16/12/2020
কে এম বিজনেস ফোরাম
কাঁঠালিয়া মুরা, পি এম খালী ,
ককস্ বাজার।
রূপকল্প, লক্ষ্য ও মূল্যবোধসমূহ
*রূপকল্প
এমন একটি সংগঠন যেখানে কোনপ্রকার শোষণ ও বৈষম্য থাকবে না এবং প্রতিটি মানুষের নিজস্ব সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ থাকবে।
*লক্ষ্য
আমাদের সংগঠনের লক্ষ্য হচ্ছে দারিদ্র্য, অশিক্ষা, এবং সামাজিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে আর্থিকভাবে সচ্ছলতার পথকে প্রশস্থ করা। সংগঠনের বিভিন্ন উদ্যোগের বিস্তার ঘটিয়ে অর্থনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা এবং সংগঠনের সকল সদস্যদের তাদের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও সামর্থ্য বিকাশে সক্ষম করে তোলাও আমাদের লক্ষ্য।
মূল্যবোধসমূহ:
সততা ও নিষ্ঠা
যা কিছুই আমি করি না কেন, তার মধ্যে সৌন্দর্য, সততা, নিষ্ঠা ও নিয়মতান্ত্রিকতা থাকার আবশ্যকতা আমার স্বার্থেই রয়েছে। আমার কাছ থেকে সমাজ, সংসার, দপ্তর ও দেশ সব সময় ভালো কিছুই আশা করতে পারে। আমারও উচিত আমার ভালো কিছুই ডেলিভারি করা। আমার পদবি, পর্যায় ও অবস্থানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ আচার-আচরণই আমার থেকে প্রত্যাশিত। সুতরাং পরিবেশ পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ চলন-বলন, সম্পাদন-নিয়ন্ত্রণ, অনুধাবন, প্রক্ষেপণ প্রকাশ পাওয়া উচিত। সব কাজে যথাযথ সচেতনতা গাম্ভীর্য ও মর্যাদাবোধকে মেনে চলা উচিত। আমার অনবধানতা, অজ্ঞতা কিংবা অবজ্ঞা দ্বারা আমি নিজে, আমার সংসার, সমাজ, দপ্তর ও দেশ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, যেন বঞ্চিত না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। আমার কাছ থেকে সময় ও সমাজ যতখানি নিষ্ঠা, দায়িত্বশীলতা ও কর্তব্যপরায়ণতা প্রত্যাশা করে, তা পূরণে আমার চেষ্টা অবশ্যই থাকতে হবে। এভাবেই আমি যদি আমার কাছে জবাবদিহির পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে সার্থক হবে আমার পথচলা এবং আমার দ্বারা উপকৃত হবে দেশ, সময় ও সমাজ।
*সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী মনোভাব
যখন কেউ কোন বিষয়কে সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে, নিজস্ব চিন্তাধারার মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন উপায়ে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়, তখন তার সেই সামর্থ্যকে সৃজনশীলতা বলা হয়। সৃজনশীলতার অপর নাম সৃষ্টিশীলতা অর্থাৎ কোন নতুন কিছু সৃষ্টি করার চিন্তাভাবনা কাজ করা।
মানুষ মাত্রই নতুন কিছু খুঁজে বেড়ানোর আকাঙ্ক্ষা,নতুন কিছু আবিষ্কারের জন্য হন্যে হয়ে পড়া। নতুন কিছু উদ্ভাবনের এই যে প্রয়াস, এই যে ত্যাগ-তিতিক্ষা তা তখন-ই সাফল্য এনে দেয় যখন সৃজনশীলতার প্রকাশ ঘটে। ক্রমবর্ধমান আধুনিক সভ্যতার এই যুগে নিত্য নতুন জ্ঞান মানুষের আচার-আচরণ ও চিন্তাধারাকে পরিশীলিত করে,তাকে নতুন করে ভাবতে শেখায়। নতুনত্বের জন্ম দেয়ার এক দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা মানব সভ্যতাকে নতুন রুপ দিয়েছে।
সৃজনশীলতা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। কখনো তা উদ্ভাবনী সৃজনশীলতা, কখনোবা তা কারিগরি সৃজনশীলতা,কখনোবা আবার তা বিশ্লেষণধর্মী সৃজনশীলতা।
উদ্ভাবনী সৃজনশীলতাঃ
নতুন কিছু তৈরী করা কিংবা আবিষ্কার করাই হলো উদ্ভাবন। যারা নতুন কিছু উদ্ভাবন করেন তারা উদ্ভাবনী সৃজনশীল ব্যক্তি। মানুষের প্রয়োজনের সাথে উদ্ভাবনী শক্তির এক গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় হলো উদ্ভাবনী সৃজনশীলতা। যেমন মানুষের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির প্রয়োজনে টমাস আলভা এডিসন এর বৈদ্যুতিক বাল্ব আবিষ্কার পরবর্তীতে বিদ্যুৎ আবিষ্কার এর পথ সহজতর করে। আমেরিকান প্রকৌশলী মার্টিন কুপার এর মোবাইল আবিষ্কার। এসব-ই হচ্ছে উদ্ভাবনী সৃজনশীলতার উৎকৃষ্ট নমুনা।
কারিগরি সৃজনশীলতাঃ
কারিগরি জ্ঞান ও কাজেকর্মে উৎকর্ষতা প্রয়োগের মাধ্যমে শিল্প সৃষ্টি করাকে কারিগরি সৃজনশীলতা হিসেবে অভিহিত করা যায়। কারিগরি জ্ঞান মানুষের শৈল্পিক চিন্তাভাবনাকে এক নতুন মাত্রা প্রদান করে,এজন্য সৃজনশীল মনন ও চিন্তাধারার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। যেকোন হস্তশিল্পের কাজ, নিজ উদ্যোগে কোন ব্যবসা শুরু করা ইত্যাদি কারিগরি সৃজনশীলতার অন্তর্ভুক্ত।
বিশ্লেষণী সৃজনশীলতাঃ
এ ধরনের সৃজনশীলতার অভাব বর্তমানে আমাদের দেশে প্রকট। এক সময়ে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে স্বনামধন্য গায়ক-গায়িকা, গীতিকার,সুরকার এর অবাধ বিচরণ ছিল। অনেক বিখ্যাত কবি-সাহিত্যিকরা বাংলা সাহিত্যকে প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করে গেছেন। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে গান, কবিতা,গল্প,চিত্র এসব বিশ্লেষণী সৃজনশীলতা চর্চা এখন আর হয় না।
* সার্বজনীনতা
* কার্যকারিতা