Branding Chittagong

Branding Chittagong Its a page of YTV content making channel. We will let you know about all the best of the bests from Chattogram.

We make Corporate AVs, YTC Commercials, Tourist Spot Introductory videos, work on Career Development for the students and brand development.

 #ভয়ানক_একটি_গবেষনা'ইউনিভার্স ২৫' বিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম ভয়ানক একটি গবেষনা, যেখানে ইদুঁরের কলোনির উপর পরীক্ষানিরীক্ষার...
30/10/2024

#ভয়ানক_একটি_গবেষনা
'ইউনিভার্স ২৫' বিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম ভয়ানক একটি গবেষনা, যেখানে ইদুঁরের কলোনির উপর পরীক্ষানিরীক্ষার উপর ভিত্তি করে মানব সভ্যতাকে বোঝার চেষ্টা করেন বিজ্ঞানীরা।
এই 'ইউনিভার্স ২৫' এর চিন্তাটি আসে মার্কিন বিজ্ঞানী জন ক্যালহোনের কাছ থেকে। তিনি একটি 'আদর্শ দুনিয়া' নির্মাণ করেন যেখানে ইঁদুরেরা থাকবে এবং বংশবৃদ্ধি করবে। আরও ভালোভাবে বলতে, ক্যালহোন ইদুরের স্বর্গ নামের একটা বিশেষ পরিবেশ তৈরি করেন, যেখানে অঢেল খাবার, পানি ও থাকার জন্য প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জায়গা ছিলো। শুরুতে সেখানে তিনি চার জোড়া ইঁদুর রাখেন, যেগুলা উপযুক্ত পরিবেশে অল্প সময়ের মধ্যে বংশবৃদ্ধি শুরু করে এবং সেটাও বেশ দ্রুত গতিতে।
অবাক করা ব্যাপার হল, ইঁদুরদের সেই স্বর্গে রাখার মাত্র ৩১৫ দিন পরেই বংশবৃদ্ধির হার কমে যায়। যখন ইঁদুরের সংখ্যা ৬০০ তে পৌছালো তখন সেখানে দুটি জাত তৈরি হয় ভালো ও 'বিকৃত' ইঁদুরের। এর পর থেকে দূর্বল ইঁদুর গুলো আক্রমণের শিকার হয় এবং অনেক পুরুষ ইঁদুর 'মানষিকভাবে ভেঙে পড়ে'।
ইঁদুরের স্বর্গে থাকার ফল নারীদের ভেতরে পড়েছিল অন্যভাবে। নারীরা নিজেদের আত্মরক্ষা থেকে সরে আসে এবং তাদের সন্তানদের প্রতি আক্রমনাত্মক হয়ে উঠে। নারী ইদুরদের মাঝে এই আক্রমনাত্মক মনোভাব ক্রমে ক্রমে বৃদ্ধি পায়। এর ফলে শিশু জন্মহার ক্রমেই কমতে শুরু করে এবং বিপরীতে শিশু মৃত্যুহার বেড়ে যায়।
পুরুষদের মাঝে একটি নতুন জাতের ইঁদুরের উৎপত্তি হয় যারা কিনা 'সুন্দরী ইঁদুর'। তারা নারীদের সাথে বংশবৃদ্ধি ও জায়গার জন্য 'লড়াই' কর‍তে অস্বীকৃতি জানায়। তারা স্রেফ খাদ্য ও ঘুম নিয়ে চিন্তিত হয়। একসময় যেয়ে সুন্দরী পুরুষ ও আক্রমণাত্মক নারীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
ক্যালহোনের মতে, মৃত্যুর দুটি ধাপ ছিলো। 'প্রথম মৃত্যু' ও 'দ্বিতীয় মৃত্যু'। শেষটি হচ্ছে জীবনের অর্থহীন হয়ে পড়া! অর্থাৎ বংশবৃদ্ধির ইচ্ছার অভাব তৈরি, সন্তান জন্মদান ও সন্তান প্রতিপালনের প্রতি অনিহা এবং সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করতে এগিয়ে না যাওয়া। সময়ের সাথে সাথে শিশু ইঁদুরদের মাঝে মৃত্যুর হার ১০০% ছুয়ে যায় এবং বংশবৃদ্ধি শূণ্যতে গিয়ে ঠেকে।
ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা ইঁদুর গুলোর মাঝে সমকামী তৈরি হয়, এবং তারা নিজেরাই নিজেদের খেতে শুরু করে (Homosexuality, Cannibalism)। এই বিকৃত মস্তিষ্কদের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকে, যদিও সেখানে খাবারের কোনো অভাব ছিলো না, ছিল না বিপরীত লিঙ্গের প্রাণীদের অভাব।
এই গবেষণা শুরুর দুই বছর পর শেষ ইঁদুরটি জন্ম নেয়৷ ১৯৭৩ সালের মধ্যে 'ইউনিভার্স ২৫' প্রজেক্টের শেষ ইঁদুরটি মারা যায়।
জন ক্যালহোন এই পরীক্ষাটি আরো পঁচিশবার করেন, এবং সবগুলো পরীক্ষাতেই একই ফলাফল আসে৷ ক্যালহোনের এই বৈজ্ঞানিক কাজের মাধ্যমে নাগরিক সমাজ ও সভ্যতার অবক্ষয় টের পাওয়া যায় এবং শহুরে জীবন সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়।
আমরা আজকের দুনিয়ায় এই একই জিনিসটা দেখছি...।
❝একদিকে দূর্বল, মেয়েলী পুরুষের ছড়াছড়ি– যাদের কোনো উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিগত দক্ষতা কিংবা আত্মরক্ষার সামর্থ্য নেই; আর অন্যদিকে আক্রমনাত্মক পুরুষালী নারী– যারা অতিরিক্ত বদ মেজাজি এবং প্রাকৃতিক মাতৃত্ব-নারীত্ব থেকে দূরে।❞ ❝একদিকে বিশ্বব্যাপী এলজিবিটি, ফ্রি-সেক্স মুভমেন্ট, ভোগবাদের তীব্র উত্থান; অন্যদিকে বিয়ে-পরিবারগঠন, জন্মদান ও সন্তান প্রতিপালনে অনাগ্রহী মানুষের বৃদ্ধি।❞
অর্থাৎ, পৃথিবীব্যাপী Antinatalism, LGBTQ Movement, Free S*x Movement, Feminism, Liberalism, Gender Fluidity Concept ইত্যাদি ওয়েস্টার্ন আইডিওলজি বা পশ্চিমা দর্শনের উত্থান যে বর্তমান ভগ্নপ্রায় বিশ্বব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেক— সেটা বুঝতে আর সুস্থ মস্তিস্কের কারো বেগ পাওয়ার কথা নয়।
~•~
Reference : Universe 25: The Mouse "Utopia" Experiment That Turned Into An Apocalypse,

29/10/2024

After the news that a school banned a child with autism from participating in a school trip I feel the need to write this. There are boys and girls that no one invites to birthdays for example. There are kids who want to belong to a team but don't get selected because it's more important to win than include these kids. Children with special needs are not weird or strange, they just want what everyone else wants: to be accepted!! 😡 Can I ask a question? Is anyone willing to copy and paste this post on their wall without sharing, like I did for a friend? they also need full love and support. All children matter ❤️❤️
Posted from a friends page. All our children do matter.

Nawaz Morshed boss

Today I have signed CSR (Corporate Social Responsibilities) MoU with BITA-SaveTheChildren on behalf of Vista Electronics...
24/10/2024

Today I have signed CSR (Corporate Social Responsibilities) MoU with BITA-SaveTheChildren on behalf of Vista Electronics Ltd for their EYE (Education for Youth Empowerment) program. By this MoU we will serve them Mentorship, Apprentice and Job Placement support to their trainees.

(In Picture)
From Left: Myself (Divisional Sales Manager - VISTA Electronics, Mr. Kashem (Proprietor of K.E) and Mr. Iqbal Hossen (Support Officer, BITA-SaveTheChildren)

Noakhali Tour | Dealer Meeting | Sleepless MovementVISTA Electronics
22/10/2024

Noakhali Tour | Dealer Meeting | Sleepless Movement
VISTA Electronics

Attended in a dealer meetingVISTA Electronics
20/10/2024

Attended in a dealer meeting

VISTA Electronics

13/10/2024

বল, ‘তিনিই দয়াময়, আমরা তাঁহাকে বিশ্বাস করি ও তাঁহারই উপর নির্ভর করি, শীঘ্রই তোমরা জানিতে পারিবে কে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রহিয়াছে।’

قُلْ هُوَ الرَّحْمٰنُ اٰمَنَّا بِهٖ وَعَلَيْهِ تَوَكَّلْنَا‌ۚ فَسَتَعْلَمُوْنَ مَنْ هُوَ فِىْ ضَلٰلٍ مُّبِيْنٍ

সূরা নম্বর: ৬৭ আয়াত নম্বর: ২৯
------------------------

উপরোক্ত আয়াতটি আমার মতে বিশ্বাস-অবিশ্বাস সম্পর্কিত সব প্রশ্নের একমাত্র উত্তর।

গল্পের শুরুটা হয় ১৯৯৮ সালে। ভারতের বোম্বাই হাউজে!টাটা মোটরস এর পেসেঞ্জার গাড়ির ডিভিশন “টাটা ইন্ডিকা” তখন বেশ সংকটে। এটা ...
12/10/2024

গল্পের শুরুটা হয় ১৯৯৮ সালে। ভারতের বোম্বাই হাউজে!

টাটা মোটরস এর পেসেঞ্জার গাড়ির ডিভিশন “টাটা ইন্ডিকা” তখন বেশ সংকটে।

এটা ছিলো রতন টাটার খুবই উচ্চাকাংখী একটা প্রজেক্ট। তিনি চেয়েছিলেন, তার কোম্পানি ভারতের প্রথম ডিজেল ইঞ্জিনচালিত হ্যাচব্যাক উৎপাদন করবে।

এবং প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন তিনি এই প্রজেক্টে! রতন টাটার স্বপ্ন ছিলো, ইন্ডিকা একদিন পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত কার ব্র্যান্ডগুলোর একটি হবে।

কিন্তু টাটা মোটর্সের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের প্রকল্প “টাটা ইন্ডিকা” টানা ১ বছর চেষ্টার পরেও আশানুরূপ সাফল্যের মুখ না দেখায় একে বিক্রি করে দেবার সিদ্ধান্ত নেন রতন টাকা। বিস্তর টাকা লস করেছিলো সে এই খাতে! লসের অংক আরো বাড়ার আগেই বিক্রি করে দেয়া হোক!

তার এনালিষ্টরা ফোর্ডের নাম প্রস্তাব করলো, ফোর্ড তখন বেশ ভালো ব্যবসা করছিলো, তাই ভাবা হলো, তারা হয়তো ইন্ডিকার পুরো প্রডাকশন লাইন কিনতে আগ্রহী হবে।

তাই তাদেরকে আমন্ত্রন জানানো হলে টাটা মোটরসের হেড কোয়ার্টার “বোম্বে হাউসে”, এটি মুম্বাইতে অবস্থিত।

তো ফোর্ডের লোকজন টাটা ইন্ডিকার কারখানা ও প্রডাকশন লাইন দেখে সন্তুষ্ট হয়ে ফিরে গেলো। তবে জানালো, ফাইনাল মিটিং হবে ফোর্ডের আমেরিকান হেড অফিসে। সেখানেই তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।

তো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে রতন টাটা ও তাঁর প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে যান, যেখানে বিল ফোর্ডের সাথে রতন টাটার আলোচনা হয়।

বিল ফোর্ড ছিলো তৎকালীন ফোর্ড কোম্পানির চেয়ারম্যান। আর এই লোক হচ্ছে ফোর্ড কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ফোর্ডের আপন নাতি।

এবং সে ছিলো হোয়াইট সুপ্রিমিষ্ট, মানে নিজের সাদা চামড়া নিয়ে তার গর্বের কোনো শেষ ছিলো না! সোজা কথায়, চরম রেসিষ্ট ছিলো সে।

সেই বৈঠকে পদে পদে বিল ফোর্ড ভীষন অপমান করেছিলো রতন টাটা কে!

খুবই বিরক্ত হয়ে তাকে বলা হলো - “ আরে, তুমি তো প্যাসেঞ্জার কারের ব্যাপারে কিছুই জানো না, তো কি দরকার ছিলো এটা চালু করা? এখন তো লস খেয়ে আমাদের কাছে বেচতে এসেছো!”

টানা তিন ঘন্টা ধরে সেই মিটিং চলেছিলো। প্রথমে বিল কিনতেই চায়নি, লস প্রজেক্ট কিনে লাভ কি, রতন টাটার সামনেই সে এসব বলছিলো। তার চোখে মুখে ছিলো স্পষ্ট বিরক্তি, আর ভীষন অহংকার!

শেষে বিল ফোর্ড রাজী হলো, এরপর রতনকে সে আবারো অপমান করতে বল্ল যে টাটা মোটরস কিনে টাটা গ্রুপকে আসলে দয়া করছে ফোর্ড।

অথচ এত অপমানের পরেও রতন টাটা মিটিংয়ে তেমন কিছুই বল্লেন না, সব মুখ বুজে সহ্য করলেন!

কিন্তু বিল ফোর্ডের আচরণে সে মনে মনে তীব্র অপমানিত ও ক্রুদ্ধ হন। যার ফলে তিনি তার কোম্পানির একটা অংশকে ফোর্ডের কাছে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত বাতিল করে দেন। তিনি সিদ্ধান্ত নেন, টাটা গ্রুপের এই গাড়ির সেক্টরটি তিনি বিক্রি করবেন না।

এই ডিলটি যে তদারকি করছিলো, সেটা ছিলো একটা বিখ্যাত ফিন্যান্স কোম্পানি, রতন টাটা তাদের জানিয়ে দিলো তার সিদ্ধান্তের কথা। তারা বুঝলো, টাটা অপমানিত হয়েছে সুতরাং ফোর্ডের কাছে বিক্রি করবে না, হয়তো অন্য কারো কাছে করবে।

তাই তারা রতন টাটাকে জিগেস করলো, অন্য কোনো কাষ্টমার দেখবে কিনা। টাটা তাদের সাফ জানিয়ে দিলেন - আর কারো কাছেই বিক্রি করবেন না!

রতন টাটা ভেবেছিলো, ফোর্ডের সাথে মিটিং শেষ করে সে আমেরিকাতে আরো কয়েকটা বিজনেস মিটিংয়ে যাবে, কিন্তু এই তিক্ত ঘটনার পর সে সব মিটিং ক্যানসেল করে দ্রুতই ভারত ফিরে যায়। এবং নিউইর্য়কে ফেরার ফ্লাইটে সে অস্বাভাবিক রকমের চুপচাপ আর শান্ত ছিলো! মানে অপমানের শক হজম করতে সে সময় নিচ্ছে!

জনশ্রুতি আছে, ভারতে ল্যান্ড করার পর তিনি তার বাসাতেও যান নাই, সোজা চলে যান বোম্বে হাউসে, ইন্ডিকার কারখানায়।

এবং এরপর টাটা ইন্ডিকার সাথে যা ঘটে, তা পৃথিবীর অটোমোটিভ ইতিহাসে ধৈর্য্য, অধ্যবসায় আর জেদের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে আজীবন!

রতন টাটার ক্রমাগত চেষ্টায় কয়েক বছরের মাঝেই এক কালের ব্যর্থ ইন্ডিকা বেশ শক্ত অবস্থানে পৌঁছে যায়। ভারতের রাস্তায় রাস্তায় দেখা যায় টাটা ইন্ডিকাকে!

শুধু তাই না, ইন্ডিকা আন্তজার্তিক বাজারেও রপ্তানি হতে শুরু করে! দামে সস্তা বলে এবং মান দামের তুলনায় ভালো বলে অটোমোবাইলের মতো কম্পিটিটিভি মার্কেটেও দ্রুতই ইন্ডিকা জনপ্রিয়তা পাওয়া শুরু করে!

ওদিকে টাটার সাথে মিটিং করার কয়েক মাস পরেই বিল ফোর্ড কোম্পানি থেকে ইস্তফা দেয় বার্ধক্যজনিত কারণে। এরপর ধীরে ধীরে কেটে যায় ৯ বছর।

ততদিনে পালের হাওয়া বদলে ২০০৮ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দায় ফোর্ড কোম্পানির বেহাল দশা হয়ে পড়ে।

ফোর্ড হলো পৃথিবীর সেরা কার ম্যানুফ্যাকচারারের একটি, সেই তারাই সিদ্ধান্ত নিলো তাদের দুইটা ডিভিশন কে বিক্রি করে দিবে, তাও আবার সবচেয়ে দামী দুইটা ডিভিশন! কারণ এই দুই হাতি পালা ফোর্ডের মতো জায়ান্টের পক্ষেও আর সম্ভব হচ্ছিলো না!

বিক্রির খাতায় নাম উঠায় স্পটর্স কার ডিভিশন জাগুয়ার, আর লাক্সারি SUV ডিভিশন ল্যান্ড রোভার। উল্লেখ, আমার ড্রিম কার হচ্ছে Land Rover Discovery 4.

ঠিক এ সময়ে তাদের ত্রাতা হয়ে এগিয়ে আসেন রতন টাটা।

টাটা গ্রুপ ফোর্ড কোম্পানির দুইটি আইকনিক ব্র্যান্ড “জাগুয়ার ও ল্যান্ড রোভার” কিনে নেয় ২.৩ বিলিয়ন ডলারে!!!

সাধারনত এত বড় অংকের ডিলগুলো ক্যাশে হয় না! স্টকে পরিশোধ করা হয়, বা ক্যাশ দিলেও তা কয়েক বছর ধরে ইন্সটলমেন্টে দেয়া হয়। অনেক সময় স্টক + ক্যাশে মিলিয়ে ঝিলিয়ে দেয়া হয়।

কিন্তু রতন টাটা, ২.৩ বিলিয়ন ইউএস ডলার ফোর্ড কোম্পানিকে পরিশোধ করেছিলো পুরোপুরি ক্যাশ ডলারে! তাও আবার কোন ইন্সটলমেন্ট ছাড়াই!

কার ইন্ডাসট্রি তো বটেই, সমগ্র বিশ্বে তাক লেগে যায় এই ঘটনায়। একটা ইন্ডিয়ান কোম্পানি কিনে নিচ্ছে এত বছরের ডাক সাইটে দুইটা ব্রিটিশ কার ব্র্যান্ডকে!! এও কি সম্ভব?!

বিশ্বের প্রায় সব কয়টা মিডিয়াতে এসেছিলো এই নিউজ! রতন টাটার অপমানের কথা মিডিয়াতে ফলাও করে প্রচার হয়নি ১৯৯৯ সালে, কিন্তু তার অপমানের প্রতিশোধের ঘটনা সারা বিশ্ব ফলাও করে প্রচার করেছিলো নিজ উদ্যোগে!

যে বিল ফোর্ড রতন টাটাকে অপমান করেছিলেন, তিনিই তখন বলেছিলেন, ”তুমি জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার (JLR) কিনে নিয়ে আমাদের অনেক বড় উপকার করলে।”

এই কথাটা বলার কারণ হলো, একমাত্র টাটা গ্রুপ ছাড়া সেই মন্দার সময়ে এত বেশী দাম দিয়ে JLR কিনতে আর কেউই রাজী হয়নি।

৯ বছর আগে বলেছিলো, তোমার কোম্পানি কিনে আমরা দয়া করছি, আর এখন বল্ল, তুমি আমাদের কোম্পানি কিনে আমাদের দয়া করেছো! মাত্র ৯ বছরের মাথায় তাসের তুরুপ এভাবে একেবারে ৩৬০ ডিগ্রী উল্টে যাবে, এইটা হয়তো তারা কোনদিন দুঃস্বপ্নেও ভাবে নাই! এই সমুচিত শিক্ষাটা এই রেসিষ্টগুলোর দরকার ছিলো!

আর এভাবেই রতন টাটা প্রমান করে দিলেন- না তিনি মাফ করেন, না তিনি অপমানকে ভুলে যান! বিশ্বকে দেখিয়ে দিলেন, তিনি তার অপমানের প্রতিশোধ নিয়ে ছাড়েন, এবং সেটা একজন জাত ব্যবসায়ী মতোই!

পরবর্তীতে “জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার (JLR)” টাটা গ্রুপের অধীনে আবারো একটি সফল ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে উঠে। অথচ এই কোম্পানির মালিককেই টিপ্পনি কাটা হয়েছিলো, তুমি গাড়ির কি বুঝ?

এই রকম অভূতপূর্ব ঘটনা পৃথিবীর অটোমেটিভ ইন্ডাসট্রিতে খুব সম্ভবত খুব বেশী ঘটেনি। ফেরারি বনাম ল্যাম্বরগিনিও অনেকটা এই রকম জেদাজেদি নজির!

এই ঘটনাগুলো পরবর্তীতে ভারতীয় মিডিয়ার কাছে বলেন মি. প্রবীন কাদলে (currently the non- executive Chairman of Tata Auto-Comp Systems Limited), যিনি কিনা ১৯৯৯ এবং ২০০৮ - ফোর্ডের সাথে উভয় মিটিংয়েই উপস্থিত ছিলেন টাটা টিমের সদস্য হয়ে! তিনি বেশ কয়েকটা টিভি চ্যানেল ও পত্রিকার ইন্টারভিউ ও টক শোতে এই সব ঘটনা অনেক বার শেয়ার করেছেন ইতোমধ্যে!

যে ঘটনাটা হতে পারতো টাটা কোম্পানির ইতিহাসের সবচাইতে করুণ অধ্যায়, কিন্তু সেটাই হয়ে গেছে টাটার ইতিহাসের সবচাইতে সাফল্যের অধ্যায়ের একটা। শুধুমাত্র রতন টাটার দূরদর্শীতার কারণে!

আরো মজার ব্যাপার হলো, অপমানের প্রতিশোধ হিসেবে চড়া দামে JLR কিনে নিলেও শেষ পর্যন্ত কিন্তু দেখা গেছে, ব্যবসায়িকভাবেও টাটা কোম্পানির জন্য এই টেকওভারটা বেশ প্রফিটেবল ছিলো! এখন টাটা গ্রুপের ইন্টারন্যাশনাল রেভিনিউয়ের সবচাইতে বড় অংশ আসে JLR থেকে! এমনকি JLR কে বলা হয় টাটা মোটরসের গ্লোবাল অপারেশনের মেরুদন্ড!

এছাড়াও এই ঘটনার মাধ্যমে টাটা মটরস রাতারাতি বিদেশী গাড়ির বাজারে ঢুকে পড়ে, এবং বৈশ্বিক বাকী কার কোম্পানিগুলোও টাটাকে সমীহের সাথে দেখা শুরু করে। সুতরাং, এই ডিলটি টাটা কোম্পানির জন্য একটা বিশাল মাইল ফলক ছিলো বলা যায়!

ভাগ্যিস বিল ফোর্ড সেদিন রতন টাটাকে অপমানটুকু করেছিলো!

প্রচলিত আছে, সাফল্যই হলো সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিশোধ। সাফল্যের মাধ্যমে অপমানের বদলা নিয়ে ঠিক এই কথাকেই যেন প্রমাণ করেছিলেন রতন টাটা।

এই ঘটনার আরো একটা শিক্ষা হলো, অহংকার যে পতনের মূল - তা পৃথিবীর সব জাগায় সব জাতির জন্যই প্রযোজ্য!

গত পরশুদিন রতন টাটা ৮৬ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন!

রেষ্ট ইন পিস ডিয়ার ইন্ডিয়ান বিজনেস টাইকুন!

সূত্রঃ দ্য হিন্দুস্থান টাইমস, দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।

ছবিসূত্রঃ এশিয়ানেট নিউজেবল!





© Proloy Hasan - প্রলয় হাসান

চলুন আজকের ছুটির দিনে স্মৃতির পাতা থেকে ঘুরে আসি তিনটা প্রশ্ন দিয়ে!১. আপনার চাকরি জীবনের প্রথম প্রতিষ্ঠান কোনটা ছিলো?২. ...
10/10/2024

চলুন আজকের ছুটির দিনে স্মৃতির পাতা থেকে ঘুরে আসি তিনটা প্রশ্ন দিয়ে!

১. আপনার চাকরি জীবনের প্রথম প্রতিষ্ঠান কোনটা ছিলো?
২. তখন কত সাল চলছিলো?
৩. কোন পদবীতে যোগদান করেছিলেন তখন?



Center for Business Training & Studies

কাজের ক্ষেত্রে গেলে অনেকের মাঝে একটা কমন বাজে অভ্যাস দেখা যায়। সেটা হলো চাকরি/ব্যবসা/শরীর/অবস্থা সম্পর্কে কেমন চলছে জিজ্...
09/10/2024

কাজের ক্ষেত্রে গেলে অনেকের মাঝে একটা কমন বাজে অভ্যাস দেখা যায়। সেটা হলো চাকরি/ব্যবসা/শরীর/অবস্থা সম্পর্কে কেমন চলছে জিজ্ঞেস করলেই বলা শুরু করে,
"ভালো নাই ভাই!"
"ব্যবসার অবস্থা খারাপ!"
"চাকরিতে শান্তি নাই!"
"আগের মতো লাভ নাই!"
ইত্যাদি!!

কেন ভাই! আলহামদু লিল্লাহ বললে আপনার কোনো ক্ষতি আছে? এতো খাওয়ার চিন্তা কেন আপনার!? দেখা গেছে যারা এধরণের কথাবার্তা বলে তাদের আসলেই ক্ষতি হয়ে থাকে।

যেহেতু এখনো জীবিত আছেন, তাই জীবনের প্রতিটি কাজে আল্লাহ তা'আলার প্রতি শুকরিয়া আদায় করবেন। যখন যেখানে যেমনই থাকুন না কেন! নইলে ছবির কাকা'র মতো অবস্থা হবে।

(ছবির মানুষকে আমি চিনি না 🙈)

যেখানেই চাকরি করবেন, যেই পদেই চাকরি করেন, অবশ্যই চেষ্টা করবেন নিজেকে একজন COMPANY PERSON হিসেবে তৈরী করতে। নিজের প্রতিষ্...
08/10/2024

যেখানেই চাকরি করবেন, যেই পদেই চাকরি করেন, অবশ্যই চেষ্টা করবেন নিজেকে একজন COMPANY PERSON হিসেবে তৈরী করতে। নিজের প্রতিষ্ঠান ভেবে কাজ করেন, নতুন সব ভাবনা তৈরী করেন যাতে করে কোম্পানী লাভবান হয়। এতে করে দিনশেষে আপনারই লাভ হবে।

মুহাম্মাদ খাজা শাফায়াত উদ্দিন
ডিএসএম, ভিসতা ইলেকট্রনিকস লিমিটেড

সেলস এন্ড মার্কেটিং ট্রেইনার
Center for Business Training & Studies

Address

1331, Commerce College Road, Agrabad
Chittagong
4100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Branding Chittagong posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Branding Chittagong:

Share

Category