Host Provider bd

Host Provider bd We Provide Domain, Hosting , Web Design and Development Service in Bangladesh.

ওয়েব হোস্টিং ই আপনাকে দিতে পারে ইন্টারনেটে সর্বোচ্চ পরিমাণ গ্রহণযোগ্যতা এবং দৃশ্যমানতা যা আপনার ব্যবসাকে করে তুলবে জনপ্...
16/02/2019

ওয়েব হোস্টিং ই আপনাকে দিতে পারে ইন্টারনেটে সর্বোচ্চ পরিমাণ গ্রহণযোগ্যতা এবং দৃশ্যমানতা যা আপনার ব্যবসাকে করে তুলবে জনপ্রিয় এবং লাভজনক । তাহলে দেরি না করে আজ ই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে ।

Host Provider bd থেক ওয়েব হোস্টিং নিবেন কেন?

• সেরা ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস
• পছন্দ ও প্রয়োজন অনুযায়ী হোস্টিং প্যাকেজ
• কোনো দীর্ঘমেয়াদী প্লান নেয়ার ঝামেলা নেই
• ৯৯% সার্ভার আপটাইম।
• USA কেন্দ্রিক ডাটা সেন্টার।
• ২৪/৭ দিন,সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষক টিম ও কাস্টমার কেয়ার
• প্যাকেজ অনুযায়ী বাড়তি সুবিধা
• ফ্রি ডোমেইন পাবেন

ওয়েবসাইট: https://hostproviderbd.com

ফোন : +8801973530678

ইমেইল: [email protected]

.COM .NET .ORG .INFO .BIZ DOMAIN FULLY FREE 1ST YEAR WE HAVE PERFECT WEB HOSTING PACKAGE FOR YOU. We provide SSD Hosting with Top security and 99.99% up-time. We are top Domain Hosting provider in Bangladesh.     Follow Us

01/10/2018

দেশের সেরা নির্ভর যোগ্য ও বিশ্বস্ত ওয়েব হোস্টিং। আমাদের আছে মাসিক, অর্ধ বার্ষিক ও বার্ষিক পেমেন্টের সুবিধা । বিস্তারিত : 01973530678

দেশের সেরা নির্ভর যোগ্য ও বিশ্বস্ত ওয়েব হোস্টিং। আমাদের আছে মাসিক, অর্ধ বার্ষিক ও বার্ষিক পেমেন্টের সুবিধা । বিস্তারিত :...
30/08/2018

দেশের সেরা নির্ভর যোগ্য ও বিশ্বস্ত ওয়েব হোস্টিং। আমাদের আছে মাসিক, অর্ধ বার্ষিক ও বার্ষিক পেমেন্টের সুবিধা । বিস্তারিত : 01823530678, 01973530678

হোস্ট প্রোভাইডার বিডি থেকে আমরা সবসময় চেষ্টা করি ১০০% ক্লায়েন্ট সাপোর্ট দেয়ার। আপনার ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে যেকোন ঝামেলা বা...
24/05/2018

হোস্ট প্রোভাইডার বিডি থেকে আমরা সবসময় চেষ্টা করি ১০০% ক্লায়েন্ট সাপোর্ট দেয়ার। আপনার ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে যেকোন ঝামেলা বা সমস্যা নিয়ে আমাদের মেসেজ দিন অথবা সরাসরি ফোন করুন। ধন্যবাদ!

24/05/2018

ওয়েব হোস্টিং ই আপনাকে দিতে পারে ইন্টারনেটে সর্বোচ্চ পরিমাণ গ্রহণযোগ্যতা এবং দৃশ্যমানতা যা আপনার ব্যবসাকে করে তুলবে জনপ্রিয় এবং লাভজনক । তাহলে দেরি না করে আজ ই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে ।

Host Provider bd থেক ওয়েব হোস্টিং নিবেন কেন?

• সেরা ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস
• পছন্দ ও প্রয়োজন অনুযায়ী হোস্টিং প্যাকেজ
• কোনো দীর্ঘমেয়াদী প্লান নেয়ার ঝামেলা নেই
• ৯৯% সার্ভার আপটাইম।
• USA কেন্দ্রিক ডাটা সেন্টার।
• ২৪/৭ দিন,সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষক টিম ও কাস্টমার কেয়ার
• প্যাকেজ অনুযায়ী বাড়তি সুবিধা
• ফ্রি ডোমেইন পাবেন

ওয়েবসাইট: https://hostproviderbd.com

ফোন : +8801973530678

ইমেইল: [email protected]

HOST PROVIDER BDQuality Web HostingCompany in Bangladesh.www.hostproviderbd.com
17/05/2018

HOST PROVIDER BD
Quality Web Hosting
Company in Bangladesh.
www.hostproviderbd.com

.COM .NET .ORG .INFO .BIZ DOMAIN FULLY FREE 1ST YEAR WE HAVE PERFECT WEB HOSTING PACKAGE FOR YOU. We provide SSD Hosting with Top security and 99.99% up-time. We are top Domain Hosting provider in Bangladesh.     Follow Us

12/05/2018

আপনার বিজনেস কে আরো সুপরিচিত করতে অনলাইন ভার্সন করে ফেলুন। আপনার শপের প্রোডাক্টগুলো দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে যেকেউ যেন ওর্ডার করতে পারে। ইকমার্স ওয়েবসাইট তৈরী করুন এবং অনলাইনের সাথে সংযুক্ত থাকুন। যোগাযোগঃ 01973530678

ওয়েব হোস্টিং কি ? কেনার সময় যে বিষয় গুলো জানা জরুরী।আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে একটা নতুন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। আমারা যারা ব...
29/04/2018

ওয়েব হোস্টিং কি ? কেনার সময় যে বিষয় গুলো জানা জরুরী।

আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে একটা নতুন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। আমারা যারা ব্লগার ব্যবহার করি তারা হয়ত অনেকেই যানিনা হোস্টিং কি বা এটা কি কাজে ব্যবহার হয় আসলে ব্লগারেও হোস্টিং দরকার হয় কিন্তু সেটা গুগল আমাদের ফ্রী সার্ভিস দেই তাই সেটা আমাদের কিনতে হয়না সেই জন্য আমারা জানিনা হোস্টিং কি তবে যারা ব্লগার এর সঙ্গে সঙ্গে ওয়ার্ডপ্রেস ইত্যাদি তে জিন ব্লগা সাইট তৈরি করে তাদের অবশ্যই এই হোস্টিং বিষয়টি যানতে হবে, ওটা আজকের টিউন এর বিষয় না তাই সেটা পরে আলোচনা করা হবে আজকে চলুন দেখে নিন ওয়েব হোস্টিং এবং ওয়েব হোস্টিং কেনার সময় যে সকল বিষয় গুল অবশ্যই যেনে নিবেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

তাহলে আমাদের প্রথম যেটা যানতে হবে সেটা হল হোস্টিং কি (Wht is Hosting) এবং তার পরেই হোস্টিং কেনার জরুরী বিষয় গুল যানব।

হোস্টিং কি (Wht Is Hosting) ?
বেশির ভাগ লোকই ডোমেইন কি তা জানে তবে অনেকে হোস্টিং কি তা বুঝতে পারে না। আপনি যদি একটি ডোমেইন কিনেন অবশ্যই তার জন্য একটি হোস্টিং কিনতে হবে। আপনি একটি ডোমেইন কিনলেন মানে ইন্টারনেটে আপনি একটি স্থান কিনলেন, এখন আপনার ডোমেইনটিকে ২৪/৭ অনলাইনে রাখতে হবে। এর জন্য দরকার আপনার হোস্টিং কোম্পানি। কোন তথ্যকে অন্যের কাছে তুলে ধরার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। আজকের কম্পিউটার ব্যবহারকারী মাত্রই ওয়েবসাইট সম্পর্কে অবগত আছেন। সহজ ভাষায় বলা যায়, ওয়েবসাইট হল আপনার তথ্যকে অন্যের সামনে উপস্থাপন করার রাস্তা- সেটা টেক্সট বা মাল্টিমিডিয়া (যেমনঃ ছবি, অডিও বা ভিডিও) যে কোন ধরনের হতে পারে। ওয়েবসাইটে সেগুলো সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা ওয়েব ডেভেলপারের কাজ। আর আপনার ওয়েবসাইটটি অন্যদের দেখার জন্য উপযোগী করাই ওয়েব হোস্টিং নামে পরিচিত।

আপনার ওয়েবসাইটটিকে যদি তুলনা করা হয় আপনার প্রতিষ্ঠানের অফিস বিল্ডিং হিসাবে, তবে তার তথ্য বা কনটেন্ট হবে এর আসবাবপত্র। আর ওয়েবসাইট ডেভেলপ করাকে তুলনা করা যাবে বাড়িটি তৈরি করার সাথে। সেক্ষেত্রে ওয়েবসাইট হোস্টিংকে তুলনা করা যায় আপনার অফিস বিল্ডিংয়ের জন্য জায়গা কেনা এবং সে জায়গায় বাড়িটি তৈরি করার সাথে। তবেই ভিজিটররা ওয়েবসাইটি ব্যবহার করার সুযোগ পাবে। কোন ওয়েব সাইট যে জায়গা জুড়ে থাকবে সেটাই ওই সাইটের হোস্টিং। আমরা দেখি যেকোন ওয়েব সাইট কিছু টেক্সট এবং মাল্টিমিডিয়া (Picture / Video) দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে। এই গুলা যে জায়গা বা BIT দখল করে তাকে ওই সাইটের হোস্টিং বলে। তবে সব থেকে ভাল হয় Domain and Hosting উদাহরন দিয়ে বোঝান যায়।

যেমন ধরুন :
• আপনার একটি বাড়ি আছে।
• বাড়িটি ১ একর জমির উপর আছে।
• বাড়িটি ঠিকানা যেকোনো একটি ঠিকানা।
• ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে বলতে গলে আপনার বাড়ি টায় আপনার সাইটের কনটেন্ট
• বাড়ির জমি হচ্ছে আপনার ওয়েব সাইটের হোস্টিং
• বাড়ির ঠিকানা হল ওয়েব সাইটের ডোমেইন

বিভিন্ন হোস্টিং কোম্পানি আছে যারা সাইট হোস্টিং করে থাকে। আপনার যেই হোস্টিং প্যাকেজটি ভালো লাগে আপনি সেটি কিনতে পারেন।

হেস্টিং কয়েক ধরনের হতে পারে যেমন: Shared Hosting, Dedicated Hosting, Vertual Private Server ইত্যাদি, বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হল –

বিনামূল্যে হোস্টিং করা (Free Hosting)
ছোটখাট ব্যক্তিগত ওয়েব সাইটের জন্য এই হোস্টিং ব্যবহার করা হয়ে থাকে। Bandwidth/Monthly Traffic খুব কম থাকে।নিরাপত্তা শক্ত হয়না। কোন ডোমেইন নামও পাবেননা।

শেয়ারড হোস্টিং (Shared Hosting)
এই হোস্টিং সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রচলিত। আমরা যে হোস্টিং গুলো ব্যবহার করছি বা সাধারনত হোস্টিং প্রোভাইডাররা যে হোস্টিং অফার করে থাকে তা সবই শেয়ারড হোস্টিং। প্রফেশনাল বা কোন বড় সাইটের একটা স্বয়ংসম্পূর্ন সার্ভারের নির্দিষ্ট পরিমান সার্ভিস দরকার। এই সমস্ত সুবিধা নিজস্ব সার্ভারে নিয়ে আসতে গেলে বেশ ব্যায়বহুল হয়ে যায়। এদের জন্য Shared Hosting উপযুক্ত। এই সার্ভারের নিরাপত্তা কম থাকে কারন এখানে একসাথে অনেক Client এর সাইট(১০ থেকে শুরু করে আরও বেশি) একসাথে থাকে। এছাড়া আনলিমিটেড ডেটাবেস, ইমেইল, ব্যান্ডওয়াইডথ এসব পাবেননা, সব সীমিত। খুব ভাল হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছে হোস্টিং করালে

শেয়ারড হোস্টিং প্যাকেজে সর্বোচ্চ নিচের সুবিধা গুলি পেতে পারেন
• ১০০% আপটাইম
• আনলিমিটেড ডিস্ক স্পেস (আসলে ১ লক্ষ ফাইল পার হলে আর আপলোড করতে দেয়না)
• আনলিমিটেড ব্যান্ডওয়াইডথ
• আনলিমিটেড ডেটাবেস
• ফ্রি cPanel
নিজের ডোমেইনের জন্য কোন ডেডিকেটেড আইপি পাবেন না, কোন সফটওয়্যার ইনস্টল দিতে পারবেন না (সার্ভারে) এছাড়া আরো সীমাবদ্ধতা আছে।
আসলে তাদের মুল সার্ভারটির CPU এর ২৫% ভাগ বেশি ব্যবহার করে ফেললে নানান টালবাহানা শুরু করে। যেহেতু সব আনলিমিটেড লেখা থাকে তাই সরাসরি বলবেনা যে আপনোকে ডেডিকেটেড সার্ভার নিতে হবে। যখনি আপনার সাইটে প্রচুর হিট পড়বে তখনি ইনিয়ে বিনিয়ে নানান কথা এবং কাজের মাধ্যমে বুঝাতে চাইবে তারাতারি ডেডিকেটেড সার্ভার নিন। যদি না বোঝেন তাহলে আস্তে আস্তে সাইট বন্ধ/ডাউন করে রাখবে।
এরুপ একটি প্যাকেজ নিলে বছরে ৬/৭ হাজার টাকা খরচ পড়তে পারে।

ডেডিকেটেড হোস্টিং (Dedicated Hosting)
এই হোস্টিং এর জন্য ডেডিকেটেড সার্ভার প্রয়োজন। এটা অনেক ব্যায়বহুল। যদি আপনার ওয়েবসাইট অনেক অনেক বড় হয় এবং শক্ত নিরাপত্তা দরকার তখন এই হোস্টিং করা চলে। এখানে আপনি আপনার খরচ পরিমান হার্ডওয়্যার পাবেন। যত ব্যাস্ত সাইট হবে তত বেশি পাওয়ারফুল হার্ডওয়্যার লাগবে। এই হোস্টিং ২ প্রকার
Managed Hosting: হোস্টিং প্রোভাইডাররাই সব করে দেবে যেমন নিরাপত্তা, সার্ভার সেটাপ, নেটওয়ার্ক কনফিগার, কোন সফটওয়ার ইনস্টল দেয়া ইত্যাদি এজন্য তাদেরকে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা দিতে হবে।
Unmanaged Hosting: আপনি যদি Server administrator হন অর্থ্যাৎ আপনি যদি নিজেই আপনার এই ওয়েব সার্ভারের সকল কাজ করে নিতে পারেন তাহলে এটা হবে Unmanaged Hosting. এতে আপনার অনেক অর্থ সেভ হবে। সার্ভার ম্যানেজ করা শেখা যায়। ওয়েবে হাজারটা টিউটোরিয়াল আছে ইচ্ছে করলে শিখে নিজের কাজ নিজেই চালাতে পারেন।

একটা ডেডিকেটেড হোস্টিং প্যাকেজের বর্ননা এবং উদাহরন
Intel Xeon Quad Core 2.5GHz (8 threads) : ৮ কোরের প্রসেসর ২.৫ গিগাহার্জ ক্লক রেট।
500 Mbps Uplink : ৫০০ মেগাবিট ডেটা সেকেন্ডে ট্রান্সফার করতে পারবে।
8 GB Ram : RAM ৮ জিবি
1,000 GB RAID-1 Drives : ১০০০ জিবি হার্ডডিস্ক RAID 1 প্রটেকশন
20 TB Bandwidth : ২০ টেরাবাইট অর্থ্যাৎ ২০,০০০ জিবি মাসিক ব্যান্ডওয়াইডথ (বা এই পরিমান ডেটা ট্রান্সফার করতে পারবেন)
4 Dedicated IPs : ৪ টা ডেডিকেটেড আইপি
WHM, cPanel ফ্রি পাবেন, আনলিমিটেড ডেটাবেস তৈরী করতে পারবেন এবং আরো অনেক সুবিধা পাবেন।
এরুপ একটি হোস্টিং প্যাকেজ কিনতে মাসে প্রায় ১০ হাজার টাকার মত লাগবে।

ভিপিএস বা VPS (Vertual Private Server) হোস্টিং
শেয়ারড আর ডেডিকেটেড হোস্টিং এর মাঝামাঝি হল ভিপিএস হোস্টিং। ডেডিকেটেড সার্ভারে সব হার্ডওয়্যার রিসোর্স একা আপনাকে দিয়ে দিবে এবং আপনার সাইট একটি সার্ভারে থাকবে। আর শেয়ারড হোস্টিং এ আপনার সাইটের সাথে থাকবে আরো হাজারটা সাইট। বিস্তারিত উপরেই আছে। ভিপিএস হোস্টিং এ সাধারনত একটা ডেডিকেটেড সার্ভার কয়েকজনকে ভাগ করে দেয়। যেমন ১৬ জিবি র্যামের একটা সার্ভার আপনাকে দিল ৪ জিবি এবং বাকিগুলি আরো ৩ জনকে দিল এভাবে সব রিসোর্স ভাগ/সীমাবদ্ধ করে দেয়। ডেডিকেটেড সার্ভারের মতই মোটামুটি নিজের মত যেকোন সফটওয়্যার ইনস্টল দেয়া যায়। সাধারনত তখন এরুপ হোস্টিং প্যাকেজ নিবেন যখন একটা ডেডিকেটেড সার্ভারের সব রিসোর্স আপনার লাগবেনা, তাহলে কাজও হল কিছু অর্থ সেভ হল।
হোস্টিং কেনার সময় যেসকল বিষয় গুল অবশ্যই যানবেন ?
তাহলে নিচে থেকে দেখেনিন একটা ওয়েব হোস্টিং কেনার সময় কোন কোন বিষয় গুল লক্ষ রেখে একটা সঠিক হোস্টিং সার্ভার থেকে আপনার সাইট এর জন্য হোস্টিং কিনবেন। নিচে স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করা হল -

১. বাজেট-
প্রত্যেকেরই একটা আনুমানিক বাজেট থাকে যার মধ্যে সে হোস্টিং কিনবে। একই সাথে ভাল মানের এবং কম টাকার মধ্যে কিনতে হলে অবশ্যই আপনাকে বাজার ঘুরে দেখতে হবে। আপনার বাজেট নির্ধারণ অবশ্যই বাস্তব সম্মত হতে হবে।একটা কথা মনে রাখতে হবে যেমন টাকা পে করবেন তেমন সার্ভিস পাবেন। আপনি যেমন ডিমের দামে মুরগী পাবেন না তেমনি হোস্টিং এর ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। একটা ডেডিকেটেড সার্ভারের প্রাইস ১৫০-৫০০ ডলার প্রতি মাসে এখন আপনি যদি ৫০ জিবি স্পেস ২ ডলার মাসে চান তাহলে আপনাকে ডাউনটাইম, সাইট স্লো লোডিং এসব বিষয় সহ্য করতে হবে। তাই কেনার আগে এ বিষয়টি ভেবে দেখুন। সস্তার তিন অবস্থা এই কথাটি মাথায় রাখুন।

২.ডিস্ক স্পেস-
আপনাকে স্পেস এর কথা চিন্তা করতে হবে। আপনার ওয়েব সাইটের জন্য কতটুকু স্পেস লাগবে তা হিসাব করে নিন। আপনি যদি ব্যক্তিগত ওয়েব সাইট করতে চান যাতে শুধু কয়েকটা পেজ থাকবে তাহলে ৫০ এমবি স্পেসই যথেষ্ট। আর যদি চিন্তা ব্যক্তিগত ব্লগ টাইপের ওয়েব সাইট হবে তাহলে ২০০-৫০০ এমবি স্পেসই যথেষ্ট। আর আপনি যদি চিন্তা করেন ছবি, গান, ভিডিও রাখবেনতবে আপনাকে বড় ওয়েব স্পেসের দিকে নজর দিতে হবে। অনেকেই দেখা যায় ১০০ এমবি হোস্টিং যথেষ্ট সাইট হোস্ট করার জন্য কিন্তু কিনে ফেলেন ১-৫০ জিবি। বছর বছর টাকা দিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু ব্যবহার করতেছেন ১০০ এমবি। তাই অযথা স্পেসের জন্য অতিরিক্ত টাকা না দিয়ে সবচেয়ে ছোট প্লান থেকে শুরু করুন। আপনার যদি স্পেস বেশি প্রয়োজন পড়ে তাহলে পরবর্তী প্লানে আপগ্রেড করে নিবেন। এবং প্রায় সব কোম্পানিই আপগ্রেড সুবিধা দিয়ে থাকে।
আনলিমিটেড স্পেসের ফাঁদে পা দিবেন না। এটা একটা মার্কেটিং ট্রিকস। কোন কোম্পানিরই আনলিমিটেড স্পেস দেয়া সম্ভব না। একবার চিন্তা করুন তো আপনি মার্কেটে আনলিমিটেড হার্ডডিস্ক দেখেছেন কি না। সার্ভারও আমাদের পিসির মতোই।

৩. ব্যান্ডউইথ-
প্রতিবার পাঠক / দর্শক যতগুলো পেজ আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করে, ততগুলো পেজ, ছবি, গান, ভিডিও অর্থাৎ ওইসব পেজে যা কিছু আছে সবগুলোই পাঠকের কম্পিউটারে ডাউনলোড হয়। প্রাথমিক অবস্থায় একটা সাইটের ১ জিবি ব্যান্ডউইথ ও যথেষ্ট। পারসোনাল সাইটের জন্য এর চেয়ে বেশি লাগার কথা না। আর আপনার সাইটে যদি প্রচুর ইমেজ, ভিডিও ইত্যাদি থাকে তাহলে প্রচুর ব্যান্ডউইথ লাগতে পারে। ১০-১০০ জিবি অথবা তারচেয়ে ও বেশি।

৪. আপটাইম/SLA গ্যারান্টি-
একটি ওয়েবসাইটের জন্য আপটাইম বিষয়টি খুবই জরুরি। হোস্টের সার্ভার যতক্ষন সচল থাকবে, আপনার ওয়েবসাইটও ততক্ষন সক্রিয় থাকবে। এটা কেবলমাত্র পাঠকের জন্যই গুরুত্বর্পূণ নয়, বরং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনেও অনেক গুরুত্ববহন করে। পাঠক একবার আপনার ওয়েবসাইটে আসে দেখলো আপনার ওয়েবসাইট কাজ করছে না, তখন তার মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে এবং সে ভবিষ্যতে নাও আসতে পারে। ঠিক তেমনি সার্চ ইঞ্জিনের বট ইনডেক্সের সময় ওয়েবসাইট ডাউন থাকলে, সে ফিরে যাবে এবং আপনি আপনার ওয়েবসাইট ইনডেক্স হওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন।এখন প্রতিটি হোস্টিং কোম্পানিই ৯৯.৯% টাইম সক্রিয় থাকার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু এদের প্রকৃত আপটাইমের হিসেব পাওয়া সম্ভব নয়। তাই কেনার আগে গুগলে যে কোম্পানি থেকে কেনার কথা চিন্তা করছেন সে কোম্পানির নামের সাথে আপটাইম শব্দটি লাগিয়ে সার্চ দিন। যেমন- examplehost uptime লিখে সার্চ দিলে আপনি example.com এর আপটাইম সম্পর্কে জানতে পারবেন।আর কোম্পানি যদি কোন মাসে আপটাইম গ্যারান্টি রক্ষা না করতে পারে তাহলে সে জন্য ক্রেডিট প্রদান করে কি না চেক করে নিতে হবে। কোম্পানির ওয়েব সাইটে টার্মস অব সার্ভিসেস লিংকে এ সম্পর্কিত বিস্তারিত লেখা থাকে।

৫. মানিব্যাক গ্যারান্টি-
মানিব্যাক গ্যারান্টি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। অনেক কোম্পানিই ৩০ দিনের মানিব্যাক গ্যারান্টি দিয়ে থাকে। কেনার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন কোম্পানি মানিব্যাক গ্যারান্টি দিচ্ছে কিনা।

৬. প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অবস্থা-
হোস্টিং কেনার আগে হোস্টিং কোম্পানি ভাল না মন্দ তা জেনে নেয়ার চেষ্টা করুন। কোম্পানি সম্পর্কে ইউজারদের দৃষ্টি ভঙ্গি কেমন তা কোম্পানির রিভিউ দেখলেই বুঝতে পারবেন। যেমন- গুগলে গিয়ে Hostproviderbd review লিখে সার্চ দিলে Hostproviderbd সম্পর্কে ব্যবহারকারিদের মতামত জানতে পারবেন।

কোম্পানি যেসব বিলিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে তা বৈধ্য উপায়ে করে কি না। নাকি চোরাই সফটওয়্যার ব্যবহার করে তা নিশ্চিত হয়ে নিন। যারা চোরাই স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে সার্ভিস দেয় তাদের থেকে ভাল কিছু আশা করা ঠিক হবে না।

৭. সাপোর্ট-
আজকের দুনিয়ায় সাপোর্ট একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার সার্ভার যদি কখনো ডাউন হয় আর যদি তা জানাতে এবং উত্তর পেতে কয়েক দিন লেগে যায় তাহলে লক্ষ ভিজিটর হারাতে পারেন। আর যদি আপনি রিসেলার ক্লাইন্ট হোন তবে তো মহা বিপদে পড়বেন। আপনার ক্লাইন্টকে কোন উত্তর দেয়ার মতো কিছু থাকবে না। তাই কোম্পানির সাপোর্ট কত দ্রুত তা নিশ্চিত হয়ে নিন। হোস্টিং কোম্পানি জিজ্ঞাসা করুন তাদের গ্যারান্টেড সাপোর্ট রেসপন্স টাইম কেমন। এবং কি কি মাধ্যমে সাপোর্ট দিয়ে থাকে।
৮. হোস্টিং ফিচার-
হোস্টিং প্লানগুলোর মধ্যে কোন লিমিটেশন থাকলে সেটা অনেক সময় ভালভাবে উল্লেখ করা থাকে না। তাই প্লানগুলোর তুলনা করে আপনার চাহিদার সাথে বেপারগুলো মিলে কিনা তা দেখে নিন। আপনি যদি এএসপি ডট নেটে সাইট বানাতে চান তাহলে আপনার উন্ডডোজ হোস্টিং লাগবে। লিনাক্স হোস্টিং এ চলবে না। আপনার যে যে ফিচার প্রয়োজন তা তারা দিতে পারছে কি না দেখে নিন।

৯. লিমিটেশন জেনে নেওয়া-
আপনি আপনার হোস্টিং এ কি কি হোস্ট করতে পারবেন এবং কতটুকু স্পেস, ব্যান্ডউইথ, সিপিউ ব্যবহার করতে পারবেন তা টার্মস অব সার্ভিসেস পেজে দেয়া থাকে। তাই কোম্পানির টার্মস অব সার্ভিসেস পড়ে নিতে হবে।

১০. কন্ট্রোল প্যানেল-
আপনার ওয়েব সাইট ম্যানেজ করার জন্য কন্ট্রোল প্যানেল প্রয়োজন। কন্ট্রোল প্যানেলের সাহায্যে আপনি আপনার ওয়েব সাইট সহজেই ম্যানেজ করতে পারেন। ওয়েব হোস্টিং এ সব চেয়ে সহজ এবং অধিক ফিচার সমৃদ্ধ কন্ট্রোল প্যানেল হচ্ছে সিপ্যানেল। তাই সবসময় সিপ্যানেল হোস্টিং নেয়ার কথা চিন্তা করুন।

১১. সার্ভার লোড-
সাভার ওভার লোড কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিন। আপনি হোস্টিং কোম্পানিকে সার্ভারের টোটাল কোর এবং প্রসেসর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন। যদি সার্ভার কোর ৮টা হয় এবং তাদের সার্ভার লোড ৮ এর উপরে হয় তাহলে সার্ভার ওভারলোড। এবং ওভারলোড সার্ভারে সাইট হোস্ট করলে সাইট লোড হতে বেশি সময় নিবে।

১২ .টেকনিক্যাল সীমাবদ্ধতা-
আপনি যদি ব্লগ, ই-কমার্স, লাইভ ভিডিও ইত্যাদি ধরণের সাইট বানাতে চান তাহলে সস্তার তিন অবস্থায় না যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সস্তা প্যাকেজের সার্ভার গুলোর হার্ডওয়্যার কনফিগ খুব একটা ভাল হয় না। ফলে আপনার সাইট আধিকাংশ সময় ই আফলাইন/ডাউন থাকবে যা আপনার ও আপনার ভিজিটর কারো ই কাম্য নয়। তাই আপনি যে প্রতিষ্ঠানটিকে বাছাই করবেন তাদের থেকেই যেনে নিন আপনার জন্য কোনটি ভাল হবে। অযথা নিজের ভুলে হয়রানি হয়ে প্রতিষ্ঠানের বদনামি করবেন না।

১৩. বিশেষ সুবিধাদি-
এই কথাটাকে আরো সুন্দর ভাবে বলতে গেলে বলতে হবে “সুন্দরীতমা তোমার রুপের রহস্য কি?” অর্থাৎ কোন বৈশিষ্ঠের কারণে আপনার নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানটি আপনার কাছে সেরা? একাধিক ডাটাসেন্টার, দৈনিক ব্যাকাপ, ফ্রি ডোমেইন প্রইভেসি, আনলিমিটেড ব্যান্ডওয়াইড সেটা যাই হোক, আপনার যদি মনে হয় আপনার প্রয়োজনের সবটুকুই তারা দিতে পারবে তাহলে আপনি তাদের সেবা নিতে পারেন।
১৪. ব্যবহারকারীদের টিউমেন্ট-
তাদের ব্লগ ও সোসাল মিডিয়া গুলো ভিজিট করলেই আপনি এই বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে পারবেন। তাছাড়া ফেসবুকে বিভিন্ন গুপে আমাদের দেশীয় প্রতিষ্ঠান গুলোর সম্পর্কে জানতে পারবেন।

১৫. ই-মেইল সুবিধা-
এটি খুবই গুরুত্বপূণ একটি বিষয়। আপনি অবশ্যই এই বিষয়টির ব্যপারে আপনার পচ্ছন্দের প্রতিষ্ঠানটিকে জিজ্ঞাস করতে ভুল করবেন না। আপনার সাইটে যদি স্পার্ম জনিত সমস্যা হয় তাহলে বুঝতে হবে তারা এ ব্যপারে পর্যাপ্ত সুবিধা দিতে ব্যর্থ। তাই আগে থেকেই জেনে নিন ই-মেইল সুবিধা ও স্পার্ম সমাধান সর্ম্পকে।

১৬ কন্ট্রলপ্যানেল-
আপনি যদি ওয়েবের জগতে নতুন হয়ে থাকেন তারপরেও স্ক্রিপ ইনস্টল, ই-মেইল সেটআপ, FTP একাউন্ট সেটিং করতে হবে প্রভাইডরের সাহায্য ছাড়াই। এক্ষেত্রে cPanel অথবা Plesk এর ইন্টারফেস আপনার জন্য সুবিধা জনক। আমাদের দেশে প্রায় প্রতিটি প্রভাইডর cPanel ব্যবহার করে থাকে সুতরাং আপনার এ ব্যপারে খুব একটা সমস্যা হবে না। এতো গেল হোস্টিং কন্ট্রোলপ্যানেল। ডোমেইন এর কন্ট্রোলপ্যানেল হোস্টিং কন্ট্রোলপ্যানেল থেকে আলাদা। আপনি ডোমেইন কেনার আগে অবশ্যই জেনে নিবেন আপনাকে ডোমেইন কন্ট্রোলপ্যানেল দেয়া হবে কিনা এবং ভবিষ্যতে যদি প্রয়োজন পড়ে ডোমেইন ট্রান্সফার করতে পারবেন কিনা।

কারো যদি ডোমেইন হোস্টিং লাগে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনার সাদ্ধের মধ্যে ভাল মানের হোস্টিং দেওয়ার চেষ্টা করব। অথবা আপনি চাইলে অন্য যেকোনো কম্পানি থেকে নিতে পারেন। সেক্ষেত্রেও যদি হেল্প লাগে তাহলে নক করবেন পাশেই থাকব।

ডোমেইন নেম কি? ডোমেইন কেনার সময় কি কি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হব।ডোমেইন নেম কি?ডোমেইন নেম হচ্ছে কোন একটা ওয়েবসাইটের নাম। যে...
29/04/2018

ডোমেইন নেম কি? ডোমেইন কেনার সময় কি কি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হব।

ডোমেইন নেম কি?
ডোমেইন নেম হচ্ছে কোন একটা ওয়েবসাইটের নাম। যেমন www.hostproviderbd.com একটি ওয়েবসাইট। এখানে www হচ্ছে world wide web, hostproviderbd.com হচ্ছে ডোমেইন নেম। এই ওয়েবসাইটের একটি আইপি অ্যাড্রেস আছে। প্রত্যেক ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট আইপি থাকে। কিন্তু আইপি দিয়ে ওয়েবসাইট মনে রাখা কষ্টসাধ্য। ডোমেইন নেমের কল্যাণে আমরা অনেক ওয়েবসাইটের নাম মনে রাখতে পারি।

ডোমেইন গঠনঃ
ডোমেইন নেমের দুইটি অংশ থাকে। একটিতে নাম, আরেকটি তে এক্সটেনশন। যেমন https://hostproviderbd.com এখানে hostproviderbd হল ডোমেইন নেম এবং .com হল ডোমেইন এক্সটেনশন। ওয়েবসাইটের ধরণ অনুযায়ী এক্সটেনশন সিলেক্ট করা হয়। এরকম কিছু এক্সটেনশন দেখে নেইঃ
com বহুল ব্যবহৃত এক্সটেনশন। সাধারণত কোম্পানি ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করা হয়।net এক বা একাধিক নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত।org কোন অর্গানাইজেশন/সংগঠন এর ওয়েবসাইট এর জন্য।info ব্যক্তিগত অথবা তথ্যভিক্তিক ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহৃত।me সাধারণত পোর্টফলিও ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করা হয়।

TLD ও CCTLD কি?
TLD মানে Top Level Domain. উপরের যতগুলো ডোমেইন দেখানো হয়েছে তার সবগুলোই Top Level Domain.
ccTLD হল country code top level domain. বিভিন্ন দেশের জন্য কিছু নির্দিষ্ট ডোমেইন এক্সটেনশন থাকে। যেমন .COM.BD/.IN/.PK

ডোমেইন নেম নির্বাচন করার সময় লক্ষণীয় বিষয়ঃ
১ সহজবোধ্য নাম নির্বাচন করতে হবে, যাতে করে ভিজিটর সহজেই নাম মনে রাখতে পারে।
২ ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তুর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নাম দিতে হবে।
৩ সংক্ষিপ্ত নাম দেখতে সুন্দর, মনে রাখাও সোজা।
৪ বড় কোন কোম্পানির অনুকরণে নাম দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। যেমনঃ googlebd.com, yahooshop.com etc
৫ আপনার পছন্দের ডোমেইন নেম খালি আছে কিনা চেক করার জন্য এখানে দেখতে পারেন। (https://hostproviderbd.com)

ডোমেইন রেজিস্ট্রেশানের সময় সতর্কতাসমূহঃ
১ যার থেকে ডোমেইন কিনবেন তার সাথে ডোমেইন প্রাইস নিয়ে কথা বলে নিন।
২ পরের বছরের রিনিউ চার্জ জেনে নিন। কিছু কিছু প্রভাইডার দেখা যায় প্রথম বছর সল্প মূল্যে দিলেও পরের বছর অনেক চার্জ করে বসে। তাই ডোমেইন অফারের আওতায় কিনলে ডোমেইন রিনিউ প্রাইস জেনে নিবেন।
৩ ফুল কন্ট্রোল প্যানেল দিবে কিনা জিজ্ঞাসা করে নিবেন এবং অবশ্যই ফুল কন্ট্রোল প্যানেল আপনার কাছে রাখবেন। তাহলে পরবর্তীতে আপনি যে কারো থেকে রিনিউ করাতে পারবেন।
৪ ডোমেইন সম্পর্কিত যেকোন সমস্যায় প্রভাইডারকে জিজ্ঞাসা করবেন। আপনাকে অবশ্যই হেল্প করবে।

হোস্ট প্রোভাইডার বিডি সুনামের সাথে ডোমেইন হোস্টিং ব্যবসা করে যাচ্ছে। হাই ক্লাস ডোমেইন এবং উন্নত মানের এসইও ফ্রেন্ডলি হোস্টিং সরবরাহ করে থাকে।

ডোমেইন প্রাইসঃ ৮০০ টাকা। ১ বছরের জন্য।
হোস্টিং প্রাইসঃ ৩০০ টাকা ১ জিবি। (৭০% ডিসকাউন্ট চলছে)

ওয়েবসাইট: http://www.hostproviderbd.com
ইমেইল: [email protected]
হটলাইন: ০১৯৭৩৫৩০৬৭৮

.COM .NET .ORG .INFO .BIZ DOMAIN FULLY FREE 1ST YEAR WE HAVE PERFECT WEB HOSTING PACKAGE FOR YOU. We provide SSD Hosting with Top security and 99.99% up-time. We are top Domain Hosting provider in Bangladesh. Follow Us

জেনে নিন ডোমেইন নেম সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কণিকাআপনার ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠনের জন্যই হোক আর ব্যাক্তিগত ব্লগের জন...
29/04/2018

জেনে নিন ডোমেইন নেম সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কণিকা

আপনার ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠনের জন্যই হোক আর ব্যাক্তিগত ব্লগের জন্যই হোক, একটা ভাল ডোমেইন নেম সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। এটাই কোন ওয়েব সাইট তৈরির ক্ষেত্রে প্রথম ধাপ। একটা ভাল ডোমেইন নেম খুজেঁ পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই বেশ কিছুটা সময় নিয়ে বেশ কিছু সম্ভাব্য নামের তালিকা প্রস্তুত করা উচিৎ এবং সম্ভাব্যতা যাচাই করে সেখান থেকে সবচেয়ে উপযোগী নামটা নির্বাচন করা উচিৎ। অনেকেই প্রথম ওয়েব সাইট তৈরির সময় এত বেশি উত্তেজনায় থাকেন যে ডোমেইন নেমের গুরুত্বটা পাশ কাটিয়ে যান। কিন্তু এটা মোটেই ঠিক নয়। করণ ডোমেইন নেমই আপনার ওয়েব সাইটের একমাত্র পরিচিতি । এ নামটি যদি সহজবোধ্য, সহজে মনে রাখার যোগ্য, সংক্ষিপ্ত এবং অর্থপূর্ণ না হয় তাহলে আমাদের প্রত্যাশা পূরণে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হবে।

আপনার একটা ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করতে কয়েক শত টাকা থেকে শুরু করে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত লাগতে পারে। কিন্তু এটার অর্থ এই নয় যে আপনি ঐ ডোমেইন নেমটার মালিক হয়ে গেলেন। বরং আপনি একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ডোমেইন নেমটি ব্যবহারের অধিকার অর্জন করলেন। তাই “ডোমেইন নেম কেনা” এর পরিবর্তে “ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন” কথাটি অধিক যুক্তিযুক্ত।

পৃথিবীতে প্রতিটা সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন নেমই স্বতন্ত্র। তাই একই ডোমেইন নেম একাধিক সাইটের হতে পারে না। http://www. example .com ডোমেইন নেমটাকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এখানে .com হচ্ছে top-level domain name; আর example হচ্ছে organization বা entity নেম যা মূলত একটা ভাল ডোমেইন নেম এর মূল কৃতিত্বের দাবিদার। আমাদেরকে মূলত এই অংশটিতেই প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে একটা ভাল ডোমেইন নেম খুজে বের করতে হয়। organization বা entity নেম এবং top-level domain name একত্রে যুক্ত হয়ে তৈরি হয় Second-level domain name। সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন এর সাথে হোস্ট সারর্ভার নেম যেমন www যুক্ত হয়ে তৈরি হয় third-level domain name; সেকেন্ড সার্ভার নেম হতে পারে www2 এর অনুরূপ। সবমিলিয়ে http://www.example.com হচ্ছে একটি পূর্ণাঙ্গ ডোমেইন নেম।

আমরা সকলেই কমবেশি সাবডোমেইন (Subdomain) শব্দটির সাথে পরিচিত। http://www. blog. example. com একটা সাবডোমেইন নেম। blog. অংশটি মূল ডোমেইন নেমের সাথে যুক্ত করে সাবডোমেইন নেম তৈরি করা হয়েছে। blog. এর পরিবর্তে service. বা এর অনুরূপ অসংখ্য শব্দ যুক্ত করে অসংখ্য সাবডোমেইন নেম তৈরি করা যায়।

পৃথিবীতে .com, .net,.org, .me, .tv, ইত্যাদির মত বেশ কিছু অতি প্রচলিত top-level domain name এর পাশাপাশি কিছু ভৌগলিক top-level domain name ও রয়েছে যেমন .in, .us, .au ইত্যাদি। ডোমেইন নেমের অধিকার Internet Corporation for Assigned Names and Numbers (ICANN) নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা প্রায়ই ডোমেইন নেম বিক্রি করা কথাটি শুনে থাকি আর এজন্য বিভিন্ন দেশি বিদেশি কম্পানি রয়েছে। আসলে প্রকৃতপক্ষে তারা ডোমেইন নেম বিক্রি করে না, তারা ডোমেইন নেম ব্যবহারের অধিকার ট্রান্সফার করে।

এমন অনেকেই আছেন ডোমেইন নেম এর প্রতি বেশ উদাশীন, তারা ডোমেইন এর কন্ট্রোল নিয়ে চিন্তা করেন না যেখানে সেখানে থেকে ডোমেইন

নেম রেজিস্ট্রেশন করে বসেন। যা পরবর্তীতে পছন্দের ডোমেইন নেমটি হাতছাড়া হবার জন্য যথেষ্ঠ। তাই আপনারা যেখান থেকেই ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করেন না কেন আগে বিশ্বস্থতার বিষয়টি যাচাই করে নিয়ে এবং ডোমেইন এর কন্ট্রোল সম্পর্কে অবগত হয়ে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করবেন।

আপনি চাইলে পরবর্তীতে যে কোন সময়ে ডোমেইন নেম পরিবর্তন করতে পারবেন। কিন্তু এই কাজটি আপনি পারতপক্ষে করবেন না; কারণ আপনি ডোমেইন নেম পরিবর্তন করলেই সকল ব্যকলিংক হারাবেন সাথে সাথে হারাবেন আপনার সাইটের জনপ্রিয়তা। তাই দেখে বুঝে একটু সময় নিয়ে একটা সুন্দর সহজবোধ্য নাম খুজেঁ বের করে ওয়েব সাইট তৈরি করুন।

Address

655 Nurbug R/A Mannan Bhaban GEC
Chittagong
4200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Host Provider bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share