16/06/2020
#করোনা #আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় মহানগরের পাশাপাশি #চট্টগ্রামের ১৪ উপজেলাকেও বিভিন্ন জোনে ভাগ করা হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতি এক লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১০ জন বা তদুর্ধ্ব হলে সে এলাকাটি #রেড (লাল) জোন, প্রতি এক লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩ জন বা তদুর্ধ্ব হলে সে এলাকাটি #ইয়েলো (হলুদ) এবং প্রতি এক লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩ জনের কম হলে সে এলাকাকে #গ্রিন (সবুজ) জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী,
আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বিবেচনায়
#হাটহাজারী, #পটিয়া,
#সীতাকুণ্ড, #আনোয়ারা,
#বাঁশখালী, #চন্দনাইশ,
#বোয়ালখালী, #রাঙ্গুনিয়া
ও #রাউজান সহ
মোট ৯টি উপজেলাকে লাল (রেড) জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আর #সাতকানিয়া, #লোহাগাড়া
ও #ফটিকছড়ি উপজেলাকে
হলুদ জোন এবং
#মীরসরাই ও #সন্দ্বীপ উপজেলাকে
সবুজ জোনে তালিকাভূক্ত করা হয়েছে।