Ipo news bd1

Ipo news bd1 সবসময় আই পিও এর LATEST UPDATE খবর পাবেন,SO.......লাইক দিন,

18/03/2023

পাইলসের সমাধান

02/02/2023
02/02/2023
06/05/2018

কবরের ভিতরে টাইলস লাগানো কি ঠিক হচ্ছে ???

ভালো মুডে থাকবে পুঁজিবাজার- আরিফ খান
16/01/2018

ভালো মুডে থাকবে পুঁজিবাজার- আরিফ খান

শেয়ারবাজার রিপোর্ট: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক কমিশনার ও আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটে�...

ইউনাইটেড এয়ারে ২২৪ কোটি টাকা অর্থায়নের আভাস, নভেম্বরে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশসিনিয়র রিপোর্টার - নভেম্বর ১, ২০১৭    সিনিয়...
02/11/2017

ইউনাইটেড এয়ারে ২২৪ কোটি টাকা অর্থায়নের আভাস, নভেম্বরে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

সিনিয়র রিপোর্টার - নভেম্বর ১, ২০১৭
সিনিয়র রিপোর্টার : ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেড চলতি নভেম্বর মাসে কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদিত ২২৪ কোটি টাকা বন্ডের অর্থায়ন পেতে এসব প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

প্রায় দেড় বছর পরে অনেক ব্যাংক এবং মার্চেন্ট ব্যাংক অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করায় প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে এবং চলতি নভেম্বর মাসে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে তা প্রকাশ করা হবে।

ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেড প্রথমবারে ৪টি এবং দ্বিতীয়বারে আরো ৪টি প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। ইতোমধ্যে আর্থিক প্রতিবেদন সম্পূর্ণ তৈরি করা হয়েছে বলে কোম্পানির বিশেষ সূত্র তথ্য নিশ্চিত করে।

কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা বলে তথ্য নিশ্চিত করেন ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আমাদের প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। আশা করছি- নভম্বর মাসে তা প্রকাশ করা হবে। এতোদিন আমাদের কোন কার্যক্রম বা বিশেষ অগ্রগতি বিনিয়োগকারীদের চোখে পড়ার মতো ছিলনা। আপাতত ইউনাইটেড এয়ারের ১ লাখ ৫২ হাজার বিনিয়োগকারীকে আশ্বস্থ করতে আমরা প্রতিবেদন প্রকাশ করবো।

এজিএম সম্পর্কে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের ইচ্ছা থাকলেও এখন এজিএম আমরা করতে পারবো না। কারণ, আালতের কিছু বাধ্যবাদকতা রয়েছে। তবে আমাদের ডিরেক্টরদের সঙ্গে আলাচনা করে সিদ্ধান্ত পরে আমরা জানাবো।

কোম্পানির বিশেষ সূত্র জানায়, বিএসইসির অনুমোদন পাওয়া ২২৪ কোটি টাকা বন্ডের অর্থায়ন পেতে এসব আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। অর্থায়নের জন্য কাজ করছে রাষ্ট্রয়ত্ত প্রতিষ্ঠান আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ বিডি লিমিটেড ২২৪ কোটি টাকার বন্ডের প্রস্তাব ২০১৬ সালের ১৬ জুন অনুমোদন প্রদান করে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বর্তমান শেয়ার হোল্ডারদের বাইরে বন্ড ইস্যু করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। ২০১৬ সালে জুন থেকে প্রায় দেয় বছর পরে বন্ডের টাকা তুলছে কোম্পানিটি।

ডিএসই : ১ নভেম্বর, বুধবার দুপুর ১:১৮ মিনিটে শেয়ারপ্রতি দরের চিত্র প্রকাশ
এরআগের সপ্তাহে বিএসইসির ৫৭৭তম কমিশন সভায় ৪শ’ কোটি ৮০ লাখ টাকার প্রাইভেট প্লেসমেন্ট শেয়ারের অনুমতি প্রদান করে কমিশন। ইতোমধ্যে সে অর্থায়ন থেকে ‘সিঙ্গাপুরের দুটি কোম্পানি ৪০০ কোটি টাকা (অভিহিত মূল্যে) শেয়ারের বিনিময়ে একটি বোয়িং-৭৭৭ ও একটি এটিআর-৭২-৫০০ নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ দেবে। ব্যবস্থাপনা ব্যয়, বিমান উড্ডয়ন এবং কর্মী বেতন এবং অন্যান্য যোগান দিতে ২২৪ কোটি বন্ডের টাকা খরচ করা হবে।’

২০১৬ সালে মোট ৬২৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

২২৪ কোটি বন্ডের টাকা প্রদান সম্পর্কে রাষ্ট্রয়ত্ত প্রতিষ্ঠান আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের সিইও সোহেল রাহমান বলেন, কোম্পানির বন্ডের টাকার ব্যাপারে আমরা চেষ্টা করছি। আশা করছি, পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিটি নিয়ে আইসিবি ভালো কিছু করবে। সম্ভাবনা ধরে নিয়েই আমাদের চেষ্টার সর্বেোত্তম ব্যবহার আমরা করবো।

অর্থায়ন সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পর্কে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের সিনিয়র অফিসার শরিফ মোহাম্মদ কিবরিয়া বলেন, বন্ডের বিষয়ে আইসিবি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তবে এয়ার কর্তৃপক্ষ আরো আগে এসব আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিলে এতোদিনে পার হয়ে যেত। আশা করছি, খুব দ্রুত ফলাফল আসবে।

07/03/2017

শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের লেনদেন শুরু বুধবার ০৮/০৩/২০১৬ ইং তারিখে

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারির ড্র সম্পন্ন করা বস্ত্র খাতের কোম্পানি শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের লেনদেন শুরুর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আগামী বুধবার (৮ মার্চ) দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, উল্লেখিত তারিখে লেনদেন শুরু করার জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) আবেদন করছে প্রতিষ্ঠানটি। সবকিছু ঠিক থাকলে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেলেই ওইদিন লেনদেন শুরু করবে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ।

এর আগে কোম্পানিটির আইপিও লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার সিডিবিএলের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও হিসাবে গত ২ মার্চ বৃহস্পতিবার জমা হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ কোম্পানিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিয়েছে। আর গত ৬ ফেব্রুয়ারি আইপিও লটারির ড্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ।

জানা যায়, পুঁজিবাজারে ২ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। আর এ লক্ষ্যে অভিহিত মূল্যে তথা ১০ টাকা দরে শেয়ার ইস্যু করবে কোম্পানিটি। আর উত্তোলিত টাকা দিয়ে ওয়াশিং প্লান্ট ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ, মেশিন ও সরঞ্জামদি ক্রয়, ইটিপি সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি।

৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১.৪৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৮.৭০ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

আইপিও প্রবাহে ধীরগতির কারণ জানতে চেয়েছে আইএমএফ০৩ মার্চ ২০১৭ শুক্রবার, ০৭:৫৩  পিএমশেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সি...
03/03/2017

আইপিও প্রবাহে ধীরগতির কারণ জানতে চেয়েছে আইএমএফ
০৩ মার্চ ২০১৭ শুক্রবার, ০৭:৫৩ পিএম

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে ২০১৬ সালে কোম্পানি তালিকাভুক্তির হার কমার কারণ জানতে চেয়েছে উন্নয়ন সহযোগী আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিএসইসি ভবনে বৃহস্পতিবার আইএমএফের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল কমিশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। এ সময় বিএসইসির পক্ষ থেকে দেশের পুঁজিবাজারে বিভিন্ন সংস্কার ও অগ্রগতির পাশাপাশি গেল বছরে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) হ্রাসের কারণ তুলে ধরা হয়। বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা সম্পর্কেও আইএমএফের প্রতিনিধি দলকে অবহিত করা হয় বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, আইএমএফের প্রতিনিধি দল বিএসইসির কাছে গত বছর আইপিও প্রবাহ হ্রাসের কারণ জানতে চায়। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশোধিত পাবলিক ইস্যু রুলসের কারণে যেসব কোম্পানি পুরনো নিয়মে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় ছিল, সেগুলোকে নতুন আইনের অধীনে নতুন করে আবেদন করতে হয়েছে। তাছাড়া সংশোধিত আইনে আরো বেশি ডিসক্লোজার সংযোজন করার বাধ্যবাধকতা যোগ হওয়ায় এগুলো পরিপালনে কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজারদের কিছুটা সময় লেগেছে। গত বছর মূলত এ কারণেই কোম্পানির তালিকাভুক্তি কিছুটা কমে গেছে। তবে আইপিওতে তালিকাভুক্তির হার কমলেও প্রাইভেট প্লেসমেন্ট ও বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন সরবরাহের প্রক্রিয়া অব্যাহত ছিল বলে প্রতিনিধি দলকে অবহিত করেছে কমিশন।

পুঁজিবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বিএসইসির ভূমিকা তুলে ধরতে প্রতিনিধি দলকে জানানো হয়, বিভিন্ন ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বর্তমানে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। বাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বিগত কয়েক বছরে বেশকিছু সংস্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএসইসির নতুন ভবন নির্মাণ, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর বৈশ্বিক সংগঠন আইওএসসিওর ‘এ’ ক্যাটাগরির সদস্যপদ, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি এবং আইডিআরএর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, ১০ বছর মেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন, ভারতীয় সেবি ও বিএসইসির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, বিএসইসি অধ্যাদেশ ১৯৬৯ ও বিএসইসি আইন ১৯৯৩ সংশোধন, করপোরেট বন্ড মার্কেটের উন্নয়নে প্রাইভেট প্লেসমেন্ট অব ডেট সিকিউরিটিজ রুলস প্রণয়ন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সহায়তা তহবিল, স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর ডিমিউচুয়ালাইজেশন, অত্যাধুনিক সার্ভিলেন্স সফটওয়্যার সংযোজন, ফিন্যান্সিয়াল লিটারেসি কার্যক্রম চালু, পুঁজিবাজার-সংক্রান্ত একাডেমি প্রতিষ্ঠা, স্বল্প মূলধনি কোম্পানিগুলোর জন্য স্বতন্ত্র লেনদেন বোর্ড প্রবর্তনের পরিকল্পনা, করপোরেট গভর্ন্যান্স গাইডলাইন প্রণয়ন, বুক বিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধন, ইকুইটি রিসার্চ রুলস প্রবর্তন, তদন্ত ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি, ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল গঠনের মতো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপের ফলে আগের তুলনায় বাজার আরো বেশি স্থিতিশীল হয়েছে এবং এতে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বেড়েছে।

এছাড়া বিএসইসির কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় আনা, অর্গানোগ্রাম সংশোধন ও জনবল বৃদ্ধি, এক্সচেঞ্জগুলোর ডিমিউচুয়ালাইজেশন-পরবর্তী বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ, বাজার সচেতনতা কর্মসূচি চালু, স্বতন্ত্র ক্লিয়ারিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠা, ডেরিভেটিভ বাজার সৃষ্টি, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রবর্তন, পুঁজিবাজারের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ঝুঁকিভিত্তিক মূলধন নীতিমালা প্রণয়নে বিএসইসির ভবিষ্যত্ পরিকল্পনার কথা আইএমএফকে অবহিত করেছে কমিশন।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রশংসা করে আইএমএফ প্রতিনিধি দল বলে, বিগত বছরগুলোয় পুঁজিবাজারে বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধির ধারা ইতিবাচক দিক। বাংলাদেশের উন্নয়নে বিগত সময়ের মতো ভবিষ্যতেও আইএমএফের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, আজকে আইএমএফের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল কমিশনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্ করেছে। এ সময় তারা জানতে চেয়েছে, ২০১৬ সালে আইপিওতে কোম্পানির তালিকাভুক্তি কেন কমে গেছে। আমরা বলেছি পাবলিক ইস্যু রুলস সংশোধনের ফলে নতুন করে আবার আবেদন করার বাধ্যবাধকতা থাকায় গত বছর আইপিও কিছুটা কম হয়েছে। তাছাড়া বাজারের উন্নয়নে আমাদের মাস্টারপ্ল্যানের বিষয়েও প্রতিনিধি দলটি জানতে চেয়েছে। আমরা তাদেরকে বিগত সময়ে বাজার উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেছি।

আইএমএফের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলে ছিলেন এশিয়া-প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান ব্রায়ান অ্যাটকিন, জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ জিরি জোনাস এবং বাংলাদেশে আইএমএফের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেলা কায়েন্দেরা।
অন্যদিকে বিএসইসির পক্ষে চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনের নেতৃত্বে কমিশনার অধ্যাপক মো. হেলাল উদ্দিন নিজামী, মো. আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক স্বপন কুমার বালাসহ কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার বিজনেস24.কম

02/03/2017

নুরানী ডাইয়িংয়ের আইপিও আবেদন শুরু ২ এপ্রিল
২ মার্চ, ২০১৭ ৬:৩১ অপরাহ্ণ
সম্প্রতি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া বস্ত্রখাতের নুরানী ডায়িং অ্যান্ড সোয়েটার কোম্পানি লিমিটেডের আবেদন জমা নেওয়া শুরু হবে ২ এপ্রিল। ১০ এপ্রিল পর্যন্ত আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া চলবে।

আজ বৃহস্পতিবার প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) জন্য কনসেন্ট লেটার বা অনুমোদনপত্র পেয়েছে কোম্পানিটি। অনুমোদনপত্র পাওয়ার পর আইপিও সাবস্ক্রিপনের এ তারিখ প্রস্তাব করেছে তারা।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বে থাকা ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস, ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল ও সিএপিএম অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস সূত্রে ্এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিএসইসির ৫৯৭তম সভায় কোম্পানিটির আইপিও আবেদন অনুমোদন করা হয়।

আইপিওতে কোম্পানিটি অভিহিত মূল্য ১০ টাকা দরে শেয়ার বিক্রি করবে। বাজারে ৪ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার বিক্রি করে কোম্পানিটি ৪৩ কোটি টাকা উত্তোলন করবে।

উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণ ও ঋণ পরিশোধ করবে।

গত ৫ হিসাববছরে কোম্পানিটির গড়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৭৯ পয়সা। সর্বশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১৪ টাকা ৩৭ পয়সা।

Address

Banskhali
Chittagong
4393

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ipo news bd1 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share