19/02/2015
:kazi sabbir osmany #ইয়া_আল্লাহ মজলুমদের আর্তনাদ ও এর
বিচার চাই..দয়াকরে পড়ুন..
২০১০ইং সালে সাংগঠনিক
দাওয়াতী কাজ/
প্রোগ্রামে মাঝে মাঝে চট্রগ্রামের খুব
পরিচিত চেরাগী পাহাড়ের পাশেই
অবস্থিত োবারক_এতিম _খানাই
যাওয়া হতো নিজের
চোঁখে দেখেছি এইখান
কার গরীব পিতামাতা ছাড়া অসহায়
ছেলে গুলোকে,যাঁদের প্রায় ছেলেরই
কোনো আত্মীয় সজন পযর্ন্ত নেই,কোথাও
দাওয়াত বা কারো অনুদানে খাবার
আসলে মোটামুটি খেতে পারে, না হয়
অনেক
সময় সমান্য ডাল
সবজি দিয়ে খেয়ে তাঁদের
জীবন চলতো,শারীরিক ভাবে অসুস্থ
হলেও তেমন
সুচিকিৎসা টুকু
পেতো না,ছেড়া জামা কাপড়,পুরাতন
চেন্ডল
দিয়ে জীবনযাপন করতো,আওয়ামীলীগ
সরকার
২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর
থেকে বিভিন্ন
সময় ছাএলীগের কিছু
গুন্ডা তাঁদেরকে নানা রকম অন্যায়,
চাঁদাবাজি, মিছিল,মারামারি সহ
বিভিন্ন
অপরাধ মুলক কাজে সহযোগীতার জন্য
অফার দেই,
কিন্তু তারা এইসব অন্যায় কাজে লিপ্ত
না হয়ে নিজেদের
পড়ালেখা নিয়ে ব্যস্ত
থাকতো,এই দিকে পাশের
মসজি #শিবিরের
ভাইরা নামাজ
পড়তে গেলে পড়ালেখা,সহীহ
কুরআন তেলাওয়াত শিখার জন্য ও তাঁদের
দু:খ
কস্টে নানা রকম সাহায্য
চাইতো,শিবিরের
ভাইরা ও তাঁদেরকে নানা রকম বৃত্তি,
বিনামূল্যে বই খাঁতা, বিভিন্ন
শিক্ষা সামগ্রী ,বছরের দুই ঈঁদে নতুন
জামা কাপড়
দিয়ে সহযোগীতা করে ছিলেন,এইভাবেই
চলছিলো গরীব এতিম ছেলেদের
দিনকাল, কিন্তু
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ত্রাসীদের
াছির_উদ্ দিন এর পালিত
জামাল খাঁন
ওয়ার্ড ও আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড
ছাএলীগের দুই
গুরুপের মধ্যে ছিনতাইয়ের
টাকা ভাগাভাগি নিয়ে চেরাগী পাহাড়
মোড়ে আজাদী অফিসের সামনে ব্যবপক
মারামারি হয়, এই নিয়ে দৈনিক
আজাদীতে একটি নিউজ ও আসে, তারই
প্রতিবাদে দুই ওয়ার্ডের ছাএলীগের
নেতাকর্মীরা চেরাগী পাহাড়ের
মোড়ে অবস্থান নিতে থাকে এক
পর্যায়ে তাঁরা মিছিল
করে আন্দরকিল্লা মোড়
যায়, সেখানে কিছুক্ষন সমাবেশ
করে আবারও
মিছিল নিয়ে আসার সময়
োবারক_এতিম
খানার সামনে আসলেই জামাল খাঁন
ওয়ার্ডের
ছাএ নামদারী গুন্ডা ুয়ার
নেতৃত্বে কয়জন
আগে থেকে ওঁৎ পেতে তাঁদের
মিছিলে হামলা চালায়,
সঙ্ঘে সঙ্ঘে মিছিলের
নেতাকর্মীরা এতিম
খানার নিরাঅপরাধ ছেলেদের উপর
হামলা ও
পড়ার টেবিল, খাঁঠ ভাংচুর
করে,পরে কোতোয়ালী থানা পুলিশ
কে ফোন
দিয়ে এনে বিভিন্ন রুমের ৩৬ জন ছাএ
কে শিবির বলে গ্রেপ্তার
করিয়ে দেই,,সর্বশেষ
৩৬ জনের মধ্যে ১২ জনকে জেলে প্রেরন
করেন,,কি অপরাধ ছিলো এই এতিম,গরীব
ছেলেদের???কেনোই বা রাজনীতির
বলির
পাঠা বানানো হলো?? এই জুলুমের শেষ
কোথায়?? সবাই এই মজলুম ভাইদের জন্য।
লেখক