M/S J.K Logistics.

M/S J.K Logistics. Government Authorized Custms Clearing and Forwarding Agents(C&F Agents). Chittagong Sea Port and Com

20/10/2023

সন্মানিত আমদানিকারক যারা আছেন সবাইকে পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।
আমদানিকৃত LC Amendment যারা করবেন তারা one Broad এর পুর্বে LC amendment করতে হবে। না হলে,আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর দ্বারা ০৮ এর ১৩ ক এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আমদানিকারকের এহেন কার্যক্রম customs Act, 1969 এর Section (156)1এর (9)(1) মোতাবেক দণ্ডনীয়। যা সংক্ষিপ্ত বিচার আদেশের মাধ্যমে ন্যায়নির্ণয় করে পন্য খালাস দিয়ে থাকেন। এইধরনের পেপারে সর্বনিম্ন ১০হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬লক্ষ টাকা জরিমানা করে থাকেন। তাই সবাই সাবধান।

15/10/2023

কাস্টমস পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিটে এনবিআরের নতুন ম্যানুয়াল প্রকাশ।।
====================================
মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের আমদানি-রপ্তানি, এইচএস কোড জালিয়াতি রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

নথি জালিয়াতি করে আমদানি-রপ্তানি ঠেকাতে ও প্রতিষ্ঠানের আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্ককর ফাঁকি ও জালিয়াতির সুযোগ সীমিত বা বন্ধ করতে নীরিক্ষায় জোর দিয়ে ‘কাস্টমস পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিট ম্যানুয়াল-২০২৩’ প্রকাশ করেছে এনবিআর।

কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, আগে সিস্টেম বেইজড নীরিক্ষা ছিল না। নতুন ম্যানুয়ালে সিস্টেম বেইজড নীরিক্ষা চালু করা হয়েছে। এর ফলে অথরাইজড ইকোনমিক অপারেটর (এইও) প্রতিষ্ঠান নীরিক্ষা করা যাবে। এছাড়া কমপ্লায়েন্স, বন্ডেড প্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠান নীরিক্ষা করা যাবে। নতুন ম্যানুয়ালে কত দিনে অডিট শেষ করতে হবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের মানদণ্ডের পদ্ধতি আগে সেভাবে ছিল না। এখন মানদণ্ড ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। আর এ প্রতিষ্ঠান নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগকে। নীরিক্ষা বাস্তবায়ন করবে শুল্ক মূল্যায়ন কমিশনারেট। নীরিক্ষা রিপোর্ট অনুযায়ী শুল্ক মূল্যায়ন কমিশনারেট কাস্টম হাউজ বা স্টেশনে তা নিষ্পত্তির জন্য নির্দেশনা দেবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অরগানাইজেশনের (ডব্লিউসিও) গাইডলাইন অনুযায়ী আধুনিক এ অডিট ম্যানুয়াল তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে আমদানি ও রপ্তানিকারক উভয়ই লাভবান হবেন।

ম্যানুয়ালে বলা হয়েছে, ব্যবসার সেবা বৃদ্ধির জন্য কাস্টম হাউজ ও স্টেশনের আমদানি-রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে নীরিক্ষার জন্য নির্বাচন করার ক্ষেত্রে কিছু বাছাই নীতি অনুসরণ করা জরুরি। অডিটের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ খাত ও প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করা গেলে তা কাস্টম প্রশাসনের সীমিত সম্পদের সর্বাধিক ব্যবহার নিশ্চিত করবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রম নির্দিষ্ট সময় অন্তর বা বছরে একবার নীরিক্ষা করা সমীচীন। রাজস্ব ফাঁকি রোধে কার্যকর নিয়ন্ত্রণে নীরিক্ষা কার্যক্রমের বিকল্প নেই। একইভাবে রাজস্ব ফাঁকি প্রবণ খাত চিহ্নিত করেও সীমিত সময় ও জনবলের ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাফল্য আসতে পারে।

07/09/2023

বাংলাদেশে আমদানী/ রপ্তানির জন্যে জাহাজ ও বিমান ভাড়া জানার পদ্ধতিঃ
==================================
যারা প্রকৃত আমদানী বা রপ্তানী করেন বা করবেন, তাদের নিজস্ব পন্যের আমদানী ও রপ্তানীর জন্যে জাহাজ/ বিমান ভাড়া বা মাশুল জানার প্রয়োজন হয়!

আসুন জানা যাক, কিভাবে কোথা থেকে আপনি সহজেই এই তথ্য জানতে পারবন ?

বাংলাদেশ সরকার স্বীকৃত বৈধ অনুমোদিত রেজিস্ট্রিকৃত সংস্থা হোলো "BFFA"
Bangladesh Freight Forwarders Association"

এদের প্রধান দুটি অফিস হলোঃ
(১) ঢাকা অফিস :
হাউস নং - ১০
(লেভেল ২ এবং ৩)
রোড নং - ১৭ A
ব্লক - E
বনানী/ ঢাকা
ফোন নম্বর - + ৮৮০২ ৮৮৩৬ ৩২৪/৫

(২) চট্টগ্রাম অফিস :
আনোয়ার ট্রেড সেন্টার
লেভেল - ১০
১৭২৮ আগ্রাবাদ
চট্টগ্রাম
ফোন নম্বর - ৮৮০২ ৩৩৩৩ ২৩৪৫৩

মনে রাখবেন, এইখানে কেউ বিমান/জাহাজ ভাড়া জানার জন্যে যোগাযোগ করবেন না!
এই দুটি বাংলাদেশের স্বীকৃত বৈধ সংস্থা BFFA এর নিজস্ব প্রশাসনিক দফতর।

কিভাবে জানবেন/ কোথা থেকে জানবেন আপনার আমদানী ও রপ্তানীর জন্যে প্রয়োজনীয় জাহাজ ও বিমান ভাড়ার তথ্য ?

(১) BFFA এই সংস্থার নিজস্ব যে ওয়েবসাইট আছে সেই ওয়েবসাইটে যান ( BFFA এই নাম লিখে গুগলে টাইপ করলেই পেয়ে যাবেন)

(২) এখানে বিস্তারিত দেখতে পাবেন, এবং দেখবেন এই সংস্থার যারা মেম্বার ও স্বীকৃত বৈধ ফ্রেট ফরোয়ার্ডর আছেন, তাদের সংস্থার নাম/ ঠিকানা/ ফোন নম্বর

(৩) এরপর আপনার পছন্দের সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইট আছে কিনা দেখুন ( এটিও আপনি ঐ সংস্থার ওয়েবসাইটের খোঁজ গুগুলে পেয়ে যাবেন)

(৪) এরপর ঐ নির্দিষ্ট সংস্থার ফোন নম্বর/ ই - মেইল এ যোগাযোগ করতে পারেন!

কিভাবে জানতে পারবেন আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য?

সময় নষ্ট না করে, পেশাদারী ভাবে ওদের সাথে কথা বলে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করুন!

(১) নির্দিষ্ট ই মেইলে নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে আপনার প্রয়োজন মেটাতে পারেন
(২) ফোনে যোগাযোগ করতে পারেন

যে তথ্য গুলো ঐ সংস্থা আপনার কাছে জানতে চাইবেন....
(১) আপনার পণ্য কোন মাধ্যমে আমদানী অথবা রপ্তানী হবে
(জাহাজ/বিমান)
(২) আপনার পণ্য নির্দিষ্ট কোন পোর্ট থেকে কোন পোর্ট যাবে/ আসবে
(৩) আপনার পন্যের বিস্তারিত বিবরণ
(৪) আপনার পন্যের গ্রস ওয়েট/ নেট ওয়েট কতো
(৫) আপনার পন্যের প্যাকিং বা কার্টুন মেজারমেন্ট/ মাপ কতো
(দৈর্ঘ্য/ প্রস্থ/ উচ্চতা)
(৬) কার্টনের বা প্যাকিং বক্সের CBM কতো
(৭) আপনারা পন্যের কার্টুন বা প্যাকিং এর সংখ্যা/ আকার/ ধরন

মোটামুটি এই প্রশ্ন গুলো আপনাকে সঠিক পরিষেবা ও তথ্য দিয়ে সাহায্য করার জন্যে ঐ এজেন্টের নির্দিষ্ট ব্যাক্তি আপনার কাছে জানতে চাইবেন!

কখনো কখনো বা ক্ষেত্র বিশেষে আরোও কিছু বিশেষ তথ্য চাইতে পারেন এজেন্ট

সবটাই আপনাকে সঠিক পরিষেবা দেওয়ার জন্যে।

31/08/2023

বাংলাদেশে আমদানীর জন্যে LC (লেটার অফ ক্রেডিট) ওপেন/খুলতে হলে প্রয়োজনীয় নথি ও কাগজপত্র যা দরকার
==================================

(১) PI বা প্রো ফর্মা ইনভয়েস
এটি আপনার সাপ্লায়ার বা এক্সপোটার আপনাকে দেবেন!

(২) আপনার সংস্থা/কোম্পানীর লেটার হেড বা প্যাডে ব্যাংকের কাছে একটি আবেদন করবেন, যে আপনি একটি LC বা লেটার অফ ক্রেডিট খুলতে বা ওপেন করতে চান!

(৩) LCA (Letter of Credit Application Form)*
এটি আপনি আপনার নির্দিষ্ট যে ব্যাংক মাধ্যমে LC ওপেন করবেন বা খুলবেন সেখান থেকেই সংগ্রহ করতে পারবেন!

(৪) Insurence Cover Note*
আপনার পন্যের বীমা বা ইন্সিয়োরেন্স এর সার্টিফিকেট বা কাগজ
আপনার পছন্দের ও পরিচিত কোন কোম্পানি বা এজেন্টের মাধ্যমেও করতে পারেন, অথবা ব্যাঙ্কে বললে ওনারাই কোন কোম্পানি বা তার এজেন্টের সাথে আপনার যোগাযোগ করিয়ে দেবেন!

(৫) অ্যাসোসিয়েশন মেম্বারশিপ/ চেম্বার অফ কমার্স মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট

(৬) IRC (নবায়ন কৃত বা বর্তমান কালীন চালু আছে এমন)

(৭) ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টফিকেট
যেহেতু আপনি সরকারকে ট্যাক্স বা কর প্রদান করেন, তার প্রদানকৃত সনদ বা সার্টিফিকেট
(এই সার্টিফিকেট আপনি নিজেই সরকারের নির্দিষ্ট দফতরের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন অথবা যিনি আপনার এই ট্যাক্স সংক্রান্ত কাজটি করে থাকেন, তাকে বলে তার কাছ থেকে নিতে পারেন)

(৮) E -TIN Certificate
এটিও আপনার যিনি এই সংক্রান্ত কাজ গুলি করে থাকেন, তাকে বলেই নিতে পারেন

(৯) BIN Certificate
এটিও আপনার এই সংক্রান্ত কাজ যিনি করেন, তাকে বলেই পেতে পারেন

(১০) যদি আপনার আমদানী করা নির্দিষ্ট পণ্য টি সরকারের কোন বিশেষ ও নির্দিষ্ট দফতরের অনুমতির প্রয়োজন হয়, তাহলে সেই দফতরের নির্দিষ্ট অনুমতির প্রমাণ হিসাবে সেই দফতরের সার্টিফিকেট লাগবে*

মনে রাখবেন, যেন আপনার প্রতিটি সার্টিফিকেট ও নথি বা কাগজ চলমান অর্থ বর্ষে সচল বা আপ টু ডেট থাকে

ব্যাঙ্কে যাওযার সময় কোম্পানীর প্যাড/ লেটার হেড/ স্ট্যাম্প/ সীল নিয়ে যাবেন, এবং যিনি এই বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত মূল স্বাক্ষর কারী তিনি যেন উপস্থিত থাকেন।

সংক্ষিপ্ত আলোচনা করলাম, আশাকরি বুঝতে অসুবিধা হবে না!

চট্টগ্রামস্থ কর্ণফূলী ইপিজেড ও কোরিয়ান ইপিজেড - এর অফিস কোড পৃথকীকরণ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপণঃ-
21/08/2023

চট্টগ্রামস্থ কর্ণফূলী ইপিজেড ও কোরিয়ান ইপিজেড - এর অফিস কোড পৃথকীকরণ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপণঃ-

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে, সিএন্ডএফ লাইসেন্সের স্বত্ত্বাধিকারী হতে অংশীদারি প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তনের জন্য শেয়ার ক্রয়কারিগণের ...
14/08/2023

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে, সিএন্ডএফ লাইসেন্সের স্বত্ত্বাধিকারী হতে অংশীদারি প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তনের জন্য শেয়ার ক্রয়কারিগণের যোগ্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে লিখিত পরিক্ষার নোটিশ।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস ।নতুন এবং পুরাতন মিশনারী আমদানির ক্ষেত্রে নতুন ভ্যালু নির্ধারণ করা হয়েছে।
03/08/2023

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস ।
নতুন এবং পুরাতন মিশনারী আমদানির ক্ষেত্রে নতুন ভ্যালু নির্ধারণ করা হয়েছে।

11/07/2023

এ দেশে Bond (বন্ড) ব্যবস্থাপনা :

History of Bond:

Robert Walpole নামক ব্রিটিশ পলেটিশিয়ান ও ব্রিটিশ শাসক ১৭৩৩ সালে বন্ড ব্যবস্থার ধারনা/প্রস্তাব দেন ও চালু করেন। প্রথম দিকে "এক্সাইজ স্কিম" এর আওতায় শুধুমাত্র To***co and Wine জাতীয় পণ্য বন্ডেড ওয়্যারহাউজে রাখা হতো এবং ওয়্যারহাউজে রক্ষিত পণ্য এক্সাইজ শুল্ক পরিশোধ করে পণ্য অপসারণ করা হতো। তবে এ প্রস্তাব তৎকালিন সময়ে তেমন ভাবে জনপ্রিয় ছিল না তদুপরি এ ব্যবস্থা ১৮০৩ সাল পর্যন্ত চালু ছিল।

১৮০৩ সালে এ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করে বন্ডেড ওয়্যারহাউজে আমদানী পণ্য রাখার বিধান চালু করা হয়, সেক্ষেত্র এখনকার মতো বন্ড দিয়ে( এখন যেটা জেনারেল বন্ড) পণ্য খালাস করে গুদামজাত করা হতো, পরবর্তীতে শুল্ককর পরিশোধ করে ওয়্যারহাউজ থেকে পণ্য বাহির করা হতো (এখনকার হোম কনজাম্পশন বন্ড)।

পরবর্তীতে সময়ের ব্যবধানে অন্যান্য কর্মকাণ্ড যোগ হয়। বন্ডে পণ্য রেখে তা পরবর্তী ব্যবস্থার মুল উদ্দেশ্যই ছিল শুল্ককর একসাথে না দিয়ে কিছুটা উপশম ব্যবস্থায় যথাযথ রাজস্ব আদায় ও শিল্প বিকাশে সহায়ক, বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ তথা রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নয়ন।

বন্ডেড ওয়্যারহাউজ কি ?

বন্ড বা বন্ডেড ওয়্যারহাউজ হলো এমন একটি সুরক্ষিত জায়গা/ গুদাম/ ওয়্যার হাউস যেখান শুল্ক করাদি পরিশোধ না করে আমদানিকৃত পণ্য খালাস করে রাখা হয়। অবশ্য এ উদ্দেশ্যে রাখা হয় পরবরতীতে এ পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরন করে রপ্তানী বা শুল্ক পরিশোধ করে দেশীয় ভোগের জন্য খালাস করা হবে।

১৭৩৩ সালে ইংল্যান্ডে বন্ড ব্যবস্থাপনা চালু হলে পরবর্তীতে ব্রিটিশরাই তা এ উপমহাদেশে চালু করেন। ১৮৭৮ সালে এ উপমহাদেশে Sea Customs Act, 1878 চালু হয়। পাকিস্তানী আমলে সী কাস্টমস এক্ট,১৮৭৮ বাতিল করে সেই বাতিলকৃত আইনের ধারা বিধি মোটামুটি একি রেখে দি কাস্টমস এক্ট ১৯৬৯ জারী করা হয়, যা এখনো চালু আছে। সেই কাস্টমস আইনের একাদশ অধ্যায় মানে সেকশন ৮৪ থেকে ১১৯ তে বন্ড ব্যবস্থার কথা বিস্তারিত বলা হয়েছে- অবশ্য

দি কাস্টমস এক্ট ১৯৬৯ এর সেকশন ১২ ও ১৩ ধারা অনুযায়ী বন্ড লাইসেন্স প্রদান করা হয়।সেকশন ১২ অনুযায়ী সরকারী প্রতিষ্ঠানের বন্ডেড ওয়্যারহাউজ লাইসেন্স ও সেকশন ১৩ অনুযায়ী বেসরকারি বন্ডেড ওয়্যারহাউজ লাইসেন্স প্রদান করা হয়। বন্ড লাইসেন্স পাওয়ায় পূর্বে বন্ড আবেদন চৌহদ্দি এলাকাকে NBR ওয়্যারহাউজিং স্টেশন ( সেকশন ১১ অনুযায়ী) ঘোষনা করিয়ে নিতে হয়। ব্রিটিশ ও পরবর্তীতে পাকিস্থান পিরিয়ডে বন্ড প্রথা প্রচলিত ছিল। তখন মুলত ব্যবসা বানিজ্য সহজ ও সহনীয় করার লক্ষ্যেই এ বন্ড প্রথা প্রচলন করা হয়েছিল। সে সময় মুলত হোম কনজাম্পশন ( দেশীয় ভোগের প্রতিষ্ঠান) বন্ড প্রথা প্রচলিত ছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮০ দশকের প্রথম দিকে এদেশে গার্মেন্টস ব্যবসা শুরু হয়। পুরনো ঢাকার ঊদূ রোডের রিয়াজ গার্মেন্টস দেশের প্রথম গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান।

আর এই গার্মেন্টস ব্যবসার প্রসারের লক্ষ্যে ও অধিক পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা আহরন কল্পে রপ্তানিমুখী বন্ড প্রথা পুরোদমে চালু করা হয়। বন্ডে যেহেতু শুল্কযোগ্য পণ্য শুল্ক প্রদান ব্যতিরেক রাখা হয় সেহেতু পূর্বে এই বন্ড গুদামের তালা চাবি শুল্ক ডিপার্টমেন্ট এর বন্ড অফিসারের (ইন্সপেক্টর এখন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ) হাতেই থাকতো (এখনো কিছু কিছু ক্ষেত্রে থাকে যেমন : ডিপ্লোম্যাটিক বন্ড ) কিন্ত পরবর্তীকালে গার্মেন্টস বন্ডের আওতায় এলে দেখা যায় গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান অফিস সময়ের পরও বন্ড থেকে কাঁচামাল বাহির করার প্রয়োজনে চাবি সংরক্ষনকারী কাস্টমস অফিসার বা বন্ড অফিসারকে সহজ ভাবে পাওয়া যায় না আবার একি অফিসারের অধীন কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের চাবি থাকলে তার পক্ষে একি সময়ে সব প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বন্ড গুদামের তালা খুলে উপকরণ বাহির করে দেয়াও কষ্টসাধ্য।

এ জটিলতা সহজীকরনের জন্য এলো "স্পেশাল বন্ডেড ওয়ার হাউস" এর ধারনা। অর্থাৎ গার্মেন্টস শিল্প ও সহযোগী শিল্পের বন্ডের চাবি তাদের হাতেই থাকবে। তারা তাদের প্রয়োজনীয় মুহুর্তে বন্ড থেকে কাচামাল বাহির করে পণ্য উৎপাদন করবেন এবং তার একটি হিসাব যথাযথ ভাবে সংরক্ষন করবেন।

বন্ডের যাবতীয় কর্মকাণ্ড প্রথম দিকে কাস্টম হাউস চট্টগ্রাম, ঢাকা থেকে পরিচালিত হতো। কিন্ত বন্ডেড প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি পাওয়ায় ৯০ দশকের শেষ দিকে বন্ড কমিশনারেট নামে নতুন কমিশনারেটের যাত্রা শুরু হয়। ঢাকায় হয় এর মুল অফিস আর চট্টগ্রামে হয় আঞ্চলিক অফিস। বন্ডের প্রথম কমিশনার হন মিসেস হাসিনা খাতুন, যিনি ছিলেন এদেশের কাস্টমসের ইতিহাসে প্রথম মহিলা কমিশনার, যিনি ছিলেন যথেষ্ট দক্ষ অফিসার।

২০১১ সাল থেকে দুটি স্বতন্ত্র বন্ড কমিশনারেট চালু করা হয় যা হলো:

(১) কাস্টমস বন্ড কমিশনার, ৩৪২/১ সেগুনবাগিচা, ঢাকা;
(২) কাস্টমস বন্ড কমিশনার, ৪২ এম,এম আলী রোড, লালখান বাজার, চট্টগ্রাম।

বর্তমানে ঢাকা বন্ড কমিশনারেট কে ঢাকা (উত্তর) এবং ঢাকা (দক্ষিণ) দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে উভয়ের অফিস পুরনো অফিসে বিদ্যমান রয়েছে।

বিভিন্ন সময় বন্ড কমিশনারেট চালাতে গিয়ে জারী হলো বিভিন্ন আদেশ, প্রজ্ঞাপন । এলো বন্ড লাইসেন্সিং বিধিমালা ২০০৮ এ বিধিমালা অনুযায়ী বর্তমান পাচ প্রকার বন্ড লাইসেন্স/রেজিস্ট্রেশন (ইপিজেড ও অর্থনৈতিক এলাকায়) এখান থেকে প্রদান করা হয়;

(১) সম্পূর্ণ রপ্তানিমূখী বন্ড প্রতিষ্ঠান ;
(২) প্রচ্ছন্ন রপ্তানিমূখী বন্ড প্রতিষ্ঠান ;
(৩) ডিউটি ফ্রি ও ডিউটি পেইড বন্ড প্রতিষ্ঠান;
(৪) সম্পূর্ণ ও প্রচ্ছন্ন রপ্তানীমূখী (ইপিজেড এলাকায় ) বন্ড প্রতিষ্ঠান;
(৫) সম্পূর্ণ ও প্রচ্ছন্ন রপ্তানিমূখী (BEZA Bangladesh Economic Zone Authority) বন্ড প্রতিষ্ঠান ;
(৬) বাংলাদেশ হাইটেক পারক আইন অনুযায়ী উক্ত পারকে স্থাপিত প্রতিষ্ঠান;

বি:দ্র: বর্তমানে হোম কনজাম্পশন বন্ড লাইসেন্স প্রদান বন্ধ রয়েছে।তবে আগের লাইসেন্স ইস্যু করা কিছু প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে।

কাস্টমস এক্টের ধারা ৮৬ অনুযায়ী জেনারেল বন্ড, রিস্ক বন্ড প্রদান পূর্বক বন্ডার পণ্য/কাঁচামাল তার বন্ড গুদামে রাখেন। পরবর্তীকালে সেকশন ৯৮ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বন্ডার কাঁচামাল দ্বারা মুল পণ্য উৎপাদন করে রপ্তানি করে থাকেন।

বন্ড কমিশনারেট এর কাজ কি?

বন্ড কমিশনারেট এর প্রধান প্রধান কাজ নিম্নরূপ :

(১) শিল্প বান্ধব নতুন প্রতিষ্ঠানকে বন্ড লাইসেন্স প্রদান করা,

(২) পূর্বের লাইসেন্সি প্রতিষ্ঠান যথাযথ কার্যক্রম করছে কিনা তা মনিটর করা,

(৩) পূর্বের লাইসেন্সি প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর লাইসেন্স নবায়ন ও অডিট করা,

(৪) প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত প্রাপ্যতা বা নতুন মেশিনের প্রাপ্যতা নির্ধারণ করা,

(৫) প্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণ, স্থানান্তর ও নতুন কাঁচামাল অন্তর্ভুক্তিকরন বাস্তবায়ন করা,

(৫) হোম কনজাম্পশন বন্ড থেকে যথাযথ রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করা,

(৬) ডিউটি ফ্রি শপ ও ডিউটি পেইড, ডিপ্লোম্যাটিক বন্ড প্রতিষ্ঠান অডিট ও মনিটরিং,

(৭) সেকশন ৯৮ মোতাবেক নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য রপ্তানী বা খালাস নিতে অক্ষম হলে বন্ডারকে ঐ পণ্য সংশ্লিষ্ট শুল্ককর দাবীনামা জারী করে আদায় করা মানে মেয়াদউত্তীন পন্যের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া।

(৮) পন্য সেকশন ৮৬ অনুযায়ী প্রথমে পণ্য ইন টু বন্ড ও পরবর্তীকালে সেকশন ১০৪ অনুযায়ী হোম কনজাম্পশনের ক্ষেত্রে ডিউটি পেমেন্ট করে পণ্য এক্স বন্ড অন্য ক্ষেত্রে সেকশন ১০৫ অনুযায়ী পণ্য রপ্তানি করছে কিনা তা মনিটর করা। উল্লেখ্য যে রপ্তানির ক্ষেত্রে কোন ডিউটি পরিশোধের বিষয় নেই।

(৯) বন্ড লাইসেন্সধারী নাম মাত্র প্রতিষ্ঠান যারা রপ্তানিকারক সেজে অনিয়ম করে তা তদন্ত করে লাইসেন্স বাতিল করা।

(১০) পণ্য উৎপাদ উপকরণ বা সহগ এর বাইরের পণ্য বন্ড লাইসেন্স থেকে বাদ দেওয়া।

(১১) রপ্তানির বিপরীতে প্রকৃত বৈ:মুদ্রা আসছে কি না তা যথাযথ মনিটরিং।

06/07/2023

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কন্টেইনার বোঝাইকৃত পাণগাও কাস্টম হাউসগামী কন্টেইনারবাহী জাহাজ ডুবি যাদের কনটেইনার আছে তারা দ্রুত খবর নিন।

29/06/2023

বাংলাদেশে IRC/ERC করার নিয়ম/ পদ্ধতি ও খরচ।।
**********************************************

সাধারণ ভাবে বাংলাদেশে তিন ধরনের IRC ব্যাবহার প্রচলিত (১) কমার্শিয়াল IRC
(২) ইন্ডাস্ট্রিয়াল IRC
(৩) ইন্ডেন্টিং IRC

কোম্পানি/ সংস্থা হিসাবে সাধারণত তিন ধরনের হতে পারে যেমন:

(১) প্রোপ্রাইটরশীপ বা ব্যাক্তি মালিকানাধীন কোম্পানি/ সংস্থা

(২) পার্টনারশিপ বা যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানি

(৩) লিমিটেড (Ltd) বা LLP কোম্পানি বা সংস্থা

এই তিন ধরনের সংস্থা/ কোম্পানি তৈরী করতে যে কাগজপত্রের প্রয়োজন, তার প্রাথমিক ভাবে কিছু কমন/ সাধারণ হলেও কোম্পানী/ সংস্থার ধরন অনুযায়ী আরোও কিছু নথি/সনদ বা কাগজপত্রের প্রয়োজন আছে!

আপাতত আমরা মূল বিষয় ও লেখাটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যে উদাহরণ স্বরূপ ব্যাক্তিগত মালিকানা বা প্রোপ্রাইটরশীপ কোম্পানি/ সংস্থা ধরে এগোবো.......

ধরে নিচ্ছি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র বা NID আছে এবং আপনি প্রপ্রাইটরশীপ বা ব্যক্তিমালিকানাধীন কোম্পানি খুলবেন!

(১) প্রথমে ট্রেড লাইসেন্স করুন

(২) ট্রেড লাইসেন্স দেখিয়ে ব্যাঙ্কের কারেন্ট একাউন্ট খুলুন

(৩) ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন নিন বা করুন

(৪) ই - টিন রেজিস্ট্রেশন করুন

(৫) BIN রেজিষ্ট্রেশন করুন

(৬) বাংলাদেশ সরকার স্বীকৃত ব্যবসায়িক সংগঠন বা চেম্বার অফ কমার্সের মেম্বারশিপ বা সদস্যপদ নিন

এই কাগজ / নথি / সনদ গুলো থাকলে আপনি এবার IRC/ ERC বা আমদানি অনুমতি পত্র বা আমদানি লাইসেন্সের জন্যে আবেদন করতে পারবেন

★★ মনে রাখবেন আপনার ট্রেড লাইসেন্সে যেন অবশ্যই আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী আমদানি / রপ্তানি / বা উভয়েরই উল্লেখ থাকে

আমদানি লাইসেন্সের ক্ষেত্রে বাৎসরিক কতো টাকার পণ্য আমদানি করবেন বা করতে পারবেন, এই হিসাবে কতো গুলো স্তর / ধাপ / বিন্যাস হয়ে থাকে,

এই ধাপ/ স্তর/ বিন্যাস বা সীমা গুলো পরপর আসবে

*২০২২/২৩ বাণিজ্যিক ও শিল্প IRC নিবন্ধন ফি ও নবায়ন ফি

★(১লা সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখ থেকে পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে)*

(১) আমদানী সীমা বাৎসরিক পাঁচ লাখ টাকা
নিবন্ধন ফি - ৫০০০ টাকা
নবায়ন ফি - ৩০০০ টাকা

(২) বাৎসরিক পাঁচ লাখ এক টাকা থেকে পঁচিশ লাখ সীমা
নিবন্ধন ফি - ১০.০০০ টাকা
নবায়ন ফি - ৬০০০ টাকা

(৩) বাৎসরিক পঁচিশ লাখ এক টাকা থেকে পঞ্চাশ লাখ টাকা
নিবন্ধন ফি - ২৪.০০০ টাকা
নবায়ন ফি - ১০.০০০ টাকা

(৪) বাৎসরিক পঞ্চাশ লাখ এক টাকা থেকে এক কোটি পর্যন্ত
নিবন্ধন ফি - ৪০.০০০ টাকা
নবায়ন - ফি - ১৫.০০০ টাকা

(৫) বাৎসরিক এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি পর্যন্ত
নিবন্ধন ফি - ৫০.০০০ টাকা
নবায়ন ফি - ২২.০০০ টাকা

(৬) বাৎসরিক পাঁচ কোটি এক টাকা থেকে কুড়ি কোটি পর্যন্ত
নিবন্ধন ফি - ৬০.০০০ টাকা
নবায়ন ফি - ২৪.০০০ টাকা

(৭) বাৎসরিক কুড়ি কোটি থেকে পঞ্চাশ কোটি পর্যন্ত
নিবন্ধন ফি - ৭০.০০০ টাকা
নবায়ন ফি - ২৮.০০০ টাকা

(৮) বাৎসরিক পঞ্চাশ থেকে একশো কোটি
নিবন্ধন ফি - ৮০.০০০ টাকা
নবায়ন ফি - ৩২.০০০ টাকা

★★ মনে রাখবেন প্রতি ক্ষেত্রেই মূল নিবন্ধন/ নবায়ন ফি এর সাথে সরকারি ভ্যাট (VAT) ১৫% হারে যোগ হবে

এরপর ধাপে ধাপে বাৎসরিক আমদানি মূল্য বর্ধিত হয়েছে

আপনি বাৎসরিক কতো টাকার পণ্য আমদানি করবেন বা কোন ধাপের জন্যে সরকারি অনুমোদন নেবেন, তার উপর নির্ভর করে আপনার সরকারি লাইসেন্স ফি নির্ধারিত হবে, এবং প্রতি ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা ধাপের সরকারি লাইসেন্স ফি এর সাথে ১৫% ভ্যাট সংযুক্ত হয়ে মোট ফি নির্ধারিত হবে

বাণিজ্যিক ও শিল্প ERC নিবন্ধন ও নবায়ন ফি
****************************

(১) ERC/ রপ্তানী
নিবন্ধন ফি ১০.০০০ টাকা
নবায়ন ফি -৭০০০ টাকা

(২) ইনডেন্টিং সার্ভিস
নিবন্ধন ফি - ৫০.০০০ টাকা
নবায়ন ফি - ২৫.০০০ টাকা

(৩) বহুজাতিক কোম্পানি
নিবন্ধন ফি - ১০.০০০ টাকা
নবায়ন ফি - ৭০০০ টাকা

★★ মনে রাখবেন প্রতিটা ক্ষেত্রেই মূল ফি এর সাথে সরকারি ভ্যাট (VAT) ১৫% হারে যোগ হবে

সার চার্জ বা জরিমানা
(নির্দিষ্ট সময় মতো নবায়ন না হলে বা না করতে পারলে)
************************************

(১) সময় সীমা ১ থেকে ৩ বছর
IRC ২০০০ টাকা
ERC ১০০০ টাকা
ইনডেন্টিং ২০০০ টাকা

(২) সময় সীমা ৪ থেকে ৫ বছর
IRC ৫০০০ টাকা
ERC ৪০০০ টাকা
ইনডেন্টিং ৫০০০ টাকা

(৩) সময় সীমা
৬ বছর ও তার অধিক
IRC ২৫.০০০ টাকা
ERC ১০.০০০ টাকা
ইনডেন্টিং ২৫.০০০ টাকা

★★ মনে রাখবেন প্রতিটা ক্ষেত্রেই সরকারি ভ্যাট (VAT) ১৫% হারে যোগ হবে

বাংলাদেশ সরকার আমদানী/ রপ্তানী সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন কিছু পরিষেবা চালু করেছেন
*************************************
(১) কোন সংস্থা/ প্রতিষ্ঠানের নাম/ ঠিকানা/ মালিকানা পরিবর্তন করলে বা হলে
ধার্য কৃত ফি দিতে হবে ২০০০ টাকা

(২) সংস্থা/ প্রতিষ্ঠানের মনোনীত ব্যাংকের নাম/ শাখা পরিবর্তন হলে বা করলে
ধার্য কৃত ফি ২০০০ টাকা

(৩) IRC আমদানীর সীমা পরিবর্তন ( কমানো বা বাড়ানো)
ধার্য কৃত ফি ২০০০ টাকা

(৪) শিল্প IRC এর আমদানী স্বত্ব পরিবর্তন
ধার্য কৃত ফি ২০০০ টাকা

★★ মনে রাখবেন প্রতিটি ক্ষেত্রেই সরকারি ভ্যাট (VAT) ১৫% হারে যোগ হবে

বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক / সোনালী ব্যাঙ্কের শাখায় বৈদেশিক বাণিজ্য দফতরের নিজস্ব ট্রেজারী চালান নম্বর অনুযায়ী লাইসেন্স ফি এর টাকা জমা দিয়ে অন লাইনেই আবেদন করতে পারবেন

সব ধরনের ফি/ভ্যাট (VAT) জমা দেওয়ার চালান নম্বর
নিবন্ধন ও নবায়ন চালান নম্বর
১-১৭৩১-০০০১-১৮০১
ভ্যাট (VAT) চালান নম্বর
১-১১৩৩-০০১০-০৩১১

জমা করার সময় বাংলাদেশ ব্যাংক/ সোনালী ব্যাংকে প্রয়োজনে এই চালান নম্বর দুটি ভালো করে জেনে নেবেন অথবা নির্দিষ্ট ওয়েব সাইট দেখে নেবেন

এক্ষেত্রে সব কাগজের স্ক্যান কপি ও আপনার ছবি সহ এবং নির্দিষ্ট মোবাইল / ই - মেইল সহ আবেদন করতে হবে

প্রয়োজনে আরোও বিস্তারিত জানতে
Chief Cotroller of Import & Export
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়/ ঢাকা
02 41050522 controller.chief@cci&e.gov.bd
CCI&E এর ওয়েবসাইট দেখতে পারেন

সংক্ষেপে একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করলাম, এইভাবে করলে বা এগোলে নিজেই নিজের কাজ করে শিখে নিতে পারবেন, কোনো মাধ্যম ধরার প্রয়োজন হবেনা।

বুকিং লাগেজে কী কী জিনিস বহন করা নিষিদ্ধ তা না জেনে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে উঠলে যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এ নিয়মগুলি না জানা...
28/06/2023

বুকিং লাগেজে কী কী জিনিস বহন করা নিষিদ্ধ তা না জেনে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে উঠলে যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এ নিয়মগুলি না জানার কারণে বাংলাদেশের অনেক উচ্চশিক্ষিত যাত্রীও বিদেশের বিমানবন্দরে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন।

জেনে রাখা প্রয়োজন যে চেক-ইন কাউন্টারে যাত্রীর বুকিং দেওয়া লাগেজ খোলার প্রয়োজন হলে সবসময় যাত্রীকে ডেকে এনে তার সামনে খোলা হবে এমন কোন কথা নেই। পৃথিবীর বড় বড় বিমানবন্দরে যাত্রীকে ডেকে আনার মত সময় থাকে না। আবার লাগেজ খোলা হলে ভদ্রতা করে ভিতরে একটি ইনফরমেশন স্লিপ দেওয়ার রেওয়াজ থাকলেও অনেক বিমানবন্দরেই তা দেওয়া হয় না। ফলে আমাদের সম্মানিত দেশি ভাই বোনেরা বাংলাদেশে হোক আর বিদেশেই হোক, লাগেজ রিসিভ করে তা খোলা বা ভিতরে কোন আইটেম মিসিং দেখলে নিজের দেশকে দোষারোপ করতে থাকেন।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাত্রা বাস, ট্রেন বা লঞ্চ যাত্রার সাথে তুলনীয় না। নিরাপত্তার জন্য এখানে বিভিন্ন অবিশ্বাস্য নিয়ম অনুসরণ করা হয়। যাদের বিশ্বাস হচ্ছে না তারা গালাগালি না করে গুগল করতে পারেন। বুকিং লাগেজে কী কী নেওয়া যাবে না, সে বিষয়ে জ্ঞাতব্য বিষয়।

Address

Chttagong Customs House
Chittagong
4100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M/S J.K Logistics. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share