Meghna Air Travels

Meghna Air Travels ✈️ এয়ার টিকিট, ভিসা প্রসেসিং, ওমরাহ, ট্যুর প্যাকেজ, পরামর্শ – সব এক জায়গায়।

📍 বিশ্বব্যাপী সুযোগের জন্য সহজ, বিশ্বস্ত ও পেশাদার ভ্রমণ সেবা।

🧭 Meghna Air Travels– Our Services

✈️ Visa Processing Services:
● Work Visa (Middle East, Europe, Asia)
● Tourist Visa
● Student Visa
● Hajj & Umrah Visa
● Family Visit Visa
● Business Visa
● Visa Extension & Consultation

🎫 Ticketing Services:
● International Air Ticket Booking
● Domestic Air Ticket Booking
● Group Ticket Booking
● Urgent/Emergency Ticket Assistance

🕌 Hajj & Umrah Services:
● C

omplete Hajj & Umrah Packages
● Visa Processing
● Air Ticket & Hotel Booking
● Ground Transportation & Guidance

🌍 Tour & Travel Packages:
● International Holiday Packages
● Custom Tour Planning (Couple, Family, Friends)
● Hotel Booking & Airport Pickup
● Visa + Ticket + Accommodation Full Support

📄 Travel Documentation Support:
● Visa File Preparation
● Document Translation & Attestation
● Travel Insurance
● Passport Assistance

🧑‍💼 Consultancy & Support:
● Country & Visa Guidance
● Pre-Departure Orientation
● Job Market Information (for Work Visa clients)
● Student Admission Assistance (if applicable)

04/08/2026

মালয়েশিয়া কলিং ভিসায় আসতে চান ?

যারা এখনো BMET রেজিষ্ট্রেশন করেননি,
তাহারা অতি দ্রুতো আপনার নিজ জেলা জনশক্তি কর্মসংস্থান (BMET) অফিসে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন সম্পুর্ন করুন।

সাথে নিজ জেলা (TTC) ট্রেনিং সেন্টার থেকে তিন দিনের ট্রেনিংটিও কম্পিলিট করে রাখুন।

নিজ জেলা BMET অফিস এবং TTC ট্রেনিং সেন্টারে যাওয়ার আগে অবশ্যই সাথে করে নিয়ে যাবেন।

৩ কপি পাসপোর্টের ফটো কপি, ২ কপি NID (আইডি) কার্ডের ফটো কপি, ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং সাথে ৭০০ টাকা।
এই জিনিসগুলো আগে করা থাকলে আপনার মালয়েশিয়া কলিং ভিসায় আসা সহজ হবে। মালয়েশিয়া কলিং এ আসার আগে আপনি কোন কোম্পানিতে আসতেছেন এটা যাচাই-বাছাই করে আসার চেষ্টা করুন। এবং ভালো একটা এজেন্সি ভালো মানুষের মাধ্যমে আসেন।
২০২৬ সালের মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা কত টাকা লাগতে পারে রেট এখনো সুনির্দিষ্ট হয় নাই। সেটা পরবর্তীতে জানিয়ে দেবো ইনশাআল্লাহ।

30/06/2026
দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ দেশের নাগরিকদের জন্য কাজের ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট প্রদান অব্যাহত রেখেছে ইউরোপের দেশ রোমানিয়া। ২০২৫ সাল...
18/06/2026

দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ দেশের নাগরিকদের জন্য কাজের ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট প্রদান অব্যাহত রেখেছে ইউরোপের দেশ রোমানিয়া। ২০২৫ সালের জন্য বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মোট ৮২ হাজার ১৮০ জন নাগরিককে কাজের ভিসা দিয়েছে দেশটির সরকার। এই তালিকায় ৮ হাজার ৩১৯টি পারমিট পেয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

রোমানিয়া সরকারের জেনারেল ইন্সপেক্টরেট ফর ইমিগ্রেশন (আইজিআই) প্রবাসী অধিকারবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইনফোমাইগ্রেন্টসকে ই-মেইলের মাধ্যমে এই পরিসংখ্যান নিশ্চিত করেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে কাজের ভিসার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে নেপাল। দেশটির ৪৫ হাজার ৪৯৬ জন নাগরিক এই অনুমোদন পেয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শ্রীলঙ্কার ১৩ হাজার ৬৯৩ জন নাগরিককে ওয়ার্ক পারমিট দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের পর চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (৮ হাজার ৮২) এবং পাকিস্তান (৬ হাজার ৫৯০)। আইজিআই জানিয়েছে, এই হিসাবের মধ্যে এমন অনেক কর্মীও রয়েছেন যারা গত বছর আবেদন করে চলতি বছর কাজের অনুমতি পেয়েছেন।

ওয়ার্ক পারমিটের পাশাপাশি বর্তমানে রোমানিয়ায় নিয়মিতভাবে বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীদের একটি পরিসংখ্যানও প্রকাশ করেছে আইজিআই। চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত হালনাগাদ করা তথ্যে দেখা যায়, দেশটিতে বৈধ রেসিডেন্স পারমিট নিয়ে অবস্থান করছেন ৮ হাজার ৬৩৫ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে বিশাল একটি অংশ, অর্থাৎ ৭ হাজার ৮৯৫ জনই দেশটিতে গেছেন কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে। এছাড়া ৫০০ জন স্টুডেন্ট ভিসায়, পারিবারিক পুনর্মিলন ভিসায় ১৬৫ জন এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি নিয়ে ৬০ জন সেখানে অবস্থান করছেন। এর বাইরে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় শরণার্থী হিসেবেও সামান্যসংখ্যক বাংলাদেশি দেশটিতে রয়েছেন।

নিয়মিত বসবাসের ক্ষেত্রেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নেপালিদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে ৫৭ হাজার ৩৩০ জন নেপালি নাগরিক রোমানিয়ায় অবস্থান করছেন। এরপর পর্যায়ক্রমে রয়েছে শ্রীলঙ্কা (২৭ হাজার ৩৮০), ভারত (১৪ হাজার ৬১০) এবং পাকিস্তান (৫ হাজার ২৬৫)। পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট যে, এই অঞ্চলের নাগরিকদের রোমানিয়া যাওয়ার প্রধান মাধ্যম হলো কর্মসংস্থান। উচ্চশিক্ষা, পারিবারিক পুনর্মিলন বা স্থায়ী আবাসন ভিসা নিয়ে দেশটিতে বসবাসের হার তুলনামূলক অনেক কম।

03/06/2026

বর্তমানে স্টুডেন্ট ভিসার জন্য কোন কোন দেশ চুজ করা উচিত এবং কেন ?

১) আপনার যদি আর্থিক সমস্যা থাকে , রেজাল্ট একটু খারাপ থাকে , গ্যাপ থাকে তাহলে দক্ষিণ কোরিয়া লিস্টের টপে রাখা উচিত।ভিসা রেশিওর দিক দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া এখন অন্যতম সেরা অবস্থানে আছে ।তবে এই রেশিও আস্তে আস্তে কমতে পারে সামনের ইনটেকগুলোতে ।

মাস্টার্সে লম্বা গ্যাপ এলাউ করলেও , ব্যাচেলরসে কিন্তু তিনবছর পর্যন্ত গ্যাপ গ্রহণ করে । দক্ষিণ কোরিয়ায় পড়াশোনার জন্য অনেক ভালো ভালো ইউনিভার্সিটি রয়েছে । ইনকাম ও যথেষ্ট ভালো ।আবার পড়ালেখা শেষ করার পর তিনবছর পর্যন্ত জব সার্চ করার সুযোগ রয়েছে ।

২) নর্ডিকের দেশ নরওয়ে ও বেশ ভালো হতে পারে । নরওয়ের অনেক ইউনিভার্সিটিতে টিউশন ফি নেই , আবার কিছু ইউনিভার্সিটিত খুবই সামান্য টিউশন ফিতে পড়ালেখা করা যায় । ডেনমার্ক , ফিনল্যান্ডের তুলনায় জব পাওয়া সহজ । আবার পড়াশোনা শেষ করে মাসিক ৩-৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করা সম্ভব । আমি অনেককেই দেখেছি নরওয়েতে পড়াশুনা করে খুব ভালো পজিশনে রয়েছে ।

৩)এখন ও পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার ভিসা রেশিও মুটামুটি ভালোই আছে ।সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকলে ভিসা পাওয়ার আশা করা যায় । তবে অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটিগুলোর টিউশন ফি একটু বেশি , লিভিং এক্সপেন্স ও অনেক । পড়াশোনা শেষ করে PR পাওয়া তুলনামূলক একটু কঠিন ।

আর ইনকামের কথা বললে ভালো আর্নিং করা পসিবল । কিন্তু টিউশন ফি , লিভিং এক্সপেন্স মেইনটেইন করে সেভিংস করা একটু কঠিন হবে ।

৪) যাদের টাকা-পয়সা একদমই নেই । তারা চাইলে চীনে স্টাইপেন্ড নিয়ে পড়তে যেতে পারেন ।কারণ এখন চীনে একে তো পড়াশোনা করতে টাকা-পয়সা লাগে না , তারওপর খুব ভালো স্টাইপেন্ড দেয় । পড়াশোনা ,থাকা-খাওয়া আরামসে মেইনটেইন করা যায় ।

সবচাইতে বড় ব্যাপার হচ্ছে ব্যাচেলরস কমপ্লিট করে অন্যদেশে খুব সহজেই মুভ করতে পারবেন ।কারণ চীনের সার্টিফিকেটের মূল্য পৃথিবীর টপ অন্যান্য দেশের চাইতে কম না ।

৫) জার্মানি , অস্ট্রিয়া এই দুইটা দেশ পড়াশোনার জন্য বরাবরই ভালো ।দুই দেশের অনেক ইউনিভার্সিটিতেই কোনো টিউশন ফি নেই । প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে অল্প সংখ্যক টিউশন ফি থাকে ।তবে বাংলাদেশ থেকে জার্মানির ওয়েটিং পিরিয়ড অনেক বেশি ,তারওপর এখন ভিসা এপ্রুভ করার আগে ইমিগ্রেশন ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে থাকে ।

৬) ইতালির ভিসা রেশিও ভালো না হলেও । সুযোগ-সুবিধার দিক দিয়ে অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে। টিউশন ফি নেই , তারওপর রিজিওনাল scholarship এর সুযোগ থাকায় প্রতি বছর ৮-১৪ লাখ পর্যন্ত টাকা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। জবের কথা বললে ভাষা জানলে জব পাওয়া সহজ এবং ভালো ইনকাম করার সুযোগ আছে ।

৭) স্পেন , বেলজিয়াম, এস্তোনিয়া , ফ্রান্স এই দেশগুলো একটু আন্ডারেটেড । তবে আমি যতটুকু জেনেছি এই দেশগুলো ও খারাপ না। এই দেশগুলো সম্পর্কে ও আপনারা ভালো করে ঘেঁটে দেখতে পারেন ।

কোন দেশ আপনার জন্য ভালো হবে তা নির্ভর করে আসলে আপনার ফিউচার প্ল্যান কি তার ওপরে । কেউ চায় ভালো পড়াশোনা , কেউ চায় ইনকাম। আবার কেউ চায় সহজে সেটেল হতে । একসাথে সবকিছু পাওয়া তেমন সহজ না । একদিকে ভালো হলে , অন্যদিকে ভালো না ও হতে পারে। আর তাই ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে এরপর স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করা উচিত।

02/06/2026

🇮🇹ইতালির স্টুডেন্ট ভিসার নতুন আপডেট নিয়ে বিস্তারিত:

# ১. অ্যাপয়েন্টমেন্ট নোটিফিকেশন ও ভিসা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া

ইতালির দূতাবাস (Embassy of Italy in Dhaka) জানিয়েছে যে যেসব শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে Universitaly পোর্টালে সঠিকভাবে নিবন্ধন (Registration) সম্পন্ন করেছে, তাদেরকে VFS Global-এর মাধ্যমে ইমেইল পাঠানো হবে। এই ইমেইলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারণ করা হবে। অর্থাৎ এখন থেকে সবাই নিজেরা VFS-এ গিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে পারবে না; বরং Universitaly-তে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের তথ্য যাচাই করার পর VFS তাদের সাথে যোগাযোগ করবে। বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে VFS Global ঠিক সেই ইমেইল ঠিকানাতেই যোগাযোগ করবে, যেটি ব্যবহার করে শিক্ষার্থী Universitaly পোর্টালে নিবন্ধন করেছে। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত নিয়মিত সেই ইমেইল চেক করা, স্প্যাম বা জাঙ্ক ফোল্ডারও দেখা, যাতে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বার্তা মিস না হয়। যদি কেউ ভুল ইমেইল ব্যবহার করে থাকে অথবা ইমেইল অ্যাক্সেস না থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট সংক্রান্ত সমস্যায় পড়তে পারে। সুতরাং এই ধাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সকল শিক্ষার্থীকে তাদের নিবন্ধিত ইমেইল সক্রিয় ও সচল রাখতে হবে।

# ২. অর্থনৈতিক গ্যারান্টি (Financial Support) সংক্রান্ত নির্দেশনা

ইতালিয়ান স্টুডেন্ট ভিসার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে ইতালিতে পড়াশোনা ও জীবনযাপনের জন্য তার পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক সামর্থ্য রয়েছে। এই নোটিশে দূতাবাস স্পষ্ট করেছে যে অর্থনৈতিক গ্যারান্টি বা আর্থিক সহায়তার প্রমাণ শুধু আবেদনকারীর নিজের নামে থাকলেই হবে না, বরং তার নিকট আত্মীয়দের নামেও থাকতে পারে। বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে বাবা-মা, দাদা-দাদি বা নানা-নানি, চাচা-মামা-ফুফু-খালা এবং এমনকি কাজিনদের আর্থিক নথিও গ্রহণযোগ্য হতে পারে। এর অর্থ হলো অনেক শিক্ষার্থীর নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকলেও তারা তাদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা প্রদর্শন করে ভিসা আবেদন করতে পারবে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই আত্মীয়রা ইতালিতে বসবাসকারী হতে পারেন অথবা ইতালিয়ান নাগরিকও হতে পারেন। তবে অর্থনৈতিক গ্যারান্টি দেখানোর ক্ষেত্রে সম্পর্কের প্রমাণ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, স্পন্সরশিপ ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য সহায়ক কাগজপত্র সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে হবে। দূতাবাস মূলত নিশ্চিত হতে চায় যে শিক্ষার্থী ইতালিতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়বে না এবং তার পড়াশোনা সম্পন্ন করার জন্য পর্যাপ্ত অর্থের ব্যবস্থা রয়েছে।

# ৩. ভাষাগত যোগ্যতা (Language Requirement) সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

ভাষাগত দক্ষতা স্টুডেন্ট ভিসা মূল্যায়নের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নোটিশে বলা হয়েছে যে দূতাবাস শুধুমাত্র বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত ভাষা সনদ (Language Certificate) গ্রহণ করবে। অর্থাৎ যেকোনো স্থানীয় বা অস্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। ভাষা সনদে অবশ্যই আবেদনকারীর ভাষাগত দক্ষতার বিভিন্ন অংশ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে Listening (মৌখিক বা শ্রবণ ক্ষমতা), Reading (পড়ে বোঝার ক্ষমতা), Speaking (কথা বলার দক্ষতা) এবং Writing (লেখার দক্ষতা)। দূতাবাস নিশ্চিত হতে চায় যে শিক্ষার্থী ইতালিতে গিয়ে তার কোর্সের ভাষায় যথাযথভাবে যোগাযোগ করতে এবং পড়াশোনা পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। বিশেষ করে যারা ইংরেজি মাধ্যমে পড়তে যাবে, তাদের ক্ষেত্রে IELTS, TOEFL, Cambridge English বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত অফিসিয়াল সার্টিফিকেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। অন্যদিকে ইতালিয়ান ভাষায় কোর্স হলে ইতালিয়ান ভাষার স্বীকৃত সনদ প্রয়োজন হতে পারে। তাই আবেদনকারীদের উচিত ভাষা সংক্রান্ত নথিপত্র অত্যন্ত সতর্কতার সাথে প্রস্তুত করা এবং নিশ্চিত করা যে সেগুলো আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য।

# ৪. CIMEA সার্টিফিকেট, Declaration of Value (DOV) এবং ডেডলাইন

নোটিশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যতা প্রমাণের জন্য CIMEA Certificate অথবা Declaration of Value (DOV) জমা দেওয়ার নির্দেশনা। ইতালির শিক্ষা ব্যবস্থা বিদেশি শিক্ষাগত যোগ্যতাকে যাচাই করার জন্য এই ধরনের নথি ব্যবহার করে। CIMEA হলো এমন একটি সংস্থা যা বিদেশি ডিগ্রি ও শিক্ষাগত সনদের সমমান যাচাই করে। অন্যদিকে Declaration of Value (DOV) সাধারণত ইতালিয়ান দূতাবাস বা কনস্যুলেট দ্বারা প্রদান করা একটি অফিসিয়াল ডকুমেন্ট, যা শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার বৈধতা নিশ্চিত করে। দূতাবাস শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেছে যে তারা এই দুই ধরনের নথির যেকোনো একটি সংগ্রহ করে জমা দিক, যাতে তাদের একাডেমিক সার্টিফিকেটের সত্যতা যাচাই করা যায়। এছাড়াও নোটিশে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রি-এনরোলমেন্টের জন্য স্টুডেন্ট ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে **২৯ অক্টোবর ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)**। এর অর্থ হলো এই তারিখের পর নতুন আবেদন গ্রহণ করা নাও হতে পারে। তাই যারা ইতালিতে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করছেন, তাদের উচিত সময়মতো সমস্ত কাগজপত্র প্রস্তুত করে নির্ধারিত সময়সীমার আগেই আবেদন সম্পন্ন করা।

# ৫. এই নোটিশ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য মূল বার্তা

এই নোটিশের সার্বিক উদ্দেশ্য হলো ইতালিতে পড়তে আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ করা। দূতাবাস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে Universitaly-তে নিবন্ধন সম্পন্ন করা, সঠিক ইমেইল ব্যবহার করা, গ্রহণযোগ্য আর্থিক গ্যারান্টি প্রদর্শন করা, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ভাষা সনদ জমা দেওয়া এবং CIMEA বা DOV সংগ্রহ করা—এসব বিষয় এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়সীমা মেনে আবেদন করা না হলে ভিসা প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই একজন শিক্ষার্থীর উচিত শুরু থেকেই সকল ডকুমেন্ট সঠিকভাবে প্রস্তুত রাখা, নিয়মিত ইমেইল পর্যবেক্ষণ করা এবং দূতাবাস ও VFS Global-এর নির্দেশনা সতর্কতার সঙ্গে অনুসরণ করা। এসব নির্দেশনা মেনে চললে ইতালিয়ান স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে এবং আবেদন প্রক্রিয়াও তুলনামূলকভাবে সহজ হবে।

ইতালি স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর-
01/06/2026

ইতালি স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর-

ইতালি স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর।
বিস্তারিত জানতে কমেন্ট লিংকে ক্লিক করুক।

01/06/2026

স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনকারীদের জন্য বিজ্ঞপ্তি-
ঢাকায় অবস্থিত ইতালীয় দূতাবাস জানাচ্ছে যে, যেসব ছাত্রছাত্রী Universitaly পোর্টালে নিয়মিতভাবে নিবন্ধন করেছেন, তাদের স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনপত্র জমা দেওয়ার জন্য সাক্ষাতের সময় নির্ধারণ করতে VFS Global-এর পক্ষ থেকে ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হবে। আবেদনকারীরা Universitaly-তে নিবন্ধনের জন্য যে ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করেছেন, VFS Global সেই একই ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করবে।

এছাড়াও, আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট চেকলিস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ার এবং নিম্নলিখিত নির্দেশাবলী মনে রাখার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে:

দূতাবাস আবেদনকারী অথবা তার নিম্নলিখিত আত্মীয়দের—পিতা-মাতা, দাদা-দাদি/নানা-নানি, চাচা-চাচী, মামা-মামী, ফুফু-ফুফু, খালা-মামী, ফুফু-ফু পরিশেষে, দূতাবাস জানাচ্ছে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাক-ভর্তির জন্য স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ হলো বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬।

01/06/2026

বিস্তারিত কমেন্টে

30/05/2026

উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে বিবাহিত শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় চিন্তা থাকে স্পাউস (স্বামী বা স্ত্রী) সাথে নেওয়া নিয়ে। ২০২৬ সালের বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, অনেক দেশ তাদের অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন এনেছে।
​আপনার সুবিধার জন্য স্পাউসসহ যাওয়া যায় এমন সেরা কয়েকটি দেশের বিস্তারিত তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

​১. ফিনল্যান্ড (Finland)
​বর্তমানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফিনল্যান্ড সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজ মাধ্যম।

​কেন যাবেন: ব্যাচেলর এবং মাস্টার্স উভয় লেভেলেই স্পাউস নেওয়ার সুযোগ আছে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—স্পাউস সেখানে ফুল-টাইম (সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা) কাজ করার অনুমতি পান।

আবেদনের সময়: মূল ইনটেক Autumn Intake (আবেদন শুরু হয় আগের বছরের December- January)। কিছু ইউনিভার্সিটিতে January ইনটেকও থাকে। তবে প্রোগ্রাম কম থাকে।

​ভিসা প্রক্রিয়া: স্টুডেন্ট এবং স্পাউস একসাথে ভিসার আবেদন করতে পারেন এবং একসাথেই ফ্লাই করতে পারেন।

IELTS: Bachelor 6.0- 6.5 & Masters 6.5-7.0

​২. ডেনমার্ক (Denmark)
​ইউরোপের মধ্যে ডেনমার্কও স্পাউসদের জন্য অনেক উদার।

​কেন যাবেন: ডেনমার্কেও ফিনল্যান্ডের মতো স্পাউস ফুল-টাইম কাজের অনুমতি পান। এমনকি আপনি যদি ব্যাচেলর করতে যান, তবুও স্পাউস সাথে নিতে পারবেন।

​সুবিধা: ডেনমার্কের জীবনযাত্রার মান এবং সামাজিক নিরাপত্তা অত্যন্ত উন্নত। এখানেও ফ্যামিলি সহ একসাথে ফ্লাই করার সুবিধা রয়েছে।

IELTS: Bachelor 6.5 & Masters 6.5-7.0

​৩. যুক্তরাজ্য (United Kingdom)
​২০২৪ সালের পর থেকে ইউকে-তে স্পাউস ভিসার নিয়মে বড় পরিবর্তন এসেছে।

​বর্তমান নিয়ম: এখন সাধারণ মাস্টার্স (Taught Masters) প্রোগ্রামে স্পাউস নেওয়া যায় না। তবে আপনি যদি পিএইচডি (PhD) বা গবেষণামূলক মাস্টার্স (Postgraduate Research) করতে যান, তবেই কেবল স্পাউস নিতে পারবেন।

​কাজের সুযোগ: স্পাউস সেখানে ফুল-টাইম কাজ করতে পারেন।

IELTS: Bachelor 6.0 & Masters 6.0-6.5

​৪. কানাডা (Canada)
​কানাডাও তাদের স্পাউস ওপেন ওয়ার্ক পারমিট (SOWP) এর নিয়মে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।

​বর্তমান নিয়ম: বর্তমানে কেবল মাস্টার্স (কমপক্ষে ১৬ মাস মেয়াদী) এবং পিএইচডি শিক্ষার্থীরা তাদের স্পাউসকে সাথে নিতে পারেন। সাধারণ ডিপ্লোমা বা ব্যাচেলর কোর্সের জন্য এখন আর স্পাউস ভিসা দেওয়া হচ্ছে না।

​সুবিধা: স্পাউস 'ওপেন ওয়ার্ক পারমিট' পান, যার মাধ্যমে তিনি যেকোনো কোম্পানিতে কাজ করতে পারেন।
​প্রয়োজনীয়তা: স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের জোরালো প্রমাণ এবং ব্যাংক ব্যালেন্স।

IELTS: Bachelor 6.0- 6.5 & Masters 6.5-7.0

Selim Hossain

​৫. অস্ট্রেলিয়া (Australia)
​অস্ট্রেলিয়া স্পাউস বা ডিপেন্ডেন্ট ভিসার জন্য সবসময়ই একটি আকর্ষণীয় দেশ।

​কেন যাবেন: ব্যাচেলর এবং মাস্টার্স—উভয় ক্ষেত্রেই স্পাউস নেওয়া যায়। তবে মাস্টার্স বাই রিসার্চ বা পিএইচডি স্টুডেন্টদের স্পাউসরা আনলিমিটেড কাজের সুযোগ পান।

​নিয়ম: ভিসা আবেদনের সময় অবশ্যই স্পাউসের কথা উল্লেখ করতে হবে, নাহলে পরবর্তীতে তাকে নেওয়া খুব কঠিন হয়ে পড়ে।

​প্রয়োজনীয়তা: আইইএলটিএস-এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য বীমা (OSHC) এবং পর্যাপ্ত ফান্ড থাকা জরুরি।

IELTS: Bachelor 6.0 & Masters 6.5

৬. সুইডেন (Sweden)
​ইউরোপের মধ্যে সুইডেনকে বলা হয় স্পাউসদের জন্য স্বর্গ।

​কেন যাবেন: আপনি যদি মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে যান, তবে আপনার স্পাউস সাথে যেতে পারবেন এবং তিনি সেখানে ফুল-টাইম কাজের অনুমতি (Work Permit) পাবেন।

​সুবিধা: সুইডেনে স্পাউস কেবল কাজই নয়, চাইলে সেখানে ফ্রিতে বা স্বল্প খরচে পড়াশোনাও করতে পারেন। এছাড়া সেখানে শিশুদের পড়াশোনা এবং চিকিৎসা সুবিধা অত্যন্ত উন্নত।

আবেদনের সময়: সেপ্টেম্বর ইনটেকের জন্য আবেদন চলে ১৬ অক্টোবর থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। জানুয়ারি ইনটেকের আবেদন শেষ হয় আগস্টে।

​শর্ত: আপনার কোর্সের মেয়াদ কমপক্ষে ১ বছর হতে হবে এবং স্পাউসের জন্য অতিরিক্ত কিছু ব্যাংক ব্যালেন্স (মাসে প্রায় ৪,৪৪০ সুইডিশ ক্রোনা) দেখাতে হবে।

IELTS: Bachelor 6.5 & Masters 6.5

​৭. জার্মানি (Germany)
​জার্মানি বরাবরই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রথম পছন্দ কারণ পাবলিক ইউনিভার্সিটিগুলোতে টিউশন ফি নেই বললেই চলে।

​কেন যাবেন: স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যাওয়ার পর বা যাওয়ার সময় আপনি 'ফ্যামিলি রিইউনিয়ন' (Family Reunion) ভিসার মাধ্যমে স্পাউস নিতে পারেন।

​সুবিধা: স্পাউস সেখানে থাকার অনুমতি পাওয়ার পর ফুল-টাইম কাজ করতে পারেন। জার্মানির শক্তিশালী ইকোনমি কাজের প্রচুর সুযোগ তৈরি করে।

​শর্ত: এক্ষেত্রে স্পাউসকে সাধারণত জার্মান ভাষার প্রাথমিক ধাপ A1 লেভেল সম্পন্ন করতে হয়। এছাড়া দু’জন থাকার মতো পর্যাপ্ত বড় বাসা এবং পর্যাপ্ত মাসিক ইনকাম বা ব্লক অ্যাকাউন্টে টাকা থাকা জরুরি।

IELTS: Bachelor & Masters 6.0-6.5

​৮. নরওয়ে (Norway)
​প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর উচ্চমানের জীবনযাত্রার দেশ নরওয়ে।

​কেন যাবেন: নরওয়েতে স্টুডেন্ট ভিসার সাথে স্পাউস নেওয়ার সুযোগ আছে। তবে এক্ষেত্রে আর্থিক স্বচ্ছলতার (Financial Solvency) প্রমাণ খুব কঠোরভাবে দেখা হয়।

​সুবিধা: স্পাউস ফুল-টাইম কাজের অনুমতি পান। নরওয়েজিয়ান শিক্ষা ব্যবস্থা স্পাউস এবং সন্তানদের জন্য বেশ সহায়ক।

​শর্ত: সাধারণত স্বামী-স্ত্রী উভয়ের বয়সই অন্তত ২৪ বছর হতে হয় (কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড় আছে) এবং থাকার জায়গার নিশ্চয়তা দিতে হয়।

IELTS: Bachelor 6.0 & Masters 6.5

​৯. দক্ষিণ কোরিয়া (South Korea)
​এশিয়ান দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া বর্তমানে গবেষণার জন্য দারুণ একটি জায়গা।

​কেন যাবেন: আপনি যদি মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হন, তবে F-3 (Dependent Visa) এর মাধ্যমে স্পাউস নিতে পারেন।

​সুবিধা: স্টেম (STEM) ফিল্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য এখানে প্রচুর স্কলারশিপ আছে। স্পাউস সাথে থাকলে মানসিকভাবে শান্তিতে থাকা যায়।

​শর্ত: কোরিয়াতে স্পাউস সরাসরি কাজ করার অনুমতি পান না। কাজ করতে চাইলে আলাদা করে ইমিগ্রেশন অফিস থেকে অনুমতি নিতে হয় বা পার্ট-টাইম জবের জন্য অ্যাপ্লাই করতে হয়।

IELTS: Bachelor 5.5-6.0 & Masters 6.0 (MOI accepted)

★★​কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখবেন:

​আর্থিক সামর্থ্য: স্পাউস নিতে গেলে প্রায় সব দেশেই আপনার ব্যক্তিগত খরচের পাশাপাশি স্পাউসের জন্য অতিরিক্ত একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেখাতে হয়।

​বাসস্থান: অনেক দেশে (যেমন জার্মানি বা সুইডেন) ভিসা পাওয়ার আগে আপনাকে প্রমাণ করতে হয় যে আপনার কাছে দু’জন থাকার মতো পর্যাপ্ত বড় বাসা রয়েছে।

​আবেদন প্রক্রিয়া: কিছু দেশে স্টুডেন্ট এবং স্পাউস এক সাথে আবেদন করতে পারেন (যেমন- ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, সুইডেন), আবার কিছু দেশে স্টুডেন্ট আগে গিয়ে বাসা ও জবের ব্যবস্থা করার পর স্পাউসকে নিতে পারেন (যেমন- জার্মানি)।

Address

A. M Bengal Tower, Nazrul Avenue, Kandirpar
Cumilla

Telephone

+8801601809940

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Meghna Air Travels posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Meghna Air Travels:

Shortcuts

Share