Rawshan Ara laboni

Rawshan Ara laboni pls share this page.

29/11/2023

মজদার জলপাই এর আচার এসে গেছে।নিতে চাইলে এখনি ইনবক্স করো।
৪০০ গ্রাম ২৫০ টাকা
(ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য)

18/11/2023

চিকেন বিরিয়ানি। সম্পুর্ণ ফ্রেশ উপাদান দিয়ে তৈরী। হোম মেড।অফিস অথবা বাসার জন্য অর্ডার করতে পারেন।
১ প্যাকেট ১৮০ টাকা।মিনিমাম ২ প্যাকেট নিতে হবে।
ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য।

14/11/2023

বিরিয়ানি তো সবারই favorite...❤
কিন্তু সেটা যদি হয় বিফ বিরিয়ানি😋😋
তাহলে কেমন হয়😊😋

* দুপুরের মেনু।

* বিফ বিরিয়ানি
( রাইস+ বিফ+সালাদ)=২০০ টাকা।

*শুধুমাত্র হোম ডেলিভারি (চার্জ প্রযোজ্য)।

* অর্ডার করতে ইনবক্স করুন---

* যে কোন ঘরোয়া ও অফিসিয়াল অনুষ্ঠানের জন্য বিরিয়ানি অর্ডার নেওয়া হয়।

20/11/2022

যদি কোন কারন ছাড়া হঠাৎ করে আপনার ভেতর বিষণ্ণতা বা অস্থিরতা কাজ করতে থাকে, তাহলে জেনে রাখুন, আপনার রুহ চাচ্ছে আপনি যেন আল্লাহর যিকিরে লিপ্ত হন।

“নিশ্চয়ই আল্লাহর যিকিরে অন্তরসমুহ প্রশান্ত হয়”
- সুরা আর-রাদ-২৮

20/11/2022

যদি কাউকে কষ্ট দাও! আর সে যদি চুপ থাকে, তবে তার নীরবতাকে ভয় পাও ! কারণ এর বিচার স্বয়ং আল্লাহ করবেন !

•হযরত আলী (রাঃ)

20/11/2022

"কথা বলার উপযুক্ত সময় না হলে,
নিরব থাকাই শ্রেয়"

– হযরত মওলা আলী শেরে খোদা (আঃ) 🖤

30/10/2022

দরুদে তাজ এর ফযিলত ::
দরুদ তাজের অনেক ফযিলত রয়েছে তার মধ্যে কয়েকটা দিয়া হলো::
১) চন্দ্র মাসের প্রথম জুমু'আর রাত থেকে ১১ রাত পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে পবিত্র জামা কাপড় পড়ে খুশবু লাগিয়ে ক্বেবলামুখী হয়ে ১৭০ বার এই বরকতময় দরুদ শরীফ পড়ে শয়ন করলে ইনশাআল্লাহ আমার দয়াল নবীর দীদার নসীব হয়ে ধন্য হবেন।।
২) ক্বলবের পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা লাভের জন্য প্রতিদিন ফজর নামাযের পর ৭ বার, আসরের পর ৩ বার এবং ইশার নামাযের পর ৩ বার পাঠ করা যায়।
৩) এই দরুদ শরীফ জাদু টোনা ও জ্বিন শয়তানদের প্রভাব থেকেও মুক্ত রাখে।
৪) এই দরুদ শরীফ ১১ বার পাঠ করে ফুক দিলে মহামারী ও বসন্ত রোগ থেকে মুক্ত হওয়া যায়।
৫) প্রতিদিন ফজরের নামাযের পর নিয়মিত পড়লে রিজিক প্রশস্ত হয়।।
সুবহানআল্লাহ ❤️

27/09/2022

☪️মাহে রবিউল আউয়াল শরীফ☪️

ইয়া নবী সালামু আলাইকা,ইয়া রাসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা, সালাওয়াতুল্লাহ আলাইকা।
দরূদ ও সালামের মাস, ঈদ-এ মিলাদুন্নবীর মাহিনা মাহে রবিউল আউয়াল বর্ষ ঘুরে আবার সমাগত। ঋতুরাজ বসন্তের এ মাস
বিশ্বমুসলিমের হৃদয়কে গভীর অনুভূতিতে নাড়া দিতে আবার উপস্থিত। ঘরে ঘরে পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় মহল্লায়,গ্রামে-গঞ্জে, শহরে বন্দরে সর্বত্র সাড়া পড়ে গেছে আজ। সকলে এ মাসে ঈদ- এ মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপলক্ষে খােদার দরবারে শুকরিয়া আদায় করে ধন্য হতে ব্যস্ত। আয়ােজিত হচ্ছে
বড় বড় মাহফিল। এ সঙ্গে ব্যক্তিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রিয় জীবনে শান্তিময় সে আদর্শের প্রতিফলন ঘটানাের চেষ্টায় মানসিক ও ব্যবহারিক দিক থেকেও এ মাসে পাচ্ছে এক নতুন উৎসাহ, উদ্দীপনা ও গতিময়তা।
এ মাস হচ্ছে গুনাহগার বান্দাদের সংশােধনের মাস এবং পাপাচার, অন্যায় হতে তাওবা করার প্রকৃত সময়। রাহমাতুল্লিল আলামীন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উসিলা দিয়ে এ মাসে যে সব মুসলমান দোয়া করবেন খােদার অনুগ্রহে তাদের দোয়া কবুল হবার সৌভাগ্য নসিব হবার পূর্ণ আশা। স্মরণযােগ্য
যে, আবু লাহাব কাফির হওয়া সত্ত্বেও হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পৃথিবীতে আগমনের সংবাদ শুনে একজন বাঁদীকে আজাদ করার কারণে যদি খােদা তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহ অর্জন করার অধিকারী হতে পারে তবে নবীয়ে আক্বদাস সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদর্শের দিকে লক্ষ্য করে তাঁরই অসন্তুষ্টির হেতুসমূহ বর্জন করে তাঁর সন্তুষ্টিকারীগণ যে, আল্লাহর
নৈকট্য হাসিল করবেন তাতে সন্দেহের কি অবকাশ থাকতে
পারে? অধিকন্তু এ মাসে আল্লাহ তায়ালার বিশেষ রহমত ও বরকত সারা জাহানে বর্ষিত হয় বিধায় দ্বীন ও দুনিয়া উভয় জাহানের কামিয়াবী হাসিলের মাস হিসেবে এ মাসকে যথাযােগ্য
সমাদর ও গুরুত্ব দেয়া অপরিহার্য।

💚মাহে রবিউল আউয়াল শরীফের ইবাদত সমূহ💚

🔰রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ উদিত হওয়ার পর মাগরীব ও আওয়াবীনের নামায আদায়ের পরে দুই রাকাত নফল নামায পড়বেন। প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর তিনবার সূরা ইখলাস পড়বেন। সালাম ফিরানাের পর ১০০বার নিম্নের দরূদ শরীফটি
পাঠ করবেন-আল্লাহুম্মা সাল্লি আ'লা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিও ওয়া আ'লা আলি সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন ওয়া বারিক ওয়া সাল্লিম, বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।

অতঃপর মুনাজাত করবেন ইন শা আল্লাহ হাজত পূর্ণ হবে।

🔰তৃতীয় ও চতুর্থ সন্ধ্যায় চার রাকাত করে নামায আদায় করতে পারেন। প্রতি রাকাতে আয়াতুল কুরসী ৯বার, তােয়াহা ১বার; ইয়াসীন ১বার এবং ৩বার সূরা ইখলাস পাঠ করবেন।
অতঃপর দরূদ পাঠান্তে মুনাজাত করবেন।

💟ষোল রাকাআত নামাজ💟

'কিতাবুল আওরাদ' নামক কিতাবে আছে, যখনই রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দৃষ্টিগোচর হয়,তখন থেকে ওই রাতে দুই রাকাআতের নিয়্যত করে মোট ১৬রাকাআত নফল নাময পড়বে। ১বার সূরা ফাতিহা আর ৩বার সূরা ইখলাস দিয়ে। নামায শেষে নিম্নোক্ত দরূদ শরীফ (দরুদে উম্মী) মোট ১০০০বার পড়বে।

الهم صل على محمد نالنبى الامى وبارك وسلم..
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ছল্লি আলা মুহাম্মাদিন্নবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া বারিক ওয়া সাল্লিম।

এ নামাযের খুবই ফযিলত রয়েছে। আল্লাহ তা'আলা চাইলে ওই নামায আদায় কারী ও দরুদ শরীফ পাঠককে রাসুলে আকরাম সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলায়হি ওয়াসাল্লাম'র সাক্ষাৎ দ্বারা সৌভাগ্য মণ্ডিত করবেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন ওযূ সহকারে শয়ন করে।

🔰বিশ রাকাআত নামায🔰

'জাওয়াহিরে গায়বী' নামক গ্রন্থে আছে, এ মাসের ১২ দিন পর্যন্ত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রূহে আক্বদাসে এ নামাযের হাদীয়া প্রেরণ করতে থাকবেন।কেননা, হযরাতে সাহাবায়ে কেরাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম, তাবিঈন,তবঈ তাবিঈন এ হাদিয়া পেশ করতেন। এ নামাযের নিয়ম হলো- প্রত্যেক রাকাআতে ১বার সূরা ফাতিহা ২১বার সূরা ইখলাস পাঠ করবেন। বার দিনের মধ্যে কোনদিন সম্ভব না হলে অন্য দিন আদায় করবেন। এর হাদিয়া অবশ্যই রূহে আকদাসের প্রতি পাঠাতে যেন ভুল না হয়। এ নামায আদায়কারীকে হুযুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বপ্নযোগে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়ে থাকেন।

🔰দরূদ শরীফের ওযীফা🔰

মাহে রবিউল আউয়াল শরীফের সবচেয়ে বড় ওযীফা হচ্ছে দৈনিক নিয়মিত দরুদ শরীফ পাঠ করা। সুতরাং এ মাসে যত বেশি দরুদ শরীফ পাঠের চেষ্টা করা।

🔰'কিতাবুল মাশাইখ' নামক গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে যে, যখনই রবিউল আউয়াল শরীফের নব দৃষ্টিগোচর হবে, সে রাত থেকে গোটা মাস নিম্নোক্ত দরুদ শরীফ এশা নামাযের পর একহাজার পঁচিশ বার পাঠ করবেন। এতে করে ওই ব্যক্তি হুযুর সরওয়ারে কাইনাত সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলায়হি ওয়াসাল্লাম'র সাক্ষাৎ স্বপ্ন যোগে নসীব হবে। দরুদ শরীফটি হলো-
اللهم صل علي محمد وعلي ال محمد كما صليت علي ابراهيم وعلي ال ابراهيم انكا حميدم مخيد
উচ্চারণঃ আল্লাহম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লায়তা আলা ইবরাহীমা ওয়া আলা আ-লি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামী-দুম মাজীদ।

🔰 বুযুর্গব্যক্তি বলেছেন যে ব্যক্তি একনিষ্ঠতার সঙ্গে রবিউল আউয়াল মাসে এক লক্ষ পঁচিশ হাজার বার নিম্মের দরুদ শরীফ পাঠ করলে ওই ব্যক্তি হুযূর কারীম সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলায়হি ওয়াসাল্লাম'র সুপারিশ লাভে ধন্য হবেন।
দরুদ শরীফটি হলো-
উচ্চারণঃ আসসালাতু ওয়াসসালামু আলাইকা ইয়া রাসুলুল্লাহ ওয়াআলা আলিকা ওয়া আসহাবিকা ইয়া হাবীবাল্লাহ।

☪️ আমাদের উচিত, এ মাহে রবিউন নূর শরীফে পরিপূর্ণ মহব্বতের সাথে প্রতিটা সময়ে বেশি বেশি দরুদ শরীফ ও সালাত-সালাম,কুরআন তিলাওয়াত এবং ফাতিহা নেয়াজের মাধ্যমে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপনার্থে ইবাদত-বন্দেগী করা।

আল্লাহ তাওফীক্ব নাসীব করুন। আ-মিন।🤲

📚 তথ্যসূত্রঃ
১. গাউসিয়া তারবিয়াতী নেসাব। (পৃষ্ঠা-৩৬২-৩৬৩)
২. তরজুমান।

সালামান্তে,
💙গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মহিলা বিভাগ💙

20/09/2022

★★আখেরী চাহার সোম্বা'র ফজিলত★★
--------------------------------------------------------
সফরুল খাইরের আখেরী চাহার সোম্বা বা শেষ বুধবারের আমল : শেষ বুধবার সূর্যোদয়ের পূর্বে গোসল করা উত্তম। অতঃপর সুর্যোদয়ের পর দোহার নামাযান্তে দুই রাকাত নফল নামায পড়া যায়। প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর এগারবার সূরা ইখলাস বা কুল হুয়াল্লাহু আহাদ, সালাম ফিরানোর পর সত্তরবার বা ততোধিক দুরূদ শরীফ পাঠ করে নিন্মের দোয়া তিনবার পাঠ করবেন।
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা র্সারিফ আন্নী সুআ হাযাল ইয়াওমা ওয়া আসিমনী মিন সূয়িহী ওয়ানাযযিনী আম্মা আসাবা ফীহি মিন নাহূ সাতিহী ওয়া র্কুবাতিহী বিফাদ্বলিকা এয়া দাফিয়াশ র্শুরি ওয়া এয়া মালিকান নুশূরি এয়া আরহামার রাহিমীন; ওয়া সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলিহিল আমজাদি ওয়া বারাকা ওয়াসাল্লাম।এ দিন নিন্মের আয়াতে সালাম প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর পাঠ করে সিনায় ফুঁক দিলে এবং কলা পাতায় বা কাগজে লিখে তা পানীয় জলে দিয়ে তা পান করলে আল্লাহর রহমতে বহু রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।আয়াতে সালামبِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيْمِسَلَامٌ قَوْلًا مِنْ رَّبِّ الرَّحِيْمٌ- سَلَامٌ عَلَى نُوْحِ فِى الْعَالَمِيْن- سَلَامٌ عَلَى اِبْرَاهِيْم- سَلَامٌ عَلَى مُوْسَى وَ هَارُوْن- سَلَامٌ عَلَى اِلْيَاسِيْنَ – سَلَامٌ عَلَيْكُمْ طِبْتُمْ فَادْخُلُوْهَا خَالِدِيْنَ- سَلَامٌ هِىَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ-এ দিন গোসল করার পর একটি পবিত্র ও পরিষ্কার পাত্রে পানি নিয়ে কলাপাতা বা কাগজে নিম্নে দোয়া ও নক্সা লিখে পাত্রের পানিতে ডুবিয়ে অতঃপর কোমর পর্যন্ত পানিতে দাঁড়িয়ে মাথার উপর পানি ঢালবেন।আল্লাহর ফজলে রোগ-ব্যাধি থেকে এর দ্বারা নিরাপদ থাকবেন।দোয়া ও নক্সাبِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيْمِاِنَّ اللهَ يُمْسِكُ السَّمَوَاتِ وَالْاَرْضَ اَنْ تَزُوْلَا وَلَئِنْزَلَتَا اِنْ اَمْسَكَهُمَا مِنْ اَحَدٍ مِّنْ بَعْدِهِ اِنَّهُ كَانَ حَلِيْمًا غَفُوْرًا-۲ ۹ ٤۷ ۵ ۳٦ ۱ ۸
★★★আখেরী চাহার সম্বাহ সম্পর্কে ফক্বীহগণের অভিমত জাওয়াহেরুল কুন্জ ৫ম খন্ডের ৬১৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে সফর মাসের শেষ বুধবার সূর্যোদয়ের পূর্বে গোসল করা উত্তম। সূর্যোদয়ের পর দুই রাকাত নফল নামায পড়া ভাল।

★★★নিয়ম : প্রথম রাকাতে ‘কুলিল্লাহুম্মামালিকাল মুল্ক এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘কুল আদয়ুল্লাহা আদয়ুর রহমান’ থেকে সূরার শেষ পর্যন্ত পাঠ করবে। সালাম ফিরানোর পর নিম্নোক্ত দোয়া পাঠ করবে-আল্লাহুম্মাছরাফআন্নী র্শারা হাযাল ইয়াউমা ওয়াছমনী মিন শাউমিহি ওয়াজতানিবনী আম্মা আখাফু ফীহি মিন নহুছাতিহী ওয়া কুরবাতিহী বিফাদ্বলিকা ইয়া দাফিয়াশ শুরুরি ইয়া মালিকান্ নুশূরি ইয়াআরহামার রাহিমীন।

★★★অনুরূপভাবে ‘জাওয়াহেরে কান্জ, ৫ম খন্ড, ৬১৭পৃষ্ঠায় আছে, মাহে ছফরের শেষ বুধবার ‘সপ্তসালাম’ লিখে তা পানিতে ধুয়ে পানিটুকু পান করবে। আবদুল হাই লক্ষেèৗভী সাহেব তার মজমুয়ায়ে ফতওয়ায়ও একথা উল্লেখ করেছেন। “তাযকিরাতুল আওরাদ” কিতাবে উল্লেখ আছে-যে ব্যক্তি আখেরী ছাহার সম্বার প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাযের পর আয়াতে রহমত (সাত সালাম) পাঠ করে নিজের শরীরে ফুঁক দেয় বা তা পানের উপর লিখে ধুয়ে পান করে, আল্লাহ পাক তাকে সবরকম বালা মুছিবত ও রোগব্যাধি হতে নিরাপদ রাখবেন।“আনওয়ারুল আউলিয়া” কিতাবে বর্ণিত আছে- যে ব্যক্তি আখেরী চাহার সম্বার দিন দুই রাকাত নফল নামায আদায় করবে আল্লাহ পাক তাকে হৃদয়ের প্রশস্ততা দান করবেন। প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পর এগার বার সূরা ইখলাস নামায শেষে ৭০বার দুরূদ শরীফ পড়বে (আল্লাহুম্মা সাল্লি আ‘লা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহি ওয়া আসহাবিহী ওয়াসাল্লাম) অথবা প্রতি রাকাতে ৩ বার সূরা ইখলাস দ্বারা নামায শেষ করে ৮০বার সূরা আলাম নাশরাহলাকা, সূরা নসর,সূরা ত্বীন ও ইখলাস পড়বেন।

★আসুন জেনে নিই আখেরি চাহার সোম্বা কি এবং কেন?আগামি পরশু দিন পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা অর্থাৎ চন্দ্র মাস সফরের শেষ বুধবার...
20/09/2022

★আসুন জেনে নিই আখেরি চাহার সোম্বা কি এবং কেন?

আগামি পরশু দিন পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা অর্থাৎ চন্দ্র মাস সফরের শেষ বুধবার।
এ দিনে মহানবী [ﷺ] জ্বরমুক্ত হয়ে সর্বশেষ গোসল করেন। গোসল শেষে প্রিয় নাতিদ্বয় হযরত ইমাম হাসান (রাঃ) হযরত ইমাম হোসাইন (রাঃ) এবং মা ফাতেমা (রাঃ আনহা) কে ডেকে এনে তাদের সাথে সকালের
নাস্তা করেন। হযরত বেলাল (রাঃ) এবং সুফফাবাসীগণ বিদ্যুৎবেগে এই সুসংবাদ মদিনার ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দেন। এ সুসংবাদে সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে আনন্দের ঢেউ খেলে যায়। তারা বাঁধভাঙ্গা স্রোতের ন্যায় দলে দলে এসে হুজুর [ﷺ] কে এক নজর দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠেন। হুজুর [ﷺ] -এর রোগমুক্তিতে সাহাবায়ে কেরাম এতটাই খুশী হয়েছিলেন যে, হযরত আবুবকর সিদ্দিক (রাঃ) তৎকালীন সময়ে ৫ হাজার দিরহাম গরীবদের মধ্যে বিলি করে দিয়েছিলেন। হযরত
ওমর (রাঃ) দান করেন ৭ হাজার দিরহাম। হযরত ওসমান (রাঃ) দান করেছিলেন ১০
হাজার দিরহাম ও হযরত আলী (রাঃ) দান
করেছিলেন ৩ হাজার দিরহাম। ধনী ব্যবসায়ী হযরত আবদুর রহমান (রাঃ) ইবনে আউফ (রা.) ১০০ উট আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দেন। রাসূল [ﷺ] এর সামান্য
আরামবোধের কারণে সাহাবীগণ কিভাবে জান-মাল উৎসর্গ করতেন এটাই তার সামান্য নমুনা, সুবহানআল্লাহ। রাসূল [ﷺ] এর রোগমুক্তির দিবস
আখেরি চাহার সোম্বার দিনকে স্মরণীয়
করে রাখতে পারস্যসহ এশিয়ার পাক-ভারত
উপমহাদেশে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে এ
দিনটি পালন করা হয়। যারা এ দিবস
পালনকে বিদ’আত বলে অপ-প্রচার
করে তারা এ ঘটনাকে মুসলমানদের হৃদয়
থেকে মুছে ফেলার জন্যই তা করে।
সাহাবায়ে কেরামের বিরুদ্ধে অবস্থান
নিয়ে ইমান হারা হচ্ছে। অথচ পবিত্র
কোরআনে পূর্ববর্তী অনেক ঘটনার
বর্ণনা রয়েছে মানুষকে স্মরণ ও সতর্ক
করে দেয়ার জন্য। ফেরাউনের ঘটনা, হযরত
ইব্রাহীম (আ.) অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপের
এবং মুক্তির ঘটনা পবিত্র কোরআনে বর্ণিত
বহু অতীত ঘটনারই অংশ। কোরআনের এসব
অতীত ঘটনা স্মরণ করে মানুষ হেদায়েতের
আলো লাভ করে। আখেরি চাহার সোম্বা’র
দিনে অর্থাৎ আরবি সফর মাসের শেষ
বুধবারে গোসল শেষে শোকর গোজার
হিসেবে দু’রাকাত নফল নামাজ আদায়
শেষে রোগ থেকে শেফার দোয়া ও দান-
খয়রাত হচ্ছে বুজুর্গানে দ্বীনের আমল।
আখেরি চাহার সোম্বার দিনে বিভিন্ন
দরবার, মাজার, খানকায় ওয়াজ-নসিহত,
জিকির-আজকার, মিলাদ, দোয়া ও
মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এদিনে বিভিন্ন
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারী ছুটি থাকে।

Address

Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rawshan Ara laboni posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share