American Shop Bd003

American Shop Bd003 Your Will being is your success, we sell 100% safe and efficient productes. Which is a lot more beneficial for people. Thats what we want you to be good.

Sometimes we give 10% to 30% discount to our regular customers for the convenience of tha customers

আগে গাজর না খেয়ে থাকলে এবার শুরু করে দিন। কারণ গাজর দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। এতে আছে বিটা ক্যারোটিন যা আমাদের লিভারে গিয়ে ...
27/09/2022

আগে গাজর না খেয়ে থাকলে এবার শুরু করে দিন। কারণ গাজর দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। এতে আছে বিটা ক্যারোটিন যা আমাদের লিভারে গিয়ে ভিটামিন এ তে বদলে যায়। পরে সেটি চোখের রেটিনায় গিয়ে চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, সেই সাথে রাতের বেলায় অন্ধকারেও চোখে ভাল দেখার জন্য দরকারি এমন এক ধরনের বেগুনি পিগমেন্টের সংখ্যা বাড়িয়ে দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করে।

২. গাজর খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কম থাকে। গাজরে আছে ফ্যালকেরিনল এবং ফ্যালকেরিনডায়ল যা আমাদের শরীরে অ্যান্টিক্যান্সার উপাদানগুলোকে পূর্ণ করে। তাই গাজর খেলে ব্রেস্ট, কোলন, ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

৩. গাজর শুধু শরীরের জন্য ভাল তাই নয় এটি আমাদের জন্য অ্যান্টি এজিং উপাদান হিসেবেও কাজ করে। এতে যে বিটা ক্যারোটিন আছে তা আমাদের শরীরের ভেতরে গিয়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে আমাদের শরীরের ক্ষয়প্রাপ্ত কোষগুলোকে ঠিকঠাক করে।

৪. সুন্দর ত্বকের জন্যও গাজর খেতে পারেন। এটি আপনার ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করবে। এর ভিটামিন এ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করবে। সেই সাথে ভিটামিন এ ত্বকের অযাচিত ভাঁজ পড়া, কালো দাগ, ব্রন, ত্বকের রঙের অসামঞ্জস্যতা ইত্যাদি দূর করে আপনাকে সুন্দর হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।

৫. এছাড়াও গাজর ভাল অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবেও কাজ করে। এটি শরীরে কোনো ক্ষত হলে তা ইনফেকশন হওয়া থেকে রক্ষা করে। কোথাও কেটে বা পুড়ে গেলে সেখানে লাগিয়ে নিন কুচি করা গাজর বা সিদ্ধ করা গাজরের পেস্ট। আপনার ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।

৬. এছাড়া গাজর বাইরে থেকেও ত্বকের অনেক উপকার করে। ফেশিয়ালের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

৭. হৃৎপিণ্ডের নানা অসুখে এটি খুব ভাল কাজ করে। এর ক্যারোটিনয়েডগুলো হৃৎপিণ্ডের নানা অসুখের ওষুধ হিসেবে কাজ করে।

৮. গাজরে উপস্থিত ভিটামিন এ লিভারে গিয়ে তাকে শরীর থেকে নানা ধরনের টক্সিন জাতীয় খারাপ উপাদান পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এছাড়াও গাজরের এই উপাদান লিভার থেকে অতিরিক্ত চর্বি সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে গাজরের ফাইবার কোলন পরিষ্কার রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যর হাত থেকে আপনাকে রক্ষা করে।

৯. সুন্দর ও সুস্থ্য সবল দাঁতের জন্য গাজরের জুড়ি মেলা ভার। গাজর আপনার দাঁত ও মুখের ভেতর পরিষ্কার রাখে। গাজরের মিনারেলগুলো দাঁত মজবুত রাখতে সাহায্য করে।

১০. হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা পরিচালিত সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সপ্তাহে ছয়টির বেশি গাজর খান বা খাচ্ছেন তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি যারা এর থেকে কম পরিমানে কম বা একটি গাজর খাচ্ছেন তাদের তুলনায় অনেক কম হয়। তাই স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে হলে এখনি নিজের খাবারের তালিকায় যুক্ত করুন গাজর। সালাদ হিসেবেও খেতে পারেন বা তরকারিতেও।

বাদামের জগতে এক রাজকীয় স্থানে রয়েছে পুষ্টিগুণ এবং শরীরিক উপকারিতা সমৃদ্ধ এক বাদাম, আর তা হলো কাজু বাদাম। যার ইংরেজি প্রত...
27/09/2022

বাদামের জগতে এক রাজকীয় স্থানে রয়েছে পুষ্টিগুণ এবং শরীরিক উপকারিতা সমৃদ্ধ এক বাদাম, আর তা হলো কাজু বাদাম। যার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো cashew nuts। গুণাগুণের দিক থেকে কাজু বাদামের কোনও বিকল্প নেই। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ, প্রোটিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। স্বাস্থ্যকর সব খাবারের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এই কাজু বাদাম নিয়মিত খেলে শরীরের নানা রকম সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়।

বিশেষজ্ঞ বা ডাক্তাররা একে “প্রাকৃতিক ভিটামিন ট্যাবলেট” বলেও আখ্যা দিয়ে থাকেন।

প্রতিদিন কেও যদি নিয়ম করে এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করে তাহলে তা শরীরের পুষ্টিকর উপাদানের ঘাটতি দূর হয়, সেই সাথে পাওয়া যায় আরও অনেক উপাকার একাধিক গবেষণায় তা প্রমাণিত হয়েছে। আজ তবে কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারিতা এবং সেই সাথে এটি খাওয়ার নিয়ম জেনে নেওয়া যাক।

কাজু
নিয়মিত কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারিতাঃ
১. অ্যানিমিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমেঃ
কাজু বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, যা শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন এতো পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় যে তা দেহের রক্তাল্পতার মতো সমস্যা দূর করে দেয়। সেই সাথে তা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে দেয়। তাই অ্যানিমিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমতে এই কাজু বাদাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. ক্যান্সারের মতো মরণ ব্যাধি দূরে করেঃ
কাজু বাদামের ভেতরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার সেলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা সৃষ্টি করে, সেই সাথে টিউমারও যাতে দেখা না দেয় বা আক্রমণ না করে সেদিকেও লক্ষ্য রাখে। এখানে এই মারণ ব্যাধিকে সাপ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টকে বেজির সাথে তুলনা করা যেতে পারে উদাহরন হিসেবে। কাজু বাদামে প্রম্যান্থো-সায়ানিডিন নামে একটি উপাদান থাকে, যার ফলে এই বিশেষ কাজ হয়।

৩. হাড়কে মজবুত করেঃ
কাজু বাদামে থাকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম। যার ফলে এই বাদামটি নিয়মিত খেলে তা হাড়ের উপর প্রভাব ফেলে ফলে হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। পরবর্তিতে বৃদ্ধ হওয়ার পরও তা অস্টিওআর্থারাইটিসের মতো হাড়ের রোগ হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমিয়ে দেয়। কেননা কাজু বাদামে আছে ভিটামিন-কে, যা হাড়ের জন্য অনেক উপকারি উপাদান।

৪. ডায়াবেটিস মতো ব্যাধি রোধ করেঃ
ডায়াবেটিসের রোগি যদি নিয়মিত রুটিন করে এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়া শুরু করে, তাহলে তা দেহের ভিতরে এমন কিছু পরিবর্তন আনতে শুরু করে যে, এতে করে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়। যার ফলে রক্তে থাকা শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, এবং তা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে অনেক কমে যায় বিভিন্ন গবেষণায় এটা দেখা গিয়েছে। তাই পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে যে যাদের পরিবারে এই মরণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের নিয়মিত কাজু বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করা উচিৎ।

৫.বিভিন্ন প্রকার সংক্রমণের ঝুকি কমায়ঃ
কাজু বাদামে থাকে জিঙ্ক, যার কাজ হলো ভাইরাসের আক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করা। তাই নিয়মিত কাজু খেলে আপনি এই ধরনের ইনফেকশনের হাত থেকে রেহাই পেতে পারেন।

৬. হার্টের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ
কাজু বাদামের প্রধান উপাদান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখার সাথে সাথে নানারকম হার্টের রোগ থেকে বাঁচাতেও বিশেষ কাজ করে থাকে।

৭. চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেঃ
কাজু বাদামে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কপার। আর এই উপাদানটি হল সেই খনিজ, যা চুলের সৌন্দর্য বাড়ানোর সাথে সাথে চুলের গোড়াকে শক্ত করতে বিশেষ দায়িত্ব পালন করে থাকে। এছাড়াও কাজু বাদামে থাকা কপার শরীরের ভিতরের কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বৃদ্ধি করে যা চুলের রংকে কালো রাখতে সহায়তা করে।

কাজু বাদাম খাওয়ার সঠিক নিয়মঃ
কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারিতা অনেক। তাই এটি নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করা উচিৎ। তবে কিভাবে বা কি নিয়মে খাবেন তা জানা দরকার। এর জন্য প্রথমে আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি কেন খাবেন? এবং কখন খাবেন?

যদি আপনি ডায়েট এর জন্য খেয়ে থাকেন তাহলে সকালের নাস্তার পর এবং দুপুরের খাবারের আগের সময়, যেমন- ১১.০০–১.০০ টার মধ্যে একমুঠ বাদাম খেতে পারেন। আবার বিকালেও যখন হালকা ক্ষুধা লাগবে তখন নাস্তা হিসাবে অন্য খাবার না খেয়ে একমুঠ কাজু বাদাম ৪.০০–৫.৩০ টার মধ্যেও খেতে পারেন। এতে ক্ষুধাও চলে যাবে সেই সাথে আপনার ডায়েটও ঠিক থাকবে।

ডায়েট ছাড়া যদি অন্য কোন কারণে খেয়ে থাকেন তাহলে ১০–১২ টি বাদাম রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে তা খেয়ে নিবেন।

বিশেষ সর্তকতাঃ
অতিরিক্ত মাত্রায় কাজু বাদাম খাওয়া যাবে না। অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে কিন্তু শরীরের উপকারের পরিবর্তে অপকারটা বেশি হবে। কারণ এর উপাদানগুলো বেশি মাত্রায় শরীরে যেতে থাকলে তা উল্টো ফল হতে শুরু করে। তাই কাজু বাদাম সবসময় পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে, তবেই এর সুফল পাওয়া যাবে।

এখন মধুর বিভিন্ন উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক1. ঘুমাতে যাওয়ার আগে মধু খেলে মস্তিষ্কের ক্রিয়াকর্ম সঠিকভাবে চলতে সাহায...
05/09/2022

এখন মধুর বিভিন্ন উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক
1. ঘুমাতে যাওয়ার আগে মধু খেলে মস্তিষ্কের ক্রিয়াকর্ম সঠিকভাবে চলতে সাহায্য করে । মধুতে বিদ্যমান উপাদান, ফ্রুক্টোজ মানবদেহের যকৃতে শক্তি সঞ্চয় করে এবং তা মস্তিষ্কে শক্তি সরবরাহ করে ।

2. বিভিন্ন ভাইরাসজনিত রোগ, বিশেষ করে সর্দি-কাশিতে মধুর প্রভাব খুবই কার্য্কর । তাছাড়া মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে; যে কোনো সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করে ।

3. বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায়, পাকস্থলির বিভিন্ন রোগ, যেমন-গ্যাস্ট্রিক-আলসার থেকে পরিত্রাণ পেতে নিয়মিত মধু সেবন করা দরকার ।4. কাটা, ছেড়া জ্বালা কমাতে মধু: Wounds, Cuts, Burns
মধুতে থাকা রেডিক্যাল উপাদান কাটা ছেড়া বা দাগ ছোপের বিরূদ্ধে দারুণ কাজ করে (5)। এমনকি ছোট খাটো জ্বালা বা পোড়ার ক্ষেত্রেও মধু লাগালে উপকারিতা পাওয়া যায়। যেকোনো ব্যাথা বা জ্বালা কমাতে মধুর মত উপাদান খুব কমই আছে (6), (7)। আলসার বা অন্য কোনো সংক্রামক ব্যাথার ক্ষেত্রেও মধু খুব উপকারী বলে প্রমাণিত হয়েছে

শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি রক্তে লাল কণিকার পরিমাণ বাড়ায় কিসমিস। শুকনো কিসমিস খাওয়ার পরিবর্তে ভিজিয়ে খেলে উপ...
05/09/2022

শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি রক্তে লাল কণিকার পরিমাণ বাড়ায় কিসমিস। শুকনো কিসমিস খাওয়ার পরিবর্তে ভিজিয়ে খেলে উপকার বেশি।

কিসমিস ভেজানো পানি রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
প্রতিদিন কিসমিসের পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পাবেন ওষুধ ছাড়াই।

এছাড়া কিসমিস হৃদয় ভালো রাখে। নিয়ন্ত্রণে রাখে কোলেস্টেরল।

কিসমিসে প্রচুর ভিটামিন এবং খনিজ আছে। আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা সহজে রোগমুক্তির কারণ। আর আছে প্রচুর আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার।
ভেজানো কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা-

কিসমিস খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় সারারাত কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন ভোরে সেটা খান। ভেজানো কিসমিসে থাকে আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার। হাই ব্লাডপ্রেসারের সমস্যা থাকলেও এটি তা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

১. ব্লাড প্রেসার

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলোর মধ্যে একটি কিসমিস। এর মধ্যে থাকা পটাসিয়াম হাই ব্লাড প্রেসার বশে রাখে।

২. রক্ত স্বল্পতা কমায়

রক্ত স্বল্পতা কমাতে কিসমিস যথেষ্ট উপকারি। নিয়মিত কিসমিস খেলে এর মধ্যে থাকা আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। এছাড়াও এর মধ্যে আছে তামা যা রক্তে লাল রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।

৩. হজমশক্তি বাড়ায়

সুস্থ থাকার জন্য ভালো হজমশক্তি জরুরি। এক্ষেত্রে কিসমিস হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। রোজ রাতে এক গ্লাস পানিতে কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন ভোরে সেই কিসমিস খান। নিজেই তারপর তফাত খেয়াল করুন দিন পনেরো পরেই।

৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

আপনি যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়াতে চান তবে ভেজা কিসমিস এবং তার পানি নিয়মিত খান। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৫. বিষমুক্ত শরীর

শরীরকে দূষণমুক্ত করতে কিসমিস খান নিয়মিত। চারিদিকের দূষণে আপনি যখন জেরবার তখন সকালে খালি পেটে ভেজানো কিসমিস খেলে শরীর বিষমুক্ত হবে। ভেজানো কিসমিসের পাশাপাশি কিসমিস ভেজানো পানিও খেতে পারেন।

৬. কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়

নিয়মিত কিসমিস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে। আপনি যদি পেটের সমস্যায় নিয়মিত ভোগেন তাহলে প্রতিদিন সকালে খালিপেটে ভেজানো কিসমিস খান। যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে কষ্ট পান তারা ওষুধের বদলে নিয়মিত কিসমিস খেয়ে দেখতে পারেন।

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কলার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সবাই জানেন। অন্ত্রের সুস্থতায় এর গুরুত্ব অনেক। তবে নিয়মিত কলা খাওয়া দেহে আর...
04/09/2022

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কলার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সবাই জানেন। অন্ত্রের সুস্থতায় এর গুরুত্ব অনেক। তবে নিয়মিত কলা খাওয়া দেহে আরও নানাবিধ উপকার করে যা অনেকেরই অজানা।

ত্বকের উন্নতি

যুক্তরাষ্ট্রের পুষ্টিবিদ এবং ‘দ্যা ক্যান্ডিডা’ বইয়ের লেখক লিসা রিচার্ড ইটদিস ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলেন, “একটি মাঝারি আকারের কলাতে দৈনিক চাহিদার ১৩ শতাংশ ম্যাঙ্গানিজ থাকে। যা খাবারের আকারের তুলায় যথেষ্ট।”

তার মতে, ‘ম্যাঙ্গানিজ গ্রহণ করা ত্বক উন্নত করতে সাহায্য করে। ম্যাঙ্গানিজ কোলাজেন তৈরির গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা তারুণ্য ধরে রাখে এবং উন্মুক্ত রেডিক্যাল থেকে হওয়া ত্বকের ক্ষতি ও বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে।

মলাশয়ের সুস্থতা

নিউ ইয়র্ক’য়ের পুষ্টি পরামর্শক ও সুস্থতা-বিষয়ক ওয়েবসাইট ’দ্যা আনউইন্ডার’য়ের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জন ফকস ২০১৭ সালের এক পুষ্টি গবেষণার কথা ইঙ্গিত করে বলেন, “কলায় ‘প্রতিরোধী শ্বেতসার’ বলে কিছু আছে।

সাধারণত, শ্বেতসার শুনতে নেতিবাচক মনে হয়। তাই অনেকেই এড়িয়ে চলেন। কিন্তু এটা প্রকৃতপক্ষে, ‘শর্ট চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড’ উৎপাদনে সহায়তা করে বলে মনে করেন, তিনি।

মলাশয়ের সুস্থতায় এই ‘শর্ট চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড’ গুরুত্বপূর্ণ রাখে। তাই মলাশয়ের সুস্থতায় কলা খাওয়া উপকারী।

পেশির টান পড়া কমায়

জন ফকস বলেন, “কলাতে আছে ইলেক্ট্রোলাইট যা দেহকে আর্দ্র রাখে।”

দেহে খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে ও পেশির টান পড়া কমাতে কলা খাওয়া উপকারী।

লবণের ভারসাম্য বজায় রাখে

নিউ ইয়র্ক’য়ের ‘ইন্সটিটিউট অফ কালিনারি এডুকেশন’য়ের পুষ্টি বিভাগের পরিচালক সেলিন বিচম্যান ব্যাখ্যা করেছেন যে, “কলার পটাসিয়ামের মাত্রা সামগ্রিক খাদ্যতালিকাগত স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যদি অন্য খাবারের সঙ্গে লবণ বেশি খাওয়া হয়ে থাকে।”

“কলা পটাসিয়ামের ভালো উৎস, যা সোডিয়ামের নেতিবাচক প্রভাবগুলোর বিরুদ্ধে কাজ করতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান হিসেবে কাজ করে।”

তিনি আরও বলেন, “ভালো মাত্রায় পটাশিয়াম খাবার তালিকায় যোগ করা হৃদ স্বাস্থ্য ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।”

Address

Muradpur Chittagong
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when American Shop Bd003 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to American Shop Bd003:

Share