19/07/2019
# # #সেল্ফ শপিং এ যারা এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অধিক পরিমাণে আয় করতে চান তাদের জন্যঃ
#মাষ্টারকার্ড কিভাবে করবেন?
এফিলিয়েট মার্কেটিং করে বেশি পরিমাণ আয় করতে হলে পেইড মেথড ব্যবহার করতে হবে। আর এর জন্য প্রয়োজন আপনার একটি মাস্টারকার্ড।
আমরা ধাপে ধাপে এফিলিয়েটের প্রত্যেকটি বিষয় শিখিয়ে দেবো।
আজকে দেখাবো কিভাবে আপনার জন্য একটি মাস্টারকার্ড করবেন --
ফেসবুক / গুগলে বিজ্ঞাপন করে এফিলিয়েট করার জন্য আপনার প্রয়োজন একটি বিশেষ ধরনের মাস্টারকার্ড। যে কোন মাস্টারকার্ড দিয়ে এ কাজ হবে না। এটি ডুয়েল কারেন্সি মাস্টারকার্ড হতে হবে। অর্থাৎ এই কার্ডে বাংলা টাকা এবং ইউএস ডলার উভয়ই সাপোর্ট করা লাগবে।
এ ধরনের কার্ড বাংলাদেশের ৩ টি ব্যাংকে পাওয়া যায়। ইস্টার্ন ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক এবং ব্যাংক এশিয়া। যে কোন একটি থেকে আপনি কার্ডটি সংগ্রহ করতে পারেন। তবে সবচেয়ে ভালো হয় ইস্টার্ন ব্যাংক এর একুয়া/লাইফস্টাইল কার্ড টি নিলে। কারণ তাদের সিস্টেম অন্যদের থেকে আপডেট।
এ কার্ডটি যদি আপনি নিতে চান তাহলে আপনার প্রয়োজন হবে ২ কপি ছবি এবং পাসপোর্ট। মনে রাখবেন, পাসপোর্ট ছাড়া এ কার্ড করা যায় না।
এতে আপনার যদি নিজের পাসপোর্ট থাকে তো সবচেয়ে ভালো। আর না থাকলে নিজের নামে একটা পাসপোর্ট করে নিতে পারেন। কারণ একটি পাসপোর্ট আপনাকে এই কাজ ছাড়াও আরও অনেক অনেক ক্ষেত্রে সহযোগী ভুমিকা পালন করবে।
আর আপনার নিজের পাসপোর্ট না থাকলেও আপনি আপনার পরিবার কিংবা বন্ধু বান্ধব অথবা আত্মীয় স্বজনের কারো পাসপোর্ট দিয়ে কার্ডটি করে নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে পাসপোর্ট এবং ছবি যার তিনি নিজে ব্যাংকে যেতে হবে এবং কার্ডটি তার নামেই হবে। তবে তার অনুমতি সাপেক্ষে আপনি কার্ডটি ব্যাবহার করতে পারবেন।
ব্যাংকে ঝামেলা না থাকলে কার্ডটি এক দিনেই পাওয়া যায়। সকালের দিকে ব্যাংকে গেলে ১-২ ঘন্টার মধ্যেই কার্ড পেয়ে যেতে পারেন। আর দুপুরের পরে গেলে কিংবা ব্যাংকের ঝামেলা থাকলে পরের দিন হতে পারে। কার্ডটি হাতে পাওয়ার কত সময়ের মধ্যে এটি এক্টিভ হবে তা ব্যাংক কর্মকর্তা আপনাকে জানিয়ে দেবেন।
কার্ডটি যেহেতু একটি পাসপোর্ট এর অধীনে নেওয়া হয়, তাই আপনার কার্ডে টাকা/ডলার লোড করতে হলে প্রথমে আপনাকে পাসপোর্টে ঐ ব্যাংক থেকে ডলার এন্ডোর্স করিয়ে নিতে হবে। এর অর্থ হলো আপনি দেশের টাকা দেশের বাইরে কত খরচ করছেন, তা সরকার আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করছে। বাংলাদেশ সরকার একটি পাসপোর্ট এর অধীনে প্রতি বছর জুলাই এর ১ তারিখ থেকে পরের বছর জুনের ৩০ তারিখ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৭০০০ ডলার খরচ করার অনুমতি দেয়।
ব্যাংক থেকে ডলার এন্ডোর্স করার সময় আপনি ব্যাংক কর্মকর্তাকে বলবেন ২০০০ ডলার সার্ক রাষ্ট্র এবং ২০০০ ডলার নন সার্ক রাষ্ট্রগুলোর জন্য মোট ৪০০০ ডলার এন্ডোর্স করে দিতে। বাকি ৩০০০ ডলার পরবর্তীতে আপনার প্রয়োজন হলে যে কোন সময় এন্ডোর্স করিয়ে নিতে পারবেন।
পাসপোর্টে ডলার এন্ডোর্স হয়ে যাওয়ার পর আপনি আপনার কার্ডে যত টাকা লোড করতে চান তা দিয়ে কার্ডে ডলার করে নেবেন। তবে একসাথে ২০০০০ টাকার বেশি না ঢুকানোই ভালো। কারণ ২০০০০ বা তার বেশি টাকার ডলার একসাথে নিতে গেলে ব্যাংক আপনাকে একটি KYC Form ফিল আপ করাবে। আপনি এ ঝামেলা করতে না চাইলে একবারে সর্বোচ্চ ১৯০০০ টাকার ডলার নিন। আর ২০০০০ বা তার বেশি নিতে চাইলে KYC Form টা ফিল আপ করতে হবে। তবে এটা তেমন কিছু না।
আপনি ব্যাংকে বাংলা টাকা দিয়ে আপনার কার্ডে ডলার লোড করে নিলেন। বেস... আপনার কার্ডটি এখন আপনার কাজের উপযোগী হয়ে গেলো।
এরপর এই কার্ড দিয়ে কিভাবে কি করবেন, তা পরের আলোচনায় বলা হবে।
পুরো বিষয়টি আপনার কাছে প্রাথমিক পর্যায়ে কিছুটা জটিল মনে হলেও আসলে ব্যাপারটি তা মোটেও নয়। আপনি একবার প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাংকে যান। দেখবেন, এটি খুবই সাধারণ একটা বিষয়। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো এ সাধারণ বিষয় এর মধ্য দিয়ে আপনি একটা অসাধারণ কাজ করে ফেলেছেন। এটি যে আপনার জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলো, তা আপনি একটা সময় পর বুঝবেন। আর তখন আপনি SELF কে মন থেকে ভালো না বেসে বা ধন্যবাদ না দিয়ে পারবেন না। এ কথা নির্দ্বিধায় বলতে পারি।
পরবর্তী আলোচনার জন্য অপেক্ষা করুন। এর মধ্যে এ কাজটি সেরে নিন।
Happy Self-shopping...
https://www.self-shopping.com