04/06/2026
গরমের তীব্রতায় প্রেগন্যান্ট মায়েদের একটু বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়। এই সময়ে সুস্থ ও সতেজ থাকতে যা করতে পারেন -
✅দিনে অন্তত ২.৫ - ৩ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করুন।
✅ বডি হাইড্রেটেড রাখতে ডাবের পানি, লেবুর শরবত, বাসায় তৈরি ফলের রস এবং চিনি ছাড়া লাচ্ছি খেতে পারেন।
✅তরমুজ, শসা, লাউ, ঝিঙা, চিচিঙ্গা ও সবুজ শাকসবজির মতো পানিসমৃদ্ধ সহজে হজম হয় এমন সব খাবার খান।
✅চা, কফি এবং সফট ড্রিংকস avoid করুন।
✅অতিরিক্ত তেল, মসলা ও চর্বিযুক্ত খাবার বাদ দিন।
✅ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের সুতির পোশাক পরুন। এতে বাতাস চলাচল সহজ হয় এবং গরম কম লাগে।
✅দিনে অন্তত একবার বা প্রয়োজনে দুবার স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে গোসল করুন। তবে দীর্ঘসময় পানিতে ভিজে থাকবেন না।
✅ঘামাচি বা ত্বকের র্যাশ এড়াতে শরীর সবসময় শুকনো রাখার চেষ্টা করুন।
✅ঘেমে যাওয়া পোশাক দ্রুত বদলে ফেলুন।
✅দিনের সবচেয়ে গরম সময়টাতে (দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা) ঘরের ভেতরে ফ্যান বা এসির ঠান্ডা বাতাসে থাকুন।
✅হুট করে এসি থেকে বের হবেন না। এসি অফ করে ঘরের টেম্পারেচার নরমাল করে এরপর বাহিরে বের হন।
✅এসি না থাকলে ঘরের জানালা খুলে দিয়ে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন, তবে সরাসরি রোদের তাপ যেন ঘরে না আসে সেদিকে খেয়াল রাখুন।
✅খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া তীব্র রোদে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।
✅বাইরে বের হলে অবশ্যই ছাতা, সানগ্লাস এবং চওড়া হ্যাট ব্যবহার করুন।
✅বাইরে হাঁটার জন্য আরামদায়ক ও ফ্ল্যাট জুতো বা স্যান্ডেল পরুন।
✅গরমের অস্বস্তিতে মেজাজ খিটখিটে হতে পারে। তাই মন শান্ত রাখতে কুরআন ও হাদীসের বই পড়ুন এবং নিজের পছন্দের কাজ করুন।
✅দুপুরে খাওয়ার পর অন্তত ১-২ ঘণ্টা এবং রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
✅ঘুমানোর সময় পায়ের নিচে একটি নরম বালিশ দিয়ে পা কিছুটা উঁচিয়ে রাখুন। এতে পায়ের ফোলা ভাব ও ক্লান্তি কমবে।
✅গরমের এই সময়ে কোনো ধরনের শারীরিক অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে অবহেলা না করে তাৎক্ষণিক নিজের গাইনী ডক্টরের পরামর্শ নিন।