13/05/2026
১. মাইক্রোওয়েভ ওভেন ও ইলেকট্রনিক্স
মাইক্রোওয়েভ ওভেন চলার সময় ২.৪ গিগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সি নির্গত করে, যা সাধারণ ওয়াই-ফাই রাউটারের তরঙ্গের সাথে সরাসরি সংঘর্ষ তৈরি করে। ফলে ওভেন চললে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা ধীরগতির হয়ে পড়ে। এ ছাড়া হ্যালোজেন ল্যাম্প বা ভারী সিলিং ফ্যানের মোটর থেকেও সিগন্যাল বাধাগ্রস্ত হয়।
২. ব্লুটুথ ডিভাইস ও স্মার্ট গ্যাজেট
স্মার্ট স্পিকার, ব্লুটুথ হেডফোন এবং বেবি মনিটরগুলো রাউটারের তরঙ্গের সাথে সিগন্যাল ইন্টারফেয়ারেন্স তৈরি করে। এর ফলে ঘরের নির্দিষ্ট কিছু কোণায় ওয়াইফাই সিগন্যাল একদমই পাওয়া যায় না।
৩. আয়না ও ধাতব আসবাব
আয়নার পেছনে থাকা রুপালি বা ধাতব প্রলেপ ওয়াইফাই সিগন্যালকে প্রতিফলিত করে উল্টো দিকে পাঠিয়ে দেয়। একইভাবে ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন বা লোহার আলমারির মতো ধাতব আসবাব রেডিও তরঙ্গ শুষে নেয় বা আটকে দেয়।
৪. অ্যাকোয়ারিয়াম ও পানির পাত্র
পানি প্রাকৃতিকভাবেই রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি শোষণ করে নেয়। ঘরের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য রাখা বড় অ্যাকোয়ারিয়াম বা ইনডোর প্ল্যান্টের (গাছের পাতা) আর্দ্রতা সিগন্যালকে দুর্বল করে দেয়। তাই রাউটারকে পানির উৎস থেকে দূরে রাখুন।
৫. দেয়াল ও কনসিলড ওয়্যারিং
দেয়ালের ভেতর দিয়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক তার এবং মেটাল পাইপ ওয়াইফাই তরঙ্গের বড় প্রতিবন্ধক। রাউটার যদি কোনো মোটা কংক্রিটের দেয়াল বা ফলস সিলিংয়ের একদম ঘেঁষে থাকে, তবে সিগন্যাল অন্য রুমে পৌঁছাতে পারে না।
দ্রুতগতির ইন্টারনেট পেতে এক্সক্লুসিভ টিপস :
সঠিক স্থান নির্বাচন : রাউটার মেঝেতে বা বদ্ধ ক্যাবিনেটে না রেখে ঘরের মাঝামাঝি কোনো খোলা ও উঁচু স্থানে রাখুন।
৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড : আপনার রাউটারটি ডুয়াল ব্যান্ডের হলে ২.৪ গিগাহার্টজের বদলে ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ডটি ব্যবহার করুন। এটি সিগন্যাল জ্যাম এড়িয়ে দ্রুত গতি দেয়।
এন্টেনার পজিশন : রাউটারে একাধিক এন্টেনা থাকলে একটি একদম খাড়া এবং অন্যটি আড়াআড়ি করে দিন। এতে ল্যাপটপ ও মোবাইল উভয় ডিভাইসেই ভালো সিগন্যাল মিলবে।
চ্যানেল পরিবর্তন : প্রতিবেশীর রাউটারের সঙ্গে সিগন্যাল সংঘর্ষ এড়াতে রাউটার সেটিংস থেকে ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেল পরিবর্তন করে নিতে পারেন।