Delawar

Delawar all Video

12/05/2024

অনেকে রাত পর্যন্ত তারাই জেগে থাকে, যারা জীবনের সাথে নিজের হিসাব টা আজও মেলাতে পারিনি।

যখন কষ্ট আর আঘাত টা সীমা ছাড়িয়ে যায়,তখন মানুষ কাঁদে না চুপ হয়ে যায়।

টাকা আর ভালবাসা দুইটা দামী জিনিস,, কিন্তু এই দুই টা জিনিসের মধ্যে বিশাল তফাৎ আছে -
টাকার জন্য খুব ভাল মানুষ খারাপ হয়ে যায়, আর ভালবাসার জন্য খুব খারাপ মানুষ ও ভালো হয়ে যায়।

02/05/2024

পৃথিবীতে মানুষ খুবই অদ্ভুত! মানুষ সব সময় অপরের দুষ বের করে দূর্বল জায়গায় আঘাত করে।

16/02/2024

বিপদ আসলে চারিদিক থেকে আসে। কেউ পাশে থাকে না এমন কি পাশে দূরে কথা একটু কথা পর্যন্ত বলতে চাই না। মানুষের সমস্যা সব সময় থাকে না। এটা কিন্তু প্রত্যেকের বেলায় আছে। তবে এই ভূল থেকে অনেক অনেক কিছু শিক্ষা অর্জন করলাম।

15/02/2024

প্রিয় ফেসবুক বন্ধুরা আপনাদের কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে আমাকে ক্ষমা করে দিয়েন। আজকের পর থেকে ফেসবুক থেকে বিদায় নিলাম। সবাই কে অবাক করে এক সময় অনেক দূরে চলে যাব। পারলাম না জীবন টা সুন্দর করে সাজাতে। জীবনে সব কিছু এলোমেলো হয়ে গেছে। যা সহ্য করতে পারছি না, কাউকে বলতে পারছি না। কথাবার্তায় কেউ যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন আমি হাত 🙏 করে বলছি আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। আমাকে অনেকে সাহায্য সহযোগিতা করছেন আমি তাদের উপকারের কথা কখনো ভূলতে পারবনা। বিষেশ করে আমার পাশ্ববর্তী একজন চাচা আমি তার নাম বলতেছি না তবে ওনি আমার বিপদ আপদে আমার পাশে ছিল তার উপকারের কথা কখনো ভূলতে পারব না। 😭😭😭

13/12/2023

ঘুমাতে পারিনা ঠিকমত, কিছু চেনা মানুষের অচেনা রূহ, নিজের সফলতার টেনশন, পরিবারের কথা শুনা,আর কিছু মানুষের আঘাত, সব মিলিয়ে কেটে যায় এক একটা নির্ঘুম রাত।

11/12/2023

প্রত্যেক মানুষকে পরিস্থিতির স্বীকারে পড়তে হয় এটা কিন্তু ঠিক। তবে হঠাৎ করে পরিস্থিতির স্বীকার তা সহজে মেনে নেওয়া যায় না একমাত্র আল্লাহ তায়ালার উপর ভরসা করে বেঁচে থাকা। আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্য করেন। আমার জীবনে হঠাৎ এমন আসবে কখনো চিন্তা করি নাই।

18/07/2023

👉যে তামাশায় নিভে যায় ইমান প্রদীপ👇

প্রিয় পাঠক,
আসসালামু আলাইকুম! আমাদের জীবনে জানা অজানা অনেক কিছু শেখার আছে। আমরা হয়তো জেনে বা না জেনে অনেক ভুল করে থাকি। বর্তমান স্যোসাল মিডিয়ার যুগ এই ক্ষণিকের পৃথিবীর মায়া পড়ে অন্যদের ক্ষণিকের আনন্দ দিতে মারাত্মক কুফরি কাজে লিপ্ত হয়ে যায় এমন কি ভূলে যায় আমাদের অন্য একটা জগতে চলে যেতে হবে। আসুন কষ্ট হলে এই কথা গুলি মনোযোগ সহকারে পড়ি।----

আমাদের সমাজে কত রকম মানুষ, কত রকম মুসলমান। কেউ নামায পড়ে, কেউ পড়েনা, কেউ ভাল কাজ করে, কেউ খারাপ কাজে লিপ্ত থাকে।
এতসব কাজের মধ্যে যে কাজটি আজকাল অহরহ চোখে পড়ে, তা হচ্ছে হাসির ছলে না বুঝে ইসলাম বা মুসলমানদের কোনো বিষয় নিয়ে হাসি ঠাট্টা করা। বন্ধুদের আড্ডায় আপনিও হয়তো শুনেছেন, ওই দেখ, হুজুরের কি সুন্দর ছাগলা দাড়ি!! সবার সাথে আপনিও হয়তো হেসে ফেললেন হো হো করে। কথা কথায় কারো অক্ষমতা বোঝাতে ‘মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত’ কথাটি আমরা প্রায়ই ব্যবহার করে থাকি। কখনো ভেবে দেখেছেন, এ কথায় কাকে ঠাট্টা করা হল- আল্লাহর ঘর মসজিদ নাকি মোল্লা মৌলভীক?

আল্লাহ পাকের কাছে যে বিষয়গুলো অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং তিনি যেগুলোর কারণে বান্দার সব আমল বাতিল করে দিতে পারেন, এসবের অন্যতম হচ্ছে- দ্বীন ইসলাম বা ইসলাম সম্পর্কিত কোনো বিষয় নিয়ে হাসি তামাশা করা।

শুধু কি আমল বাতিল হয়ে যাওয়া, বরং কোনো কোনো কথা ও ঠাট্টা তো আপনাকে ইসলাম থেকে বের করে দেবে আপনার অজান্তেই।

এজন্যই আলেমরা বলেন, নামাজ না পড়া কুফুরি নয়, কিন্তু নামাজ বা নামাজীদের নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য কিংবা তামাশা করা কুফুরি। মুনাফেকদের প্রথম পরিচয় ছিল, তারা মুসলমানদের নিয়ে হাসি তামাশা করতো, তাদের বোকা ভাবতো। আল্লাহ পাক তাদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘তারাই বোকা অথচ নিজেরা তা জানে না। ’ (সূরা বাকারা-১৩)

ইমাম ইবনে কুদামাহ লিখেছেন, যে আল্লাহকে স্বেচ্ছায় বা অনিচ্ছায় গালি দিল, কিংবা যে আল্লাহ বা তার রাসুল কিংবা দ্বীনের কোনো বিষয় নিয়ে ঠাট্টা করল, সে কাফের হয়ে গেল। (আল মুগনী)

ইমাম নববী বলেন, স্বেচ্ছায় কিংবা কেউ যদি স্পষ্টভাবে এমন কোনো কথা বলে যা আল্লাহ ও তার রাসুলের কোনো বিধানকে তুচ্ছ করে, তা অবশ্যই কুফুরি।

ইমাম কুরতুবী লিখেছেন, মজা করার জন্য হোক বা সত্যি সত্যি হোক, ইসলামের কোনো সাধারণ বিষয় নিয়ে হাসি তামাশা করাও কুফুরি। এতে কারো দ্বিমত নেই।

ইমাম ইবনে তাইমিয়া বলেন, দ্বীনের যে কোনো স্পষ্ট বিষয় নিয়ে ঠাট্টা করা কুফুরি। যে এমন করল তার ইমান ধ্বংস হয়ে কুফুরিতে পরিণত হল।

আর তাই কোনো একজন সাধারণ মানুষ, যে দাড়ি রেখে দ্বীনের ওপর চলতে সচেষ্ট, যে নারী পর্দা রেখে চলতে চায়, তাকে যদি এ কারণে কেউ তুচ্ছ ভাবে কিংবা তামাশার দৃষ্টিতে দেখে, তবে নিশ্চয়ই বিষয়টি গিয়ে দ্বীনের সীমারেখা পর্যন্ত পৌঁছে, যা অত্যন্ত ভয়ানক বিষয়।

অনেক নামাযী মানুষ কিংবা দাড়িওয়ালা হয়তো অপকর্মে লিপ্ত, তার কর্মের জন্য সে নিজেই দায়ী। ধর্মের লেবাসধারীর অপকর্মের দায়ভার কোনো মতেই ধর্মের নয়। তাই তার ধর্মকে গালমন্দ করা বৈধ নয়, কারণ এটি তার স্বভাবের দোষ, তার নামায কিংবা আমলের এতে কোনো হাত নেই।

অহরহ পথে ঘাটে এসব বিষয় নিয়ে ‘মশকরা’ করায় মানুষ নিজের অজান্তেই তার দ্বীন থেকে বহিষ্কৃত হয়ে যেতে পারে, সামান্য ‘বিদ্রুপে’ শেষ হয়ে যেতে পারে এতদিনের সব নেক আমল।

আল্লাহ পাক এমন লোকদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনি যদি তাদের জিজ্ঞেস করেন, তারা বলবে, আমরা একটু হাসি তামাশা করছিলাম। আপনি বলে দিন, তোমরা কি আল্লাহকে নিয়ে এবং তার আয়াতসমূহ ও তার রাসুলকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করছ? তোমরা কারণ দেখিয়ো না, তোমরা তো তোমাদের ঈমানের পরও কুফুরি করে ফেলেছো। ’ (সূরা তওবা-৬৫-৬৬)

পবিত্র কুরআনে অভিশপ্ত জাতিদের যেসব ঘটনা বিবৃত রয়েছে, তারা তাদের নবীকে নিয়ে ব্যঙ্গ করতো, নবীর অনুসারীদের নিয়ে পথে ঘাটে বিদ্রুপ করতো, আল্লাহ পাক তাদের সমুচিত জবাব দিয়েছেন, পরকালেও তাদের এর বদলা দিবেন আল্লাহ।

মদীনার মুনাফিকদের অবস্থাও ছিল একই রকম। যা হাদীসের বিভিন্ন কিতাবের বিবরণে সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত।

খুব সংক্ষেপে কিছুটা হলেও আপনি হয়তো এর ভয়াবহতা অনুমান করতে পেরেছেন। আর তাই আজ থেকে সব বিষয় নিয়ে হাসি তামাশা নয়, ইসলাম এবং এর সাথে সম্পর্কিত কোনো বিষয় নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য নয়, সামান্য একটু হাসির জন্য নিজের সব ইমান আমল বিকিয়ে দেওয়া কোনো সচেতন বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

তাই আসুন আমরা আল্লাহ ও আল্লাহ রাসুলে দেখানো পথ অনুসরণ করি এবং নিজে আল্লাহর পথে চলি ও অন্যকে আল্লাহর পথে চলার আহবান করি।

05/06/2023

বিচার আল্লাহর বিধানে😂,আকাশ মাহমুদ

Address

Moheshkhali
Cox's Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Delawar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Delawar:

Share