Rajamaher-রাজামেহার

Rajamaher-রাজামেহার Rajamaher is ideal village of bangladesh. Life is hard but shouldbe try to be happy. Like to face c

Like to face criticalchallenge which willbe
makes me perfect.Actually my belief ontask and at the sametime on luck.'

হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষকদের আরো বিনয়ী ও রাগ হীন হওয়ার পরামর্শ থাকলো।  কারণ আপনাদের কিছু কাজ ইসলামের ও আলেমদের  বদনাম হচ...
15/09/2020

হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষকদের আরো বিনয়ী ও রাগ হীন হওয়ার পরামর্শ থাকলো। কারণ আপনাদের কিছু কাজ ইসলামের ও আলেমদের বদনাম হচ্ছে। কাউকে অমানবিক, নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতনের মাধ্যমে মানুষ করার বা হাফেজ বানানোর দায়িত্ব ইসলাম আপনাকে দেয়নি।

08/12/2016

ভয়ঙ্কর এক চুরির ঘটনা .....

রাজামেহার উ :প অফিসের তালা ভেংগে, উ পি অফিসের জরুরি কাগজ পত্র, লেপটপ, প্রজেক্টর, ও আরো জরুরি জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

বেগম খালেদা জিয়ার ছোটছেলে আরাফাত রহমান কোকোর গায়েবানা জানাযা আজ সকাল 10-30 মি :এ রাজামেহার 20 দলের উদ্দোগে রাজামেহার স্ক...
27/01/2015

বেগম খালেদা জিয়ার ছোটছেলে আরাফাত রহমান কোকোর গায়েবানা জানাযা আজ সকাল 10-30 মি :এ রাজামেহার 20 দলের উদ্দোগে রাজামেহার স্কুল মাঠে অনুস্ঠিত হয়।এতে হাজার মানুষ সরিক হয়।

28/09/2013

আজ ২৮ সেপ্টেম্বর ▓
• ১৯২৮ সালে এই দিনে স্যার
অ্যালেকজান্ডার
ফ্লেমিং প্রথমবারের
মতো পেনিসিলিন আবিষ্কারের
কথা ঘোষনা করেন।
• ১৯২৯ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন লতা মঙ্গেশকর,
তিনি ভারতের স্বনামধন্য
কন্ঠশিল্পী।
তিনি এক হাজারের বেশি ভারতীয়
চলচ্চিত্রের গানে কন্ঠ দিয়েছেন।
• ১৯৪৭ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন শেখ হাসিনা,
তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
• ১৯৭৫ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন স্টুয়ার্ট ক্লার্ক,
তিনি অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।
• ১৯৮২ সালে এই দিনে জন্ম গ্রহণ
করেছিলেন অভিনভ বিন্দ্রা,
তিনি ভারতীয় ক্রিড়াবিদ।
• খ্রি: পূ: ৪৮ এই দিনে মৃত্যুবরণ
করেন
মহান পম্পি, তিনি ছিলেন প্রখ্যাত
রোমান সেনাপতি ও রাজনীতিবিদ।
• ১৯৭০ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ
করেন
গামাল আবদেল নাসের, তিনি ছিলেন
মিশরীয় রাস্ট্রনায়ক।
• ১৯৯৬ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ
করেন
মোহাম্মদ নাজিবুল্লাহ, তিনি ছিলেন
আফগান সাবেক রাস্ট্রপতি।
তালেবানরা তাঁকে নৃশংসভাবে আত্যাচা
করে হত্যা করে।

20/09/2013

সংসদে ‘তথ্য ও
যোগাযোগপ্রযুক্তি (সংশোধন) আইন’
বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে
পারবে পুলিশঃ

‘তথ্য ও
যোগাযোগপ্রযুক্তি (সংশোধন)
অধ্যাদেশ-২০১৩’কে আইনে রূপ দেয়ার
লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সংসদে ‘তথ্য ও
যোগাযোগপ্রযুক্তি (সংশোধন) আইন,
২০১৩’ নামের একটি বিল উত্থাপন
করা হয়েছে। ২০০৬ সালের মূল
আইনে অধ্যাদেশের মাধ্যমে যেসব
সংশোধনী আনা হয়েছিল, তার সব কটিই
এই বিলে রাখা হয়েছে।
সংশোধিত আইন অনুযায়ী, তথ্যপ্রযুক্তি-
সংক্রান্ত অপরাধে পুলিশ
চারটি সুনির্দিষ্ট অপরাধের
ক্ষেত্রে কোনো পরোয়ানা ছাড়াই
অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার
করতে পারবে এবং এসব অপরাধ জামিন-
অযোগ্য করা হয়েছে। আগের আইনে সব
অপরাধ জামিনযোগ্য ছিল।
প্রস্তাবিত সংশোধনী আইনে শাস্তির
মেয়াদ বাড়িয়ে ন্যূনতম সাত বছর
এবং সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ডের
বিধান করা হয়েছে।

মূল আইনের ৫৪ ধারায় বর্ণিত অপরাধ-
কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম
ইত্যাদির অনিষ্ট সাধন; ৫৬ ধারায়
বর্ণিত কম্পিউটার সিস্টেমের
হ্যাকিংসংক্রান্ত অপরাধ; ৫৭ ধারায়
বর্ণিত ইলেকট্রনিক ফরমে মিথ্যা,
অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য
প্রকাশসংক্রান্ত অপরাধ ও ৬১ ধারায়
বর্ণিত সংরক্ষিত
সিস্টেমে প্রবেশসংক্রান্ত অপরাধের
দণ্ড পরিবর্তন করে ‘অনধিক দশ বছর
কারাদণ্ডের’ স্থলে ‘অনধিক চৌদ্দ বছর
এবং সর্বনিম্ন সাত বছর কারাদণ্ড’
শব্দাবলি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
মূল আইনের ৭৬ ধারায়
সংশোধনী এনে উপরিউক্ত ৫৪, ৫৬, ৫৭ ও
৬১ ধারায় বর্ণিত
অপরাধগুলো আমলযোগ্য (কগনিজেবল),
অর্থাৎ এসব অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ
পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেফতার
করতে পারবে এবং এসব অপরাধকে অ-
জামিনযোগ্য করা হয়েছে। এই ধারার
অনুচ্ছেদ (২) প্রতিস্থাপন
করে বলা হয়েছে, ‘(ক) ৫৪, ৫৬, ৫৭ ও
৬১-এ উল্লেখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য
(কগনিজেবল) ও অ-জামিনযোগ্য
হইবে এবং (খ) ৫৫, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৬২,
৬৩, ৬৪ ও ৬৫-এ উল্লেখিত অপরাধসমুহ
অ-আমলযোগ্য (নন-কগনিজেবল) ও
জামিনযোগ্য হইবে।’
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির
ব্যাপক ব্যবহার ও প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ
এবং তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধের
জন্য আইনটি বাস্তবতার আলোকে কতিপয়
ধারা/উপধারার পরিমার্জন ও
সংশোধনের প্রয়োজন অনুভূত হওয়ায়
বিলটি উপস্থাপন করা হয়েছে।

16/09/2013

সংগ্রামের ঐতিহ্যয়ের ১৭ই
সেপ্টেম্বর, মহান শিক্ষা দিবস।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১:১৮
১৭ই সেপ্টেম্বর ১৯৬২ সাল,
পাকিস্তানি শাসন, শোষণ,
শিক্ষা সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে লরাই
করতে গিয়ে শহীদ হন মোস্তফা,
ওয়াজিউল্লা, বাবুলসহ নাম
না জানা অনেকেই। তাই আমরা তাদের
স্মরণে পালন করি "শিক্ষা দিবস"
১৯৫৯ সালের ২৬ আগস্ট এস এম শরীফের
নেতৃত্বে যে শিক্ষা পরিকল্পনার
রিপোর্ট
তৈরী করেছিলো তাতে বলাছিলো যে "সস্তায়
শিক্ষা করা যায় বলিয়া তাহাদের
যে ভুল ধারনা রহিয়াছে তাহা শিঘ্রই
ত্যাগ করিতে হইবে" মাধ্যমিক ও উচ্চ
শিক্ষার ক্ষেত্রেও ছাত্র বেতন বর্ধিত
করার সিদ্ধান্ত হয়, শিক্ষার এই
বেসরকারিকরন, বানিজ্যিকিকরনের
রিপোর্ট ছাত্ররা প্রত্যাখ্যান করে ১৭ই
সেপ্টেম্বর ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
হরতাল পালন করে। সকাল ১০ টার
দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
কলা ভবনের সামনে থেকে মিছিল শুরু
হয়ে নবাবপুরের
দিকে যেতে চাইলে অবস্থানকারী পুলিশ
হাইকোর্টের সামনে বাধা দেয়,
মিছিলকারীরা সংঘাতে না গিয়ে আব্দুল
গনি রোডে অগ্রসর হয়, তখন পুলিশ
মিছিলের পিছন থেকে লাঠি চার্জ,
কাদানি গ্যাস ও গুলি বর্ষন করা হয়।
সেখানে থেকে সরকারি হিসাবে বলা হয়েছে ৫৯
জন গ্রেফতার, ৭৩ জন আহত ও ১ জন নিহত,
বাস্তবে এই তথ্য মিথ্যা। ছাত্র জনতার
এই আন্দলনের আপে সরকার ঐ রিপোর্ট
স্থগিত করতে বাধ্য হয়।
এই আন্দোলন যদিও ছাত্র অধিকার
সম্পর্কিত কিন্তু যারা আন্দোলন
করতে গিয়ে শহীদ হয়েছিলো তাদের
মধ্যে শুধু বাবুল ছিল ছাত্র, আর
অন্যরা ছিল শ্রমিক। এখানে এক অন্যরকম
ভালোবাসার চিত্র পাওয়া যায়,
ছাত্রদের অধিকারের জন্য
শ্রমিকরা মাঠে। আজকের
বাংলাদেশে এই স্বপ্ন দেখা সম্ভব নয়।
আজ কিছু ছাত্রদের দেখলে মানুষ ভয়
পায়, কিছু ছাত্রদের
চাদা দিয়ে চলতে হয়। এমন এক
পরিস্থিতে এসে বাংলাদেশে শুধু বাম
ছাত্রসংগঠন গুলো সেই ১৭ই
সেপ্টেমম্বরের চেতনা ধারন
করে শিক্ষা দিবস পালন করছে।
দুঃখের বিসয় হলেও সত্য স্কুল, কলেজ
এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র
জানেনা আমাদের শিক্ষা দিবস কবে?
জানেনা স্বাধীনতা দিবস ও বিজয়
দিবসের পার্থক্য। এই দায় কে নেবে?
কার দায়িত্ব এসব ইতিহাস জানানোর?
যারা বার বার ক্ষমতায়
এসেছিলো তারাই এর দায় বহন
করতে হবে।
আমাদেরকে বৃটিশরা শাসন
করেছে তাদের কে তারিয়ে দিয়েছি।
আমাদেরকে পাকিস্তানিরা শাসন শোষণ
করেছে তাদেরকে তারিয়ে দিয়েছি। আজ
বৃটিশ নাই, নাই পাকিস্তানিরা , কিন্তু
শোষণ আছে। তাই আমাদের ক্ষুদিরাম,
বাঘাযতিন, বগতশিং, রুমি, আযাদ,
দীপালি, বাবুলের জীবন থেকে আজ
শিক্ষা নিতে হবে। তাদের সাহস
আমাদের পথ দেখিয়ে দেয়
কিভাবে শোষণ মুক্ত সমাজ গড়তে হয়।

16/09/2013

স্বাধীনতার সুখঃ

মনের খাঁচায় বন্ধ আশা, পাইবো একটু
স্বর্গ ছোয়া,
মুক্ত মনের আসল কথা,
হাসিখুশিতে বেঁচে থাকা।
মনের কোণে স্বপ্ন আমার,
চাকরি হলে বাঁধবো বাসা
সুখের সংসার গড়বো মোরা, স্বপ্ন
নিয়ে বাঁচবো মোরা।
অন্যায়ভাবে চাই না বাঁচতে,
বিনা শ্রমে কিছু পেতে
পরিশ্রমে গড়বো মোরা, দেশের
তরে লড়বো মোরা
পণ মোদের এটাই হবে, অহংকারে যাব
না মরে।
পরাধীনতা যাবে না মানা,
স্বাধীনতা যাবে না বৃথা।
রক্তপাতে অভিশাপ নামে, ধ্বংসের
বাতাস বইছে দেশে
অঙ্কুরে বিষ বিনাশ হবে, নতুন প্রজম্ম
গড়বে তাকে।
প্রয়োজনে স্বাধীনতা, স্বাধীনতাই তার
আসল কথা।
অনেক বছর গত হলো, কবে ফলবে আসল
ফসল ?
গুণীজনের অবমাননা, নারী ধর্ষণের
প্রতিযোগিতা
চোখের সামনে চলছে এসব, খবরের কাগজ
ধরছে সেসব।
স্বাধীনতার কোথায় সম্মান, কোথায়
আমার আতœ সম্মান?
বস্ত্রের অভাবে শীতে কাঁপছে,
পুষ্ঠিহীনতায় জান যাচ্ছে,
যাযাবরের মত ঘুড়ে বেড়ায়, কাজের
সন্ধান না পাওয়ায়।
স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনে আসল
স্বাধীনতা বহু দূরে
শিশু জম্ম দশ মাস দশ দিনে, বাংলার
জম্ম নয় মাসে!
তাই লক্ষ লক্ষ শহীদের রক্তে অর্জিত
স্বাধীনতা আমাদের কাছে নগন্য!

বড় নখে স্বাস্থ্যঝুঁকি:হাতের নখ বড় রাখারবিষয়ে সতর্ক করেছেন আমেরিকারএকদল গবেষক। নখ বড় ও নেইলপলিশবেশি ব্যবহার স্বাস্থ্যের জ...
06/09/2013

বড় নখে স্বাস্থ্যঝুঁকি:

হাতের নখ বড় রাখার
বিষয়ে সতর্ক করেছেন আমেরিকার
একদল গবেষক। নখ বড় ও নেইলপলিশ
বেশি ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকির
কারণ হতে পারে। বড় নখ
থেকে দেহে যেকোনো ধরনের
সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার
আশঙ্কা থাকে বেশি। ফ্যাশন সচেতন
এনএইচএস-এর জরিপ শেষে গবেষকরা এ
কথা জানান।
বিষয়টি নিয়ে তারা কার্ডিফ
বিশ্ববিদ্যালয় ও লন্ডন
সিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫০০
শিক্ষার্থীর ওপর অনলাইনভিত্তিক
একটি জরিপ পরিচালনা করেন। এদের
মধ্যে ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থীর হাতের
নখ বড় ও তারা নিয়মিত বিভিন্ন
ধরনের নেইলপলিশ ব্যবহার করেন।
এদের প্রায় সবাইকেই বিভিন্ন ধরনের
সংক্রমণে আক্রান্ত হতে দেখা গেছে।
এছাড়া তাদের মধ্যে হাত না ধোয়াসহ
বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম লক্ষ
করা গেছে।
আমেরিকান জার্নাল অব ইনফেকশন
কন্ট্রোল সাময়িকীতে সোমবার
প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে।
এতে গবেষক টম স্যান্ডফোর্ড হাতের নখ
বড় রাখা ও নখে যেকোনো ধরনের
বার্নিশ ও আলগা নখ ব্যবহার না করার
পরামর্শ দিয়েছেন।

সুস্থ থাকুন তিন কাপ চায়ে: সুদূর চীন থেকে ইংরেজরা যখনএদেশে চা নামক পাতার পানীয় সুখনিয়ে এলো তখন তারাও বোধহয় জানতনা বঙ্গজীব...
05/09/2013

সুস্থ থাকুন তিন কাপ চায়ে:

সুদূর চীন থেকে ইংরেজরা যখন
এদেশে চা নামক পাতার পানীয় সুখ
নিয়ে এলো তখন তারাও বোধহয় জানত
না বঙ্গজীবনে কী অপার সুখের সন্ধান
দিল তারা। এতদিন চায়ের
মনভোলানো স্বাদে যদি আপনি
মাতোয়ারা হয়ে থাকেন এবার
তাহলে তার গুণগুলোর সঙ্গেও পরিচিত
হয়ে নিন।
সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে,
দিনে মাত্র তিন কাপ চা ম্যাজিকের
মতো বহু গুণ কমিয়ে দেয় হার্ট অ্যাটাক,
স্ট্রোকের সম্ভাবনা। শুধু তাই নয়, দাঁত
ক্ষয় রোধ করে। ওজন
নিয়ন্ত্রণে রাখতেও চায়ের
জুড়ি মেলা ভার।
লাল চায়ের (দুধ, চিনি ছাড়া)
অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ক্ষমতা সুস্থ
রাখে হার্ট। এমনকি চিনির মিশেও
চা তার গুণাবলি মোটেও
হারিয়ে ফেলে না। মাড়ি ও দাঁতের
পক্ষে ক্ষতিকর দুই ধরনের
ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ
গড়ে তোলে সেই চা।
দিন রাত মোটা হওয়ার আতঙ্ক যাদের
তারা করত তাদের জন্যও সুখবর। ওজন
নিয়ন্ত্রণ রাখতেও এই গরম পানীয়ের
জুরি মেলা ভার।
চায়ের মধ্যে ফ্লাভনয়েড নামের
যে উপাদান ফ্যাট বার্নিংয়ে সাহায্য
করে। এমনকি কমিয়ে দেয় শরীরের
ফ্যাট শোষণের ক্ষমতাও।

05/09/2013

ইন্টারনেটে আটকা পড়ল দুই মানব
মস্তিষ্ক, নিয়ন্ত্রিত হলো হাতের গতি

ইন্টারনেটের
মাধ্যমে মস্তিষ্কের সঙ্গে মস্তিষ্কের
সংযোগস্থাপন! শুধু তাই নয়, এর
ফলে সংযোগস্থাপনকারী দুই ব্যক্তির
মধ্যেকার মস্তিষ্কের সিগন্যাল
নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে একে অপরের
গতিবিধিও! কল্পবিজ্ঞান নয়,
বাস্তবে এই অসাধ্য সাধন করলেন
বিজ্ঞানীরা। এর আগেও মস্তিষ্কের
সঙ্গে মস্তিষ্কের সংযোগস্থাপন
করা হলেও মানুষের ক্ষেত্রে এই
ঘটনা প্রথম ঘটল।
ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের
কম্পুউটার সায়েন্সের অধ্যাপক রাজেশ
রাও হত ১০বছর ধরে এই
সংযোগস্থাপনের উপর পরীক্ষা-
নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। গত
মাসের ১২ তারিখ ইলেকট্রনিক
মস্তিষ্ক রেকোর্ডিং ব্যবহার করে ও
একটি চৌম্বক
উদ্দীপনা সৃষ্টি করে তিনি সহকর্মী
অ্যানড্রিও স্টোক্কোর সঙ্গে মস্তিষ্কের
সংযোগ তৈরি করেন। রাজেশ রাওয়ের
পাঠানো মস্তিষ্কের সিগন্যালের
ফলে অ্যানড্রিওর আঙুল কিবোর্ডের উপর
নিজে থেকেই কাজ করার জন্য প্রস্তুত
হয়।
স্টোক্কো জানিয়েছেন
যেভাবে কম্পুউটারের
সঙ্গে কম্পুউটারের সংযোগ
গড়ে তোলে ইন্টারনেট ঠিক তেমনই
একদিন মস্তিষ্কের সঙ্গে মস্তিষ্কেরও
সংযোগ গড়ে তুলবে ওই ইন্টারনেটই।
তিনি দাবি করেছেন
তারা একটি মস্তিষ্কের জ্ঞান সংগ্রহ
করে মস্তিষ্ক
থেকে মস্তিষ্কে ছড়িতে দিতে চান
তারা।
পরীক্ষার দিন রাও তার
গবেষণাগারে বসেছিলেন। তার মাথায়
ছিল একটি টুপি। টুপিটির ইলেকট্রড
একটি ইলেকট্রোসেফালোগ্রাফি
মেশিনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এই মেশিন
মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিন
গতিবিধি পড়তে সক্ষম।
অন্যদিকে স্টোক্কো রাও গবেষণাগার
থেকে দূরে নিজের
ল্যাবরেটরিতে বসে ছিলেন
একটি বেগুনী রংয়ের সাঁতারের
টুপি পরে। টুপিটার বাঁদিকে স্টোক্কোর
মোটর কর্টেক্সের
সরাসরি উপরে একটি ট্র্যান্সক্রেনিয়াল
চৌম্বক উদ্দীপক কয়েল লাগানো ছিল।
মোটর করটেক্স মানুষের হাতের
গতি নিয়ন্ত্রণ করে।
স্কাইপের মাধ্যমে দুই প্রান্তের দুই
গবেষণাগারে ইন্টারনেট সংযোগ
স্থাপন করা হয়। কিন্তু রাও
বা স্টোক্কো কেউই যাতে কম্পুউটার
স্ক্রিনে একে অপরকে দেখতে না পান
সে দিকে খেওয়াল রেখে ছিলেন তাদের
সহকারীরা। সংযোগ স্থাপনের পর রাও
একটি গেম খেলতে গিয়ে তার বাঁদিকের
তর্জনীটি তুলে কি বোর্ডে স্পেশ বাটন
টিপতে উদ্যত হওয়ার ঠিক একই
সময়ে স্টোক্কোর বাঁহাতের
তর্জনীটি নিজে থেকেই
উঠে কম্পিউটারের স্পেশ বাটনের
দিকে এগিয়ে যায়।
সূত্র:
সংবাদসংস্থা।p

05/09/2013

বাংলাদেশে মাথাপিছু আয়
১ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে

এই প্রথম মাথাপিছু আয় এক হাজার
ডলার ছাড়াল- সরকারি পরিসংখ্যান ব্যুরোর
হিসাব বলছে গত ২০১২-১৩
অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের
মাথাপিছু বার্ষিক আয় ৯২৩ ডলার
থেকে বেড়ে হয়েছে ১০৪৪ ডলার।
বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় এই
প্রথমবারের মতো চার অংকের কোঠায়
পৌঁছল।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর এক
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিত
বলেছেন সামাজিক নিরাপত্তা খাতসহ
অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকে উন্নতি এর
কারণ।
বাংলাদেশ মাথাপিছু আয় ১১৯০
ডলারে উন্নীত
করতে পারলে স্বল্পোন্নত দেশের
তালিকা থেকে বের হয়ে আসার
তিনটি শর্তের মধ্যে একটি পূরণ
করা সম্ভব হবে বাংলাদেশের জন্য।
অন্য দুটি শর্ত পূরণ
করতে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক
স্থিতিশীলতা এবং মানব সম্পদ সূচকেও
উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখাতে হবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ জায়েদ
বখত বলেছেন, মাথাপিছু বার্ষিক আয়
বৃদ্ধির অর্থনৈতিক তাৎপর্য হল
মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়া এবং তাদের
জীবনমানের উন্নতি।
তবে তিনি বলছেন এই মাথাপিছু জাতীয়
আয়ের মধ্যে শুধু যে দেশজ উৎপাদন
রয়েছে তাই নয়, এর অর্ন্তভুক্ত
রয়েছে প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থও।
মাথাপিছু আয় বাড়ার একটা কারণ
হিসেবে তিনি বলছেন রেমিটেন্সসহ
জাতীয় আয়ের পরিমাণ
বেড়েছে এবং পাশাপাশি জনসংখ্যা
বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে কম থাকায়
মাথাপিছু আয় বেড়েছে।
বাংলাদেশ উন্নয়ন
গবেষণা প্রতিষ্ঠানের
গবেষণা পরিচালক জায়েদ বখত বলছেন
এই বৃদ্ধি এক বছরে ঘটেনি,
সার্বিকভাবে গত কয়েক বছরের
অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের ভিত্তিতে এই
প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
তিনি বলছেন অর্থনীতিতে যেভাবে এই
প্রবৃদ্ধির হিসাব ধরা হয় তার
থেকে এটা বলা যায় যে এটা সাধারণ
মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ারই
একটা ইঙ্গিত বহন করছে।
বখত বলছেন, মাথাপিছু জাতীয় আয়
বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অভিবাসী শ্রমিকদের
পাঠানো রেমিটেন্সের একটা বড়
ভূমিকা রয়েছে, কারণ এই রেমিটেন্স
দেশজ পণ্যের চাহিদা ও উৎপাদন
বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন
করে থাকে।
তিনি বলছেন, গত কয়েক
বছরে সেবাখাত এবং গ্রামীণ
অর্থনীতিমুখী উৎপাদন অনেক
বেড়েছে এবং তার মতে অর্থনীতির
ওপরে এবং জাতীয় আয় বৃদ্ধির
ক্ষেত্রে এর একটা সুফল লক্ষ্য
করা গেছে।
সূত্র: বিবিসি।

Address

Rajamaher
Cumilla
3545

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rajamaher-রাজামেহার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rajamaher-রাজামেহার:

Share