GariBariBd.com

GariBariBd.com Will be live from 1st January 2013 http://www.garibaribd.com Largest collection of cars, flats and plots for sale/rent in Bangladesh.

16/07/2025

বাংলাদেশে কত ধরনের দলিল আছে? প্রতিটি দলিলের নাম, ব্যাখ্যা, উদাহরণ ও কখন করা যায় না:
– এক পোস্টে সব জেনে নিন!

🔰 ১. সাফ কবলা - বিক্রয় দলিল (Sale Deed)
📖 ব্যাখ্যা: মালিক তার জমি বা সম্পত্তি বিক্রি করলে এই দলিল রেজিস্ট্রি করতে হয়।
🧾 উদাহরণ: করিম ৫ শতক জমি রফিককে ৫ লাখ টাকায় বিক্রি করলো।

🚫 যখন করা যায় না:
যদি জমি নিজের নামে না থাকে
যদি দখল ছাড়া শুধু দাবি থাকে
যদি হস্তান্তরের বিনিময়ে টাকা না নেওয়া হয় (তাহলে এটি ‘দান’ হবে)

🔰 ২. দানপত্র দলিল (Gift Deed)
📖 ব্যাখ্যা: বিনা বিনিময়ে কোনো জমি বা সম্পত্তি কাউকে উপহার দিলে।
🧾 উদাহরণ: জনাব আজিজ ছেলেকে ১০ শতক জমি দিলেন।

🚫 যখন করা যায় না:
দাতার সম্মতি ছাড়া
নিজের নামে দান দলিল নিজেই করলে
মিথ্যা সম্পর্ক দেখিয়ে দান করলে

🔰 ৩. হেবা দলিল (Heba Deed)
📖 ব্যাখ্যা: ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী জীবিত অবস্থায় কাউকে জমি বা সম্পদ দান করা।
🧾 উদাহরণ: পিতা জীবিত অবস্থায় মেয়ে ও ছেলেকে জমি ভাগ করে হেবা করলেন।

🚫 যখন করা যায় না:
হেবা দিলে দখলে না দিলে
মৃত্যুর পরে হেবা কার্যকর হয় না
নিজের সম্পদ অন্যের নামে হেবা দেখিয়ে নিজেই ভোগ করলে

🔰 ৪. বিলি-বণ্টননামা (Partition Deed)
📖 ব্যাখ্যা: একাধিক উত্তরাধিকারীর মধ্যে জমি বা সম্পত্তি ভাগ করা হলে।
🧾 উদাহরণ: তিন ভাই পৈতৃক জমি ভাগ করে নিল।

🚫 যখন করা যায় না:
একক মালিকানা জমিতে
অন্য উত্তরাধিকারীর সম্মতি ছাড়া

🔰 ৫. বন্ধক দলিল (Mortgage Deed)
📖 ব্যাখ্যা: ঋণের বিপরীতে জমি বন্ধক রাখলে এই দলিল করা হয়।
🧾 উদাহরণ: আবুল ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে জমি বন্ধক রাখলো।

🚫 যখন করা যায় না:
জমির মালিক না হলে
জমি মামলায় জড়িত থাকলে
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ছাড়া অন্যের নামে বন্ধক করলে

🔰 ৬. চুক্তিনামা / চুক্তিপত্র (Agreement Deed)
📖 ব্যাখ্যা: জমি বিক্রি বা অন্য বিষয়ে পারস্পরিক সম্মতিতে করা লিখিত চুক্তি।
🧾 উদাহরণ: রফিক ১ লাখ টাকা অগ্রিম দিয়ে জমি কেনার চুক্তি করলো।

🚫 যখন করা যায় না:
যদি চুক্তির পক্ষদ্বয় স্পষ্ট না হয়
যদি জমির মালিক সম্মতি না দেন
যদি চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট হয়

🔰 ৭. ভাড়ানামা (Tenancy Agreement)
📖 ব্যাখ্যা: বাসা বা জমি ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে করা দলিল।
🧾 উদাহরণ: সালেহা বেগম তার ফ্ল্যাট ১৫,০০০ টাকায় ভাড়া দিলেন।

🚫 যখন করা যায় না:
মালিকানা ছাড়া
আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলে
দখলদার ভাড়ায় দিলে

🔰 ৮. ওয়ারিশ সনদ / উত্তরাধিকার দলিল
📖 ব্যাখ্যা: মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির উত্তরাধিকার নির্ধারণের কাগজ।
🧾 উদাহরণ: মৃত্যুজনিত কারণে স্ত্রী ও সন্তানরা ওয়ারিশ হয়।

🚫 যখন করা যায় না:
জীবিত ব্যক্তির নামে
জাল ওয়ারিশ বানিয়ে
মিথ্যা উত্তরাধিকার দেখিয়ে

🔰 ৯. নামজারি দলিল (Mutation Certificate)

📖 ব্যাখ্যা: জমি ক্রয়/উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হলে খতিয়ানে নাম উঠানোর আবেদনপত্র।
🧾 উদাহরণ: আশরাফ দলিল করে নামজারি আবেদন করলেন।

🚫 যখন করা যায় না:
দলিল ছাড়া শুধুমাত্র দখলে থাকলে
জমি বিরোধপূর্ণ হলে
আদালতে নিষেধাজ্ঞা থাকলে

🔰 ১০. সদিচ্ছাপত্র বা উইল দলিল (Will Deed)

📖 ব্যাখ্যা: মৃত্যুর পরে সম্পদ কে পাবে তা লিখে যাওয়া দলিল।
🧾 উদাহরণ: মো. আলী মৃত্যুর পর মেয়ে যেন জমি পায় তা উইল করে গেলেন।

🚫 যখন করা যায় না:
অন্যের সম্পত্তি উইল করা যায় না
উইল প্রমাণ ছাড়া কার্যকর নয়
মৃত্যুর পরে হঠাৎ তৈরি করা উইল সন্দেহজনক

🔰 ১১. দেনাপাওনা দলিল (Loan Agreement)
📖 ব্যাখ্যা: ঋণ বা ধার নেওয়া-দেওয়ার লিখিত চুক্তিপত্র।
🧾 উদাহরণ: শাহীন ৫ লাখ টাকা ধার নিয়ে দেনা দলিল করলো।

🚫 যখন করা যায় না:
সুদের হার বেআইনি হলে
প্রমাণ ছাড়া কারো নামে দায় বসানো হলে

🔰 ১২. পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (Power of Attorney)
📖 ব্যাখ্যা: অন্যকে নিজের হয়ে কাজ করার অনুমতি দেওয়া দলিল।
🧾 উদাহরণ: প্রবাসে থাকা রাহাত ভাইকে জমি বিক্রির দায়িত্ব দিলেন।

🚫 যখন করা যায় না:
মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি হলে
যদি সম্পত্তি বিতর্কিত হয়
যদি পূর্বে বাতিল করা হয়ে থাকে

🔰 ১৩. এফিডেভিট (Affidavit)
📖 ব্যাখ্যা: সত্যতা প্রমাণে শপথনামা; যেমন বয়স, নাম, ঠিকানা সংশোধনে ব্যবহৃত হয়।
🧾 উদাহরণ: নামের বানান ভিন্ন হলে এফিডেভিট দেওয়া হয়।

🚫 যখন করা যায় না:
মিথ্যা তথ্য দিলে
আদালতের ভুল তথ্য দিয়ে শপথ করলে

🔰 ১৪. কাবলা দলিল (Kabala Deed)
📖 ব্যাখ্যা: বিক্রয় দলিলের স্থানীয় নাম।
🧾 উদাহরণ: জমি কেনার ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়।

🚫 যখন করা যায় না:
মালিক ছাড়া অন্য কেউ কাবলা করতে পারেন না
দ্বৈত মালিকানা থাকলে সম্মতি ছাড়া হয় না

🔰 ১৫. পুনঃরপ্তানির দলিল (Reconveyance Deed)

📖 ব্যাখ্যা: বন্ধক ঋণ শোধ হওয়ার পর জমি ফেরত নেওয়ার দলিল।
🧾 উদাহরণ: আব্দুল ঋণ শোধ করে জমি নিজের নামে ফেরত নিলেন।

🚫 যখন করা যায় না:
ঋণ শোধ না করলে
বন্ধক এখনো সক্রিয় থাকলে

📌 সংক্ষিপ্ত তালিকা:
(দলিলের নাম + ইংরেজি নাম)

ক্র. দলিলের নাম ইংরেজি নাম
১ বিক্রয় দলিল - Sale Deed
২ দানপত্র দলিল - Gift Deed
৩ হেবা দলিল - Heba Deed
৪ বিলি-বণ্টননামা - Partition Deed
৫ বন্ধক দলিল - Mortgage Deed
৬ চুক্তিপত্র - Agreement Deed
৭ ভাড়ানামা - Tenancy Agreement
৮ ওয়ারিশ দলিল - Heirship Document
৯ নামজারি দলিল - Mutation Certificate
১০ উইল দলিল - Will Deed
১১ দেনাদার দলিল - Loan Agreement
১২ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি - Power of Attorney
১৩ এফিডেভিট - Affidavit
১৪ কাবলা দলিল - Kabala Deed (local)
১৫ পুনঃরপ্তানির দলিল - Reconveyance Deed

--- Jahangir Hossain LLB


#জমি_আইন #বাংলাদেশ_দলিল #দলিল_জ্ঞান

04/06/2025

1. Structure = 35%
2. Brick work = 6%
3. Wood work = 5%
4. Metal work = 2%
5. Plambing and Sanitary = 6%
6. Electrical work = 7%
7. Plaster work = 4%
8. General Floor Tiles work = 6%
9. Toilet & Kit wall Tiles work = 3%
10. Aluminium work = 4%
11. EME(Lift,Generator,Substation)=10%
12. Paint work = 3%
13. Others civil work = 6%
14. Utility connection & Bill = 3%
Total = 100%

✪ STRUCTURE ~ 35%
- Footing & Column Padestal = 20%
- Grade Beam, UGWR top Slab = 5%
- GF Column, Stair etc = 4%
- 1st Floor Slab = 9%
- Typical Floor Column (5x3%) = 15%
- 2nd floor slab to roof slab (5x8) = 40%
- Roof top = 7%
TOTAL = 100% (৩৫% যেভাবে আসবে।)

✪ BRICK WORK ~ 6%
- GF Brick work = 6%
- 1st floor Brick work = 18%
- 2nd floor Brick work = 18%
- 3rd floor Brick work = 18%
- 4th floor Brick work = 18%
- 5th floor Brick work = 18%
-Roof Top Brick work = 4%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ WOOD WORK ~ 5%
- Door frame = 40%
- Main Door Shutter = 15%
- Partex Door Shutter = 35%
- Cat Door & Accessories = 10%
TOTAL = 100% (৫% যেভাবে হবে)

✪ METAL WORK ~ 2%
- Window grill = 55%
- Verandah Railling = 20%
- Stair Railling = 10%
- Main gate, Gen-Sub, safety grill = 15%
TOTAL = 100% (২% যেভাবে হবে।)

✪ PLAMBING & SANITARY WORK~ 6%
- uPVC vertical line thru duct = 25%
- GI line work = 30%
- Fixture & Fittings = 40%
- Ground Floor = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ ELECTRICAL~ 7%
- Conduiting inside slab = 10%
- Conduiting on wall i/c MK box=15%
- Cabling work = 55%
- Switch-Socket = 20%
TOTAL = 100% (৭% যেভাবে হবে।)

✪ PLASTER ~ 4%
- Ceiling plaster = 20%
- Internal wall plaster = 50%
- Outside plaster/facing bricks = 30%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

✪ GENERAL FLOOR TILES ~ 6%
- General floor & Verandah = 75%
- Stair, typical lobby & lift wall = 20%
- GF lift lobby, wall, reception = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ TOILET & KIT WALL TILES ~ 3%
- Bath wall = 60%
- Kitchen wall = 20%
- Bath floor = 9%
- Bath counter top = 4%
- Kitchen floor = 3%
- Kitchen counter top =4%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

✪ ALUMINIUM WORK ~ 4%
- Outer framing-window sliding= 40%
- Glass shutter-window sliding = 30%
- Verandah sliding = 20%
- Toilet high window = 5%
- Comnon area = 5%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

✪ EME ~ 10%
- Lift = 50%
- Generator = 25%
- Substation = 20%
- PABX, Fire extinguisher etc = 5%
TOTAL = 100% (১০% যেভাবে হবে।)

✪ PAINT WORK ~ 3%
- Upto putty = 40%
- Internal wall&ceiling 1st coat= 20%
- Internal wall&ceiling 2nd coat= 15%
- Outside paint/ceramic Tites = 25%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

✪ OTHERS CIVIL WORK ~ 6%
- Boundary wall = 30%
- Line terracing/Roof top paver= 15%
- LOGO, Gardening & others = 4%
- GF BBC = 14%
- GF pavement & footpath dev = 10%
- Lintel, F/slab, drop wall, counter slab = 20%
- Cable tray = 1%
- Sanitary duct cover, ceiling etc= 4%
- Reception desk, letter box = 2%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ UTILITY CONNECTION & BILL ~ 3%
- DESA/DESCO = 35%
- TITAS = 20
- WASA = 15%
- Utility bills = 30%
TOTAL = 100%

15/05/2025

আমি একজন ব্যাংকার। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বানিজ্যিক ব্যাংক "জনতা ব্যাংক পিএলসি" এর ম্যানেজার। পেশাগত কারনে প্রায়ই আমাকে জমিজমা সংক্রান্ত বিভিন্ন খুটিনাটি বিষয় খতিয়ে দেখতে হয় এবং ঘাটাঘাটি করতে হয়। কিছুদিন আগে রাজধানী ঢাকার বেইলী রোডে অবস্থিত "জনতা ব্যাংক স্টাফ কলেজ" এ "ডকুমেস্টেশন অব লোন এন্ড এডভান্সেস" শীর্ষক একটি ট্রেইনিং সেশনে অংশগ্রহন করেছিলাম। জনতা ব্যাংক স্টাফ কলেজের ফ্যাকাল্টি মেম্বারগন ছাড়াও সেই ট্রেইনিং সেশনে আরও অংশগ্রহণ করেছিলেন ভুমি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ল্যান্ড রিফর্ম বোর্ডের চেয়ারম্যান জনাব মুন্সি শাহাবুদ্দীন আহমেদ। উনার নিকট থেকে প্রাপ্ত ভুমি সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য কিছু তথ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আশা করি আপনারা কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন।

=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কী/“পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ/ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
---------------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।
---------------------------------
===============================
#মোঃ_বাহার_উদ্দিন
ম্যানেজার
জনতা ব্যাংক পিএলসি।
সদস্য, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, ঢাকা।
---------------------------------
(প্রয়োজন মনে করলে শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন। আইন জানুন, সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।)

💛 "ঈদ আনন্দ, ঈদ ভালোবাসা, ঈদ একতার প্রতীক!" 💛সেবা ফ্যামিলির সকল সম্মানিত সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও গ্রাহকদের জানাই পবিত্র ঈ...
30/03/2025

💛 "ঈদ আনন্দ, ঈদ ভালোবাসা, ঈদ একতার প্রতীক!" 💛

সেবা ফ্যামিলির সকল সম্মানিত সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও গ্রাহকদের জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন! 🎉🌙

এই আনন্দের দিনে আমরা একে অপরের পাশে থাকব, ভালোবাসা ভাগ করে নেব, এবং মানবতার সেবায় আরও এক ধাপ এগিয়ে যাব। আপনার জীবন ভরে উঠুক শান্তি, সুখ এবং সমৃদ্ধিতে।

🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সবার জীবন মঙ্গলময় করুন এবং এই ঈদ আমাদের জন্য বয়ে আনুক অফুরন্ত আনন্দ ও সফলতা!

🚀 সেবা ফ্যামিলির পক্ষ থেকে আপনাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি রইলো—আজ, আগামীকাল এবং সবসময়!

🌟 ঈদ মোবারক! 🌟

🎊💖

30/11/2024

👉ঘ‌রে ব‌সেই কারো সহযোগিতা ছাড়া একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বেঃ

জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: নামজারি প্রক্রিয়া ও খরচ

নামজারি বা মিউটেশন হলো জমির বর্তমান খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে একটি নতুন খতিয়ান তৈরি করার প্রক্রিয়া। জমি ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি বৈধভাবে নিজের নামে রেকর্ড করতে এটি অপরিহার্য।

নামজারি করতে যা যা প্রয়োজন

নামজারি আবেদন করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে:

1. জমির দলিলের সার্টিফাইড কপি/মূল কপি।

2. এস এ/আর এস খতিয়ানের কপি।

3. ওয়ারিশান সনদের কপি (যদি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি হয়)।

4. ছবি (জন্মনিবন্ধনের ভিত্তিতে আবেদন করলে)।

5. বায়া দলিলের কপি (যদি প্রয়োজন হয়)।

6. মোবাইল নম্বর।

7. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।

8. কর/খাজনার রশিদ।

নামজারি প্রক্রিয়া

১ম ধাপ:
mutation.land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নাগরিক বা কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করুন। আবেদন করার পর একটি কেস নম্বর পাবেন, যা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

২য় ধাপ:
আপনার আবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাবে। তদন্তের পর সব ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ:
এসিল্যান্ড অফিস থেকে শুনানির তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। শুনানির পর ডিসিআর ফি পরিশোধ করে অনলাইনে কিউআর কোডসহ নামজারি কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

সময় ও খরচ

নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ১৫-৩০ দিন সময় লাগে।

মোট খরচ: ১১৭০ টাকা।

তথ্য ও সহায়তা

নামজারি আবেদন বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য কল সেন্টার 16122-এ যোগাযোগ করুন। অথবা সমস্যার সমাধানে ভিজিট করুন: hotline.land.gov.bd।

আপনার জমি বৈধ করতে সময়মতো নামজারি করুন।
©

24/10/2024

গাড়ি কেনার আগে জেনে নিন কি কি যাচাই করা দরকার।

সুত্রঃ চট্টগ্রাম কার হাট লিমিটেড।

✅ গাড়ির বনেট তুলে চ্যাসিস মার খাওয়া কিনা সেটা দেখবেন।চেসিস হল গাড়ির মেরুদন্ড
আর মেরুদন্ড শক্ত না হলে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না এটা আপনি নিজেই জানেন।
তাই আগে দেখে নিন চেসিস মাইর খাওয়া আছে কিনা!যদি চেসিস খুব বেশি আঘাত না লাগে তবে পরবর্তী স্তরগুলোতে যেতে পারেন নয়তোবা এই গাড়ি কেনার ডিসিশন এখান থেকে বাদ দিন এবং আরেকটা খোঁজা শুরু করুন।

✅ চেসিস নাম্বার ,ইঞ্জিন নাম্বার মিলিয়ে দেখুন কাগজের সাথে এক কিনা (এগুলো আপনি ফিটনেস পেপারে পাবেন)

✅ ইঞ্জিন স্টার্ট করার পর অয়েল গেজটি তুলুন , এক্সেলেরেটর প্যাডেলে চাপ দিন যদি সাদা ধোঁয়া বের হয় তাহলে ইঞ্জিন বদলাতে হবে এটা ধরে নিতে নিন অন্যথা ভালো ইঞ্জিন।

✅ ইঞ্জিন স্টার্ট করে স্টিয়ারিং সিটে বসুন এরপর হেড লাইট অন করুন। তারপর ব্যাক গিয়ারে দিন যদি ঝাঁকি দেয় তবে ধরে নিবেন গিয়ারবক্স খুব শীঘ্রই বদলাতে হবে অন্যথায় গিয়ারর্বক্স ভালো আছে। বাকি গিয়ার গুলো পরিবর্তন করে দেখুন , স্মুথলি শিফট হয় কিনা। যদি স্মর্টলি শিফট হয় তবে ভালো নতুবা ধরে নিন গিয়ার বক্স খুব শীঘ্রই বদলাতে হবে। (অনেক সময় গিয়ার বক্স বস করলে প্রবলেম এর সমাধান হয়ে যায় কিন্তু সমাধান না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি তাই খরচটা হাতে ধরে নিবেন)

✅ গাড়ির সামনে বা সামনে ডানে বামে মার খাওয়া কিনা তা বোঝার জন্য স্টিয়ারিং ফুল ডানে-বামে কাটুন এবং দেখুন ফেন্ডারের নিচে ঝালাই করা আছে কিনা। যদি ঝালাই থাকে তবে বুঝবেন মাইর খাওয়া।

✅ গাড়ির সামনে পিছে নাম্বার প্লেট একদম স্টেট আছে কিনা সেটা মিলিয়ে নেবেন মাইর খাওয়া হলে একদম বাজে অবস্থায় চলে যাবে নতুবা ঠিক থাকবে।

✅ পুরো গাড়ির অন্য কোথাও কোন মাইর আছে কিনা সেটা দেখেন। ভাড়ায় চালিত গাড়ি হলে অনেকাংশেই পিছনে মাইর খাওয়া থাকে দাম কম পেলে কিনতে পারেন অন্যথায় বাদ দিন।

✅গাড়ির ইন্টেরিয়র দেখুন ভালো কন্ডিশনার খারাপ কন্ডিশন নিজেই বুঝতে পারবেন।

✅ইঞ্জিন স্টার্ট করে এসি অন করে দেখুন আপনাকে পর্যাপ্ত ঠান্ডা করতে পারে কিনা (টোয়োটা সিডান কার গুলোতে এসি এসি মেরামত করতে 2500 টাকা থেকে 30 হাজার টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে)।

✅ইঞ্জিন স্টার্ট করার পর সাইলেন্সার পাইপ দিয়ে দেখুন কোনরকম কালো অথবা সাদা ধোয়া অনবরত বের হয় কিনা যদি হয় তাহলে ইঞ্জিনের কাজ করাতে হবে (যদি vvti ইঞ্জিন হয় তাহলে দাম বেশি না 30 থেকে 35 হাজারে কমপ্লিট করতে পারবেন)

✅ টায়ার গুলো দেখুন নতুন আছে কিনা মধ্যম মানের থাকলেও ভালো অন্য তা আবার বিষ হাজার টাকা খরচ।

✅ সুযোগ পেলে গাড়ি সামনে ড্রাইভ করে দেখুন স্টিয়ারিং ডানে বামে মোড় নেওয়ার সময় বাজে আওয়াজ হয় কি না ।
যদি হয় তবে সিবি জয়েন্ট বদলাতে হবে (খরচ ২৮০০-১০০০০ টাকা)

✅ গাড়ির মালিক আপনাকে সাথেসাথে মালিকানা বদলি করে দিবে কিনা সেটা নিশ্চিত করুন।

✅ সম্ভব হলে পেপারস এর এক কপি brta তে চেক করূন(গাড়ির মালিক দেখে সন্দেহ হলে করতে পারেন)। এবং কোন মামলা আছে কিনা তাও জেনে নিন অন্যথা কেনার পরে অহেতুক ঝামেলায় পড়তে পারেন।

✅ গাড়ির পেপারস কতদিন আপডেট আছে সেটাও দেখে নিন চেষ্টা করবেন অন্তত ছয় মাস আপডেট থাকে এমন গাড়ি কিনতে।

✅ সুযোগ পেলে একটু ভাঙ্গা রাস্তায় চালিয়ে সাসপেনশন এর অবস্থা দেখে নিন ভাঙ্গা রাস্তা চালানোর সময় যদি ঢকঢক আওয়াজ করে তাহলে বুঝবেন সাসপেনশনের কাজ করতে হবে।
✅ যদি উবারে চালান তাহলে ১ নম্বর পয়েন্ট কোন মেজর ইস্যু নয় , দাম কম পেলে নিতে পারেন।

✅ গাড়িতে কোন রংয়ের কাজ আছে কিনা দেখে নিন। ব্যবহৃত গাড়ি হলে রংয়ের কাজ থাকবেই এটাই স্বাভাবিক | ব্যবসায় থেকে কিনেন তাহলে ব্যাপারটা অন্তত ভালো পাবেন।

✅ গাড়িতে সিএনজি করা থাকলে সিলিন্ডারের মেয়াদ কত দিন আছে সেটা দেখে নিন।

✅সিএনজি ভিতি পরিহার করুন এতো দিন যা শুনে আসছেন তা ভুলে যান।একটা vvti ইঞ্জিনের মূল্য ৩০-৩৫ হাজার টাকা।তাই প্যারা নেওয়ার দরকার নাই।

⚠ সরাসরি মালিকের কাছ থেকে না কিনে একজন ব্যবসায়ী থেকে কিনুন তাতে আপনার 50000 টাকা বেশি খরচ হলেও ভালো জিনিস পাবেন কারণ ব্যবসায়ীরা মাইর খাওয়া গাড়ি কম কিনেন। এবং অন্তত অনেক বিষয় যেগুলো আপনার মাথায় যাবে না সে ব্যাপার গুলো ব্যবসায়ীর আপনাকে বুঝিয়ে দেখেয়ি দিতে পারবেন।
পরবর্তীতে তাদেরকে আপনি ধরতে পারবেন।

সরাসরি মালিক হলে শুধু একটা কথা আপনাকে বলবে ভাই আপনি তো দেখেই কিনছেন যা ব্যবসায়ী রা বলতে পারেনা। কারণ ব্যবসা করে তার পেট চালাতে হবে এবং আপনার মত দশজন কাস্টমারকে খারাপ কি জিনিস দিলে তা ব্যবসার একসময় নষ্ট হয়ে যাবে।

🚫 নোট:মিস্ত্রি বা ডিগ্রি বিহীন লোক গাড়ি চেকিং এর জন্য নিয়ে যাওয়া পরিহার করুন (অধিকাংশ মিস্ত্রি লোক মালিকের সাথে একটা বনাবনি করে ফেলে এবং আপনার ঘাড়ে অনেক কিছু গুছিয়ে দিবেন আপনি টেরও পাবেন না। এটা ব্যক্তিগত মতামত ভালো না লাগলে ইগনোর করুন।)(সব মিস্ত্রি আবার এক না)
কেনা হয়ে গেলে শখের গাড়ির যত্ন নিন।

22/10/2024

বাড়ি নির্মাণ করার জন্য প্রাথমিকভাবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা দরকার। সঠিক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির মাধ্যমে টেকসই বাড়ি নির্মাণ করা সম্ভব। নিচে বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রাথমিক বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. **বাজেট পরিকল্পনা**

বাড়ি নির্মাণের প্রথম ধাপ হলো বাজেট নির্ধারণ। কত টাকা ব্যয় করতে চান এবং সেই বাজেটে সবকিছু মানিয়ে নেওয়া সম্ভব কিনা তা ঠিক করা জরুরি। এই বাজেটের মধ্যে নিম্নলিখিত খরচগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে:
- জমির দাম (যদি জমি না থাকে)
- নির্মাণের খরচ (মালামাল ও শ্রমিক)
- ইন্টেরিয়র ডিজাইন ও ফিনিশিং
- সরকারী অনুমোদন ও ট্যাক্স

২. **জমি নির্বাচন ও বৈধতা যাচাই**

- **জমির অবস্থান**: বাসস্থানের জন্য জমির অবস্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনীয় সুবিধাসমূহ যেমন স্কুল, বাজার, হাসপাতাল ইত্যাদির কাছাকাছি হওয়া বাঞ্ছনীয়।

- **জমির বৈধতা**: জমি কেনার আগে তার মালিকানা ও অন্যান্য আইনি বিষয়গুলো পরীক্ষা করতে হবে। জমির দলিল, খতিয়ান, প্যারচা ইত্যাদি যাচাই করা উচিত।

- **ভূমিকম্প বা বন্যা ঝুঁকি**: আপনার বাড়ি নির্মাণের এলাকা ভূমিকম্প বা বন্যাপ্রবণ এলাকায় কিনা তা জেনে রাখা জরুরি। এমন হলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে।

৩. **নকশা এবং পরিকল্পনা**

- **আর্কিটেক্ট**: একটি ভালো আর্কিটেক্ট বা প্রকৌশলী দ্বারা নকশা তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ। নকশাটি নিরাপত্তা, জায়গার কার্যকারিতা এবং সৌন্দর্যের উপর নির্ভর করে তৈরি হওয়া উচিত।

- **ভবনের আয়তন**: আপনি বাড়িতে কতগুলো কক্ষ, বাথরুম, রান্নাঘর বা অন্যান্য জায়গার প্রয়োজন তা নির্ধারণ করতে হবে।

- **ভবিষ্যতের সম্প্রসারণ**: ভবিষ্যতে বাড়ি বাড়ানোর পরিকল্পনা থাকলে নকশায় তা অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।

৪. **সরকারি অনুমোদন ও লাইসেন্স**

বাড়ি নির্মাণের জন্য স্থানীয় পৌরসভা বা অন্যান্য সংস্থার অনুমোদন প্রয়োজন। যেমন:

- **ভূমির পরিকল্পনা অনুমোদন**
- **নির্মাণ লাইসেন্স**
- **ইলেক্ট্রিক ও পানির সংযোগের অনুমতি**
- **পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের শর্তাবলী** যদি প্রযোজ্য হয়।

৫. **নির্মাণ সামগ্রী ও ঠিকাদার নির্বাচন**

- **উচ্চমানের সামগ্রী**: বাড়ির স্থায়িত্ব ও সুরক্ষার জন্য উচ্চমানের ইট, সিমেন্ট, বালি, রড ইত্যাদি সামগ্রী ব্যবহার করতে হবে।

- **ঠিকাদার**: অভিজ্ঞ ও দক্ষ ঠিকাদার নির্বাচন করা দরকার, যারা নির্মাণ কাজে অভিজ্ঞ। ঠিকাদারের সাথে সঠিকভাবে চুক্তিপত্র তৈরি করা উচিত যাতে খরচ ও সময়সীমা নির্ধারিত থাকে।

৬. **বিদ্যুৎ, পানি ও স্যানিটেশন সিস্টেম**

- **বিদ্যুৎ সংযোগ**: একটি সঠিক বিদ্যুৎ প্ল্যান তৈরি করতে হবে যাতে বাড়ির প্রতিটি ঘরে প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম স্থাপন করা যায়।

- **পানি ও ড্রেনেজ সিস্টেম**: সুপেয় পানি এবং যথাযথ ড্রেনেজ সিস্টেম থাকাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্ষাকালে পানি জমে না থাকে সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

- **স্যানিটেশন ব্যবস্থা**: বাড়ির প্রতিটি বাথরুমে সঠিক স্যানিটারি সিস্টেম নিশ্চিত করতে হবে।

৭. **সেফটি ও ইন্সুরেন্স**

- **ভবনের সুরক্ষা**: বাড়ি নির্মাণের সময় সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। যেমন, আগুন প্রতিরোধী ব্যবস্থা, সিসিটিভি ক্যামেরা ইত্যাদি।

- **ইন্সুরেন্স**: নির্মাণ চলাকালীন বা বাড়ি নির্মাণের পর ইন্সুরেন্স করা বাঞ্ছনীয়। এটি বাড়ির জন্য আর্থিক সুরক্ষা প্রদান করে।

৮. **কর্মীদের সুরক্ষা**

নির্মাণ কাজ করার সময় নির্মাণশ্রমিকদের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। কর্মস্থলে সুরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ করা উচিত যেমন, হেলমেট, দড়ি ইত্যাদি।

৯. **পরীক্ষা ও পর্যালোচনা**

নির্মাণের প্রতিটি ধাপে কাজের গুণগতমান পরীক্ষা করা উচিত। ইঞ্জিনিয়ার বা সাইট ইন্সপেক্টর দ্বারা কাজ পর্যবেক্ষণ করে গুণমান নিশ্চিত করতে হবে।

১০. **সময়সীমা ও কাজের পরিবীক্ষণ**

কাজের প্রতিটি ধাপে একটি নির্ধারিত সময়সীমা ঠিক করে কাজ পরিচালনা করা উচিত। ঠিকাদার ও কর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

এই সকল বিষয়গুলি সঠিকভাবে অনুসরণ করলে বাড়ি নির্মাণের প্রক্রিয়া সহজ, সুরক্ষিত ও কার্যকর হবে।

🔰ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অনলাইন কোর্সে ৫০% ছাড়ে মাত্র ২০০০৳ : 01755620008🔰সিভিল আইনজীবী হিসাবে ক্যারিয়ার গড়তে, আইনের শিক্ষা...
25/08/2024

🔰ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অনলাইন কোর্সে ৫০% ছাড়ে মাত্র ২০০০৳ : 01755620008
🔰সিভিল আইনজীবী হিসাবে ক্যারিয়ার গড়তে, আইনের শিক্ষার্থী, ব্যাংকার, ডেভেলপার কোম্পানির কর্মকর্তা, দলিল লেখক, কনসালটেন্ট সহ যে কারো জন্য জমিজমার মালিকানা নির্ণয় জানতে আপনাদের জন্য একটি সহজ ও পরিপূর্ণ কোর্স " Training On Land Management "

বিকাশ ও নগদ সেন্ড মানি করুন 01755620008
❇️কোর্স ফি মাত্র ২০০০ টাকা
রেজিস্ট্রেশন করতে ক্লিক করুনঃ 👉
:

❇️ আমাদের কোর্সে থাকছে-
১. কিভাবে জমির ভেটিং করতে হয়?
২. জমির খতিয়ান চেনার উপায়।
৩. মালিকানা নির্ধারনের উপায়।
৪. খতিয়ানের আনা গন্ডা কড়ার হিসাব।
৫. ফারায়েজ বা উত্তরাধিকার (মুসলিম, হিন্দু ইত্যাদি)।
৬. খতিয়ান ও নামজারীতে নিজের অংশ বের করার উপায়
৭. কিভাবে বুঝবেন জমিতে মামলা মোকদ্দমা আছে কি না?
৮. দলিল চেনা ও শ্রেণীবিভাগ।
৯. ব্যক্তিগত সম্পত্তি, রাজুকের সম্পত্তি, ন্যাশনাল হাউজিং, বিসিক, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড, KDA, CDA ইত্যাদি জমির কি কি কাগজপত্র হয়? কিভাবে ভেটিং করতে হয়?
১০. জাল/ভুয়া দলিল চেনার উপায়.
১১. জমিজমার ইতিহাস।
১২. জমি জমা সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইন ও রুল ইত্যাদি।
১৩. নামজারী কিভাবে করতে হয়?
১৪. আমীনশিপের প্রাথমিক কিছু ধারণা।
১৫. দলিল লিখন কৌশল বিষয়ে ধারণা।
১৬. কিভাবে জাল দলিল, খতিয়ান ইত্যাদি সনাক্ত করবেন।
১৭. জমির কাগজপত্র তল্লাশি বিষয়ে ধারণা।
১৮. হোল্ডিং ট্যাক্স এর বিষয়ে ধারণা।
১৯. লিজ ও মর্টগেজ বিষয়ে ধারণা।
২০. জমি কোথায় কিভাবে রেজিস্ট্রি করবেন সে বিষয়ে ধারণা।
২১. বিল্ডিং বা ফ্লাট, বিল্ডিং প্ল্যান, জমির ম্যাপের বিষয়ে আলোচনা।
২২. যৌথ মালিকানায় জমি কিনে বাড়ি করার লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্ক
২৩. ভেস্টেড প্রপার্টি, ভাওয়াল, নওয়াবি, এব্যান্ডড প্রপার্টি ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা।
২৪. প্রিয়েম্পশন বা অগ্রক্রয়, পার্টিশন ইত্যাদি সহ জমিজমার মালিকানা নির্ণয় থেকে শুরু করে রেজিস্ট্রেন প্রসেসের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
২৫. বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আইন কর্মকর্তা হিসাবে চাকুরীর ইন্টারভিউতে কি ধরণের প্রশ্ন করে থাকে তার একটা ধারণা।
২৬. বোনাস হিসাবে পাচ্ছেন ভেটিং, মোর্টগেজ, পাওয়ার ইত্যাদি দলিলের ফরম্যাট।
২৭. কিভাবে ড্রাফটিং করতে হয়?

🔰 কোর্স সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ
01755620008(WhatsApp)
www.wakilchai.com

🧑‍🏫 Trainer:

সিভিল আইনজীবী হিসাবে ক্যারিয়ার গড়তে, আইনের শিক্ষার্থী, ব্যাংকার, ডেভেলপার কোম্পানির কর্মকর্তা, দলিল লেখক, কনসালট...

21/08/2024

✅"আসুন শহরে ৪০% কম খরচে নিজেদের ফ্ল্যাট নিজেরাই তৈরি করি"। ✅

✅Sheba Equity Shire Housing Project -01(20 katha plot) Condominium. Pilling is running.
✅আপনারা অবগত আছেন বর্তমানে সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হচ্ছে জমিতে।

✅ We are Pride Probashi, Business Man, Govment job holder and any Banker, likas AB Bank, BRAC Bank, Dhaka Bank, Dutch-Bangla Bank, Exim Bank, UCBL, Prime Bank, The Premier Bank, Eastern Bank, Bank Asia, The City Bank, Bengal Commercial Bank, IFIC, Mutul Trust Bank, First Security Islami Bank, Al-Arafa Islami Bank, Shahjalal Islami Bank, Pubali Bank, Midland Bank, Southeast Bank, Mercantile Bank, Modhumoti Bank, NBRB Global, NRBC, Dhaka Bank, One Bank, South-Bangla Agricultural Bank, The CitizenBank, Sonali Bank, Janata Bank, Rupali Bank, Agrani Bank, Jamuna Bank, Union Bank, Bangladesh Commerce Bank, Simanto Bank, Community Bank, IPDC, NBFI and many more Banks officials ✅

✅ Sheba Equity Shire Housing Project -01 এর বৈশিষ্ট্য ;

🔹নাম :
🔹প্রতিটি শেয়ারের মূল্য: ২০ হতে ২৩ লাখ মাত্র
🔹ফ্ল্যাট সাইজ: ১৪০০+২০০+২০০=১৮০০ বর্গফুট
🔹 রাস্তা : ২০ ফুট হতে ৬০ ফিট
🔹প্রতি ফ্লোর : ৮ ইউনিট
🔹ফ্ল্যাট সংখ্যা: ৭২ টি
🔹পার্কিং সংখ্যা: ৭২ টি
🔹জমির পরিমান: ২০ কাঠা
🔹বিল্ডিং টাইপ: B+G+৯
🔹লিফট : ৪ টি (সিগমা ব্রান্ড, কোরিয়ান)
🔹ফ্ল্যাট বনটন : চয়েস অপশন
🔹সাবমারসিবল পাম্প : ২ টি, ১০০০ ফিট
🔹জেনারেটর : ২ টি, পার্কিংস ব্র্যান্ড
🔹সম্ভাব্য খরচ : ৫৫ থেকে ৬০ লাখ
🔹সম্ভাব্য বিক্রয় মূল্য : ৯০ থেকে ৯৫ লাখ

হোম ফিচার: ৩ বেড, ৩ বাথ, ৩ বারান্দা, ড্রয়িং, ডাইনিং, কিচেন, প্রেয়ার স্পেস, হেলথ ক্লাব, কমিউনিটি হলসহ আধুনিক সকল সুবিধা তো থাকছেই৷

✅Project Location : Demand on Customer

✅উদ্দেশ্য : ২৫০০ -3000 টাকায় পার স্কয়ার ফিট ফ্লাট তৈরি করা। যার বর্তমান বিক্রয় মূল্য প্রতি স্কয়ার ফিট ৬০০০ হতে ৭০০০ টাকার অধিক । ✅

✅আমাদের প্রতিটি প্রজেক্ট, প্রজেক্ট সদস্যদের দ্বারা গঠিত কমিটি দ্বারা পরিচালিত হয় ।Sheba Equity Shire Housing Project -01 আবাসন সমস্যা সমাধানে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ । আপনাদের সহযোগিতা এবং অংশগ্রহণ একান্ত কাম্য । বর্তমানে ব্যাংকার্স হাউসিং সোসাইটি প্রজেক্ট সংখ্যা ২৪ টি। কাজ চলমান প্রজেক্ট সংখ্যা ১৪ টি ✅

সার্বিক তত্ত্বাবধানে ✅
Sheba Equity Shire Housing
MD & CEO
Mohammad Akbar
017 55 62 00 08

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GariBariBd.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to GariBariBd.com:

Share