Yakub Agro

Yakub Agro কৃষি ও লাইভস্টক সেবায় নিয়োজিত।
এই পেইজটি মূলত কৃষক ও লাইভস্টক সংশ্লিষ্টদের জন্য।

23/12/2025

আজ খামারির ডিম বিক্রি ৭ টাকা, উৎপাদন খরচ ১০ টাকা।
এই অবস্থা চলতে থাকলে এক বছর পর ডিমের দাম ১৬–১৭ টাকা হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
সময় থাকতে ব্যবস্থা না নিলে ক্ষতি সবার।

শীতে বায়োসিকিউরিটিতে কোনো কম্প্রোমাইস নেই—একটা অসুস্থ মুরগি পুরো ফার্মকে ঝুঁকিতে ফেলে।
25/11/2025

শীতে বায়োসিকিউরিটিতে কোনো কম্প্রোমাইস নেই—একটা অসুস্থ মুরগি পুরো ফার্মকে ঝুঁকিতে ফেলে।

🐔 Common Lesions and Signs in Chickens with Mycoplasmosis🔹 Respiratory Tract Lesions:Cloudy and thickened air sacs (Airs...
14/11/2025

🐔 Common Lesions and Signs in Chickens with Mycoplasmosis

🔹 Respiratory Tract Lesions:

Cloudy and thickened air sacs (Airsacculitis)

Tracheal congestion with excessive mucus

Swollen sinuses

🔹 Joint & Skeletal Lesions (Mycoplasma synoviae):

Swollen and inflamed joints (synovitis)

Lameness and reluctance to move

Fluid-filled hock and foot joints

🔹 Eggshell Abnormalities:

Thin and fragile eggshells

Increased breakage during handling or transport

👉 Regular monitoring, strong biosecurity, and early treatment are essential to protect your flock.

09/10/2025
09/10/2025

#ডিমদিবস

🌍🥚 বিশ্ব ডিম দিবস – ১০ অক্টোবর ২০২৫ 🥚🌍

ডিম পৃথিবীর অন্যতম সাশ্রয়ী ও পূর্ণ পুষ্টির খাবার।
✔️ ডিমে আছে উচ্চমানের প্রোটিন
✔️ ১৩টিরও বেশি ভিটামিন ও খনিজ
✔️ মস্তিষ্ক ও হাড়ের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি, বি১২, আয়রন ও কোলিন

শিশু, কিশোর, গর্ভবতী মা কিংবা বয়স্ক—সবার জন্যই ডিম এক অমূল্য খাবার।

🍳 প্রতিদিন একটি ডিম খেলে—
👉 দেহ হয় শক্তিশালী
👉 মস্তিষ্ক কাজ করে তীক্ষ্ণভাবে
👉 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে

“প্রতিদিন একটি ডিম, সুস্থ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার”

23/08/2025

"প্রতিটি খামারের সফলতার জন্য ভ্যাকসিন অপরিহার্য "

খুব বেশি না, এক শতক আগেও দুনিয়ায় মুরগির আইটেম খাওয়ার এমন চল ছিল না। আমেরিকানদের ক্ষেত্রেও ছিল একই চিত্র। সারা বছর নরম কি...
06/07/2025

খুব বেশি না, এক শতক আগেও দুনিয়ায় মুরগির আইটেম খাওয়ার এমন চল ছিল না। আমেরিকানদের ক্ষেত্রেও ছিল একই চিত্র।

সারা বছর নরম কিন্তু খুব একটা স্বাদহীন মুরগির মাংস খাওয়া বেশ আধুনিক চিত্র।

বলা যায় আধুনিক জীবন ব্যবস্থার একটি লক্ষণ। ‘বিকল্প মাংস’ থেকে চিকেন কীভাবে আমেরিকানদের প্রধান মাংসের উৎস হয়ে উঠল সে গল্প বেশ বিচিত্র।

এ গল্পের শুরুটা হয়েছিল গম থেকে।

বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মুরগি খাওয়া হতো মূলত বসন্তকালে। তখন মুরগি পালনকারীদের মূল মনোযোগ ছিল ডিম উৎপাদন।

তাই ডিম থেকে বাচ্চা ফোটার পর সব মোরগ বিক্রি করে দেয়া হতো। এগুলো তুলনামূলক কম বয়সী হতো, খাওয়া হতো রোস্ট করে বা ভেজে।

এদের বলা হতো ‘স্প্রিং চিকেন’। এর বাইরে অন্য সময়ে চিকেন মানে ছিল বয়স্ক মুরগি। এটাই ছিল তখনকার আমেরিকায় মুরগি খাওয়ার রীতি।

মার্কিন খাদ্য ইতিহাসবিদ ও পুটিং মিট অন দি আমেরিকান টেবল গ্রন্থের লেখক রজার হোরোভিৎস বলেন, ‘বিশ শতকের শুরুর দিকে কৃষকরা বাজারে নানা বর্ণ, জাত, বয়সের মুরগি সরবরাহ করতেন।’

তবে এগুলো সবই ছিল ডিম উৎপাদনের পর বাড়তি হয়ে যাওয়া মোরগ-মুরগি। মানে বাজারে এদের সবসময় পাওয়া যেত এমনটা নয়।

নরম মাংসের মুরগির দাম ছিল বেশি। সবাই সেটা খাওয়ার জন্য ব্যাকুল ছিলেন না, অন্তত আজকের দিনের মতো।

আবার বেশি দামের কারণে সেটা সীমাবদ্ধ ছিল অবস্থাপন্ন মানুষের মধ্যে।

এ নরম মাংসের মুরগিকেই ব্রয়লার বলা হতো, অর্থাৎ যে মাংস সহজে সেদ্ধ করা যেত।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গরু, শূকরের মাংসের সরবরাহ সাধারণ মানুষের জন্য সীমিত করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রচারণা শুরু হয় মুরগি ও মাছ খেয়ে ‘গরু, শূকর ও ভেড়া’র মাংস যুদ্ধরত সৈনিকদের জন্য সরবরাহ নিশ্চিত করার।

ধীরে ধীরে মুরগি খাওয়া নিত্যদিনের অভ্যাস হয়ে উঠতে থাকে। সবার পছন্দ অল্প বয়সী নরম মাংসের মুরগি, যা ব্রয়লার নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।

আর থাকে বুকের মাংসের বড় টুকরোর প্রতি আকর্ষণ।

এদিকে যুদ্ধ শেষ হয়ে এল। গরু, ভেড়ার জন্য যে বিপুল গমের শস্য মজুদ করা হয়েছিল তা নিয়ে ফিড মিলাররা ভাবনায় পড়লেন।

সমাধানও অবশ্য তাদের সামনে ছিল। যেহেতু মুরগির চাহিদা তৈরি হয়েছে তাহলে তাদের খাবার হিসেবেই কাজে লাগানো হবে এ গম।

কিন্তু মুরগির খামার করতে ব্যাংকগুলো তখন ঋণ দিতে রাজি নয়। তখন ফিড মালিকরা নিজেরাই কৃষকদের বাকিতে খাবার ও অন্য দরকারি জিনিসপত্র সরবরাহ করেন।

এভাবেই আধুনিক কন্ট্রাক্ট পোলট্রি খামার গড়ে ওঠে।

ব্রয়লারের প্রতি আমেরিকানদের আগ্রহ ঠিক স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়নি।

১৯৩০-এর দশকে আমেরিকানরা বছরে গড়ে সাড়ে চার কেজি মুরগির মাংস খেতেন। এখন সেটা ৭০ কেজির কাছাকাছি।

আমেরিকানরা মুরগিকে ঠিক ‘‌মাংস’ হিসেবে মেনে নেননি বহু বছর ধরে, গরু ছিল খাওয়ার জন্য প্রকৃত ‘‌মাংস’।

১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকে মুরগির খামারি ও ফিড ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির বিভিন্ন রেসিপিকে জনপ্রিয় করতে ভূমিকা রেখেছেন।

কপি পোস্ট ।

একটি আস্ত তরমুজের দাম ২০০ টাকা, আবার এক গ্লাস তরমুজের জুসও ২০০ টাকা। তবুও মানুষ জুসটাই কেনে। কেন?মানুষ আসলে "মূল্য" না, ...
22/04/2025

একটি আস্ত তরমুজের দাম ২০০ টাকা, আবার এক গ্লাস তরমুজের জুসও ২০০ টাকা। তবুও মানুষ জুসটাই কেনে। কেন?

মানুষ আসলে "মূল্য" না, "মূল্যবান মনে হওয়া জিনিসে" টাকা খরচ করে।

একটা পুরো তরমুজ আর এক গ্লাস তরমুজের জুস — দুটোই ২০০ টাকা। যখন আপনি একটা তরমুজ দেখেন, তখন আপনি আসলে সেই পণ্যটাই দেখেন যেটার মধ্যে আপনার চাওয়া জিনিসটা আছে, আর সেটা হচ্ছে জুস।

কিন্তু মানুষ বেশিরভাগ সময় তরমুজ না নিয়ে জুসটাই নেয়। কারণ, তরমুজ মানে ঝামেলা — ভারী একটা জিনিস টেনে বাড়ি নিয়ে যাওয়া, ধোয়া, কাটা, বীজ আলাদা করা, ব্লেন্ড করা, ছেঁকে নেওয়া — সব মিলিয়ে অনেক ঝক্কি।

আর এক গ্লাস জুস মানেই রেডিমেড জিনিস! শুধু কিনবেন আর খেয়ে ফেলবে। যখন আপনি এক গ্লাস তরমুজের জুস দেখেন, তখন আপনি শুধু জুস না, আপনি আসলে দেখেন "সুবিধা"।

আপনি দেখেন, কেউ একজন আপনার জন্য এই পুরো ঝামেলাটা কাঁধে তুলে নিয়েছে — আপনাকে কিছু করতে হচ্ছে না। শুধু টাকা দিবেন, আর উপভোগ করবেন। এই কারণেই মানুষ সহজেই ২০০ টাকা দিয়ে জুস কিনে নেয়, পুরো তরমুজ না নিয়ে।

এটাই একজন উদ্যোক্তার চিন্তাভাবনা। উদ্যোক্তারা সবসময় চেষ্টা করে গ্রাহকের যাত্রাপথে থাকা বাধা বা কষ্টগুলো কমিয়ে দিতে।

অন্যদিকে, একজন সাধারণ ব্যবসায়ী শুধু পণ্য কিনে বিক্রি করেন। তারা গ্রাহকের কষ্ট বা সমস্যা নিয়ে ভাবেন না।

ব্যবসায়ী শুধু পণ্য বিক্রি করে।
উদ্যোক্তা বোঝার চেষ্টা করে, কীভাবে মানুষের সময়, কষ্ট, ঝামেলা কমিয়ে দেওয়া যায়।

একজন সাধারণ ব্যবসায়ী হয়তো একটা তরমুজ ২০০ টাকায় বিক্রি করল, কিন্তু একজন উদ্যোক্তা সেই একই তরমুজ দিয়ে কয়েক গ্লাস জুস বানিয়ে ৪-৫ গুণ বেশি আয় করতে পারে।

এই জায়গাটাই উদ্যোক্তা আর ব্যবসায়ীর মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে দেয়।

20/04/2025

ব্যবসার অপর নাম সেবা!

যদি আপনি ব্যবসা শুরু করার আগে শুধু লাভের হিসাব নিয়ে বসে যান, তাহলে আপনি সফলতার পথেই হাঁটছেন না।
সফল ব্যবসায়ীরা আগে ভাবেন—আমি কতজন মানুষকে উপকার করতে পারব, কতজনের সমস্যা সমাধান করতে পারব।

সেবা যদি নেশা হয়ে দাঁড়ায়, লাভ তখন তার ফল।
যে ব্যবসা মানুষের প্রয়োজনে দাঁড়ায়, সে ব্যবসা কখনো ধ্বংস হয় না।

তাই ব্যবসা শুরু করুন সেবার উদ্দেশ্যে,
লাভ তখন দরজায় কড়া নাড়বে নিজের থেকেই।

ফুল আসার সময় পেঁপে গাছের স্প্রে শিডিউলঃ১. ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি       ১০ লিটার পানিতে ২০-৩০ গ্রাম হারে মি...
10/04/2025

ফুল আসার সময় পেঁপে গাছের স্প্রে শিডিউলঃ
১. ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি
১০ লিটার পানিতে ২০-৩০ গ্রাম হারে মিশিয়ে
৭ দিন পর পর
২. ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক প্রতি
১০ লিটার পানিতে ৩-৪ মিলি মিশিয়ে
৭ দিন পর পর
৩. ফ্লোরা প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৩০ মিলি
মিশিয়ে ১৫-২০ দিন পর পর

এছাড়াও গোড়া থেকে ১-১.৫ ফুট দূরে রিং করে জৈবসার+ রাসায়নিক সার দিতে হবে।

মো তারেকুর রহমান

উদ্যোক্তা:
ইয়াকুব এগ্রো

Address

Satkania
Chittagong
163375

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yakub Agro posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Yakub Agro:

Share