভীরে চাহি শুধু তোমারই স্পর্শ একবার।

মহা মায়া!
এই নিশীথ পথ কি পাড়ি দেবো একা?
স্মৃতির ছায়ায় কি পড়ে না হৃদয়ের রেখা?
বাজে না কী? কানে সে সুর অতল মৃদু—
জ্বালায় প্রাণে আগুন, করে হৃদয় উদ্দীপ্ত ।

মহা মায়া!
জানি না পাবো কিনা তোমার আলিঙ্গন দৃঢ়,
তবুও এই মন প্রতীক্ষায় থাকে প্রতিক্ষণ নিরব।
সূর্যের কিরণ যেমন নিভে যায় প্রতিদিন,
তেমনি তোমার ছোঁয়া অধরা, রহস্যে মোড়া অচিন।

মহা মায়া!
মনে পড়ে যায় পুরনো দিনের গন্ধ,
যেখানে ছিলো ভালোবাসা, আর ছিলো ছন্দ।
তাই দিলাম তুলে নিশি-পহরের হাতে—
ভালো থেকো তুমি, কারো হৃদয়ের প্রিয় স্বপ্নপথে।

মহা মায়া!
তবুও থাকবো তোমার প্রতীক্ষায় নীরবে,
রূপ নেই আমার, ধন নেই ঝলমলে;
শুধু আছে অবহেলিত কিছু অনুভব—
আর একটুকু ভালোবাসা, যা অযৌগ্যের তরে।

মহা মায়া!
তুমি ভাবো— ছুড়ে ফেলা মানেই সমাপ্তি,
ভালোবাসাতো হয় না এত সহজে ক্ষয়প্রাপ্তি।
এ যে আগুন— যতই দূরে ছুঁড়ো বারবার,
ততই জ্বলে ওঠে, হৃদয়ের অন্তহীন প্রসার।

মহা মায়া!
শেষ বলে নেই কিছু এ ভালোবাসার পথে,
যা হৃদয়ে গেঁথে গেছে, তা চিরকাল সেথায় থাকে।
সেইখানে আমি, সেইখানে তুমি,
যেখানে শুরু, যেখানে থেমে থাকা— সেখানেই সকল স্মৃতি

—জুবাইর

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jobair posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share